পর্ব—৫ (❌১৮+ এলার্ট কঠোর ভাবে)
ডার্কসাইডঅফ_লাভ
দূর্বা_এহসান
র ক্তা ক্ত অবস্থায় বাসায় ফিরলো মৃন্ময়। র ক্ত মোটেও নিজের নয়।রাত ১২ টা বেজে গেছে তখন। তরু ঘুমিয়ে গেছে ভেবে রুমে ঢুকলো।কিন্তু তাকে অবাক করে দিয়ে ওয়াশরুম থেকে শুধু তোয়ালে পরে বেরোলো তরু। ভিজে চুলগুলো থেকে টপটপ করে পানি পড়ছে। রুমের র ক্তি ম ড্রিম লাইটের আলোতে দুজন দুজনকে দেখে যেনো আকাশ থেকে পড়ল।
তরু পিছিয়ে গেলো এক পা। সে ভেবেছিল মৃন্ময় রাতে ফিরবে না।অদ্ভুত অসস্তিতে সে এত রাতে শাওয়ার নিয়েছে।কিন্তু এই সময় মৃন্ময়কে সামনে দেখে ভূত দেখার মত চমকে উঠেছে
মৃন্ময়ের সৃষ্টি স্থির হলো তরুর দিকে।এই মেয়ে এত রাতে শাওয়ার কেন নিয়েছে?ড্রিম লাইটের আলোয় তরুকে দেখে মৃন্ময় ঢোক গিললো। চুম্বকের মত টানছে তরু তাকে এখন।
মৃন্ময় ধীর পায়ে এগিয়ে গেলো।দেয়ালের দুদিকে দুই হাত রেখে দাড়ালো।তরু ঠিক তার দুই হাতের মাঝে।মৃন্ময় তাকালো মুখ পানে।ভেজা চুল থেকে পানি ধীরে ধীরে কপাল বিয়ে নিচে নামছে। একে একে নাক ঠোঁট বেয়ে গলায় নামছে পানির ফোঁটাগুলো।একসময় গলা বেয়ে তোয়ালের ভিতর চলে গেলো।সেটা দেখে জোরে একটা শ্বাস নিলো মৃন্ময়।
“এতো রাতে শাওয়ার?”
“এম-এমনি”
তুতলিয়ে বললো তরু।কি হবে এখন সে অনেকটাই বুঝে গেছে। মৃন্ময় ঝুকলো।মাথার কাছে মুখটা এনে বলল,
“শ্যাম্পু করেছো?”
“হু”
তরুকে নিজের সাথে লেপ্টে নিলো মৃন্ময়।এতক্ষণের শান্ত তরু এখন ছটফট করতে শুরু করলো।নিজেকে ছাড়ানোর জন্য।কিন্তু মৃন্ময় কোনো ভাবেই ছাড়লো না। সে আরো শক্ত করে নিজের সাথে জড়িয়ে নিলো তাকে।
ওয়াশরুমে ঢুকে গেলো তরুকে ওভাবেই জাপটে ধরে।এই মুহূর্তে এসে ওয়াশরুমের আলোয় তরু দেখতে পেলো মৃন্ময়ের সাদা শার্টে লেগে থাকা র ক্ত। সে আঁতকে উঠলো।
“র-র ক্ত”
“আমার না”
“তাহলে কার?”
জবাব পেলো না তরু।অন্য কারো র ক্ত মানে? সে আরো কিছু বলতে যাবে তার আগেই মৃন্ময় তার ঠোটে ঠোট বসালো।এলোমেলো হয়ে গেলো হাতের ছোঁয়া। দুজন ভিজছে একই সাথে।তরু পারছে না নিজেকে ছাড়াতে।একটু নড়লেই মৃন্ময়ের দাঁত বসে যাচ্ছে ঠোঁটে।
তরুকে ঘুরিয়ে দিলো মৃন্ময়।সামনে আয়নায় তরু দেখতে পেলো নিজেকে। পিছে থেকে মৃন্ময় তার ঘাড়ে মুখ ডুবিয়েছে।কখন যেনো শরির থেকে শার্ট খুলে ফেলেছে।
চোখের পলকেই তার টাওয়েল টাও সরে গেলো।আয়নায় এই দৃশ্য দেখে তরু তৎক্ষণাৎ চোখ বন্ধ করে ফেললো। নিঃশ্বাসের বেগ বেড়ে গেছে তার। মৃন্ময় এবার তাকালো মিররে।কি সুন্দর নিখুঁত একজন নারীকে দেখা যাচ্ছে।তার চোখে আসলেই নিখুঁত। চোখ বন্ধ করে আছে সেই নারী।মৃন্ময় হাসলো।
হাত দুটো ছুঁয়ে দেখতে শুরু করলো সেই নিখুঁত নারির সেনসিটিভ পার্ট গুলো।তার প্রতিটা ছোঁয়ায় তরু কেঁপে উঠছে। বাঁধা দেওয়ার চেষ্টায় মেয়েটা যেনো পাগল হয়ে যাচ্ছে।
“বেব,এরা এত পারফেক্ট কিভাবে?হাতের মাঝেই যে সুখ সুখ লাগছে”
তরুর কানের কাছে ফিসফিসিয়ে বললো। উন্মুক্ত তরুর শরীরের প্রতিটা কোণ ছুঁয়ে দিচ্ছে সে।তরু আর সহ্য করতে পারলো না। ধাক্কা দিয়ে সরে গেলো। ফুঁফিয়ে কেঁদে উঠলো।
মৃন্ময় এক টানে আবার তাকে নিজের কাছে নিয়ে এলো। এতক্ষণের নরম মৃণ্ময়কে রাগানোর জন্য তরুর এই একটা পদক্ষেপ যথেষ্ট ছিল।শক্ত করে পেট চেপে ধরলো ওর মৃন্ময়। আরেক হাতে গলা।
“আজ আমার হয়ে যা পাখি।কষ্ট হচ্ছে। দেখ তোর জন্য পাগল হয়ে গেছে”
তরুর গলায় মুখ ঘষতে ঘষতে বললো। তরু মৃন্ময়ের কথার মানে বুঝতে পারল না।
“মা-মানে?”
“বুঝতে পারছো না তুমি?দেখো কেমন হার্ড হয়ে গেছে?”
বলতে বলতেই কল্পনার বাইরে একটা কাজ করে বসলো মৃন্ময়।সত্যি সত্যি তরুর হাত টেনে রাখলো। হতবিহ্বল হয়ে গেলো তরু। এতটাই হতবাক হলো যে প্রতিক্রিয়া দেখাতে ভুলে গেলো। কয়েক সেকেন্ড বাদে যখন বুঝতে পারল এক ঝটকায় হাত সরিয়ে নিল। পিছাতে গিয়ে বাথটাবে পরে গেলো।
মৃন্ময় নেশালো দৃষ্টিতে তাকালো তার দিকে।এক পা দু পা করে এগিয়ে এলো। প্যান্টের বেল্টে হাত দিলো। তরু চোখ বন্ধ করে ফেললো। জোরে চিৎকার করে উঠলো।
“নায়ায়ায়া”
তার চিৎকার ঘুরে ফিরে তার কানেই এসে বাজলো। বাথটাবে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছে তাকে মৃন্ময়। তরু কিল ঘুষি মারতে থাকলো তাকে।কিন্তু আজকে কোনোভাবেই থামছে না। মৃন্ময় তরুর দুই গাল শক্ত করে চেপে ধরলো।
“শান্ত হও পাখি।শান্তি হও।”
“ছাড়ুন আপনি আমাকে।ছাড়ুন”
“সম্ভব না”
ছটফট করছিল তরু।তখনই পানির নিচে হাতে কিছু একটা লাগতেই আতকে উঠলো।
“সা – সাপ”
“উহু, লিটল মৃন্ময়”
“কিহ্”
মৃন্ময় তরুর কানের কাছে মুখ নিলো।একই সাথে তরুকে টেনে নিজের কোলে নিয়ে এলো।
“ছোট মিয়া”
বলতে বলতেই কোনরকম প্রস্তুতি ছাড়া মৃন্ময় তরুকে আপন করে নিলো।ঠোঁট দিয়ে চেপে ধরলো তরুর ঠোঁট। আটকে ফেললো ওর চিৎকার।
“স্থির হও পাখি।আরেকটু”
ভোর রাতের দিকে বাথটাবে গাঁ ছেড়ে দিয়েছে মৃন্ময়। চোখ বন্ধ। ঠান্ডার সময় যেখানে পানি ঠান্ডা থাকার কথা ছিল। সেখানে পানি আজ গরম।তার উপরেই সেন্সলেস অবস্থায় আছে তরু। মৃন্ময় আলতো হাতে তার চুল বুলিয়ে দিচ্ছে।
“আ”ম সরি পাখি।অনেক বেশি ব্যথা দিয়েছি তাইনা? বাট
ফাইনালি তুমি আমার হলে। হয়তোবা জোর করে, তবুও তুমি আমার হলে। এতদিন যে অপেক্ষা করেছি, যে রাতগুলো নিজের সঙ্গে যুদ্ধ করেছি, সেগুলোর শেষ আজ। তুমি জানো না, তোমাকে পাওয়ার জন্য আমি কতটা একা ছিলাম, কতটা ভেঙে পড়েছিলাম। সবাই বলেছিল ছেড়ে দিতে, বলেছিল ভালোবাসা জোর করে হয় না, কিন্তু আমি শুনিনি। আমি শুধু তোমাকেই চেয়েছি। তুমি না থাকলে আমার জীবনটা ফাঁকা লাগত।প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে মনে হতো কিছু একটা নেই। আজ সেই নেইটা পূর্ণ হয়েছে। তুমি চাইলে এটাকে জোর বলো, চাইলে স্বার্থপরতা বলো, কিন্তু আমার কাছে তুমি বাঁচার একমাত্র উপায়। আমি হারতে জানি না তরু, বিশেষ করে তোমার ক্ষেত্রে না। তুমি হয়তো আজ আমাকে ঘৃণা করছ।আমি তোমাকে ছাড়া অন্য কোনো গল্প কল্পনাই করতে পারিনি। আজ তুমি আমার, এই সত্যটা আমি ছাড়ব না। তুমি চুপ করে থাকলেও, তুমি কাঁদলেও,আমি বিশ্বাস করি সময়ের সাথে সাথে তুমি আমার হাতটাই ধরবে।”
তরুর কপালে আলতো করে চুমু দিল মৃন্ময়। কোলে নিয়ে নেমে এলো বাথটাব থেকে। টাওয়েল এ জড়িয়ে নিলো। মেয়েটা সেন্সলেস। সে কি এতটাই হার্ড হয়ে গেছিলো?
দুজনের শরীর মুছে বিছানায় শুয়ে পড়ল তরুকে জড়িয়ে। ব্ল্যাংকেটের ভিতর নিজের নগ্ন শরীরে জড়িয়ে নিলো তরুর নগ্ন শরীর খানা।
“আবার জালাচ্ছিস তুই?তোর জন্য ওকে কষ্ট দিলাম তুই ফের? আমার ভা র্জি ন বউটা।”
“এভাবে শুলে জ্বালাবো না?”
“আমার ইচ্ছা আমি আমার বউকে নিয়ে যেভাবে মন চায় শুবো “
“আমার ও ইচ্ছা যখন মন চায় খোচাবো। ব্যাপারটা এমন হয়ে গেলো না, সাপকে দৌড়ানি দেয়ার পর বলিস গর্তে ঢুকিস না”
মৃন্ময় চুপ হয়ে গেলো।নাহ্ এভাবে থাকা যাবে না। সে ইনার ভয়েস টাই মানলো।তরুকে নিজের সাথে মিশিয়ে ফেললো। রাখলো না সামান্য ফাকাটুকু নিজেদের মাঝে।
চলবে …..
(২k রিয়েক্ট হলে নেক্সট পার্ট আসবে)
Share On:
TAGS: ডার্ক সাইড অফ লাভ, দূর্বা এহসান
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
ডার্ক ডিজায়ার পর্ব ১৭
-
ডার্ক সাইড অফ লাভ পর্ব ১
-
ডার্ক ডিজায়ার পর্ব ১৩
-
ডার্ক ডিজায়ার পর্ব ৪
-
প্রিয়া আমার পর্ব ৪
-
ডার্ক ডিজায়ার পর্ব ১
-
ডার্ক সাইড অফ লাভ গল্পের লিংক
-
ডার্ক ডিজায়ার পর্ব ১৬
-
ডার্ক সাইড অফ লাভ পর্ব ৪
-
ডার্ক সাইড অফ লাভ পর্ব – ২