Golpo romantic golpo কিস অফ বিট্রেয়াল

কিস অফ বিট্রেয়াল পর্ব ৩২


#কিস_অফ_বিট্রেয়াল

#পর্ব_৩২

#লামিয়া_রহমান_মেঘলা

[ 🚫কপি করা সম্পূর্ণ নিষেধ ]

ঘরের এক নিভৃত কোণে হাঁটু জড়িয়ে, বুকের সঙ্গে নিজেকে শক্ত করে বেঁধে বসে আছে সেরিন।

পিঠের অসহনীয় যন্ত্রণা ক্রমেই যেন দাউদাউ করে উঠছে, আর অনাহারে ক্ষীণ হয়ে পড়া শরীর তার প্রতিটি হাড়ে হাড়ে দুর্বলতার সাক্ষ্য দিচ্ছে।

চোখের জল বহু আগেই ফুরিয়ে এসেছে; এখন শুধু জ্বালা করে দুই নয়ন, শুষ্ক মরুভূমির মতো।

বাইরের পৃথিবীতে কী শব্দ উঠছে, কে ডাকছে, কে হাঁটছে, কিছুই আর তার কানে পৌঁছায় না।

বুকের ভেতর জমে থাকা এই দহন এমনভাবে মস্তিষ্ককে আচ্ছন্ন করে রেখেছে যে শরীরের অন্য কোনো সাড়া যেন আর জেগে উঠতে চায় না। সমস্ত অনুভূতি স্তব্ধ হয়ে আছে এক গভীর ক্লান্তির নিচে।

মাথার উপর বিয়ের লাল ওড়নাটি এক পাশে কাত হয়ে ঝুলে আছে।

এলোচুল ছড়িয়ে রয়েছে এলোমেলোভাবে। নূরবানু সিকদার সেগুলো গুছিয়ে দিতে চাইলে সেরিন নিঃশব্দে বাধা দিয়েছিল।

যে মানুষ তাকে বিয়ে করতে এত ব্যাকুল, সে তাকে এই ভগ্ন, বিধ্বস্ত, অগোছালো রূপেই বরণ করুক। সাজবার আর কোনো প্রয়োজন বোধ করে না সে।

দুই চোখে ঘন ক্লান্তির ছায়া নেমে এসেছে।

শেষমেশ চোখ বুজে মেঝের সেই কোণাতেই নিজেকে এলিয়ে দিল সেরিন।

খাট পর্যন্ত গিয়ে শোবার ইচ্ছেটুকুও আজ আর অবশিষ্ট নেই।

———

হঠাৎ কারও চেনা ঘ্রাণ নাকে ভেসে আসতেই একটু চোখ কুঁচকে নিল সে।

গালে কারও আলতো স্পর্শ টের পেয়ে ধীরে চোখ মেলে তাকাল।

চোখের সামনে যে অবয়বটি দেখতে পাচ্ছে, সে কি আদৌ সত্যি, নাকি ক্লান্ত মনের বিভ্রম, এই সংশয়ে সেরিন স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল তার দিকে।

খানিকক্ষণ দু’জনই শুধু তাকিয়ে রইল দু’জনের দিকে।

কায়ানের দুই চোখে সেরিনের করুণ অবস্থা দেখে যেমন ক্রোধ দাউদাউ করে জ্বলে উঠছিল, তেমনি নিজের অসহায়ত্বও তাকে গ্রাস করছিল।

সে বেঁচে থাকতে মেয়েটার এই পরিণতি হলো, অথচ সে কিছুই করতে পারল না।

কিছুক্ষণ পর যখন সেরিন বিশ্বাস পেল, এ সত্যিই কায়ান, তখন নিজের দু’হাত বাড়িয়ে দিল তার দিকে।

কায়ান এক সেকেন্ডও দেরি করল না। মেঝে থেকে তুলে নিল সেরিনকে। শক্ত করে জড়িয়ে ধরল নিজের বুকের সঙ্গে।

কায়ানের হাত সেরিনের পিঠে যেতেই সে ব্যথায় আর্তনাদ করে উঠল,

“আহ…”

সেরিনের সেই ব্যথাভরা শব্দ কানে আসতেই কায়ান ভ্রু কুঁচকে তাকাল।

সে সেরিনের পিঠের কাছ থেকে ওড়নাটা সরিয়ে খানিকটা কালচে দাগ দেখতে পেল।

সেই মুহূর্তেই যেন কায়ানের মাথা কাজ করা বন্ধ করে দিল।

দ্রুত হাতে সেরিনের ব্লাউজের হুকগুলো খুলে পিঠখানা ভালো করে পর্যবেক্ষণ করল সে।

মোটা চ্যালাকাঠের আঘাত। জায়গাটা কালচে হয়ে রক্ত জমাট বেঁধে আছে। প্রায় সমগ্র পিঠজুড়েই সেই নিষ্ঠুরতার চিহ্ন।

আঘাতের স্থান দেখেই যন্ত্রণার গভীরতা অনুমান করা যায়।

সেরিনের শরীর থেকে ব্লাউজটা কখন পড়ে গেছে, কায়ান খেয়াল করেনি।

তবে এই মুহূর্তে প্রেয়সীর শরীরের দিকে তার কোনো দৃষ্টি নেই।

এই মুহূর্তে মেয়েটার ক্ষতগুলোই তাকে প্রচণ্ড কষ্ট দিচ্ছে।

সেরিন কাঁপা হাতে শাড়ির আঁচল বুকের সঙ্গে চেপে ধরল।

কায়ান সেরিনের ঘাড়ের নিচে হাত দিয়ে তাকে নিজের দিকে ফেরাল।

মেয়েটার গালে হাতের অসংখ্য আঘাতের দাগ।

কায়ান সেরিনের উন্মুক্ত চুলগুলো কানের পাশে গুঁজে দিয়ে তার মুখশ্রীতে পরম যত্নে চুমু খেল। তারপর জিজ্ঞেস করল,

“কে মেরেছে? আম্মা?”

“আম্মার সাথে শাহারিয়ার।”

উত্তরটা শুনে কায়ানের ভেতর যেন আগুন জ্বলে উঠল।

সেরিন ক্লান্ত ভঙ্গিতে কায়ানের বুকে ঢুলে পড়ল,

“শুধু মারেনি, হুমকি দিয়েছে, বিয়ে না করলে আব্বা-আম্মাকে মেরে, আমাকে গ্যাং রেপ করাবে।”

কায়ান নিজের হাত শক্ত মুঠোয় বাঁধল। তবে সেরিনকে কিছুই বুঝতে দিল না।

সে আবার সেরিনের কপালে চুমু খেল। আশ্বাস দিতে চাইল,

“সব ঠিক আছে। আমি চলে এসেছি।”

সেরিন মাথাটা একটু কাত করে বলল,

“স্বপ্ন লাগছে সব কিছু, সত্যি এসেছেন?”

সেরিনের প্রশ্ন শুনে নিজেকে আর সামলাতে পারল না কায়ান। নিচু হয়ে মেয়েটার ওষ্ঠদ্বয় আঁকড়ে ধরল।

সেরিন নিরুত্তর হয়ে রইল। কায়ানের স্পর্শ এতটাই কোমল যে তার সমস্ত দুঃখ যেন ধীরে ধীরে গলে যেতে লাগল।

কিছুক্ষণ পর কায়ান একটু সরে এল সেরিনের কাছ থেকে।

“আমি সত্যি এসেছি।”

সেরিন হালকা হাসল।

কায়ান তা দেখে সেরিনের ব্লাউজের হুক আবার আঁটকে দিল।

এরপর তাকে পাঁজাকোলে তুলে নিল,

“চলো। বিয়ে করতে হবে।”

সেরিন কোনো উত্তর দিল না।

চুপচাপ বেড়ালছানার মতো লেপ্টে রইল কায়ানের বুকের সঙ্গে।

——–

শিমুল রাগে কটমট করতে করতে আবু সুফিয়ানের দিকে এগিয়ে আসে,

“আব্বা, আপনি কিভাবে আমাকে বা জেবরানকে না জানিয়ে এত বড় সিদ্ধান্ত নিলেন? আপনার মাথায় কি কাজ করছিলো?”

“সেরিন যার সঙ্গে এসব করেছে তোমার ভাসুর। তোমার সংসারের দিকে তাকিয়ে…..”

থামিয়ে দিলো শিমুল বাবাকে,

“আমার ভাসুর, সেরিনকে ভালোবাসে। সে সব কথা বাদ সেরিন মানলাম ভুল করেছে, এই ছেলেটাকে দেখছেন আর্মি ক্যাপ্টেনের ভেস ধারী ভন্ড এ একটা নারী পাচার কারি সঙ্ঘের সাথে যুক্ত। এরকম বিয়ে করে করে মেয়েদের দুবাই পাঠায়।

এর আগে আরও অসংখ্য বিয়ে আছে।”

আবু সুফিয়ান মেয়ের কথা শুনে অবাক হলেন। তিনি কিছু বলবে তার আগেই শাহারিয়ার বসা থেকে উঠে দাঁড়ায়। হিমেল তা দেখে নিজের ফোর্স ভেতরে প্রবশ করায়।

উপস্থিত সবাইকে হিমেলের পুলিশ গ্যাং ঘেরাও করে।

হিমেল এগিয়ে আসে আবু সুফিয়ানের দিকে,

“জি আঙ্কেল শিমুল ভাবি ঠিকই বলছে। এই দেখুন প্রমাণ। এই শাহারিয়ার আর এর বাপ মিলে এই বিজনেস করে। এর আগে বিয়ের সংখ্যা প্রায় ৩০ টা।

দেশের সব জায়গায় গিয়ে বিয়ে করে অথচ কেউ বুঝতে পারেনা। এভাবে বেঁচে যাচ্ছে প্রতিবার।

ক্যাপ্টেন আসল শাহারিয়ার যে কিনা সত্যি আর্মির ক্যাপ্টেন সে আসলে কখনো এখানে জয়েনই হয়নি।

তাকে এখানে আসার আগেই সরিয়ে ফেলেছে এরা। ওই ক্যাপ্টেনের বিয়েত হয়নি তবে গার্লফ্রেন্ড আছে। আমরা তাকে উদ্ধার করেছি।

এই শাহারিয়ার নামক ভেস ধারী লোকটা আপনার বন্ধু আসলাম ভুঁইয়ার থেকে সাহায্য নেয়।

বদলে তাকে অনেক গুলো টাকার লোভ দেখায়। আর এই আসলাম ভুঁইয়ারও সমান অপরাধী।

আমি এগুলো সব কয়টার নামকে ফাসির আপিল করব।

কমপক্ষে ১০০ মেয়ের জীবন ধ্বংস করেছে। আর মানব পাচার শহ শিশুদের অর্গান’স পাচারত আছেই৷”

সব কিছু শুনে আবু সুফিয়ান স্তব্ধ হয়ে বসে রইলেন। হিমেলের ইসারায় ওদের সবাইকে নিয়ে বেরিয়ে গেলো পুলিশ৷

সবাইকে আজ কুমিল্লা থানায় রাখা হবে। যেখানে হিমেল নিজে এসব হ্যান্ডেল করছে সেখানে ওূের শাস্তি নিয়ে কারোর আশঙ্কা নেই।

ওরা বেরিয়ে গেলে এখন শুধু রইলো পরিবারের লোকজন।

বানু মির্জা পায়ের উপর পা তুলে বসে আছেন। সেরিনের আম্মা নূরবানু সিকদার মুখে আঁচল গুঁজে কাঁদছেন।

কি করতে যাচ্ছিলেন তিনি, ভাবতেও ভয় লাগছে এখন।

হিমেলের কথা শেষ হতেই কায়ান বেরিয়ে এলো সেরিনকে পাজকোলে তুলে।

সবাই ওদের দিকে তাকায়।

বানু মির্জা কায়ানকে ইসারা করে তার পাশে গিয়ে দাঁড়াতে বলে।

কায়ানও বাধ্য ছেলের মত মায়ের পাশে গিয়ে দাঁড়ায়।

বানু মির্জা খানিকটা সময় নিয়ে বলা শুরু করে,

“আমি সিকদার বাড়ির কর্ত্রী বলতে পারেন,

আমি আমার জীবনে যত গুলো সিদ্ধান্ত নিয়েছি তা সব ভেবে চিন্তে নিয়েছি।

আমার স্বামীর মৃত্যুর পর আমি অসহায় হয়ে পড়ি।

এতটা অসহায় হয়ে পড়ি যে আমার স্বামীর ব্যবসার টাকা তার বন্ধু আফজাল খান লুফে নেয় সেখানেও কিছু বলতে পারিনা৷

আমি সবই জানতাম ভুল কি সঠিক কি। কিন্তু প্রমাণের অভাবে সেদিন আমি অসহায় ছিলাম। আমার ছেলে দু’টো সদ্য গাছে আসা কলির মত ছিলো। ফুল ফোটার প্রশ্নত দুরে থাকলো। একজন অসহায় মায়ের সেদিন কিছু করার ছিলোনা।

মেহেরীণ খানের বিয়ে ছিলো আগে সে ঘরে দু ছেলে জারিফ এবং জিনু।

মেহেরীণের বাবা বলে, জেবরান কি কায়ানের সাথে মেহেরীণের বিয়ে দিলে তিনি আপাততঃ ঋণের টাকাটা মকুব করবে। বিয়েটা ৬ বছরের হবে। ৬ বছর পর চাইলেএ বিবাহ থেকে মুক্ত হওয়া সম্ভব।

আমার জেবরানের উঠতি বয়স। কায়ান বড় ছেলে হিসাবে সিদ্ধান্ত নিলো সে বিয়ে করবে মেহেরীণকে।

কায়ান করলোও তাই। বিয়ে করলো মেহেরীণকে।

কিন্তু আমার কায়ান, এক স্কুল পড়ুয়া বাচ্চা মেয়েকে ভালোবাসত। যে মেয়ের কথা আমিও জানতাম।

সিকদার কায়ান মাহাবুবের ভালোবাসাত ঠুনকো নয় জনাব আবু সুফিয়ান। সে মেহেরীণের সাথে এক ঘরে পর্যন্ত কখনো ঘুমায় নি। মেহেরীণকে স্পর্শত দুরে থাক।

এরপর আসে জেবরানের বিয়ের সময়।

জেবরানের বিয়ের সময় কায়ান দেখে সে যেই মেয়েকে ভালোবাসত ওই মেয়ে আর কেউ নয় তার ভাইয়ের বউয়ের ছোট বোন।

এরপর কায়ান নিজেকে সংযত করতে চেয়েছে, সে ভাবত আপনারা তাকে মেনে নিবেন না। কিন্তু পারেনি, ভালেবাসা যে তার বড্ড গভীর ছিলো।

মেহেরীণ এসব জানতে পেরে আমার ছেলেকে শহ সেরিনকে মারার জন্য মানুষ পাঠায়। “

কথাটা শুনে উপস্থিত সবাই অবাক। বানু মির্জা সবাইকে দেখে ফের বলা শুরু করলেন,

“জি হ্যা মেহেরীণ, কায়ান এবং সেরিনকে খুন করতে লোক পাঠায়। আমি বুঝলাম মেহেরীণ মানসিক ভাবে অসুস্থ।

সে একজন ডক্টর তাই আমরা কখনো তাকে ধরতে পারিনি। তার বাবা ভাই সব সময় তাকে সাহায্য করেছে বিধান মেহেরীণ এসবে লায় পেয়েছে।

এরপর কায়ানের সাথে সেরিনের সম্পর্ক তৈরি হয় কিভাবে আমি জানিনা৷ কিন্তু কায়ান কখানো সেরিনকে বাজে ভাবে স্পর্শ করেনি। আমার ছেলের প্রতি সে বিশ্বাস আমার আছে।

মেহেরীণের সাথে আমি নিজে দাঁড়িয়ে কায়ানের ডিভোর্স দিয়েছি।

জি হ্যাঁ কায়ান এবং মেহেরীণের ডিভোর্স হয়ে গিয়েছে।

সেদিন রাতে শাহারিয়ার এসেছিলো সেরিনের ঘরে। সেরিনকে অজ্ঞান করে ওর ফাইদা নেবার জন্য কায়ান শুধু এসে সেরিনকে বাঁচায়।

হিমেল!”

হিমেল এগিয়ে আসে,

“জি আন্টি।”

“প্রমাণ দে বাবা৷”

হিমেল কিছু ছবি এবং ফুটেজ রাখে আবু সুফিয়ানের সামনে।

“সেরিনকে নিয়ে কায়ান বাইকে ঘুরেছে ঠিক। কিন্তু ওদের ভেতর এমন কিছুই হয়নি যাতে আপনাদের বদনাম হয়৷ আমার মাথা হেট হয়।

যাই হোক, আমি এখানে আপনার সামনে প্রস্তাব রাখতে আসিনি। আমি বানু মির্জা আমার ছেলের বউ সেরিনকে নিতে এসেছি।

আপনারা তার মা বাবা কিন্তু আপনারা যা করেছেন এরপর আপনাদের থেকে অনুমতি নেওয়া বা আপনাদের বোঝানোর মত কোন ইচ্ছে আমার নেই।

এই যে কাজি সাহেব বিয়ে পড়ানু শুরু করুন। “

বানু মির্জার কথা শুনে সবাই চুপ থাকলো। যেন কারোর মুখে কোন কথা অবশিষ্ট নেই যেটা উপস্থাপন করা যায় এই মুহুর্তে।

নূরবানু সিকদার এগিয়ে এলেন কায়ানের দিকে।

শিমুল তা দেখে বললো,

“আম্মা আমিও রাজি, ভাইয়ার সাথে সেরিনের বিয়েতে আমার কোন অমত নেই৷”

নূরবানু সিকদার আর কিছু বলতে পারলেন না।

আবু সুফিয়ান না চাইতেও সাক্ষী রইলেন।

বিয়েটা পরানো হলো আবার৷

বিয়ে পড়ানো শেষ হলে কায়ান, মায়ের দিকে তাকায়,

“আম্মা বেগম সেরিনের অবস্থা ভালোনা আমি ওকে হসপিটালে নিয়ে যাব।”

“ঠিক আছে চলো আমিও যাব। বাকিরা ধিরে ধিরে আসুক৷”

কায়ান আর এক মুহুর্ত দাঁড়ালো না সেখানে। সেরিনকে এবং মাকে নিয়ে বেরিয়ে গেলো।

নূরবানু সিকদার তখনো মুখে আঁচল চেপে কাঁদছেন। মেয়েটাকে না মেরে বানু মির্জার মত শক্ত হাতে সব সামলাতে পারতেন তিনিও।

কিন্তু তিনি তা না করে মেয়েটাকে কুকুরের মত পিটিয়েছে।

মাকে এভাবে কাঁদতে দেখে শিমুল এগিয়ে যায়।

আহি এবং জেবরান সবার জন্য পানির ব্যাবস্থা করে।

চলবে?

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply