শেষ পাতায় সূচনা [২৫]
সাদিয়াসুলতানামনি
(গল্পের শেষের কথাগুলো অবশ্যই পড়বেন। নেক্সট পর্ব নিয়ে বলা হয়েছে)
হালকা রোদের আলো এসে পূর্ণতার চোখেমুখে পড়তেই তার ঘুমটা আস্তে আস্তে ছাড়তে থাকে। একটা সময় পর তার ঘুম পুরোপুরি ছেড়ে গেলে সে চোখ খুলে নিজেকে এক অপরিচিত জায়গায় পেয়ে খানিকটা ভরকে যায়। কিন্তু তার সেই ভড়কানি ভয়ে পরিণত হয় যখন সে দেখতে পায়, তার আশেপাশে তাজওয়াদ নেই। সে লাফিয়ে ওঠে শোয়া থেকে। বেড থেকে নামতেই ডান হাতে পিনের খোঁচার মতো অনুভব হয়। সে ঘাড় ঘুরিয়ে সেদিকে তাকিয়ে দেখে তার হাতে স্যালাইনের নল লাগানো। সে টান দিয়ে সেটা খুলতেই জায়গাটা দিয়ে টপটপ করে রক্ত পড়তে শুরু করে। তখনই কেউ একজন কেবিনে প্রবেশ করে।
কেবিনের দরজা খোলার শব্দে পূর্ণতা সেদিকে তাকালে দেখতে পায় একজন নার্স এসেছে। সে উদ্ভ্রান্তের ন্যায় ছুটে যায় নার্সটির কাছে, তারপর অস্থির গলায় জিজ্ঞেস করে–
—এই নার্স, আমার ছেলে কই? আমার তাজওয়াদ কই? কাল না আপনি আমার ছেলেকে নিয়ে গিয়েছিলেন? কই আমার তাজওয়াদ?
নার্সটি পূর্ণতাকে এমন করতে দেখে ভয় পেয়ে যায় খানিকটা। সে ভীতু গলায় বলে–
—ম্যাম, আপনি শান্ত হোন। আপনার ছেলে ভালো আছে।
—ভালো আছে ভালো কথা, কিন্তু আমার ছেলে কই? দেন দেন আমার ছেলেকে আমার কাছে ফিরিয়ে দেন। তাড়াতাড়ি দেন আমার ছেলেকে আমার কাছে।
পূর্ণতার অস্বাভাবিক আচরণে নার্সটির মনে এবার বেশিই ভয় দেখা দেয়। সে শুধু বলে–
—আসুন আমার সাথে।
কথাটা বলে সে পূর্ণতাকে পেছনে ফেলে নিজে আগে আগে হাঁটতে শুরু করে। পূর্ণতার পাশের কেবিনে এসে সে বলে–
—এই কেবিনেই আপনার ছেলে আর তার বাবা আছে।
“ছেলের বাবা” আছে শুনে পূর্ণতার চোখ বড় বড় হয়ে যায়। ছেলের বাবা আসবে কোথা থেকে? সে জানল কিভাবে সে আর তাজওয়াদ এখানে আছে? আর এতকিছুর পর আবার ছেলের কাছে কি? তার ছেলেকে কেড়ে নিতে আসেনি তো জাওয়াদ? হ্যাঁ তাই হবে, সেদিন তো কেমন করে জাওয়াদ বলছিলো, তার কোলে তাজওয়াদকে দিতে। সে দেয় নি, পালিয়ে চলে এসেছে তার সুখের একমাত্র ঠিকানাকে নিয়ে। সেদিন দেয়নি বলেই কি আজ নিতে এসেছে? সে কেন দিবে তার ছেলেকে ঐ শেখদের। শেখরা সবাই তাকে এক আকাশ পরিমাণ কষ্ট দিয়েছে। সে তো একটু ভালো থাকতেই চেয়েছিল তাদের সকলকে নিয়ে, কিন্তু তারা তো বড়ো কঠোর হৃদয়ের মানুষ।
পূর্ণতার মস্তিষ্কে একের পর এক প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। খাবে নাই বা কেনো? অতীত যে তার বড়ই কষ্টের, যে কষ্ট আজ তাকে এমন উন্মাদ করে তুলেছে। সে ছুটে কেবিনের ভেতরে প্রবেশ করে দেখে জাওয়াদ ঘুমন্ত তাজওয়াদকে নিজের বুকে নিয়ে আদর করছে। দৃশ্যটা অন্য পাঁচটা নারীর কাছে আনন্দের হলেও, পূর্ণতার কাছে সেটা ভয়ের। সে জাওয়াদের কাছে এসে একপ্রকার ছিনিয়ে নেয় তাজওয়াদকে। তারপর নিজের আঁচলের তলে লুকিয়ে নিয়ে কাঁপা কাঁপা গলায় বলে–
—খবরদার, আমার ছেলেকে ছোঁয়ার চেষ্টা করেছেন তো। আমার ছে..লের থেকে দূরে থাকবেন। আপনি না বলেছিলেন, আপনার সামনে গেলে আমি আপনার মরা মুখ দেখব, তাহলে আজ কেন নিজ থেকে সেধে আসছেন নিজের মুখ দেখাতে? মরার শখ এত? যা ইচ্ছা করেন গিয়ে কিন্তু আমার ও আমার ছেলের ত্রিসীমানায় আসবেন না। আপনারা ভীষণ নিষ্ঠুর ও স্বার্থবাদী।
পূর্ণতার এহেন কাজে জাওয়াদ থমকে যায়। অশ্রু এসে জমা হতে থাকে তার চোখের কোণে। সে ছলছল চোখ নিয়ে পূর্ণতার দিকে তাকিয়ে থাকে। ভুল তো কিছু বলেনি পূর্ণতা। আসলেই তো তারা নিষ্ঠুর, নাহলে কি পারতো সেদিন ওতো রাতে একা একটা মেয়েকে বাসা থেকে বের করে দিতে। তার মাও তো নিষ্ঠুরতার সকল সীমা অতিক্রম করে ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছিল।
জাওয়াদ তার কান্নাটা গিলে নিয়ে পূর্ণতাকে বুঝানোর জন্য তার সামনে এগিয়ে আসতে আসতে বলে–
—দেখো পূর্ণ, আমি কিছু করবো না তাজকে। তাজ তো আমারও সন্তান, ওকে একটু দাও না আমার কোলে। প্লিজ একটু দাও।
জাওয়াদের কথা শুনে পূর্ণতা হুংকার দিয়ে বলে ওঠে–
—ও আপনার সন্তান না, ও একমাত্র আমার সন্তান। আমার বেঁচে থাকার একমাত্র কারণ। আজ এই চরিত্রহীনের গর্ভ থেকে আসা সন্তানকে নিজের সন্তান বলতে বিবেকে বাঁধছে না? আমার চাচাতো ভাইকে আমার আশিক বানিয়ে চরিত্রহীন অপবাদ দিয়ে রাত দশটায় বাসা থেকে বের করে সেই পূর্ণতার উদরে জন্ম এই বাচ্চার। বলা তো যায় না, এই কয়েক বছরে কত লোকের সাথে শু…..
পূর্ণতা আর কিছু বলতে পারে না। জাওয়াদ কানে হাত চেপে নিচে বসে পড়ে। চিৎকার করে বলে–
—চুপ করো, চুপ। আমি কিচ্ছু শুনতে চাই না। আল্লাহর ওয়াস্তে চুপ করো। তুমি চরিত্রহীন না, আর নাই বা ঐ বাচ্চা তোমার কোন পাপের ফল। ও আমার সন্তান। আমার আর তোমার ভালোবাসার ফসল ও’। আমাদের সন্তান ও’।
জাওয়াদের কথা শুনে পূর্ণতা উন্মাদের মতো হাসতে থাকে। হাসতে হাসতে ছেলেকে নিয়েই কেবিলের দেওয়াল ঘেঁষে বসে পড়ে। বহু কষ্টে হাসি থামিয়ে বলে–
—ভালোবাসা? আপনার আর আমার মাঝে ভালোবাসা হলো কবে? যা ছিলে সবই তো এক তরফা। সবটুকু এফোর্ট শুধু আমার তরফ থেকেই ছিলো। আপনি কবে আমায় ভালোবাসলেন? অ্যাঁই, মিথ্যে বলাটা কি আপনাদের রক্তের সাথে মিশে গিয়েছে? ওহ্হ হো, আমি তো ভুলেই গিয়েছি। শিক্ষক যখন স্বয়ং মা হয়, তাহলে তার সন্তান এক্সপার্ট না হয়ে যাবে কোথায়?
আপনিই তো বলেছিলেন, আমি আর আপনি মিলে কখনো আমরা হতে পারবো না। ভুলে গেলেন? এত দূর্বল স্মৃতি শক্তি আপনার তো ছিলো না।
জাওয়াদ হামাগুড়ি দিয়েই পূর্ণতার কাছে আসতে চায়। কিন্তু পূর্ণতা দেওয়ালের সাথে আরেকটু সিটিয়ে গিয়ে তাজওয়াদকে নিজের সাথে আরো শক্ত করে চেপে ধরে আঙুল তুলে বলে–
—খবরদার! বলেছি না আমার ছেলের কাছে আসবেন না। বের হয়ে যান এখুনি কেবিন থেকে। নাহলে আমি কিন্তু পুলিশ ডাকবো। যান বের হোন, বের হোনননন…..
লাস্টের কথাটা পূর্ণতা একটু জোরেই বলে। জাওয়াদ আর আগানোর সাহস পায় না সামনে, কিন্তু সে কেবিন ছেড়ে বেরও হয় না। ধ্যাতার মতো সেখানে আগের মতো করেই বসে থাকে নিচের দিকে তাকিয়ে।
এদিকে তাদের দু’জনের উঁচু গলায় কথা বলার শব্দে তাজওয়াদের ঘুম ভেঙে যায়। ঘুম ভাঙতেই সে মায়ের শরীরের ঘ্রাণ পেয়ে নিজেও দুইহাত বাড়িয়ে পূর্ণতার গলা জড়িয়ে ধরে। তাজওয়াদের গলা জড়িয়ে ধরায় পূর্ণতা জাওয়াদের থেকে চোখ সরিয়ে নিজের বুকের উপর তাকায়। তাজওয়াদের মাথার উপর থেকে ওড়নাটা সরাতেই দেখতে পায় তাজওয়াদ ঘুমু ঘুমু চোখে তার দিকেই তাকিয়ে আছে। মাকে নিজের দিকে তাকাতে দেখে তাজওয়াদ দূর্বল গলায় বলে–
—মাম্মা, গুড মর্নিং।
তাজওয়াদের “মাম্মা” ডাকে পূর্ণতার মাতৃ সত্তায় প্রশান্তির বাতাস বয়ে যায়। এই তো তার বেঁচে থাকার একমাত্র কারণ। উপরওয়ালা একসময় তার থেকে অনেক কিছু নিয়ে গেলেও, সেগুলোর বদলে যা দিয়েছে তাতেই সে হাজারবার শুকরিয়া আদায় করে উপরওয়ালার কাছে। যারা তাকে ছেড়ে চলে গিয়েছে বা তাকে ছাড়তে বাধ্য করেছে পূর্ণতার তাদের নিয়ে কোন অভিযোগ নেই। অভিযোগ করবেই বা কেনো? তারা কি আদতে পূর্ণতার কেউ ছিলো নাকি? এই ছোট্ট নরম তুলোর শরীরের প্রাণটা তার। একান্ত তার। তার থেকে জন্ম নেওয়া একটা জীবন্ত পুতুল।
পূর্ণতা চট করে নিজের মুখ থেকে বিষাদ সরিয়ে নিয়ে হালকা হাসি ফুটিয়ে তুলে ছেলের কপালে একটা দীর্ঘ চুম্বন এঁকে দেয়। তারপর হাসি হাসি মুখে বলে–
—অ্যা ভেরি গুড মর্নিং আদর সোনা। ঘুম কেমন হলো আমার জান বাচ্চার?
—ইত্তু ইত্তু ভালো।
পূর্ণতা ভ্রু কুঁচকে বলে–
—পুরো ভালো হয়নি কেনো?
— রাতে আমার পি পেয়েতিলো। তখন ঐদিন একতা মনস্টার পার্কে দেখেচিলাম না, উনি আমাকে কুলে নিয়ে পি করিয়ে এনেছে। আমি তুমাকে খুজেচি মাম্মা, কিন্তু মনস্টার টা বলেচে, তুমি ঘুমাচ্চো। কি মিথু কতা বলে দেকেচো। তুমি আমাকে ছেলে ককনো গুমাও? না, তো। মনস্টার টা তোমাকে কুতাও আঁতকে রেকে মিথু কথা বলেচে। আবাল আসুক মিথু কতা বলতে, তাজ তার জিরো ক্যাভিটি দাঁত দিয়ে কামলে দিবে।
পূর্ণতা তাজওয়াদের কথা শুনে বুঝতে পারে রাতে জাওয়াদ হসপিটালেই ছিল। জাওয়াদের এসব কাজ পূর্ণতার জাস্ট ন্যাকামি বৈ কিছুই লাগছে না। পার্কে সকলের সামনে কেঁদে কেটে মাফ চাওয়া, আজ সারারাত হসপিটালে তাদের পাশে থেকে কি প্রমাণ করতে চাইছে সে? ভালোবাসে সে পূর্ণতাকে? জীবনেও বিশ্বাস করবে না পূর্ণতা এই কথাটা। এটাও হয়ত তাদের মা-ছেলের কোন ছলনা।
কিচ্ছু ভুলেনি সে। হোক বিষাদের সেই দিনটা এসেছিল পাঁচ বছর আগে, তাই বলে সে এত এত ছলনা, তাচ্ছিল্য, অপমান ভুলে যাবে? মরে গেলেও ভুলবে না পূর্ণতা সেই দুটো মাস। আর না তাদের কাউকে মাফ করবে। কেনো করবে? তারা প্রত্যক্ষভাবে পূর্ণতার বাবার মৃত্যুর জন্য দায়ী। তারা হত্যা করেছে তার ভালোবাসাকে, তার বাবাকেও।
এতক্ষণ তাজওয়াদ ও পূর্ণতার কথোপকথন একপ্রকার হা করে গিলছিলো জাওয়াদ। তার তৃষ্ণা বুকটা যেন একটু একটু করে প্রশান্তির পরশ পাচ্ছে। তাজওয়াদের তোতাপাখি মতো চোখ-মুখ ট্যারাব্যাকা করে কথা বলায় জাওয়াদের খুব করে ইচ্ছে করে ঐ মায়াময় গাল জোড়া আদরে আদরে ভরিয়ে দিতে। পূর্ণতা যখন তাজওয়াদের সাথে মিষ্টি হেঁসে কথা বলে তখন তার ইচ্ছে করে, অন্ততকাল সে পূর্ণতার ঐ হাসির দিকে তাকিয়ে থাকুক।
তাজওয়াদ আবারও বলে ওঠে–
—মাম্মা, পি কববো।
—আচ্ছা, চলেন রাজকুমার, এই রাজমাতা আপনার সেবায় সবসময় নিয়োজিত।
পূর্ণতা দুষ্টুমি মিশিয়ে কথাটা বলে। তাজওয়াদ মায়ের কথায় খিলখিলিয়ে হেঁসে দেয়।পূর্ণতা ছেলের গালে ঠোঁট দাবিয়ে চুমু দিয়ে তাকে নিয়ে উঠে দাড়ায়। তারপর তাজওয়াদের মাথার উপর আবারও ওড়না দিয়ে ঢেকে দিয়ে জাওয়াদের দিকে শক্ত চোখে তাকিয়ে কাঠকাঠ গলায় বলে–
—আমরা ওয়াশরুম থেকে বের হওয়ার আগে আপনি এই কেবিন ছাড়বেন। আমি চাই না আমার অসুস্থ ছেলে আপনাকে দেখে হাইপার হয়ে আরো অসুস্থ হয়ে যাক। সেদিন আর আজকের কথা শুনে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন, আমার ছেলে আপনাকে পছন্দ করে না। তাই তাকে নিজের দেখা দিয়ে হাইপার করে তুলবেন না। যদি আপনি বের না হন, তাহলে আমি পুলিশ ডাকতে বাধ্য হবো।
আপনাদের এসব নাটকের সাথে আমি খুব ভালো করে পরিচিত, তাই প্লিজ লোক দেখানো ভালোবাসার দাবি নিয়ে আর একবারও আমার সামনে আসবেন না। আপনারা কতবড় দুমুখো সাপ আমি পাঁচ বছর আগেই জেনে গিয়েছি। আপনার আর আমার রাস্তা সেই পাঁচ বছর আগেই আলাদা হয়ে গিয়েছে। আজ এতগুলো বছর পরে আবারও সেই রাস্তা এক করতে চাওয়া মূর্খতামি ছাড়া আর কিছুই না। ন্যাড়া বেল তলায় একবারই যায়।
আর কোনদিন তাজওয়াদকে নিজের সন্তান বলে দাবি করবেন না। ও আমার, একান্ত আমার। ও কখনোই আপনার আমার ভালোবাসার চিহ্ন ছিলো না। ও হলো আপনার মায়ের ষড়যন্ত্রের ফল। সেদিন ঠিক সময়ে আমি বাসায় না আসলে, ওর জন্ম হতো আঞ্জুমানের গর্ভে। আপনার অবচেতন মনের অনাকাঙ্ক্ষিত আগমনের ফল আমার তাজওয়াদ। ও শুধুই আমার।
কথাগুলো বলে পূর্ণতা গটগটিয়ে হেঁটে সেখান থেকে চলে যায় ওয়াশরুমের। পূর্ণতা চলে যেতেই জাওয়াদের চোখ দিয়ে টপটপিয়ে অশ্রু ঝরতে থাকে। আজ পূর্ণতার কথা শুনে যতটা না কষ্ট হচ্ছে তার চেয়ে বেশি আফসোস হচ্ছে নিজের উপর। নিখুঁত ভালোবাসা পাওয়ার পর নিজের দোষে হারিয়ে ফেলার জন্য। সে আর সেখানে বসে থাকে না। বসা থেকে উঠে দাড়ায় তারপর ওয়াশরুমের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে বের হয়ে আসে কেবিন থেকে। বাহিরে এসে করিডরের পাশে রাখা চেয়ার গুলোর একটাতে বসে পড়ে।
📌গল্পটি ভালো লাগলে বেশি বেশি শেয়ার করে আপনার গল্পপ্রেমী বন্ধুমহলের নিকট পৌঁছে দিন।
শব্দসংখ্যা~১৫৫১
~চলবে?
[নেক্সট পর্ব একদম নতুন বছরের প্রথমদিন পাবেন ইনশা আল্লাহ। আমি কিছুটা ব্যস্ত থাকব এই কয়েকটা দিন তাই গল্প দিতে পারবো না।
ভুলক্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। গঠনমূলক মন্তব্য করবেন। হ্যাপি রিডিং মাই লাভিং রিডার্স ]
Share On:
TAGS: শেষ পাতায় সূচনা, সাদিয়া সুলতানা মনি
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ৯
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ১৫
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ২৪
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ৩২
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ২২
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ১০
-
শেষ পাতায় সূচনা গল্পের লিংক
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ১২
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ৬
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ১৪