ভালোবাসার_সমরাঙ্গন ||২৬||
★★★★★
স্তব্ধ নীরব কক্ষে সোফার উপর পা গুটিয়ে বসে আছে মৌনতা।তখনকার ভয়ের রেশ এখনো কাটে নি তার।রণ বেশ কয়েকবার আড় চোখে মৌনতা কে পরখ করলো।এরপর গায়ের হুডি খুলে পাশের ডিভানে ছুড়ে ফেলে গমগমে গলায় বলল
“রুমে চল, কথা আছে।
মৌনতা ভয়ের চোটে পুরো কথা শুনলো না যেন।তার শরীর অথর্ব শক্তিহীন।পা দুটো ঝিরঝির করছে বিটিভির সিগনাল এর মতো।কোনো হুধবোধ নেই সেগুলোতে।মৌনতা কে ঠাঁয় বসে থাকতে দেখে রণ বলে উঠলো
“তুই অযথা সময় নষ্ট করছিস মৌন।আমার সঙ্গে ভেতরে চল।
মৌনতা ফ্যালফ্যাল চোখে রণ’র মুখ পানে তাকালো।এবারও সে বুঝতে পারছে না পরবর্তী ঘটনা ঠিক কি ঘটতে চলেছে।রণ’র মস্তিষ্ক জ্বলে উঠলো।মুখের কোমল ভাব গায়েব হলো।সামনে বসা অবাধ্য রমণী তার সদ্য বিবাহিতা স্ত্রী।কোথায় স্বামীর কথা বার্তা ,আদেশ-উপদেশ শোনার জন্য মুখিয়ে থাকবে তা না করে আকাশে তাকিয়ে তারা গুনছে।এখনই এহেন দুর্দশা হলে বাকি দিন কি করে যাবে?রণ তবুও নিজেকে কিছুটা সামলালো, এরপর মৌনতার বাহু চেপে ধরে অল্প তেজী গলায় বলল
“ইচ্ছে করে ইগনোর করছিস আমায়?দু’দুবার ডেকেছি।একবারও সাড়া দিচ্ছিস না ।এভাবেই যদি থাকতে চাস তবে ফল কিন্তু দারুন ভয়াবহ হবে।পরের ঝড় আর সামাল দিতে পারবি না।ঘরে চল।
মৌনতা চমকে উঠলো রণ’র কথায়।কেমন কঠিন কঠিন কথা বলছে রণ।অথচ মৌনতার ভেতরটা দারুন ভয়ে শুটিয়ে যাচ্ছে।গলা শুকিয়ে উঠছে,বুক ব্যাথা করছে।অপরাধ বোধ গ্রাস করছে তুমুল ভাবে।শায়লার হাস্যজল মুখ আর বাবার মাথা বুলিয়ে ভরসার যোগান সব একে একে ভেসে উঠছে চোখের সামনে।আর রেহনুমা!যদি কোনো দিন এই ঘটনা রেহনুমা জেনে যায় সেদিন মৌনতা কি জবাব দিবে তাকে?দাদা ভাই?যিনি মৌনতা কে অত্যন্ত বিশ্বাস করেন ,স্নেহ করেন,তার বেলায়?যদি শুধায়―
“আমাকে একটা বার জানানোর প্রয়োজন মনে করলে না দাদু?এতোই তাড়া তোমাদের?আমি কি মরে গেছিলাম?তুমি চাইলে আমি তোমাদের চার হাত এক করতাম না?এই শিক্ষায় বড় করেছি তোমায়?এতো আদর,ভালোবাসা, বিশ্বাসের এই প্রতিদান দিলে ?এতো বড় স্বাধীনচেতা কবে হলে মৌনতা সাবেরি?
তখন কি প্রত্যুত্তর করবে মৌনতা?আবেগের বশে এহেন বড় ঝুঁকিপূর্ণ কাজ মৌনতা করে ফেলেছে ঠিকই কিন্তু মুহূর্তে মুহূর্তে বিবেক তাকে শাসাচ্ছে।কোন প্রেম ভালোবাসা অনুভূতি এখন কাজ করছে না মৌনতার মনে ।মাথায় শুধু ঘুরপাক খাচ্ছে বাড়ির মানুষের প্রতিক্রিয়া মূলক কঠিন কঠিন কথা গুলো।শায়লা এই অপরাধের জন্য মোটেও ক্ষমা করবে না মৌনকে।চ্যালাকাঠ তুলে মেয়ের পিঠে মারতে এক মুহূর্ত বিলম্ব করবেন না তিনি।এতো বড় অবাধ্য দুঃসাহসী মেয়ে কোন কুক্ষণে পেটে ধরেছিলেন তিনি?
মৌনতা তপ্ত শ্বাস ফেলে বসা থেকে উঠে দাঁড়ালো।তার মাথা ঘুরে উঠলো ভয়াবহ সব চিন্তায়।নিজের ভারসাম্য ধরে রাখতে না পেরে পড়ে যেতে নিলো সে।রণ তাৎক্ষণিক হাত বাড়িয়ে পেঁচিয়ে ধরলো মৌনতার মেদ হীন কটিদেশ অতঃপর এক ঝটকায় কোলে তুলে ছুটলো কক্ষের ভেতর।মৌনতা হাত গুটিয়ে রাখলো রণ’র বুকে।পূর্বের ন্যয় অধিক উচ্ছাসে গলা আর জড়িয়ে ধরলো না।
মৌনতা কে আলগোছে যত্নে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে নিজের গায়ের হাত বিহীন কালো স্যান্ডো গেঞ্জি খুলে ফেললো রণ।তার খাঁজ যুক্ত পেশী গুলো দৃশ্যমান হলো তাতে ।শরীরের গড়ন নিখুঁত।যেকোনো রমণী এহেন শরীরের শিল্পে মুগ্ধ হয়ে সর্বস্ব বিলাতে চাইবে।ইচ্ছে হবে একবার এই শক্ত শরীরটা আলতো করে ছুয়ে দিতে।ক্লীন শেভের মসৃন চেহারাটা বড্ড ধারালো।হৃদপিণ্ডের প্রতিটি কোষ কেটে ফালা ফালা করে দেবার মোক্ষম অস্ত্র তা।বাদামি পুরু ভেজা ঠোঁট জোড়া খতরনাক।অ্যাডম অ্যাপলের ক্রমাগত উঠানামা গলবিলে তৃষ্ণা জাগিয়ে কাতরিয়ে মারবে।আর উচ্চতা?সেতো চোখ ধাঁধানো।
মৌনতা দেখলো না রণ’র এহেন আকর্ষণীয় সৌন্দর্য।সে ছাদের উল্টোপিঠে তাকিয়ে রইলো ডেড ফিসের মত।রণ মনে মনে ব্যথিত হলো নব্য বধূর এমন উদাসীনতায়।পরক্ষণেই ভেবে নিলো মৌনতা বোধ করি ভয় পাচ্ছে।কারন মেয়েটা বড্ড সরল আর ভীতু।রণ মনের রাগ গলা টিপে মেরে মনে ভালোবাসা আর দরদের ঝড় তুললো।অতঃপর ঝুকে গেলো মৌনতার কাছে।হাত বাড়িয়ে ছুঁতে চাইলো মৌনতার সুন্দর ঝলমলে চুল।
কিন্তু মৌনতা একটা বালিশ টেনে মাঝখানে দেয়াল দাঁড় করালো।রণ স্তব্ধ হলো এই কাণ্ডে।তবুও মনকে বোঝালো
“ফার্স্ট টাইম এটাই স্বাভাবিক।
রণ মৌনতা কে একটু সহজ করার জন্য ব্যকুল হয়ে বলল
“তুই ভয় পাচ্ছিস মৌন?কেনো পাচ্ছিস?আমি বলেছি না আমি থাকতে তোর কোনো ভয় নেই?এভাবে দেয়াল তুলে নিশ্চুপ থেকে কেনো আমাকে মারছিস?
মৌনতা বালিশ সরালো,এরপর ফাঁকা দৃষ্টিতে রণ’র পানে তাকালো।ওই দৃষ্টিতে রণ কিচ্ছু খোঁজে পেলো না।মৌনতার চোখে রণ ভালোবাসা, কামুকতা, প্রেম বহুভাবে খুজলো।কিন্তু কিচ্ছু নেই।রণ ভ্রু কুচকালো।মৌনতার এমন অপরিচিত আচরণ তাকে ভেঙে চুরমার করছে।কিছুক্ষণ আগের সমস্ত আনন্দ যেনো পানসে হলো।রণ মৌনতার হাতের মুঠো থেকে বালিশ সরিয়ে মৌনতা দুই হাতের কব্জি চেপে ধরলো।সে মৌনতার গলার ভাঁজে মুখ ডুবাতে চাইলো।কিন্তু মৌনতা মুখ ঘুরিয়ে নিলো।রণ থামলো না।সে বলল
“আগেই বলে ছিলাম উন্মাদ হলে আমি বধির হবো।তুই শুনিস নি তখন আমার কথা?কিছুই তো গোপন করিনি আমি।তবে এখন কেনো তোর এতো ধরা বাধা?
বলেই রণ মৌনতার কানে,কপালে ,গালে সব শেষে ঠোঁটের দখল নিলো।কিন্তু নির্জীব মৌনতা।রণ’র শরীরের আগুন যখন চূড়ান্ত উত্তাপ ছড়ালো তখন মৌনতার বুকের ওড়না টান দিয়ে সরাতে চাইলো।কিন্তু শক্ত করে ওড়না চেপে ধরে রইলো মৌনতা।রণ এক পলক রক্ত চক্ষু নিয়ে মৌনতা কে দেখলো।অতঃপর আগ্রাসী হয়ে মৌনতার গায়ের কাপড় খুলে ছোড়ে মারলো মেঝেতে।রণ’র ভালোবাসা, চাওয়া পাওয়া কিচ্ছু মৌনতার হৃদয়ে কোনো অনুভূতি জাগাতে পারছে না।বরং ভালোবাসা ময় স্পর্শ গুলো মৌনতার শরীরে সূঁচের ন্যয় বিধছে।
মৌনতার গলা টিপে ধরে রণ বললো
“খুব কষ্ট পাবি,কিন্তু আ’ম সরি।আমি নিরুপায়।নিজের অধিকারে এক বিন্দু ছাড় দেব না আমি।এ পর্যন্ত তুই নিজেই আমাকে নিয়ে এসেছিস।মাঝ নদীতে এনে আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে কোথাও যেতে পারবি না তুই।আমি মারলে তোকেও মরতে হবে।
মৌনতা কেঁদে ফেললো এবার।সে রণকে সজোড়ে ধাক্কা দিয়ে নিজের উপর থেকে সরিয়ে বিছানা থেকে নেমে গেলো।এরপর ফ্লোর থেকে নিজের কাপড় নিয়ে দৌড়ে ওয়াশ রুমে ঢুকে দরজা লাগিয়ে দরজা হেলান দিয়ে বসে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলো।
মৌনতার আকস্মিক এহেন ক্রুর আচরণে রণ কথা বলার ভাষা হারালো।ঘাম ঝরা শরীরের পানে একবার নজর বুলালো।তার চোয়াল শক্ত হলো সেই সাথে চোখে জমলো টকটকে লাল রক্ত।ইচ্ছে হলো সব কিছু ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতে।হাত দুটো শক্ত মুঠি করে দাঁড়িয়ে রইলো রণ।সারা শরীরের রক্ত ছলকে মাথার মগজে উঠতে চাইছে।এই বুঝি রণ’র মরন হয় ।রণ মাথা চেপে ধরে দাঁড়িয়ে রইলো।সমস্ত স্বপ্ন,চাওয়া পাওয়া ইচ্ছা আকাঙ্খা ভেঙে গুঁড়িয়ে খসে খসে পড়ছে।
মৌনতা বেরুলো কিছুক্ষণ পর।চোখে মুখে পানির ঝাপটা দিয়ে ওড়নায় মুখ মুছতে মুছতে রুমে এলো সে।এসে রণ’র পানে না তাকিয়েই কম্পিত গলায় বলে উঠলো
“আমাকে যেতে হবে।বড় মামা টেনশন করবে ।
রণ কোনো বাক্য ব্যয় করলো না।মৌনতা যাবার জন্য পা বাড়ালো।রণ রাগ সামাল দিতে একটা সিগারেট ধরালো, তাতে একটা অস্থির টান দিয়ে ভারী গলায় ডাকলো একবার
“দাঁড়া।
মৌনতার পা থেমে গেলো।রণ মৌনতার সামনে এসে দাড়ালো অতঃপর নাক ফুলিয়ে চোয়াল শক্ত করে গম্ভীর ভারী গলায় বলল
“আমি বারবার তোকে ভাবার সুযোগ দিয়েছিলাম কিন্তু তুই তখন পা বাড়িয়ে এগিয়ে গিয়েছিলি।যখন তোর সাথে আমি পা মেলালাম তখন তুই আমাকে ছুড়ে ফেললি।যেভাবে আমার মনটা ভাঙলি এর জন্য আজীবন পস্তাতে হবে তোকে।আমাকে আর পাবি না তুই।তুই আমার সমস্ত ভালোবাসা গলা টিপে হত্যা করেছিস।তোর মনে কি চলছে আমি জানিনা।তুই আমাকে খোলে বলতে পারতি সব।কিন্তু তুই কিচ্ছু করিস নি।আমার বিলিয়ে দেয়া ভালোবাসা প্রত্যাখ্যান করেছিস।
কথা গুলো বলতে বলতে রণ’র গলা ধরে গেলো।আরো কিছু বলতে চাইলো কিন্তু কন্ঠ ভেঙে এলো।নাক ফুলিয়ে চোখের পাতা ঝাপ্টে সিগারেট এ আরেক টান দিলো রণ।এরপর মৌনতার চোয়াল চেপে ধরে মৌনতার চোখে মুখে ধোয়া উড়িয়ে বললো―
“লুক অ্যাট মি,লুক…
মৌনতা ভয়ে ভয়ে তাকালো।জলে দুচোখ ভরে উঠছে তার।রণ হ্যাচকা টানে মৌনতার হাত তুলে নিয়ে নিজের শরীর ছুঁইয়ে দিলো,এরপর মৌনতার হাত টেনে নিয়ে চেপে ধরলো নিজ নাভির নীচে।মৌনতা হাত মোচড়া মোচড়ি করলো।কিন্তু শক্তিতে কুলাতে পারলো না।রণ ঝটকা দিয়ে মৌনতার হাত সরিয়ে বলে উঠলো
“না চাইতেও একটা পুরুষের সব কিছু ছুঁয়েছিস তুই।আর আমি তোর কোথাও স্পর্শ করা বাদ রাখিনি।তুই কলঙ্কিত।এই কলঙ্কিত শরীর আর কাউকে দেখাতে পারবি না তুই।অন্য কাউকে যদি ছুতেও যাস আমাকে মনে পড়বে তোর ।আর আজীবন এই শাস্তিই তোকে বয়ে বেড়াতে হবে
মৌনতা এবার শব্দ করে কেঁদে উঠলো।কথা বলার জন্য মুখ খুললো কিন্তু কোনো আওয়াজ হলো না।রণ আরেকটু নির্দয় আর হিংস্র হলো।মৌনতার জামা টেনে উন্মুক্ত উদর বার করলো।অতঃপর হাতের জলন্ত সিগারেট মৌনতার নাভির পাশে ঠেসে ধরলো।আকস্মিক কাণ্ডে মৌনতা আর্তনাদ করে চিৎকার করলো।
“এটা তুমি কি করলে রণ ভাই?
সিগারেট সরিয়ে রণ তাচ্ছিল্য হাসলো।
“যাক কথা তবে বের হলো তোর মুখ দিয়ে।কি করলাম জানিস?তোকে পূর্ণ রূপে কলঙ্কিত করে সিল মেরে দিলাম।আজকের পর থেকে না তোকে আমি ছুবো না কেউ তোকে ছুবে।কলংকের দাগ শরীরে বইয়ে নিয়ে কবর পর্যন্ত যাবি।বেরিয়ে যা চোখের সামনে থেকে।আমার সাথে আজই তোর শেষ দেখা।গেট আউট….!
বলেই চিৎকার করে উঠলো রণ।রণ’র চিৎকারে মৌনতা কেঁপে উঠলো।বলতে চাইলো ভেতরের সমস্ত অপরাধবোধ জমানো কথা।কিন্তু কান্নার দমকে পারলো না।রণ ফ্লোর থেকে নিজের প্যান্ট তুলে পরে তাতে হুক লাগাতে লাগাতে বলে উঠলো
“ছলনা ময়ী শয়তান ধোকাবাজ মেয়ে কোথাকার!
এমন অপবাদ মৌনতার কলিজায় লাগলো।দৌড়ে কক্ষ থেকে বেরিয়ে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামলো মৌনতা।হোটেলে কেউ সিঁড়ি ব্যবহার করে না।তাই মৌনতার চিৎকার করা কান্না কেউ দেখলো না।মৌনতা হোটেলের নীচে গিয়ে একটা সিএনজি নিয়ে তার মামার বাসায় গেলো।
মৌনতা যেতেই হোটেলের সেন্টার টেবিলে সজোড়ে এক লাথি বসালো রণ।কাঁচের ভারী টেবিল লাথির তোড়ে ভেঙে চূর্ণবিচূর্ণ হলো।রণ বৃহৎ ড্রেসিং টেবিলটার সামনে দাঁড়ালো।নিজের করুন চেহারা নিজের কাছেই অসহ্য লাগলো।শক্ত ঘুসিতে ভেঙে ফেললো সেই ড্রেসিং টেবিলের আয়না।ভাঙা কাঁচের ধারালো ঘর্ষণে রণ’র হাত কেটে রক্ত ঝড়লো।তোয়াক্কা করলো না তা।মেঝে থেকে গেঞ্জি তুলে গায়ে জড়িয়ে হনহন করে বেরিয়ে এলো বাইরে।লবিতে দেখা হলো সোহানের সাথে।রণ’র হাত দেখে সোহান ভাবুক হলো সেই সাথে কুচকালো কপাল।রণ গম্ভীর গলায় বলল
“ম্যানেজারকে সঙ্গে নিয়ে উপরে যাও।কত ক্ষতি হলো তা পুষিয়ে ক্যান্টনমেন্ট এসো।আমি ঢাকার বাইরে যাবো আজই।
আর দাঁড়ালো না রণ।চলে গেলো একটা ট্যাক্সি বুক করে।সোহান ম্যানেজার কে নিয়ে উপরে এসে চমকে উঠলো।কক্ষের অবস্থা যা তা।সোহানের দেয়া গোপন প্যাকেট টেবিলের উপর পড়ে আছে অজত্নে।সোহান কম্পিত শ্বাস ফেলে সবটা বুঝে চমকিত হলো।রণ কোথায় যাবে এটাও সোহান আন্দাজ করে ফেললো।মৌনতার দুর্ভাগ্য ভেবে সোহান টাকা মিটিয়ে সবাইকে নিয়ে প্রস্থান নিলো।
মামা বাড়ি এসে জেদ শুরু করলো মৌনতা।সে আজই বাড়ি ফিরে যাবে।শফিকুল ইসলাম ভাগ্নির মতগতি কিছুই বুঝলেন না।সায়নী আর সিমি কিছুটা আন্দাজ করলো।শফিকুল ইসলাম যখন মৌনতা কে আরো দুটো দিন থাকার অনুরোধ জানালো তখন চিৎকার করে কেঁদে মৌনতা বলে উঠলো
“আজই ফেরত না পাঠালে ছাদ থেকে লাফ দেব মামা।
শফিকুল ইসলাম বাক্যহারা হলেন এমন হুমকিতে।সিমিকে সহ বিকেলের বাসে মৌনতা কে তুলে দিয়ে সাদনান মির্জা কে খবর পাঠালেন
“তোমার মেয়ের হঠাৎ কি হলো জানিনা।না পারতে বাসে তুলে দিয়েছি।বাস স্ট্যান্ড থেকে সঠিক সময়ে এসে নিয়ে যেও।
চলবে
Share On:
TAGS: ভালোবাসার সমরাঙ্গন, সারিকা হোসাইন
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ৬
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ৩১
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ১০
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন গল্পের লিংক
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ২৩
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ২
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ৯
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ৩০
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ১৪
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ২০