Golpo romantic golpo প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে

প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে পর্ব ২৬


#প্রণয়ঘোরের_সন্ধিতে

#লেখনীতে_সালমা_চৌধুরী

(২৬)

তাজ কল কাটতেই শান্ত বলল,

” তোদের মধ্যে এত সিরিয়াস ঝামেলা হলো অথচ তুই কিছুই বললি না!”

তাজ সামনের টেবিলে ফোন রাখতে রাখতে বলল,

” আমি ওদের বাসায় বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে গিয়েছিলাম। সে এমন আচরণ করেছে যা তোদের সামনে কোনোদিনও প্রকাশ করতে পারব না। আমি এতদিন ভেবেছিলাম কি আর গতকাল দেখলাম কি! পুরো ১৮০° এঙ্গেলে নিলুর চেইঞ্জ দেখলাম। আমি নির্বাক হয়ে গিয়েছিলাম।”

সাদ তাজের দিকে এগিয়ে এসে তাজের কাঁধে হাত রাখল৷ কণ্ঠস্বর ভারী করে বলল,

” সরি ভাই, আমরা কিছু জানতাম না। ভেবেছি ছোটখাটো বিষয় নিয়ে ঝামেলা৷ যেটা নিলু প্রায়ই করে থাকে৷ তারজন্যই তোকে জোর করেছি ওর সাথে কথা বলার জন্য। এত ঝামেলা বা কাহিনী জানলে ভুলেও ঐ মেয়ের কল রিসিভ করতাম না।”

শান্ত খানিকটা সময় নিশ্চুপ থেকে হঠাৎ দীর্ঘশ্বাস ফেলল। কিছু বলতে চেয়েও চুপ হয়ে গেল। তাজ বলল,

” আমি তোদের জানাতে চাই নি৷ এত বছরে কতশত বার তোরা আমাকে সাবধান করেছিস৷ কিন্তু আমিই বোকার মতো নিলুর পাগলামি সহ্য করে এসেছি৷ দিনশেষে নিজের ভুলের মাশুল দিতে হচ্ছে সেই আমাকেই।”

শান্ত ভ্রু কুঁচকে প্রশ্ন করল,

” বাসায় জানে এসব?”

“না।”

“নৌমিও জানে না?”

“না৷ কেউ কিছুই জানে না।”

শান্ত মৃদুস্বরে বলল,

” তুই চাইলে নৌমির সাথে রিলেশনে যেতে পারিস।”

তাজ অগ্নি দৃষ্টিতে তাকিয়ে হুঙ্কার দিয়ে ওঠল,

” তোর আমাকে ছ্যাচড়া মনে হয়? নৌমি আমার বোন। আমি ওঁকে বোনের দৃষ্টিতে দেখি। ওর সাথে এমন কিছু ভাবিও না কখনও।”

” ভাবিস নি এখন ভাব৷ নিলুর থেকে নৌমি হাজার গুণ ভালো৷ তাছাড়া তোদের বিয়ের কথা হয়ে আছে। নিলুর চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলার জন্য এখন নৌমিই তোর একমাত্র ঔষধ। সব ভাবনা বাদ দিয়ে বিয়ে করে নে। দেখবি সব ঠিক হয়ে যাবে।”

“কি বলতে চাচ্ছিস? আমার ক্যারেক্টারে সমস্যা? এতদিন এক মেয়ের পেছনে ঘুরেছি৷ সেই মেয়ের সাথে ব্রেকাপ হতেই অন্য মেয়ের পিছু নিব? আমি নৌমিকে ঠকাতে পারব না।”

শান্ত বিরক্তির স্বরে বলল,

“কিছু মনে করিস না, তাজ। নৌমি তোর সেরা জীবনসঙ্গী হওয়ার যোগ্য। তুই না বুঝলেও আংকেল ঠিকই বুঝেছেন। তারজন্যই তোর সাথে ওর বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তোর ওভার থিংকিং চিন্তাভাবনার জন্য সব নষ্ট হবে৷ নিলু নয় বরং একদিন তুই নৌমির জন্য আপসোস করবি। খুব আপসোস করবি।”

“তোদের কাছে আসলেই শুধু নৌমি নৌমি আর নৌমি। নৌমি ছাড়া আর কোনো মেয়ে পৃথিবীতে নেই? কেনো ওঁকেই টানতে হবে তোদের? ওর মধ্যে কি এমন দেখেছিস তোরা?”

“তোর জন্য অগাধ ভালোবাসা। সে তোকে আগলে রাখতে জানে। সব বিপদে সাপোর্ট করে। তোর মন ভালো রাখার একমাত্র পন্থা। তোর পরিবারের সাথে তার আত্মিক সম্পর্ক। আর কি চাস তুই?”

তাজ শক্ত কণ্ঠে বলল,

” সব ভালোবাসার পূর্ণতা মিলে না।”

জবাবে শান্ত বলল,

” সত্যিকারের ভালোবাসা অপূর্ণ থাকে না কখনো। “

তাজ কিছু বলতে যাবে তখনই নৌমির কল এলো। শান্ত তাজের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসলো। তাজ কল রিসিভ করে কানের কাছে ফোন নিতেই নৌমি ডাকল,

” তামজিদ ভাইয়া….”

“হ্যাঁ, বল। “

“কি করতেছো?”

” কিছু না৷ কেনো?”

“তোমাকে একটা কথা বলতাম। রাগ করবে না তো?”

তাজ বসা থেকে উঠে দাঁড়াল। গম্ভীর কণ্ঠে বলল,

” কি হয়েছে?”

“এই না না। কিছু হয় নি। আমি আন্নিকে নিতে আসছিলাম। হাঁটতে হাঁটতে দুই বোন মার্কেটে চলে এসেছি। আমার না একটা জামা খুব পছন্দ হয়েছে। তুমি কি আমাকে হাজার টাকা ধার দিতে পারবে? আমি তিনদিনের মধ্যে তোমার টাকা ফেরত দিয়ে দিব, প্রমিস। আব্বুকে বললে খুব বকা দিবে তারজন্য তোমার কাছে চাইতেছি।”

তাজ মুখের উপর বলতে গেল, ” আমার কাছে টাকা নেই।” কিন্তু কেন যেন কথাটা মুখ থেকে বের হলো না। এদিকে শান্তর মুখের হাসি প্রখর হতে লাগল। তাজ শান্ত’র দিকে তাকিয়ে রাগী স্বরে বলল,

” ফোন রাখ।”

ফোন কাটতেই শান্ত বলল,

” দেখলি কত কেয়ারিং! তুই কি করতেছিস সেই খবর নিতে কল করেছে।”

তাজ মেকি স্বরে বলল,

” আমার খোঁজ নিতে কল দেয় নি৷ জামা কিনবে, হাজার টাকা ধার চাইতে কল করেছে। “

“তো খারাপ কি বলেছে? তোকে আপন ভাবে বলেই তোর কাছে ধার চাচ্ছে। তা না হলে আমার কাছে চাইতো। আমার মতে, জামা তোর গিফট করা উচিত। “

“আমি তোর মতো এত বড়লোক না ভাই। আমি মধ্যবিত্ত, বেকার ছেলে। আমার কাছে ১০০০ টাকার অনেক দাম। হাজার টাকা থাকলে ৩-৪ টা চাকরির এপ্লিকেশন করতে পারব।”

শান্ত বিরক্তির স্বরে বলল,

” একদিন তোর চাকরি হবে, টাকা হবে, সব স্বপ্ন পূরণ হবে কিন্তু নৌমি তোর পাশে থাকবে না। সেদিন তুই সুখে থাকতে পারবি তো? নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারবি তো?”

তাজের মেজাজ খারাপ হয়ে গেছে। রাগে কটমট করে বলতে লাগল,

” সমস্যা কি তোর? কথায় কথায় নৌমিকে টানিস কেনো? ও আমার বোন। বোন হিসেবে ও সারাজীবন আমার পাশে থাকবে। এতদিন যেমন হাজার ঝগড়ার পরেও হাসিমুখে কথা বলেছে। সারাজীবন তেমন সম্পর্কই থাকবে আমাদের। দেখে নিস।”

“সে সারাজীবন তোর আয়ত্তে থাকবে না। আজ বিয়ে হলে কাল সে অন্যের বউ হয়ে যাবে৷ তখন তুই তাজ কোথায় থাকবি খোঁজও নিবে না। মেয়েদের ব্যাপারে তোর ধারণা কম তাই বুঝিস না। নৌমি তোকে ভালোবাসে। হয়তো সে বুঝতে পারে না। কিন্তু একদিন ঠিক বুঝবে। সেদিন তোর এই অবহেলা গুলো সহ্য করতে পারবে না।”

“ভালো হয়েছে। তাও চুপ থাক তুই। চা দিতে বল।”

“নৌমিকে টাকা পাঠাবি না?”

” ওর বিকাশ, নগদ নেই।”

” তো যা তুই।”

” আমার কাছে অযথা খরচ করার মতো এত টাকা নেই।”

” টাকা আমি তোকে দিচ্ছি তবুও যা। “

” পারব না।”

শান্ত গম্ভীর কণ্ঠে বলল,

” তোর রাগ নিলুর উপর, আমার উপর, আমাদের উপর কিন্তু সেই রাগ তুই নৌমির উপর কেনো দেখাচ্ছিস? ও কি দোষ করেছে! আমাদের বন্ধুত্বের এতগুলো বছরেও আমি তোর এই রূপ দেখিনি। তুই আর যাই করিস, নৌমিকে কখনও না করিস নি। নৌমি কিছু চাইলে তোর কাছে না থাকলে আমার থেকে নিয়ে হলেও ওকে দিয়েছিস। আজ হঠাৎ কি হলো? আমি এসব বলেছি বলে এমন করছিস? ঠিক আছে যা। নৌমিকে নিয়ে আমি আর কিছুই বলব না। তবুও তুই যা, প্লিজ।”

তাজ দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছেড়ে ফোনের স্ক্রিনে তাকাল। নৌমির নাম্বার থেকে আর কোনো কল আসে নি। তাজ সঙ্গে সঙ্গে কল করল। নৌমি রিসিভ করল।

“কোথায় আছিস?”

“অটোতে। বাসায় যাচ্ছি।”

তাজ ভ্রু কুঁচকে প্রশ্ন করল,

” জামা কিনিস নি?”

” না। টাকা নেই তো। তুমিও ধমক দিয়ে রেখে দিলে। তাই বাসায় চলে যাচ্ছি।”

তাজ এক হাতে কপাল থেকে চুল সরাতে সরাতে ঠান্ডা কণ্ঠে বলল,

” অটো থেকে নেমে মার্কেটের দিকে যা। আমি আসতেছি।”

” তোমার আসতে হবে না। আমরা অনেকটা চলে এসেছি। কিনব না জামা৷ পরে টাকা হলে নিব। “

“দোকানদার কি তোর জন্য জামা সাজিয়ে বসে থাকবে?”

নৌমি অভিমানী স্বরে বলল,

” না থাকুক।”

তাজের কণ্ঠস্বর ভারী। হুঙ্কার দিল,

” নামতে বলছি তোকে। আসছি আমি।”

নৌমি আর কিছু বলার সাহস পেল না। অটো থেকে নেমে রাস্তার পাশে হাঁটতে শুরু করল। এদিকে শান্ত আর সাদ মুখ চাওয়াচাওয়ি করছে আর মিটিমিটি হাসছে। তাজ উঠে দাঁড়িয়ে বলল,

” আমি আসছি।”

“টাকা নিয়ে যা।”

” লাগবে না। আছে আমার কাছে। তারপরও যদি লাগে তাহলে কল দিব। “

“হ্যাঁ হ্যাঁ, অবশ্যই। বেস্ট অফ লাক বন্ধু “

তাজ রাগী স্বরে বলল,

” বাসর করতে যাচ্ছি না ভাই, মার্কেটে যাচ্ছি।”

শান্ত বেকুবের মতো হাসল। তাজ আর কথা বাড়ালো না। শপিং শেষে নৌমি আর আন্নিকে নিয়ে খাওয়াদাওয়া করে বাসায় ফিরল। পুরো রাস্তা নৌমি চুপ করে বসে রইল। তাজের ধমকে কষ্ট পেয়েছে এটা বুঝার অবকাশ রাখে না। তাজ কয়েকবার নিজ থেকে কথা বলার চেষ্টা করেছে। প্রশ্ন করেছে কয়েকবার। কিন্তু প্রতিবারই আন্নি উত্তর দিয়েছে। বাসার সামনে এসে রিক্সা থেকে নামতেই শুভ্র ডাকল,

” এই নৌমি, কোথায় গিয়েছিলে? তোমাদের বাসায় গিয়েছিলাম আমি। কল দিলাম, রিসিভ করলে না।”

নৌমি হাসিমুখে জবাব দিল,

” শপিং করতে গিয়েছিলাম। বেশি টাকা ছিল না সাথে তাই তামজিদ ভাইয়ার থেকে ধার নিয়েছি।”

“টাকা ছিল না আমাকে বলতে। আমার কাছে অনেক টাকা আছে। আমিও তোমার সাথে শপিং এ যেতাম। কি কিনলে? আগামীকাল চলো শপিং এ। আমি তোমাকে শপিং করাবো। ওকে?”

তাজ রিক্সার ভাড়া দিতে দিতে কয়েকবার আড়চোখে শুভ্র’র দিকে তাকিয়েছে। আন্নি খুশিতে গদগদ হয়ে বলল,

” শুভ্র ভাইয়া আমাকেও শপিং করে দিতে হবে।”

“হ্যাঁ, তোমাকেও দিব।”

নৌমি আন্নির দিকে তাকিয়ে চোখ রাঙালো। পরপর শুভ্র’র দিকে চেয়ে বলল,

” না না। তুমি আমাদের মেহমান। মেহমানকে গিফট দিতে হয়৷ তোমার থেকে নেওয়া ভালো দেখাবে না। “

” তুমি আমাকে এত পর ভাবো?”

এভাবের উত্তর টা তাজ দিল,

” তুই যদি পরের মতো আচরণ করিস তাহলে পরই ভাববে। দেশের বাইরে থাকিস, মোটা টাকা ইনকাম করিস বলে টাকা গরিমা দেখাচ্ছিস! শপিং এ গিয়ে হাজার হাজার টাকা খরচ করার সামর্থ্য নেই বলে খোঁচা দিচ্ছিস! “

শুভ্র বলল,

” আমি সেভাবে বলি নি ভাই।”

” তুই কিভাবে বলেছিস সেটা তুই ভালো জানিস। “

শুভ্র কথা ঘুরানোর জন্য আবারও বলল,

” নৌমি, আমরা কাল ঘুরতে যাচ্ছি কখন?”

তাজ কিছুটা সামনে চলে গিয়েছিল। কথা শুনেই থমকে দাঁড়াল। ঘাড় ফিরিয়ে তেজী কণ্ঠে প্রশ্ন ছুড়ল,

” কোথায় যাবি?”

আন্নি উত্তর দিল,

” আমরা সবাই ঘুরতে যাচ্ছি।”

“আমরা বলতে?”

“আমি, নৌমি আপু, রাদ, রাফি ভাইয়া, সুমি আপু, শুভ্র ভাইয়া আর… “

“আর কে?”

আন্নি ঢুক গিলে আমতা আমতা করে বলল,

” তুমি যেতে চাইলে তুমি। “

তাজ নৌমির দিকে এক নজর তাকাল। ঠোঁট বেঁকিয়ে বলল,

” আমি যেতে চাইলে…”

“না মানে…”

শুভ্র বলল,

” এই তাজ, তোর কি হয়েছে বল তো! সব বিষয়ে কথা প্যাঁচাচ্ছিস কেনো? তোকে নিয়েই যাব আমরা। “

তাজ এক দৃষ্টিতে নৌমিকে দেখছে। নৌমি মাথা নিচু করে হাতে থাকা শপিং ব্যাগগুলো দেখছে। তাজ সেদিকে তাকিয়ে থেকে চাপা নিঃশ্বাস ছেড়ে বলল,

” তোরা ঘুরে আয়৷ আমি যাব না।”

তাজ দীর্ঘ পায়ে বাসায় প্রবেশ করল। নৌমি, আন্নি আর শুভ্র তিনজনেই নির্বাক হয়ে রইল। মিনিট পাঁচেক দাঁড়িয়ে গল্প করে যে যার মতো রুমে চলে গেল।

সকাল থেকে বাড়িতে হৈ-হুল্লোড় শুরু হয়েছে। সকালে নাস্তা করেই বের হবে। তাই যে যার মতো রেডি হচ্ছে, ছুটোছুটি করছে। তাজ ভোরে উঠেই বাসা থেকে বেরিয়ে গেছে৷ আজ ফোনটাও নিয়ে যায় নি৷ ৩ টা টিউশন পড়িয়ে যেইমাত্র বাসায় ঢুকবে ওমনি ছোটখাটো একটা ধাক্কা খেল। নৌমি শাড়ি পড়ে সামনে দাঁড়ানো। হালকা মেকাপ, ঠোঁটে লিপস্টিক, কানে বড় বড় দুল সাথে চুলগুলো ছেড়ে রেখেছে। তাজের দৃষ্টি থমকে গেছে। কাজল কালো চোখজোড়ায় আঁটকে গেছে মন৷ বুকের বাঁ পাশটা অস্বাভাবিকভাবে কাঁপছে। সাদামাটা মেয়েটার এমন রূপে মুগ্ধ না হয়ে পারল না। তাজের অপলক দৃষ্টিতে খানিক লজ্জা পেল মেয়েটা৷ মাথা নিচু করে প্রশ্ন করল,

” কোথায় ছিলে এতক্ষণ? “

লাজুক কণ্ঠে করা প্রশ্নটায় অধিকারবোধ স্পষ্ট। সঙ্গে সঙ্গে তাজের দৃষ্টি সরে গেল। আমতা আমতা করে জবাব দিল,

” টিউশনে।”

“কতগুলো কল দিয়েছি তোমাকে। বাসায় এসে দেখি তুমি ফোনই নাও নি। ঘুরতে যাবে না?”

” আমাকে ছাড়াই সব পরিকল্পনা করে ফেলেছিস৷ এখন আর আমাকে কি দরকার!”

“তোমাকে কতবার বলেছি। গতকালও বলেছি। তুমি আমার কথা শুনোও না আমাকে পাত্তাও দাও না।”

তাজ চাপা স্বরে প্রশ্ন করল,

” গতকালের জামাটা পড়িস নি কেনো?”

“তুমি রাগ করে আছো। তোমার টাকায় কেনা জামা পড়ব কিভাবে?”

তাজ মৃদু হেসে বলল,

” সুন্দর লাগছে তোকে।”

“থ্যাংক ইউ, থ্যাংক ইউ।”

#চলবে

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply