মাইটক্সিকহাসব্যান্ড
পর্ব_৪৬
কলমেতাসনিমতালুকদার_বুশরা
হ্যাশট্যাগ ছাড়া কপি করা নিষিদ্ধ🚫
কুহেলি এখন শুয়ে আছে! আবরার বেরিয়ে যাওয়ার পর রুম টা হঠাৎই কেমন ফাঁকা ফাঁকা লাগছিল। যাওয়ার আগে অবশ্য তার সব দায়িত্ব সে ঠিকই সেরে গেছে—নিজের হাতে সময়মতো কুহেলিকে খাবার খাইয়েছে, মেডিসিন খাইয়েছে, আর কড়া গলায় বলে গেছে যেন কোনো অবস্থাতেই রুম থেকে বের না হয়।
কুহেলি তখন আর তর্ক করেনি। ক্লান্ত শরীরটা বিছানায় ছেড়ে দিয়েছিল।
কিছুক্ষণ ঘুমিয়েই আবার জেগে উঠল সে। শরীরটা একটু ভারী লাগছে, কপাল ছুঁয়ে বুঝল—হালকা জ্বর এসেছে। তবু সে শুয়ে থাকল না। ধীরে ধীরে উঠে বসল, বালিশে হেলান দিয়ে জানালার বাইরে তাকাল। সকালের ত্যাজি রুদ উঠেছে!
আজকের রাতটা তার কাছে বিশেষ।
কাল আবরারের জন্মদিন।
আর তার সাথেই নতুন বছরের শুরু।
এই দুইটা বিষয় একসাথে ভাবতেই বুকের ভেতর অদ্ভুত এক আনন্দে শ্রোত ছড়িয়ে পড়ল। জ্বরের ভারী শরীরের মধ্যেও মনটা ভীষণ এক্সসাইটেড।
রাত বারোটায় প্রথম উইশটা ওকেই করবে—এই প্ল্যানটা সে মনেই ঠিক করে রেখেছে।
এমন সময় দরজায় হালকা নক শব্দ হলো।
পরমুহূর্তেই দরজা খুলে শায়লা ঢুকে পড়ল।
কুহেলির সামনে এসে বসে, চোখে দুষ্টু হাসি এনে বলল,
কিরে জান!
শায়লা কুহেলির মুখের দিকে ভালো করে তাকিয়ে হেসে ফেলল। চোখে-মুখে এমন একরাশ উচ্ছ্বাস যে লুকোনোর কোনো চেষ্টাই নেই।
তকে দেখে তো মনে হচ্ছে তুই ভীষণ হ্যাপি। কী হয়েছে বল তো?
কুহেলি চোখ দুটো চকচক করে উঠল। উত্তেজনা চেপে রাখতে না পেরে প্রায় ফিসফিস করে বলল,
শুন আমার ক্রিমিনাল হাসব্যান্ডের বার্থডে কালকে! তারপর একটু থেমে যোগ করল,এই জন্যই তোকে ডেকেছি। প্ল্যান করতে চাই।
শায়লা এক ঝটকায় ভ্রু উঁচিয়ে কুহেলির দিকে তাকাল। সব ঠিক আছে, কিন্তু তুই তোর জামাইকে এমন নাম দিছিস কেন রে?
কুহেলি হাত নেড়ে বিরক্তির ভান করে বলল,
আরে ধুর! এসব বাদ দে। আগে বল—কি করবো?
শায়লা একটু এগিয়ে এসে কুহেলির পাশে বসল। চোখে তখন মিষ্টি দুষ্টুমি।
— “মেহু ডাকবো, না ডার্লিং?”সব আমি করে দেবো।
শায়লা চোখে দুষ্টু ঝিলিক নিয়ে কুহেলির দিকে তাকিয়ে বলল, তোদের রাতটা স্পেশাল করার দায়িত্ব আমার!
কুহেলি বিছানায় একটু সোজা হয়ে বসে পড়ল। ঠোঁটের কোণে রহস্যময় হাসি খেলছে।
তবে শোন আমার আরেকটা প্ল্যান আছে।
শায়লা কৌতূহলে ঝুঁকে এল।
কি?
কুহেলি চারপাশে একবার তাকিয়ে নিশ্চিত হলো কেউ নেই। তারপর শায়লার কানের কাছে মুখ নিয়ে গিয়ে ফিসফিস করে কিছু বলল। কথাগুলো শেষ হতেই শায়লার চোখ বড় বড় হয়ে গেল, আর পরক্ষণেই সে শব্দ করে হেসে উঠল।
— “বাহ্!” হাসতে হাসতে বলল,আমার বান্ধবী তো দেখি ভীষণ ফাস্ট!
কুহেলি লজ্জায় গাল দুটো লাল করে ফেলল। বিরক্তির ভান করে বালিশ ছুঁড়ে দিয়ে বলল,
দোস্ত! লজ্জা দিস না তো! যা, আগে তোকে যা করতে বলেছি সেটা কর।
শায়লা উঠে দাঁড়িয়ে এখনো হাসি চাপতে পারছে না। আচ্ছা আচ্ছা! ম্যাডাম, আপনার আদেশ পালন করা হবে। এই কথা বলেই সে দরজার দিকে এগিয়ে গেল। বের হওয়ার আগে একবার পেছনে তাকিয়ে চোখ টিপে দিল।
আজকের রাতটা মনে রাখার মতো হবে, গ্যারান্টি।
দরজা বন্ধ হয়ে গেলে কুহেলি একা রয়ে গেল রুমে। বুকের ভেতর তখন উত্তেজনা আর আনন্দ একসাথে ঢেউ তুলছে। জ্বরের ক্লান্তি থাকলেও মনটা ভীষণ চঞ্চল। আজ শুধু জন্মদিন না
আজ ভালোবাসা আর নতুন শুরুর রাত।
~~
রাত ঠিক নয়টা।
বাইরের দরজার শব্দে কুহেলির বুকটা অজান্তেই হালকা কেঁপে উঠল। সারাদিনের অপেক্ষার শেষে আবরার ফিরেছে—এই ভাবনাতেই তো মনটা ভালো হয়ে ওঠার কথা ছিল। কিন্তু চোখে পড়তেই সেই আনন্দ মুহূর্তে থমকে গেল।
আবরার দাঁড়িয়ে আছে দরজার সামনে। মুখটা স্বাভাবিক, ভঙ্গিটাও আগের মতোই শক্ত।
কিন্তু শার্টটা পুরো শার্ট জুড়ে গাঢ় লাল দাগ।
কুহেলির শ্বাস আটকে এল।
এইটা কী?
আবরার কিছু বলার আগেই সে দৌড়ে কাছে গেল। আঙুল কাঁপছে, বুকের ভেতর অজানা শঙ্কা।
আপনার শার্টে এত রক্ত কেন?
আবরার কেবল সংক্ষিপ্ত করে বলল,
ভেতরে যাই।
কুহেলি আর কিছু না বলে সরে যেওকেয়ে রুমের ভেতরে আসার সুজোগ দিলো। আবরার ফ্রেশ হতে গেল, কিন্তু কুহেলির চোখ দরজার দিকেই আটকে রইল। কয়েক মিনিট পর আবরার বেরিয়ে এলে কুহেলির দৃষ্টি সোজা গিয়ে পড়ল ওর বুকে।বুকের একপাশে স্পষ্ট ক্ষত—লালচে, কিছুটা ফুলে আছে। দেখেই মনে হচ্ছে ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়েছে!
কুহেলির চোখে জল চলে এল। কোনো কথা না বলে সে ফার্স্ট এইড বক্সটা নিয়ে এল। নরম হাতে ক্ষতটা পরিষ্কার করতে লাগল। তুলো ছোঁয়াতেই আবরারের ভ্রু একটু কুঁচকে উঠল, তবু সে শব্দ করল না। ব্যান্ডেজ বাঁধতে বাঁধতে কুহেলির গলা ভেঙে এল।
এভাবে আপনার এই জায়গাটা ক্ষত হলো কিভাবে?
একটু থেমে, কাঁপা কণ্ঠে আবার বলল,
আর আপনার পুরো শার্টে রক্ত কেন?
আবরার ধীরে ধীরে বলতে শুরু করল। গলাটা অস্বাভাবিক শান্ত, কিন্তু সেই শান্ততার ভেতরে জমে আছে গভীর অস্বস্তি।
জানি না ফোনে হঠাৎ একটা ভিডিও আসলো।
একটু থেমে সে শ্বাস নিল। ওটা দেখার পর মাথাটা আর ঠিক ছিল না।
কুহেলির হাত থেমে গেল ব্যান্ডেজ বাঁধার মাঝখানে। চোখ তুলে তাকাল ওর দিকে।
ভিডিও?
আবরার মাথা নাড়ল।
— “হ্যাঁ। কার পাঠানো বুঝতে পারিনি। আমি কাউকে কিছু না বলে একাই বের হয়ে যাই। কণ্ঠে এবার চাপা বিরক্তি। মাঝ রাস্তায় হঠাৎ আমার ওপর আক্রমণ হয়। ঠিক বুঝতেই পারিনি এরা কারা।
কুহেলির বুকটা ধক করে উঠল।
আপনার ওপর আক্রমণ?
আবরারের চোখ দুটো একটু কঠিন হয়ে উঠল।
আমার দিকে কোনো গ্যাংস্টার সাধারণত চোখ তুলে তাকানোর সাহস পায় না। তাহলে কে আমাকে আক্রমণ করলো?! এইটাই সবচেয়ে অদ্ভুত লাগছে।
কুহেলির আঙুল শক্ত হয়ে গেল ব্যান্ডেজের ওপর।
আবরার গভীর নিশ্বাস ফেলল।
কপাল ভালো—ফেটিক্স সময়মতো পৌঁছে গিয়েছিল। নয়তো আজকে হয়তো আর ফিরতেই পারতাম না। ওর প্রায় নব্বই জনের মতো ছিলো! পরিকল্পনা করেই আমাকে টার্গেট করেছে! কিন্তু কোনো প্রবলেম নেই খুব তাড়াতাড়ি আমি ধরে ফেলবো যে এই কাজে করেছেন!
কুহেলির চোখের বাঁধটা আর ধরে রাখা গেল না। এতক্ষণ যে শক্ত হয়ে নিজেকে সামলাচ্ছিল, মুহূর্তেই ভেঙে পড়ল। নিঃশব্দে গড়িয়ে পড়া অশ্রু এবার শব্দ পেল—কান্না হয়ে বেরিয়ে এল বুকের ভেতর থেকে।
আবরার আঁতকে উঠল। সঙ্গে সঙ্গে ওর হাত ধরে নরম গলায় বলল, প্লিজ… কাঁদো না। তোমার কান্না দেখতে আমার একদম ভালো লাগে না।
কুহেলি চোখ ভেজা অবস্থায় ওর দিকে তাকাল। কাঁপা ঠোঁটে জমে থাকা অভিমান আর ভয় একসাথে বেরিয়ে এলো,
আপনি এসব থেকে বেরিয়ে আসেন, প্লিজ।
কান্নার মাঝেই বলল, এই জীবনটা এই রক্ত, মারামারি—আমার আর ভালো লাগে না। এই অন্ধকারের মধ্যে কি সত্যিই শান্তি পাওয়া যায়?
আবরার কিছুক্ষণ চুপ করে রইল। যেন ঠিক কথাগুলো খুঁজে পাচ্ছে না। তারপর ধীরে ধীরে বলল, বউ, বোঝার চেষ্টা করো। আমি যদি এখান থেকে বেরোই, তাহলে আমাদের বিপদ আরও বাড়বে। তখন হয়তো আমি তোমাকে বাঁচাতে পারবো না।
এই কথার পর আর কোনো তর্ক এল না কুহেলির মুখে। সে শুধু চুপ করে রইল। কোনো কথা না বলে ধীরে ধীরে বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়ল। শরীরটা একেবারে খাটের এক কোণে ঠেসে নিল—যেন নিজের ভেতরের অভিমানটুকুও আবরারের কাছ থেকে দূরে রাখতে চায়। আবরার সবটা বুঝে গেল।
এই নীরবতাই সবচেয়ে বড় অভিযোগ। কোনো চিৎকার নেই, কোনো তর্ক নেই। শুধু দূরত্ব।
আবরার হঠাৎ করেই মুচকি হাসল। সেই হাসিটা কুহেলির খুব চেনা—যেখানে মজা আর বিপদের সীমারেখা মিলেমিশে থাকে। সে এক টানে কুহেলিকে নিজের বুকে টেনে নিল। বুকের উষ্ণতা আর শক্ত বাহুর বন্ধনে কুহেলির শ্বাস আটকে এল।
— “মাই ডার্ক হোয়াইট রোজ,”
আবরার নীচু স্বরে বলল,
তুমি রাগ করলে আরও বেশি হট লাগে। মন চাই ঢুপ করে গেলি ফেলি তোমাকে!
কুহেলি মুখ ঘুরিয়ে নিল। অভিমানে চোখ ভিজে উঠেছে। গলাটা শক্ত করে বলল,
আমি মরে গেলেও তোমার কিছু যায় আসে না।
কথাটা শেষ হওয়ার আগেই আবরারের ভঙ্গি বদলে গেল। হাসি মিলিয়ে গেল চোখ থেকে। সে পাশের ড্রয়ারটা খুলে ভেতর থেকে একটা বন্দুক বের করল। তারপর কুহেলির চিবুকের কাছে আলতো করে ঠেকাল—চাপ নয়, হুমকির মতো উপস্থিতি। আবরারের গলা এবার রাগে গজগজ করছে
মরার কথা খুব সহজে বলিস কেন? চোখে কঠিন দৃষ্টি। কয়দিন একটু নরম ব্যবহার করেছি বলেই মাথায় উঠে গেছিস?
আমাকে আগের আবরার হতে বাধ্য করবি না।
এক ঝলকে চোখে আগুন জ্বলে উঠল। তুই নিজে মরার আগে আমি তোকে মেরে ফেলবো।
কুহেলির বুকটা ধক করে উঠল। এই রূপটা সে চেনে, এটা সেই ঘুমন্ত সিংহ, যাকে অযথা জাগানো ঠিক নয়। কেন যে আবেগে কথাটা বলল!
মনে মনে নিজেকেই ধমকাল—ভালোবাসার ভেতরে রাগ ঢুকলে এমনই হয়। এক মুহূর্তে মাথার ভেতর হাজারটা কথা ঘুরে গেল। বলতে ইচ্ছে করল সেই চেনা, বিখ্যাত ডায়ালগ—
“তখন আমার আবেগ কাজ করেছিল, বিবেক কাজ করেনি ভুল হয়েছে। ইচ্ছে করল দু’হাত জোড় করে বলতে, মাফ করে দেন আমি তো মাফ চাই।
আবরারের রাগটা কমার বদলে যেন আরও ঘনীভূত হয়ে উঠল। ঘাড়ের রগ ফুলে উঠেছে, কপালের শিরাগুলো স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। আবরার আরো শক্ত করে কুহেলির চিবোনে বন্দুক ধরে চোখের লাল টকটকে মনি যেন মুহূর্তে পুরো রুম টাকে গ্রাস করে নিচ্ছে। বাতাস ভারী—একেকটা শ্বাসে টানটান উত্তেজনা।
এই মুহূর্তে তাকে থামানো দরকার—এটা কুহেলি বুঝে গেল। কিন্তু গলা দিয়ে শব্দ বেরোচ্ছে না। ভয়টা বুকের ভেতর শক্ত করে চেপে বসেছে।
আবরার দাঁতে দাঁত চেপে হিসহিস করে বলল,
তুই বাঁচবি আমার ইচ্ছে তে আর মরবি আমার ইচ্ছে তে!
পুনরায় রাগি কন্ঠে বললো, “বল কার ইচ্ছে মরবি বাঁচবি?”
কুহেলির চোখে জল জমে উঠল। সে কথা বলতে চাইল, কিন্তু ঠোঁট কাঁপছে—শব্দ বেরোচ্ছে না। মাথার ভেতর শুধু একটাই প্রার্থনা—এই মানুষটাকে ফিরিয়ে দাও। এই রাগের আগুন থেকে ওকে টেনে বের করো।
কুহেলির নিস্তব্ধতাই যেন আগুনে ঘি ঢালল।
আবরারের কণ্ঠ আরও ধারালো হয়ে উঠল,
এই কুত্তার বাচ্চা বল!
ভয়ে কুহেলির শরীর কেঁপে উঠল। গলা শুকিয়ে এসেছে, শব্দগুলো ঠিকঠাক বেরোচ্ছে না। তবু কোনোমতে বলল,
আমি… আমি মরবো আপনার ইচ্ছে তে আর বাঁচবো আপনার ইচ্ছে তে।
কথাটা শোনামাত্র আবরারের চোখে রাগের ঝিলিক আবার জ্বলে উঠল, কিন্তু এবার সেই আগুনে ভয়ের চেয়ে যন্ত্রণাই বেশি।
আর কখনো আমার সামনে মরার কথা বলবি জানোয়ার!
কুহেলির ঠোঁট কাঁপছে। চোখের কোণে জমে থাকা জল গড়িয়ে পড়ল।
না… না কখনোই না।
এই উত্তরটা যেন আবরারের ভেতরের ঝড়ে একটু জল ছিটিয়ে দিল। সে গভীর নিশ্বাস নিল। কাঁধের টান ঢিলে হলো। ধীরে ধীরে বন্দুকটা আগের জায়গায় রেখে দিল। তারপর এক ঝটকায় কুহেলিকে নিজের বুকে টেনে নিল—এতটাই শক্ত করে, যেন হারিয়ে যাওয়া কিছু ফিরে পাওয়ার মরিয়া চেষ্টা।
আবরার চোখ বন্ধ করে রইল কয়েকটা মুহূর্ত। কুহেলির ভেতরটা তখনো কাঁপছে—পুঁটি মাছের মতো ছটফট করছে প্রাণটা। বুকের ধুকপুক শব্দে কান ঝাঁঝরা হয়ে যাচ্ছে। তবু সে নড়ল না। এই আঁকড়ে ধরার ভেতরেই সে নিরাপত্তা খুঁজে নিচ্ছে যতটুকু পাওয়া যায়।
কিছু ক্ষণ হঠাৎ আবরার চোখ খোললো! তারপর ভ্রু কুঁচকে বললো,
আমি তো কিছু করলামই না তাহলে তোমার পুরো বডি এভাবে ঘেমে গেলো কিভাবে?!
কুহেলি কিছু টা লজ্জা পেলো তবে ভয় পুরোপুরি হয় কাটে নি। তাই কাঁপা কন্ঠে বললো,
আমার খুব ভয় লাগছে আমাকে শক্ত করে জরিয়ে ধরুন প্লিজ। আপনি তখন ঐভাবে আমার চিবুকের নিচে বন্দুক ধরেছিলে! ভাবতেই আমার শরীর কেমন শিউরে উঠছে!
আবরার আর কিছু বললো না চুপচাপ কুহেলি কে নিজের বুকের সাথে চেপে ধরলো। কুহেলিও চুপ করে শুয়ে রইলো আবরারের বুকে।
রাত প্রায় এগারো টা…!
আবরার ঘুমিয়ে গেছে তবে কুহেলি এখনো ঘুমাই নিয়ে ঘুমিয়ে গেলে আর আবরার কে উইশ করতে পারবে না। কুহেলি উঠে বসলো আস্তে করে আবরারের বাহুডোর থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে। হঠাৎ বেলকনি তে কিছু পড়ে যাওয়ার আওয়াজ হলো কুহেলি কপাল কুঁচকে বেলকনি তে গেলো। দেখলো এক খন্ড ইটের মধ্যে এক টুকরো কাগজ মোরানো! কুহেলি কিছু টা হতভম্ব হয়ে ঐ টা তুলে হাতে নিয়ে ইটের থেকে কাজ সরিয়ে কাগজ দেখলো কাগজের মাঝে শুধু লেখা আছে!
“আবরার আজকে বেঁচে গেছি কিন্তু এরপর আর বাঁচতে পারবি না!”
চলবে....!!
Share On:
TAGS: তাসনিম তালুকদার বুশরা, মাই টক্সিক হাসব্যান্ড
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৪৩
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১৯
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৩৫
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১৮
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১৪(প্রথমাংশ+শেষাংশ)
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ২০
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১৭
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৪৮(প্রথমাংশ + শেষাংশ)
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৫১(সমাপ্ত)
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ২২