দিশেহারা (৩০)
সানা_শেখ
“এরে কু/ত্তা/র ছাও, এটা মলম? কথা বলছিস না কেন? এটা মলম?”
শেষের ধমক খেয়ে কেঁপে ওঠে সোহা। শ্রবণের চাহনি দেখে ভয় পেয়ে লাফিয়ে নেমে যায় বিছানা ছেড়ে।
শ্রবণ কটমট করে বলে,
“এটাকে কোন এঙ্গেল থেকে তোর মলম মনে হলো?”
সোহা শুকনো ঢোঁক গিলে। গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে। তুতলে বলে,
“আ আমি খেয়াল করিনি।”
“কেন খেয়াল করিসনি? মন কোথায় থাকে? কু’ত্তা’র বাচ্চা কোন ব্যাডাকে ভাবছিলি মনে মনে?”
শ্রবণকে আরও রেগে যেতে দেখে বলে,
“কাউকে ভাবিনি, মলম আর টুথপেস্ট এক সঙ্গে ছিল তাই বুঝতে পারিনি।”
“ওই ডাইনির বাচ্চা, পড়াশোনা করেছিস কেন? নাকী স্কুল কলেজে ছেলেদের দেখতে আর নিজেকে দেখাতে গেছিস শুধু? চোখ কোথায় ছিল? পড়তে নাহয় পারিস না কিন্তু চোখের তো একটা অনুমান আছে নাকী তোর সেটাও নেই? সাইজ দেখলেই তো বোঝা যায়। একটা মলমের সাইজ এত বড়ো হয়? তুই নিজের জামাইকে চিনিস না, সামান্য একটা মলম চিনিস তাহলে চিনিস টা কী?”
“ভুল হয়ে গেছে, আর হবে না।”
“এর পর আমার জ্বর হলে তুই তো জ্বরের ঔষুধ না খাইয়ে বি/ষ খাইয়ে দিবি।”
সোহা চুপ করে থাকে। মলম আর টুথপেস্ট গুলিয়ে ফেলেছে তাই বলে ঔষুধ আর বি/ষের পার্থক্য বুঝবে না নাকী? আর বি/ষ আসবে কোথা থেকে?
“ওখানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আমার চেহারা না দেখে টিস্যু নিয়ে আয়, পেস্ট তোল পিঠ থেকে, জ্বলছে তো।”
সোহা দ্রুত টিস্যু পেপার হাতে নিয়ে শ্রবণের পাশে বসে ভয়ে ভয়ে। ওর ওপর এখন থাবা না বসালেই হয়।
“উহ্…।”
ভয় পেয়ে হাত সরিয়ে নেয় সোহা। ঘাড় কাত করে শ্রবণের মুখের দিকে তাকিয়ে বলে,
“কী হয়েছে?”
শ্রবণ খেঁকি দিয়ে বলে,
“দেখছিস না কী হয়েছে? পেস্ট লেগে গেছে পিঠে, ব্যথা পাচ্ছি। টাওয়েল ভিজিয়ে নিয়ে এসে সেটা দিয়ে তোল।”
সোহা বিছানা ছেড়ে নেমে দাঁড়ায়। শ্রবণ নিজেও শোয়া থেকে উঠে বসে টুথপেস্ট এগিয়ে দিয়ে বলে,
“এটা ওয়াশরুমে রেখে আয়, নয়তো দেখা যাবে আবার এটাই লাগিয়ে দিয়েছিস।”
সোহা টুথপেস্ট-টা ওয়াশরুমে রেখে টাওয়েল ভিজিয়ে নিয়ে আসে। শ্রবণ দাঁড়িয়ে আছে এখন। সোহা আস্তে আস্তে যত্ন নিয়ে শ্রবণের পিঠ থেকে টুথপেস্ট তুলে দেয়।
শ্রবণ নিজেই মলম হাতে নিয়ে সোহার হাতে ধরিয়ে দেয়। দাঁতে দাঁত পিষে বলে,
“পরের বার এমন কোনো ভুল করলে তোকে কাঁচা চিবিয়ে খাব।”
সোহা কিছু না বলে মলম লাগিয়ে দিতে শুরু করে। সামনে দাঁড়িয়ে যখন হাতে লাগাতে শুরু করে তখন শ্রবণ পলকহীন তাকিয়ে থাকে সোহার মুখের দিকে। সোহার মুখটা মলিন হয়ে আছে। সামনের ছোটো ছোটো চুলগুলো সোহাকে বিরক্ত করছে বারবার। যতবার কানের পেছনে গুঁজে দিচ্ছে ততবার সিল্কি চুলগুলো বেরিয়ে আসছে।
সোহার মনোযোগ মলম লাগানোতেই। খুবই ধীরে ধীরে যত্ন নিয়ে মলম লাগাচ্ছে যেন শ্রবণের ব্যথা না লাগে।
হাতে লাগানো শেষ হতেই পায়ের কাছে বসে পায়ে লাগাতে শুরু করে।
মাথা নিচু করতেই বারবার চুলগুলো বেরিয়ে যাচ্ছে। চুলের বাঁধন ঢিলেঢালা হয়ে গেছে সেজন্যই বারবার বেরিয়ে আসছে।
মলম লাগানো শেষ করে উপরের দিকে মুখ তুলে তাকিয়ে দেখে শ্রবণ তাকিয়ে আছে একভাবে। ওকে এভাবে তাকিয়ে থাকতে দেখে মুখ নামিয়ে নিয়ে দ্রুত উঠে দাঁড়ায়। মলম ড্রেসিং টেবিলের ওপর রেখে হাত ধুয়ে আসে। চুলগুলো ব্রাশ করে টাইট করে বেঁধে নেয়। এই এলোমেলো খোলা চুলের কারণে একদিন বকা খেয়েছিল শ্রবণের কাছে। ওর চুলের উপর মহা বিরক্ত হয়েছিল শ্রবণ। সেদিন সোহা রেগে নিজের চুল নিজেই কে’টে ফেলতে নিয়েছিল। শ্রবণের আরেক ধমক খেয়ে কাঁচি রেখে দিয়েছিল। শ্রবণ ধমক দিয়ে বলেছিল একটা চুল কা’টলে বা ছোটো করলে সোহাকেই কে’টে পিস পিস করবে।
সোহা মনে মনে সেদিন শ্রবণকে অনেকগুলো বকা দিয়েছিল। চুলের জন্য রাগ দেখাবে আবার কা’ট’তেও দেবে না।
লাইট অফ করে শুয়ে পড়ে শ্রবণের পাশে। ও শুতেই শ্রবণ ওর গায়ের উপর ডান হাত পা তুলে দেয়।
সোহা আলতো হাতে শ্রবণের চুলে হাত বুলিয়ে দিতে শুরু করে।
পেরিয়ে গেছে অনেকগুলো দিন। শ্রবণ এখন পুরোপুরি সুস্থ। ক্ষত শুকিয়ে গেছে কিন্তু দাগগুলো এখনও স্পষ্ট হয়ে আছে। দাগ মিশতে সময় লাগবে।
কলিং বেল বেজে ওঠে। সোহা আর শ্রবণ একে অপরের মুখের দিকে তাকায়। কে আসলো এখন?
আবার বেল বেজে উঠতেই শ্রবণ গালি দিতে দিতে বিছানা ছেড়ে নেমে দরজার দিকে এগিয়ে যায়। কলিং বেলের শব্দ ওর কাছে অনেক বিরক্ত লাগে। শুধু কলিং বেলের শব্দ নয় সব ধরনের উচ্চ আওয়াজ ওর বিরক্ত লাগে।
দরজা খুলে দেখে দরজার বাইরে স্পর্শ দাঁড়িয়ে আছে। স্পর্শের চোখ মুখ কেমন যেন হয়ে আছে, দেখে মনে হচ্ছে অসুস্থ।
“কেমন আছো, ভাইয়া?”
“ভালো, তুমি?”
“আলহামদুলিল্লাহ।”
শ্রবণ পথ ছেড়ে দাঁড়িয়ে বলে,
“ভেতরে আসো।”
স্পর্শ ইতস্তত করে ভেতরে প্রবেশ করে। আজকে প্রথম বড়ো ভাইয়ের ফ্ল্যাটে আসলো।
শ্রবণ ছোটো ভাইয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে বলে,
“তুমি কী অসুস্থ? চোখমুখ এমন দেখাচ্ছে কেন?”
বলতে বলতেই স্পর্শের কপালে হাত রাখে। চমকে ওঠে শ্রবণ, জ্বরে স্পর্শের গা পুড়ে যাচ্ছে। বিস্ময় নিয়ে বলে,
“এত জোর! এখনও স্বাভাবিক আছো কীভাবে?”
“ঠিক আছি আমি।”
“বসো এখানে।”
সোফায় বসানোর চেষ্টা করে শ্রবণ। স্পর্শ দাঁড়িয়েই থাকে। ওর যত জ্বরই হোক শ্রবণের মতো দিশেহারা হয়না, নিজের কন্ট্রোলেই থাকে। বড়ো ভাইয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে বলে,
“ভাইয়া, তোমাকে দেখতে ইচ্ছে করছিল তাই দেখতে এসেছি, চলে যাব এখনই।”
“কোথায় যাবে তুমি? কোথাও যেতে হবে না। ডাক্তার দেখিয়েছ? ঔষুধ খেয়েছ?”
“ফেরার পথে ডাক্তার দেখিয়ে ঔষুধ নিয়ে যাব।”
“রাতের খাবার খেয়েছ?”
“খাব।”
“তুমি বসো সোফায়।”
শ্রবণ স্পর্শকে সোফায় বসায় হাত ধরে।
“তুমি বসে থাকো আমি আসছি।”
“কোথায় যাবে তুমি? আমি চলে যাব এখনই।”
“কোথাও যাবে না, বসে থাকো এখানেই।”
রুমে এসে ওয়ালেট পকেটে ভরতে ভরতে সোহার দিকে তাকিয়ে বলে,
“স্পর্শ এসেছে, ও অসুস্থ। আমি ওর জন্য ঔষুধ আনতে যাচ্ছি তুই ওকে খেতে দে।”
“ভাইয়া, এসেছে?”
“হ্যাঁ।”
“কী হয়েছে, ভাইয়ার?”
“জ্বর হয়েছে। যা খেতে দে ওকে। খাবার আছে না?”
“আছে, গরম করতে হবে।”
শ্রবণ রুম থেকে বের হয়, ওর পেছন পেছন বের হয় সোহা। সোফার কাছে এগিয়ে এসে স্পর্শকে দেখতে পায় সোফায় হেলান দিয়ে বসে আছে চোখ বন্ধ করে।
“ভাইয়া।”
সোহার গলার স্বর শুনে স্পর্শ চোখ মেলে তাকায়। সোহাকে দেখে কয়েক সেকেন্ড তাকিয়ে থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নিয়ে বলে,
“কেমন আছিস?”
“ভালো, তুমি কেমন আছো?”
“আছি, আলহামদুলিল্লাহ।”
সোহাও আর কিছু বলে না, স্পর্শও চুপ করে থাকে। নীরবতা ভেঙে সোহা-ই আবার বলে,
“বাড়িতে যাওনি আর?”
“ইচ্ছে করে না।”
শ্রবণ পেছন ফিরে দাঁড়িয়ে আছে দু’জনের দিকে তাকিয়ে। কিছুক্ষণ দু’জনের দিকে তাকিয়ে থেকে বেরিয়ে যায় ফ্ল্যাট থেকে।
সোহা আর কিছু না বলে রান্নাঘরের দিকে এগিয়ে যায় স্পর্শের জন্য খাবার রেডি করতে। রাতের খাবার খেয়ে সব ফ্রিজে তুলে রেখেছিল। ঠাণ্ডা হয়ে গেছে বোধহয় এতক্ষণে।
স্পর্শ চোখ বন্ধ করে সোফায় হেলান দিয়ে বসে থাকে। আজকে বিকেলে হুট করেই জ্বর এসেছে। হোস্টেলেই ছিল। ভালো লাগছিল না, কী করবে সেটাও বুঝতে পারছিল না। হঠাৎ করেই আবার বড়ো ভাইকে দেখার ইচ্ছে জাগে তাই কোনো কিছু না ভেবেই চলে এসেছে দেখার জন্য। ফেরার পথে ঔষুধ নেবে আর খেয়ে যাবে এমনটাই ভেবেছিল।
পনেরো মিনিট পরেই সোহা ডাকতে আসে স্পর্শকে। এসে দেখে স্পর্শ কাত হয়ে গুটিসুটি মে’রে শুয়ে আছে সোফায়।
প্রথম ডাকে সাড়া দেয় না স্পর্শ। ঘুমিয়ে পড়েছে বোধহয়। সোহা গলার আওয়াজ একটু বাড়িয়ে ডেকে বলে,
“ভাইয়া, ঘুমিয়ে পড়েছ? উঠে খেয়ে নাও।”
স্পর্শ চোখ মেলে তাকায়। ঘুমিয়ে পড়েছিল। উঠে বসতে বসতে বলে,
“কী হয়েছে?”
“খেয়ে নাও।”
“ভাইয়া কোথায় গেছে? আসেনি এখনও?”
“ঔষুধ আনার জন্য গেছে, চলে আসবে এখনই, তুমি খেতে চলো।”
“আমি খাব না কিছু।”
“খাবার রেডি, তুমি চলো।”
সোহা জোরাজুরি শুরু করে স্পর্শকে খাওয়ার জন্য।
ওর সঙ্গে না পেরে খাওয়ার জন্য উঠে দাঁড়ায় স্পর্শ। মাথায় একটা চক্কর মা’রে। কিয়ৎক্ষণ চুপচাপ দাঁড়িয়ে থেকে সোহার পেছন পেছন এসে চেয়ার টেনে বসে। ওর সামনে ডিম দিয়ে ভাজা ব্রেড আর স্যুপের বাটি এগিয়ে দেয় সোহা। স্যুপ থেকে সুন্দর ঘ্রাণ ভেসে আসছে।
স্পর্শ অবাক হয়ে সোহার দিকে তাকিয়ে বলে,
“এসব এখন তুই করলি?”
মাথা নাড়ে সোহা। স্পর্শ আরও অবাক হয়ে বলে,
“তুই রান্না করতে পারিস?”
“হ্যাঁ, শিখেছি। খাও তুমি।”
স্পর্শ আগে টমেটো সস দিয়ে ব্রেড খায় দুটো। স্যুপ খেতে গিয়ে অনুভব করে স্যুপটা অনেক ভালো বানিয়েছে সোহা।
“তুই তো অনেক ভালো স্যুপ বানাস, সোহা।”
“ভালো লেগেছে তোমার কাছে?”
“হ্যাঁ, অনেক ভালো হয়েছে।”
স্পর্শ আর কথা না বাড়িয়ে চুপচাপ খেতে থাকে। সেই সকালে একটা নান রুটি খেয়েছিল সঙ্গে দুটো ডিম তারপর সারাদিন আর কিছু খায়নি। খিদে পেলেও খাওয়ার ইচ্ছে জাগেনি।
শ্রবণ ফিরে আসে ফ্ল্যাটে। স্পর্শের খাওয়া শেষ হয়নি এখনও। ওর খাওয়া শেষ হওয়ার অপেক্ষা করে শ্রবণ। সোহাকে বলে গিয়ে শুয়ে পড়তে। সোহা চুপচাপ রুমের দিকে এগিয়ে যায়।
স্পর্শের খাওয়া শেষ হলে শ্রবণ নিজেই একটা একটা করে ঔষুধ খুলে ওর হাতে দেয় খাওয়ার জন্য।
স্পর্শ কিছুক্ষণ বড়ো ভাইয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে থেকে ঔষুধগুলো খায়।
শ্রবণ বাকি ঔষুধগুলো প্যাকেটের ভেতরে ভরতে ভরতে বলে,
“বিশ্রাম নাও, জ্বর কমে যাবে কিছুক্ষণের মধ্যেই।”
“আর দেরি করবো না, ভাইয়া। আমি আসি এখন। তোমাদের বিরক্ত করলাম।”
“কোথাও যাবে না এখন। আসো আমার সঙ্গে।”
স্পর্শের হাত ধরে গেস্ট রুমে নিয়ে আসে শ্রবণ। ঔষুধগুলো বেড সাইড টেবিলের ওপর রাখে। রুম থেকে বেরিয়ে এক জগ পানি আর একটা গ্লাস নিয়ে ফিরে আসে রুমে। জগ গ্লাস রেখে বলে,
“আজকের রাত থাকো এখানেই। সকালে নাস্তা করে তারপর যেও। রাতে কোনো সমস্যা হলে ডাক দিও আমাকে।”
কোনো কথা ছাড়াই বড়ো ভাইয়ের গলা জড়িয়ে ধরে স্পর্শ। ওর কন্ঠস্বর ভারী হয়ে উঠেছে। জড়ানো গলায় বলে,
“ভাইয়া, তুমি এত কিছু এতগুলো দিন ধরে কীভাবে সহ্য করছ? আমি তো এই অল্প দিনেই পাগল হয়ে যাচ্ছি এভাবে থেকে। আমার কিচ্ছু ভালো লাগছে না, ম’রে যেতে ইচ্ছে করছে।”
স্পর্শের কথা শুনে শ্রবণ হাসে, অদ্ভুত সেই হাসি। স্পর্শের পিঠে হাত বুলিয়ে বলে,
“বাড়িতে ফিরে যাও, বাড়ির সবাই তো তোমাকে ভালোবাসে। ওরা তোমারই বাবা-মা। এভাবে একা একা থেকে কষ্ট পাওয়ার মানেই হয় না।”
“আমি ওই বাড়িতে ফিরে যাব না আর।”
“একা একা থাকা এত সহজ না। একা রয়েছো এখনও এক মাস পূরণ হয়নি, এখনই এমন কথা বলছ। মনের ভুলেও এমন কোনো কাজ করবে না। এত কষ্ট করে থাকার প্রয়োজন নেই, বাড়িতে ফিরে যাও। তোমার সঙ্গে তো ওরা কোনো অন্যায় করেনি।”
অনেকক্ষণ ধরে স্পর্শকে বুঝিয়ে সুঝিয়ে ঘুমোতে বলে নিজের রুমে চলে আসে। দরজা লক করে বিছানার দিকে তাকিয়ে দেখে সোহা ঘুমিয়ে গেছে। এই মেয়ের শুতে দেরি কিন্তু ঘুমোতে দেরি হয় না।
গায়ের টিশার্ট খুলে লাইট অফ করে বিছানায় উঠে শুয়ে পড়ে সোহাকে জড়িয়ে ধরে। বদ অভ্যাস হয়ে গেছে সোহাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমোনোর।
শ্রবণের বাহু বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে নড়েচড়ে ওঠে সোহা। শ্রবণের বুকের সঙ্গে মিশে নিশ্চুপ হয়ে যায় আবার।
চলবে…………..
ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক কমেন্ট করবেন। পরবর্তী পার্ট আগে আগে পড়তে সানা শেখ পেজটি ফলো দিয়ে রাখবেন সবাই ধন্যবাদ।
Share On:
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
দিশেহারা পর্ব ২৭
-
তোমার সঙ্গে এক জনম পর্ব ৪
-
দিশেহারা গল্পের লিংক
-
দিশেহারা পর্ব ১৬
-
দিশেহারা পর্ব ২০
-
তোমার সঙ্গে এক জনম গল্পের লিংক
-
দিশেহারা পর্ব ১৮
-
দিশেহারা পর্ব ৪
-
দিশেহারা পর্ব ১২
-
দিশেহারা পর্ব ১৪