পরগাছা |৩|
ইসরাত_তন্বী
(অনুমতি বিহীন কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং নোট বার্তা পড়বেন)
বাংলাদেশের প্রত্যন্ত একটা গ্রাম শশীদিঘি। সেই গ্রামে বসবাস করতেন জাব্বার আলী নামের একজন দিনমজুর। অন্যের ফসলের জমিতে জন খেটে পরিবারের সকলের মুখে দুমুঠো অন্ন তুলে দিতেন। ছোট পরিবারে সদস্য সংখ্যা ছিল চারজন। জাব্বার আলী, তার গিন্নি এবং এক কন্যা ও এক পুত্র সন্তান।
জাব্বার আলীর একমাত্র কন্যা ছিল বড়ো দুষ্টু। মাঠে, ঘাটেই তার দিন পেরোত। সকালে দুদানা পেটে দিয়ে বাড়ি থেকে বেরোত আর ফিরত সন্ধ্যা নাগাদ। বছর ভোর সে গোসল করত সাঁঝের ক্ষণে। অথচ কখনো সে সেভাবে ঠাণ্ডার কবলে পড়েনি। বড্ড অদ্ভুত তাই না! উঁহু, সে কিন্তু একবার কঠিন জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিল। গ্রাম চরে বেড়ানো মেয়েটা দীর্ঘ বাইশ দিন বিছানা বন্দি ছিল। তবে সে নিজের প্রতি বড্ড উদাসীন ছিল বৈকি। সে কখনো নিজের কষ্টে চোখের পানি ফেলেনি। সে বিছানায় শুয়ে কাঁদত বড়োই গাছের পাকা বড়োই ফুরিয়ে যাওয়ার কষ্টে, নদীতে শাপলার কলি শেষ হয়ে যাওয়ার দুঃখে, সখীদের সাথে ভোর রাতে আম কুড়োতে যেতে না পারার আফসোসে। তার মতোই ছিল উদ্ভট সব কাজকারবার। গ্রামের সকলের চোখের মণি ছিল সে। না, না কয়েকজনের চোখের বিষ ও ছিল। তারা সকলে বাড়িতে এসে শুধু বিচার দিত। তবে সে সেই সবে পাত্তা দিলে তো!
একদিন হলো কী! পাকা আম পাড়তে ঢিল ছুড়ে গ্রামের মাতব্বরের ছোট ছেলের মাথাটাই ফাটিয়ে দিল উড়নচণ্ডী কন্যা। গ্রামজুড়ে হইহই রইরই পড়ে গেল। বিচার সভা বসল। মেয়েকে সামলিয়ে রাখার একটু হুমকি, ধামকি দিলেন গ্রামের মাতব্বর। অতি সাধারণ নরম মনের জাব্বার আলী মাথা পেতে নিলেন সকল আদেশ। বাড়ি ফিরে ঘরবন্দি করলেন কলিজার টুকরো কন্যাকে। দুইদিন পেরোলে বিকাল নাগাদ পাড়া প্রতিবেশীর একজন দাদী এল জাব্বার আলীর বাড়ির আঙ্গিনায়। কথায় কথায় ওনাকে বললেন, তোর মেয়ের মতো মেয়ে পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার রে জাব্বার। এরকম পরোপকারী মেয়ে এই গ্রামে কারোর নাই। তোর মেয়ে দিন ভোর কম-বেশি সকলের হুকুম শোনে। আমাদের মতো অপদার্থের ভরসার কাঁধ। আর তুই ওর মতো মিষ্টি মেয়েকে ঘরে আটকে রেখেছিস? ওরে যে পাবে তার চাঁদ কপাল জাব্বার। সেই দাদীর কথাতে জাব্বার আলী ডুকরে কেঁদে উঠেছিলেন। নিজের ভুল বুঝতে পেরেছিলেন। যার সখ্যতা প্রকৃতির সনে, মানুষের আত্মার সাথে তাকে আটকে রাখার সাধ্য কার আছে? তৎক্ষণাৎ কন্যাকে মুক্তি দিয়েছিলেন। বুকে জড়িয়ে খুব কেঁদেছিলেন।
“মা, মা?”
আরিকার ডাকে গুঞ্জরিকা ধ্যান চ্যুত হলো। এতক্ষণ কল্পনার অগাধ সায়রে ডুবে ছিল। দেখল রান্নাঘরের জানালায় এসে বসেছে আরিকা। গুঞ্জরিকার ঠোঁটের কোণে চিকচিক করছে স্নিগ্ধ মুচকি হাসি। আরিকাকে দেখতেই সেটা বেড়েছে ইতোমধ্যে। চুলোয় দুপুরের রান্না বসিয়েছে গুঞ্জরিকা। তাই চুলোর পাশেই একটা ছোট্ট টুলে বসে আছে আপাতত।
“কাছে আয় বাচ্চা। কোথায় ছিলিস?”
আরিকা উড়ে এসে গুঞ্জরিকার কাঁধে বসল। মাথায় মাথা ঠেকিয়ে ঠোঁট ছোঁয়াল। জবাব দিল, “উড়াউড়ি, উড়াউড়ি।”
গুঞ্জরিকা ভ্রু যুগল কুঁচকে পাশে তাকাল। প্রশ্ন করল, “না খেয়ে এভাবে উড়াউড়ি করলেই বুঝি চলবে?”
“চলবে, চলবে।”
গুঞ্জরিকা আরিকাকে কাঁধ থেকে নামিয়ে কোলের উপরে নিল। একটু ঝুঁকে নাকে নাক ঠেকিয়ে বলল, “খুব পাকনা হয়েছিস। আচ্ছা বল তো বাচ্চা, তোকে তো আমি মুক্তি দিয়েছি বহু পূর্বেই। অথচ আমাকে ছেড়ে যাস না কেন? কিসের এত পিছুটান তোর? আমাকে তো খুব সহজেই ত্যাগ করা যায়।”
“ভালোবাসি মা, ভালোবাসি মা।”
প্রশ্নটা শেষ হওয়ার সাথে সাথেই মাথা দুলিয়ে বলল আরিকা। গুঞ্জরিকার ঠোঁটের হাসি প্রসারিত হলো। চোখের কোণে জল জমল। আরিকাকে বুকের মাঝে আঁকড়ে ধরল। ফুঁপিয়ে উঠল, “মা তোকে খুব ভালোবাসে। হাহ্! মানুষ না হয়ে যদি পাখি হতাম। থাকত না কোনো পিছুটান।”
আরিকা এত জটিল কথা বোঝে না। তাই নিষ্পাপ চোখে ফ্যালফ্যাল করে মায়ের দিকে তাকিয়ে রইল। কিন্তু অবলা প্রাণীটা এতটুকু ঠিকই উপলব্ধি করল তার মায়ের মন ভালো নেই। তাই তো কাঁদছে। চোখ থেকে পানি পড়ছে। অবুঝ আরিকার নয়ন দুটোতেও পানির দেখা মিলল। এইজন্যই বোধহয় লোকমুখে প্রচলিত সঙ্গী হিসেবে মানুষের থেকে পশুপাখি শতগুণে উত্তম। তারা অন্তত ভালোবাসার প্রতিদানে কেবল বুকভর্তি ভালোবাসা দিতে জানে। প্রতারনা নয়।
গুঞ্জরিকা একটু আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিল। নিজেকে সামলিয়ে শাড়ির আঁচল উঠিয়ে মুখমণ্ডল মুছে নিল। চুলোয় থাকা মাছ, টমেটোর তরকারি নেড়ে আরিকাকে নিয়ে উঠে দাঁড়াল। দ্রুত পায়ে নিজের ঘরের উদ্দেশ্যে হাঁটা ধরল। সকাল থেকে আরিকা না খাওয়া। বাদাম খেতে দিবে। নাহলে আবার কখন উড়ে যায় বলা যায় না। বড্ড পাজি সে।
.
গ্রামের বাজারে নিজেদের বড়ো গোডাউনে বসে আছে আরুষ। ছেলেটাকে কেমন মনমরা, নির্জীব দেখাচ্ছে। চুপচাপ কিছু ভেবে চলেছে। পাশে কখন যে ওর বাল্যবন্ধু শাহরিয়ার এসে বসেছে সেটা অবধি খেয়াল করেনি। বাতায়নের গ্রিল গলিয়ে সম্মুখের একটা কদম গাছের শাখায় একচিত্তে চেয়ে আছে। সেভাবেই আরও কিছু সময় পেরোল। আরুষের মধ্যে কোনো হেলদোল না দেখে শাহরিয়ার একটু কাশল। না, এতেও কাজ হলো না। শাহরিয়ার এর কপালে ভাঁজ পড়ল। এই পর্যায়ে আরুষের বাহুতে ধাক্কা দিয়ে ডাকল, “কী রে দোস্ত? কোথায় হারিয়েছিস?”
আকস্মিক এমন কাজে চমকে পাশে তাকাল আরুষ। পরিচিত একটা মুখ দেখতেই আস্তে ধীরে আঁখি জোড়া শীতল হয়ে এল। মুচকি হাসল। শাহরিয়ার এর কাঁধ চাপড়ে দিল, “আরে দোস্ত! কখন এলি?”
“সে তো এসেছি বেশ কিছুক্ষণ। কিন্তু তোকে এমন দেখাচ্ছে কেন? দুই বউয়ের আদর যত্ন পেয়েও মনমরা হয়ে আছিস দোস্ত।” এক চোখ টিপে একটু মশকরা করেই বলল শাহরিয়ার।
“তাহলে তুই ও আরেকটা বিয়ে করে ফ্যাল। দেখবি দুই বউয়ের সাথে সংসার করার কত মজা, কত আনন্দ।”
আরুষের তামাশার ছলে বলা কথাটা শুনে মনটা কিঞ্চিত ভার করার ভান ধরল শাহরিয়ার। বলল, “কিন্তু আমার বউ তো অনুমতি দিবে না দোস্ত। তোর বউয়ের মতো অত ভোলাভালা না যে।”
“আমার বউয়ের মতো হতেও পারবে না।”
কথায় কথায় অকপটে বাক্যটা বলেই থমকে গেল আরুষ। বন্ধুর থেকে চোখ ফিরিয়ে নিল। কী ভয়ংকর কথা বলে বসল ভাবা যায়! সামনে বসা শাহরিয়ার ঈষৎ অবাক হলো বৈকি। এত টান, এত ভালোবাসা থাকতে দ্বিতীয় বিয়ে কেন? মনের মাঝে খচখচ করতে থাকা প্রশ্নটা করে বসল, “নিজের পছন্দে বিয়ে করে আবার দ্বিতীয় বিয়ে কেন করলি দোস্ত? একটা সন্তানই কি সব? আমার বউ কমলিকাকে দেখে যতটুকু বুঝি মেয়ে মানুষ তার ভালোবাসার মানুষের পাশে অন্য মেয়ের ছায়াও ঘৃণা করে। সেখানে ভাবী কীভাবে তোকে অনুমতি দিল? কীভাবে মানছে সব?”
তৎক্ষণাৎ অপরপক্ষ থেকে কোনো জবাব এল না। চারপাশের শব্দ ছাপিয়ে পুনরায় নিস্তব্ধতায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ল গোডাউনের মধ্যিখানটা। আরুষের অধরযুগলে দেখা মিলল তাচ্ছিল্যের হাসি। সময় নিয়ে আনমনা গম্ভীর কণ্ঠে জবাব এল,
“তার মতো ধৈর্যশীল হতে হলে আমাদের মতো মানুষদের আরও কয়েকবার জন্মগ্রহণ করতে হবে রে শাহরিয়ার। সে ভোলাভালা অথচ কী নিদারুণ ব্যক্তিত্বের!”
শাহরিয়ার মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনল আরুষের মুখনিঃসৃত কথাগুলো। একজনের প্রতি ঠিক কতটা মোহ, ভালোবাসা থাকলে এভাবে বলা সম্ভব? অথচ সময়, পরিস্থিতি, বাস্তবতা সব ভিন্ন।জানতে চাইল, “দোস্ত তুই বিয়েটা কেন করলি বল তো?”
আরুষ তৎক্ষণাৎ কাঁধ ঝাঁকিয়ে ভাবলেশহীন ভঙ্গিতে বলল, “জেনে কাজ কী? করে ফেলেছি তো বিয়ে। এইবার বাচ্চাও হবে। শেখ পরিবারের পরবর্তী বংশধর আসবে। নয়ত পৃথিবী যে বড্ড পিছিয়ে পড়েছিল।”
“তোর শরীরের এত জ্বালা শালা?”
বন্ধুর কথাতে আরুষ মৃদু শব্দে হেসে উঠল। অথচ সেই হাসিতে প্রাণ নেই, মুগ্ধতা নেই। কেমন ফ্যাকাসে ম্লান মতো। চব্বিশ বছরের ভীষণ পরিচিত মানুষটাকে আজ বড্ড অপরিচিত মনে হচ্ছে শাহরিয়ার এর নিকট। কী অদ্ভুত! এত পরিবর্তন! তবে শাহরিয়ার এত সহজে ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নয়। আজ খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে সব কথা জেনে তবেই ছাড়বে। আবারও জিজ্ঞাসা করল,
“সমস্যাটা কার ছিল? চিকিৎসা করিয়েছিস? এমন ও তো হতে পারে সমস্যাটা তোর নিজের। এত ভালোবাসা থেকে এরকম একটা সিদ্ধান্ত আমাকে বড্ড ভাবাচ্ছে আরুষ। বিশ্বাস কর দোস্ত কমলিকা যখন এই সংবাদটা আমাকে দিল আমি কেমন যেন অনুভূতিহীন হয়ে পড়েছিলাম। বিশ্বাস হচ্ছিল না। তোদের সংসারে তৃতীয় ব্যক্তি! এ যেন সপ্তম আশ্চর্যের একটি।”
“বাদ দে তো এই বিষয়টা। বড্ড ক্লান্ত লাগে আজকাল। সন্তানের আশায় বিয়ে করলে আরও চার বছর আগেই করে নিতাম। কারোর কাছে আর ভালো হওয়ার সাধ নেই। যার যা ইচ্ছা ভাবুক।”
শাহরিয়ার হার মেনে নিল। বন্ধুর মুখের দিকে তাকিয়ে বড্ড মায়া হলো। যেটাতে বন্ধুর অনাগ্রহ সেটা না বলাই উত্তম। সঠিক সময়ে সবটা ঠিকই জানা যাবে। কেবল মাথা নেড়ে আরুষের কথাতে সম্মতি দিল। আমরা তো কেবল একপাক্ষিক বিচারে অভ্যস্ত।
.
দুপুরে খাবার টেবিলে উপস্থিত সম্পূর্ণ শেখ পরিবার। ঠিক সম্পূর্ণ নয় আরুষের বৃদ্ধ দাদী আছেন মেয়ের বাড়িতে। ফিরবেন দিন পাঁচেকের মধ্যেই। আরুষের পাশেই দাঁড়িয়ে আছে চন্দ্রা। ওদের মুখোমুখি অপরপাশে অদিতির পিছনে দাঁড়িয়ে আছে গুঞ্জরিকা। বাড়ির বউয়েরা পরে খাওয়ার একটা রীতিনীতি প্রচলিত আছে। সমাজের বানানো নিয়মের ঊর্ধ্বে শেখ পরিবার নয়। তাই বউয়েরা পরিবারের সকলের খাওয়ার পরেই খেয়ে থাকে। আপাতত সবাই যার যার মতো খেতে ব্যস্ত। আসমান শেখ এবং রোকেয়া শেখ টেবিলের দুই মাথাতে বসে খাচ্ছেন। বাড়ির কর্তা, কর্তী বলে কথা!
আসমান শেখ মুখে এক লোকমা খাবার তুলে গুঞ্জরিকার দিকে তাকালেন। ওষ্ঠজোড়ায় মুচকি হাসি ঝুলিয়ে বললেন, “গুঞ্জন মা তোমার হাতে জাদু আছে। আজকের ইলিশ মাছের তরকারিটা একদম অমৃত।”
গুঞ্জরিকা ওনার দিকে তাকিয়ে মিষ্টি করে হাসল। মিনমিনে গলায় ছোট্ট করে বলল, “ধন্যবাদ বাবা।”
“এত প্রশংসার কিছু নেই। আহামরি কোনো কঠিন কাজ নয় এটা।”
“আগামীকাল দুপুরের রান্নার দায়িত্ব আপনার আম্মা। সহজ কাজ দুয়েকটা করলে ক্ষতি নেই।”
মুখের উপর পালটা জবাব পেয়ে চোখ গরম করে তাকালেন রোকেয়া শেখ। গুঞ্জরিকার এমন শান্ত কথাতে পিনপতন নীরবতা খেলে গেল ঘরজুড়ে। অদিতি আর আসমান শেখ মিটিমিটি হাসছেন। থালাতে নিবিষ্ট চোখ তুলে সামনে তাকিয়েছে আরুষ। সকলকে উপেক্ষা করে চন্দ্রা বলে বসল,
“আম্মা আমাদের গুরুজন গুঞ্জন। কথাবার্তা…”
চন্দ্রাকে মুখের কথা শেষ করতে দিল না গুঞ্জরিকা। শীতল অথচ কঠিন গলায় বলে উঠল, “তোকে নিজের স্বামীর ভাগ দিয়েছি, সংসারের ভাগ দিয়েছি কিন্তু আমার ভাগ দেই নাই। আমার ব্যক্তিগত জীবন কিংবা কোনো বিষয় নিয়ে দ্বিতীয়বার কিছু বলার দুঃসাহস দেখাবি না চন্দ্রা। ঠিক যেভাবে আমি তোদের জীবন নিয়ে কিছু বলি না।”
রোকেয়া শেখের নেত্র যুগল অক্ষিকোটর থেকে বেরিয়ে আসার উপক্রম। লোচন জোড়া বড়ো বড়ো করে তাকিয়ে আছেন। নিজের কান দুটোকে যেন বিশ্বাস করতে পারছেন না। নরম মাটি কবে পুড়ে এতটা কঠিন হলো? কী আশ্চর্যকর বিষয়! অনাকাঙ্ক্ষিত তীব্র অপমানে থমথমে হয়ে উঠল চন্দ্রার বদনখানা। একবুক আশা নিয়ে আরুষের দিকে তাকিয়ে রইল। অথচ সম্পূর্ণভাবে হতাশ হতে হলো। আরুষ এইসবে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করল। এতকিছু শুনেও শুনল না। দেখেও দেখল না। নিজের মতো খাওয়াতে মনোনিবেশ করল। কেবল ত্রিকোণমিতিক ভালোবাসা আটকে রইল বক্ষ পিঞ্জর নিঃসৃত ক্লান্ত দীর্ঘশ্বাসে।
চলবে
Share On:
TAGS: ইসরাত তন্বী, পরগাছা
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE