অ্যাঞ্জেল_অ্যাঞ্জেলিনা
[পর্ব ১৪](স্পেশাল টু)
লেখিকাফারহানানিঝুম
(🚫 দূর্বল হৃদয়ের পাঠকদের জন্য গল্পটা একদম নয় এবং প্রাপ্তমনস্কদের জন্য উন্মুক্ত)
গাড়িতে বসে আছে ন্যান্সি ,গাল জ্বলে যাচ্ছে তার। অথচ কোনো ভাবান্তর নেই। বারবার নাক টানছে একটু পরপর। এত জোরে জোরে কেউ থাপ্পড় দেয়? এই একটা লোক যে কিনা মিনিটে মিনিটে রং বদলায়। বলে কিনা নিজের হাতে থাপ্পড় দিলে ব্যথা পাবে অথচ পরের হাতে থাপ্পড় দিলে ব্যথা পাবে না। আচ্ছা এটা কোনো যুক্তি হলো? আচ্ছা গ্লাভস কি সে নিজে পড়েনি? পরেছে তো তাহলে এত ঢঙ করার কি আছে?
“এই ন্যান্সি মেয়েটার মতো নাটক বাজ একটাও দেখেনি।”
দাঁত কিড়মিড়িয়ে বলল কল্পনা।
“উফ্ মম, দেখেছেন আপনার বড় ছেলের বউ কিভাবে আমাকে মে’রেছে?”
চোখ গরম করে তাকালেন মাইমুনা এহসান।
“তোমার এই ন্যাকামি কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ রাখবে কল্পনা?”
মুখ ভার করে তাকালো কল্পনা নীলাদ্রির দিকে। নীলাদ্রি বিরক্তিকর কন্ঠে বলল।
“তুমি ওকে এসব কেন বলছ মম? যা করেছে ভাইয়া করেছে! ফালতু একটা মেয়ের পিছনে ছুটছে!”
সাব্বির ভাবলেশহীন ভাবে বলল।
“খুব শীঘ্রই ভাইয়ের ধ্বংস হতে চলেছে ,জাস্ট ওয়েট এন্ড ওয়াচ।”
এন মূহুর্তে ভেতরে প্রবেশ করলো আফরিদ ,বাহু টেনে ধরে আছে ন্যান্সির।
“এই কাজি বিয়ে পড়া।”
বয়স্ক কাজি সাহেব কাঁপছেন , এটা আদতেও কি বিয়ে হচ্ছে? বিয়ে পড়ানো শুরু করলেন তিনি , কবুল বলার মূহুর্তে বেঁকে বসল ন্যান্সি। আফরিদ এহসান ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে পারছেন না আর।
“শাউ’য়্যার নাতি,তুই কবুল বলবি তোর দাদী কবুল বলবে।”
“তাহলে আমার দাদী-কেই বিয়ে করে নিন না।”
ন্যান্সির ত্যাড়া কথায় ক্ষিপ্ত হলো আফরিদ এহসান। সহসা বসা থেকে উঠে এসে গলা চেপে ধরে ন্যান্সির।
রুষ্ট কন্ঠে,তেজ দেখিয়ে বলে উঠে।
“বলবি না তুই কবুল? বলবি কি না?”
নিশ্ছিদ্র নীরবতা ভেদ করে উঠলো কাশির শব্দ। গলায় বলিষ্ঠ হাতের চাপ পড়তেই নিঃশ্বাস প্রায় বন্ধ হয়ে আসছিল ন্যান্সির । ছটফট করছে সে, শরীরজুড়ে আত’ঙ্কের কম্পন। চোখজোড়া বিস্ফারিত, যেন কণ্ঠে আটকে থাকা প্রাণটুকু মুক্ত করার চেষ্টা করছে।
তার এই কষ্টভরা ছটফটে এক টান দিয়ে ছিঁড়ে ফেলে আফরিদ এহসানের বুকের জেদী রাগ। কিন্তু নিজের ক্রো’ধকে সংযত করতে পারে না সে,প্রতিবার এমনই হয়। চায় না কষ্ট দিতে, তবুও দিয়েই ফেলে। তার আঙুলের শক্তির ছাপে যখন ন্যান্সির শ্বাসরুদ্ধ প্রায়, তখনই আঁতকে উঠলো আশেপাশের সবাই।
চেঁচিয়ে উঠলেন মাইমুনা এহসান।
” আফরিদ,কি করছিস তুই?”
চারদিক স্তব্ধ। ন্যান্সি কেশে উঠছে কষ্টে। ঠিক তখনই আফরিদের ছোট বোন ফাহমিদা ছুটে এলো, হাতে এক গ্লাস পানি।
“ভাবি, পানি খাও।”
কিন্তু ন্যান্সি পানি খেলো না, উল্টো ছুঁড়ে ফেলল সেই কাঁচের গ্লাস মেঝেতে। ঝনঝন শব্দে ছড়িয়ে পড়লো গ্লাসের টুকরো সেই শব্দে কেঁপে উঠলো চারদিক।
ভ্রু কুঁচকে তাকালো আফরিদ।
“কু’ত্তার বাচ্চা এত নাটক করছিস কেন? চুপচাপ কবুল বলে দে কাহিনী শেষ।”
কথাটা বলতেই ক্ষেপে গেল ন্যান্সি।
“তুই কু’ত্তা, তোর চৌদ্দ গুষ্টি কু’ত্তা। জানো’য়ারের বাচ্চা।”
এত এত গালি দিয়ে ন্যান্সি দাঁড়ায়নি। ভারি লেহেঙ্গার বাঁধা উপেক্ষা করে চুড়ির ঝংকারে, চোখে ক্রো’ধের জ্ব’লন্ত আগু’ন নিয়ে দৌড়ে বেরিয়ে গেল সে সদর দরজা পেরিয়ে।
সবাই থ হয়ে তাকিয়ে রইলো। যেন এক বজ্রপাতে মুহূর্তেই স্তব্ধ হয়েছে পুরো প্যালেস।
কারো বোঝার উপায় নেই, এই মুহূর্তে কী ঝড় আসবে তার জীবনে। আফরিদ ঠায় দাঁড়িয়ে রইল কিয়ৎক্ষণ।
ফাহমিদা বাইরে যেতে চাইলো ন্যান্সি কে নিয়ে আসতে। অথচ তার পূর্বেই গর্জে ওঠে আফরিদ এহসান।
“কেউ যাবে না,ওর ব্যবস্থা আমি করছি।”
কথাটা বলে হনহনিয়ে পা বাড়ালো বাইরের দিকে।
গাড়ির চাবি নিয়ে কোনো রকমে গাড়িতে উঠে বসলো ন্যান্সি। যেই গাড়ি স্টার্ট দিবে তার আগেই হন্তদন্ত হয়ে ভেতরে ঢুকে এলো আফরিদ। আফরিদ কে দেখে আত্মা কেঁপে উঠে ন্যান্সির।
“যান, আমি বিয়ে করব না আপনাকে।”
কথাটা বলেই তাকে ধাক্কা দিয়ে গাড়ির ভেতরে ফেলে দিল আফরিদ। নিজের ভারি দেহটা রীতিমতো চাপিয়ে দিলো ন্যান্সির ছোটখাটো দেহের উপর। গাল চেপে ধরে হিসহিসিয়ে বলে উঠে।
“একটু আগে কি বললি? আমি জা’নোয়ারের বাচ্চা? আমি কু’ত্তার বাচ্চা?”
চোখের পাতা কাঁপছে ন্যান্সির,দম নিতেও কষ্ট হচ্ছে তার। বেয়াদব পুরুষ একশো টা গালি দিলেও সমস্যা নেই,অথচ ন্যান্সি একটা গালি দিয়েছে তাতেই দোষ?
“বা রে আপনি গালি দিতে পারেন তাতে দোষ নেই,আর আমি দিলেই দোষ? মানে আপনার সাত খু’ন মাফ আর আমার বেলায় ফাঁ’সি?”
প্রত্যুত্তরে কিছু বলল না আফরিদ, আবারও তাকিয়ে আছে ন্যান্সির দিকে।
পিনপতন নীরবতা ভেঙ্গে শান্ত কন্ঠে বলল।
“চুপচাপ ভেতরে যাবি আর ভালো মেয়ের মতো কবুল বলবি।”
কেঁপে উঠে ন্যান্সি,নাক বোচা করে বলল।
“ভালো করে বলেন।”
ফোঁস ফোঁস করে নিঃশ্বাস ছাড়লো আফরিদ।
“আমার জানকি বাচ্চা চল কবুল টা বলে দে।”
এবারেও নড়লো না ন্যান্সি।
“পায়ে ধরে ক্ষমা চান তারপর কবুল বলব।”
আফরিদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যাচ্ছে। ন্যান্সি তাকে আশ্চর্যের সীমান্তে পৌঁছে দিয়ে পা দিয়ে ঠেলে গাড়ির গ্লাসের সাথে চেপে ধরে আফরিদ কে।বুকের উপর লম্বালম্বি ভাবে পা মেলে দিয়ে বলল।
“ধরুন পা।”
আফরিদ তাকিয়ে আছে নির্নিমেষ কম্পিত ন্যান্সির দিকে। হাত পা কাঁপছে তারপরেও কতটা সাহস নিয়ে তার বুকের উপর পা রেখেছে!
বাঁকা হাসলো আফরিদ,পায়ের পাতার ছোট্ট করে চুমু দিয়ে বলে।
“মাফ চাই জান এবার অন্তত আয়।”
এত সহজে যেতে চায় না সে , মাফিয়া কিং কে বিয়ে করা যায়?
“দেখুন চলে যান এখান থেকে, আমি আপনাকে বিয়ে করতে চাই না। আর না আপনাকে ভালোবাসি। যাকে ভালোবাসি না তাকে কেন বিয়ে করব?”
এতক্ষণে ভেতরে চেপে রাখা রাগ ফেটে বেরিয়ে এলো আফরিদের। পা সরিয়ে ন্যান্সি কে চেপে ধরে আফরিদ।
চিবিয়ে চিবিয়ে বলে।
“শাউ’য়্যার ভালোবাসা লাগবে না আমার। আমার তোকে চাই।”
ভয়ে কাঁপতে থাকা ন্যান্সি আইঢাঁই করে আওড়াল।
“দেখুন এভাবে আমার দেহ পাবেন, কিন্তু মন কখনোই পাবেন না।”
গা দুলিয়ে হেসে উঠলো আফরিদ।
“আপাতত তোর দেহ চাই,মন ধুয়ে কি আমি পানি খাবো? রাখ তোর মন তোর কাছেই।”
কথাটা বলেই গলদেশে শক্ত একটা কামড় বসলো আফরিদ। অঝোরে কেঁদে ফেলল ন্যান্সি।
“ব্যথা পাই আমি।”
“বিয়ে করবি কি না? যদি কবুল না বলিস তাহলে গাড়ি কাঁপবে।”
গাড়ি কাঁপবে কথাটা শুনে থমকে গেল ন্যান্সি , মস্তিষ্ক কথাটা ধরতে পারলো না। মুখ তুলে হাসি হাসি চোখ করে তাকালো আফরিদ।
“সোজাসাপ্টা কবুল না বললে গাড়ি কাঁপবে তাও আবার অন্য ভাবে।”
কথাটার অর্থ বুঝতে পেরেই চেঁচিয়ে উঠলো ন্যান্সি।
“করব বিয়ে,সরুন আপনি।”
ভাবলেশহীন ভাবে সরে গেল আফরিদ। নেমে এলো গাড়ি থেকে, ন্যান্সি কে নামতে বলে।
“স্টপ ইউর ফা’কিং ড্রামা অ্যান্ড কাম।”
হাঁসফাঁস করতে করতে গাড়ি থেকে বেরিয়ে এলো ন্যান্সি। পিটপিট চোখ করে বার বার দেখছে আফরিদ কে। বেয়াদব পুরুষ তার জীবন টা শেষ করে দিলো।
🌿___🌿
❝বর্তমান❞
মাথাটা ঝিমঝিম করছে ন্যান্সির। লম্বা একটা ঘুম দিয়ে অবশেষে উঠে বসলো বিছানায়। নরম তুলতুলে বিছানায় শুয়ে ছিল সে , পুরো রুমটা অন্ধকারে ডু’বে আছে। চারিদিকে দৃষ্টি বুলিয়ে দেখতে চেয়েও ব্যর্থ হলো ন্যান্সি। মস্তিষ্কে চাপ প্রয়োগ করতেই মনে পড়ল তার পালানোর কথা। সে বাসর ঘর থেকেই তো পালিয়ে গিয়েছিল আফরিদ কে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে। কিন্তু পরে? পরে আফরিদ তাকে রাস্তায় ধরে ফেলেছে।
“আশ্চর্য এই লোকটা এমন কেন? পালালেও ,লুকালেও বোধহয় আমাকে ধরে নিয়ে আসবে।”
রাগে থরথরিয়ে কাঁপছে ন্যান্সির শরীর। কোথায় লোকটা এখন? ভেতরের উত্তেজনা চেপে রাখতে না পেরে উঠে দাঁড়ালো ন্যান্সি , এখনো শরীরে বিয়ের লেহেঙ্গার সাথে ব্লাউজ এবং ভেতরে পড়া জিন্স প্যান্ট টা রয়েছে তার। তবে ভালো করে চোখ বুলাতেই বুঝতে পারলো নেকলেস হাতের চুড়ি টুড়ি এবং কি দোপাট্টার সাথে সাথে লেহেঙ্গা টা খুলে পর্যন্ত খুলে রাখা হয়েছে। এগুলো যে বাজে পুরুষ টা করেছে তাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই ন্যান্সির।
গায়ে ওড়নাটা টেনে জড়িয়ে বাইরের দিকে পা বাড়ালো ন্যান্সি। নৈঃশব্দ্যে হেঁটে গেল নিচের ড্রয়িং রুমে। আশ্চর্য হচ্ছে ন্যান্সি ,উহু এটা তো এহসান মঞ্জিল নয়। তাহলে এই বাড়িটা কার? কোথায় আছে ন্যান্সি?
বুকের ভেতর ধুকপুক ধুকপুক করছে ন্যান্সির।
“আফরিদ? আফরিদ কোথায় আপনি? মিস্টার এহসান কোথায় আছেন আপনি?”
এত হাঁকডাক করেও খুঁজে পেলো না আফরিদ কে। ঘুটঘুটে অন্ধকারে কিছুই স্পষ্টভাবে দেখতে পাচ্ছে না ন্যান্সি। গলা শুকিয়ে আসছে মেয়েটার , এখুনি পানি খাওয়া প্রয়োজন তার।
আশেপাশে হাতড়ে ফ্রিজের দিকে এগিয়ে গেল ন্যান্সি , ফ্রিজ খোলা মাত্রই গলা ফাটিয়ে চিৎকার করে উঠে ন্যান্সি। পিছুতে লাগল সে। কা’টা মাথা , হ্যাঁ শুধু আস্ত এক কাঁটা মাথা রাখা আছে ভেতরে। চোখ গুলো কেমন করে তাকিয়ে আছে তার দিকে। হাত পা বরফের ন্যায় জমে আসছে তার। এলোমেলো ভাবে দৌড়ে আবারো সিঁড়ির দিকে গেল ন্যান্সি। ভয়ে আতঙ্কে কান্না করে দিয়েছে সে।
“আফরিদ,আফরিদ…
চিৎকার করে করে উপরে ওঠে এলোমেলো ভাবে দৌড়ে চলেছে ন্যান্সি। আচানক পাহাড়ের মতো লম্বাটে লোকটার সাথে ধাক্কা খেলো। এক নজর লোকটার দিকে তাকিয়ে দেখে সেই নীলাভ মনি জোড়া। ভয়ে দু’হাতে জড়িয়ে ধরে অপ্রিয়, বাজে পুরুষ কে।
“আফরিদ ওখানে ওখানে ম..মাথা কা’টা মাথা!”
আফরিদ কে ঠিক এতটাই শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছে ন্যান্সির লম্বা নখ গুলো গেঁথে যাচ্ছে আফরিদের পৃষ্ঠদেশে।
“রিল্যাক্স ,কিছু হয়নি বে বান্দি।”
“না না আমি দেখেছি , আমি দেখেছি ফ্রিজে ওই চোখ আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমি দেখেছি তো।”
আফরিদ দুহাতে টেনে কোলে তুলে নিল ন্যান্সি কে ,দুপায়ে আফরিদের কোমড় জড়িয়ে ধরতে বাধ্য হয় ন্যান্সি। তারপরেও আফরিদ কে ছাড়ে না সে ,আফরিদ বেশ আন্দাজ করতে পেরেছে ঠিক কতটা ভয় পেয়েছে সে।
“ওই মাতারি আমাকে কন্ট্রোললেস করতে চাইছিস?”
বার বার নাক টানছে ন্যান্সি , এছাড়া কোনো শব্দই শোনা যাচ্ছে না। ন্যান্সি কে নিয়ে রুমের দিকে হাঁটা দিলো আফরিদ , অন্য হাতে পকেট থেকে ফোন বের করে ফটাফট টাইপ করলো ঈশানের উদ্দেশ্যে।”এখুনি কাটা মাথাটা ময়দানে নিয়ে যা।”
“রেড সাইলেন্ট ম্যানর” এ রয়েছে তারা। আফরিদ বাধ্য হয়েই ন্যান্সি কে এখানে নিয়ে এসেছে। বেহুঁশ ন্যান্সি জেগে ওঠার আগেই তাকে নিয়ে মঞ্জিলে ফিরব বলে ভেবেছিল আফরিদ। কিন্তু তা আর হলো কই? তার অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা তো আগেই উঠে ফ্রিজ খুলে ফেলছে।
রুমে এসে ন্যান্সি কে বিছানায় বসাতে চাইলো আফরিদ , কিন্তু নামলো না ন্যান্সি। দুপায়ে শক্ত করে জড়িয়ে আছে আফরিদের কোমড়।
“মা’তারি নামবি না?”
গলদেশে লুকানো মুখখানি বের করে আনল ন্যান্সি। কাঁপছে রমণীর অঙ্গ প্রত্যঙ্গ। অভ্যন্তরে যেন ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়েছে। ন্যান্সি ভেজা স্নিগ্ধ মুখখানি দেখে খৈ হারায় আফরিদ। লালচে গালে বাইট করতে ইচ্ছে করে। বারংবার চিকন নাকের ডগা ফুলে ফুলে ওঠছে কান্না করার দরুন।মুখের উপর লেপ্টে থাকা মোলায়েম চুল গুলো আঙ্গুলে সরিয়ে দিল আফরিদ।
“জানকি বাচ্চা ভয় পেয়েছিস?”
বাচ্চাদের মতো উপর নিচে অবিরাম মাথা দোলায় ন্যান্সি। এক গাল হাসলো আফরিদ। নিজের লম্বা নাকের সাথে ন্যান্সির চিকন ছোট নাকটা ঘষে বলে।
❝তোর ওই লাল গাল দুটোতে একটা চুমু খাই❞
বোকা বোকা নেত্রে পল্লব ঝাপটায় ন্যান্সি , অদ্ভুত এক অনুভূতি। অসভ্য বাজে পুরুষ নাকি অনুমতি চাচ্ছে।
আফরিদ কি আদতেও অনুমতি চাওয়ার মানুষ? ন্যান্সির ভাষ্যমতে জা’নোয়ার সে জা’নোয়ার।
“অনুমতি চাচ্ছি না , আমি তোকে বলছি।”
কথাটা বলেই লালচে আভায় রঙিন গালে দন্ত বসিয়ে দিল আফরিদ। চক্ষুদ্বয় খিঁচিয়ে বুঁজে নিল ন্যান্সি। আঁকড়ে ধরে আফরিদের ঘাড় , শক্ত হয়ে আসে পেঁচানো পা। একটু ঢিলা হলেই তো পড়ে যাবে।
চলবে…….।✨
Share On:
TAGS: অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা, ফারহানা নিঝুম
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ১৬
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ২৪
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৩৯
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৮
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৩২(প্রথমাংশ +শেষাংশ +বোনাস)
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ২
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৩৩
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ১১
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৩১
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ১৩