Golpo romantic golpo অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ সিজন ২

অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ সিজন ২ পর্ব ১


~~ ‘এই যুগে এসে কেউ অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ করে না, সাইকোলজিস্ট! আর আমি সবে কলেজে পড়ি, আপনার লজ্জা হওয়া উচিত আমাকে বিয়ে করতে। আমার-আপনার বয়সের পার্থক্য কখনো লক্ষ করেছেন?না করে থাকলে, ক্যালকুলেটর অ্যাপের লিঙ্ক পাঠালাম, হিসেব মেলাবেন— এবং অবশ্যই, অবশ্যই এই বিয়েতে আপনি মানা করে দিবেন।
ইতি তিতলি! ‘

সাইকোলজিস্ট এফসিপিএস ট্রেইনি শোয়েব হায়দারের পার্সোনাল নম্বরে মেসেজটা পাঠিয়ে তিতলি মুখ ফুলিয়ে দোলনায় বসে থাকলো। ওর মাথাটা রীতিমত চিরবিড়িয়ে উঠছে। এই বয়স্ক লোকটার কতবড় সাহস, এই বয়সে এসে নিজের হাঁটুর বয়সী মেয়েকে কিনা বিয়ে করবে। অত্যন্ত জঘন্য আচরণ এটা, তিতলির মোটেও পছন্দ না এমন পেডোফিল ছেলেদের।

শোয়েব সবেই গোসল করে বেড়িয়েছিল। আজ সারাদিন বেশ ধকল গেছে ওর উপর। টাওয়াল দিয়ে ভিজে চুল ঝাড়তে ঝাড়তে ও বিছানার দিকে এগিয়ে ফোনটা হাতে তুললো। একটা অচেনা নম্বর থেকে মেসেজ এসেছে— শোয়েব ভ্রু কুচকালো।

মেসেজটা খুলে দেখলো, চশমা নেই চোখে— কিছু পড়তে পারলো না অবশ্য। শোয়েব টাওয়ালটা ফেলে চশমা চোখে দিয়ে পড়া শুরু করলো!

পুরো মেসেজটা পড়ামাত্রই শোয়েবের মস্তিষ্ক টগবগ করে উঠে রীতিমত। ও রাগে দাঁতও চেপে ডাকে চিৎকার করে————-‘আপু, এই আপু। এদিকে আসো। এই আপু।’

সায়মা বই পড়ছিল নিজের রুমে বসে, হুমায়ুন আহমেদের ‘অপেক্ষা’ নামক একটা দুর্দান্ত বই পড়া ফেলে ভাইয়ের এমন হাঁক-ডাক শুনে দ্রুত ওড়না টেনে গায়ে জড়িয়ে শোয়েবের রুমের দিকে ছুটলো।

এসে দেখে শোয়েব বিছানায় বসে রাগে রীতিমত ফুসফুস করছে; জোরে জোরে শ্বাস নিচ্ছে, হাতে ওর ফোন। সায়মা ভ্রু কুঁচকে তাকাল, ———‘কি হয়েছে তোর? চিল্লাস কেন এমন?’

শোয়েব উঠে দাড়ালো, ফোনটা ঠাস করে সায়মার হাতে ধরিয়ে দিকে কটমট কণ্ঠে গজগজ করল————‘কি হয়েছে? জাস্ট দেখো তোমার ইউজলেস; বেয়াদব পাত্রী আমাকে কি মেসেজ দিয়েছো। আনবিলিভেবল। আমার বয়স বেশি, আমার? আর হ্যাঁ— তোমাকে কে বলেছে ওই ফালতু ইচড়েপাকা মেয়েটার সাথে কথা পাকা বলতে?’

শোয়েব রাগে কাঁপছে, সায়মা ওর এসব দেখে আতঙ্কিত হয়ে শোয়েবের হাত ধরল———-‘দাঁড়া দেখছি আমি, তুই শান্ত হো, এক সেকেন্ড দে আমারে। মেসেজটা আগে পড়ি তো।’

শোয়েব চোখ বন্ধ করে শ্বাস টানল। সায়মা মেসেজটা পড়ে বোকা-বোকা চোখে ভাইয়ের দিকে তাকালো। শোয়েব ভ্রু উচায়————‘পড়া শেষ? কি বলবে এখন? কি বেয়াদব একটা মেয়ে, এগুলা মেসেজ দেয় কেউ কাউকে; অসভ্য!’

‘আচ্ছা, শান্ত হো, গালাগালি করিস না। আমার কথাটা শোন আগে।’

সায়মা শোয়েবকে টেনে এনে বসালো চেয়ারে। শোয়েব মুখটা রাগে অন্যদিকে ঘুরিয়ে ফেলল। সায়মা তিতলির একটা ছবি ওর সামনে ধরে বলল———-‘ছবিটা একবার দেখ: মেয়েটা দারুণ দেখতে। শুনেছি আচার-ব্যবহারও ভালো। তাই আমি রাজি হয়েছি। হতে পারে তুই শুধুশুধু মেয়েটাকে ভুল বুঝছিস: হতেও তো পারে বল। আর মেয়েটারও তোকে এভাবে বয়স বেশি বলে খোটা দেওয়াটা ভালো হয়নি। তবে . .আমার ধারণা তোদের দুজনের একবার হলেও দেখা করা উচিত। মেসেজে বিয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ কথাবার্তা এভাবে কেউ বলে না, শোয়েব। ইউ হ্যাভ টু মিট হার পারসোনালি।’

শোয়েব বসে থাকলো চুপচাপ। সায়মা ছোট একটা শ্বাস ফেলে তিতলির ছবিটা শোয়েবের ড্রয়ারের উপর রেখে দিয়ে বললো————‘ছবি রেখে গেলাম; দেখিস। ভালো লাগলে আগাবো, নাহলে বাদ। তুই যা বলবি তাই হবে, তোর বিয়ে, তাই জোর-জবরদস্তি করার তো প্রশ্নই আসেনা। তবে আমার পারসোনালি মেয়েটাকে বেশ পছন্দ হয়েছিল। তোরও আমার ধারণা ভালো লাগবে। সো থিঙ্ক ইট।’

সায়মা চলে যেতেই শোয়েব উঠে দরজার সিটকিনি আটকে দিল। তারপর চেয়ারে এসে বসলো। রাগটা ঠান্ডা করা দরকার— ও তাই চশমাটা রেখে চেয়ারে গা এলিয়ে দু-চোখ বুজলো।

পরপর একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে উঠে এসে ড্রয়ারের উপর থেকে মেয়েটার ছবি নিয়ে বিছানায় বসলো। ছবিটা চোখের সামনে বড্ড অবহেলা-বিতৃষ্ণা নিয়ে ধরতেই— শোয়েবের চোখে শীতলতা নেমে এলো কেন যেন।

একটা হাস্যোজ্জ্বল মেয়ে; গোলাপি শাড়ি পড়ে আছে; মাথায় একটা নীল রঙা ছাতা ধরে রাখা— এলোমেলো ওয়েভি চুল খুলে রাখা, — কি দারুণ রূপবতী দেখতে। শোয়েব কেন যেন ছবিটার দিকে হা করে তাকিয়ে থাকল অনেকক্ষণ।

মেয়েটাকে আগাগোড়া ভালো করে দেখতে দেখতে হঠাৎ মস্তিষ্কে একটা কথা আসলো,

~ সুন্দরী মেয়েদের ব্রেইন থাকে হাঁটুতে; আর জিহ্বা থাকে অহং-এ ঠাসা ~

এই মুহূর্তে তিতলিকে দেখে ওর এই কথাটাই সবার আগে মাথায় আসলো। শোয়েব ভ্রু কুচকায়— পরপর ছবির নিচে মেয়েটার পুরো নাম দেওয়া দেখে সাথেসাথে চশমা পড়লো চোখে। ফোন হাতে ফেসবুকে সার্চ করলো এই নাম দিয়ে।

পেয়েও গেল সবার শুরুতে। শোয়েব এই প্রথম কোনো মেয়ের আইডি স্টক করতে থাকে। শুরুতেই মেয়েটার এবাউট দেখে:

ন্যাশনাল ডিবেট চ্যাম্পিয়ন লেখাটা দেখেই শোয়েব ভুরু বেঁকে যায়—- এইজন্যেই এত চটাং-চটাং মেসেজ দেওয়া হচ্ছিল; রাবিশ!

পরপর মেয়েটার পুরো আইডি স্টক করতে থাকে পুরোটা রাত জুড়ে শোয়েব। মেয়েটা ফুচকা খায় প্রতি বৃহস্পতিবার, পছন্দের রেস্টুরেন্ট মতিঝিল ওয়েস্ট ফুডক্যাফে। বন্ধু-বান্ধব সবাই মেয়ে, ছেলে নাই। শোয়েবের এই ব্যাপারটা বেশ ভালো লাগলো।

পরপর একটা ব্যাপার লক্ষ করে শোয়েবের ভ্রু বেঁকে আসে, এই মেয়েটা চুড়ান্ত লেভেলের ‘ম্যান হ্যাটার’ ! তার ধারণা, ছেলে মানুষ মানেই ছুকছুক করতে থাকা মাংশাসী প্রাণী।

শোয়েবের তেতো মুখ আরও তেতো হয়ে আসে— কি বিধঘুটে ভাবনা এর— পাকনা কোথাকার। কয়টা ছেলের সাথে মিশেছে, এত জানে ছেলে সম্পর্কে! বেয়াদব একটা!

সাথে আবার হুমায়ুন আহমেদের ফ্যামাস ডায়লগও শেয়ার দিয়েছে,

❝বিয়ে কোন আনন্দময় ব্যাপার না। মোটামুটি ভাবে ভয়ংকর ব্যাপার। নিজের চেনা বিছানা ফেলে একজন পুরুষ মানুষের গায়ের ঘামের গন্ধের মাঝখানে শুয়ে থাকা – ভাবতেই গা গুলায়।❞
—হুমায়ূন আহমেদ (রোদন ভরা এ বসন্তে)

শোয়েবের মনটা চাইল— মেয়েটাকে সামনে এনে কষিয়ে একটা থাপ্পড় দিতে। এগুলা কি ভাবনা? চুড়ান্ত ফাতরামি ধরনের চিন্তা এগুলো। হুমায়ুন আহমেদের আরো ভালো গল্প আছে, উক্তি আছে— এগুলা চোখে পরে না? পড়ে শুধু এগুলোই। বিয়েটা হলে এই মেয়ের এসব ফাতরামি ভাবনা সবার আগে মাথা থেকে ছুটাতে হবে— অভদ্র কোথাকার!

কেন, সব পুরুষের গায়ে ঘাম থাকে— কি লেইম-ফাতরা চিন্তা এই মেয়ের— মনটা চাইছে দিতে একটা ধরে। শোয়েব যথেষ্ট নিট-ক্লিন একটা পুরুষমানুষ, ও ঘাম শরীরে দু-দণ্ড বসতে পারে না। এগুলো এই মেয়ে জানে? জানার কথাও না। ফাতরা চিন্তা করা মেয়েদের এগুলো জানা নেই: এই মেয়েও জানে না।

শোয়েব প্রচণ্ড বিরক্ত হয়ে ফোনটা রাখলো। চশমাটা খুলে টেবিলের একপাশে রেখে লাইট বন্ধ করে শুয়ে পড়লো। কাল এই মেয়ের সাথে দেখা করবে সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই নিয়ে নিলো।

বিয়ে বসবে না? অবশ্যই বসতে হবে। শোয়েব হাতে-কলমে এই ফাতরা; ইচড়ে-পাকা মেয়েটাকে শিখিয়ে দিবে হুমায়ুন আহমেদের এই কথাটা ঠিক কত পার্সেন্ট ভুল।
————————
ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ।

স্কুল ড্রেস পড়া শোয়েবের সেই ইচড়ে পাকা মেয়েটা বন্ধুদের সাথে ফুচকা খাচ্ছে। চুলে দুই পাশে দুই বেনুনি, ক্রসবেল্ট গায়ে পুরোপুরি একটা ছোট নাবালক মেয়েই দেখাচ্ছে। দূর থেকে গাড়িতে বসে শোয়েব ওকে দেখে ভ্রু কুচকাল—- মেয়েটা কি আসলেই বড্ড ছোট হয়ে গেছে ওর জন্যে।

পরপর শোয়েব মাথা ঝাড়ি দিল। অবশ্যই না, বরং এজ ওদের যথেষ্ট মানানসই, বেশিও না আবার কমও না—- পারফেক্ট!

শোয়েব গাড়িতে পার্ক করে চোখে সানগ্লাস লাগিয়ে এগিয়ে এলো। আজ শোয়েব ফর্মাল সাদা শার্ট: কালো প্যান্টের সাথে পড়েছে। এই পোশাকে মেয়েটার পাশে ওকে সম্ববত আরও বড় দেখাচ্ছে। ক্যাজুয়াল ড্রেসআপ করা উচিত ছিলো সম্ভবত।

শোয়েব এগিয়ে এসে গলা খাকারি দিয়ে ডাকল———‘মিস তিতলি।’

তিতলি ফুচকা হাতে ফিরে তাকাল। শোয়েব গম্ভীর কণ্ঠে: ফ্যাসফ্যাসে কণ্ঠে নিজের পরিচয় দিল———-‘হ্যাই, আমি শোয়েব মুনতাসীর, তোমার সাথে আমার বিয়ে ঠিক। মেইবি বলা হয়েছে তোমাকে?’

তিতলি শুনে, সামনে দাড়িয়ে থাকা এই ছেলেটাকে ওর চেয়ে কত বড় দেখাচ্ছে, তার সামনে তিতির শুধু এটুকু সবে। তিতির একবার নিজের কলেজ ড্রেসের দিকে তাকালো, আরেকবার শোয়েবের ফর্মাল ড্রেসআপের দিকে তাকালো। দুজনের বয়সটা কি বেশি দেখাচ্ছে, তিতলিকে বড্ড ছোট দেখাচ্ছে এই পুরুষের পাশে। তিতলি কাঁধের ব্যাগটা আরো ভালো করে চেপে ধরে শোয়েবের দিকে আড়চোখে চেয়ে নিভু স্বরে বললো————

‘জি, শুনেছি আমি। আমার কিছু বলার আছে এটা নিয়ে, যদি আপনি শুনতে চান।’

শোয়েব একবার তীব্র রোদের দিকে চেয়ে, ঘামে ভিজে বিরক্ত হয়ে বললো———-‘হু, কোনো ক্যাফেতে বসি?’

‘না, না। এখানেই।’ —— তিতলি সাথেসাথেই বললো।

শোয়েব ভ্রু কুচকে তাকাল, ‘এই মাঝরাস্তায়?’

‘সমস্যা নেই আমার।’ ——— তিতলি অপ্রস্তুত কণ্ঠে বলল।

শোয়েব জবাব দিল———‘আমার সাফোকেশন হচ্ছে, এখানে অনেক রোদ, ঘামছি আমি।’

তিতলি উত্তরে চুপ থাকলো কেন যেন। শোয়েব কি করবে আর?না চাইতেই বললো———‘বলো, বিয়ে ভাঙতে চাও?’

অবাক হয়ে উঠল তিতলি বলল, ——-‘আপনি মেসেজ পড়েছেন?’

শোয়েব স্বাভাবিক কণ্ঠে জবাব দিল——-‘হ্যাঁ: এবং এজ এ সাইকোলজিস্ট তোমাদের বয়সী মেয়েদের মাইন্ড জানা আছে আমার; সাইকোলজিস্ট এমনি-এমনি ঘাস খেয়ে হইনি। যদি এটাই হয়ে থাকে; তবে ভেরি স্যাডলি আমার পক্ষ থেকে একটা বিগ নো পাচ্ছো তুমি।’

তিতলি ভ্রু বাকিয়ে বলল——-‘জোর করবেন নাকি?’’

শোয়েব বললো——-‘জোর করবো কেন? তোমার বাবা-মা আমাকে পছন্দ করছেন, একদিন তুমিও করে ফেলবে—- আমি ছেলে হিসেবে ভালো আমার জানামতে। ভালোও বেসেটেসে ফেলতে পারো, সেটাতেও আমার সন্দেহ তেমন নেই। এখন তুমি যদি বলো, তোমার সময় দরকার; সেটাতে আমার সাপোর্ট পাবে।’

তিতলি হঠাৎ বলে উঠল———‘আমার বিএফ আছে।’

শোয়েব তাকাল তিতলির দিকে, পরপর আশপাশ দেখে অবাক হয়ে পরপর নির্বিকার কণ্ঠে বললো———‘এই কলেজে? তোমার রুচি এতটাও খারাপ না, তিতলি। বোকা বানিয়ে লাভ নেই আমাকে।’

তিতলি এবার জোর করে বিশ্বাস করাতে বলল——-‘এই কলেজে না, বাইরে। ভার্সিটিতে পরে উনি।’

শোয়েব এবারেও নির্বিকার কণ্ঠে বললো———‘হু, জানি।’

তিতলি খুশি হয়ে বললো———‘জি; জি। উনি আমাকে আসলেই ভালোবাসেন।’

শোয়েব সাথেসাথেই বললো——-‘খুশি হচ্ছো কেন? মাত্রই যে মিথ্যাটা বললে সেটা জানি বলেছি। এত খুশি হয়ে লাফানোর কিছু নেই।’

তিতলির খুশীখুশি মুখটা মুহূর্তেই ভোতা হয়ে গেল। শোয়েব এবার সানগ্লাস চোখে দিল আবার, তিতলির হা হয়ে যাওয়া মুখের দিকে চেয়ে নির্বিকার কণ্ঠে বলে গেল———-‘বিয়েটা হচ্ছে তিতলি। তোমার ভাগ্য খারাপ, কারণ তুমি একটা সাইকোলজিস্ট বর পেয়ে গেছো, তাই তোমার এসব মাথামোটা বুদ্ধি আমার কাছে চলছে না বলে তোমার জন্যে দুঃখ পেলাম। যাই হোক—- বাসায় যাও এখন, আমাদের একটা ক্যাফে বা ভালো জায়গায় একবার দেখা করা উচিত মেইবি। বিকেলে তৈরি থাকবে, পিক করে নেবো।’

তিতলি দাতে দাঁত চেপে তাকিয়ে রইলো শোয়েবের দিকে। শোয়েব ওসব পাত্তাও দিল না। ফিরে গিয়েও আবার এগুয়ে এসে ফুচকাওয়ালার বিল মিটিয়ে দিয়ে তিতলির দিকে চেয়ে বললো———-‘রোজ রোজ ফুচকা খাবে না, ভীষণ আনহেলদি।’

বলেই শোয়েব চলে গেল। তিতলি রাগী মুখ নিয়ে তার যাওয়ার দিকে চেয়ে থাকল; মুখ থেকে বেরিয়ে এলো ভয়ানক কিছু শাতির গা-লি!

এবং. .
তিতলি এইমুহুর্ত থেকে একটা কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললো——পৃথিবী উল্টে গেলেও তিতলি মেয়েটা শোয়েব নামক এই রুড; বয়স্ক, মেয়েদের অসীম সাইকোলজি বোঝা পুরুষকে বিয়ে করবে না।

না; না , না।

চলবে

গল্পের নাম: #অ্যারেঞ্জম্যারেজ২ —— প্রথম পর্ব
লিখেছেন— #অবন্তিকা_তৃপ্তি

রিঅ্যাক্ট-কমেন্ট না করলে ভীষন ভীষন কষ্ট পাব কিন্তু। কেমন লাগল পাঠক? খুবই ছোট গল্প; অল্প কয়েকটা পর্ব।

জাস্ট শান্তি-শান্তি-প্রেম-রোমান্স থাকবে এই গল্পে; নো কান্নাকাটি।

রোজাতে এটা আমার পক্ষ থেকে ‘তৃপ্তি স্পেশাল গল্প’ আপনাদের জন্যে।

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply