সীমান্তরেখা
লেখনীতে— #ঝিলিক_মল্লিক
পর্ব_৮
[কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।]
আকসার গায়ে হলুদ শেষ হলো আজ৷ কাঁচা হলুদে আকসার এলার্জির সমস্যা আছে৷ এজন্য শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা পালন করতে সামান্য হলুদ দেওয়া হয়েছে ওকে। আকসার আম্মু কাউকে তার মেয়ের গায়ে হলুদ ছোঁয়াতে দেননি। ছাঁদে হলুদ গোসল দেওয়ার পরে আকসা ঘরে এসে আরো একবার ভালোভাবে গোসল সেরেছে। কলি বসে আকসার গয়না এবং বাকি সবকিছু গুছিয়ে রাখছিল। দুই পরিবারের একত্রে শপিংয়ে যাওয়ার কথা থাকলেও অতিরিক্ত তাড়া থাকার কারণে তা আর হয়ে ওঠেনি। খুব তাড়াহুড়ো করেই দুই পরিবার আলাদাভাবে শপিং করেছে। মেজবাহ’র কাজিনরা এসে আকসার বিয়ের ডালা দিয়ে গেছে। সেগুলোই খুলে দেখছিল কলি আর আকসার মা-খালারা।
খালামণি আকসাকে ভেজা চুলে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে পাশে বড় বোনকে বললেন, “বিয়ের সময় বোধহয় প্রতিটা মেয়ের-ই অতিরিক্ত উজ্জ্বলতা বেড়ে যায়, তাই-না আপা? দেখো, গায়ে হলুদ দেওয়ার পর থেকে আমাদের আকসার রূপ যেন আরো বেশি উথলে পরছে। চোখ ধাঁধানো সুন্দর লাগছে ওকে। এজন্যই বিয়ের আগে মেয়েদের গায়ে হলুদ দেওয়া হয়। থুথু। কারো নজর না লাগুক।”
আকসা চুল আঁচড়াচ্ছিল। খালামণি বিছানা থেকে উঠে এসে ওকে থামিয়ে দিয়ে নিজে ওর চুল ভালোভাবে মুছে আঁচড়ে দিলেন। আকসাকে জিজ্ঞাসা করলেন, “ওদের দেওয়া বিয়ের সবকিছু তোর পছন্দ হয়েছে মা?”
“জি খালামণি, ভীষণ পছন্দ হয়েছে।”
“আগের কালে তো সবাই বিয়েতে লাল না-হয় খয়েরী শাড়ি পরতো। আমরাও সবাই তাই-ই পরেছি। কিন্তু তোর শ্বশুরবাড়ি থেকে তোকে হালকা গোলাপি রঙের শাড়ি-দোপাট্ট দেওয়া হয়েছে। ব্যাপারটা আসলেই অন্যরকম। তোকে এই শাড়িতে খুব সুন্দর লাগবে।”
আকসা লজ্জা পেল একটুখানি। অগোচরে লাজুক হাসলো। খালামণি বিছানার ওপর থেকে কাতান বেনারসি শাড়িটা এনে আকসার গায়ে জড়িয়ে ধরে দেখতে লাগলেন। পেছন থেকে কলি বললো, “তোকে মারাত্মক সুন্দর লাগছে আকসা। মানতে হবে, তোর শ্বশুরবাড়ির মানুষের পছন্দ ভালো। এজন্যই তো তোকে পছন্দ করে সেই বাড়ির বউ করে নিয়ে যাচ্ছে।”
আকসার শাড়ি, ওর বিয়ের সাজগোজ আর শ্বশুরবাড়ির প্রশংসা — এসব নিয়ে টুকটাক অনেক কথা হলো। আকসা মুখে কিছু না বললেও মনের মাঝে অদ্ভুত এক অনুভূতির সঞ্চার হতে লাগলো ওর। আগামীকাল ওর বিয়ে। আকসা এখনো বিশ্বাস-ই করতে পারছে না। বারবার মেজবাহ’র কথা মনে করে লাজুক হাসছে।
এরইমধ্যে আকসার আব্বু ভিডিওকল দিলেন। আকসা কল রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে ইসহাক খন্দকার বললেন, “কী খবর আম্মু? সব ঠিকঠাক?”
“জি আব্বু, সবকিছু ঠিকঠাক।”
ইসহাক খন্দকার হাসলেন মেয়ের মুখটা দেখে। তারপর আবেগ মাখা কন্ঠে বললেন, “বিশ্বাস-ই হচ্ছে না আমার ছোট মেয়েটা বড় হতে হতে কবে যে এতোটা বড় হয়ে গেল! কাল নাকি তার বিয়ে! আমার মেয়েকে কনে সাজে দেখবো। পিতা হিসেবে এর চাইতে বেশি সৌভাগ্যের আর কী হতে পারে?”
ইসহাক খন্দকারের চোখের কোণে চিকচিকে জল জমা হলো। সেটা খেয়াল করে আকসার মনটা হু হু করে কেঁদে উঠলো। ও মুখ ফুটে কিছু বলতে পারলো না৷ ইসহাক খন্দকার পুনরায় বললেন, “আগামকীল বউ সেজে আমাকে কল দিও আম্মু। তোমাকে দেখবো।”
“আচ্ছা আব্বু।”
আকসা প্রতিত্তোর করতেই ইসহাক খন্দকার বললেন, “ফোনটা তোমার আম্মুকে দাও তো।”
আকসা ফোনটা ওর মায়ের হাতে দিয়ে ব্যালকনিতে চলে গেল। এখন ও সেখানে দাঁড়িয়ে আব্বুর কথা ভেবে খুব করে কাঁদবে। এই কান্না কেউ এসে দেখে যাবে না। আব্বুকে এই মুহূর্তে ভীষণ মিস করছে ও। জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ সময়েও মানুষটাকে পাশে পাচ্ছে না। অবশ্য উপায়ন্তর নেই। থাকলে তার আব্বু নিশ্চয়ই এতক্ষণে দেশে ছুটে আসতেন।
.
.
রাত তখন প্রায় এগারোটা। বাড়িতে অনেকেই জেগে আছে। কলি আজও তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে গেছে। আগামীকাল ওর অনেক দায়িত্ব। আকসার তৈরি হওয়ার সব কার্যক্রম ওকেই দেখতে হবে।
এদিকে আকসার চোখে ঘুম নেই। যদিও ওর আম্মু ওকে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে যেতে বলেছেন, যেহেতু আগামীকাল অনেক ধকল যাবে। কিন্তু আকসা ঘুমাতে পারছে না। আগামীকালের কথা ভাবছে৷ কি হবে না হবে কে জানে! আকসার একদিকে এক্সাইটমেন্ট কাজ করছে, অপরদিকে মন খারাপও হচ্ছে অনেক। বিয়ে করে এই চেনা ঘর, চেনা মানুষদের ছেড়ে চলে যেতে হবে। আম্মুকে ছাড়া তো থাকতে পারে না আকসা। আর ভাইকে ছাড়া ওর দিন-ই চলে না। থাকবে কীভাবে তাদের সবাইকে ছেড়ে?
আকসা একবার সেই হালকা গোলাপি রঙের বেনারসি শাড়িতে নিজেকে কল্পনা করে নিলো৷ ওর হঠাৎ মেজবাহ’র কথা মনে পরলো৷ লোকটার সাথে শেষ গতকাল রাতে সেই যে কথা হলো, এরপর আর যোগাযোগ করা হয়নি।
আকসা ফোনটা তুলে নিয়ে মেজবাহকে একটা টেক্সট দিলো। লিখলো, “আছেন আপনি?”
পাঁচ মিনিট পরে টেক্সটের রিপ্লাই আসলো, “হ্যাঁ আছি। বলো।”
“কী করছেন?”
“একটা ইম্পর্ট্যান্ট কলে ছিলাম।”
“আমি কি ডিস্টার্ব করে ফেললাম নাকি?”
“নোপ! কথা শেষ। এখন ফ্রি আছি।”
আকসা জিজ্ঞাসা করলো, “ফোনকল?”
“ওকে।”
আকসা কল দিলো। মেজবাহ রিসিভ করতেই ও জিজ্ঞাসা করলো, “গায়ে হলুদ হয়েছে আপনার?”
“হ্যাঁ। জাস্ট ফর্মালিটি। নাথিং এলস।”
আকসা অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করলো, “ফর্মালিটি কেন?”
“এক্সুয়ালি আমার কাঁচা হলুদে এলার্জি।”
“কি বলেন! আমারও তো হলুদে এলার্জি। কি মিল আমাদের! কো-ইন্ডিডেন্স!”
“ওহহো!”
মেজবাহ ওকে জিজ্ঞাসা করলো, “তারপর বলো, বিয়ের পর কি কি প্ল্যানিং আছে?”
আকসা একটু দ্বিধান্বিত হয়ে জিজ্ঞাসা করলো, “এখনই বলবো?”
“হ্যাঁ বলতে পারো। আগে থেকে শুনে রাখা ভালো।”
আকসা এবার গড়গড়িয়ে বলতে লাগলো, “জানেন আমার না খুব ট্যুর দেওয়ার ইচ্ছা আছে। আমি কখনো তেমন রাজশাহীর বাইরে যাইনি। আমার গন্ডি বরাবরই এই রাজশাহী শহর অব্দি। আম্মু সবসময় বলতেন, বিয়ের পর হাসবেন্ডের সাথে ঘুরবে। এজন্য আমার স্কুল-কলেজের সব ট্যুর ক্যান্সেল করে দিতেন৷ তাই আমার ইচ্ছা আছে, বিয়ের পর হাসবেন্ডের সাথে ট্যুর দিবো। অনেক জায়গায় ঘুরবো। সবার আগে সাজেক যাবো। ওইযে ট্রাভেল ভ্লগাররা আছে না? তাদের অনেক ভিডিওতে দেখেছি। সাজেক নাকি স্বপ্নের মতো সুন্দর একটা জায়গা। ওখানে খুব কাছ থেকে মেঘ দেখা যায়। আমিও মেঘ ধরতে চাই। এরপর যাবো সেন্টমার্টিনে। বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর দ্বীপ নাকি ওটা। জীবনে একবার হলেও ওখানে যাবো-ই আমি৷ তবে বাইরের দেশ ঘুরে দেখার সেরকম কোনো পরিকল্পনা নেই। আগে নিজের দেশটা ভালোভাবে ঘুরে দেখতে চাই।”
“আচ্ছা আচ্ছা! তারপর?”
তারপর আর কী? মেজবাহ’র প্রশ্নে আকসা মনে করার চেষ্টা করতে লাগলো। তারপর হঠাৎ ওর মনে পরতেই বললো, “পড়াশোনা তো কন্টিনিউ করবোই। তবে আমার শখ বই নিয়ে কিছু করা। আসলে আমি বই পড়তে ভীষণ ভালোবাসি এবং বই নিয়ে অনেক ঘাটাঘাটিও করা হয়। এজন্য ভেবেছি, এদিকটা নিয়েই কিছু একটা করবো৷ বইয়ের প্রোডাকশন শুরু করতে পারি সম্ভবত। আমি নিজের জন্য কিছু করতে চাই। আপনি কি আমাকে করতে দিবেন মেজবাহ?”
“ইয়াহ শিওর। কেন দিবো না?”
ফোনের ওপাশ থেকে মেজবাহ মৃদু হেঁসে কথাটা বলতেই আকসা নিশ্চিন্ত হলো৷ যাক, মেজবাহ অন্তত কিছু পুরুষদের মতো ফ্যাসিস্ট স্বভাবের নয়। মেজবাহ’র সাথে আরো টুকটাক কিছু কথা হলো আকসার। শেষে মেজবাহ বললো, “এখন তাহলে ঘুমিয়ে পরো। আগামীকাল অনেক ধকল যাবে, সেগুলো সামলানোর মতো এনার্জি থাকতে হবে। ঘুম ভালো না হলে ক্লান্তি থেকে যাবে। আগামীকালের জন্য বেস্ট অফ লাক।”
মেজবাহ’র কথায় আকসা খুশি মনেই ঘুমাতে গেল, মনে হাজারটা স্বপ্নের বুনন নিয়ে।
.
.
আকসাকে পার্লারের মেয়েরা সাজাতে এসেছে। বরযাত্রী নাকি আর ঘন্টাখানেকের মধ্যেই চলে আসবে। আকসাকে শাড়ি পরিয়ে মেকআপ করানো হচ্ছে। আকসা শুরুতে বলেই দিয়েছে, অতিরিক্ত মেকআপ না করাতে। সেই মোতাবেক ওকে একটা ন্যাচারাল লুক দেওয়া হচ্ছে। লিপস্টিক পরিয়ে দোপাট্টা মাথায় উঠিয়ে দিতেই আকসার সাজ সম্পূর্ণ হলো। ও ড্রেসিং টেবিলের সামনে বসে আগেই ওর আব্বুকে কল দিলো। ইসহাক খন্দকার ভিডিওকলে মেয়েকে কনে সাজে দেখেই কেঁদেই ফেললেন। আকসারও চোখে জল আসলো। ও কান্নারত শহরে বললো, “কেঁদো না আব্বু। দেখো তো, আমাকে সুন্দর লাগছে?”
ইসহাক খন্দকার চোখ মুছতে মুছতে বললেন, “মাশাআল্লাহ, খুব সুন্দর লাগছে আম্মু। একটা পুতুল বউ লাগছে।”
আকসা হাসলো৷ অনেকটা সময় ওর আব্বুর সাথে কথা বললো। এরমধ্যে কলি এসে আকসার নিকাহনামার ফ্রেমটা একপাশে সরিয়ে রেখে গেল। আকসাকে দেখে ঘরে বসিয়েই কতগুলো ছবি তুললো ও। এরইমাঝে ঘরের মধ্যে অনেক মানুষের ভীড় জমে গেছে বউকে দেখার জন্য। আকসার অস্বস্তি হতে লাগলো৷ এতো মানুষের ভীড়ে ওর দমবন্ধ হয়ে আসলো৷ কলি মেয়েটা সবচেয়ে ভালো বোঝে ওকে। ওর অস্বস্তি টের পেয়ে কলি একে একে সবাইকে অনুরোধ করে ঘরের বাইরে পাঠিয়ে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দিলো। আকসার কাছে আসতেই ও জিজ্ঞাসা করলো, “বাইরে কী অবস্থা?”
“হৈ-হুল্লোড় চলছে খুব। সবাই বরযাত্রীর অপেক্ষা করছে। সবাই এখনই চলে আসবে।”
“ওহহ।”
আকসা ঘরময় অস্থিরভাবে পায়চারি করতে লাগলো৷ এতোক্ষণ স্বাভাবিক থাকলেও এখন অস্থিরতা বাড়তে লাগলো ওর। নতুন জীবনের সূচনা হতে চলেছে৷ এটা তো আর সামান্য বিষয় নয়! আকসাকে কলি বললো, “শান্ত হ দোস্ত। এভাবে নাভার্স হয়ে পরলে কবুল বলবি কীভাবে?”
“নার্ভাস হতে চাচ্ছি না, কিন্তু —”
আকসা পুরো কথা শেষ করতে পারলো না৷ তার আগেই বাইরে থেকে হৈরৈ শোনা গেল— “এই বর এসে গেছে! বর এসে গেছে!”
আকসার নার্ভাসনেস আরো বেড়ে গেল। এরইমধ্যে দরজায় টোকা দিয়ে কে যেন বললো, বউকে স্টেজে নিয়ে যেতে।
.
.
আকসা একেকটা কদম ফেলে যেন এগিয়ে চলেছে তার স্বপ্নের দিকে। স্টেজের কাছাকাছি এগোতেই দেখতে পেল মেজবাহ একটা সাদা পাঞ্জাবি পরিহিত বসে আছে সেখানে৷ মেজবাহ শেরওয়ানি পছন্দ করে না। তাই মেয়েপক্ষের তরফ থেকে পাঞ্জাবি-ই দেওয়া হয়েছে।
স্টেজটা খুব সুন্দর করে সাজানো৷ বর-কনের বসার জায়গা আলাদা৷ তাদের সামনে একটা ফুলের পর্দা টানানো। আকসাকে কলি নিয়ে বিপরীত পাশে বসালো। এপাশ থেকে আকসা মেজবাহকে দেখতে পাচ্ছে না। আর না তো মেজবাহ ওকে দেখতে পাচ্ছে৷ হঠাৎ করেই আকসার হাত কাঁপতে শুরু করেছে। নার্ভাসনেস বেড়েই চলেছে ওর। বুক ধুকপুক করে কাঁপছে। আশেপাশে মানুষ অনেক। তবে ওর সেদিকে কোনো খেয়াল নেই৷ এতো হৈ-হল্লার মাঝেও আকসা নিজ ধ্যানে হারিয়েছে যেন। ও ওর আম্মুকে খুঁজছে। কিন্তু তাকে আশেপাশে দেখা গেল না। হয়তো ব্যস্ত কোথাও। কলি এসে বসেছে আকসার পাশে। শক্ত করে ওর হাত চেপে ধরে রেখে সামলাচ্ছে ওকে। আকসার দোপাট্টা মুখ অবধি ঢেকে রাখা। সবাই বউকে দেখার প্রাণপণ চেষ্টা চালাচ্ছে। তাদের চোখে-মুখে কৌতূহল। আকসার চাচা-চাচি, মামা-মামি এবং ফুপুরা প্রায় সবাই উপস্থিত আছেন সেখানে। কাজী সাহেব এসে স্টেজে বসলেন। তার হাতে নিকাহনামা। কাজী সাহেব বললেন, “বিয়ে পড়ানো শুরু হবে এখন।”
তখনই হঠাৎ সবাইকে হতভম্ব, হতবাক এবং বিস্মিত করে দিয়ে এপাশ থেকে মেজবাহ কর্কশ স্বরে জোরে বলে উঠলো, “এই বিয়ে হবে না!”
বিয়ে হবে না মানে! বলে কি!
চলবে
নোটবার্তা : যারা আমার লেখা নাম ছাড়া বা নিজেদের নামে চালিয়ে দিচ্ছেন; আপনাদেরকে শেষবারের মতো অনুরোধ করছি, যেসব জায়গায় আমার নাম সরিয়ে এই গল্প চালাচ্ছেন, সেটা সরিয়ে ফেলুন। নাহলে আমি এমন পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবো, যাতে আপনাদের কপি করা বন্ধ হয়ে যাবে।
Share On:
TAGS: ঝিলিক মল্লিক, সীমান্তরেখা
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
সীমান্তরেখা পর্ব ৬
-
সীমান্তরেখা পর্ব ৪
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ১১
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ১৯
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ১৫
-
সীমান্তরেখা গল্পের লিংক
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ২০
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ২২
-
সীমান্তরেখা পর্ব ৫
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ১৬