১৮+ অ্যালার্ট ⚠️
সম্পূর্ণ পড়লেই বুঝতে পারবেন।
খাঁচায়বন্দীফুল
জান্নাতুল_ফেরদৌস
পর্ব – ৪
” বস! এটা একটা মেয়ে”
তীক্ষ্ণ শকুন চোখ জোড়া মূহুর্তে দৃষ্টি ফেরালো। সারা শরীর আবৃত পোষাকে, কেবল তার চক্ষুদ্বয় দৃশ্যমান। হাতের রিভলবার টা আরো চেপে ধরলো। ভারিক্কি গলায় বলল
” এই ঘন জঙ্গলে মেয়ে আসবে কোথা থেকে”
কিন্তু তার পোষা কর্মচারী ছেলেটা বলল
” এটা কমবয়সী একটা মেয়ে বস “
সাথে থাকা আরেকজন টর্চের আলো ফেলল মুখে। সাথে সাথে দৃশ্যমান হলো কিশোরীর অপরুপ মুখশ্রী। জমিদার পুত্রর সাথে থাকা চ্যালাপ্যালারা লোলুপ দৃষ্টিতে দেখছে মেয়েটাকে। তাদের মধ্যে একজন মানিক বলল
” কোনো পরি টরি হইবো হয়তো।”
মোশাররফ মাথায় গাট্টা মেরে বলল
” পা’গল হইছোস? ওসব পরি টরি বলতে কিচ্ছু হয় না”
মানিক মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে বলল
” তাছাড়া এই রাইতের বেলায় এই ঘণ জঙ্গলে মাইয়া মানুষ আইবো কোই থিকা। আর দেখোস না কত সুন্দর। “
তুযাউনের খাস কর্মচারী ফারুক বলল
” ছোট সাহেব কি করমু এইটারে?”
মানিক বলল
” কি করবি মানে? কাইট্টা নদীতে ভাসাই দেওয়া লাগবো। যদি কিছু দেইখা থাকে। কোনো রিস্ক নেওয়া যাবে না?”
অনুমতির অপেক্ষায় সবাই তুযার মুখের দিকে তাকিয়ে। আর তুযা তাকিয়ে সেই অপরুপ রমনির দিকে। ফারুক আরেকবার বলল
” কি করবো ছোট সাহেব? “
” নিয়ে চল”
সবাই সমস্বরে বলে উঠলো
” অ্যা……?”
তুযার অগ্নিদৃষ্টিতে সবাই চুপ হয়ে গেলো। মাথা নিচু করে জিপে গিয়ে বসলো। তুযা পিস্তল টা ফারুকের কাছে দিয়ে মেয়েটাকে কাধের ওপর ফেলে জিপে নিয়ে বসালো। জ্ঞান ফিরেনি। হেলে পড়ছে বারবার। জঙ্গলের সরু রাস্তা ধরে জিপ ছুটিয়ে বাড়িতে ফিরছে তুযা। পথিমধ্যে একবার গাড়ি থামিয়েছিলো। আবার গাড়ি ছুটিয়ে বাড়ির দিকে রওনা হলো। গ্রামের ঠিক মাঝখানে জমিদার বাড়ি।
ফজরের আযান পড়ে গেছে। ভোরের আলো ফুটার আগে বাড়িতে ফিরতে হবে। তুযা হতাশ। ভেবেছিলো জোয়ার্দার এর লোকেদের কাছে অন্তত অদিতির খবর পাওয়া যাবে। কিন্তু বেধম মা’রধ’র আর কয়েকটা লা’শ ফেলে দেওয়ার পরও কেউ স্বীকার করলো না। মাথা ফেটে যাচ্ছে চিন্তায়। কোথায় অদিতি? নানা চিন্তা ভাবনার মধ্যেই গাড়ি এসে চৌধুরী বাড়ির সামনে থামলো। এই গ্রামের সবচেয়ে সম্ভ্রান্ত আর বিত্তশালী বাড়ি হচ্ছে চৌধুরী বাড়ি। এবাড়ির বড় ছেলে ওয়াহাব চৌধুরীর একমাত্র ছেলে হচ্ছে হচ্ছে তুযাউন। ওয়াহাব এর ছোট দুই ভাই ঢাকাতে থাকে দীর্ঘদিন। বছরে একবার ঈদ-উল-আযহা য় আসে গ্রামে কুরবানি দিতে। সপ্তাখানেক থাকে আবার চলে যায়।
অদিতি গরীব ঘরের মেয়ে। কোনো এক কাজে গ্রামে যাওয়ার পথে অদিতির দেখা পেয়েছিলো তুযা। কিন্তু অদিতির সৎ বাবা কোনো ভাবেই অদিতি কে বিয়ে দিতে রাজি হয়নি তুযার সাথে। বাধ্য হয়ে তুলে এনেছিলো অদিতি কে। কিন্তু ভাগ্য সহায় হলো না। এবাড়ির কাজের লোক কে হাত করে অদিতির সৎ বাবা অদিতি কে বাড়ির বাইরে নিয়ে যায়। তারপর ৪ দিন কেটে গেছে। অদিতির বাবা বা অদিতি কারোরই খোজ মেলেনি।
তুযা হন্যে হয়ে খুজছে অদিতি কে। কোনো শত্রুপক্ষের ডেরা বাদ রাখছে না খুজতে। মেয়েটাকে বাড়ির পিছন দিক দিয়ে বাইজি খানায় পাঠিয়ে দিলো। র’ক্তা’ক্ত শরীরে বাড়ি ফিরলো তুযা।
মেহেরজান বেগম তুযার দাদি। তসবি পরছেন বসে বসে। তুযা গিয়ে মেহেরজান এর হাটুতে মাথা ঠেকিয়ে বসে পড়লো।
” আমার অদিতিকে খুজে পাচ্ছি না দাদি “
মেহেরজান তুযার মাথায় হাত বুলিয়ে বলল
” সব ঠিক হইয়া যাইবো দাদুভাই। যা। অহন ঘরে যাইয়া ফ্রেশ হ। যাহহ। ওমন কত মা’গি আইবো যাইবো।”
তুযা উঠে নিজের ঘরে চলে যায়। গোসল করে কালো পাঞ্জাবি আর সাদা পায়জামা পড়লো। কাঁধে ঝুলালো ঘি রঙের শাল। শক্তপোক্ত আর পেটানো শরীরে বড্ড মানানসই। মোচড়ানো গোফ আর চাপ দাড়ি হাত দিয়ে বুলিয়ে নিলো। এ বাড়িতে এই একজন ব্যাতিক্রম চোখের রঙের অধিকারি। তবে তার এই রাজকীয় বেশভূষা, আকর্ষণীয় শরীর আর সৌন্দর্য গ্রামের মেয়েদের পছন্দের নয়, বরং আতঙ্কের কারণ।
পরিপাটি হয়ে বাইজি খানায় প্রবেশ করতেই ভেসে আসে কারো গোঙানির আওয়াজ। পাহারাদার কে জিজ্ঞেস করলো
” কে ওখানে?”
পাহারাদার জবাব দিলো
” জনাব কাল রাতের সেই মেয়েটি।”
বাকা হাসলো তুযা
” প্রস্তত আছে?”
উত্তরে হাসলো লোকটা। ইশারা দিলো ঘর থেকে বের হয়ে যেতে। তুযা ভিতরে গিয়ে দেখলো মেয়েটার গায়ের কাদামাটি ধুয়ে পোষাক পাল্টে দিয়েছে কাজের মেয়ে গুলো। কিন্তু বেধে রেখেছে মুখ আর হাত। পরনে কালো একটি স্লিভলেস মিনি টপ আর হাটুর ওপরে একটা স্কার্ট।
তুযা মেয়েটার মুখের বাধন খুলে দিলো। হাত দুটো পিছনে বাধা। আপাদমস্তক দেখলো ভালো করে। হাতের বাধন খুলে হাত দুটো পালঙ্কের সাথে বাধলো।
পরনের টপ টার বোতাম একটা একটা করে সবগুলো খুলে ফেললো। মেয়েটা প্রাণ পণে চেঁচাচ্ছে। তুযার সামনে মেয়েটার বক্ষদেশ উন্মুক্ত হয়ে পড়লো।
মেয়েটার ন’গ্ন বুকে তুযা হাত বুলিয়ে দিয়ে বলল
” তোমার মতই এক সুন্দর ফুল আমারে ধোকা দিয়া পলাইছে। হেরে ত পাইলাম না। আজকের মতো তোমারে দিয়েই কাজ চালাই কি বলো।”
এক টানে মেয়েটার স্কার্ট খুলে ফেললো। পুরোপুরি ন’গ্ন হয়ে পড়লো মেয়েরা তুযার সামনে। তার মেদহীন পেটটায় চুমু দিলো তুযা। কামড় বসালো বুকের উচু নরম স্থানে। ২৮ বছরের জোয়ান তাগড়া পুরুষের নিচে পিষ্ট হচ্ছে ১৫ বছরের এক কিশোরী মেয়ে।
হিংস্র পশুর মতো ছিড়ে খেলো মেয়েটাকে। বেশখানিক সময় পার হওয়ার পর তুযা বেড়িয়ে গেলো। মেয়েটা ন’গ্ন শরীরে পরে রইলো বিছানায়। জ্ঞান হারিয়েছে আরো বেশ কিছুক্ষণ আগে। তুযা বাইজি খানা থেকে বেরোলো দুপুরে। তখন মধ্যাহ্ন ভোজের সময়।
বাড়ির সবাই খেতে বসেছে। তুযাও বসে পড়লো একটা চেয়ার টেনে। মেহেরজান বেগম চোখ রাঙানি দিয়ে বলল
” বইছস তো খাওনের টেবিলে। আইছস তো ন’টি বাড়ি থিকা। বলি গা গতর ধুইয়া আইতে পারলি না। ছি ছি ছি। এদের ঘিন্না পিত কিচ্ছু নাই। ছ্যাহহ।”
মেহেরজান বকতে বকতে খাবার ছেড়ে উঠে পড়লো। তুযা মুচকি হেসে খাবার খেতে শুরু করলো। ওয়াহাব চৌধুরী তুযার উদ্দেশ্যে বলল
” সারারাত কোথায় ছিলে?”
তুযা জবাব দেওয়ার আগে মেহেরজান গলা উচিয়ে বলল
” কই আবার। হেই মা*গির খোজে গেছিলো। আল্লাহ বাচাইছে মাগি ডা ভাগছে। কি এমন সুন্দর সুরতের মাইয়া একটু দেখতাম।হুহহ”
তুযা বাকা হেসে ঘার নাচালো। দাদির উদ্দেশ্যে বলল
” তোমাকে দেখাবো বলেই খুজতেছি”
অর্ধেক খাবার ছেড়েই তুযা উঠে পড়লো। বেসিনে হাত ধুয়ে ওপরে যাওয়ার সময় দাদির নাকে আলতো করে টিপ দিয়ে বলল
” ও সুন্দরী ঠিকই, তবে তোমার চেয়ে বেশি না”
বলে হাসতে হাসতে উপরে চলে গেলো। ওয়াহাব চৌধুরী ডেকে বললেন
” কিছুক্ষণের মধ্যে আমার ঘরে এসো। জরুরী কথা আছে তোমার সাথে “
তুযার মা লতিফা চৌধুরী ওয়াহাব চৌধুরীর উদ্দেশ্যে বলল
“ছেলেটা বড্ড বেপরোয়া হয়ে যাচ্ছে না বলুন?”
” ঠিকই আছে। বেপরোয়া হয়নি। ও গ্রাম প্রধানের ছেলে। ভবিষ্যৎ মেয়র। ওর ঘরকুনো স্বভাব মানায় না লতিফা। ও হলো চিল। যে মুক্ত আকাশে উড়তে পছন্দ করে।”
লতিফা তেতে উঠলো
” হ্যা তা মানাবে কেন? চারিদিকে যে মেয়েদের সর্বনাশ করে বেড়াচ্ছে, সে খেয়াল কি আছে আপনার?”
” তুমি মা হয়ে নিজের ছেলেকে এভাবে বলতে পারো? “
লতিফা কথা বলতে বলতে কেদে ফেললো। মেহেরজান বেগম সোফায় বসে পান সাজাচ্ছে। লতিফা কে উদ্দেশ্য করে বলল
“অত আচলেরর মধ্যে ভরে রাখলে কি পোলা মানুষ করা যায়। বড় ঘরের ছেলে। একটু আধটু রঙ্গ ফূর্তি করবোই। এইডা তো তেমন দোষের কিছু না। “
লতিফা শাশুড়ী কে বললেন
” আপনাদের আশকারা পেয়েই ছেলেটা আমার সংসারী হলো না। নয়তো…… “
মেহেরজান ঝংকার দিয়ে উঠলো
” চুপ কররর। উহহহ কি চোপা হয়েছে মা’গির ঝির।”
এর মধ্যে এক গ্রামের লোক এসে দাড়ালো।
“প্রধান বাবু!”
লোকটা খুব হাঁপাচ্ছে। মনে হচ্ছে অনেক দূর দৌড়ে এসেছে। হাঁপাতে হাঁপাতে বলল
” প্রধান বাবু! ছোট সাহেব রে বলেন না আমার মেয়ে টারে ছাইড়া দিতে”
ওয়াহাব চৌধুরী বড় বিরক্ত হলেন।
” সে আমি কথা বলবো তুযার সাথে। এখন যাও তো বাপু। যাওওও”
সাইফ অদিতি কে বার বার জিজ্ঞেস করছে কাদছো কেন। কিন্তু অদিতি কিচ্ছু বলছে না। এমনকি কান্নাও থামাচ্ছে না। সাইফ বিরক্ত হয়ে বলল
” এখন যদি কান্না না থামাও, আমি জামা কাপড় খুলে এখানে দাড়িয়ে থাকবো তোমার সামনে। “
সাথে সাথে কান্না থেমে গেলো অদিতির। সাইফ একটা একটা করে শার্টের বোতাম খুলছে। অদিতি বলছে
” না না না না। আমি আর কাদবো না। বলছি বলছি”
” বলতে থাকো। তোমার কথা শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত আমি খুলতে থাকবো। তাই যত দ্রুত সম্ভব কথা শেষ করো”
অদিতি দ্রুত বলল
” আসলে আপনার মা বলেছে কাল থেকে যেন আমি শাড়ি পড়ি”
সাইফ এর শার্ট খোলা শেষ। প্যান্টের বাটন খুলতে খুলতে বলল
” এতে কান্না করার কি আছে?”
অদিতি অবাক হয়ে দেখছে সাইফের কান্ড
” একি আপনি এখনো খুলছেন কেন? বলে দিয়েছি তো”
” আমার মনে হয় না এটা কোনো কান্না করার কারণ হতে পারে। এই আমি প্যান্ট খুললাম।”
অদিতি দু হাতে চোখ ঢেকে বলল
” না খুলবেন না দয়া করে। আমি এজন্যই কাদছিলাম, যে আমি শাড়ি পড়তে…….”
অদিতির কথা শেষ হওয়ার আগেই সাইফ নিজের পরনের প্যান্ট অদিতির ওপর ছুড়ে মারলো।
অদিতি জোরে চিৎকার করে উঠলো
” আআআআআআআআআ”
সাইফ ভিতরে একটা থ্রি কোয়ার্টার প্যান্ট পড়া ছিলো। অদিতি সেটা না দেখেই চিৎকার করেছে। চিৎকার বন্ধ করতে সাইফ অদিতির মুখ চেপে ধরতে গিয়ে অদিতির ওপর পরে। অদিতিও প্রাণপন চেষ্টা করে চোখ ছাড়াতে।
চিৎকারের শব্দ পেয়ে আঞ্জুমান, সায়রা, নদী দৌড়ে আসে। সবার আগে আসে আঞ্জুমান।
” কি হলো বাবুউউউউ”
রুমে এসে নিজের বাবু কে এই অবস্থায় দেখে থতমত খেয়ে যায় আঞ্জুমান। অদিতি বিছানায় শুয়ে, আর অদিতির ওপর সাইফ। তাও আবার ছোট একটা প্যান্ট পরে।
আঞ্জুমান রাগে গজ গজ করতে করতে বেরিয়ে যায়
” বেলজ্জ, বেহায়া ছেলে পেলে, মান ইজ্জত কিচ্ছু নেই”
নদী উদ্বিগ্ন হয়ে জিজ্ঞেস করে
” কি হয়েছে মনি মা?”
আঞ্জুমান রেগে বলে
” ফসলের জমিতে ছাগল ঢুকে পরেছে। যা যে যার ঘরে যা।”
” এ্যাহহ ছাগল? আর ফসলের জমি?”
সাইফ উঠে দাড়ায়। অদিতি হাপাতে হাপাতে বলল
” কি ভাবলেন উনি?”
” সব তোমার জন্য হয়েছে। কে বলেছিলো চেচাতে? আমি কি এতই সস্তা যে যাকে তাকে আমার….. “
অদিতি বড় বড় চোখ করে তাকিয়ে আছে। সাইফ ট্রাউজার পরে নিলো।
” শোনো শুক্রবার আমাদের বিয়ে।”
অদিতি অবাক হয়ে বলল
” সে তো আরো চারদিন পর”
সাইফ মুখ এগিয়ে টিটকিরির স্বরে বলল
” কেন? বিয়ের জন্য বুঝি তর সইছে না”
অদিতি তেতে উঠলো
” আজ্ঞে নাহহ। এই কয়দিন আমি আপনার সাথে এক ঘরে রাত কাটাতে পারবো না। “
” নো প্রবলেম! আমি এমনিতেও রাতে বাড়ি থাকি না”
অদিতি মিনমিন করে বলল
” ডাকাতি করতে যান নাকি? এমনিতে আপনাকে দেখেও তাই মনে হয়। রঘু ডাকাতের বংশধর”
সাইফ অদিতির দিকে তাকালো। এবার একটু ভয় পেলো মেয়েটা। বেশি বলে ফেলেছে বোধহয়। সাইফ মুখটা অদিতির মুখের কাছে নিয়ে বলল
” মুখ দিয়ে খুব কথা বেরোচ্ছে। বিয়েটা হতে দাও। তোমার ওই মুখ আমি অন্য কিছু দিয়ে বন্ধ করবো।”
“আচ্ছা বিয়ের আগে কি চুমু খাওয়া যায়?”
চলবে?
Share On:
TAGS: খাঁচায় বন্দী ফুল, জান্নাতুল ফেরদৌস
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ১৯
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ২০
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ১০
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ৭
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ১
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ১৬
-
খাঁচায় বন্দী ফুল গল্পের লিংক
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ৯
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ১৭
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ১৮