ভালোবাসার_সমরাঙ্গন || ৮ ||
সারিকা_হোসাইন
ঘুম থেকে অগ্নি চেহারা নিয়ে তরতর করে মৌনতার সামনে এসে দাড়ালো মাহির।বাড়িতে এসেছে পর্যন্ত মৌনতা তার মাথা গরম করে রেখেছে।এতো বড় মেয়ে অথচ কাজকর্ম সব নির্বোধ মেয়ে মানুষের মতো।এতদিন বাদে বাড়িতে এসেও বেক্কল মেয়েটির জন্য শান্তিতে থাকা যাচ্ছে না।মাহির ক্রুদ্ধ চোখে হাত উচালো।উদ্দেশ্য ঠাটিয়ে এক চড় মেরে মৌনতার গানের নাম ভুলানো।কিন্তু তার আগেই ঠান্ডা ধমকে রণ বলে উঠলো
“সামনে থেকে সরে যা মাহি।ওর জন্য অন্য শাস্তির ব্যবস্থা করেছি আমি।”
মৌনতার কাজকর্ম ঘিরে রণ’র মনে আকাশ সম জেদ জন্মেছে।গত কালের ঘটনা মন থেকে কিছুতেই সড়ছে না।অথচ মেয়েটাকে দেখো!কি সুন্দর বেসুরা গান গাইছে।যেনো সে কোনো অন্যায় ই করেনি।তাই রণ ঠিক করেছে যতক্ষন এই বেকুব মহিলাকে শাস্তি না দেবে কৃত অন্যায়ের জন্য ততক্ষণ সে শান্তি পাবে না।
রণ’র ধমকে মাহির হাত গুটিয়ে সরে দাঁড়ালো।আজ সারাদিন বোনের চেহারা দেখবে না সে।মাহিরের মাঝে মাঝে মনে হয় এটা তার বোন ই নয়।রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া কোনো পাগল ছাগলের সন্তান।তার বোন এতো নির্লজ্জ্ব, বেক্কল,আর উন্মাদ হতে পারে না।না না কিছুতেই না।মৌনতার জন্ম কুষ্ঠী ঘাটলে দেখা যাবে মেয়েটাকে নিশ্চিত ড্রেনে কুড়িয়ে পাওয়া গেছে।নয়তো কোনো পাগলী রাস্তায় ভুলে ফেলে চলে গেছে।
মাহিরের ভাবনা শেষ হবার আগেই রয়ে সয়ে রণ শীতল গম্ভীর গলায় বললো―
“তোর গলার সুর বড্ড বেসুরে আর কর্কশ মৌন।সকাল সকাল তাল লয় হীন হারমোনিয়াম এর বাজনা আর তোর ওই বেসুরে গলায় ভে ভে করে আমাদের সকলের ঘুম ভেঙে বড্ড ভুল করেছিস তুই।এরজন্য তোর পানিশমেন্ট আবশ্যক।তুই কি শাস্তির জন্য প্রস্তুত?উত্তরের জন্য একটা অপশন ই রয়েছে।সেটা হচ্ছে ইয়েস।
রণ’র কথায় মাহির আনন্দে আটখানা হলো।কিয়া ক্লাইম্যাক্স হ্যায় ভেবেই মনে মনে নেচে উঠলো মাহির।মৌনতা যে আজ রণ’র কবলে পড়ে ধরাশায়ী হচ্ছে এটা ভেবেই মাহিরের লাফাতে ইচ্ছে করলো।মাহির কাঁধ উঁচু করে আশেপাশে দেওয়ান মির্জার সন্ধান করলো।
“বুড়োটা চূড়ান্ত বজ্জাত।এখনই এসে সমস্ত টা ভেস্তে দেবে।
আজ যাতে কস্মিন কালেও দেওয়ান মির্জার ঘুম না ভাঙে তার জন্য দোয়া করতে লাগলো মাহির।
এদিকে রণ’র মুখে শাস্তির কথা শুনে বোধশূন্য অসহায় হলো মৌন।সে ছলছল চোখে সামনে দাঁড়ানো বদরাগী গম্ভীর মানুষটার শক্ত মুখের পানে তাকিয়ে ফাঁকা ঢোক গিললো ।মানুষটার চোখ মুখে কাঠিন্যের ছাপ স্পষ্ট।বুকে হাত ভাঁজ করে এমন কায়দায় দাঁড়িয়ে রয়েছে ভঙ্গিমায় মনে হচ্ছে অনুশীলন মাঠের এক অপরাধী সোলজার তার অফিসার এর সামনে শাস্তির প্রতীক্ষায় দাঁড়িয়ে রয়েছে।তাৎক্ষণিক চোখ নামিয়ে মাথা নত করে ঠোঁট টিপে কিছুক্ষন কিছু একটা ভাবলো মৌনতা।এরপর পিনপিনে পাতলা ঠোঁট জোড়া নাড়িয়ে বলে উঠলো
“আমি শাস্তি পেতে প্রস্তুত।বলো কি করতে হবে আমায়।
এতো সহজে মৌনতা শাস্তি মেনে নিলো ভেবেই এক ভ্রু উঁচু হলো রণ’র।সে মুখটা আরেকটু কঠিন করে বলে উঠলো
“তেমন কিছু নয়।শুধু উঠানে ঘেউ ঘেউ করা কালো কুকুরটার সামনে দাঁড়িয়ে আমি যেটা শিখিয়ে দিলাম সেইম গান টাই গাইবি।কুকুরের ঘেউ ঘেউ এর তালে তালে।
কুকুরে মৌনতার সাংঘাতিক ভয়।আর বাড়িতে পোষা কালো কুকুরটা বড্ড হিংস্র।মন মতো কিছু না হলেই বিশ্রি দাঁত খেঁকিয়ে ঘেউ ঘেউ করে।যদিও মাহীর কুকুরটা পালে।বাড়ির সকল সদস্যের সাথে তার ভাব থাকলেও মৌনতার সাথে তার যুগ যুগান্তের বৈরিতা।
” কি হলো?কথা বলছিস না যে?শাস্তি পছন্দ হয়েছে?
রণ’র শীতল গলায় চমকে উঠলো মৌন।এরপর চোখের জল কোনো মতে আটকে বলে উঠলো
“ভাইয়া ওই কুকুর আমাকে দেখলেই কামড়াতে আসে।আর তুমি জানো ওই কুকুরে আমার সাংঘাতিক ভয়।
মৌনতার উপর আজ কোনো দরদ দেখালো না রণ।মেয়েটা গত কাল তাকে বেশ পুড়িয়েছে।বজ্জাত মেলোক কি জানে পরপুরুষের হাত ধরে যখন সে দাঁত কেলাচ্ছিলো তখন রণ’র বুকে কেমন লেগেছে?রণ মনের ভাবনা ফেলে ভাবলেশহীন বললো
“ঠিক আছে তাহলে অন্য শাস্তি ঠিক করেছি তোর জন্য।
একথা শুনে মাহির ঘোর আপত্তি জানালো।রণ পরিস্থিতি সহজ করছে ভেবে তার পায়ের তলা শিরশির করলো রাগে।সে বলল
“রণ ভাই আগের শাস্তিই মনজুর।আমার পছন্দ হয়েছে।
রণ হাত উঁচিয়ে মাহিরকে থামিয়ে ভারী গলায় বলল
“যেদিন তোকে শাস্তি দেবো সেদিন নিজেরটা নিজে চুজ করিস।আজ মৌনতার শাস্তি।ও ডিসাইড করবে ।আর নিজের ছোট বোন শাস্তি পাচ্ছে কোথায় ভাই হয়ে পাশে দাঁড়াবি বেচারীর তা না করে শাস্তি বাড়ানোর জোরদার করছিস?ধিক্কার তোকে।
মাহির কপাল কুঁচকে বললো
“ও আমার বোন নয়।
“তোর ই বোন।তোর মায়ের পেটে ওকেই দেখেছি আমি।অস্বীকার করলে রক্ত সাফ হবে না।যাক সেসব কথা ।শোন মৌন!
মৌনতা গড়িয়ে পড়া চোখের জল মুছে মাথা নত করে দাঁড়িয়ে রইলো।সামান্য গান গাইবার অপরাধে উদ্বাস্তু তুল্য মানুষ গুলো তার সাথে যেই অন্যায় খারাপ আচরণ করছে তা আজীবন মনে রাখবে সে।এরপর একদিন সময় সুযোগ বুঝে সুদ সমেত ফেরত দেবে।
মৌনতার প্রতিশোধ পরায়ণ মুখের পানে তাকিয়ে শ্লেষত্বক হাসলো রণ।যেনো মেয়েটার পেটের সমস্ত কথা ইতোমধ্যে পড়ে ফেলেছে সে।এরপর বললো
“আজকে সারাদিন বাড়িতে যে কয়টা ফকির ফকিন্নি আসবে তাদের সবার সামনে গিয়ে তুই বলবি তুই দু ‘দুবারের ম্যাট্রিক ফেইল করা পাত্রী।আরও বলবি পড়াশোনা তোর ভালো লাগে না।তারা যেনো বাড়ি বাড়ি ঘুরে তোর জন্য রিক্সা ওয়ালা,ভ্যান ওয়ালা খোঁজে সমন্ধ নিয়ে এসে তোর বাপকে জানায়।রাজি আছিস?
এবার চিৎকার করে কান্না পেলো মৌন’র।কিন্তু মেজর ইবতেহান রণ’র সামনে গলা বাড়িয়ে কান্নার সাহস হলো না তার।মৌনতা কপোল বেয়ে ঝরে পড়া নীরব অশ্রুদানা দু হাতে মুছে ঠোঁট টিপে বলে উঠলো
“আমি কুকুরে সামনেই গান গাইবো রণ ভাই।
এমন সময় শায়লা এলেন।এসে রণ’র শেষোক্ত কথা গুলো শুনলেন।গতকাল মেয়েকে ঘিরে রণ’র যেই অনুভূতি তিনি সন্দেহ করেছিলেন তা বালির বাঁধের ন্যয় ভেঙে গেলো।তিনি মনে মনে আশাহত ও হলেন বটে।রণ’র মতো ছেলে মৌনতা কে গ্রহণ করবে না ভেবে মনোকষ্টে সরে কাজে গেলেন।শায়লা সড়তেই ধীর পদে প্রকান্ড খোলা উঠানটায় বেরিয়ে এলো মৌনতা।উঠানের মধ্যখানে চোখ বুজে ঝিমুচ্ছে মাহিরের পোষা কুকুর কালু।কুকুরটা বেশ মোটা তাজা আর কুচকুচে কালো।মাছ মাংস গিলে গিলে গায়ে অসুরের শক্তি উৎপাদন করেছে এই কালু।
মৌন ফাঁকা ঢোক গিলে সুর তুললো
“সেদিন দুজনে হেগেছিনু বনে…
এমন সময় শরীর ঝাড়া দিয়ে উঠে দাঁড়ালো কালু।এরপর মৌনতার মুখের পানে তাকিয়ে কিছুক্ষন ঘটনা বোঝার চেষ্টা করলো।চতুর পশুটির মস্তিষ্কে ঘটনা ক্যাচ করতেই ঘেউ ঘেউ আলোড়ন তুললো চরম বিরক্তিতে।।ভয়ে অল্প দমলো মৌনতা।এরপর পুনরায় পরের লাইন গাইলো।কুকুর এবার ঘেউ ঘেউ এর মাত্রা বাড়ালো সেই সাথে তেড়ে কামড়াতে এলো মৌনতা কে।
ভয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলো মৌন।সৌম্য আর রেহনুমা দৌড়ে বেরিয়ে এলো মৌনতার কান্নায় আর কালুর ঘেউঘেউ শব্দে।রেহনুমা এসে মৌনতার বাহু চেপে সরিয়ে রণ’র সামনে গিয়ে রাগান্বিত গলায় বলে উঠলেন
“ছোট বোন হয় তোমার।এসব কি ধরনের আচরণ?দুদিন পর যখন অন্যের ঘরে চলে যাবে মেয়েটা তখন এসব মনে করে পস্তাবে বুঝলে?
বলেই মৌনতা কে টেনে রান্না ঘরে নিয়ে শায়লার উদ্দেশ্যে বললো
“কিরে শায়লা?মেয়েটাকে সবাই মিলে কুকুর লেলিয়ে ভয় দেখাচ্ছে আর তুই রান্না করছিস?সত্যিই এই মেয়ে তোর পেটের তো?নিজ সন্তানের সাথে এসব কি আচরণ তোদের?মাথায় এতই যদি বোঝা হয় তবে আমায় দিয়ে দে।নিয়ে সৌম্য’র বাসায় চলে যাবো।এরপর তোরা আনন্দে থাকিস।
মৌনতা আজ খুব কাঁদলো রেহনুমা কে জড়িয়ে।বাড়ির কেউ তার সাথে ভালো আচরণ করে না।পড়াশোনায় একটু কাঁচা বলে এতো অপমান অপদস্থ?মৌনতার বুক ভেঙে ব্যথা করে উঠলো।সে মনে মনে সিদ্ধান্ত নিলো
“আজ বাড়ি ছেড়ে চলে যাবো আমি।আর তোমাদের জ্বালাবো না।সবাই ভালো থেকো ,সুখে থেকো।
সারাটা দিন ঘরে দরজা এটে কাঁদলো মৌন।সকলের হাসি তামাশা সে আর নিতে পারছে না।কোমল মনে অদম্য জেদ জন্মেছে আজ।রেহনুমা, শায়লা থেকে শুরু করে বাড়ির প্রত্যেকে এসে দরজা ধাক্কিয়ে ভাত খাবার জন্য অনুরোধ করেছে মৌনতা কে।কিন্তু মৌনতা কারোর ডাকে সায় দেয়নি।রণ নিজেও এসে দরজা ভাঙবার হুমকি দিয়েছে।তবুও গো ধরে বসেছিলো সে।
এরপর ধরনীতে যখন রাত নামলো তখন ধীরে ধীরে বেলকনিতে গিয়ে দাঁড়ালো মৌনতা।চারপাশে ঘুটঘুটে অন্ধকার।আকাশে আজ চাঁদ নেই।মেঘে ঢেকে নিয়েছে।হয়তো রাতে বৃষ্টি হবে।দেয়ালে থাকা ঘড়িতে সময় দেখলো মৌনতা।রাত এগারোটা বাজে।মির্জা বাড়ির সকলেই গভীর ঘুমে তলিয়েছে।কারন গ্রামের মানুষের কাছে রাত এগারোটা মানে মধ্যরাত।
বেলকনি থেকে সরে এসে পুনরায় কক্ষে ঢুকলো মৌন।এরপর নিজের জামার কয়েকটা ওড়না গেড়ো দিয়ে খোলা বেলকনীর রেলিংয়ে বাধলো।বিছানার উপর থেকে সাদা নকশি কাঁথাটা নীচে ছুড়ে মেরে বিধাতার নাম নিয়ে ঝুলে ঝুলে বেলকনি থেকে নামার চেষ্টা চালালো।আজ যে করেই হোক এই অপমানজনক বাড়ি থেকে সে চলে যাবে।একটা কাকপক্ষী তো দূর গেটের পাহারাদার কালু পর্যন্ত টের পাবেনা কে হারিয়ে গেলো এই বাড়ি থেকে।
মনের জেদ সফল করতে বেশ কসরত করে হাত পা ছিলে নীচে নামলো মৌন।বাড়ির পেছনের ঝোপে কি যেনো খচখচ শব্দ করে নড়ে উঠলো মৌনতার উপস্থিতিতে।মৌন ভয়ে আয়াতুল কুরসী পরে বুকে ফু দিয়ে গায়ে কাঁথা জড়িয়ে চুপিচুপি পা মাড়িয়ে মির্জা বাড়ির আঙিনা থেকে চলে যেতে লাগলো।
নিজ কক্ষের বেলকনিতে বসে নিকোটিনের ধোয়া উড়াচ্ছে রণ।মৌনতার উপর করা জুলুম নিজের ভেতর বেশ অপরাধবোধ কাজ করলো তার।মৌনতা খায়নি বলে সে নিজেও খায়নি।মেয়েটা এভাবে মনে কস্ট নিবে রণ যদি ঘূর্ণাক্ষরে টের পেতো তবে কখনোই মেয়েটাকে এভাবে শাস্তি দিতো না।
রণের ভাবনার মাঝেই হঠাত দূরে সাদা ছায়া দেখলো রণ।কেমন হেলেদুলে দূরে মিলিয়ে যাচ্ছে।কপাল কুঁচকে এক দৃষ্টিতে সেই ছায়ার পানে তাকিয়ে রইলো রণ।এরপর ঠোঁটে হাসির রেখা ফুটিয়ে বেলকনি থেকে ঝাঁপিয়ে পড়লো কমান্ডো স্টাইলে।
চলতে চলতে মৌনতার হঠাৎ মনে পড়লো সে টাকা আনতে ভুলে গেছে।পা চালিয়ে সারা রাতেও এই গ্রাম পেরুতে পারবে না সে।এবার তবে কি উপায়?
গায়ের কাঁথা চাদরের মতো করে শরীরে নাকে মুখে পেঁচিয়ে ভীতি হীন জঙ্গল মাড়িয়ে জোড় পায়ে হাটতে লাগলো মৌন।এমন সময় পেছন থেকে কেউ তাকে জাপ্টে ধরে বলে উঠলো
“শুনেছি এই গ্রামে নাকি চোরের উপদ্রব বেড়েছে আজকাল।চোর যেহেতু ধরেই ফেলেছি তবে মির্জা দেওয়ান সাহেবের কাছে নিয়ে এর বিচার করা হোক।
আকস্মিক রণ’র গলায় শক্ত হয়ে রণ’র শরীরের সাথে সেটে রইলো মৌন।সে নাক চোখ ঢাকার চেষ্টা করলো দুই হাতে।কিন্তু রণ তাকে শূন্যে তুলে কাঁধে ফেলে লম্বা পায়ে ছুটলো বাড়ি অভিমুখে।
মৌনতা শব্দ করে বলতে চাইলো নিজের পরিচয়।কিন্তু সবকিছু কেমন এলোমেলো হয়ে গেলো।রণ ঠোঁট কামড়ে হাসি রোধ করে বলে উঠলো
“কিরে চোর ব্যাটা শরীরে এই টুকুন মাংস আর শক্তি নিয়ে চুরি করতে এসেছিস?ধরে নিয়ে যাচ্ছি বিচার করতে তবুও পালানোর চেষ্টা করছিস না?
মৌনতা বিপাকে পড়ে কিছুক্ষন ভাবলো কি করবে না করবে।এরপর অভিমানী গলায় বলে উঠলো
“তোমাদের শান্তি দিতে আমি বাড়ি ছেড়ে অনেক দূরে পালিয়ে যাচ্ছি।আমাকে ছেড়ে দাও।
মৌনতার কথায় থামলো রণ’র চপল পা।সে কোলে তুলেই কাঁধ থেকে নামিয়ে মৌনতাকে নিজের সামনে আনলো।এরপর কম্পিত গলায় বলল
“কথাটা আবার বল!
চলবে……..
Share On:
TAGS: ভালোবাসার সমরাঙ্গন, সারিকা হোসাইন
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ৯
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ২৮
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ২২
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ৩২
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ১৩
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ২১
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ১৭
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ১৮
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ২৭
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ৩৩