ভালোবাসার_সমরাঙ্গন ||৩২||
সারিকা_হোসাইন
মৌনতার ঘরের এপাশ থেকে ওপাশ সমানে পায়চারি করে চলছে নোমান।রণ’র কথা একবিন্দু মিথ্যে নয়।ধুরন্দর মেজর সত্য সত্যই মৌনতা কে বিয়ে করে নিয়েছে।নোমানের এতো দিনের সাজানো স্বপ্ন,ভালোবাসা, আশা সব যেনো আজ ভেঙে খানখান হলো।মৌনতা কে ঘিরে তার সাজানো কল্পনা ভিত্তিহীন হলো।নোমানের আগেই কেউ মৌনতা কে দখল করেছে পুরোপুরি, এতেই কি শেষ?পবিত্র শরীর টা যে ভোগ করে নিলো হায়েনার মতো তার বেলায়?মৌনতার শরীরের এই কলঙ্ক কিভাবে ধুয়ে মুছে সাফ করবে নোমান?আর ভাবতে পারেনা নোমান।হৃদয়ে অসহনীয় কষ্ট আর জ্বালা পোড়া হচ্ছে।নিজেকে নিজেই কঠিন আঘাত করে সেই জ্বালা কমাতে ইচ্ছে করছে।বুক খামচে ধরলো নোমান।সে বেলকনিতে এসে দাড়ালো।দম বন্ধ হয়ে আসছে কিনা!বেলকনিতে দাঁড়াতেই কেমন চাপা আর্তনাদের শব্দ এলো।ক্রুর চোখে রণ’র বেলকনিতে তাকালো নোমান।নর নারীর চাপা শীৎকার শোনা যাচ্ছে।ঘটনা পুরোটাই আঁচ করে কান চেপে ধরলো নোমান।রণকে কুপিয়ে টুকরো টুকরো করার তীব্র মনোবাসনা জাগলো।নোমান নিজের ভেতরের বুক পকেট থেকে বের করলো ধারালো চাকু অতঃপর হিংস্র ব্যাগ্র’র ন্যায় তেড়ে যেতে চাইলো রণ’র কক্ষ অভিমুখে।কিন্তু তীক্ষ্ণ বুদ্ধি জানান দিলো
“অন্যকে মারতে গিয়ে নিজের মৃত্যু ডেকে আনতে চাস নাকি?ভুলে জাসনা মৌনতা তোকে গ্রহণ না করে রণকে করেছে।মাথা উত্তপ্ত করে কিচ্ছুটি হবে না এই মুহূর্তে।যা করার তা নীরবে নিভৃতে করতে হবে।
মনের ইশারায় উত্তেজিত পা দুটোকে শান্ত স্থির করলো নোমান।মনের ব্যথা সইতে না পেরে চাকু দিয়ে নিজের হাতে নিজেই পোচ বসালো।ফর্সা শক্ত হাত নিমিষেই কেটে ফালি হলো সেই সঙ্গে ফিনকি দিয়ে ঝড়তে লাগলো রঞ্জন ধারা।নোমান নাকের পাটা ফুলিয়ে চোয়াল কাঁপিয়ে হাতের ব্যথা সয়ে নিলো।শরীরের ব্যথার চাইতে হ্রদয়ের ব্যথাই অধিক অনুভূত হচ্ছে।যন্ত্রনায় দগ্ধ হয়ে লাফিয়ে নামলো নীচে।এরপর হনহন করে বেরিয়ে গেলো বাড়ির আঙিনা ছেড়ে।পথিমধ্যে কুকুর কালুর সঙ্গে মুখোমুখি সাক্ষাৎ হলো নোমানের।অপরিচিত গন্ধে কালুর ঘুম ভেঙেছে।সেই গন্ধ অনুসরণ করেই বাড়ির পেছনের পথে ওঁৎ পেতো বসে রয়েছে চতুর কালু।
নোমানকে দেখেই ক্ষিপ্ত হয়ে ঘেউ ঘেউ করতে চাইলো কালু।কিন্তু নিষ্ঠুর নির্দয় নোমান সেই সুযোগ দিলো না কালুকে।হাতের চকচকে রুপালি শাণিত চাকু খানা গেঁথে দিলো কালুর গলার শিরায়।নিজেকে বাঁচানোর প্রেরণায় নোমানের বুকে শক্ত কামড় বসালো কালো।কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না।মানুষটা যে বড্ড হৃদয়হীন।গলার শিরা ফালি ফালি হতেই লাফিয়ে উঠলো কালু।সে শেষ বারের মতো ডাকতে চাইলো তার মনিব কে।কিন্তু গলাটা যে কা *টা!সেই কা টা গলাটা দিয়ে কি করে ডাকবে কালু?কালু পারলো না।চাঁদের আলোয় জ্বল জ্বল করলো কালুর ভেজা ভীত চোখ জোড়া।মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সুন্দর পরিচিত মানুষটার ভয়ানক আরেক রূপের সাক্ষী হলো কালু।সেই সাক্ষী হবার অপরাধেই নিশ্চিত হলো তার কঠিন মৃত্যু।কালুর শরীর ঝাকুনি দিয়ে উঠছে থেকে থেকে।কিন্তু প্রানটা যেনো দেহ ই ছাড়তে চাচ্ছে না।নোমান আরেকটু নির্দয়তা দেখতে কালুর মুখ পা দিয়ে পিষে ধরলো।যতক্ষন কালুর আত্মা আকাশে না উড়লো ততক্ষণ ধরে থাকলো।ছলছল চোখে কালু কাতর তাকালো।তার নিঃশব্দ বাণী বোধ হয় চিৎকার করে অভিশাপ দিলো
“আমার চাইতেও কঠিন উপায়ে মৃত্যু হোক তোমার!
সকালে ঘুম থেকে উঠেই শায়লা কালুকে নাম ধরে ডাকলো।গত রাতের মুরগির মাংসের কিছু হাড়গোড় বেঁচে গিয়েছে।কালুর আবার মুরগি খুব পছন্দ।সেগুলো কালুর নির্দিষ্ট খাবারের বাটিতে রেখে নাম ধরে ডাকলো
“মুরগি দিয়ে ভাত খাবে কে?কালু! ওই কালু,
কিন্তু কালুর কোনো সাড়া শব্দ নেই।দেওয়ান মির্জা দাওয়ায় বসে পত্রিকা পড়ছেন।গত রাতে কেন জানি খুব ঘুম হয়েছে তার।হয়তো ওষুধের প্রভাবে ।কিন্তু ঘুম ভেঙেছে খুব ভোরে।ঘুম থেকে উঠে অনেক হাটাহাটি করলেন পুকুরের পাড় দিয়ে ঘুরে বেড়ালেন।সকাল থেকে তিনিও কালুকে কোথাও দেখলেন না।
শায়লার ডাকেও যখন কালু ফিরলো না তখন রণ বেরিয়ে এলো।এসে ব্যতিব্যস্ত গলায় শুধালো
“কালু আসছে না ?
শায়লা উৎকণ্ঠা মিশ্রিত গলায় বলল
“দেখ না রে বাবা,এই যে ডাকছি তার আসার নাম নেই।গেলো কোথায়?কখনো তো বাড়ি ছেড়ে এভাবে যায় না।
রণ’র কেমন সন্দেহ হলো।সে দ্রুত পদে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে গেলো।আশেপাশের কারো কুকুরের সঙ্গে গেলো কি না সেই খোঁজে।মৌনতার ও এর নিজ ঘরে থাকা হলো না।কালু তার শত্রু হলেও এবাড়ির সদস্য কালু।সকলের ভালোবাসার প্রাণী।
আক্কাস,চামেলি,সবাই বাড়ির বাইরে গিয়ে মানুষের বাড়ি বাড়ি খুঁজতে আরম্ভ করলো কালুকে।
মৌনতার ভোঁতা মস্তিষ্ক হঠাৎ গত রাতের ঘটনার জাগরণ করলো।মৌনতার বুক কাঁপলো।সে সকলের অলক্ষে বেরিয়ে বাড়ির পেছনের ঝোপের দিকে গেলো।
এদিকে রণ হাটতে হাটতে মির্জা বাড়ি মাড়িয়ে অনেক দূর আসার পর মনে পড়লো নোমানের কথা।রণ’র পা থেমে গেলো।বুক কেঁপে উঠলো।ঘুরে উঠলো মস্তিষ্ক।কম্পিত হাতে মুখ চোখ মুছল রণ।অতঃপর নিজেকে নিজেই শুধালো
“কোথাও নোমান আর কালুর সাক্ষাৎ হয়নি তো?ওহ নো, রক্ষা করো মাবুদ।
রণ দৌড়ে বাড়ির পথ ধরলো।মৌনতা চারিধারে খুঁজতে খুঁজতে ঘাসের উপর জমাট বাঁধা রক্ত দেখতে পেলো।অজানা শঙ্কায় মৌনতার হাত পা অবস হয়ে এলো।তবুও নিজেকে ঠেলে সামনে অগ্রসর হলো মৌনতা।মৌনতার পদচ্ছাপে গাছ পালা নড়ার কারনে ভনভন করে উঠলো মাছির দল।সেই ভনভন শব্দে চমকিত হলো মৌনতা।শব্দ অনুসরণ করে আরেকটু এগুতেই মৌনতার চোখ কোটর ছেড়ে বেরিয়ে এলো।মৌনতার সচ্ছ চোখ জোড়া জলে ভরে উঠলো।চিৎকার করে সবাইকে ডাকতে চাইলো মৌনতা।অধিক শকে তা পারলো না।শুধু চেঁচিয়ে উঠলো
“কালু!
বাড়ির প্রত্যেক সদস্য ঝোপ ঘেরাও করে দাঁড়িয়ে আছে।শায়লা কালুকে জড়িয়ে হাউমাউ করে কেঁদে চলেছেন।মাহির যেদিন ছোট কুকুর ছানা কালুকে এবাড়িতে এনে ছিলো সেদিনের সেই স্মৃতি মনে করেই শায়লার দম বন্ধ হয়ে হৃদয় নিংড়ে হাহাকার বেরিয়ে এলো।মাহির এই খবর জানতে পারলে মরে যাবে।মাহিরের বড্ড আদরের এই কালু।কালুর নৃশংস মৃত্যু মানতে পারলো না বাড়ির কেউ।রেহনুমা আচঁলে মুখ গুঁজে কাঁদলেন,চামেলি আক্কাস শব্দ করে কাঁদলো।দেওয়ান মির্জা আজ অনুভূতি হীন।
“এই বোবা অবলা প্রাণীর সাথে কারো কিসের ক্রুদ্ধতা?কার কী এমন বড় ক্ষতি সাধন করেছে এই কালু?
রণ মাথার চুল খামচে ধরে উত্তেজনায় লাফিয়ে উঠলো।কালুর জন্য তাই বুক ফেটে যাচ্ছে।শায়লার থেকে কালুকে ছাড়িয়ে নিজের বুকে জড়িয়ে পাজা কোলে তুলে বাড়ির আঙিনায় নিয়ে উঠানে শুইয়ে দিলো রণ।অতঃপর উদ্ভ্রান্তের ন্যয় প্রশ্ন করতে লাগলো
“সব খোলে বল আমাকে কালু’এত তাড়াতাড়ি কিভাবে মরতে পারিস তুই?তোকে আত্মরক্ষার ট্রেনিং তো আমি দিয়েছিলাম।তবে?তবে নিজেকে বাঁচাতে পারলি না কেন?কালু উঠ।অ্যাই কালু!কালু!
বাড়িতে মুহূর্তেই এক শোকের মাতম বয়ে গেলো।অনু সব কিছু স্তব্ধ হয়ে দেখতে লাগলো।এমন নিষ্ঠুর কাজ কে করেছে অনু তা জানেনা।কিন্তু অনুর মন আজ বলে উঠলো
“যে এই কাজ করেছে তার মৃত্যু হোক কঠিন থেকে কঠিনতম।
পাগলের মতো নিজের ওয়ালেটে থাকা অর্ধেক ডলার খুঁজে চলেছে নোমান।ওটা না পেলে তার পুরো লাইফ শেষ হয়ে যাবে।যেই রাজত্ব এতো দিনে অল্প অল্প করে গড়েছে নোমান তা কিছুতেই এত তাড়াতাড়ি শেষ হতে পারে না।নোমান পুরো বাড়ি তন্ন তন্ন করে খুজলো সেই ছেড়া নোট।কোত্থাও সেই নোট নেই।নিজের ক্ষোভ কুলাতে না পেরে নিচের চুল টেনে ধরে গর্জে চিৎকার করে উঠলো নোমান।এমন সময় কারো পদ ধ্বনি আলোড়ন তুললো ।নোমান ভ্রু কুটি করে বাইরে বেরিয়ে এলো।বাইরে বেরুতেই আগ্রাসী হিংস্র রণকে নজরে পড়লো।রণ নোমানকে দেখেই তেড়ে এসে এক শক্ত ঘুসি বসালো নোমানের বুকে।কালুর কামড়ে ধরা স্থানে ঘুসি পড়তেই নোমান চিৎকার করে উঠলো সেই সাথে সাদা শার্ট ভিজে উঠলো লাল তরলে।রণ নোমানের গলা টিপে ধরে টেনে ছিঁড়লো সেই শার্ট।অতঃপর সেই রক্তাক্ত ক্ষততে নজর বুলিয়ে ক্রন্দনরত গলায় শুধালো
“কেন?পশুটা আরেক পশুর হিংস্র রূপ দেখে ফেলেছিলো এজন্য?
নোমান কি জবাব দেবে ভেবে পেলো না।সে পাল্টা আক্রমন করতে চাইল রণ কে।কিন্তু রণ সুযোগ দিলো না।নোমানের ব্যন্ডেজ করা হাত শক্ত চেপে ধরে হিসহিস করে বলে উঠলো
“তোকে আমি মশা মাছির মতো কচলে ফেলবো।শুধু দুটো দিনের অপেক্ষা।
বলেই নোমানকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলো মেঝেতে।অতঃপর বুক পকেট থেকে দুটো নোট বের করে নোমানের সামনে মেলে বলে উঠলো
“তোর প্রাণ ভোমরা আমার কাছে বন্দি নোমান শাহরিয়ার।পারলে নিজেকে বাঁচিয়ে দেখা।
রণ’র হাতে পুরো নোট দেখে নোমানের চোয়াল ঝুলে গেলো।স্তব্ধ’র উপর স্তব্ধ হলো সে।উঠে দাঁড়িয়ে রণ’র হাত খামচে ধরতে চাইলো নোমান।কিন্তু পারলো না।রণ নোমানের হাত মুচড়ে ধরে বলে উঠলো
“অনলি 24 আওয়ার্স।ইউ আর ফিনিসড মিস্টার নোমান।
বলেই হনহন করে বেরিয়ে এলো।পেছন থেকে নোমান কোকিয়ে বলে উঠলো
“তোকে রাজা বানিয়ে দেব মেজর।নোট দুটো আমায় দিয়ে দে।
রণ হো হো করে শব্দ করে হেসে জবাব দিলো
“আমি এমনিতেই রাজা।রাজা বলেই এই দেশ রক্ষার দায়িত্ব আমার কাছে।তোর সাহায্য নিয়ে রাজা হবার কোন প্রয়োজন নেই আমার।পারলে নিজের রাজত্ব রক্ষা কর।খুব শীঘ্রই তোর বিপক্ষে যুদ্ধ ঘোষণা করবো আমি।দামামা বাজলো বলে।যুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে অনেক আগেই।তুই টের ও পাসনি।
রণ বেরিয়ে এলো।আসার আগে আরেকবার তেজী গলায় দাঁত পিষে বললো
“কালুকে মেরে কোনো বাহাদুরি করিসনি তুই।উল্টো খুব দ্রুত নিজের মৃত্যু ডেকে এনেছিস।কাফনের কাপড় কিনে আনিস ।আমি কিন্তু পরে সেই সুযোগ কাউকে দেব না।
এবার নোমানের ক্রুর হাসি ঠোঁটের কিনারায় দেখা গেলো।সে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে এসে রণকে বলে উঠলো
“দেখিস আমাকে মারতে এসে নিজে আবার মরিস না।জানিস তো আমার হাত কত লম্বা?দেখা গেলো আজই তোর জীবনের শেষ দিন হলো সেই সঙ্গে তোর বউ আমার শয্যা সঙ্গী।
মুহূর্তেই শক্ত ঘুসি পড়লো নোমানের ঠোঁটে।পাতলা গোলাপি ঠোঁট কেটে রক্ত ঝড়লো মোটা ধারায়।নোমান আঙুলে সেই রক্ত মুছে কিটকিটিয়ে হেসে বলে উঠলো
“মরবি মেজর মরবি।আমাকে এতগুলো আঘাত করে খুব পস্তাবি তুই।কিন্তু তখন আর কোনো পথ খোলা থাকবে না।
রণ তাচ্ছিল্য হেসে জবাব দিলো
“কে মরবে কে বাঁচবে তা ঠিক করবে উপর ওয়ালা।উপর ওয়ালা নিশ্চয় কোনো পাপিষ্ঠ,নিষ্ঠুর,হায়েনার কাছে আমায় পরাজিত করবেন না।
বলেই নোমানের বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে এলো রণ।একাকী ফাঁকা বাড়িতে হো হো করে হেসে উঠলো নোমান।অতঃপর ফোন বের করে কাউকে কল করে বলে উঠলো
“মেজরকে ট্রাক চাপা দিয়ে দাও।ভর্তা ভর্তা কিমা যাতে হয়।অনেক লেকচার দেয়।ওসব আর শুনতে ইচ্ছে করে না আজকাল।
বলেই নিজের আইকনিক শিস বাজাতে আরম্ভ করলো নোমান
“ইউ ক্যান নেভার কিল মি…..
বাজারে নিজ দোকানে সাদনান মির্জা বিমর্ষ মুখে বসে রয়েছেন।কালুর মৃত্যু সংবাদ তার কানে এসেছে।কালুর ভোলাভালা চেহারা বার বার ভেসে উঠছে তার চোখে সেই সাথে নোনতা জল গড়াতে চাইছে।কিন্তু পুরুষ মানুষের কান্না কি আর শোভা পায়?সব কিছুই যেন কেমন ভেঙে চূড়ে এলোমেলো হয়ে গেলো।শান্তি বিনষ্ট হলো।এক দুস্টু দৈত্য এসে ভেঙে দিলো সুন্দর ফুলের বাগান।আচ্ছা এই দৈত্যকে বন্দি করার মানুষ আসবে কবে?
“ছোট আব্বু!
আকস্মিক রণ’র ভরাট গলায় ভাবনা ছেড়ে বেরিয়ে কেঁপে উঠল সাদনান মির্জা।রণ’কে সশরীরে দেখে তার চোখ মুখ শুকিয়ে উঠল।চেহারায় কেমন অপরাধীর ছাপ স্পষ্ট হলো।ইন্টেলিজেন্স অফিসার সব খেয়াল করলো।অতঃপর সরাসরি বললো
“কোনো কিছু গোপন করোনা ছোট আব্বু।আমি জানি তুমি এমনি এমনি এমন বেঁকে বসো নি।নোমানের সাথে তোমার কি হয়েছে আমাকে খুলে বলো।মুখ বন্ধ রাখলে আজ কালু মারা গেছে কাল মানুষ মরবে।তোমার আদরের সন্তান ও মরতে পারে।আমাকে বলো পিছনের ঘটনা কি?
চলবে
সারফরাজ আর রূপকথাকে নিয়ে লিখা ইবুক #হার্টলেস পড়ছেন না কেনো?
Share On:
TAGS: ভালোবাসার সমরাঙ্গন, সারিকা হোসাইন
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ৩০
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ২১
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ১৮
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ৩
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ৭
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ২৩
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ৮
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ৬
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ২৭
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ১৫