শেষপাতায়সূচনা [১৪]
সাদিয়াসুলতানামনি
রিসোর্টে ফিরে এসে পূর্ণতা সিএনজি থেকে নেমেই ভাড়া পরিশোধ করে ছেলেকে বুকের সাথে শক্ত করে চেপে ধরে নিজের রুমের উদ্দেশ্যে ছুট লাগায়। সে প্রচন্ড ভয় পেয়ে আছে, মনে হচ্ছে শেখ পরিবার আবারও তার সুখ-শান্তির একমাত্র উৎস তার সন্তানকে কেড়ে নেওয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।
পূর্ণতা রুমে এসে দরজা লাগিয়ে তাজওয়াদকে শক্ত করে নিজের বুকের সাথে চেপে ধরে কাঁপতে থাকে। বিয়ের পরপরই পূর্ণতা তার জীবনের সবচাইতে ধৈর্য পরীক্ষা গুলো দিয়েছে। পূর্ণতা চলে যায় তিক্ত সেই অতীতের স্মৃতিচারণ করতে।
অতীত~
মিসেস শেখ সেদিনের পর থেকে ডাইনিং টেবিলে সকলের সাথে বসে খেলেও জাওয়াদের সাথে কথা বলছেন না আজও। জাওয়াদ এটা নিয়ে ভীষণ আপসেট আর জাওয়াদকে আপসেট দেখে পূর্ণতারও মনটা বিশেষ একটা ভালো না। তারউপর কাল তার মায়ের মৃত্যু বার্ষিকী। এই দিনটাতে পূর্ণতা একদম ভিন্ন একজন হয়ে যায়। সারাদিন রুম লক করে ঘরে বসেই মায়ের জন্য কাঁদবে, ইবাদত করে মায়ের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবে এছাড়াও আরো নানান কান্ড কারখানা করবে। তার বাবা মি.আহমেদও প্রিয়তমা স্ত্রীর মৃত্যু বার্ষিকীতে কেমনে যেনো মিইয়ে যান।
রাত থেকেই পূর্ণতা আস্তে আস্তে চুপচাপ হয়ে যেতে থাকে। তাকে এমন চুপচাপ দেখে জাওয়াদের কেমন একটা খটকা লাগে, কিন্তু সে এই বিষয়ে কিছুই বলে না। যে যার মতো ঘুমিয়ে পড়ে। নিত্যদিনের ন্যায় আজও সকালে পূর্ণতাই সবার আগে উঠে। ফ্রেশ হয়ে কিচেনে গিয়ে দেখে তার শ্বাশুড়ি মা নাস্তার ব্যবস্থা করছেন। জিনিয়া ড্রয়িংরুমে বসে তার কিছু পড়া পড়ছে। সেও মায়ের সাথে অনেক সকালে উঠে।
পূর্ণতা মিসেস শেখের হাতে হাত মেলায় । মিসেস শেখ তাকে নিষেধ করেন না ঠিকই, কিন্তু তার চোখমুখ কেমন একটা বিরক্তি ফুটে ওঠেছে।
নাস্তা বানানো শেষ হলে পূর্ণতা কোমল গলায় মিসেস শেখকে জিজ্ঞেস করে–
—আম্মা, আমি কি আজ ও’ বাড়ি যেতে পারি?
মিসেস শেখ একবার তার দিকে তাকিয়ে পুনরায় সিঙ্কে অপরিষ্কার থালাবাসন ধুতে ধুতে বলে–
—তোমার বাবার বাড়ি তুমি যাবে কি যাবে না সেটা আমার কাছে জিজ্ঞেস করার কি আছে? এমন একটা ভাব করো, আমি বললে মনে হয় যাবে না।
—যাবোই তো না। সেটা আমার বাবার বাড়ি ছিল, ঐটা ক্ষণস্থায়ী। বর্তমানে এটা আমার বাড়ি, আমার সংসার। আর আপনি সেই সংসারের কর্তী। কোন কাজ করতে হলে তো অধিনস্থদের কর্তীর কাছ থেকে পারমিশন নিয়েই করতে হয়, তাই না?
পূর্ণতার কথা শুনে মিসেস শেখ এক পলকের জন্য থমকে যায়। পূর্ণতার জায়গায় যদি আজ আঞ্জুমান এই কথাগুলো বলতো তাহলে সে পুত্রবধূকে মাথায় তুলে নাচতেন। এই এক-দেড় মাসে পূর্ণতা জাওয়াদ ও মিসেস শেখের মন গলাতে কি না করেছে আর করছে। রূপে-গুনে পূর্ণতার ধারেকাছেও নেই আঞ্জুমান। জাওয়াদ একটু একটু গলতে শুরু করলেও, মিসেস শেখ তার জেদে অটল। সে কস্মিনকালেও পূর্ণতাকে নিজের পুত্রবধূ হিসেবে মেনে নিবেন না।
মিসেস শেখ তাচ্ছিল্য করে বলেন–
—মন ভুলানো কথা তো বেশ ভালোই পারো মেয়ে। ভালোই শিক্ষা আছে এই বিষয়ে। তা এসবের শিক্ষক কে? তোমার মা নিশ্চয়ই? এতকিছু শিক্ষা দিয়েছে, সেই সাথে এটা বলে দেয়নি কারো সাজানো গুছানো সংসার ভাঙা কতবড় পাপের? তাহলে কিসের শিক্ষা দিলেন তোমার মা?
মা হিসেবে সে তো পুরোই ব্যর্থ। তার মেয়ে আজ অন্যের ছেলে ভাগিয়ে একজন মায়ের সাথে তার ছেলের সম্পর্ক খারাপ করেছে। ঘরবাঁধার স্বপ্ন নিয়ে থাকা এক এতিম মেয়ের স্বপ্ন ভঙ্গ করেছে।
পূর্ণতা একদৃষ্টিতে তাকিয়ে মিসেস শেখের কথাগুলো শুনছে। তার মা’কে হেয় করে কথা বলায় তার হৃদয়ে কি পরিমাণ রক্তক্ষরণ হচ্ছে, সেটা যদি দেখাতে পারত সে মিসেস শেখকে তাহলে হয়ত, মিসেস শেখ নিজেই পূর্ণতাকে তার বুকে টেনে নিতেন।
পূর্ণতা ভেঙে আসা গলায় বলে–
—কিছু শেখানোর আগেই তো উপরওয়ালা তাকে আমার থেকে নিয়ে নিলেন। না নিলে হয়ত, সে শেখাতে পারতেন কেউ যদি আমার সত্যিকার ভালোবাসায় আঙুল তুলে, আমার পবিত্র ভালোবাসাকে অপমান করে তাহলে আমায় কি করতে হবে? কিন্তু উপরওয়ালা তো তাকে সেই সুযোগটুকুও দিলেন না।
মিসেস শেখ থমকে যান। পূর্নতার কথা শুনে অজান্তেই তার বুকটা ধক করে উঠেন। মিসেস শেখ ভালো করে খেয়াল করে দেখেন, পূর্ণতার ঠোঁটের কোণে হাসি থাকলেও চোখজোড়া মলিন ও সিক্ত। ঠোঁটের কোণে থাকা হাসিটাও কেমন জোড়াতালির। সেই হাসিতে অন্যান্য দিনের ন্যায় নেই কোন প্রাণ বা উচ্ছ্বাস।
পূর্ণতা বরাবরের ন্যায় তার অশ্রু লুকাতে দ্রুতই সেই স্থান ত্যাগ করে। রুমে এসে ফ্রেশ হয়ে জামাকাপড় পাল্টে নেয় তাড়াতাড়ি করে, তারপর জাওয়াদ ঘুম থেকে ওঠার আগেই বাসা থেকে বের হয়ে যায়। যাওয়ার আগে জাওয়াদের জন্য চিরকুটে লিখে যায়, আজ সে বাবার বাড়িতেই থাকবে। কাল আসবে এ বাসায়।
বাসা থেকে বের হয়ে সে সোজা চলে যায় তাদের পারিবারিক কবরস্থানে। সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, তার বাবা আগের থেকেই সেখানে উপস্থিত রয়েছে। পূর্ণতা তার বাবার পাশে গিয়ে দাঁড়ায়। মি.আহমেদ মেয়ের দিকে মলিন চোখে তাকালে পূর্ণতা তার বাবার বুকে ঝাঁপিয়ে পড়ে।
দিনটা তারা বাবা-মেয়ে বিভিন্ন দান সদকা, ঘুরে-ফিরে কাঁটায়। মিসেস আহমেদ মারা যাওয়ার পর আজকের এই দিনটা ভিন্ন কাটলো। এশারের নামাজের পর পূর্ণতা আহমেদ বাড়িতে প্রবেশ করে। আজ দেড়মাস পর সে তার বাবার বাড়িতে আসলো। তার আগমনে তার বড় আব্বু আয়মান আহমেদ বেশ খুশি হলেও তার চাচী বেশি একটা খুশি না তা তার মুখ দেখেই বুঝা যাচ্ছে।
পূর্ণতা তার ক্লান্ত শরীর নিয়ে নিজের অতি পরিচিত রুমটাতে পা রাখে। রুমে ঢুকেই তার মন খারাপি কিছুটা কমে যায়, কারণ তার রুমটা সেই দেড়মাস আগের মতোই চকচক করছে। কোথাও কোন ধুলোবালি নেই, কোন অগোছালো নেই। এসবই যে তার বাবার বদৌলতে হয়েছে সেটা সে খুব ভালো করেই জানে।
পূর্ণতার কিছু ড্রেস তার বাবার বাড়িতে থাকায় সে ফ্রেশ হয়ে সেগুলো পরিধান করে। তারপর হঠাৎই তার মনে পড়ে, তুই তো এবার সিঙ্গেল বা রে পূর্ণ! তোর যে এক শ্যামরাঙা বর আছে। আজ সারাদিনও সেই বরের সাথে একবারও কথা বলিস নি এই খেয়াল কি তাের আছে?
কথাটা মনে পরতেই সে চটপট করে তার ফোন হাতে নেয়। কিন্তু সে যতটা উচ্ছ্বাসের সহিত ফোন হাতে নিয়েছিল, তার চেয়েও বেশি নিরাশ হতে হয়। কারণ আজ সারাদিনে শেখ বাড়ি থেকে কেউ তাকে একটা কল পর্যন্ত করেনি। এমনকি জাওয়াদও না। পূর্ণতার মন আবারও খারাপ হয়ে যায়, সেই সাথে সেখানে দেখা দেয় অভিমান।
জাওয়াদ ও পূর্ণতার বিয়ের দেড় মাস হতে চললো, এই দেড় মাসে পূর্ণতা কি না করেছে? কতভাবে নিজের ভালোবাসা জাহির করেছে জাওয়াদের সামনে। তবুও কি জাওয়াদের মনে এক বিন্দু জায়গাও করে নিতে পারেনি সে? শ্যামসুন্দর পুরুষদের মন এত কঠোর হয়? তাদেরকে বারবার ভালবাসার প্রমাণ দেওয়ার পরও তারা এমন নিষ্ঠুরভাবে ফিরিয়ে দেয়?
পূর্ণতা তার অভিমান মনে পুষে রেখে আর ফোন দেয় না জাওয়াদকে। বরং ফোনটা অফ করে না খেয়েই শুয়ে পড়ে সে। মায়ের ছবিটা বুকের সাথে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকে পুরো সব স্মৃতি মনে করে। আজকের দিনে সে জাওয়াদকে তার পাশে আসা করেনি ঠিকই, কিন্তু একটা কল আসা করেছিল তার থেকে। কিন্তু বরাবরের ন্যায় এবারও বোধহয় সে একটু বেশিই আশা করে ফেলেছি ভাগ্যের থেকে, জাওয়াদের থেকে।
অন্যদিকে জাওয়াদের আজ সারাটাদিন কেমন অদ্ভুত রকমের কেটেছে। দিনের শুরু থেকে শেষ অব্দি পূর্ণতাকে পেয়ে তার কেমন একটা অভ্যাস হয়ে গিয়েছে, তাই আজ পূর্ণতার অনুপস্থিতি তাঁকে একটা অস্বাভাবিক পরিস্থিতির মাঝে ফেলে দিয়েছে। সকালে অফিসে গিয়েও যখন দেখে পূর্ণতা সেখানেও নেই তখন তার কিছুটা চিন্তা হতে থাকে। জাওয়াদ পূর্ণতার পি.এ. সিনথিয়াকে এই বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে, সরলমনা সিনথিয়া জানায়, আজ পূর্ণতার মায়ের মৃত্যু বার্ষিকী। আজকের দিনে পূর্ণতা বা মি.আহমদ কেউই আসেন না।
জাওয়াদ এই বিষয়ে জানে না এমন না। আসলে সে ডেটটা ভুলে গিয়েছিল। এজন্যই কাল রাতে পূর্ণতার মুখটা মলিন লাগছিল। খবরটা জানার পর থেকেই জাওয়াদের বুকের ভেতরে কেমন খচখচ করতে থাকে। সে আসার আগে জিনিয়া বলেছিল, আজও তার মা নাকি পূর্ণতাকে ঝেড়েছে। জিনিয়ার একটু কান পাতার স্বভাব আছে। সে আড়ি পেতে পূর্ণতা ও মিসেস শেখের অনেক কথাই শুনে ফেলেছে। মিসেস শেখ যে পূর্ণতাকে তার মায়ের সম্পর্কে খারাপ খারাপ কথা বলেছে, এসবই জিনিয়া টুকটুক করতে করতে সবই বলে দিয়েছে। মূলত এই কারণেই জাওয়াদের আরো কেমন কেমন লাগছে। আজ মেয়েটার মায়ের মৃত্যু বার্ষিকী আর আজই তার মা পূর্ণতার মৃত মাকে নিয়ে কথা শুনালেন।
জাওয়াদ সারাদিন পূর্ণতার ফোনের অপেক্ষায় ছিল। তারা একই অফিসে থাকার পরও পূর্ণতা দুই ঘন্টা অন্তর অন্তর জাওয়াদকে টেক্সট করবে, মেসেজ দিবে, ভয়েস পাঠাবে। কিন্তু আজ সারাদিনে পূর্ণতা এসবের কিছুই করেনি। না ফোন কলস, না মেসেজ, না-ই বা কোন ভয়েস। জাওয়াদও নিজ থেকে ফোন দিবে দিবে করেও নিজের ইগোর কারণে দেয়নি। শেষে একদম তার যখন বেশি অস্থির লাগছিল পূর্ণতার গলার আওয়াজ শোনার জন্য তখন সব ইগো দূরে সরিয়ে পূর্ণতার নাম্বারে ফোন দিয়েই দেয়। কিন্তু পূর্ণতার ফোন বন্ধ পায়। একবার, দু’বার অনেকবার দেয় কিন্তু বারবারই পূর্ণতার নাম্বার বন্ধ বলতে থাকে। একসময় বিরক্ত হয়ে সে ফোন দেওয়া ছেড়েই দেয়।
বর্তমান~
ব্যথা পা নিয়ে খোঁড়াতে খোঁড়াতে জাওয়াদ তার বাড়ি ফিরে আসে। পূর্ণতাদের সিএনজির পেছন ছুটার কারণে তার ব্যান্ডেজ করা পা থেকে রক্ত বের হচ্ছে। কিন্তু তার শারীরিক কষ্টের থেকেও মানসিক যন্ত্রণা বহুগুন বেশি।একই জেলায় থেকে দুই দুইবার পূর্ণতা ও তার সাক্ষাৎ হয়েছে, কিন্তু দুবারই সে ব্যর্থ হয়েছে নিজের সুখেদের নাগাল পেতে।
ভগ্ন হৃদয় ও ব্যথায় জর্জরিত পা নিয়ে জাওয়াদ বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করবে, তখনই তার কানে আসে সময় গার্ডেন এরিয়া থেকে ভেসে আসা হৈচৈ। সে বাসার ভেতরে না ঢুকে সেই শব্দের অনুসরণ করে গিয়ে সেখানে উপস্থিত হলে দেখতে পায়, এই হৈচৈয়ের উৎসদাতা স্বয়ং তার মা। বৃদ্ধ মহিলা কেমন অস্বাভাবিক আচরণ করছেন। কেউ তাকে স্বাভাবিক করতে পারছেন না।
সে তার মায়ের কাছে এসে তার সামনে হাঁটু গেড়ে বসে পড়ে। ছেলে পাগল মা জাওয়াদকে দেখে কিছুটা শান্ত হয়। কিন্তু পুরোপুরি না। সে উত্তেজিত হয়ে জাওয়াদকে বলতে থাকে–
—জাওয়াদ, বাবা। দেখ না ওরা কেউ আমার কথা বিশ্বাস করছে না। আমি ওদের বলছি পূর্ণতাকে আমি দেখেছি, কিন্তু সবাই আমার কথাকে অবিশ্বাস করছে। আচ্ছা ওরা কেউ বিশ্বাস না করুক, তুই তো আমার কথা বিশ্বাস করিস? বল বাবা, করিস না মা’কে বিশ্বাস?
জাওয়াদ কিছুক্ষণ স্থির দৃষ্টি নিয়ে মায়ের অস্থির মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে। তারপর নিরবতা ভঙ্গ করে বলে–
—তোমায় বিশ্বাস করে জীবনে একবার চরমভাবে ঠকে গেলেও, আজ আবারও তোমাকে বিশ্বাস করতে হচ্ছে। কারণ তুমি মিথ্যা বলছো না এবার। ওটা পূর্ণতাই ছিল, আর ওর কোলে যেই বাচ্চাটিকে দেখেছো সেটা আমার আর ওর সন্তান।
সকলে জাওয়াদের কথা শুনে হতভম্ব হয়ে যায়। পূর্ণতা এসেছিল, কিন্তু সে কখন এখানে আসলো? কেনোই বা আসলো? আসলো তো আসলো চলেই বা গেলো কেন? জাওয়াদের নানা বাড়ির সকলের মনেই এই প্রশ্নগুলো ঘুরপাক করছে।
অন্যদিকে আরিয়ানদের কয়েকজন আত্নীয় স্বজন হাউকাউ শুনে বাহিরে এসেছিল, তারাও কথায় কথায় পূর্ণতার নাম শুনে অবাক হয়ে যায়।
শব্দসংখ্যা -১৫৫৫
~চলবে?
[পেইজের রিচ জুকার শালায় কমিয়ে দিয়েছে। যারা গল্প পড়বেন রেসপন্স করার চেষ্টা করিয়েন🥹😒
ভুলক্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। গঠনমূলক মন্তব্য করবেন সকলে। হ্যাপি রিডিং মাই লাভিং রিডার্স ]
Share On:
TAGS: শেষ পাতায় সূচনা, সাদিয়া
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
প্রণয়ের ব্যাকুলতা পর্ব ১৫
-
প্রণয়ের ব্যাকুলতা পর্ব ২৬
-
প্রণয়ের ব্যাকুলতা পর্ব ৭
-
প্রণয়ের ব্যাকুলতা পর্ব ১৮
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ৪
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ২২
-
প্রণয়ের ব্যাকুলতা পর্ব ৩৬
-
প্রণয়ের ব্যাকুলতা পর্ব ৩৭
-
প্রণয়ের ব্যাকুলতা পর্ব ৩৫
-
প্রণয়ের ব্যাকুলতা পর্ব ১২