Golpo romantic golpo প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা

প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা পর্ব ৪০


প্রণয়েরমায়াতৃষ্ণা ||৪০|| #বোনাসপর্ব

ফারজানারহমানসেতু

তূর্জান বের হয়ে যেতেই বাড়িটা আবার নিজের ছন্দে ফিরে গেল। কিন্তু সেই ছন্দের ভেতরেও যেন কোথাও একটা ফাঁক রয়ে গেল।যেটা কেউ মুখে বলছে না, কিন্তু সবাই টের পাচ্ছে। রোজা নিজের রুমে চলে গেল। নিজের রুমে গিয়ে বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল। হালকা বাতাসে চুলগুলো উড়ছে। কিন্তু তার চোখ বারবার গেটের দিকে চলে যাচ্ছে।

নিজেই নিজেকে ধমকালো,“কেন দেখছি আমি? গেলে গেছে… আমার কি?”

কিন্তু মন কি আর এত সহজে মানে! সেদিন দুপুরের পর থেকেই বাড়িতে একের পর এক ছোটখাটো দুষ্টুমি চলতে লাগলো। তুবা এসে রোজার পাশে বসে বলল,“ ছাদে চল, লুডু খেলি।”

“মুড নাই।”

“তাহলে চল গল্প করি?”

“মুড নাই।”

মিরান এসে রোজার বেডে বসে পাশ থেকে বলে উঠল,“ তুবা তাহলে চল তূর্জানের কথা বলি? সাথে আরিয়ানেরও কথা বলবো।”

রোজা কটমট করে তাকালো,“চুপ করো! আমরাও কিন্তু অনন্যার কথা বলবো।”

সবাই হেসে উঠল। রাফিয়া মুচকি হেসে বলল,
“এই মেয়ে তো পুরো অন্য লেভেলের রাগ নিয়ে বসে আছে! তা হঠাৎ এমন রাগের কারণ কি?”

রোজা উঠে চলে যেতে গেলে তুবা তার হাত টেনে বসিয়ে দিল,“এইভাবে হবে না। আমরা ঠিক করেছি, তোর এই গোমড়া মুখ ঠিক করবই।”

“আমাকে ঠিক করার দরকার নেই। আমি ঠিকই আছি।”

“আমাদের দরকার আছে। আমাদের এই ঠিকে ঠিক হচ্ছে না।”

তাদের এই টানাটানিতে রোজা বাধ্য হয়ে ছাদে গেল। তুবা ,মিরানের ঝগড়াঝাঁটি, আরাজের দুষ্টামি কখন যে সময় কেটে যাচ্ছিল,রোজা বুঝতেই পারছিল না।কিন্তু হঠাৎ বিকেলের দিকে খেয়াল করল,তূর্জান এখনো ফেরেনি।মনে মনে বলল রোজা,“ভার্সিটি কি এখনো ছুটি হয়নি?”


সন্ধ্যার পর তাজারুল নেওয়াজ সবাইকে ডেকে বললেন,“তূর্জান তিন দিনের জন্য বাইরে গেছে। তার ব্যবসার কাজে।”

রোজার বুকের ভেতরটা কেমন যেন ফাঁকা হয়ে গেল।“তিন দিন…?কিন্তু মুখে কিছু বলল না।তুবা পাশে দাঁড়িয়ে ফিসফিস করে বলল,“তুই জানতিস না? ভাইয়া বিসনেসের কাজে যাচ্ছে।”

রোজা মাথা নাড়ল। অদ্ভুত ভাবে তাকালো তুবার পানে।মিরান হেসে বলল,“দেখলি বনু, কত ইম্পর্ট্যান্ট তুই! বলেই যায়নি!”

রোজা এবার রাগে বলল,“আমাকে বলে যাওয়ার কি আছে? তোমরাও যা আমিও তাই, আমাকে এক্সট্রা করে বলে যাওয়ার কি আছে?”

কথাটা বললেও নিজের গলার কাঁপন সে লুকাতে পারল না। তাজারুল নেওয়াজ আর মোস্তফা নেওয়াজ ডিনার শেষ করে উঠে গেছেন। মিরান আর রাফেজ ও উঠে যেতেই রাফিয়া বলল, “ রোজা। “

“ হুমম, ভাবি। কিছু বলবা? “

“ সব যেহেতু ভাগ্যের জোরে হচ্ছে, সেহেতু জেদ না দেখানোই ভালো নয় কি? “

“ বুঝিনি!”

“ বিয়ের ব্যাপারটা চেপে যাওয়া কি তোর ঠিক হয়েছে? আমাদের জানালি না কেন? “

রোজা লজ্জায় আড়ষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কি বলবে? হিটলারটা তাকে এরকম একটা জায়গায় ফাসিয়ে দিয়ে চলে গেলো। অশুদ্ধ পুরুষ তো রোজা এমনি এমনি বলে না।

রোজাকে চুপ থাকতে দেখে রাহেলা নেওয়াজ বলল, “ হয়েছে, আর লজ্জা পেতে হবে না। যা হয়ে গেছে হয়েই গেছে। আর আমার দাদুভাই হিরের টুকরো।বিয়ে যেভাবেই হোক আমরা খুশিই হয়েছি। “

রাহেলা নেওয়াজের এক্টিং দেখে মনে হচ্ছে, তিনি রোজা তূর্জানের আগের বিয়ের কথা জানতেন না। নতুন বিয়ে হয়েছে, তাই এমন যুক্তি দিচ্ছে। তুবা রাহেলা নেওয়াজের দিকে তাকিয়ে বিরবির করে বলল, “ ড্রামাকুইন। “

রাহেলা নেওয়াজ কথা ঘুরিয়ে বললেন, “ যেহেতু বিয়ে হয়ে গেছে, আর বাড়ির ছোট বড় সবাই জেনেও গেছে,সেহেতু আজ থেকে সব রুম রোজার জন্য বয়কট করা হলো। “

রোজা মুখ গোমড়া করে বলল, “ তাহলে আমি থাকবো কোথায়? “

রাহেলা নেওয়াজ উ নিজের রুমে যেতে যেতে বলল,“ বরের ওতোবড় রুম থাকতে বলছিস থাকবি কোথায়? হাইরে বাঙালি নিজের থেকে পরের ভালো বেশি বেশি বুঝে। “

তারপর থেমে বললো, “ যারে যা বলছি, মনে থাকে যেন। “

তারপর হালকা কথাবার্তা বলে সবাই খাওয়া শেষ করল। রোজা এখনো খাবার নিয়ে ঝিমুচ্ছে। তানিয়া নেওয়াজ এসে বলল, “ আম্মু। “

“ হুমম, বড়আম্মু কিছু বলবা? “

“ অতকিছু ভাবার দরকার নেই। যা হয়ে গেছে তা নিয়ে ওত ভেবে লাভ কি? আমার ছেলে কিন্তু ওতটাও খারাপ না, যে তার সাথে সংসার করা যায় না। তার থেকে বরং খেয়ে উঠে ঘুমিয়ে যাও, আম্মুরা যা করে তা কিন্তু শাশুড়িরা করে না। “

রেহেনা নেওয়াজ বললো, “ আর শাশুড়ি যা সহ্য করে, তা কিন্তু চাচি শাশুড়িরা সহ্য করে না। “

বলেই রোজাকে তাড়া দিলেন খাবার শেষ করার জন্য। কিছুটা অসস্থি নিয়েই ডিনার শেষ করে রুমে যাওয়ার উদ্দেশ্যে পা বাড়ালো। কি অদ্ভুত আচরণ সবার, যেন সামান্য কিছুই হয়েছে। তুবা দৌড়ে গিয়ে রোজাকে থামিয়ে দিয়ে বলল, “ রোজা। “

“ হুমম, এভাবে টেনে ধরার কি আছে? “

“ কিছু না। তুই কি একা থাকতে ভয় পাস? “

“ আজিব প্রশ্ন, তুই জানিস না মনে হচ্ছে? আবার জিজ্ঞাসা করছিস। “

“ নাহ, চারিদিকে কত ঘটনা ঘটে যায়, কত কিছুই জানিনা। তাই বলছি নতুন করে ভয়টয় পাচ্ছিস কিনা। “

রোজার অগ্নিদৃষ্টি দেখে তুবা বলল, “ এখানে একটু দাড়া, আমি রুম থেকে আসছি। “

“ চল আমিও যাচ্ছি। “

“ এইই না না, তুই এখানে থাক, আমি আসছি। এখান থেকে একদম নড়বি না। “

বলেই তুবা রুমের দিকে গেল। রোজা অবাক ভঙ্গিতে দাড়িয়ে রইলো। সবাই কি করতে চায়ছে। তুবা দরজার সামনে গিয়ে, তূর্জানের রুমের চাবি নিয়ে রোজার দিকে ছুড়ে দিল। রোজা কাচ ধরতেই দেখলো চাবির রিং। তুবা ধরজায় দাড়িয়ে বলল, “ আম্মুর কাছে, এই এক্সট্রা চাবি ছিলো। “

“ তো আমি কি করবো? আর কিসের চাবি এইগুলো? “

“ ভাইয়ার রুমের, আম্মু তার বৌমাকে দিতে বলল, গুডনাইট ভাবি। ইনজয় ইউর পার্সোনাল রুম। “

বলেই রুম আটকে দিলো। এই বাড়িতে এক্সট্রা যা রুম আছে তাও তালা দেওয়া। নিশ্চয় এই বুদ্ধি রাহেলা নেওয়াজের, তিনি ওই সময় এইজন্যই ওই কথা বললেন। মানে সবার দরজা বন্ধ। রোজা হতাশ হয়ে বাধ্য হয়েই তূর্জানের রুমের সামনে গিয়ে দাড়ালো। তালা খুলতেই, সেই পারফিউমের তীব্র গন্ধ নাকে এসে পৌঁছালো। রুমে এর আগেও এসেছিলো, তাই বাল্ব জালাতেই চোখে পড়ল, তূর্জানের গোছানো রুম। রোজাও এতটা গোছানো নয়। তবে এখন এতকিছু ভাবতে পারছেনা।ঘুম আসছে ভীষণ। তাই কিছু না ভেবেই শুয়ে পড়ল তূর্জানের বেডে।রোজা বারবার ফোন হাতে নিচ্ছে, আবার রেখে দিচ্ছে।কল করবে? না করবে না?
“আমি কেন কল করব?”

এই ভাবনায় নিজেকে আটকে রাখল। রাতে ঘুম আসতে দেরি হলো। অজান্তেই মনে পড়ল,
ঝড়ের রাতে তূর্জানের সেই শক্ত বাহু…
চোখ বন্ধ করতেই বুকটা কেমন হালকা ব্যথা করল। আজ তুবা জোর করে রোজাকে নিয়ে রান্নাঘরে গেল।
“চল, আজ তুই রান্না করবি।”

“আমি?”

“হ্যাঁ। তোর জামাই আসলে খাওয়াবি না?”

রোজা চুপ করে গেল। এরা কি শুরু করেছে। রাফিয়া মুচকি হেসে বলল,
“আমরা কিন্তু সব বলব,তুই কেমন রান্না করিস।নে এবার চটজলদি আয় একটু সাহায্য খর তাইলেই হবে।”

রোজা বাধ্য হয়ে রান্নার কাজে সাহায্য করতে লাগলো। মাঝে মাঝে নিজেই থেমে যাচ্ছে,
“ওনি কি খেতে পছন্দ করে?”

এই প্রশ্নটা মাথায় আসতেই নিজেই অবাক হলো। দেখতে দেখতে তিনদিন পার হলো। আজকে তূর্জান হয়তো বাড়িতে আসবে। আজ আর নিজেকে সামলাতে পারছে না। বিকেল থেকে বারবার গেটের দিকে তাকাচ্ছে।নিজেই নিজের কাজে অবাক হচ্ছে রোজা।তুবা পাশ থেকে বলল,
“এভাবে তাকিয়ে থাকলে তো সে এখনই চলে আসবে না।”

রোজা চমকে উঠে বলল,“আমি তাকাচ্ছি কেন?”

তুবা হেসে বলল,“কারণ তুই আমার ভাইয়ার জন্য অপেক্ষা করছিস।”

রোজা এবার আর কিছু বলল না। দিনটা কেটে গেল। সন্ধ্যা নামল ধীরে ধীরে।রোজা আজ আর তূর্জানের রুমে ঘুমায়নি। যদি তূর্জান সত্যিই বাড়িতে ফেরে। তাই সন্ধ্যায় গিয়ে রাহেলা নেওয়াজের রুমে ঘুমিয়েছে। রাতের এগারোটার পরে তূর্জান বাড়িতে ফিরল। ক্লান্ত, কিন্তু চোখে সেই চিরচেনা দুষ্টুমি। দরজায় ঢুকেই চারপাশে তাকালো, কোথাও রোজাকে দেখা যাচ্ছে না। তুবা পানি খেতে ড্রয়িং রুমে এসেছে।
“তুবা, রোজা কোথায়?”

তুবা মুচকি হেসে বলল,“খুঁজে বের করো।”

তূর্জান ভ্রু কুঁচকে বলল,“গেম খেলছিস?”

“না, সিরিয়াসলি বলছি। খুঁজে বের করো আমার ভাবিকে।”

তূর্জান আর কিছু না বলে সোজা সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠল। নিজের রুমে গেল। না এখানে নেই। তবে বিছানা এলোমেলো হয়ে আছে, নিশ্চিত রোজার কাজ, মিরান তো ভিডিও কলে দেখিয়েছিলো রোজা কিভাবে তূর্জানের রুমে সারাদিন ঘুরঘুর করছিলো। বেলকনি ,না নেই।
শেষে গিয়ে দাঁড়াল রাহেলা নেওয়াজের রুমের সামনে। দরজা অল্প খোলা। ভেতরে তাকাতেই তার ঠোঁটে এক চওড়া হাসি ফুটে উঠল।
বিছানার এক পাশে রাহেলা নেওয়াজ, আর তার পাশেই গুটিসুটি মেরে ঘুমিয়ে আছে রোজা। মুখটা শান্ত, শিশুর মতো।

তূর্জান ধীরে ধীরে ভেতরে ঢুকতেই রাহেলা নেওয়াজ চোখ খুলে তাকালেন।“এই সময়ে চোরের মতো ঢুকছিস কেন?”

তূর্জান ফিসফিস করে বলল,“আমার জিনিস নিতে এসেছি।”

রাহেলা ভ্রু তুললেন,“কোন জিনিস? তুই আবার আমার কাছে কবে, কখন কোন জিনিস রেখেছিস যে নিতে এসেছিস? “

তূর্জান রোজার দিকে তাকিয়ে বলল,“ওটা, যেটা তুমি নিয়ে শুয়ে আছো।”

রাহেলা হালকা হেসে বললেন,“ওটা কিন্তু এখন আমার।”

গ্রানি… প্লিজ।”

“না।”

“দাও না।এমন করছো কেন?”

“কেন দেব?”

তূর্জান একটু ঝুঁকে ফিসফিস করে বলল,“কারণ ও আমার।”

রাহেলা একটু থেমে তাকিয়ে রইলেন তার দিকে। তারপর মৃদু হেসে বললেন,“কোথায় লেখা আছে? “

তূর্জান হৃদপিন্ড বরাবর হাত রেখে বলল, “ এখানে। “

“তোর এত সাহস কবে হলো?”

“যেদিন থেকে ও আমার হৃদপিন্ড এসেছে।”

রাহেলা এবার হেসে ফেললেন, “নাটকবাজ! পুরুষ।”

“গ্রানি, বেশি বাড়াবাড়ি কোরো না। আমার বউকে দিয়ে দাও।”

রাহেলা মুচকি হেসে বললেন,“বউ? তুই তো কিছুই করতে পারিস না, আবার বউ দাবি করছিস?”

তূর্জান দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল,“তোমার জন্যই তো কিছু করতে পারি না। তুমি থাকলে আমার ইমেজটাই নষ্ট হয়ে যায়।”

রাহেলা এবার হেসে ফেললেন,“বড় বড় কথা শিখে গেছে দেখি!”

তূর্জান বিছানার কাছে এসে নিচু হয়ে বসলো। রোজার চুলের গোছা আলতো করে সরিয়ে দিল।
“দাও না গ্রানি… ওকে নিয়ে যাই।”

রাহেলা কিছুক্ষণ চুপ করে তাকিয়ে রইলেন। তারপর ধীরে বললেন,“সাবধানে নিয়ে যা। মেয়েটা ভয় পায় এখনো।”

তূর্জানের চোখ এক মুহূর্তের জন্য নরম হয়ে গেল।
“জানি…”

এরপর আর দেরি করল না। আলতো করে রোজাকে কোলে তুলে নিল।রোজা একটু নড়েচড়ে উঠল, কিন্তু পুরোপুরি জাগল না। অচেতন ঘুমের মধ্যেই নিজের হাত দিয়ে তূর্জানের শার্ট আঁকড়ে ধরল।তূর্জান হালকা হেসে ফিসফিস করে বলল,
“এই তো… চিনে ফেলেছিস।এভাবেই আকড়ে ধরে আমার কাছেই থাকবি।”

রাহেলা নেওয়াজ ওদের দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসলেন। চোখে একরাশ প্রশান্তি। তূর্জান ধীরে ধীরে রুম থেকে বেরিয়ে নিজের ঘরের দিকে হাঁটতে লাগল।রাতটা শান্ত,চারপাশে নিস্তব্ধতা। শুধু দুজন মানুষের নিঃশ্বাসের শব্দ,একটা গভীর, আরেকটা অস্থির অথচ আশ্রয় খুঁজে পাওয়া।
রুমে গিয়ে তূর্জান রোজাকে বিছানায় শুইয়ে দিলো। কিছুক্ষণ ওর দিকে তাকিয়ে রইল।

তারপর খুব আস্তে করে বলল,“যতই রাগ করিস… শেষমেশ তো আমার কাছেই আসিস, বউ…”
তারপর খুব আস্তে করে বলল,“তিনদিনে এতটা মিস করবি ভাবিনি।”

রোজা কিছু বলল না। তূর্জান শাওয়ার নিয়ে এসে রাতের খাবার না খেয়েই ঘুমিয়ে পড়ল। খানিকবাদে অনুভব করল, ঘুমের মধ্যেই একটু এগিয়ে এসে তূর্জানের গা ঘেঁষে শুয়েছে রোজা।
তূর্জানের ঠোঁটে ধীরে ধীরে একটা তৃপ্তির হাসি ফুটে উঠল। তারপর নিজের বাহুডোরে আবদ্ধ করে বলল,“এভাবেই থাকো বউ, আজীবন …”

ইনশাআল্লাহ চলমান….

অনেক বড় বড় মন্তব্য করবেন কিন্তু। নেক্সট লিখবেন না। কারণ আপনারা নেক্সট না লিখলেও আমি নেক্সট পর্ব দিবো। যেহেতু কমেন্ট করেন,, গল্প নিয়ে দুই একলাইন বলে ফেলুন।আমিও এক্সাইটমেন্টে জলদি পরের পর্ব লিখে ফেলবো, আপনারাও পড়ে ফেলবেন। লাভের উপর লাভ,, তার উপর লাভ।

কিছু মনে করবেন না। সরি। দুষ্টামি করলাম। @everyone পড়ুন তাড়াতাড়ি…

আমার পেইজ লিংক Farzana Rahman Setu ফলো করে ফেলুন 😁

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply