প্রেয়সীর_অনুরাগ
লেখনিতে —#সাদিয়াজাহানসিমি
পর্ব_০৩
পুরুষের অবহেলায় নারীর একতরফা ভালোবাসা যেন এক নীরব যুদ্ধ — যেখানে হার নিশ্চিত জেনেও নারী লড়ে যায় , শুধু ভালোবাসার টানে।
নারীর ভালোবাসা বুঝতে পুরুষ তোমায় হাজার বার জন্ম নিতে হবে। পৃথিবীতে সবচেয়ে ভয়ংকর শব্দ ‘ একতরফা ভালোবাসা ‘ যা নীরবে মনে বয়ে নিতে হয়।
“ভালোবাসা অপরাধ নয়। তবে, ভুল মানুষের প্রতি ভালোবাসা জন্ম নেওয়া অপরাধ।”
একতরফা ভালোবাসা একা বয়ে চলে যে জন, সে জন জানে ভেতরে ভেতরে প্রতিটা সময় গুমড়ে গুমড়ে মরতে হয়। জীবিত থেকেও তার মন মৃতে পরিণত হয়।
“পুরুষ তুমি, অতিথি পাখির আগমন দেখে! নিজের পোষা পাখিকে কখনো ছেড়ো না। কারণ সৌন্দর্য ক্ষণস্থায়ী, তবে মায়া চিরস্থায়ী।”
বাড়িতে ফিরে রাফসা গোসল করে নেয়। শরীর কুলোচ্ছে না। অসাড় হয়ে আসছে বুকের ভেতর। শখের পুরুষের কাছ থেকে বোধহয় সবাই এমন ব্যবহার পায়। হয়তোবা না। সবার ভাগ্যে তো আর উদ্যান নামক পাষাণ পুরুষ জুটে না।সেই সকালে খেয়েছে আর খায়নি। তাই নিচে চলে যায় রাফসা। বিকেলে পুরো বাড়ি নিস্তব্ধতা বিরাজ করছে। দুপুরে খেয়ে সবাই ঘুমাচ্ছে বোধহয়। পেটে খিদে থাকলেও গলা দিয়ে খাবার নামবে না। রাফসা নিজেকে শক্ত রাখার চেষ্টা করছে। রান্নাঘরে গিয়ে নিজের হাতেই খাবার নিয়ে ডাইনিং এ খেতে বসে। খাবার চিবোনোর শক্তি বোধহয় ক্ষয় হয়ে গেছে। পানি দিয়ে গিলে কোনো রকম খেয়ে রুমে চলে আসে। ঘুমে চোখ জুড়িয়ে আসছে। তবুও রাফসা ঘুমাবে না বলে ঠিক করে। বারান্দায় গিয়ে বসে বিকেলে প্রকৃতি দেখছে। বিকেলটাও যেন কারো প্রতি এক আকাশ পরিমাণ অভিযোগ পুষে রেখেছে। তবে মুখ ফুটে কিছু বলতে পারেনা। যেমন নারী পারে না তার শখের পুরুষের কাছে অভিযোগ, অভিমান পেশ করতে।
কিছুক্ষণ বারান্দায় থেকে আবার নিচে চলে আসে। কিচেনে গিয়ে নিজের জন্য এক কাপ কফি বানিয়ে নেয়। তা নিয়ে সোজা ছাদে চলে যায়।
বিকেলের সূর্যটা ধীরে ধীরে ঝুঁকে পড়েছে পশ্চিমের আকাশে। লালচে – কমলা আলো ছাদের মেঝেতে লম্বা ছায়া ফেলছে, ঠিক যেন রাফসার বুকের ভেতরের ভারী কষ্টগুলো বাইরে এসে পড়েছে। বাতাস বইছে — নরম, অথচ অদ্ভুত রকমের ঠান্ডা। সেই বাতাসে কোনো স্বস্তি নেই, আছে শুধু শূণ্যতার গন্ধ।
রাফসা ছাদের রেলিংয়ে হেলান দিয়ে দাঁড়ায়। নিচে শহরের কোলাহল, গাড়ির হর্ন, মানুষের হাসি — সবই যেন খুব দূরের কিছু। এই বিকেল তার কাছে রঙিন নয়, বিকেল মানে অপেক্ষা, বিকেল মানে না – পাওয়ার আরেকটা দিন শেষ হয়ে যাওয়া। সূর্যটা যত নামছে, তার বুকের ভেতর জমে থাকা কষ্ট তত গারো হচ্ছে।
রাফসার চুলগুলো বাতাসে উড়ছে, কিন্তু সেগুলো সরানোর চেষ্টা করে না। চোখ দুটো শুকনো, তবু ভেতরে ভেতরে কান্না জমে আছে। এমন কান্না, যা চোখ দিয়ে নামে না — বুকে পাথরের মত চেপে বসে থাকে। সে ভাবে, নারীর কষ্ট কি কখনো পুরোটা বলা যায়? অবহেলা একতরফা ভালোবাসা, না- ফেরানো অপেক্ষা — সব মিলিয়ে কষ্টটা যেন প্রতিদিন একটু একটু করে নারীদের ভেতর থেকে শেষ করে দিচ্ছে।
বিকেলের আকাশটা আজ অদ্ভুত শান্ত। পাখিরা ডানা মেলে উড়ে যাচ্ছে নিজের গন্তব্যে। শুধু রাফসাই আটকে আছে — একটা ছাদে, একটা বিকেলে, একটা না বলা কষ্টের ভেতর। সে জানে, এই সূর্য অস্ত যাবে, রাত নামবে। কিন্তু তার বুকের ভেতরের সূর্যটা কবে অস্ত যাবে, সে উত্তর হয়তো কেউ দিতে পারবে না।
ছাদের এই বিকেল তার কাছে শুধুই সময় নয় — এটা নারীর নীরব একতরফা ভালোবাসার সাক্ষী। যে ভালবাসা কথা বলে না, নিঃশ্বাসে নিঃশ্বাসে বাঁচে।
রাফসার ধ্যান ভাঙ্গে বাইকের আওয়াজে। রেলিংয়ে দাঁড়িয়ে নিচে তাকাতেই চোখে পড়ে তার না হওয়া শখের পুরুষকে। তবে সে একলা নয়, তার না হওয়া শখের পুরুষের সাথেই , তার শখের নারী দাঁড়িয়ে আছে। দুজনে হেসে হেসে কথা বলছে। উদ্যানের হাতে অনেক গুলো শপিং ব্যাগ। মিম নিতে চাইলে দিচ্ছে না। জোর করে নিজের কাছে রাখছে। দুজনে হাসতে হাসতে বাড়িতে প্রবেশ করে। কষ্ট পাবে না বললেই কি হয়? নারী সব ক্ষমতার অধিকারী। ভাবতেও অবাক লাগে যাকে মন প্রাণ উৎসর্গ করে নারীরা ভালোবাসে, সেই পুরুষের ও শখের নারী থাকে। তাই হয়তো নারীর ধৈর্য্য শক্তি অনেক। তবে ভেতরে? বাইরে শক্ত খোলস থাকলেও যে, ভেতরটা চুড়মাড় হয়ে যায়। সেই কষ্ট নারী কাকে দেখাবে।
রাফসা তাচ্ছিল্যের হেসে এড়িয়ে যায়। লালচে রঙের গোধূলি আকাশের পানে চেয়ে মৃদু হেসে আওয়ায়।
” আমার মতো রাফসা নামক হাজারো নারী হেরে যায়, উদ্যান নামক পুরুষের কাছে। পুরুষ, তুমি নারীর ভালোবাসার মর্যাদা দিতে ব্যর্থ।”পুরুষ, তুমি সঠিক নারীর কদর করতে জানো না।”
মুখে ব্যথাতুর বেদনার হাসি। বুকে হাজারো হাজারো অভিযোগ, অভিমান।
.
.
.
রাজনীতি যে শুধু মিছিল, স্লোগান আর ভোটের বাক্সের সীমাবদ্ধ — এ বিশ্বাস যারা করে, তারা আসল খেলার ধারে কাছেও নেই। প্রকৃত রাজনৈতিক শুরু হয় তখন, যখন আলো নিভে যায়, ক্যামেরা বন্ধ হয়, আর সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয় নিঃশব্দে। এই ষড়যন্ত্রের নাম ছিল না কোন কাগজে ভেতরে একে ডাকা হতো “নীরব চুক্তি” ।
পলিটিক্সে বন্ধু হয়ে পড়ে শএু। শএু হয়ে যায় বন্ধু। ফরাজী বাড়ি প্রায় এিশ বছর ধরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। উদ্যানের দাদা আব্বাস ফরাজী ছিলেন একজন সৎ রাজনীতিবিদ। তার দাপটে কাঁপতো পুরো এলাকা। চট্টগ্রাম জেলার সত্যবান ন্যায় পরায়ণ একজন মন্ত্রী ছিলেন তিনি। সেই থেকে রাজনীতি ধরে রেখেছে ফরাজী বাড়ির তিন ছেলে। বাবার মতোই ওনারা হয়েছে সৎ এবং কর্মঠ রাজনীতিবিদ। কোনো রকমে আপোষ করেন না তারা। তবে, বাড়ির বড় ছেলে জাহিদ ফরাজী তার চরিত্র গভীরতর। উদ্যানের বড় আব্বু, তিনি। এতো কিছুর মাঝে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত না থেকেও খুব বড় একটা অদৃশ্যের সাথে যুক্ত উদ্যান রাওদ ফরাজী। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে ডাক্তারি পাশ করেছে কিছু মাস। তার কখনোই রাজনীতির প্রতি আগ্রহ ছিল না। তবে, সবচেয়ে দামী মূল্যবান সম্পদের রক্ষার্থে জড়িয়ে পড়েছে পলিটিক্সে। হাজারো রহস্যময় সত্য লুকিয়ে আছে ফরাজী বাড়ির প্রতিটা দালানে।
.
.
.
রাত দশটার কাছাকাছি,,
সন্ধ্যার পর ছাদ থেকে নেমে রাফসা নিজের ঘরেই ছিলো। নাস্তা করার জন্য মা ডেকে গেলেও নিচে যায়নি। ও জানে, ড্রইং রুমে এখন সেই পুরুষ থাকবে। রাফসা নিজেকে শক্ত করে গড়ে তুলতে চায়। নিজেকে আর ভাঙতে দিবে না। সন্ধ্যার পর পর পড়তে বসেছে। রসায়নের জৈব যৌগ পড়ছে সেই সন্ধ্যা থেকে। রসায়নের এই অধ্যায়টা কঠিন বেশ। তবে মনোযোগ দিয়ে পড়েছে। প্রয়োজনে ল্যাপটপে অনলাইন ক্লাস করেছে। এতোটা সময় পড়ে ক্লান্ত হয়ে গেছে। বাংলা বইটা হাতে নিতেই, ফোনটা বেজে উঠলো। রাফসা ফোন পেয়েছে আরো দুবছর আগেই। পরিবার থেকে দিতে না চাইলেও কান্নাকাটি করে নিয়েছে।রাফসা ফোন হাতে নিয়ে দেখে হোয়াটসঅ্যাপে গ্ৰুপ কল এসেছে। ফোন রিসিভ করতেই স্ত্রিনে ভেসে উঠে পঞ্চপাণ্ডবের দল। সায়মা, সাবিকুন, আশরাফুল, সাতারুল। ওদের বন্ধুত্বটা সেই জোড়ালো। এই পঞ্চপাণ্ডবের দল যেখানেই যাবে, সেখানেই গন্ডগোল পাকিয়ে আসে।
আশরাফুল চেঁচিয়ে বলল।”কিরে অবিবাহিত নারীরা। কি খবর তোদের?”
ওর কথায় সবাই হাসে। সাতারুল বলে।”মামা। আমি তো ভালো নেই। আমার সব শেষ রেহহ ভাগীনা।”
ওর কথায় সাবিকুন পিঞ্চ মেরে বলে।”তুই শেষ হলে এখানে কি করস?”
সাতারুল হায় হুতাশ করে বলে।”আরে আমি মনে হয় মরে যাব। মারিয়া আমার সাথে বেইমানি করছে। ওই শালী আরেক পোলার লগে ভাইগা গেছে। আমি আর বাঁচবো না রে।”
ওর কথায় সবাই হেসে গড়াগড়ি খাচ্ছে। সবাই আগেই বলেছিল মেয়েটা ভালো না তবে শুনেনি। ওই মেয়ের সাথে ইটিশ পিটিশ করেছে। হাজার হাজার টাকা খাইয়েছে। রাফসা ব্যঙ্গ করে বলে।”মারিয়া, সাতারুলরে গেলো ছাড়িয়া।”
গ্ৰুপে আরেক দফা হাসির রোল পড়ে। আশরাফুল হাসতে হাসতে বলে।”মামা তুই মইরা যা। অনেকদিন হয় চল্লিশা খাইনা। তুই মরলে চল্লিশা খাব। তোর মায়েরে বলিস আমাদের যেন লেগপিস দেয়। চিন্তা করিস না তোর জন্য দোয়া করব।”
সায়মা বলল।”আরেহ এসব বাদ দে। আগে বল তুই টিনের ঘরে কি করস? তুই মানুষটা তো সুবিধা না। কি করছিস টিনের ঘরে?”
সাতারুল তালে তাল মিলিয়ে বলল।”মামা কি আকাম কুকাম করতে গেছিস তুই আমাকে ছাড়া? সত্যি করে বল।”
আশরাফুল গালে তওবা কেটে বলেন।”আমার বন্ধু বান্ধব সব নষ্ট। নষ্ট ,নষ্ট পুরাই নষ্ট। আল্লাহ তোদেরকে হেদায়েত দান করুক বুঝার তৌফিক দান করুক আমিন।”
ওর সাথে সবাই চেপে একসাথে আমিন বলে।
এমন সময় দরজার ঠেলে ভেতরে প্রবেশ করে উদ্যানের বোন উষা। এবার ইন্টার দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। রাফসার সাথে খুব সখ্যতা। আপন মায়ের পেটের বোনের মত থাকে সব সময়। সব কাজিনদের মধ্যে রাফসা এবং ঊষা বেশি ফ্রি। দেখলে যে কেউ বলবে সমবয়সী। তবে রাফসার চেয়ে ঊষা, বয়সে আড়াই তিনের বড়। ঊষাকে দেখে ফোন কেটে দেয়। বইখাতা গোছাতে গোছাতে শান্ত গলায় বলল।”আপু। কিছু বলবে তুমি? বসো না।”
ঊষা এগিয়ে এসে বিছানায় বসে। তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে রাফসাকে পোরখ করে। রাফসা সেই দৃষ্টিতে থতমত খেয়ে যায়। ঊষা ভ্রু কুঁচকে জিজ্ঞেস করে।
“সত্যি করে বল, কি হয়েছে তোর? ঠিকঠাক পড়তে বসছিস। এতোটা শান্ত তো তুই না রাফসা। বল আমাকে সমস্যা কি?”
রাফসা কি বলবে? আপু তোমার ভাই আমার মন ভেঙ্গে দিয়েছে। আমাকে অপমান করেছে। ভালোবাসা প্রকাশ করাতে থাপ্পড় মেরেছে। ওর কমতি নিয়ে তাচ্ছিল্য করেছে। কোন মুখে এই সব কথা বলবে। বোন হিসেবে হয়তো ঊষা নিজেও, ভাইয়ার জন্য সুন্দরী মেয়ে চায়।সুন্দরী ভাবী তো চাইতেই পারে।
“কিরে কি ভাবিস? কিছু জিজ্ঞেস করেছি আমি।”
রাফসা টেবিল থেকে উঠতে উঠতে বলে।”কি হবে। বাড়ির মানসম্মান বাঁচানোর জন্য যুদ্ধ করছি। এসএসসি পরীক্ষায় ফেইল করলে তো আবার ফরাজী বাড়ির বদনাম হবে। তাই, বাড়ির সম্মান রক্ষা করছি আপু।”
ঊষা সন্দেহ কন্ঠে বলল।”আর যাই করিস।আমাকে মিথ্যা বলার চেষ্টা করিস না। তোর মিথ্যে ধরতে, আমার এক সেকেন্ড লাগবে না। যদি, বলতে না চাস বলিস না। তবে, আমি তোর সব বিপদে আছি। কখনো নিজেকে একা ভাববি না।ওকে?”
রাফসা হেসে মাথা নাড়িয়ে বলল।”অবশ্যই রানি সাহেবা।”
ঊষা হেসে বলল।”খেতে আয় নিচে। সবাই ডাকছে।”
“হ্যাঁ চলো।”
দুজনে নিচে নেমে আসে। ইতিমধ্যে চেয়ারে বসে গেছে সবাই। গতকালের মতো আজও উদ্যানের পাশে মিম বসেছে।বাড়ির কর্তারা এখনো আসেনি। ওনাদের বাড়ি ফিরতে রাত হয় সচরাচর।রাফসা নিজের চেয়ার টেনে খেতে বসে। খাওয়ার সময় সবাই কথা বললেও ও চুপচাপ খেয়েছে। যেন আশেপাশে কেউ নেই। আর থাকলেও ওর যায় আসে না। উদ্যান ক্ষনে ক্ষনে চোখ তুলে তাকিয়েছে।তবে, রাফসার এহেন আচরণ সহ্য হচ্ছে না। রাফসা খেয়ে বেসিনে হাত ধুতে যায়। ওর পেছন পেছন উদ্যানও ছুটে।রাফসা হাত ধুয়ে পেছনে ফিরতেই উদ্যানকে দেখে থমকে দাঁড়ায়।
উদ্যান ওর পানে চেয়ে বিরক্ত গলায় বলে।”তুই আমার সামনে আসিস না । “তোকে দেখলে আমার দিনটাই খারাপ যায়। প্লিজ, আমি যাওয়ার আগে, আমার সামনে তোর এই থোবড়া নিয়ে আসবি না।”
কথাটা বলেই হাত না ধুয়ে যেভাবে এসেছে, ঠিক সেভাবেই চলে গেছে। রাফসা থমকে দাঁড়িয়ে রইল। যেন আশেপাশের সব থেমে গিয়েছে।বাতাসের সাথে বেজে উঠল।
“কি করে বলবো তোমায়?আসলে মন কি যে চায়।
কেনো সে পালিয়ে বেড়ায় তোমার থেকে।
কি করে বলবো তোমায়, কেনো এই মন হাত বাড়ায়
আবারো হারিয়ে সে যায় তোমার থেকে।
তুমি জানতে পারোনি,কত গল্প পুড়ে যায়
তুমি চিনতে পারোনি আমাকে হায়…!!”
গানের লাইনগুলো কলিজায় লাগে,,,,🫠
চলবে…?
হয়তো আজ আপনাদের হয়তো ভালো লাগবে না ।
রিচেক দেয়নি। বানান ভুল হলে মেনশন করবেন।
Share On:
TAGS: প্রেয়সীর অনুরাগ, সাদিয়া জাহান সিমি
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
প্রেয়সীর অনুরাগ গল্পের লিংক
-
প্রেয়সীর অনুরাগ পর্ব ১
-
প্রেয়সীর অনুরাগ পর্ব ৪
-
প্রেয়সীর অনুরাগ পর্ব ৮
-
প্রেয়সীর অনুরাগ পর্ব ৯
-
প্রেয়সীর অনুরাগ পর্ব ২
-
প্রেয়সীর অনুরাগ পর্ব ৫(প্রথমাংশ + শেষাংশ)
-
প্রেয়সীর অনুরাগ পর্ব ৬
-
প্রেয়সীর অনুরাগ পর্ব ৭(প্রথমাংশ + দ্বিতীয়াংশ)
-
প্রেয়সীর অনুরাগ পর্ব ১০