কপি করা কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ ⚠️
খাঁচায় বন্দী ফুল
লেখিকা : #Jannatul_Ferdous_জান্নাতুল_ফেরদৌস
পর্ব – ৭
সকালে ঘুম থেকে উঠে অনেকক্ষণ হলো রুমের মধ্যে পায়চারি করেছে অদিতি। সাইফ ভিতরের রুমে ঘুমায়। সে উটার আগে যাতে অদিতি নিচে না যায় তার কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করে গেছেন। ফলে অদিতি নিচে যেতেও পারছে না।
এখন ওর মনে হচ্ছে সকালে আসলে নিচে না গেলেই ভালো হতো।
কিন্তু না গেলেও বা কি? সত্যি কখনো চাপা থাকে নাকি। একদিন না একদিন সবার সবটা জানার ই ছিলো। এ শকুনের হাত থেকে বেচে ভেবেছিলো বাবার সাথে পালিয়ে অন্য শহরে গিয়ে আবার নতুন করে বাচবে। কিন্তু সেও অদিতির সাথে ঘাতকতা করলো। বেচে দিলো নিয়ে নোংরা জায়গায়। অদিতি হাটু মুড়ে বসে কাদছে আর এসব ভাবছে। সাইফ ব্যালকনিতে বসে সিগারেট টানছে। রাগে তার মাথা টগবগ করছে।
চাচ্চু এটা জানলো কিভাবে তাও বুঝতে পারছে না। এখন থেকে অদিতি কে আরো বেশি নজরে রাখতে হবে।
গমগমে পায়ে চৌধুরী বাড়িতে প্রবেশ করলেন ওয়াহাব চৌধুরী। হাসান চৌধুরী আর হাবিব চৌধুরী সমস্বরে সালাম দিলেন।
” আসসালামু আলাইকুম ভাইজান”
ওয়াহাব চৌধুরী দুই ভাইয়ের দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়ে বলল
” ওয়ালাইকুম আসসালাম। হা হা। এসো বুকে এসো।”
পর পর দুই ভাই কুলাকুলি শেষ করলে আঞ্জুমান চৌধুরী এলো
” আসসালামু আলাইকুম ভাইজান।”
” ওয়ালাইকুম আসসালাম। কেমন আছো আঞ্জু?”
আঞ্জুমান মাথায় ঘোমটা টেনে বলল
” আমি ভালো আছি ভাইজান। বড় ভাবি কে নিয়ে এলেন না কেন? আর তুযাউন কোথায়?”
ওয়াহাব চৌধুরী সোফায় বসলেন।
” আর বলো না, তোমার বড় ভাবির কত কাজ। সে সেসব ছেড়ে আসতে পারে নি।”
এদিক ওদিক দীঘি কে খুজে বলল
” তা কোথায়? আমাদের বার্থডে গার্ল হুমমম? দীঘি মামনি কোথায়?”
নদী জলপাই রঙের চুড়িদার পড়েছে। মাথায় ওড়না দিয়ে বড় আব্বুকে সালাম দিলো
” আসসালামু আলাইকুম বড় আব্বু। দীঘি আসছে। ওর বন্ধুদের সাথে রেডি হচ্ছে রুমে।”
ওয়াহাব চৌধুরী সালাম এর জবাব দিয়ে নদীকে পাশে বসার জন্য ডাকলেন। নদী গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে গিয়ে ওয়াহাব চৌধুরীর পাশে বসলো। ওয়াহাব চৌধুরী নদীর মাথায় হাত দিয়ে বলল
” মাশাল্লাহ, মাশাল্লাহ। আমাদের বড় মেয়ে খুব নিষ্ঠাবান হয়েছে। সুখে থাকো মা সুখে থাকো।”
নদী মুচকি হেসে বলল
” দাদাভাই এর আসার কথা ছিলো বড় আব্বু।”
ওয়াহাব চৌধুরী হাসতে হাসতে বলল
” ওর কথা আর বলো না মামনি। খানিক আগেই গাড়ি থেকে নামলো। কোথায় নাকি যাবে। সেই যে ৫ মিনিটের কথা বলে গেলো। এখনো আসার নাম নেই।”
দীঘি স্কাই ব্লু কালার একটা বার্বি গাউন পড়েছে। দুহাতে গাউন ধরে পুতুলের মতো দৌড়ে এলো বড় আব্বুর কাছে।
” আসসালামু আলাইকুম বড় আব্বু।”
ওয়াহাব চৌধুরী হেসে বলল
” ওয়ালাইকুম আসসালাম। হ্যাপি বার্থডে মাই গার্ল। ম্যানি ম্যানি হ্যাপি রিটার্নস অফ দ্য ডে।”
নদী উঠে সেখানে দীঘি কে বসালো। দীঘি হাত বাড়িয়ে বলল
” আমার গিফট?”
ড্রইং রুমের সবাই হেসে ফেললো। সিমি ও আছে সেখানে। দীঘির ১২-১৩ জন বান্ধবী ও আছে।
ওয়াহাব চৌধুরী পকেট থেকে লাল একটা বক্স বের করলো। তাতে জ্বলজ্বল করছে ডায়মন্ড এর রিং। দীঘির হাত উল্টে তাতে পড়িয়ে দিলো।
দীঘির বান্ধবী রা আশ্চর্য হয়ে গেলো গিফট দেখে। দীঘি তো খুশিতে আটখানা। সায়রা এখন এলো রান্না ঘর থেকে।
” ভাইজান এত দামি উপহার দেওয়ার কি ছিলো বলুন তো?”
ওয়াহাব চৌধুরী হাসোজ্জল মুখে বলল
” কী যে বলো না সায়রা। চৌধুরী বাড়ির ছোট মেয়ে দীঘি। আমাদের আদরের বাচ্চা। তাকে এটুকু দিবো না?”
সবাই খুব হাসি খুশি। ওয়াহাব চৌধুরী পাঞ্জাবির পকেট থেকে আরো একটা গোল্ড এর নেকলেস এর চিকন বক্স বের করে বলল
” আর এটা তোমাদের বড় ভাবি নিজে দিয়েছেন। প্রথম বার স্পেশাল মানুষটার মুখ যেন সোনা ছাড়া না দেখি। আমাদের বড় ছেলে তুযা হলেও, বিয়ে আগে সাইফ করলো।”
চারিদিকে চোখ বুলিয়ে বলল
” হাসান, কোথায় বৌ মা? আর সাইফ ই বা কোথায়?”
সকলের মুখের হাসি সাথে সাথে মিইয়ে গেলো। একে অপরের মুখ চাওয়া চাওয়ি করলো। ওয়াহাব চৌধুরী তাড়া দিয়ে বলল
” ও আঞ্জুমান, বউ মা কে ডাকো। দেখো তোমার ভাবি এই হার টা আমায় দিয়ে দিলো। পই পই করে বলে দিয়েছে, বউ মা কে দেখে এটা যেন দিয়ে আসি”
হাবিব চৌধুরী বললেন
“ওওও…..রা তো একটু বাইরে গেছে।”
” সে কি। বাড়িতে অনুষ্ঠান, বউ মা কোথায় গেছে? “
সায়রা কথা কাটাতে বলল
” ওই আসলে দীঘির জন্য গিফট আনতে গেছে।”
হাসান চৌধুরী বলল
” ওরা এসে যাবে হ্যা। আমরা কেক টেক কাটি কি বলো।”
ওয়াহাব চৌধুরী অবাক হয়ে বলল
” সাইফ, বউ মা কে ছাড়াই কাটবে? না না। ওরা আসুক।”
হাবিব চৌধুরী হাসান চৌধুরী কে ইশারা দিয়ে দিলো। হাসান চৌধুরি বলল
” আপনি আমার ঘরে আসুন ভাইজান। কথা আছে আপনার সাথে। আসুন।”
ওয়াহাব চৌধুরী যেতেই যেন সবাই হাফ ছেড়ে বাচলো। হাসান চৌধুরী না না বাহানায় অনেক ক্ষন আটকে রাখলো ওয়াহাব চৌধুরী কে। কিন্তু ওয়াহাব মেজাজ বিগরে গেলো।
সবাই প্ল্যান করলো রুমে নিয়ে দেখা করাবে।
সবাই প্ল্যান মাফিক ওয়াহাব চৌধুরী কে সাইফের রুমে নিয়ে গেলো। দরজায় কয়েক বার নক করার পর সাইফ খুলল। অদিতি তখনো খাটে হাটু মুড়ে বসে ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাদছে। নদী আগে আগে রুমে ঢুকলো। সাইফ মন খারাপ করেই সালাম দিলো ওয়াহাব চৌধুরী কে
” আসসালামু আলাইকুম বড় আব্বু”
” ওয়ালাইকুম আসসালাম। কখন এলে তোমরা? সেই কখন থেকে তোমাদের অপেক্ষায় সকলে বসে আছে”
সাইফ বড় আব্বুর কথার আগা মাথা বুঝলো না। হাসান চৌধুরী ইশারা দিলো চুপ থাকতে। ওয়াহাব চৌধুরী উৎসুক হয়ে বলল
” কোথায় আমার বউ মা কোথায়?”
নদী অদিতির কাছে গিয়েই কানে কানে বলে দিয়েছে
” শোনো, এটা হচ্ছে আমাদের বড় কাকা। আমরা ওনাকে বড় আব্বু ডাকি। উনি কিচ্ছু জানে না বুঝেছো। ঠিক করে কথা বলো।”
অদিতি বিছানা ছেড়ে উঠে মাথায় ঘোমটা টেনে বলল
” আসসালামু আলাইকুম বড় আব্বু।”
পায়ে হাত দিয়ে সালাম করতে গেলে থামালো ওয়াহাব চৌধুরী।
” আরে আরে থাক থাক মা। ভালো থাকো ভালো থাকো”
এতক্ষণ কান্না করার জন্য অদিতির ফর্সা গড়ন যেন লালচে আভায় ছেয়ে গেছে। ওয়াহাব চৌধুরী মুগ্ধ হয়ে গেলো অদিতির মুখ দেখে হয়ে গেলো। সন্তুষ্টির হাসি দেখা গেলো তার মুখে। উচ্চস্বরে বলে উঠলো
“মাশাল্লাহ মাশাল্লাহ। হ্যা রে হাসান, এই চাঁদের টুকরো কোথ থেকে আনলি তুই।”
গলার হার টা বের করে অদিতির সামনে ধরে নদীকে বলল
” মামনি এটা ওকে পড়িয়ে দাও তো”
নদী হারটা অদিতির গলায় পড়িয়ে দিলো। সাইফ নিশ্চুপ দেখলো সবটা। ওয়াহাব চৌধুরী বললেন
” বউ মা চলো নিচে চলো। দীঘি মামনির বন্ধুরা অপেক্ষা করছে। কেক কাটতে হবে। সাইফ আয়। এসো সকলে।”
উপায় না পেয়ে সকলেই গেলো ওয়াহাব চৌধুরীর পিছন পিছন। সাইফ বলল
” বড় আব্বু দাদাভাই আসে নি?”
” এসেছে তো। কোথায় যে গেলো। যাক চলো আমরা কেটে নেই। দীঘির বান্ধবীরা বাড়ি ফিরবে। আবার আমাদেরও ফিরতে হবে।”
দীঘি বাবাকে বলল
” বাবা কেক কাটার পর কিন্তু ডান্স করতে হবে”
হাসলো সকলেই। নদী লাল রঙের সুন্দর একটা কেক বানিয়ে দিয়েছে দীঘির বার্থডে উপলক্ষে। কেকের ওপর 16 লেখা দুটো সাদা মোমবাতি। ফু দিয়ে নিভিয়ে দীঘি কেক কাটলো। একে একে সবাই কে খাওয়ালো। অদিতি সিরির এক পাশে কাচুমাচু হয়ে দাড়িয়ে আছে। নদী খেয়াল করলো বিষয়টা। দীঘি ওর বন্ধুদের সাথে সেলফি তুলছে।
নদী গিয়ে দীঘি কে বলল।
” ভাবি কে কেক দিলি না?”
দীঘি ভেংচি কেটে বলল
” ওই বাজে মেয়ের সাথে বাবা আমাকে মিশতে বারন করেছে। “
নদী দীঘিকে বোঝাতে বলল
” এমন বলতে নেই বোন। যাও ওকে দিয়ে এসো।”
দীঘি কোনো ভাবেই রাজি হলো। নদী নিজেই এক পিস কেক তুলে নিয়ে অদিতি কে খাইয়ে দিলো। অদিতি প্রথমে খেতে চাইলো না। নদী বলল
” নাও খেয়ে নাও, আমি বানিয়েছি।”
অদিতির চোখ পানিতে ঝাপসা হয়ে আসে। নদী জিজ্ঞেস করে
” ভালো হয়েছে?”
উত্তরে শুধু ওপর নিচ মাথা নাড়ায়। দীঘি ওর বন্ধু দের সাথে নাচ করছে।
ওয়াহাব চৌধুরী, হাসান চৌধুরী সহ সকলে খেতে বসেছে। বসেনি শুধু হাবিব। ওই নোংরা মেয়ের সাথে বসে সে মোটোও খাবার খাবে না। অদিতি টেবিলের কাছে আসতেই সায়রা ইচ্ছে করে সসের বাটি ওর গায়ে উল্টে দেয়। অদিতির শাড়িতে অনেকটা সস পড়ে যায়।
ওয়াহাব চৌধুরী ভ্রু কুচকে সায়রা কে বলল
” দেখে কাজ করবে তো। বউ মা যাও পোষাক পাল্টে এসো।”
অদিতি বেশ বুঝতে পারলো তাকে ইচ্ছে করে সরিয়ে দিলো। সাইফ বুঝলেও বড় আব্বুর সামনে কিচ্ছু বলল না। চুপ চাপ খাবার খাওয়া শুরু করলো। অদিতি চলে গেলো রুমে। গল্প পড়তে লেখিকার পেইজ এ জয়েন হোন। পাল্টে রুমেই রইলো। আর যেতে ইচ্ছা করলো না নিচে। খাওয়া প্রায় শেষের দিকে তখন তুযা বাড়িতে ঢুকলো।
হাতে ইয়া বড় একটা লাল টেডি বিয়ার। দীঘির হাতে দিয়ে বলল
” হ্যাপি বার্থডে সিস্টার।”
দীঘির ও খুব পছন্দ হলো উপহারটা। আল্লাদে গদগদ হয়ে বলল
” থ্যাংক ইউ দাদাভাই।”
তুযা হাসলো। হাসান চৌধুরী হাবিব চৌধুরী সবাইকে সালাম দিয়ে খাবার টেবিলে বসলো। একে একে সবাই তুযা কে এটা ওটা জিজ্ঞেস করছে। ও মুখে টুকটাক উত্তর দিলেও ওর নজর মূলত দীঘির বান্ধবী রা নাচছে সেদিকে। মুখে খাবার ঠিকই কিন্তু চোখ দিয়ে গিলছে ফ্লোরে নাচ করতে থাকা মেয়ে গুলোকে।
মনে মনে বলল
” এখানে এত গুলো মেয়ে জানলে আগেই আসতাম।”
সাইফ বলল
” দাদা ভাই এত দেরি করে কেন এলে? আমরা তোমাকে ছাড়াই কেক কেটে ফেললাম।”
তুযা খাবার চিবোতে চিবোতে বলল
” এ বাড়ির মানুষ এমন ই রে। তোর মুসলমানির সময় ও এমন করেছিলো। আমি গেছি ক্রিকেট খেলতে। আইসা দেখি তোর পাখির মাতা কাইট্টালাইছে”
সাইফের খাবার তালুতে উঠে গেলো। বিশম খেয়ে কাশতে লাগলো সাইফ। নদী নাক মুখ কুচকে সরে গেলো সেখান থেকে। আঞ্জুমান সাইফকে পানি এগিয়ে দিলো।
ওয়াহাব চৌধুরীর এই এক জ্বালা। ছেলেটা কে হাজার চেষ্টা করেও শালীন বানাতে পারেনি।
তুযা সবার পরে বসলেও খাওয়া সকলের সাথেই হলো। খাওয়া শেষে সবার আগে ও ই হাত ধুতে গেলো। বেসিনে হাত ধুতে গিয়ে নদীকে বলল
” কোন ইয়ারে পরছিস এবার?”
নদী জবাব দিলো
” অনার্স দ্বিতীয় বর্ষে “
হাত ধোয়া হলে নদী টিস্যু এগিয়ে দিলো। কিন্তু তুযা হাত মুছলো নদীর ওড়নার আচলে। নদী নাক সিটকায়।
সোফায় এসে বসে। দীঘির বান্ধবী রা গিফট আনবক্স করছে। তুযা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখছে মেয়েদেরকে। দীঘির এক বান্ধবী বেসিন থেকে হাত ধুয়ে তুযার সামনে দিয়ে যাচ্ছিলো। তুযা ডেকে বলল
” এই মেয়ে শোনো।”
” জ্বি ভাইয়া”
” নাম কি তোমার? “
মেয়েটা হাসিমুখে বলল
” জোনাকি”
তুযা ভ্রু কুচকে বলল
“তোমার নাম জোনাকি?”
” জ্বী”
তুযা বাকা হেসে বলল
” তার মানে তোমার পু*টকিতে লাইট জ্বলে?”
মেয়েটার হাসোজ্জল মুখ কালো হয়ে গেলো। ভীষণ লজ্জা পেলো তুযার মুখে এমন কথা শুনে। মনে মনে ভাবলো দীঘির ভাই টা কেমন। মেয়েটা মন খারাপ বেড়িয়ে গেলো। কাওকে কিছু না বলেই। তুযা মেয়েটার চলে যাওয়ার দিকে তাকিয়ে আরেক তরফা হাসলো।
ওদের যাওয়ার সময় হয়ে গেছে। হাসান চৌধুরী অনুরোধ করে বলল “আজকে থেকে যাও ভাইজান।”
ওয়াহাব চৌধুরী হাসান চৌধুরীর হাত ধরে বলল
” থাকবো কি করে ভাই। বাড়িতে মা তোমাদের ভাবি একা আছে।”
আঞ্জুমান বলল
” পরের বার মা আর ভাবিকে নিয়ে আসতে হবে কিন্তু ভাইজান”
তুযা সাইফের গলা জড়িয়ে বলল
” ভাই আমি মূলত একটা মাল এর সন্ধ্যানে শহরে এসেছি। আমায় কি তুই একটু সাহায্য করতে পারিস?”
সাইফ ভ্রু কুচকে বলল
” মাল?”
তুযা সাইফের মাথায় আলতো চাপড় মেরে বলল
” আরে ভেড়াচ্চুদা বিয়ে করছস আর এটা বুঝোস না? আরে মেয়ে মেয়ে। মেয়ে বললে ভুল হয়। একটা মা*গি আরকি। ধরছিলাম গ্রাম থেকেই। কিন্তু কাছে পাওয়ার আগেই শা’লি পলাইলো। খবর পাইছি ঢাকাতেই আছে।ওরে আমাট ব্যাস ১ দিনের জন্যই লাগবো”
সাইফ মুচকি হেসে বলল
” দাদাভাই! তুমি আর শোধরালে না। আচ্ছা ১ দিনের প্রয়োজনে এত হন্যে হয়ে খুজছো কেন? দেশে কি আর মেয়ে নেই?
” ওইডা মেয়ে নারে। পরি পরি। তাই জন্য তো লাগবো। যাক সেসব তো ঠিক আছে, বাড়িতে যাবি কবে”
ওরা টুকটাক কথা বলতে বলতে আসলো। ওয়াহাব চৌধুরী সবার থেকে বিদায় নিয়ে বেরোবে এমন সময় বলল
” এই, বউ মা কোথায় গেলো? ডাকো ওকে, ওর সাথে কথা বলে যাই। তুযা!”
” হ্যা বাবা। “
” তুমি তো ভাইয়ের বউয়ের সাথে আলাপ ই করলে না। যাও আলাপ করে এসো। আমরা বেরোবো।”
সাইফ তুযার কাধ জড়িয়ে বলল
” চলো, তোমাকে আমার বউয়ের সাথে পরিচয় করিয়ে দেই। বড় আব্বু আমি নিয়ে যাচ্ছি ।”
“হ্যা যাও আলাপ করে এসো”
চলবে
Share On:
TAGS: খাঁচায় বন্দী ফুল, জান্নাতুল ফেরদৌস
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ১২
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ১৩
-
খাঁচায় বন্দী ফুল গল্পের লিংক
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ৯
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ১
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ৪
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ৫
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ১৫
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ১৮
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ৬