নীভৃতেপ্রেমআমার_নীলাঞ্জনা
নাজনীননেছানাবিলা
পর্ব_১৫
অনুমতি ব্যতীত কপি করা নিষেধ ❌❌❌❌❌
সবাই অনুগ্রহ করে নিচের নোট পড়বেন।
মুনভি দ্বিধা বোধ করছে ইকরার শরীর থেকে নিজের কোর্ট খোলার জন্য। কিন্তু এখন যদি কোর্ট সরিয়ে পিঠের কাটা ঘায়ে মলম না দেওয়া হয় তাহলে পরবর্তীতে ইনফেকশন হয়ে যেতে পারে। আর তাছাড়াও মেয়েটির তো কষ্ট হচ্ছে। একজন ডাক্তার হিসেবে চেকআপ কিংবা অপারেশনের সময় সে অনেক নারী মানুষ কে ছুঁয়েছে। কারণ এটাই তার কাজ। কিন্তু এই প্রথম মেয়েকে ছোঁয়ার আগে তার ভেতর অদ্ভুত অনুভূতির দেখা মিলছে।তার মনে হচ্ছে সে ছুলেই বোধহয় মেয়েটি তাকে ভুল বুঝবে। খুব নরম সুরে মেয়েটিকে জিজ্ঞেস করল__
আমমম,,, যদি তুমি কিছু মনে না কর তাহলে কোর্টটিকি খুলতে পারি?
ইকরা মাটির দিকে চেয়ে ছিল এতক্ষন। যুবকটির কথা শুনে তড়িৎ গতিতে যুবকটির দিকে দৃষ্টিপাত করলো। মুনভি তার দিকেই তাকিয়ে আছে।ইকরার কে এমন ভাবে হকচকিয়ে উঠতে দেখে মুনভি নিজের দৃষ্টি শীতল করে আশ্বাস দিয়ে বলল _
ভয় পাবার কিছুই নেই। কেবল শুধু পিঠের ঘায়ে অয়েলমেন্ট লাগানোর জন্য অল্প একটু কোর্টটি খুলবো।আমি একজন ডাক্তার আমার উপর বিশ্বাস করতে পারেন আপনি।
ইকরা কিছুটা ভরসা পেল অচেনা যুবকটির কথায়। আস্তে আস্তে পরনের কোর্ট খুলতে লাগলো।মুনভি সঙ্গে সঙ্গে পিছনে ফিরে গেল এবং ইকরা কে সময় দিল।ইকরা তা দেখে মুচকি হাসলো এবং মনে মনে বলল _
জেন্টলম্যান হুঁ।
তারপর পরনের কোর্ট কাঁধ থেকে নামিয়ে রাখল। পুরোপুরি খুলেনি। যতটুকু প্রয়োজন ততটুকুই নামিয়েছে। তারপর নিজের গলা খাঁকারি দিল যাতে তার সামনে থাকা যুবকটি বুঝতে পারে। মুনভি ইকরার রেসপন্স পেয়ে তার দিকে ফিরল।ইকরা আবার নিজের মাথা নামিয়ে রেখেছে। মুনভি ইকরা পেছনে গিয়ে পিঠের কাটা দাগ গুলো দেখলো। তার চোয়াল শক্ত হয়ে গেল। রাগে চোখ রক্তবর্ণ হয়ে গেল। তার কটন ক্যান্ডিকে যে এভাবে আঘাত করেছে তাকে সে ছেড়ে দিবে না। মেয়ে বলে যে ছাড় পেয়ে যাবে এমনটা কখনোই হবে না সে তো শুধে আসলে অশুল করে নিবে।
মুনভি আলতো করে পরিষ্কার করতে লাগলো ক্ষত স্থান টুকু যাতে মেয়েটি বিন্দুমাত্র জ্বালা অনুভব না করে।সে এমন ভাবে ইকরা কে ট্রিট করছে যেন মেয়েটা সত্যিই কটন ক্যান্ডি এবং অল্পতেই যেন মিলিয়ে যাবে। ইকরা কে স্বাভাবিক রাখার জন্য সেই নরমাল কথাবাত্রা বলার সিদ্ধান্ত নিল। নিজের গলা পরিষ্কার করে জিজ্ঞেস করল__
আচ্ছা আপনার নাম কি?
কথাটি এমনভাবে জিজ্ঞেস করল যেন সে মেয়েটির নাম জানেই না।
ইকরা নরম সুরে বলল_
ইকরা শেখ।
মুনভির মুচকি হাসি ফুটে উঠলো এবং মনে মনে বলল__
বাকি সবার জন্য হয়তো তুমি ইকরা শেখ কিন্তু কটন ক্যান্ডি কেবল আমার জন্য।
মুনভি কথাবার্তা কে স্বাভাবিকতায় রাখার জন্য জিজ্ঞেস করল __
আর আপনার বান্ধবীর নাম নীলা তাইতো?
আসলে তখন ইকরা নীলা নাম বলেছিল তা মুনভি শুনতে পেয়েছিল। কিন্তু সে তো জানে না যে এই নীলা নামক মেয়েটার সাথেই তার প্রেমের নাটক করতে হবে।
ইকরা হালকা করে মাথা নেড়ে হ্যাঁ সূচক জবাব দিল।
মুনভি কৌতুহল দমিয়ে রাখতে না পেরে জিজ্ঞেস করে উঠলো__
কিছু যদি মনে না করেন তাহলে একটা কথা জিজ্ঞেস করি?
ইকরা আবার মাথা নাড়ল।মুনভি তার পিঠের ক্ষতস্থানে মলম লাগাতে লাগাতে জিজ্ঞেস করল_
আপনারা যেহেতু বাংলায় কথা বলেন তাতে বোঝাই যাচ্ছে আপনারা বাঙালি। তো আপনারা কি বিবাহিত? না মানে জাস্ট ফর কিউরিসিটি।
ইকরা ঠোঁট কামড়ে হাসলো। যুবকটির সোজা সাপ্টা কথাবার্তা তার পছন্দ হচ্ছে। সে স্বাভাবিক ভাবেই বলল__
না আমরা কিউই ম্যারিড না। দুজনেই সিঙ্গেল।
মুনভির ঠোঁট প্রসারিত হলো।তার মানে তার লাইন ক্লিয়ার।সে তো এখন সোজাসুজি মিহালকে বলবে সে কারো সাথে প্রেমের নাটক করতে পারবে না। নিজের বিয়ে করার বয়সে কারো সাথে প্রেমের নাটক করা মানায় না তাকে। এতদিন তার জীবনে কটন ক্যান্ডি আসেনি তাই মিহালের প্রস্তাবে রাজি হয়েছিল কিন্তু এখন যেহেতু তার জীবনে কটন ক্যান্ডি এসে পরেছে তাহলে অন্য কোন মেয়ের পিছনে নিজের সময় ব্যয় করতে চায় না সে। হঠাৎ ইকরার করা প্রশ্নে তার ধ্যান ভাঙলো।ইকরা তার নাম জানতে চেয়েছে।
সে আলতো হেসে বলল__
ওহ্ সরি সরি আসলে নিজের নাম বলতেই ভুলে গিয়েছিলাম। যাইহোক আমার নাম শাহরিয়ার মুনভি।Hôpital Européen Georges-Pompidou(ইউরোপীয় হাসপাতাল জর্জেস পম্পিডো) তে আমি একজন Cardiologist.(হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ)।
ইকরা চমকালো। সে নিজেও এই বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করতে চায় ভবিষ্যতে ,তাই তো এবরোডে আসা।সে মুচকি হেসে বলতে শুরু করল _
নিশ্চয়ই আপনি আমার থেকে বয়স অনেক বড় হবেন। তাই আমাকে আপনি করে বলার কোন প্রয়োজন নেই। আর আজকের দিনের জন্য ধন্যবাদ।
এতক্ষণে মুনভি তার পিঠে মলম লাগিয়ে ব্যান্ডেজ করে দেওয়া শেষ।সে আবার ইকরার সামনে এসে দাঁড়ালো।ইকরা কোর্টটি পরেনিল ভালো করে।মুনভি তার দিকে তাকিয়ে মুখের মিষ্টি হাসি বজায় রেখে বলল__
আচ্ছা ঠিক আছে আমি তোমাকে তুমি করেই ডাকবো। আর এতে ধন্যবাদ দেওয়ার কিছুই নেই। আমি তো নিজের জীবনকে বাঁচিয়েছি।
ইকরার ঠিক বোধগম্য হলো না মুনভির কথা।সে ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল _
আপনার কথার মানে ঠিক বুঝলাম না আমি।
মুনভি আলতো হেসে নিজের মাথা চুলকে বলতে শুরু
করল __
এত বোঝার প্রয়োজন নেই। পরে দেখা যাবে হাতের এবং পিঠের ব্যথা মাথায় করবে। তখন আবার সেই ব্যথা সামলাতে হিমশিম খেতে হবে তোমাকে।
ইকরা ভেংচি কাটলো।মুনভি তা দেখে শব্দ করে হেসে উঠলো এবং বলল__
আচ্ছা সরি আমি ওরকম ভাবে কিছু মিন করে বলেনি। যাই হোক তোমার নিশ্চয়ই ক্ষুধা পেয়েছে? আর ক্ষুধা না পেলেও এখন কিছু খেতে হবে তারপর পেইনকিলার খেতে হবে। তুমি এখানে বসো আমি কিছু খাওয়া ব্যবস্থা করছি কেমন?
ইকরা মুগ্ধ নয়নে তার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা যুবকটির মানবতা দেখেছে। যুবকটি নিতান্তই একজন জেন্টলম্যান।ইকরা বরাবরই অচেনা কারো সাথে কথা বলতে পারে না সেটা মেয়ে হোক কিংবা ছেলে। অথচ এই যুবকটির সাথে অনায়াসে কথা বলে যাচ্ছে সে। হয়তো খুব বেশি কথা বলেনি তারা। কিন্তু সে যেই পরিমান কম কথা বলে সেই পরিমাণ হিসাব করলে অনেক কথা বলে ফেলেছে এই অচেনা যুবকটির সাথে।
মুনভি ইকরার কাছ থেকে কোনো জবাব না পেয়ে ইকরা কে ভালো ভাবে পর্যবেক্ষণ করতেই দেখলো মেয়েটি কিছু একটা ভাবছে। তার কপালে চিন্তার ভাঁজ পরলো।
মনে মনে বলল _
হয়তো কটন ক্যান্ডি ভয় পাচ্ছে একা একা থাকতে।আর আমাকে মুখ ফুটে বলতেও পারছে না যেন না যাই আমি তাই হয়তো চুপ করে আছে। আসলেই তাকে একা রেখে যাওয়া যাবে না।
মুনভি আবার বলতে শুরু করল _
ইটস্ ওকে তোমার ফ্রেন্ড না আসা পর্যন্ত আমি এখানেই আছি কোথাও যাচ্ছি না সো রিল্যাক্স।
ইকরা অবাক নয়নে তাকালো মুনভির দিকে। আসলেই সে একা থাকতে সেইফ ফিল করছে না। বিশেষ করে একটু আগে তার সাথে যা ঘটেছে।আর লোকটিকে মুখ ফুটে না যাবার কথা বলতেও পারছে না তাই তো চুপ করে বসেছিল। অথচ কত সুন্দর লোকটি তার মনের কথা বুঝে ফেলেছে।
মুনভি নিজেও এই ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট ছিল কোনো এক কালে তাই ক্যান্টিনের লোকেদের সাথে তার ভালো সম্পর্ক ছিল।আর এখন মিহালের সাথে আসা হয় বিধায় সেই সম্পর্ক এখনো টিকে আছে।তাই ক্যান্টিনে কল দিয়ে খাবার অর্ডার দিল।ইকরার জন্য থাই স্যুপ সাথে বয়েল এইগ।যাতে মেয়েটি কিছুটা শক্তি পায়।আর নীলার জন্য স্যান্ডউইচ আর কফি।
তারপর ইকরার সামনে চেয়ার টেনে বসে টুকিটাকি কথা বলতে লাগলো।ইকরারও বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছে মুনভি নামক জেন্টলম্যানের সাথে কথা বলতে।
ভিডিও ফুটেজ টি কি আমি আমার ফোনে ট্রান্সফার করতে পারি?
নীলা মিহাল কে কথাটি জিজ্ঞেস করল।মিহাল বিনা দ্বিধায় বলল__
শিশুর।গিভ মি ইউর ফোন।
নীলা নিজের ফোন মিহালের হাতে দিয়ে দিল।মিহাল নীলার ফোন কানেক্ট করল কম্পিউটারের সাথে। ফুটেজ ট্রান্সফার করতে লাগলো নীলার ফোনে।নীলা বার বার গলায় হাত বোলাচ্ছে হয়তো বেশি পিপাসা পেয়েছে মেয়েটির।নীলার এমন ছটফটানি মিহালের দৃষ্টির আড়াল হলো না।সে বাঁকা চোখে নীলা কে দেখে বিন বাক্যে অফিস রুমে থেকে বের হয়ে এলো। নিজের প্রফেসরকে এমন ভাবেই চলে যেতে দেখে নীলা হকচকিয়ে উঠলো।সে এমন কিছুর জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিল না।মিহাল বাহিরে গিয়ে সিকিউরিটির উদ্দেশ্যে ফরাসি ভাষায় বলল_
আমার কেবিন থেকে এক বোতল মিনারেল ওয়াটার এবং একটি ফ্রেশ আপেল নিয়ে আসো।
সিকিউরিটি গার্ড আর দেরি না করে চলে গেল। কিছুক্ষণের মাঝেই মিহালের বলা জিনিস নিয়ে এলো।এই অফিস রুম থেকে মিহালের কেবিন বেশি দূরে না তাই বেশি সময় লাগলো না।মিহাল পানি আর ফল সহ আবার অফিস রুমে চলে গেলো।নীলা পুরো অফিস রুম টা ঘুরে ঘুরে দেখছে। মিহাল ভেতরে প্রবেশ করে তার উদ্দেশ্যে বলল__
হেই ফ্রেশ মেন।
নীলা হকচকিয়ে উঠলো হঠাৎ পুরুষালী গম্বির কন্ঠ কর্ণপাত হতেই। সামনের দিকে তাকিয়ে দেখলো মিহাল তার দিকে তাকিয়ে আছে।সে হেঁটে আসলো এই দিকে।নীলা আসতেই মিহাল তার দিকে পানির বোতল এগিয়ে দিল।
নীলা চমকালো বটে। তার আসলেই ভীষণ তৃষ্ণা পেয়েছিল তাই বেশি কিছু না ভেবে নিজের প্রফেসরের হাত থেকে পানির বোতল নিল। ঢকঢক করে বোতলের সম্পূর্ণ পানি তিন ঢকে গিলে ফেলল। মিহাল মুগ্ধ নয়নে কেবল নিজের নীলাঞ্জনা কে দেখতে লাগল। মেয়েটির মাঝে এমন কি আছে যা থাকে কাবু করছে এর উত্তর তার কাছে জানা নেই। সে শুধু এইটা জানে এই মেয়েটির মত বুদ্ধিমতী, নিষ্পাপ মেয়েকে আর যাই হোক সে ইরফানের মতোন লম্পটের সাথে থাকতে দিবে না। এবং মিহাল খান সবসময় নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকে।
নীলা পানি পান করে খালি বোতল টেবিলের উপর রাখল। সঙ্গে সঙ্গে মিহাল তার দিকে আপেল এগিয়ে দিল।নীলা এইবার অবাকের চরম পর্যায়ে চলে গেলো। পানির বোতল আশা করেনি তবু পাবার পাবার পর বেশি অবাক হয়নি। কিন্তু এখন এই আপেল দেওয়াটা তা ঠিক হজম হচ্ছে না। সে তড়িৎ গতিতে নিজের মাথা নেড়ে না সূচক ভঙ্গিতে হাত নাড়ালো এবং নরম সুরে বলল __
নো থ্যাংকস প্রফেসর। কিন্তু আমার এই আপেলের কোন প্রয়োজন নেই।
মিহাল কন্ঠে গম্ভীর্য বলে রেখে বলল_
এখন যদি ফাংশনের উপস্থিত থাকতে অবশ্যই সেখানে খাবার দেওয়া হতো এবং সেই খাবার খেতে। যেহেতু সেখানে এখন তুমি নেই তাই খাবার পাচ্ছ না। তাই আপাতত যা ম্যানেজ করতে পেরেছি তা নাও। আর আমি বেশি এক্সকিউজ পছন্দ করি না।
নীলারও ভীষণ খুদা পেয়েছিল।তাই আর দ্বিমত পোষণ করল না। আপেল টি মিহালের হাত থেকে নিল। কিন্তু সে আপেল টি খেল না। মনে মনে বলল__
ইকরাও তো সেই সকালে খেয়েছিল তারপর আর কিছুই খাইনি। তাকে ছাড়া আমি একা একা কি করে খেয়ে উঠি? আমার থেকে বেশি তো এখন তার খাওয়া প্রয়োজন। এ আপেলটা আমি তার কাছে গিয়ে তাকে খেতে দিব। খেলে হয়তো সে কিছুটা শক্তি পাবে।
নীলা কে ভাবনার মাঝে ডুবে যেতে দেখে মিহাল দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছেড়ে বলতে শুরু করল_
সেখানে আমার বন্ধু মুনভি আছে সে নিশ্চয়ই তোমার ফ্রেন্ডের খেয়াল রাখবে। এবং তোমার ফ্রেন্ডকে খাওয়ার জন্য কিছু একটা দিবে।তাই অন্যের কথা না ভেবে যেটা তোমাকে দিয়েছি সেটা তুমি খেয়ে নাও।পরবর্তীতে দেখা যাবে না খাওয়ার জন্য তুমি অসুস্থ হয়ে যাবে।আমরা সারাক্ষণ তোমাদের দুজনের পিছনে পরে থাকবো না। তাই তাড়াতাড়ি খেয়ে নাও।
নীলার চোখ বড় বড় হয়ে গেল। তার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা পুরুষটি কি করে তার মনের কথা বলে ফেলছে এ বিষয়ে সে অবগত। কিন্তু এখন তার ভীষণ ক্ষুধা পেয়েছে তাই কিছু না ভেবে আপেলটি খেতে শুরু করল। মিহাল নীলাকে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে খেতে দেখে পাশ থেকে একটা চেয়ার টেনে দিল এবং সেই যায়গা থেকে কম্পিউটারের কাছে চলে গেল। অর্থাৎ চেয়ারটা সে নীলা বসার জন্য বের করেছে।নীলা একবার নিজের প্রোফেসরের দিকে তাকিয়ে আরেকবার চেয়ারটির দিকে তাকালো। তারপর আর কিছু না ভেবে চেয়ারে বসে আপেল খেতে লাগলো।
মিহাল আড় চোখে একবার নীলা কে পর্যবেক্ষণ করে মুচকি হাসলো। এবং মনে মনে বলল __ আজ যদি তোমাদের সাথে আমাদের সম্পর্ক ভালো থাকতো তাহলে হয়তো তোমার আর আমার মাঝে এমন দূরত্ব থাকতো না। হয়তো আমরা আরো বেশি ফ্রি থাকতাম, হয়তো তুমি আমাকে চিনতে, হয়তো,,, মিহাল এক দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল
হয়তো ইরফানের সাথে তোমার বিয়ে হতো না। অন্তন মিহাল খান জীবিত থাকাকালীন হতে দিত না। কিন্তু এই সকল কিছুই কেবল হয়তো তে সীমাবদ্ধ।
চলবে????
ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমা করবেন
নোট: পরীক্ষার চিন্তায় ভুলে গিয়েছিলাম গল্প দিব। পড়ার টেবিলে ছিলাম হঠাৎ সময়ই দেখার জন্য ফোন হাতে নিতে দেখলাম নয়টার বেশি বেজে গিয়েছে। আপনাদের সবার অপেক্ষা সহ্য হয় না। যাই হোক আজ বেশি বড় পর্ব দিতে পারেনি তাই কালকে গল্প আসবে। বড় দেওয়ার চেষ্টা করব না দিতে পারলেও এরকম পর্ব দিব ইন শা আল্লাহ।
Share On:
TAGS: নাজনীন নেছা নাবিলা, নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা পর্ব ১০
-
নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা পর্ব ৪
-
নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা পর্ব ৮+বোনাস
-
নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা পর্ব ৯ প্রথম অংশ
-
নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা পর্ব ১১
-
নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা পর্ব ৬(প্রথমাংশ + শেষাংশ)
-
নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা পর্ব ২
-
নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা পর্ব ১৪
-
নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা পর্ব ৯ এর শেষ অংশ
-
নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা পর্ব ৩+বোনাস পর্ব