শেষপাতায়সূচনা [১৩]
সাদিয়াসুলতানামনি
পূর্ণতা পেছনে ঘুরে দেখে পুরুষটি তার পরিচিত। কিন্তু সে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারে না। ব্যক্তিটি আরিয়ানের মায়ের দিকের কাজিন হয়। নাম তৌফিক হাসান। একসময় প্রচন্ড পাগল ছিল সে পূর্ণতার জন্য। শিক্ষাগত যোগ্যতা ও আর্থিক দিক দিয়ে পূর্ণতার জন্য একদম পার্ফেক্ট ছিল, কিন্তু পূর্ণতা তাকে রিজেক্ট করে দিয়ে জাওয়াদকে নিজের জন্য বেছে নিয়েছিল। পূর্ণতার বিয়ের পর একবার দেখা হয়েছিল। তারপর তার জীবন কোথা থেকে কোথায় চলে গেলো পূর্ণতা টেরই পেলো না।
তৌফিক হেঁটে পূর্ণতার দিকে এগিয়ে আসে। তারপর ঠোঁটের কোণে কিছুটা হাসি ফুটিয়ে তুলে বলে–
—কেমন আছো পূর্ণতা?
পূর্ণতা সৌজন্য সূচক হেঁসে উত্তর দেয়–
—আলহামদুলিল্লাহ ভালো। আপনি ভাইয়া?
পূর্ণতার মুখে “ভাইয়া” ডাকটা তৌফিকের কখনোই পছন্দ ছিল না, আজও পছন্দ হলো না। সে নাক-মুখ কুঁচকে বলে–
—তোমার আর আমাকে ভাইয়া ডাকার স্বভাব গেলো না এত বছরেও।
পূর্ণতা খানিক হেঁসে দিয়ে বলে–
—টেনশন করবেন না,সম্পত্তিতে ভাগ দেওয়া লাগবে না। আমার বাবা আমার জন্য যথেষ্ট রেখে গিয়েছেন।
তৌফিক তার কথা শুনে হেঁসে দেয়। হাসতে হাসতেই তৌফিকের নজর যায় বিদেশীদের মতো দেখতে তাজওয়াদের দিকে। ছেলেটা হলুদ ফর্সা একদম মায়ের মতোই, চুল গুলোও হালকা লালচে রঙের কিন্তু আইবল’স গুলো কালো কুঁচকুচে একদম জাওয়াদের মতো। তৌফিক পূর্ণতাকে জিজ্ঞেস করে–
—এটা বুঝি তোমার ছেলে?
—জ্বি ভাইয়া। তাজওয়াদ আহমেদ আদর ওর নাম।
তাজওয়াদের সারনেইম আহমেদ শুনে তৌফিকের কপালে কয়েকটা ভাজ পড়ে। সে পূর্ণতার স্বামী সম্পর্কে এ টু জেড সব খবর নিয়েছিল। তার জানা মতে, জাওয়াদের সারনেইম ছিলো শেখ। তাহলে এখন পূর্ণতা আহমেদ বললো কেন তাজওয়াদের সারনেইমে? তাহলে কি সত্যিই ওর আর জাওয়াদের ডিভোর্স হয়ে গিয়েছে? সে ভাসাভাসা খবর পেয়েছে জাওয়াদ নাকি পূর্ণতাকে ছেড়ে দিয়েছে। প্রশ্নটা মনে হতেই তৌফিকের কেমন খুশি খুশি অনুভব হয়।
এত বয়স হয়ে যাওয়ার পরও সে বিয়ে করেনি। পূর্ণতাকে সে সত্যিকার অর্থে ভালোবেসেছিল। কিন্তু পূর্ণতা তার ভালোবাসার দাম দেয় নি। যদিও তার এনগেজমেন্ট হয়ে আছে এক মেয়ের সাথে। কিন্তু তার মন তাকে একটা শেষ সুযোগ নেওয়ার জন্য প্রলুব্ধ করলো।
তৌফিক তাকে জিজ্ঞেসই করে বসে–
—তাজওয়াদ আহমেদ কেনো? ওর তো শেখ হওয়ার কথা না? তাহলে কি সত্যিই তোমার আর জাওয়াদের ডিভোর্স হয়ে গিয়েছে?
প্রশ্নটা শুনে পূর্ণতার বুকের মধ্যে ঝড় বয়ে যেতে থাকে। নিঃশ্বাস আঁটকে আসে ডিভোর্স নামক শব্দটা শুনে। এই শব্দটা থেকে বাঁচতেই তো পাঁচ বছর আগে সে তার প্রিয় মানুষগুলো ও মাতৃভূমি ত্যাগ করেছিল। কিন্তু সেই শব্দটিই তাকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নের ন্যায় পিছু করে চলেছে।
পূর্ণতাকে চুপ থাকতে দেখে তৌফিক মনে মনে ভেবে নেয়, আসলেই পূর্ণতা আর জাওয়াদের ডিভোর্স হয়ো গিয়েছে। তৌফিক যেনো সাহস পেয়ে যায়। সে পূর্ণতার কিছুটা কাছে এসে কাতর গলায় বলে–
—আগেরবার হয়ত দাও নি সুযোগ, কিন্তু এবার একটা সুযোগ দিবে পূর্ণতা? আমি বেস্ট স্বামী হয়ে দেখাবো। তাজওয়াদকেও নিজের সন্তান হিসেবে বড় করবো। প্লিজ পূর্ণতা দিবে একটা সুযোগ?
তৌফিককে হঠাৎ এগিয়ে আসতে দেখে পূর্ণতা খানিক ঘাবড়ে যায়। ঘাড় এদিক-ওদিক করে মানুষ খুঁজতে থাকে, কিন্তু এই পড়ন্ত বিকেল কাউকেই পায় না নিজের আশেপাশে। সকলে সন্ধ্যার পর মেয়ের বাড়ি যাবে হলুদের তত্ব নিয়ে তাই রেডি হচ্ছে।
তৌফিক একের পর এক প্রশ্ন করতেই থাকে, কি পূর্ণতা কোন জবাব দেয় না। তাজওয়াদও তার কাজে কিছুটা ভয় পাচ্ছে, কিন্তু সে যে তার মায়ের একমাত্র পারসোনাল বডিগার্ড। তার এক আন্টি বলেছে এই কথাটা। তাজওয়াদ পূর্ণতা আর তৌফিকের মাঝে এসে দাড়িয়ে তৌফিককে নিজের ছোট ছোট হাত দিয়ে ধাক্কাতে শুরু করে আর বলতে থাকে–
—ইউ পঁচা লোক। দুলে যাও আমার মাম্মার থেকে। আমার মাম্মার এত কাচে আচচো কেনো? ম্যানাসলেস লোক।
তাজওয়াদের কথা ও কাজ শুনে পূর্ণতা ও তৌফিক দু’জনই ভরকে যায়। পূর্ণতা ছেলের কাজ বুঝতে পেরে ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটিয়ে তুলে। তার এইটুকুন ছেলে তাকে এখন থেকেই প্রটেক্ট করছে। মা হিসেবে সে বোধহয় স্বার্থক।
তৌফিক তাজওয়াদকে বুঝাতে চায় সে পঁচা লোক না, কিন্তু জেদি তাজওয়াদ বুঝলে তো। শেষমেষ পূর্ণতা ছেলেকে নিজের কোলে তুলে নেয়। তারপর তাকে শান্ত করতে বলে–
—আব্বু এটাও তোমার একটা মামু হয়। পঁচা লোক না। তুমি শান্ত হও সোনা।
—মামু? আলু মামুর মতো আরেকতা মামু?
বাচ্চা বাচ্চা গলায় প্রশ্ন করে। পূর্ণতা ছেলেকে হাসি মুখে জবাব দেয়। তারপর তৌফিকের দিকে তাকিয়ে বলে–
—আজ একটা কথা স্পষ্ট করে বলে দেই ভাইয়া, জাওয়াদই আমার জীবনের প্রথম এবং শেষ পুরুষ হবে। হ্যাঁ, আজ আমাদের সেপারেশনে আছি কিন্তু ডিভোর্স হয়নি আমাদের। আর হবেও না। তাই আমার আশা ছেড়ে দিয়ে যার সাথে আপনার এনগেজমেন্ট হয়েছে তার দিকে মনোযোগী হন। সে যদি কোনভাবে আপনার এই প্রস্তাবের কথা জেনে ফেলে, বুঝতে পারছেন কতটা কষ্ট পাবে সে?
আপনার জন্য আমার একটা পরামর্শ থাকবে, ব্যক্তিগত নারীটিকে কষ্ট দিয়েন না ভাইয়া। সে যদি একবার আপনার থেকে মুখ ঘুরিয়ে নেয়, তাহলে জীবন জাহান্নাম মনে হতে থাকবে।
কথাগুলো বলে পূর্ণতা তাজওয়াদকে নিয়ে সেই জায়গা ত্যাগ করে। তৌফিক মলিন চোখে তার প্রস্থানের পথে চেয়ে থাকে।
পূর্ণতা টনির সাথে রিসোর্টের গার্ডেন এরিয়ায় দাঁড়িয়ে দাড়িয়ে কথা বলছে। টনি তার বয়সে বড় হলেও সে নাম ধরেই ডাকে। কাজের সময় প্রফেশনালিজম বজায় রাখার বিষয়ে পূর্ণতা সবসময় সজাগ। তাজওয়াদ কিছু দূরে ফুলের সাথে খেলছে।
পূর্ণতা টনিকে বলছে তারা এবার দেশেই সেটেল্ড হয়ে যাবে আর ব্যবসার দায়িত্বও পুনরায় নিজের কাঁধে তুলে নিবে। তার বাবার এত কষ্টে গড়া বিজনেস সে এমন অবহেলা করে কতবড় ভুল করে ফেলেছে সেটা সে দেরিতে হলেও উপলব্ধি করতে পেরেছে। টনি তার কথায় শুধু সায় দিচ্ছে। তাদের কথার মাঝখানেই আরিয়ান আসে সেখানে। সে এসেই পূর্ণতাকে তাড়া দিতে থাকে মেয়ের বাড়িতে যাওয়ার জন্য রেডি হতে।
পূর্ণতা জানায় সে যাবে না তাদের সাথে। তাজওয়াদ বেশি লোকের মাঝে গেলে ভয় পাবে, আর তারও হুট করে এত আত্মীয় স্বজনদের মাঝে যেতে অস্বস্তি হচ্ছে। কিন্তু আরিয়ানের একটাই কথা সে পূর্ণতাকে ছেড়ে কিছুতেই যাবে না। পূর্ণতা আরিয়ানকে বুঝাতে চায়, কিন্তু আরিয়ান রাগ করে চলেই যায়। আসলে আরিয়ান পূর্ণতাকে স্বাভাবিক জীবনে আনতে চাচ্ছে।। তাদের বেড়ে ওঠা একসাথে হওয়ায় এবং তারও কোন ভাই-বোন না থাকায় সে পূর্ণতাকে নিজের বোনের ন্যায় ভালোবাসে। জাওয়াদের সাথে ঝামেলার সময়টাতে সে দেশে ছিল না বলে সে চেয়েও কিছু করতে পারেনি। আর যখন সুযোগ পেলো তখন পূর্ণতাই তাকে আঁটকে দেয়।
পূর্ণতা বুঝে যায় আরিয়ানের কথা না শুনলে তার চাচী আবারও তাকে আঁকাবাকা কথা শুনাতে পারে। সবকিছু ভেবে চিন্তে সে রাজি হয় আরিয়ানদের সাথে তার হবু বউয়ের বাড়িতে যেতে রাজি হয়। বিকেল পাঁচটার দিকে তারা মেয়ের বাড়ি গিয়ে উপস্থিত হয়। আরিয়ান ও বাকিরা এক গাড়িতে যায়। পূর্ণতা, তাজওয়াদ ও টনি আরেক গাড়িতে একটু দেরি করে যায়। তারা যেতে যেতে সন্ধ্যা হয়ে যায়।
এসেছে পর থেকে পূর্ণতা তাজওয়াদকে নিয়ে মেয়ের বাড়ির বাগানের দিকে হাঁটাহাটি করতে থাকে। ছেলেটা এত মানুষ দেখে অভ্যস্থ নয়, তাই খানিক ঘাবড়ে গিয়েছে। হুট করে তার ফুফাত বোন নিধি এসে তাজওয়াদকে নিয়ে যায় তার থেকে। মেয়ে পক্ষকে সে দেখাতে চায় তার বিদেশি ভাগিনাকে। পূর্ণতা শুরুতে দিতে চায় না তাজওয়াদকে, তাজওয়াদও যেতে চায় না নিধির সাথে তারপর নিধি অনেক আকুতি মিনতি করার পর রাজি হয়। পূর্ণতাও তাদের সাথে যেতে নিচ্ছিল তখন কানাডা থেকে এক জরুরি কল আসায় সে ওদের আগে যেতে বলে নিজে বাহিরের দিকে গিয়ে কলটা এটেন্ড করে।
কথা বলা শেষ করে সে যখন বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করছিল, তখন সে নিধিকে পায়। কিন্তু তার কোলে তখন তাজওয়াদ ছিল না। পূর্ণতা নিধিকে তাজওয়াদের কথা জিজ্ঞেস করলে, নিধি বলে সে আরেকজনের কাছে দিয়ে এসেছে। পূর্ণতা এই কথা শুনে রেগে যায়। সে কড়া গলায় জিজ্ঞেস করে, তার ছেলে কোথায়? তখন নিধি মিনমিনে গলায় জানায় তাজওয়াদ হয়ত গার্ডেনের দিকে আছে। পূর্ণতা আর মুহূর্ত অপেক্ষা না করেই গার্ডেনের দিকে চলে যায়।
সেখানে গিয়ে এদিক-সেদিক খুঁজতে খুঁজতে অবশেষে তাজওয়াদকে এক বয়স্ক মহিলার কােলে তাজওয়াদকে বসে বসে গল্পরত অবস্থায় পায়। অচেনা-অজানা মানুষের কাছে ছেলেকে পেয়ে পূর্ণতা বুক ধক করে ওঠে। সে চঞ্চল পায়ে হেঁটে তাদের কাছে যায়। মহিলাটির পিঠ পূর্ণতার দিকে দেওয়া তাই সে তার মুখ দেখতে পায় না।
পূর্ণতা তার গলার স্বর খানিক বাড়িয়ে বলে–
—তাজ, আব্বু। মাম্মার কাছে আসো।
মায়ের গলার স্বর শুনে তাজওয়ার চঞ্চল হয়ে ওঠে। সে মহিলাটির কোল থেকে নিচে নামতে চায় কিন্তু মহিলাটি নামতে দেয় না। তাজওয়াদও কেন জানি লাফালাফি থামিয়ে বলে–
—মাম্মা, উনি নাকি আমাল দাদুন। চত্তি?
দাদুন, দাদাভাই তো হয় বাবার বাবা-মা। যেখানে বাবাই নেই সেখানে এদের আশা করা বোকামি। পূর্ণতা ছেলেকে বলে–
—হয়ত। এখন তুমি মাম্মার কাছে আসো তো আব্বু।
—ও আরেকটু আমার কাছে থাকুক না।
কথাটা বলতে বলতে মহিলাটি পূর্ণতার দিকে ফিরে তাকায়। একে অপরের মুখোমুখি হতেই পূর্ণতা আর বৃদ্ধ মহিলা দু’জনই থমকে যায় এক মুহুর্তের জন্য। দীর্ঘ পাঁচবছর পর নিজের শ্বাশুড়িকে দেখতে পেয়ে পূর্ণতা হার্টবিট বেড়ে যায়। তার মাথায় একটা কথাই বিদ্যুতের ন্যায় খেলতে থাকে, তারা তার ছেলেকে তার বেঁচে থাকার শেষ অবলম্বনকেও কেড়ে নিবে।
পূর্ণতা খপ করে তাজওয়াদকে মিসেস শেখের কোল থেকে নিয়ে ছুটে সেই জায়গা ত্যাগ করে। মিসেস শেখও তার ঘোর থেকে বের হয়ে আসে। সে দূর্বল গলায় ডাকতে থাকে–
—বউমা, যেও না বউমা। আমার ছেলেটা তোমাকে ছাড়া বাঁচবে না বউমা।
কিন্তু পূর্ণতা তার সেই আকুতি মিশ্রিত ডাক না শুনেই চলে যায়। পূর্ণতা এলোমেলো পায়ে ছুটে সেই বাড়ি থেকে বের হয়ে আসতে থাকে। মেইন গেইটের কাছে তার একজন ব্যক্তির পিঠের সাথে ধাক্কা লাগলে সে ব্যালেন্স হারিয়ে তাজওয়াদকে সহ পড়ে যেতে নেয়। কিন্তু পরে যাওয়ার আগেই সে তাজওয়াদকে একহাত দিয়ে শক্ত করে ধরে আরেক হাত দিয়ে আগত ব্যক্তিটির বাহু খামচে ধরে। কোনমতে নিজেকে সামলে নিয়ে ব্যক্তিটিকে “সরি” বলে তাকে পাশ কাটিয়ে পুনরায় তাজওয়াদকে নিয়ে ছুটতে থাকে। বাসার বাহির থেকে বের হয়েই একটা খালি সিএনজি পেয়ে যাওয়ায় পূর্ণতা ছেলেকে নিয়ে সেটায় উঠে বসে।
অন্যদিকে পূর্ণতার সাথে ধাক্কা লাগা ব্যক্তিটি আর কেউ নয় বরং তারই স্বামী জাওয়াদ শেখ ছিল। জাওয়াদ ফোনে কথা বলছিল তখনই তার পিঠের সাথে ধাক্কাটা লাগে পূর্ণতার। কল কেটে পূর্ণতার দিকে ফিরার আগেই পূর্ণতা ঝড়ের বেগে সিএনজি-তে উঠে যায়। পূর্ণতার গলা ও সিএনজিতে উঠার সময় তাজওয়াদকে দেখে জাওয়াদ একশভাগ সিউর হয়ে যায় মেয়েটি তার প্রিয় রমণীই ছিল।
জাওয়াদ তার পিছু নিতে চায় সেই প্রথমদিনের মতো, কিন্তু গতরাতে সে পাগলামি করে রিসোর্টে তার রুমের সব কাঁচের জিনিস ভেঙে ফেলেছিল, সেই ভাঙা কাচের এক অংশ দিয়ে কিভাবে যে তার পা কেটেছে সে নিজেও ঠিক করে জানে না। আজ ব্যথায় পা নাড়ানোই কষ্টকর সেখানে ছুটাতো প্রায় অসম্ভব ব্যাপার। জাওয়াদ তার সকল কষ্টকে পেছনে ফেলে ছুটতে থাকে পূর্ণতা ও তাজওয়ার বসা সেই সিএনজির পেছনে। কিন্তু পূর্বের ন্যায় এবারও জাওয়াদের হাত ফসকে যায় তার সুখের উৎসগুলো।
📌গল্পটি ভালো লাগলে বেশি বেশি শেয়ার করে আপনার গল্পপ্রেমী বন্ধুমহলের নিকট পৌঁছে দিন।
শব্দসংখ্যা~১৫৪০
~চলবে?
[একই সাথে জাওয়াদ ও মিসেস শেখ। বিষয়টা গোলমেলে লাগছে কি?🥱 আপনার বেশি বেশি রেসপন্স করলে কালও আসতে পারে গল্প। 🥱🤭
ভুলক্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য অনুরোধ রইলো। হ্যাপি রিডিং মাই লাভিং রিডার্স]
Share On:
TAGS: শেষ পাতায় সূচনা, সাদিয়া সুলতানা মনি
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ১৬
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ৩০
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ২৪
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ১৫
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ২৩
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ২২
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ৯
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ২১
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ২৭
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ২০