Golpo romantic golpo কী ভয়ংকর মায়া তোর

কী ভয়ংকর মায়া তোর পর্ব ৩৬


#কী_ভয়ংকর_মায়া_তোর

#পার্ট_৩৬

#লেখিতে_আরিফা_তাসনিম_তামু

____কপি করা সম্পূর্ণ নিষেধ ❌🚫_____

বিষাদময় এক কালো রাত পার হয়ে একটু একটু করে ভোরেরে আলো ফুটছে।ভোরের পাখিদের কিচিরমিচির শব্দ হচ্ছে। বাইরে আলো ফুটলেও নেওয়াজ বাড়িটা অন্ধকারে ছোঁয়া। নিস্তব্ধ পুরো বাড়ি।বাইরের থেকে যে কেউ দেখলে হয়তো ভাববে।এই বাড়ির সদস্যরা আজকে কেউই এখনো ঘুম থেকে উঠেনি।অথচ গোটা একটা রাত নেওয়াজ বাড়ির কেউই দু-চোখের পাতা এক করেনি।ঘুম পাগল আহি ফিহাও ঘুমাতে পারে নি।ফিহার মনে যতই অহংকার হিংসা থাকুক না কেন।ইয়ানাকে বড় বোন হিসেবে সম্মান করে ভালোবাসে।ইয়ানার জন্য ফিহারও কষ্ট হচ্ছে সেও কেঁদেছে অনেক।

আতিয়া নেওয়াজ বাদে পুরো একটা রাত সবার কেটে গেলো ড্রয়িং রুমে।আজ আর কিচেন রুমে নাস্তা বানানো তাড়া নেই গৃহিণীদের।বড়দের কারো অফিস কারো হসপিটাল ছোটদের কলেজ ভার্সিটি কারো কোথাও যাওয়ার তাড়া নেই।

আদ্র মাথা নিচু করে বসে আছে।চোখ দুটো টকটকে লাল। মুখ টা ফ্যাকাশে।মনে মনে আল্লাহর কাছে বারবার প্রার্থনা করছে তার বোনটাকে যেন সুস্থ ভাবে পেয়ে যায়।আদ্রের রৌদ্রের কথা বার বার মনে পড়ছে।তার মনে হচ্ছে এই মুহূর্তে রৌদ্র থকলে কোনো না কোনো উপায়ে তার বোনকে খুঁজতে সাহায্য করতো।কাল থেকে হাজার টা কল দিয়েছে সে রৌদ্র কে। ওপাশ থেকে বার বার বন্ধ বলছে।আদ্রের সব কিছু শূন্য শূন্য লাগছে।বোনটা তার খুব আদরের।

___________

পরপর দুটা গাড়ি এসে থামে নেওয়াজ বাড়ির সামনে। একটা থেকে বের হয় পুলিশ আরেকটা থেকে সাদা কাপড়ে পেছানো একটা দেহ।

এখন ভোর ৬টা বাজে সবাই আবার খুজার জন্য বের হতে নিচ্ছিলো।এমন সময় বাড়িতে পুলিশ দেখে সবাই দাড়িয়ে পড়ে। সবাই ভেবেছে পুলিশ হয়তো কোনো খোঁজ পেয়েছে৷ কিন্তু পুলিশ অফিসারের পিছনে দুজন লোককে সাদা কাপড়ে পেছানো মানুষের দেহের মতো কিছু একটা নিয়ে আসতে দেখে সবাই থমকে যায়। লোক দুইটা দেহটা এনে নেওয়াজ বাড়ির ড্রয়িং রুমে মাঝখানে রাখা হয়।

সবাই কৌতূহল নিয়ে দেহটার দিকে তাকিয়ে আছে। কেউ বুঝতে পারছে না কি হচ্ছে।সবাই হয়তো কিছু সময়ের জন্য ভুলে বসেছে যে ইয়ানা নিখোঁজ। পুলিশ অফিসার আদ্রের সামনে গিয়ে দাঁড়ায়।আদ্র দেহটার দিকে ভ্রু কুঁচকে চেয়ে ছিলো।অফিসার কে নিজের সামনে এসে দাঁড়াতে দেখে দেহটা থেকে চোখ সরিয়ে অফিসারের দিকে তাকায়।পুলিশ অফিসার আদ্রের দিকে চেয়ে বলে উঠে—

—সরি মিস্টার আদ্র। আমরা আপনার জীবিত অবস্থায় খুঁজে পায়নি।ভোর ৫টায় জঙ্গলে একটা পুকুরে ভেসে উঠা আপনার বোনের মৃত দেহ আমরা উদ্ধার করি।

পুরো নেওয়াজ বাড়িতে যেন বাঁজ পড়ে। পুরো বারি থমকে যায় নিস্তব্ধতা বিরাজমান। আজিজ নেওয়াজ কাল থেকে নিজেকে ধরে রাখতে পারলেও আজ এই মূহুর্তে আর পারল।

ঢলে পড়তে নিলে ফাইজ বড় আব্বু বলে চিৎকার করে দৌড়ে এসে ধরে।সবাই উনাকে নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করছে।তবে আদ্র স্থীর হয়ে দাঁড়িয়ে আছে তার দৃষ্টি এখনও সাদা কাপড়ে পেছানো দেহটায় সীমাবদ্ধ।

—মিস্টার আদ্র। আমার মনে হচ্ছে কেউ আমার বোনকে হত্যা করেছে।আপনি উনার ফেইস টা দেখলেই বুঝতে পারবেন।চেহারাটা একদমই বুঝা যাচ্ছে না।আপনি একবার দেখে নিন।উনার লাশ টা আমরা সাথে করে নিয়ে জাবো।প্লিজ তাড়াতাড়ি করুন আমাদের আরো কাজ আছে।

আদ্র মুখে কিছু বলল না।ধীরে ধীরে বসে লাশটার পাশে।তার বুকটা ফেটে যাচ্ছে। চোখটা হঠাৎ ছলছল করে উঠল।আদ্র ধীরে ধীরে কাঁপা কাঁপা ডান হাতটা বাড়িয়ে যেইনা মুখ থেকে কাপড় টা সরাতে যাবে রৌদ্রের কথায় থেমে যায়।

—কী হচ্ছে এখানে আদ্র।এতো পুলিশ কেন?

রৌদ্রের কন্ঠস্বর পেয়ে সবাই দরজার দিকে তাকাতেই থমকে যায়।আদ্র একবার দরজার দিকে চায় তো একবার লাশটার দিকে।এলোমেলো চুলে ফ্যাকাশে মুখ গায়ে ধুলোবালি নিয়ে দরজার সামনে দাড়িয়ে আছে রৌদ্র। তার কোলে সাদা ড্রেস পড়া ইয়ানার নিথর দেহখানা।আহি সবার আগে দৌড়ে ভাইয়ের কাছে যায়।ভাইয়ের কোলে ইয়ানাকে দেখে ঝরঝর করে কেঁদে দেয়।

—ভাইয়া ইনা আপুইর কী হয়ছে চোখ বন্ধ করে আছে কেন?জানো পুলিশ ওই লাশটা নিয়ে এসে বলছে ওটা ইনা আপু।

রৌদ্র এবার বুঝল এতো পুলিশ কেন এখানে।সবাই এবার রৌদ্র কে ঘিরে ধরে। এটা ওটা প্রশ্ন করছে।তবে আদ্র চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে তার দৃষ্টি রৌদ্রের ক্লান্ত মুখের দিকে আর বোনের নিথর দেহের দিকে।পুলিশ অফিসার নিজের লোকেদের ইশারা দিল লাশটা নিয়ে যেতে।উনিও চলে গেলেন যাওয়ার আগে আদ্রকে বলল থানায় গিয়ে দেখা করে আসতে এখানে হয়তো কিছু মিস্টেক হয়েছে। আদ্র নীরবে সম্মতি দিল।এইদিকে সবাই রৌদ্র কে জিজ্ঞেস করছে বারবার ইয়ানার কী হয়েছে কোথায় ছিল?রৌদ্র কোথায় পেলো ইয়ানাকে।

—রৌদ্র ওকে ওর রুমে নিয়ে যা।আমি ডাক্তারকে কল দিচ্ছি।

রৌদ্র শুধু একবার আদ্রের দিকে চেয়ে যেতে যেতে বলে

—মহিলা ডাক্তারকে আসতে বল।

_______________

রুমে এনে রৌদ্র ইয়ানাকে শুইয়ে দিল।তাকাল ইয়ানার দিকে।গালে গলায় বিভিন্ন জায়গায় আঁচড়ের দাগ। কামড়ের দাগ।রৌদ্র চোখ সরিয়ে চোখ বুঝে নিল।কাঁথা দিয়ে ইয়ানার শরীর টা ঢেকে দিল।এর কিছুক্ষণ পর একে একে সবাই এসে হাজির।ইয়ানার শরীরে এতো দাগ দেখে সবাই রৌদ্রের দিকে তাকাল।আদ্র নিজেও।রৌদ্র একবার আদ্রের দিকে চেয়ে চোখ ভুজে মাথা নাড়িয়ে কিছু বুঝাল।তারপর চুপচাপ রুম থেকে বের হয়ে গেলো।

ডাক্তার এসে ইয়ানাকে দেখে গেলো।শরীর ক্ষত গুলোও দেখল।যা বলার আদ্রের সাথে বলেছে।আদ্র সবাইকে বলেছে রৌদ্রকে কেউ যেন কোনো প্রশ্ন না করে। ইয়ানার জ্ঞান ফিরলে ওর থেকে জেনে নিবে।আতিয়া নেওয়াজে ঘুম ভাঙ্গার পর মেয়েকে সামনে দেখেও শান্ত হতে পারেন নি।মেয়ের এই অবস্থা দেখে।

_____________

প্রায় আধাঘন্টার মতো পানির নিচে দাঁড়িয়ে চোখ বুঝে আছে রৌদ্র। না তো চোখ খুলছে না তো পানির নিচ থেকে সরছে।তার চোখে ভাসছে কালকের ঘটনা।

*__________*

নিজের মন কে ধমাতে না ফেরে সব কাজ পেলে গাড়ি নিয়ে বের হয়ে যায় রৌদ্র। কিন্তু মাঝরাস্তা এসে গাড়িটা নষ্ট হয়ে যায়।বাইরের তখন ঝড় হচ্ছে বৃষ্টি আর বৃষ্টি। গাড়িটা নষ্ট হয়েছে তো হয়েছে একবারে সুনশান রাস্তায় হয়েছে।চারপাশে গাছ আর গাছ।একপাশে ঘন জঙ্গল।রৌদ্র গাড়িতে বসে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে।বৃষ্টি থামলে গাড়ি থেকে নামে। আশেপাশে কাউকে পায় কিনা একটু সাহায্যের জন্য। মোবাইল ও নেই তার কাছে।কিছুটা বিরক্ত হল রৌদ্র।গাড়ি থেকে নেমে দাঁড়াতেই একটা ১১-১২ বছরের বাচ্চা ছেলে জঙ্গল থেকে দৌড়ে বের হয়ে এসে দাঁড়াল রৌদ্রের সামনে।রৌদ্র ভ্রু কুচকে চেয়ে আছে।ছেলেটা অনবরত হাঁপাচ্ছে।হাঁপাতে হাঁপাতেই বলে

—ভাইয়া প্লিজ একটু সাহায্য করুন আমাকে।

—কেন কী হয়েছে তোমার?

—আমার সাথে একটু চলুন ওই জঙ্গলে। ওইখানে কিছু লোক একটা আপুকে টেনে নিয়ে একটা ঘরে ডুকিয়ে ফেলেছে।আপুটা বারবার বাঁচাও বাঁচা ও বলে চিৎকার করছে।

ছেলেটার কথায় রৌদ্র যাবে কি যাবে না ভেবে পাচ্ছে না।আবার ভাবে না গেলে অন্যায় হবে ঘরে তারও মা বোন আছে।আজ যদি তার কেউ বিপদে পড়তো?রৌদ্র আর দেরি না করে ছেলেটার পিছন পিছন যায়।

ছেলেটা একটা ছোট কুঁড়ে ঘর দেখিয়ে দেয়।আশেপাশে আর কোনোর ঘর নেই।ভিতর থেকে গোঙানির শব্দ ভেসে আসছে।

—ভাইয়া আপনি যান।সাবধানে যাবেন ওরা খারাপ লোক। কিছু থাকতে পারতে। আমি গেলাম বাড়িতে আমার অসুস্থ মা আছে।আবার বৃষ্টি নামতে পারে।

বলেই ছেলেটা দৌড়ে চলে গেলো।রৌদ্র কে কিছু বলার সুযোগ দিল না।রৌদ্র বাড়িটার দিকে তাকাল তার বুকটা কেন যেন জ্বালা করছে অনেক।কেন এমন হচ্ছে?, ঘর থেকে এখনও শব্দ আসছে।রৌদ্র আর দেরি করল না।দ্রুত হেঁটে দরজার সামনে দাড়ায়।একটা পুটা দেখা যায় সেটা দিয়ে রৌদ্র দেখার চেষ্টা করে ভিতরে কী হচ্ছে। যা দেখল তাতেই মাথা রক্ত উঠে গেলো।চারজন ছেলের মিলে একটা মেয়ের সাথে জোর জবরদস্তি করছে।মেয়েটাকে ভালো মতো দেখা যাচ্ছে না।

রৌদ্র আর দেরি করল না।লাথি মেরে দরজার ভেঙ্গে ভিতরে ডুকে গেলো।দরজার খোলার আওয়াজে ছেলেগুলা পিছন ফিরে তাকায়।রৌদ্র কোনো দিকে না তাকিয়ে এক-একটাকে ইচ্ছে মতো ফিটাতে থাকে।সবগুলা আধমরা হয়ে নিচে পড়ে গেলে।আর পিছন ফিরে মেয়েটার দিকে তাকাতেই তার দুনিয়া ঘুরে যায়।নিভু নিভু চোখে ইয়ানা তার দিকে তাকিয়ে আছে। ঠোঁট নাড়িয়ে কিছু বলছে।ইয়ানার শরীরের দিকে তাকাতেই রৌদ্রের বুকটা মোচড়ে উঠে।দ্রুত গায়ে শার্ট টা খুলে ইয়ানার কাছে গিয়ে ওর গায়ে পেছিয়ে দিয়ে বলে।

—এই বেয়াদব মেয়ে তুমি এখানে কীভাবে এলে?

ইয়ানা কিছু না বলেই রৌদ্র জড়িয়ে ধরে ঝরঝর করে কেঁদে দেয়।প্রথমবার কোনো নারীকে নিজের এতটা কাছে আসতে দেখে। রৌদ্রের গলা শুকিয়ে আসে।এর আগে ইয়ানা তার এত কাছে আসে নি কখনো।যতবার এসেছে ঝগড়া করতে তখন রৌদ্র অতটা ফিল করি নি।তবে আজ?হঠাৎ ইয়ানা ডলে পড়ে রৌদ্রের উপর।রৌদ্র মুখটা সামনে এনে দেখে জ্ঞান হারিয়েছে।মেয়েটার শরীরটাও ভিজে জুবুথুবু হয়ে আছে।রৌদ্র কোলে তুলে নিয়ে হাঁটা দিল।যাওয়ার আগে ছেলে গুলার দিকে চেয়ে হুংকার দিল

—আজ যাচ্ছি তবে কথা দিচ্ছি দুনিয়ার যে প্রান্তেই থাকিস না কেন।আমার রৌদ্র তোদের খুঁজে বের করে এক একটার কলিজা ছিঁড়ে নিব।

বলেই রৌদ্র বড় বড় পা ফেলে বের হয়ে গেলো।

_________,

গাড়িতে এনে রৌদ্র ইয়ানাকে পিছনের সিটে শুইয়ে দিল।পানি এনে পানির ছিটা দিয়ে হালকা গালে থাপ্পড় দিয়ে ডাকে

—এই ইয়ানা চোখ খুলো তাকাও।

এই প্রথম রৌদ্র ইয়ানার নাম ধরে ডাকল।তবে আফসোস ইয়ানা শুনল না।ইয়ানার অবস্থা খারাপ। রৌদ্র কী করবে বুঝে পাচ্ছে না। ফোনটাও সাথে নেই।গাড়ি টাও নষ্ট। রাস্তা দিয়ে কোনো গাড়িও যাচ্ছে না।রৌদ্র গাড়ি থেকে বের হতে একজন লোককে এই দিকে আসতে দেখে।রৌদ্র সাহায্য যায় চায় তার কাছে।

লোকটা কেমন করে তাকায় রৌদ্রের দিকে গায়ে শার্টে নেই।একটা সেন্টু গেঞ্জি গায়ে জড়ানো।রৌদ্র হয়তো বুঝল কিছু।পুরো ঘটনা বলে।ঝড় শুরু হচ্ছে ইতিমধ্যে আবার।

—ঝড় আসছে এই রাস্তায় গাড়ি পাবে না এখন আর সামনেই আমার বাড়ি মেয়েটাকে নিয়ে এসো।আজকে রাতটা থেকে জাও সন্ধ্যা নেমে আসছে।এটা শহর না জঙ্গলি এলাকা আরো বিপদে পড়তে পারো।

রৌদ্র মেনে নিল।ভাবল লোকটার বাড়িতে গিয়ে ফোন নিয়ে আদ্রকে জানাবে।ইয়ানার অবস্থাও খারাপ এভাবে রাখা যায়।লোকটার সাথে রৌদ্র ইয়ানাকে কোলে নিয়ে আসে।ছোটোখাটো টিনের ২ রুমের একটা ঘর।লোকটা এসে উনার স্ত্রীকে ডাকতেই দরজা খুলে দিল।লোকটা বলল রৌদ্রের পাশে রুমে নিয়ে যেতে।আর কী কী লাগে দেখতে।মহিলা রৌদ্রের দিকে একবার চেয়ে স্বামীর কথা মতো তাই করে।

মাগরিবের পর ইয়ানার জ্ঞান ফিরে কান্না কাটি শুরু করে দেয়।বার বার নিজেকে গুটিয়ে নিচ্ছে রৌদ্রের কথাও শুনছে তার থেকে দূরে দূরে থাকছে।আবার বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করছে।এসব দেখে লোকটার স্ত্রীর সন্দেহ হয়। উনার স্বামী কে গিয়ে বলে।

—মেয়েটা অবস্থা দেখছো কেমন?আমার সন্দেহ হচ্ছে তুমি কিছু করো।

লোকটা দেখছি বলে চলে চায়।

১০ মিনিট পর লোকটা একটা টুপি পড়া দাড়িওয়ালা লোক নিয়ে রৌদ্রের রুমে যায়।রৌদ্র লোকটাকে দেখে ভ্রু কুঁচকে আসে।রৌদ্র যথেষ্ট বুদ্ধিমান তার মস্তিষ্ক ধরে ফেলে সব। আর ইয়ানা যা শুরু করছে যে কেউ অন্য কিছু মনে করবে।

—কী হয়েছে আংকেল?উনি কে?,

—কী হয়েছে বুঝতে পারছো না?না কি বুজেও নাটক করছো?

—মানে কী?

—মানে মানে পরে করো নষ্টামি করে বেড়াও আবার নাটক মারাও চুপচাপ বিয়ে করে নাও। মেয়েটাকে কোথায় থেকে তুলে এনে এমন করেছো?

রৌদ্র বুঝাতে চায় একবার ফোনটাও চায় কিন্তু লোকটা মানতে নারাজ। শেষমেষ বিয়ে টা হয়েই যায়।

(রিচেক করেনি হাতে সময় নেই ভুলের জায়গাটা বুঝে পড়ে নাও আমি পরে এডিট করে ভুল গুলা ঠিক করে দিব।দ্রুত লেখেছি অনেক ভুল হয়েছে। কষ্ট করে বুঝে পড়ে নাও)

চলবে,

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply