কীভয়ংকরমায়া_তোর
পার্ট_২৬
লেখিকাআরিফাতাসনিম_তামু
কপি করা সম্পূর্ণ নিষেধ 🚫❌_
চোখ বন্ধ করে এপাশ ওপাশ করছে রোদ।চোখে ঘুমই ধরা দিচ্ছে না বারবার আদ্রের কথা মনে পড়ছে।আচ্ছা লোকটা কী করছে এখন?নিশ্চয়ই ঘুমাচ্ছে রাত তো কম হয়নি!প্রায় একটার কাছাকাছি বাজে।রোদ শোয়া থেকে উঠে বসলো।তার মন মরিয়া হয়ে উঠেছে লোকটাকে একটা নজর দেখার জন্য। এমন কেন হচ্ছে তার?নিজের মনকে নিজেই প্রশ্ন করল সহসাই উওর এলো।
—তুই কঠিন ভাবে ওই সুদর্শন লোকটার প্রেমে পড়েছিস।
এমন উওরে রোদ চোখ বড় করে বুকে হাত দিয়ে অনবরত শ্বাস নিতে শুরু করলো।সে কী সত্যি ওই লোকটার প্রেমে পড়েছে?মনের ভিতর একঝাঁক পাখি ডানা মেলে উঠতে শুরু করল।রোদ লাফিয়ে বিচানা ছেড়ে নেমে গায়ে ওড়না জড়িয়ে ছুঁটলো রৌদ্রের রুমের দিকে।
রৌদ্রের রুমের সামনে দাঁড়িয়ে দোয়া দরুদপাঠ করছে রোদ।দরজা চাপানোই আছে।তবুও ভিতরে যাওয়ার সাহস পাচ্ছে না সে।যদি ধরা খেয়ে যায় কী জবাব দিবে সে?আরো কিছুক্ষণ দোয়া দরুদপাঠ করার পরও বুক ফুলিয়ে শ্বাস টেনে দরজায় হাত রেখে আস্তে করে ধাক্কা দিয়ে।মাথা ডুকিয়ে উকি দিলো।একি বিচানা খালি কেউই নেই রোদ ভিতরে ডুকে ভালো করে চেক করলো নাহ দুজনের একজনও নেই।গেলো কই এতো রাতে দুজন?রোদ ভাবতে লাগলো কোথায় যেতে পারে।
ছাঁদের রেলিং ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আকাশের প্রাণে তাকিয়ে আছে আদ্র হয়তো কিছু ভাবছে।আকাশে শত শত তাঁরা ঝলমল করছে। আর এত তাঁরার বিঁড়ে নিজের সৌন্দর্য আর আলো ছড়াচ্ছে গোলাকার চাঁদ টা।আদ্র নিজ ভাবনায় এতোটাই ডুকে ছিলো যে তার পিছনে কখন যে রৌদ্র এসে দাঁড়িয়েছে টেরও পায়নি।হঠাৎ কাঁধে কারো হাতের স্পর্শ পেতেই চমকে উঠে পিছনে ফিরে আদ্র।রৌদ্র দাঁড়িয়ে তার দিকে চেয়ে আছে।
—এতরাতে এখানে কী?ঘুমাস নি?
আদ্রের কথা রৌদ্র হালকা হেঁসে বলল
—ঘুম আসছে না।তুই এখানে কী করছিস?
—এমনি দাঁড়িয়ে আছি।তুই যা ঘুমা ঘুম আসছে না বললে তো হবে না।না ঘুমালে শরীর খারাপ হবে।
—তোর শরীর খারাপ হবে না?
আদ্রের কথায় তৎক্ষনাৎ পাল্টা প্রশ্ন করলো।রৌদ্রের কথায় আদ্র উওর না দিয়ে আবারও আকাশের প্রাণে তাকালো।তার আর এসব ভালো লাগছে না। বোকা মেয়েটাকে কবে সে তার মনের কথা বুঝাতে পারবে?আদৌ কী মেয়েটা বুঝবে?তাকে কী ভালোবাসবে নাকি তার ভালোবাসা এক তরফা হয়ে যাবে?
—দুনিয়াতে এত মেয়ে থাকতে তুই কেন সেদিন ওই পিচ্চির প্রেমে পড়লি?
হঠাৎ রৌদ্রের এমন প্রশ্নে আদ্র ভাবনার সুতো ছিঁড়ে বের হয়ে আসে।আকাশ থেকে দৃষ্টি সরিয়ে রৌদ্রের প্রাণে তাকালো।রৌদ্র অধীর আগ্রহে উওরের অপেক্ষা করছে।আদ্র হালকা হেঁসে বলল
—প্রথম বার যখন ওর চোখের দিকে তাকিয়ে ছিলাম সেদিন ওর চোখে নিজের ধ্বংস দেখতে পাই।ওই ছোট ছোট আঁখি যুগল থেকে এক পোঁটা পানি ঝরলে।এই শক্তপোক্ত আমিটা ভিতর থেকে ভেঙ্গেচুরে যাই। পিচ্চিটা এসে ছিলোই আমাকে ধ্বংস করার জন্য।
একটু থেমে আদ্র আবারও বলতে শুরু করলো—
—বিদেশ থাকা কালিন কতশত সুন্দরী রমনী যে আমার পিছে ঘুরেছ।অনেকে সরাসরি প্রপোজ ও করেছে।কিন্তু আমি ফিরেও চায়নি তাদের দিকে।আমার চোখের বার বার একটা পিচ্চির চেহারা ভেসে উঠতো।আর মনে হতো পৃথিবীর সকল নারীর সৌন্দর্য ফি’কে আমার পিচ্চির সৌন্দর্যের কাছে।সেই যে এটুকুন দেখে গেলাম বাকি এতগুলা বছর না দেখেই ভালোবেসে গেছি।দেশে আসার পর যখন জানতে পারি আমার পিচ্চি পরীটা হারিয়ে গেছে তখন আমার দুনিয়া ঘুরে গিয়েছিলো।বুকটা ধুপ করে জ্বলে উঠে অসহ্য ব্যথা অনুভব করি।বার বার নিজেকে দোষী মনে হয়েছে। সেদিন যদি আমি আমার ছোট্ট ফুলটাকে ছেড়ে না যেতাম তাহলে কখনো এইদিন আসতো না।আমার মনে হেয়েছে আমার ছোট্ট ফুলটা আমার উপর অভিমান করে হারিয়ে গেছে।কোথায় না খুঁজেছি তাকে?পাগলের মতো খুঁজেছি না সব তন্নতন্ন করে।কিন্তু আমি ব্যর্থ হই।পায়নি আমার পাখিটাকে কোথাও।সিজদায় পড়ে আল্লাহর কাছে দু’হাত মেলে ভিক্ষা চেয়েছি।শেষমেশ সিদ্ধান্ত নি আমিই আর এই পৃথিবীতে থাকবো না। কিন্তু আল্লাহ আমার দোয়া কবুল করেছে ফিরিয়ে দিয়েছে আমার ফুলটাকে।এখন তাকে আমার কাছে বন্দী করার অপেক্ষা খুব তাড়াতাড়ি সেটাও করে নিবো।
এতক্ষণ মনোযোগ দিয়ে আদ্রের কথা শুনা রৌদ্রের চোখ জোড়া হঠাৎ ছলছল করে উঠলো।এভাবেও কাউকে ভালোবাসা যায়?তার বোনটা বড্ড ভাগ্যবতী এরকম একটা পাগলাটে প্রেমিক পুরুষের ভালোবাসা পেয়ে।
—এভাবেও যে ভালোবাসা যায় তোকে না দেখলে বুঝতামই না।
ধরে আসা কন্ঠে বলল রৌদ্র। তার কথা আদ্র প্রাণ খোলা হাসি দিয়ে বলল
—একের পর এক নারীর সৌন্দর্যের প্রেমে পড়ে কাপুরষরা।আসল পুরুষ তো সে যে এক নারীর সৌন্দর্যের বর্ণনা করতে করতে তাকে নিয়ে গোটা একটা জীবন পার করে দেয়।
__🌺
সকাল সকাল রোদের মনটা ভার হয়ে আছে।কারণ ঘুম থেকে উঠেই জানতে পারে খুব সকালেই আদ্র চলে গেছে।তার নাকি গুরুত্বপূর্ণ কাজ পড়েছে।মন খারাপি নিয়ে নাস্তা শেষ করে সবার সাথে সোফায় বসল।বড়রা কেউই নেই ছোটরা সবাই বসে বসে আড্ডা দিচ্ছে কথায় কথায় উঠে সবাই মিলে ঘুরতে জাবে।এই প্লান অবশ্য সাইফের। তবে সাইফের কথায় রৌদ্র একটু বেশিই অবাকই হয়েছে।যে ছেলেকে রাত ছাড়া বাড়িতে ১০ মিনিটের বেশি পাওয়া যায় না।পরিবারকে দাওয়ার মতো সময়ই তার হাতে নেই সে নাকি সবার সাথে ঘুরতে যেতে চায়?এটা কী সত্যি শুনছে সে?তারও একটু অফিসে কাজ আছে তবুও ভাই যেহেতু বলছে এই আবদার ফেলে দাওয়ার মতো না।
—ভাইয়া আদ্র ভাইকেও বলো আসতে আমরা সবাই একসাথে জাবো।
সাইফের কথায় রৌদ্র শায় জানিয়ে বলল
—বলবো তবে আসবে কিনা জানি না ও বলল গুরুত্বপূর্ণ কাজ আছে ওর।
আদ্রের কথা শুনে ফারাহ্”র মন খুশিতে নেচে উঠলো।আর রোদ সে খুশি হতে পারছে না। লোকটা কী গুরুত্বপূর্ণ কাজ ফেলে আসবে?সবাই চায় আদ্র তাদের সাথে যাক কিন্তু এত কিছুর মধ্যেও নারাজ ফাহিদ সে চায় না আদ্র যাক।সে আপত্তি জানিয়ে বলল
—থাকুক না বলাই ভালো গুরুত্বপূর্ণ কাজ ফেলে মনে হয় না আসবে।তার চেয়ে আমরা আমরাই যাই।
ফাহিদের কথাটা কারোই পছন্দ হয়নি।বিশেষ করে রৌদ্রের সে গম্ভীর কন্ঠে উওর দিলো।
—আদ্রকে নিশ্চয়ই আমার থেকে তুমি বেশি চিনবে না।আমি যদি এখন কল দিয়ে বলি তাহলে এরকম হাজারটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ ফেলে ছুটে আসবে ও।
ফাহিদ একটু অপমানবোধ করল।তবে কিছুই বলল না।রৌদ্র সবার সামনেই ডায়াল করল আদ্রের নাম্বারে রিং হওয়ার কিছুক্ষণ পরই রিসিভ হলো রৌদ্র লাউড স্পিকারে দেয়।
—হ্যাঁ বল।
—কোথায় তুই?
—অফিসের কাজে আছি একটু।কেন কিছু বলবি?
আদ্রের কথা রৌদ্র সবার দিকে একপলক চেয়ে বলল
—কাজটা কী বেশি গুরুত্বপূর্ণ? পরে করা যায় না।
—কাজটা অনেক important। কিন্তু পরে করার কথা বলছিস কেন?
—না মানে আমরা সবাই ঘুরতে যাচ্ছি সবাই চায় তুইও আমাদের সাথে ঘুরতে যেতি।
রোদ আগ্রহ চোখে কান খাড়া করে আদ্রের উওরের অপেক্ষা করছে।কিছুক্ষণ পরই আদ্রের উওর আসে।
—কখন আসতে হবে বল।
—এখনই চলে আয়।
—ওকে আসছি।
বলে কল কেটে দেয় আদ্র।রৌদ্র কানা চোখ ফাহিদের চুপসে যাওয়া মুখ দেখে নিয়ে সবার উদ্দেশ্য বলল
—সময় ৩০ মিনিট সবাই রেডি হয়ে তাড়াতাড়ি এসো।
রোদ ফুরফুরে মন নিয়ে সবার আগে উঠে গেলো।আজকে একটু সাজা যাক।আস্তে আস্তে সবাই যে যার মতো চলে গেলো।
সবাই রেডি হয়ে বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে আদ্রের জন্য অপেক্ষা করছে।২ মিনিট পরই একটা কালো রঙ্গা বাইক খান বাড়ির গেটে দিয়ে ডুকলো।বাইকের আওয়াজে সবাই সে দিকে তাকালো।বাইকটা এসে সবার সামনে থামলো।বাইকে বসা কালো খয়েরী রঙের শার্ট সাথে সাদা প্যান্ট পরা ফর্সা হাতে কালো ফিতার ব্যান্ডের ঘড়ি পরা আদ্র।হেলমেট খুলে হাত দিয়ে চুল গুলো সেট করতে করতে সবার দিকে তাকালো।চোখ আটকায় তার দিকে হা করে তাকিয়ে থাকা দুই রমনীর উপর ফারাহ্ রোদ দুজনেই আদ্রকে গিলে খাচ্ছে। আদ্র ফারাহ্’র দিকে এক পলক চেয়ে চোখ সরিয়ে রোদের দিকে তাকালো।মেহেরুন রঙ্গের গাউন পড়েছে সাথে মেসিং হিজাব।সিম্পল সাজে নিজেকে সাজিয়েছে বরাবরের মতো এবার পরীর চেয়ে কম লাগছে না।আদ্র রৌদ্রের দিকে চেয়ে বলল
—তোরা গাড়িতে যা আমি বাইকে যাবো।
—আচ্ছা।
তার পর সবাইকে বলল গাড়িতে বসতে। আদ্র চোখে রোদ চশমা লাগিয়ে বাইক গুরিয়ে নিতেই রোদের কথা কানে আসে।
—আমাকে আপনার সাথে নিবেন গাড়িতে যেতে ইচ্ছে করছে না ।
বোনের কথায় রৌদ্র অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে।সবাই গাড়ি উঠে গেছে ততক্ষণে। আদ্রের মুখোবার স্বাভাবিক। রোদ আদ্রের উওরের অপেক্ষায় তাকিয়ে আছে।
—এসো।
আদ্রের বলতে দেরি হলেও রোদের উঠে বসতে দেরি হয়নি।রৌদ্র অদ্ভুত চোখে ওদের দিকে চেয়ে আছে।আদ্র অগোচরে রৌদ্রকে চোখ মারলো।রৌদ্র মুখ ভেংচি কেটে লোকেশন বলে দিলো।তারপর গাড়িতে গিয়ে বসলো।
—ধরে বসো পড়ে যাবে।
আদ্রের কথা রোদ আরেকটু চেপে বসে আদ্রের কাঁধে হাত রাখলো।আদ্র লুকিং গ্লাসে রোদের মুখটা দেখে মুচকি হাসে বাইক র্স্টাট দিলো।
সবাই যে যার মতো করে ঘুরছে মেয়েরা তো পিক তোলায় ব্যস্ত।রৌদ্র আর আদ্র এক পাশে দাঁড়িয়ে কথা বলছে।সাইফ রোদদের পিক তুলে দিচ্ছে। ফাহিদ ফোনে কথা বলায় ব্যস্ত।ছবি তোলার মাঝখানে রোদ খেয়াল করলো আশে পাশের অনেক মেয়েরাই আদ্র রৌদ্র দুজকেই গিলে খাচ্ছে। এরকম মধ্যে তার কানে আসলো দুটা মেয়ের ফিসফিসানি
—খয়েরী রঙ্গের শার্ট পড়াটা আমার আর নীল রঙ্গের টা তোর।
মেয়েগুলার কথা কানে যেতেই রোদ আর পিক তুলবে না বলে। নিজে নিজে একা একা হাঁটতে লাগলো।আদ্রের খেয়াল হতে রৌদ্রকে বলে রোদের পিছন পিছন ছুটলো।হাঁটতে হাঁটতে পা ব্যথা করছে হাই ফিল পড়ে হাঁটতে অনেক কষ্ট হচ্ছে।রোদ একটা বেঞ্চে বসে পড়ে।বাম পাশে তাকালো।একটা ছেলে আর মেয়ে হাত ধরাধরি করে হাঁটতে আর হেঁসে কথা বলছে।মেয়েটা কথা বলার মাঝখানে ছেলেটার কাঁধে মাথা রাখছে।হয়তো কাপল ওরা।রোদের কাছে দৃশ্য টা বেশ ভালোই লাগলো।হঠাৎ পায়ে কারো হাতের স্পর্শ পেতে চমকে উঠে তাকালো।আদ্র হাঁটু গেড়ে বসে ওর জুতা খুলছে।
—আরে কী করছেন পায়ে হাত দিয়েছেন কেন?
বলেই পা ছাড়িয়ে নিতে চাইল রোদ।আদ্র দিলো এক ধমক।
—চুপচাপ বসে থাকো না হলে একটা থাপ্পড় দিয়ে সব দাঁত ফেলে দিবো।
ধমকে মুখ ভোঁতা করে বসে রইল রোদ।আদ্র অগোচরে ঠোঁট বেঁকিয়ে হাসলো।ধমক না দিলে মেয়েটা কথাই শুনতো না।রোদের জুতা জোড়া খুলে নিজের পায়ে জুতা গুলো রোদ কে পড়িয়ে দিয়ে।এক হাতে রোদে জুতা নিয়ে অন্য হাতে রোদের এক হাত চেপে ধরে বলল
—চলো।
রোদ বিনা বাক্যে আদ্রের সাথে পা মিলালো।আশেপাশে অনেক ওদের দিকে চেয়ে আছে।কেউ কেউ মুচকি হাসছে আবার কেউ ফিসফিস করছে। রোদের কেন জানি এসব দেখে ভালো লাগছে। প্রচুর গরম পড়ছে।রোদের গলা শুকিয়ে আসছে একটা কোল ড্রিংস বা আইসক্রিম হলে ভালো হতো।কিন্তু আদ্রকে বলতে পারছে না।রৌদ্র হলে নিরদ্বিধায় বলে দিতো। আদ্র রোদকে একটা ঠান্ডা জায়গায় বসিয়ে বলল
—এখানে বসো আমি এখুনি আসছি কোথায় যাবে না।
—আচ্ছা
আদ্র চলে গেলো। মিনিট পাঁচেক পর ফিরে এলো।হাতে দুটা আইসক্রিম আর দুটা ড্রিংস নিয়ে। যত্ন সহকারে আইসক্রিমের খোসা ছাড়িয়ে রোদের দিয়ে বাড়িয়ে দিয়ে বলল
—নাও।
রোদ হাতে নিয়ে কামড় বসালো তাতে।আহা কী শান্তি গরমে তার জান যায় যায় অবস্থা। আদ্রের প্রতি ভালো লাগা আরেক ধাপ বেড়ে গেলো।সে না বলতেই লোকটা সব বুঝে কেমনে।
—আপনি খাচ্ছেন না কেন?
—ইচ্ছে করছে না তুমি খাও তাড়াতাড়ি ওটা শেষ করো এটা গোলে যাচ্ছে তো।
রোদ নিজের আধা খাওয়া আইসক্রিম টা আদ্রের দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল
—নিন।
আদ্র একবার আইসক্রিমের দিকে তাকালো তার পর রোদের দিকে।রোদের ঠোঁটের কোণে লেগে থাকা আইসক্রিম যত্নসহকারে মুছে দিয়ে। আইসক্রিমে কামড় বসালো।ঠোঁটের কোণে আদ্রের হাতের স্পর্শ পেতেই রোদ কেঁপে উঠলো।তা দেখে আদ্র হাসলো।
(ঈদে আগে আর কোনো পার্ট আসবে না।কেমন হয়েছে জানিও আর রেসপন্স করো)
চলবে….
Share On:
TAGS: আরিফা তাসনিম তামু, কী ভয়ংকর মায়া তোর
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
কী ভয়ংকর মায়া তোর পর্ব ১৩
-
কী ভয়ংকর মায়া তোর পর্ব ২১
-
কী ভয়ংকর মায়া তোর পর্ব ১৪
-
কী ভয়ংকর মায়া তোর পর্ব ৪
-
কী ভয়ংকর মায়া তোর পর্ব ২৪
-
কী ভয়ংকর মায়া তোর পর্ব ১৮
-
কী ভয়ংকর মায়া তোর গল্পের লিংক
-
কী ভয়ংকর মায়া তোর পর্ব ৫
-
কী ভয়ংকর মায়া তোর পর্ব ৭
-
কী ভয়ংকর মায়া তোর পর্ব ১৬