মেজর_ওয়াসিফ
লেখনীতেঐশীরহমান
পর্ব_২২
[ 🚫 কপি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ 🚫]
দোতালার ঘরে ওয়াসিফের যাওয়ার তোরজোর চলছে। ওয়াসিফ একে একে নিজের ব্যাগ গোছাচ্ছে, প্রয়োজনীয় জিনিস গুলো বারবার দেখেশুনে বুঝে নিচ্ছে। শাহেনূর বেগম খুব বেশি দোতলায় ওঠানামা করতে পারেন না, ছেলের ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন রান্না ঘরে। সকালের নাস্তার রুটি, ভাজি গুছিয়ে একটা প্লেট ধারার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলেন।
‘ এগুলো নিয়ে একটু ও ঘরে যা তো মা, এক গ্লাস পানিও নিবি কিন্তু ‘
ধারা সেই ঘুম থেকে উঠে এখনো হাত মুখ অব্ধি ধুতে যেতে পারেনি। এর মধ্যে ই বড়ো আম্মা এসব ধরিয়ে তাকে তাড়া দিচ্ছে। হাতের প্লেটটা কোনোরকম টেবিলের উপর রেখে ও ছুটে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে এসে ধীর পায়ে ওঠে দোতলায়।
বাড়ির পরিবেশ গত কয়েকদিনের তুলনায় আজ ভীষণ ভার। একদিকে আপা কি থেকে কি ঘটিয়ে ফেলতে চাইলো, অন্য দিকে চাচাও বেঁকে বসলেন এখানে মেয়েকে তিনি বিয়ে দিবেন না বলে। তাদের বাড়ির চিরচেনা সেই শান্ত হাওয়াটা ইদানীং ভীষণ অশান্ত হয়ে উঠেছে। কি হচ্ছে না হচ্ছে বুঝে ওঠা ভীষণ দায়।
কথাগুলো মনে মনে চিন্তা করতে করতেই ধারা গিয়ে দাঁড়ায় ওয়াসিফের দরজার কাছে। হাতে ধরে রাখা প্লেটটার দিক থেকে নজর তুলে ঘরের মধ্যে তাকাতেই পরপর চোখ নামিয়ে নেয়। ভেতরে ওয়াসিফ পরনের টিশার্টটা পাল্টে একটা চেক শার্ট গায়ে দেওয়ার জন্য খালি গায়ে হয়ে উল্টো দিকে ঘুরে গোছানো ব্যাগটা পুনরায় এলোমেলো করছে। নত চোখে দাঁড়িয়ে থাকা ধারা একবার ভাবে এখান থেকে চলে যাওয়া উচিত, উনার তৈরি হওয়া হয়ে গেলে আবার আসবে। চলে যাওয়ার জন্য পা বাড়াতেই আবার কি যেনো মনে করে পা জোড়া থামিয়ে স্থির দৃষ্টি ফেলে ওয়াসিফের উন্মুক্ত চওড়া পিঠটার দিকে। ওর মস্তিষ্ক ওকে মনে করিয়ে দেয়, এই কঠিন ধাতু দিয়ে গড়া মানুষটা গত কয়েকদিন আগে ধারালো বুলেট কাঁধে – হাতে বিঁধে হাসপাতালে ছিলো সপ্তাহ খানেক। শারীরিক সুস্থতার জন্য ছুটি কাটাতে বাড়িতে এসেছিলো, তবে কি তার শরীর এখন সুস্থ? ছুটি কি ফুরিয়ে গেলো?
ধারা ওর দৃষ্টি সরায় না ওয়াসিফের উন্মুক্ত পিঠ, কাঁধ থেকে। ও সূচালো দৃষ্টি ফেলে খোঁজার চেষ্টা করে সেদিনের বুলেটের সেই ক্ষত। কিন্তু লোকটা ওভাবে উল্টো ঘুরে থাকার জন্য ওর চোখে পড়ছেনা কিছু। দরজার কাছ থেকে ধীর পায়ে ঘরে ঢুকে খাবার প্লেটটা কোনোরকম বিছানায় রেখে সাবধানতার সঙ্গে ছোট ছোট পা ফেলে ও কিছুটা পেছনে গিয়ে দাঁড়ায় ওয়াসিফের। সেদিন একবার ক্ষতটা দেখতে চেয়েছিলো ধারা কিন্তু ওয়াসিফ ওকে দেখায়নি। একটা ক্ষত, সেটা দেখতেও লোকটার ডংয়ের শেষ নেই। মনে মনে ওয়াসিফকে ইচ্ছে মতো বকেঝকে ধারার ডান বাহুতে চোখ যেতেই মুখের ভঙ্গিমা পাল্টে যায়, চোখ মুখ বন্ধ করে বলে ওঠে ‘ ইশশ!’
কথার শব্দ কানে যেতেই তড়িৎ ঘুরে পেছনে তাকায় ওয়াসিফ। দেখে ওর ঠিক পেছনে ধারা দাড়িয়ে। ওয়াসিফ ভ্রু কুঁচকে ফেলে জিজ্ঞেস করে।
‘ ওমন করলি কেনো’?
ধারার চোখমুখ ঠিক রেখে বলে।
‘ আপনার ক্ষত, আপনার ক্ষত এখনো সারেনি তো’
ধারার কথায় ওয়াসিফ ঘাড় ঘুরিয়ে নিজের দগদগে ক্ষতটা দেখে, দৃষ্টি ক্ষতর দিকে রেখেই সামান্য হেঁসে আফসোসের সুরে বলে।
‘ তোর সেবা যত্ন পেলে হয়তো আরেকটু কমতো, কিন্তু তুই তো তুই ই ‘
ধারা কিছু বলেনা, চুপচাপ শুধু তাকিয়ে থাকে। ওয়াসিফ ঘুরে গিয়ে গায়ে শার্ট জড়ালো। শার্টের খোলা বোতাম গুলো দিতে দিতে তাকায় ধারার দিকে। দুজনের চোখের চাহনি মিলতেই ধারা চোখ নামিয়ে নেয়। ওয়াসিফ বলে।
‘ এমাসের টিউশনির টাকা আমি মিটিয়ে দিয়েছি, এরপর থেকে কলেজ যাতায়াত, তোর যাবতীয় হাতখরচা আমার থেকে নিবি, প্রতি মাসের এক থেকে সাত তারিখের মধ্যে ছোট চাচার কাছে তুই বাবদ দশ হাজার টাকা পাঠাবো, সেখান থেকে প্রাইভেটের টাকা পরিশোধ করবি, বাকিটা হাতখরচ বাবদ, যখন যা লাগে কিনবি। এটা ওটা চেয়ে চাচা,চাচির মাথা খাবিনা, বায়না করবিনা, জেদ করবিনা। এরপর ও কিছু লাগলে আমাকে জানাবি, বুঝতে পেরেছিস’?
ধারা তাকায় ওয়াসিফের দিকে, এই লোক বলে কি? ওর জন্য এতো টাকা কেনো নষ্ট করবে? ধারার মতো একটা সাধারণ ঘরের মেয়ে মানুষের দশটা হাজার এতো টাকা লাগে নাকি? এতো এতো টাকা ধারা কখনোই পারবেনা উড়াতে। ওর প্রাইভেট বাবদ সাড়ে তিন হাজার টাকা আর কলেজে যাতায়াত, টুকটাক খরচের জন্য দুটোহাজার টাকা হলেই যথেষ্ট। আর বাকি রইলো জামা জুতা কেনা, ওসব কি প্রতি মাসে মাসে কেনা লাগে নাকি? ধারাকে চুপচাপ তাকিয়ে থাকতে দেখে ওয়াসিফ জিজ্ঞেস করে।
‘ কি বললাম এতো সময় মাথায় ঢুকেছে’?
‘ ঢুকেছে, কিন্তু এতো টাকা তো আমার লাগবে না ‘
‘ না লাগলে জমাবি, তোর মাটির ব্যাংক আছে না? ওটাতে জমা করবি। আজ না লাগুক কোনো একসময় লাগবে। জমাকৃত সম্পদের মূল্য তখন বোঝা যায় তখন পকেট শূন্য থাকে ‘
শার্টের বোতামগুলো লাগানো শেষ করে ওয়াসিফ খাবারের প্লেট নিয়ে বসলো বিছানায়, সঙ্গে সঙ্গে ধারা বলে ওঠে।
‘ বড়ো আম্মা বলেন, বিছানায় বসে খাবার খেতে হয়না’
ওয়াসিফ সবে রুটিতে হাত দিয়েছিলো, ধারার কথার বিপরীতে খাওয়া থামিয়ে জানতে চায়।
‘ বিছানায় বসে খেলে কি হয়’?
‘ রোগবালাই ছাড়ায় না, আরো কি কি যেনো হয়’
ওয়াসিফ পাত্তা দিলোনা।
‘ ওসব কুসংস্কার, তুই না সাইন্সের ছাত্রী?’
‘ তারপর ও মুরুব্বিদের কথা মানতে হয়’
ওয়াসিফ রুটির টুকরো ভাজি সমেত মুখে দিয়ে বললো।
‘ ও আচ্ছা, তুই শুনিস মুরুব্বিদের কথা ‘?
‘ জি শুনি’
‘ কি শুনিস? আমি যা বলি কিছু কি শুনিস? মানিস আমাকে’?
এই কথার জবাবে ধারা কিছু বলেনা, চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকে। ওয়াসিফ ওর দিকে তাকিয়ে থাকে উওরের জন্য। মিনিট পার হলো তবে জবাব পেলোনা ওয়াসিফ। বললো।
‘ ইসলামে স্বামীর হক আদায়ের গুরুত্ব ও ফজিলত ইউটিউবে খুঁজে খুঁজে দেখবি, সামনের ছুটিতে এলে পালন করবি ‘
খাওয়া শেষ করে ওয়াসিফ উঠে হাত ধুতে যেতেই ধারা এঁটো প্লেট তুলে নিয়ে যেতে ঘুরে ওয়াসিফের দিকে তাকিয়ে বললো।
‘ এই যে খাবার এগিয়ে খাওয়ালাম এটাও কিন্তু একটা সওয়াবের কাজ।’
ওয়াসিফ গামছায় ভেজা হাত মুছে এগিয়ে আসতে আসতে বলে।
‘ আমি হক আদায়ের কথা বলেছি, তোর সওয়াবের কথা বলিনি’
ধারা প্লেট হাতে ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে যেতে বলে।
‘ খাবার এগিয়ে খাওয়ালাম এটাও একটা হক আদায় করলাম আপনার ‘
ওয়াসিফ কপালে ভাজ ফেলে তাকিয়ে থাকে ধারার চলে যাওয়ার দিকে। অস্ফুটস্বরে বলে।
‘ গাধী একটা ‘
ওয়াসিফ চাইলেই আরো দিন পনেরো থাকতে পারতো বাড়িতে। না ওর ছুটি শেষ হয়নি, আর না ও এখনো পুরোপুরি সুস্থ হয়েছে। তবে হুট করে চলে যাওয়ার পেছনে দুটো কারণ রয়েছে, তার মধ্যে প্রথমটা হলো মেজো চাচার একচটা মনোভাব যা ওকে ভেতর থেকে অপমানিত বোধ করাচ্ছে, আর পরবর্তী বিষয়টা হলো ওর প্রফেশনাল লাইফে ছোটখাটো একটা অঘটন। ছোটখাটো বললে ভুল হবে, ঘটনাটা বেশ বড়োসড়োই। এতো এতো ইনফরমেশন হারিয়ে যাওয়াটা স্বাভাবিক ভাবে মোটেও নিচ্ছেনা ওয়াসিফ। সেদিনের পর থেকে বিষয়টা নিয়ে ভেতরে ভেতরে ভীষণ চিন্তিত ওয়াসিফ। বিষয়টার একটা বন্দোবস্ত না করা পরযন্ত ওর শান্তি মিলছে না। ওদিকে ঐ দুই গাধা আরিয়ান আর সামির কি করছে কে জানে? ঐ দুটোর উপর ওয়াসিফের বিন্দু পরিমাণ ভরসা নেই।
ওয়াসিফের গোছগাছ শেষ হতেই নিজের ঘর থেকে বেরিয়ে নিচে নামে। সবার থেকে বিদায় নিয়ে যখন বের হবে শাহেনূর ছেলের পেছন পেছন এসে জানতে চাইলো।
‘ এবার আর তোর গাড়ি আসবেনা’?
ওয়াসিফ সামনে এগোতে এগোতে মায়ের কথার জবাব দেয়।
‘ না, আম্মা। আমি ডিপার্টমেন্টে জানায়নি যে ফিরছি, পরে জানাবো ওদের ‘
‘ এভাবে হুট করেই যে চলে যাচ্ছিস, তোর ছুটি কি ফুরিয়ে গেলো’
‘ আমার আর ছুটি! ছুটির দিন তো ঐ দেখতে দেখতেই ফুরিয়ে যায় আম্মা ‘
কথাটা বলে ওয়াসিফ দাঁড়ায়, শাহেনূর ও একটু এগিয়ে এসে দাঁড়ায় ছেলের পাশে। ওয়াসিফ বলে।
‘ আর আসতে হবেনা আম্মা, রোদ অনেক, তুমি ঘরে যাও’
‘ আবার কবে আসবি’?
এটা আজ নতুন না, প্রতিবারই ছুটি শেষ হলে ওয়াসিফের যখন যাওয়ার সময় হয়, শাহেনূর এরকম করেই ছেলের কাছে জানতে চায় ‘ আবার কবে আসবি’?
ওয়াসিফ হেসে মা’য়ের মাথার শাড়ির আঁচলটা আরেকটু টেনে দেয় রোদের জন্য। এরপর বলে।
‘ আবার যেদিন ছুটি হবে, তিনমাস /চারমাস পর’
‘ সাবধানে থাকবি, আমার বড্ড ভয় হয় রে বাবা’
‘ তুমি দোয়া রাখবা আমার জন্য, মায়ের দোয়া বিফলে যায়না কখনো। আমি সাবধানেই থাকবো আম্মা। তুমি এবার বাড়ি ফিরে যাও’
ওয়াসিফ মা কে ফিরে যেতে বলছে বারবার, কারণ ও খুব ভালো করে জানে, আম্মার সঙ্গে এখন কথায় কথা বাড়ালে ভীষণ কাঁদবে এই মানুষটা, ঐ যে শুনেছিলো না ওয়াসিফ গুলি খেয়েছে।
শাহেনূর শোনেনা ছেলের কথা। বাড়ির বড়ো উঠান পেরিয়ে ইটের ছোট রাস্তার ধারে এগিয়ে আসে ছেলের সঙ্গে সঙ্গে। এবার ওয়াসিফ পুনরায় বলে।
‘ যথেষ্ট হয়েছে আম্মা, এভাবে রোদে দাড়িয়ে থেকোনা তোমার মাথা ধরবে। বাড়িতে যাও বলছি’
‘ তুই ভ্যান গাড়িতে ওঠ তারপর যাবো’
‘ এই বেলায় মনে হয়না এখানে খালি ভ্যান একটাও পাবো, হাটতে থাকি, পেলে উঠবো। রোদে এভাবে ঠায় দাঁড়িয়ে না থেকে হাঁটা ভালো ‘
ওয়াসিফ হাঁটা ধরলো, গেটের কাছে ঠায় দাঁড়িয়ে রইলো শাহেনূর। ততক্ষণ পর্যন্ত দাড়িয়ে রইলো যতক্ষণ পর্যন্ত ছেলেকে চোখের সীমানায় দেখা যাচ্ছে। কিছুটা সামনে এগিয়ে ওয়াসিফ পেছন ঘুরে মা’কে দাড়িয়ে থাকতে দেখে হাত নেড়ে কিছুটা জোরে বলে।
‘ ঘরে যাচ্ছো না কেনো তুমি? জলদি যাও’
শাহেনূর এবার ঘুরে বাড়ির দিকে এগোয়, ওয়াসিফ আবার ও হাঁটতে শুরু করে।
দোতলার ষোলোটা সিড়ি ছয় লাফে পার করে হাঁপাতে হাঁপাতে ধারা গিয়ে দাড়ায় শাহেনূরের সামনে, শাহেনূর কেবল ঘরে ঢুকলো। ধারাকে ওভাবে অস্থির হয়ে ছুটে আসতে দেখে শাহেনূর বলে।
‘ এই তোকে কতবার বলেছি সিড়ি থেকে এভাবে নামবি না, সিড়ি থেকে নামার সময় ঘোড়া হয়ে যাস কেনো তুই? আস্তে ধীরে নামা যায় না’?
ওতোসব কথা শোনার বা জবাবে কিছু বলার সময় নেই ধারার, ও জিজ্ঞেস করে।
‘ তোমার ছেলে কই বড়ো আম্মা ‘?
‘ কে ওয়াসিফ? ও তো কেবল রওনা হলো’?
‘ কতদূর গেলো’?
‘ ভ্যান পেলোনা, তাই হাঁটছে, এতোক্ষণ মনেহয় ভ্যান পেয়েও গেছে..’
শাহেনূরের কথা শেষ হলোনা, আগেই দেখলো ধারা ভো দৌড় দিয়ে সদর দরজা পেরিয়ে, উঠান পেরিয়ে ছুটলো। পেছন থেকে শাহেনূর কয়েকবার ডাকলো।
‘ এই মেয়ে এই রোদের মধ্যে কই যাস তুই? পাড়ায় পাড়ায় ঘুরবি না, এই ধারা, এই মেয়ে বাড়ি ফের’
কে শোনে কার কথা? শাহেনূর মেয়ের পিছু নিলোনা, নিয়ে লাভ নেই।
গ্রামের মধ্যে ছোট এক ইটের সরু রাস্তা। দুইধারে বিল, কখনো ধানের ক্ষেত, আবার সরু সরু তাল গাছেরা মাথা তুলে দাড়িয়ে আছে। দুপুর বারোটার কাছাকাছি, সূর্য ঠিক মাথার উপর দাড়িয়ে কিরন ছড়াচ্ছে। দুপুরের এই সময় পথঘাট সুনশান, ধারা হাঁটছে না মোটেও, দৌড়াচ্ছে আর মনে মনে ভীষণ ভাবে চাচ্ছে মানুষটা যেনো বাসে চড়ে না বসে, তাহলে ও আর কথা গুলো শোনানো হবেনা।
ওর মনের ভাবনা কে ভুল করে ইটের রাস্তার মোড় ঘুরতেই দেখলো লোকটার অবয়ব। লম্বা চওড়া মানুষ তার লম্বা কদম থেমে নেই। তার কাছে ছুটে যেতে যেতে হয়তো সে গাড়ির কাছে পৌঁছে যাবে। তাইতো দিশেহারা ধারা গলা উঁচিয়ে চেচিয়ে ডাকে, বলে ওঠে।
‘ আরে! ও মেজর সাহেব, এভাবে পালিয়ে যাচ্ছেন কেনো? বোনের বিয়ে দিয়ে যাবেন না? কথা দিয়ে কথা তো রাখলেন না’?
চলবে
দাঁড়ান, গল্প পড়া শেষ মানে চলে যাবেন না, কিছু কথা বলি শোনেন। গল্প আমি এতোদিন যাবত এই পেইজেই লিখে এসেছি। তবে এই পেজটা বর্তমানে আমার জন্য নিরাপদ না। যখন তখন চলে যেতে পারে পেইজটা। পেইজ চলে যাওয়া মানে আপনাদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া। তাই বিষয়টা মাথায় রেখে আমি ২য় পেজ খুলেছি এবং গল্প সম্পর্কিত আমার একটি গ্রুফ আছে। পাঠকের নিকট আমার ঘোষণা রইলো নিচের দেওয়া পেজটি ফলো করুন এবং গ্রুফে যুক্ত হন।
Share On:
TAGS: ঐশী রহমান, মেজর ওয়াসিফ
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
মেজর ওয়াসিফ গল্পের লিংক
-
মেজর ওয়াসিফ পর্ব ২১
-
মেজর ওয়াসিফ পর্ব ৩
-
মেজর ওয়াসিফ পর্ব ১৪
-
মেজর ওয়াসিফ পর্ব ৭
-
মেজর ওয়াসিফ পর্ব ১১
-
মেজর ওয়াসিফ পর্ব ২০
-
মেজর ওয়াসিফ পর্ব ১৩
-
মেজর ওয়াসিফ পর্ব ২
-
মেজর ওয়াসিফ পর্ব ১৫