Golpo romantic golpo কিস অফ বিট্রেয়াল

কিস অফ বিট্রেয়াল পর্ব ২৯


কিসঅফবিট্রেয়াল

পর্ব_২৯

লামিয়ারহমানমেঘলা

[ 🚫কপি করা সম্পূর্ণ নিষেধ ]
ভোরের আলো ধরণী জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে।
পাখিরা নিজেদের বাসা থেকে বেরিয়ে খাবার সন্ধানে বেরিয়েছে।
কর্মব্যস্ত মানুষের জীবনে শুরু হয়েছে নতুন এক সকাল।
মাহমুদ কফির কাপ হতে তাদের বাড়ির বাগানে বাকি সবার সাথে গিয়ে বসে।
সেখানে মেহেরীণ এবং আফজাল খান উভয় উপস্থিত ।
মেহেরীণের মনটা খারাপ। আফজাল খান মেয়েকে উদাসীন দেখে বলেন,
“মা মেহেরীণ কষ্ট পেও না মা। যে তোমাকে কষ্ট দিয়েছে তাকে আমি ছাড়ব না৷”

মেহেরীণ বাবার দিকে চায়। আফজাল খান মেয়ের হাতে হাত রাখে,
“আমি এবার এমন কিছু করব যেটা সিকদার কায়ান মাহাবুব কল্পনা করতে পারবে না। বিশ্বাস করো কথা দিচ্ছি সব ঠিক করে দেব৷’

মেহেরীণ বাবাকে জড়িয়ে ধরে।
মাহমুদ কফির কাপে চুমুক দিতে ওর ফোনে একটা নোটিফিকেশন আসে। মাহমুদ কাপটা রেখে নোটিফিকেশন চেক করে। স্ক্রিনে ভাসমান ম্যাসেজ গুলো দেখে ঠোঁটের কোণায় ফোটে বাঁকা হাসি,
” বেশি দেরি করতে হবেনা আপু খেলা শুরু হয়ে গেছে।”

মেহেরীণ কথাটা শুনে ভাইয়ের দিকে চায় বিভ্রান্ত হয়ে। মাহমুদ ফোনটা বোনের দিকে ঘোরায়,
“একটু অপেক্ষা কর সব ঠিক হয়ে যাবে।”

মেহেরীণ স্ক্রিনে ভেসে ওঠা ছবি গুলো দেখেও আন্দাজ করতে পারেনা ঘটনা৷
মহামুদ বোনের এমন কানফিউস’ড লুক দেখে হাসে খানিক।
“চিন্তা করিস না বোন সময় হলে বুঝতে পারবি।”


কুমিল্লা থেকে সিকদার নিবাস পর্যন্ত বাইক চালিয়ে এসে কায়ান ভীষণ ক্লান্ত হয়ে যায়। ক্লান্ত শরীর খানা বিছনায় এলিয়ে দিতে কায়ানের সেক্রেটারি কল করে।
কায়ান বিরক্ত হয়ে ফোন তুলে নেয়।
ওপাশ থেকে ইমারজেন্সি কল করা হয়েছে।
একটু বিশ্রাম না নিয়েই কায়ান তখনই অফিসের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে যায়।


সকাল সকাল গোয়াল থেকে গরু বার করে দিয়ে হাস মুরগির ঘর খুলে দিচ্ছিলেন নূরবানু সিকদার।
হাস মুরগির ঘরে আজ বেশ কিছু ডিম পেলেন তিনি। দেরি না করে ঘর থেকে একটা জালি নিয়ে ডিম গুলো তুলে রাখলেন।
এমন সময় আকবর মিয়া শহ বেশ কিছু মুরব্বিরা বাড়ির উঠানে পা রাখলো।
আকবর মিয়া হলেন গ্রামের একজন প্রভাবশালী মানুষ। তার পূর্বপুরুষেরা এ গ্রামের জমিদার ছিলেন ফলে তিনি বর্তমান এ গ্রামের মাতব্বর।

অনেক গুলো পরপুরুষকে দেখে নূরবানু সিকদার মাথায় কাপড় তুলে নিলো।
বসা থেকে উঠে দাঁড়িয়ে বলল,
“আসসালামু আলাইকুম ভাই। “

আকবর মিয়া এগিয়ে এলেন,
“ওয়ালাইকুম সালাম। আবু সুফিয়ান আছে ঘরে?”

“জি ভাই আছে৷ আসুন আপনারা৷”

“তাকে ডাকেন ভাবি এখানে কোন ভালো আলাপ করতে আমরা আসিনি৷”

আকবর মিয়ার কন্ঠ শুনে নূরবানু সিকদারের বেশ অদ্ভুত লাগলো। লোকটা এভাবে কথা বলেনা। নূরবানু সিকদার দ্রুত পায়ে ডিমের ঝুড়িটা হাতে ঘরে চলে গেলেন।
রুমে বসে থাকা আবু সুফিয়ানকে ডেকে ফের বের হলেন দম্পতি।
আসবার সময় কিছু চেয়ার নিয়ে উঠানে দিলেন।
আকবর মিয়া বসলেন। সামনে আবু সুফিয়ান।
আকবর মিয়া পাশের ছেলেটার থেকে ফোন নিয়ে কিছু বের করে আবু সুফিয়ানের সামনে রাখলেন,
“দেখোত ভাই চেনা যায় মেয়েটাকে?”

আবু সুফিয়ান ফোনটা হাতে নিয়ে অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলেন। ছবিতে সেরিন একটা ছেলের কাছাকাছি দাঁড়িয়ে। ছেলেটা সেরিনের কোমড় জড়িয়ে ধরে রেখেছে।
এরপর আরও বেশ কিছু ছবি কিন্তু ছেলেটাকে বোঝা যাচ্ছে না।
আবু সুফিয়ানের হাত কাঁপতে শুরু করলেন। মেয়েটা এত রাতে একটা ছেলের সাথে তাদেরই বাড়ির সামনে এভাবে দাঁড়িয়ে আছে।
নূরবানু সিকদার স্বামীর অস্থিরতা অনুভব করতে পারলেন। তিনি ফোনটা হাতে নিয়ে ছবি গুলো দেখে অবাক হয়ে গেলেন।
আকবর মিয়া রাগান্বিত কন্ঠে বলা শুরু করলেন,
“গ্রামের ছেলে মেয়ে এত নিচে নাইমা যাবে টের পাইনি ভাই।
তোমার মাইয়াডারে ভালো ভাবছিলাম। রাত বিরাইতে পর পুরুষের এত ঘনিষ্ঠতা মানে বোঝ কত দুর? মাইয়ারে সামলাও মাইয়া কেন এরাম করবে। প্রেম করবে করুক। সেইডা আলাদা করুক দিনের বেলায়। হেরত বিয়াও হয়নি যে কইব মাইয়ার বিয়া হইছে স্বামীর সাথে এইসব করে।
মাইয়া এত রাইতে কি করে হেইডা আমারে বুঝাও৷”

আবু সুফিয়ান স্তব্ধ। কিছু বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছেন। একজন কন্য সন্তানের বাবা হিসাবে অন্যের মুখে এসব কথা শোনাড থেকে মৃত্যু বুঝি বেশি ভালো।
আকবর মিয়ার কথার মাঝে পাশ থেকে একজন বলে উঠলেন,
“ভাইজান যারা শরীর বেচা মাইয়া সহজ ভাষায় ব্য** তারাই এত রাতে বাইর হয় পরপুরুষের সাথে দেখা করে। বিষয়ডা মনে হয় আপনাকে বোঝানো লাগত না।”

নূরবানু সিকদার আর শুনতে পারলেন না। তিনি দু হাতে কান চেপে ধরলেন,
“আপনারা আমার মেয়েটাকে এতটা জঘন্য খেতাব দিয়েন না ভাইজান। ও ছোট মানুষ আমি শুনব ওর কাছে সবটা৷”

আকবর মিয়া লোকটার দিকে ফিরে তাকালেন। লোকটা চুপ হয়ে গেলো।
“দেখো ভাবি আমি সেরিনের সম্পর্কে এমন কিছু বলতে আসিনি। আমরা এখানে ৫ জন আইছি ৫ জনের একজনের মাথায় এই কথা আইছে তাইলে বুঝো বাকি গ্রামের সবাই কি কি মন্তব্য করতেছে।”

আবু সুফিয়ান অবাক হয়ে গেলেন,
“গ্রামের সবাই জানে?”

“গ্রামের সবাই জাইনা গেছে। মোড়ে এই ছবি পোস্টারের মত করে কেউ লাগাইছে। আমি ওদের রাগ করছি এসব না করতে।
পোলা পাইন মানুষ ভাই কেমনে সামলাব আমি? আর তোমার মাইয়া যে কাম করছে এতে আমার জোর গলায় কওনের কিছু নাই।
শুনো মাস্টার সারা জীবন সম্মানের সাথে বাঁচছো। কখনো তোমারে দেখিনি এমন কিছু করতে যাতে তোমার কোন অসম্মান হইছে।
হালাল খাইছো, হালাল পরছো। আইজও চাইনা এমন কিছু হোক। মাইয়ারে বিয়া দিয়া দাও আর পড়ালেখা করা লাইগত না৷
মাইয়া বিগড়েছে। “

কথা গুলো শেষ করে আকবর মিয়া তার সঙ্গীদের নিয়ে বেরিয়ে গেলো বাড়ি থেকে।
নূরবানু সিকদার মাটিতে বসে পড়লেন।
আবু সুফিয়ানও সেখানে ঠায় হয়ে বসে রইলেন কিছুক্ষণ।
“শিমুলের আম্মা।”

নূরবানু সিকদার স্বামীর ডাকে ফিরে চাইলেন,
“মেয়ের কাছো জিজ্ঞেস করো ছেলেটা কে। আমাকে দ্রুত জানাও।”

কথাটা বলে আবু সুফিয়ান উঠে নিজের রুমে চলে গেলেন।
নূরবানু সিকদার মাটি থেকে উঠে সেরিনের রুমে চলে এলেন৷
সেরিন ঘুমাচ্ছে, সেরিনের পরনে সেই থ্রি পিচটা যেটা সে কাল পরেছিলো এবং যেটা পরা ছবি তার উঠেছে৷
নূরবানু সিকদার, সেরিনের কাছে এসে সেরিনকে ডাকলেন,
“সেরিন।
সেরিন।
সেরিন ওঠ।”

মায়ের গম্ভীর এবং খানিকটা কান্না মিশ্রিত কন্ঠ শুনে সেরিন চোখ খুলে তাকায়।
“আম্মা কি হয়েছে?”

“ওঠ উঠে বস৷”

সেরিন উঠে বসে বিছনায়। সেরিনের চোখ মুখ দেখে বোঝা যাচ্ছে সে ঘুমায়নি রাতে।
তার উপর সেরিনের পরনের থ্রি পিচটা। নূরবানু সিকদারের সামনে সব কিছু পরিষ্কার।
তিনি হুট করেই মেয়ের গালে থাপ্পড় বসিয়ে দিলেন। সকাল সকাল মায়ের হাতের থাপ্পড় খেয়ে সেরিনের ঘুম জেন উবে গেলো।
সে চোখ বিস্মিত চোখে মায়ের দিকে তাকিয়ে রয়৷
নূরবানু সিকদার, এগিয়ে গিয়ে সেরিনের চুল গুলো টেনে ধরলেন। তার রাগ কমছে না, মেয়েটাকে দেখে তার প্রচন্ড রাগ হচ্ছে।

সেরিন ব্যথায় আর্তনাদ করে উঠলো,
“আহ মা কি হয়েছে? এমন করছো কেন? কি করেছি আমি?”

“বেয়াদব মেয়ে কি করেছিস তুই? রাত বিরাতে কার সাথে ঘুরিস তুই? কাল মাঝ রাতে কার সাথে দেখা করেছিস? কোন ছেলের সাথে ডলাডলি করেছিস? তোর ছবি গ্রামের মানুষের ভেতর ছড়িয়ে গিয়েছে। মুখপুরি কে ওই ছেলে যার সাথে তোর রাতে দেখা করতে হয়? এই মুখপুরি ওই ছেলে তোকে কোথায় কোথায় স্পর্শ করেছে বল।”

নূরবানু সিকদার লাগাম হিন ভাবে সেরিনকে আঘাত করতে থাকে।
সেরিন উপায় না পেয়ে মায়ের পা দু’টো আঁকড়ে ধরে।
“আম্মা বিশ্বাস করো আমি কিছু করিনি কারোর সাথে।”

সেরিনের মিথ্যা শুনে নূরবানু সিকদার আরও রেগে গেলেন। গোটা চুলের মুঠি শক্ত করে ধরে ফের দু’টো চড় লাগিয়ে দিলেন মেয়ের দু গালে।
সেরিন ছিটে পড়লো মেঝেতে তখনি ওঘর থেকে আবু সুফিয়ান হেঁটে এলেন এ ঘরে ।

“কি করছো নূরবানু।”

“আমাকে বাঁধা দেবেন না। ওর কিসের কম ছিলো আপনি ওকে কিসের কমতি দিয়েছেন যে আজকে ও এই পর্যায়ে নেমে গেলো?”

আবু সুফিয়ান মহিল কন্ঠে জবাব দিলেন,
“সব দিয়েছি নূরবানু কিন্তু শিক্ষাটা দিতে পারিনি। পারলে কি আর গ্রামের মানুষ বাড়িতে এসে আমার মেয়েকে আমার সামনে বে** বলে যায়।”

সেরিন বিস্মিত চোখে বাবার দিকে তাকিয়ে রইলো। গ্রামের মানুষ এসব বলে গিয়েছে।
নূরবানু সিকদার ফের এগিয়ে গেলেন সেরিনের দিকে,
“কিরে বলছিস না কেন ছেলেটা কে? এই বেয়াদব মুখ খোল।”

সেরিন মাথা নামিয়ে কান্না করতে করতে বলে,
“আম্মাহ…. “

“খবরদার ওই মুখে মা ডাকিস না আমাকে। জলদি বল ছেলেটা কে।”

“ক কায়ান ভাই।”

সেরিনের কথাটা শোনা মাত্র নূরবানু সিকদার শহ আবু সুফিয়ান উভয় নিজের স্থানে স্তব্ধ হয়ে গেলেন।
তারা দু’জন নিজেদের কানকে বিশ্বাস করতে পারছেন না।
দু’জন নিজেদের স্থানে ঠায় হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন।
সেরিন জানে এবার হয়ত আর শেষ রক্ষা হলোনা।
নূরবানু সিকদার হটাৎ করেই সেরিনের শরীরে ঘরের দরজার মোটা আড়বাড়ি দিয়ে আঘাত করলেন।
সেই আঘাত সইতে না পেরে সেরিন ফ্লোরে শুয়ে পড়লো। নূরবানু সিকদারের ক্রোধ এতটা বেশি ছিলো তিনি সঠিক ভুলের হিতাহিত জ্ঞান টুকু হারিয়ে বসেছেন৷
সেরিনের পিঠে এতটা আঘাত পেয়েছে যে মেয়েটা কিছুক্ষণের জন্য নিঃশ্বাস নেওয়াও ভুলে গিয়েছে।
মোটা মেহেগুনি কাঠের আড়বাড়ি খানা ভেঙে দু টুকরো হয়েছে মেয়েটার পিঠেই।
সেরিন যে নিঃশ্বাস নিতে পারছে না সে দিকেও নূরবানু সিকদারের কোন খেয়াল নেই৷
তিনি এগিয়ে এসে সেরিনের চুলের মুঠি ধরে উঁচু করলেন।
সেরিনের মুখশ্রী রক্তিম বর্ণ ধারণ করেছে। মেয়েটা হাত ঝাপটে বোঝাচ্ছে সে নিঃশ্বাস নিতে পারছে না৷ কিন্তু নূরবানু সিকদার যেন সেটাও বুঝলেন না।
“হারামজাদি মেয়ে। তোর এই কু নজর আমার বড় মেয়ের সংসারের উপর পড়েছে।
এই মুখ পুড়ি কি বলছিস তুই তোর কোব জ্ঞান আছে? ছেলেটা কায়ান মানে? তুই নিজের বড় বোনের ভাসুরের সাথে ছি।
ওই কায়ানের দুই ছেলে আছে সেরিন।”

আবু সুফিয়ান মেয়ের বেগতিক অবস্থা দেখে দ্রুত এগিয়ে এসে স্ত্রীর থেকে মেয়েকে ছাড়ালেন,
“নূরবানু কি করছো। সেরিন নিঃশ্বাস নিতে পারছে না।”

“পারুক না। ওর মত মেয়ে মরে যাক। শিমুলের আব্বা শুনেন কি আপনার মেয়ে কি বলল? ছেলেটা কায়ান ছিলো কায়ান। সিকদার কায়ান মাহাবুব ছিলো। আল্লাহ, আল্লাহ আমারে এই দিন দেখানোর আগে নিয়ে নিলে না কেন আল্লাহ। এ কি বিষ জন্ম দিছি আমার পেটে। আল্লাহ আমিত সহ্য করতে পারতেছি না আল্লাহ। “

আবু সুফিয়ান মেয়ের পিঠে হাত দিতেই সেরিন উল্টে পড়ে। পিঠের যন্ত্রণা সইবার মত না।
ওদিকে নূরবানু সিকদারও পাগলের মত আচরণ করছেন৷
ওদের বাড়ির এমন হট্টগোল শুনে পাশের বাসা থেকে সেরিনের চাচি কাকলি এগিয়ে এলেন।
ঘরের ভেতর এমন অবস্থা দেখে তিনি এগিয়ে গেলেন,
“আল্লাহ ভাবি এইটা কি করছেন? মাইয়া মইরা যাবেত৷”

কাকলি বেগম, সেরিনকে ভীষণ ভালোবাসেন। যদিও সকাল সকাল গ্রামের সব জায়গায় এ কথা ছড়িয়ে গিয়েছে। অন্য কোন প্রতিবেশী হলে হয়ত এতক্ষণ এসে খোঁচা মারা কথা বলা শুরু করতো৷ কিন্তু কাকলি বেগম শুধুমাত্র সেরিনকে ভালোবাসে দেখে এ বাড়িতে পা দেয়নি।

“মইরা যাক৷ মরেনা কেন ও। ও মরলে আমার শান্তি হয়। এই যা মর৷ যাইয়া গাড়ির তলে মাথা দে।”

কাকলি বেগম সেরিনকে জড়িয়ে ধরে বললেন,
“ভাইজান আপনি ভাবিরে নিয়ে আপনার ঘরে জান। আমি সেরিনরে দেখতেছি৷”.

আবু সুফিয়ান তাই করেন স্ত্রীকে নিয়ে কোন মতে নিজেদের রুমে চলে যায়।
কাকলি বেগম দ্রুত সেরিনের জামা উঠিয়ে দেখলেন৷ এত মোটা কাঠের আঘাত মেয়েটার পিঠে মোটা করে কালো দাগ ফেলে দিয়েছে এপাশ থেকে ওপাশ৷
সেই সাথে শরীরে মারের চিহ্ন স্পষ্ট।
আঘাত গুলো কেটে গেলে হয়ত দ্রুত সারত৷ কিন্তু এত রক্ত জমে কালচে হয়ে গিয়েছে।
কাকলি বেগম দ্রুত সেরিনকে পানি খাইয়ে দিলেন। নিঃশ্বাস সাভাবিক করতে যে পিঠে হাত দিবেন সেখানেত হাত দিলে মেয়েটা বোধ-হয় মরেই যাবে।

চলবে?

[ ইমোশনাল? আই এম ক্রাইং গাইস। সবাই নিজেদের মূল্যবান মন্তব্য করবে।]

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply