পিদিমজ্বলারাতে. ১১ ✍️ #রেহানা_পুতুল
খুব সচেতনভাবেই নিঃশব্দে কথাগুলো আওড়ালো জাবেদ। মনি তার মুখের অভিব্যক্তির দিকে ঠায় চেয়ে রইলো অবোধের ন্যায়। পরক্ষণেই বলল,
“কিছু ভাবতাছেন মনে হয়? নতুন কোন ফন্দি?”
জাবেদ সংবিৎ ফিরে পায়। মনির দিকে চেয়ে বলল,”ভাবতাছি কীভাবে কী করা যায়?”
“কোন বিষয়ে?”
“ট্যাবলেটের বিষয়ে। প্রমাণ করতে হবে এটায় আমাদের কোনো হাত নেই। কখনো বাড়িতে কোনো মেহমান আসলো। এবং তারাই হয়তো ভুলে রেখে গেছিলো।”
“কী কন,এইটা সম্ভব? শাক দিয়া মাছ ঢাকার মতন কথা কইলেন।”
“এইটা চাইলেই সম্ভব। কারণ তুই, আমি এখনো স্বীকার করিনাই কিন্তু।”
“কী জানি। অত বুঝি না। একটু আগে যে কইলেন তৌসিফ রে মাইরা ফালাইবেন। এইটা কইরেন না। আল্লার দোহাই লাগে। মানুষ হইয়া মানুষ হ ত্যা মহাপাপ। সে তো আপনার র ক্ত! আপন ভাতিজা।”
জাবেদ বন্য সুরে বলল,
“বললাম জিদ্দের বশে। আর সেও তো আপনের মতো আচরণ করেনাই। পরের মতো ব্যবহার দিছে। বেয়াদব হইছে একটা। সামনে যে আরো কি করবে তা সেই-ই ভালো জানে।”
দরজায় ঠকঠক করে কড়া নাড়ছে অভ্র। মনি ও জাবেদ তাদের বাক্য বিনিময়ের ইতি টানে। সেই রাতে আর কেউ একসঙ্গে ভাত খেল না। সবাই আগে পরে করে খেল ঘরের বিদ্যমান অবস্থার জন্য। প্রত্যেকে যার যার স্থানে শুয়ে পড়ল। সলিমুল্লা, মর্জিনা ও খুকী চাপা স্বরে আলাপ করতে থাগল প্রশ্নাতীত চোখে।
সলিমুল্লা বললেন,
“ছেলের সামনে বলতে পারিনাই। তবে তৌসিফের কথা আমার কিছুটা বিশ্বাস হইছে। সে আন্দাজে অন্যায়ভাবে চাচা,চাচীরে দোষারোপ করার মতো মানুষ নয়। কিন্তু প্রশ্ন হইলো জাহেদরে নরম কইরা,মৃত্যুর দিকে ঠেইলা দিলে জাবেদের কী লাভ? “
উনার কথায় একই সুর মেলাল স্ত্রী ও মেয়ে। খুকী উদ্বেগজনিত কণ্ঠে বলল,
“হ। ঠিকই। এই প্রশ্ন আমার মনেও বারবার উঁকিঝুঁকি মারতাছে। আমার শ্বশুর বাড়ির দুইজনের অনেকবছর ধইরা ডায়াবেটিস। কই তারা তো বড় ভাইর মতন শারীরিকভাবে এতো নরম হয়নাই। খাইতেও পারে ভালই। হাঁটচলাও করতে পারে স্বাভাবিকভাবে।”
সিমা ও তার মেয়ে সাথী একই বিছানায় ঘুমায়। তারা মা মেয়েও একে অপরকে বলতে লাগল,
“হইলেও হইতে পারে। এরা জামাই বউ দুইজনেই হারামী! স্বার্থবাদী! উপরে উপরে ভালা ভিতরে ভিতরে কালা।”
জাহেদের মন খারাপ প্রচন্ড রকমের। মুখাকৃতি অতিশয় বিষন্ন! ভিতরটা জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়ে যাচ্ছে। বিপন্ন মুখে নিজে নিজেই বললেন,
“আপন মায়ের পেটের ভাই এমন করতে পারল? কেনই বা করল এমন? কী অপরাধ আমার? কী করিনাই সংসারের জন্য? এই ছোট ভাইয়ের জন্য? আজ সেই ভাই আমাকে মারতে চায়? কীভাবে এই ট্যাবলেট আমাকে খাওয়ালো সেটাই আমার মাথায় ধরছে না। খোদা আমাকে নিয়ে গেলেই পারতো।”
রাবেয়া অভিমানী স্বরে থামায় স্বামীকে। বলল,
“এতো অলুক্ষণে কথা কইবেন না আল্লার ওয়াস্তে। আপনি ছাড়া আমার জীবনের দুই আনা মূল্যও নাই। এখনো কিন্তু চাক্ষুষ প্রমাণ হয়নাই কিছুর। সবর করেন। চুপ থাকেন। ছেলেরা যেহেতু আপনাকে ঢাকায় নিয়া উন্নত চিকিৎসা করাইছে,এখন আর কোনো সমস্যা নাই। আর আমি তো এখন সারাবেলাই নজর রাখুম আপনার দিকে। আপনিও যেই সেই কিছু দিলে চট কইরা মুখে দিবেন না।”
জাহেদ নিরব থাকে। রাবেয়ার অন্তরখানি ভোরের শিশির কণার মতো নির্মল! বিশুদ্ধ! স্বচ্ছ! জীবনের সমস্ত জটিলতা ও পংকিলতা থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে চায়। স্বামীকে মিথ্যা বুলি শোনালেও ছেলের কথা রাবেয়া একমনে বিশ্বাস করেছে। কেননা ডাক্তার কখনো মিথ্যা বা ভুল বলতে পারে না। তার পাশাপাশি বহু পুরনো একটি ঘটনা আজ রাবেয়ার মনে পড়ে গেল। রাতদিন সংসারের ঘানি টানতে টানতে রাবেয়া নিজের অনেককিছুই ভুলে গেল। কিন্তু ভুলেনি সেই একদিনের কথা। যেটা ছিল তার জীবনের একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। সেই অভিজ্ঞতাটুকুও বিদঘুটে! কুৎসিত! যেটার সাক্ষী কেবল সে,জাহেদ ও জাবেদ। অন্য কেউই জানে না। যেটা সে বলতেও পারবে না দ্বিতীয় কাউকে। ভাবছে স্বামীকে কী সেই পিদিম জ্বলা নিরব রাতের কথা মনে করিয়ে দিবে না-কি? তার ভাবনা রূপ বদলায়। নাহ দুর্বলতার কথা মনে করিয়ে দিতে নেই অত্যাবশ্যক না হলে। রাবেয়া উৎকণ্ঠাজনিত মনে ক্লান্ত দেহখানি এলিয়ে দেয় স্বামীর পাশে।
তৌসিফ ও তানভির পাশাপাশি শুয়ে আছে। প্রসঙ্গত পরিবারের নানা কথা উঠে এল দুই ভাইয়ের আলাপের মাঝে। তানভির তৌসিফের বেশ ছোট। স্বভাবে চঞ্চল। আড্ডাবাজ। দুরন্ত! সে ছোটবেলা থেকেই তুলনামূলক মায়ের আঁচলতলে কম থেকেছে। বাড়ির অন্যান্য বাচ্চাদের সাথে সারাক্ষণ উঠানে, এঘরে,সেঘরে খেলাধুলায় মেতে থাকতো। যেটা সে বড় হওয়ার পরেও অব্যাহত ছিলো। তাই ঘরের অন্তপুরের ছোট বড় বিষয়গুলো তার অদেখাই রয়ে গেল। অজানাই রয়ে গেল। এবং তার পূর্বের অতীতের কিছুও সে জানেও না। তৌসিফ মায়ের বড় সন্তান। সেই সুবাদে ঘরের,মায়ের,এবং মায়ের সাথে অন্যান্যদের চালচলনের অনেককিছুই তার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সে স্বভাবে ছিল শান্ত,চুপচাপ, ভদ্র ও স্বল্পভাষী। কিন্তু পরিস্থিতিতে সে তার স্বভাববিরুদ্ধ হতে বাধ্য হয়েছে।
রজনী কেটে গেল। প্রভাত হলো। ঘরের কোণে ডালিম গাছের সরু শাখায় বসে এক ঝাঁক চড়ুই পাখি চিউচিউ রবে মেতে উঠল। রাবেয়া কোমরে আঁচল গুঁজে উঠান ঝাড়ু দিতে লাগল। পাখিগুলোর দিকে চেয়ে করুণ হাসল। তাকে তার কাছে পাখিগুলোর চেয়েও ক্ষুদ্রকায় মনে হলো। নয়তো কেন সে মানুষ হয়েও তাদের মতো আনন্দে,শান্তিতে থাকতে পারে না। হয়তো এটাই তার নিয়তি। সে ঝাড়ু রেখে কোমরে হাত দিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়াল। ব্যথায় মুখ বিকৃত করে বলল, মাগো! আর পারি না, বলে মৃদু কুঁকিয়ে উঠলো।
বাকি দুই জা ও ননদ এখনো ঘুম থেকে উঠেনি। তাদের কোন দায় নেই ঘরের কাজ নিয়ে। সে ঘরের বড় বউ। যত দায়,দায়িত্ব,কর্তব্য কেবল তারই। রাবেয়া কোমর ঝুঁকিয়ে উঠানের বাকি অংশ ঝাড়ু দিয়ে নিল। কালিতে ভরা সব হাঁড়িপাতিল ও থালাবাটি নিয়ে পুকুরঘাটে চলে গেল রাবেয়া। সেগুলো ধুয়ে পিছনের উঠানে মাচার উপরে শুকাতে দিল। ঘরে গিয়ে চৌকির তলা থেকে বড় একটি নারকেল বের নিল। রান্নাঘরে গিয়ে নারকেলটি ভেঙে কুরিয়ে নিলো।
শুকনো পাটখড়ি ও সুপারি পাতা দিয়ে উনুন জ্বালিয়ে নিল। একটি মাটির খোলা বসিয়ে দিল গরম হওয়ার জন্য। খোলাজালি পিঠা তৈরি করবে শাশুড়ীর নির্দেশে। খোলাজালি পিঠা দিয়ে নারকেল চিনি মিশিয়ে খাবে। এটা সবার খুব পছন্দের একটি পিঠা ও নাস্তা।
সবাই রোজকার মতো উঠল আলস্য ভঙিতে হেলেদুলে। মুখ ধূয়ে নাস্তা সেরে নিল। তার ভাগে পিঠা রইল না বললেই চলে। যেটা সবসময় হয়ে আসছে। কষ্ট করে তৈরি করে সে। অবশেষে তার খেতে হয় সবার শেষে। অবশিষ্ট যা থাকে তা খেয়েই তার সন্তুষ্টি দেখাতে হয় তাদের।
এতো জনের জন্য একটানা পিঁড়িতে বসে একে একে অনেকগুলো পিঠা বানাতে গিয়ে আবারো কোমর ও পিঠ ব্যথায় রাবেয়া নাক মুখ কুঁচকে নিল। ইদানীং পিঠের ব্যথাটা তাকে খুব ভোগাচ্ছে। তৌসিফ ও তানভির এল মায়ের কাছে। তৌসিফ সারা উঠানের দিকে কঠিন দৃষ্টি নিক্ষেপ করল।
মায়ের দিকে চেয়ে সবাইকে শুনিয়ে কটাক্ষ স্বরে বলল,
“বাহ! উঠানটা খুব সুন্দর হয়েছে। চমৎকার! এতগুলো পিঠা বানিয়েছো। নারকেল কুরিয়েছো। হাঁড়িপাতিল ধুয়েছো। স্বামীসেবা করেছো? জীবনের একটা দিন কী নিজের পিছনে ব্যয় করেছ এমন? নিজের শরীরের যত্ন, সৌন্দর্য ও সুস্থতার দিকে কখনো মন দিয়েছ?”
“ভাইয়া, তুমি বারবার আম্মাকে ব্লেইম দাও কেন? আম্মা হলো সবার নাচের পুতুল! হুকুমের দাস!”
কপট রা গ দেখিয়ে বলল তানভির।
“বৌকে মেরে ঝি-কে শেখানোর বিষয়টা যদি আমার শ্রদ্ধেয় পিতাসহ অন্যরা না বোঝার ভান করে থাকে,সেখানে আর কিছুই বলার নেই।”
রাশভারী গলায় কথাগুলো বলে তৌসিফ লম্বা লম্বা কদম ফেলে বাড়ির বাইরে চলে গেল। বাজারে গিয়ে চায়ের দোকানে বসল পায়ের উপর পা তুলে। কড়া লিকারের দুধ চায়ের অর্ডার দিল।
রাবেয়ার নয়নজোড়া ছলছল করে উঠল। আঁচলের কোণ দিয়ে নয়নকোণ মুছে নিল। তানভির মায়ের মায়াভরা মুখখানার দিকে ঠায় চেয়ে রইলো।
সকাল দশটার দিকে জায়গা মাপার দুজন আমিন চলে এলো। সলিমুল্লা ঘর হতে বেরিয়ে এলেন তাদের গলার আওয়াজ শুনেই। একজন সালাম দিয়ে বলল,
“আপনের ছোট নাতি কাইল গিয়া বইলা আসল। তাই অন্যদিকের কাজ ফেলে চলে এলাম। আগে বাইরের জমিনগুলার দিকে যাইবেন না-কি বাড়িরগুলা ধরবেন?”
জাবেদ ঘর হতে বেরিয়ে এল উঠানে। সে বলল,
“আগে জমির দিকে চলেন। আমি আবার রওনা দিব চিটাগং এর দিকে।”
তারা পা বাড়াচ্ছিল বাইরে ক্ষেতের দিকে যাওয়ার জন্য। তখন তৌসিফ বাজার থেকে এসে পড়ল বাড়িতে। গম্ভীর গলায় আমিনদেরকে বলল,
“আগে আমাদের বাড়ির ভিতরের জায়গা মাফ দেন। আমি ঢাকা চলে যাব। এটা জরুরী!”
জাবেদ তাচ্ছিল্যভরা সুরে বলে উঠল,
“আব্বাকে,আমাকে তোর মানুষ মনে হয় না?”
“মাঝে মাঝে মনে হয়। নয়তো এতোদিনে আরো কান্ড করে ফেলতাম।”
আমিনেরা সলিমুল্লার সম্মতির অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছে মৌন ভঙ্গিতে। তিনি তাদের বললেন,
“আইচ্ছা,তাইলে বাড়ির ভিতরের সীমানা মাফ দেওন শুরু করো তোমরা।”
জাবেদ তব্দা খেল পিতার কথা শুনে। সলিমুল্লা তাকে আস্বস্ত করে বলল,
“ওই আইজ কয়দিন ধইরা পাগলা কুত্তা হইয়া আছে। ক্ষেপান ঠিক হইব না। আগে পরে সবই ভাগ হইবো।”
ঘরের ভিতর হতে ছোট বড় সবাই বেরিয়ে এল। উঠানে জড়ো হলো। রাবেয়া একটি বেতের মোড়া নিয়ে রোদের মাঝে রাখল। জাহেদকে হাত ধরে নিয়ে বসিয়ে দিল মোড়াটিতে। আমিনেরা তাদের কাজ শুরু করল। তাদের সাথে গেল সলিমুল্লা, জাবেদ ও তৌসিফ। তৌসিফ মাথা তুলে কয়েকটি গাছের দিকে চাইল। তানভিরকে ডাক দিল উচ্চস্বরে।
“এই তানভির কই তুই? এদিকে আয়।”
তানভির বাথরুম হতে বেরিয়ে এল। তার স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে বলল,
“ইয়েস ভ্রাতা। কী করিতে হইব বলো হে? আমি অত্যন্ত জরুরী কার্যে ব্যতিব্যস্ত ছিলাম।”
“কাঁঠাল গাছে উঠ। ওই দুইটা ডাল কেটে নিচে ফেল।”
“ভ্রাতা কেন কেন?”
“আমাদের ঘর করার ভিটার চারকোণায় খুঁটি দিতে হবে।”
চোয়াল শক্ত করে বলল তৌসিফ।
রাবেয়া না পেরে মোলায়েম স্বরে ছেলেকে বলল,
“বাবা, খুঁটি দেস দে। তুই নতুন ঘর করবি কর। বিয়ে করলে বউরে নিয়ে থাকতে পারবি। তানভিরও থাকব। তবে আমি আর তোর আব্বা এই ভিটায় থাকব। আমরা এক ঘরে সবাই ভালই আছি। মিলেমিশে আছি।”
তৌসিফ চলে গেল আমিনদের কাছে। সে সরে যেতেই মর্জিনা ঝনঝন করে উঠল। ঝাঁঝালো স্বরে রাবেয়াকে বলল,
“হইছে,আর সাধু সাজতে হইব না। ভং ধরন লাগব না। ছেলেরে দিয়া জুদা হওন,নয়া ঘর তোলন এইসব যে তোমার কারসাজি,তা আমরা সকলেই কিন্তুক জানি।”
খুকী ও মায়ের সাথে সুর মেলাল বিড়বিড়িয়ে। তানভির শুনতে পেল পাশে দাঁড়ানো থেকে। সে চেঁচিয়ে উঠল। তার গলা শুনে তৌসিফ এগিয়ে এল। “কী হয়েছে রে?”
“দাদী আর ফুফু মিলে আম্মাকে দোষারোপ করে ঝাড়তে লাগল। আম্মাই নাকি এসব করাচ্ছে তোমাকে দিয়ে।”
“তুই আমিনদের কাছে যা।”
তানভির ব্যস্তসমেত হয়ে খালি পায়ে আমিনদের কাছে গিয়ে দাঁড়ায়। তৌসিফ দাদী ও ফুফুর দিকে চেয়ে থমথমে মুখে বলল,
“এখন তো মনে হচ্ছে এতটা বছর ধরে আমার মা পণ্ডশ্রম করল স্বামীর সংসারে। নয়তো আপনাদের এই আস্থাটুকু অর্জন করতে পারল না কেন এতবছর ধরে? আমার মা বাধা দিচ্ছে আমাকে,সেটাকে ভালো না বলে উল্টো দোষী সাব্যস্ত করলেন? কোনো মানেই হয় না আর আপনাদের জন্য তার কিছু করার।”
“কী কথা তোর। বাপসরে! যা করা লাগব না তোর মায়ের। তারে শোকেসে সাজাইয়া রাখ নিয়া। আমাগো হাত আছে? এর ডাবল কাম আমিও করি স্বামীর বাড়ি।”
বিষকণ্ঠে বলল খুকী।
“আজ থেকে,এখন থেকে আমার মা রাবেয়া, স্বামীর যৌথ সংসারের সমস্ত কাজ হতে ইস্তফা দিল। কলুর বলদের মতো,গাধার মতো স্বামীর সংসারের ঘানি অনেক বেশী টেনে ফেলেছে। আর সম্ভব নয়।”
বাজখাঁই কণ্ঠে সবাইকে শাসিয়ে বলল তৌসিফ। নিমিষেই জাহেদ গর্জে উঠল ছেলের উপর। রুদ্রমূর্তি ধারণ করে বলল,
চলবে…১১
#
Share On:
TAGS: পিদিম জ্বলা রাতে, রেহানা পুতুল
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
পিদিম জ্বলা রাতে পর্ব ১০
-
পিদিম জ্বলা রাতে পর্ব ১৬
-
পিদিম জ্বলা রাতে পর্ব ১২
-
পিদিম জ্বলা রাতে পর্ব ৭
-
পিদিম জ্বলা রাতে পর্ব ৫
-
পিদিম জ্বলা রাতে পর্ব ১৫
-
পিদিম জ্বলা রাতে পর্ব ৩
-
পিদিম জ্বলা রাতে পর্ব ৬
-
পিদিম জ্বলা রাতে পর্ব ১
-
পিদিম জ্বলা রাতে পর্ব ১৪