Golpo romantic golpo মন বোঝে না

মন বোঝে না পর্ব ১০


মনবোঝেনা (১০)

সানা_শেখ

“তোর মন বোঝে না বলে তুই আরেক জনের বউ ছিনিয়ে নিবি?”

“আরেক জনের বউ? সিরিয়াসলি? শুধু আংটি বদল হয়েছে, আংটিটা খুলে ছুড়ে ফেললেই সব শেষ।”

“তোর আগে আবির সারাহকে ভালোবেসেছে।”

“সো হোয়াট? আবিরের বোন ওই ঘটনা না ঘটালে এই বাড়িতে আমার নিয়মিত যাতায়াত থাকতো আর আমি প্রথমে চেরি ব্লসমকে ভালোবাসতাম।”

“তুই এই যুক্তি দাঁড় করাতে পারিস না এখন। এতদিনে সারাহ-ও নিশ্চই আবিরকে ভালোবেসে ফেলেছে।”

“সমস্যা নেই। আমার সঙ্গে বিয়ে হলে আমাকে ভালোবেসে ফেলবে। তুই শুধু বল তুই রাজি।”

“আমি রাজি হলে কীভাবে হবে? চেরি তো আমার মেয়ে না, ও আমার বোন। আব্বু আর ছোটো আম্মুর উপর দিয়ে আমি কিছু করতে পারব না। তাছাড়া চেরিও রাজি হবে না। আবির ওর ফ্যামিলিকে অনেক কষ্টে রাজি করিয়েছে। তুই ওদের দুজনের মাঝে ঢুকিস না। তুই চাইলে আমি চেরির চেয়ে সুন্দর মেয়ে খুঁজে দিবো।”

“তোকে কষ্ট করে খুঁজতে হবে না। আমি নিজেই খুঁজে নিয়েছি। ছোটো বেলা থেকে অনেক স্যাক্রিফাইস করেছি, আর না।”

“তুই এমন কেন হয় গেছিস, আবরার? দুনিয়ায় মেয়ের অভাব পড়েছে? অন্য একজনের বাগদত্তাকেই কেন তোর বিয়ে করতে হবে? পাগলামি ছেড়ে ভালো হয়ে যা।”

“তোর মনে হচ্ছে আমি পাগল? আচ্ছা আমি মেনে নিলাম আমি পাগল।”

“আবরার, শোন শোন দাঁড়া। আবরার, থাম, শোন আমার কথা। এই আবরার।”

কে শোনে কার কথা? আবরার বাইক নিয়ে বেরিয়ে গেছে। ফারিশ হাঁ করে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইল খোলা আকাশের দিকে। বিড়বিড় করে বলল,

“মাবুদ, এসব কী?”

.

আবরার সোজা নিজ বাড়িতে ফিরল। ড্রয়িংরুমে আসতেই দেখা হলো বাবা আর মহুয়া কবীরের সঙ্গে। আমজাদ খান মুখ খোলার আগেই আবরার বলল,

“মন্ত্রী মশাই, আমি বিয়ে করব।”

ছেলের কথা শুনে আমজাদ খানের মুখ আপনাআপনি হাঁ হয়ে গেল। তাকে কিছু বলতে না দেখে মহুয়া কবীর ধাক্কা দিলেন। স্ত্রীর ধাক্কা খেয়ে যেন হুশে ফিরলেন আমজাদ খান। ছেলের গম্ভীর মুখের দিকে তাকিয়ে বললেন,

“কী বললে তুমি?”

মহুয়া কবীর চাপা স্বরে বললেন,

“বিয়ে করবে বলেছে। পরের কথা জিজ্ঞেস করো।”

আমজাদ খান নড়েচড়ে বসে চশমা ঠিক করে বললেন,

“কাকে বিয়ে করবে? আই মিন পছন্দের কেউ আছে নাকি ঘটক ডাকব?”

“পছন্দ আছে আমার।”

“কে? মেয়ের নাম কী, বাবার নাম কী, বাড়ি কোথায়?”

আবরার চুপ করে রইল। আমজাদ খান বললেন,

“মেয়ের পরিচয় বলো, আমি নিজে গিয়ে কথা বলবো।”

আবরার কিছু না বলে সিঁড়ির দিকে এগোল। আমজাদ খান বসা থেকে উঠে বললেন,

“বলে যাবে তো। না বললে বুঝবো কীভাবে কোন মেয়েকে বিয়ে করবে তুমি?”

আবরার কিচ্ছু না বলে চলে গেল। আমজাদ খান হাঁ করে তাকিয়ে রইলেন ছেলের যাওয়ার পথে। বিয়ে করবে ভালো কথা। মেয়ে পছন্দ করা আছে সেটাও ঠিক আছে। এখন কোন মেয়েকে পছন্দ—কাকে বিয়ে করবে সেটা না বললে সে জানবে কীভাবে? মেয়ের পরিচয় তাকে বলতে হবে তো। এমন অদ্ভুত ছেলের জন্ম তার ঘরেই কেন হয়েছে? অর্ধেক কথা বলে আর বাকি অর্ধেক পেটের ভেতরেই রেখে দেয়।
মহুয়া কবীর স্বামীর পাশে দাঁড়িয়ে বললেন,

“সকালে বলেছিলাম না আবরার প্রেমে পড়েছে সেজন্য হাসছে? গতকাল গার্লফ্রেন্ডের সঙ্গে বোধহয় কিছু হয়েছিল সেজন্যই সবকিছু ভাঙচুর করে রাগ ঝেড়েছে।”

“ওর মতো বদ মেজাজি ছেলের সঙ্গে কোন মেয়ে প্রেম করে? মেয়েটার মাথায় নিশ্চই সমস্যা আছে।”


এর মধ্যে এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেছে। এই এক সপ্তাহে আবরার সারাহর সামনে আসেনি , তাকে কিছু বলেওনি। আবরারকে দেখতে না পেয়েই সারাহর স্বস্তি মিলেছে। সে মনে মনে বিস্তর খুশি।

আবরার জিম থেকে ফিরে ফ্রেশ হয়ে নাশতা করতে ডাইনিংরুমে এলো। সে চেয়ার টেনে বসতেই মেইড নাশতা সামনে দিলো। আবরার নাশতা খেতে খেতে মহুয়া কবীরের চেয়ারের দিকে তাকাল। গতকাল সকালে আর রাতে সে একা একা খাবার খেয়েছিল, দুপুরে সে বাড়িতে ছিল না। আবার আজকে এখনো মহুয়া কবীর নাশতা করতে আসেননি।
জিজ্ঞেস করবে না করবে না করেও প্লেটের দিকে দৃষ্টি রেখেই বলল,

“মহুয়া কবীর কোথায়? বাড়িতে নেই?”

“ম্যাম বাড়িতেই আছেন, স্যার।”

“বাড়িতে থাকলে খেতে আসে না কেন?”

“ম্যামের জ্বর হয়েছে। স্যুপ বানিয়ে রুমে দিয়ে এসেছি।”

“ডাক্তার দেখায়নি?”

“গতকাল ডাক্তার এসে ঔষুধ দিয়ে গিয়েছিলেন। বলেছিলেন সুস্থ হয়ে যাবেন।”

আবরার আর কিছু বলল না। সে জানে আমজাদ খান বাড়িতে নেই গত দুদিন ধরে। কোথায় গেছেন সেটা ও অবশ্য জানে না আবরার, তার জানার আগ্রহও নেই।
নাশতা শেষ করে ড্রয়িংরুমে আসতেই মহুয়া কবীরকে দেখতে পেল। একদিনেই এই অবস্থা হয়েছে! চোখ দুটো কোটরে ঢুকে গেছে। চোখের নিচে কালো হয়ে গেছে। চোখের সাদা অংশটুকু কেমন হলুদ হলুদ হয়ে রয়েছে। ভীষণ অসুস্থ দেখাচ্ছে। আবরার শেষবার গত পরশু দেখেছিল মহুয়া কবীরকে। তখন মহুয়া কবীর সুস্থই ছিলেন।

আবরার বাইরে বেরিয়ে যেতে নিয়েও থেমে গেল। সে থামতে চায়নি তবুও যেন কীভাবে থেমে গেল। তার মা-ও জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মা’রা গিয়েছিলেন, সেদিনও আমজাদ খান বাড়িতে ছিলেন না। বাড়িতে নয়, তখন তিনি দেশেই ছিলেন না।

আবরার কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইল। মন মস্তিষ্কের সঙ্গে যুদ্ধ করে ফিরে এলো মহুয়া কবীরের সামনে। দৃষ্টি নত করে নিচু স্বরে বলল,

“এখন কেমন আছেন?”

মহুয়া কবীর আবরারের মুখের দিকে তাকিয়ে রইলেন কিছু না বলে। আবরার চোখ তুলে তাকাতেই তিনি মলিন মুখে বললেন,

“আলহামদুলিল্লাহ। জ্বর তেমন একটা কমছে না, তাই হসপিটালে যাব এখন।”

“কার সঙ্গে?”

“ড্রাইভারের সঙ্গে।”

“যেতে পারবেন?”

“হ্যাঁ। পারব।”

আবরার কিছু না বলে বাইরের দিকে এগিয়ে গেল আবার। মহুয়া কবীর দূর্বল পায়ে এগোলেন দরজার দিকে। আবরার তার সঙ্গে নিজে থেকে কথা বলল এতেই তার দারুণ আনন্দ লাগছে। আবরার কথায় কথায় তাকে অপমান করতো বলে নিজে থেকে আর কথা বলতে যান না তিনি।

বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসতেই দেখলেন ড্রাইভার গাড়ি নিয়ে অপেক্ষায় আছে। তিনি কাছে এগিয়ে আসতেই দরজা খুলে দিলো ড্রাইভার। মহুয়া কবীর আশপাশ না তাকিয়ে সোজা উঠে বসলেন গাড়িতে। ড্রাইভার ঘুরে এসে ড্রাইভিং সিটে বসে গাড়ি স্টার্ট দিয়ে ছুটল হসপিটালের উদ্দেশ্যে।

গাড়ি হসপিটালে এসে পৌঁছাতেই আবরার ফ্রন্ট সিট থেকে বেরিয়ে এলো বাইরে। তাকে দেখে চমকে উঠলেন মহুয়া কবীর। তিনি এতক্ষণ খেয়ালই করেননি যে ফ্রন্ট সিটে আবরার বসে রয়েছে। গাড়িতে উঠে বসে সিট বেল্ট লাগিয়ে চোখ বন্ধ করে নিয়েছিলেন।
তিনি গাড়ি থেকে নেমে ভেতরের দিকে এগোতেই আবরার তার পাশে চলতে শুরু করল। মহুয়া কবীরের চোখজোড়ায় পানি জমলো। বুক ভারী হয়ে উঠল। ওষ্ঠজোড়া তিরতির করে কাঁপতে শুরু করেছে। নোনা জলের কারণে ঘোলা হয়ে গেছে সামনের সবকিছু। তিনি দ্রুত টিস্যু পেপার দিয়ে চোখজোড়া মুছে নিলেন। নাক টেনে আবরারের দিকে তাকাতেই দেখলেন আবরার সামনের দিকে তাকিয়ে হাঁটছে। তার চোখে সানগ্লাস, সোনালী রোদ এসে তার উজ্জ্বল চেহারায় পড়ে চেহারার উজ্জ্বলতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

প্রথমেই যদি তিনি আবরারকে কাছে টেনে নিতেন তবে আজ আবরারের মুখ থেকে মা ডাক শুনতে পেতেন। তার অসুস্থতায় আজ আবরার বিচলিত হতো। উদ্বিগ্ন হয়ে তাকে নিয়ে গতকালই ছুটত কোনো এক হসপিটালে। আবরার ছোটো ছিল, তিনি চাইলেই আবরারকে বুঝিয়ে কাছে টেনে নিতে পারতেন। কিন্তু তিনি আবরারকে নিজের প্রতিদ্বন্দ্বী ভেবেছিলেন। নিজ হাতে দুজনের মাঝখানে গড়েছেন মজবুত প্রাচীর।

মহুয়া কবীরের রিপোর্ট হাতে দাঁড়িয়ে আছে আবরার। ডাক্তারকে রিপোর্ট দেখানোর জন্যই সিরিয়ালে রয়েছে। মহুয়া কবীর চেয়ারে বসে আছেন। এমন জ্বর তার বহুকাল হয় না। চোখজোড়া তুলে কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে থাকা আবরারের দিকে তাকালেন আবার। আবরার ফোনে মেসেজ করছে। সানগ্লাসটা শার্টের সামনে ঝুলিয়ে রেখেছে। আবরার তার সঙ্গে হসপিটালে এসেছে এটা তার এখনো বিশ্বাস হচ্ছে না। হসপিটালে আসার পর যত দৌড়াদৌড়ি সব আবরার নিজেই করছে। তিনি আবরারকে যতটা খারাপ ভাবেন আবরার কী আসলেই ততটা খারাপ?


সন্ধ্যার পর আবরার এলো ফুয়াদ হাসানের বাড়িতে। আশ্চর্য জনকভাবে আজ ড্রয়িংরুম ফাঁকা। আবরার মেইডের দিকে তাকিয়ে বলল,

“বাড়িতে কেউ নেই?”

“সারাহ আর ফারিশ স্যার আছেন। ফাইয়াজ ফাহিম আর ম্যামকে নিয়ে বাইরে গেছে, ফিরে আসবে কিছু সময়ের মধ্যেই।”

“ফুপা?”

“স্যার বিজনেস পার্টিতে গেছেন।”

“ফারিশ ওর রুমেই?”

“হ্যাঁ।”

আবরার আর কিছু না বলে সিঁড়ির দিকে এগোল। ফারিশ কফি নেওয়ার জন্য নিচেই আসছিল। সিঁড়ির কাছে আসতেই আবরারের সঙ্গে তার দেখা হলো। আজ ফারিশের ঠোঁটে হাসি ফোটার বদলে চেহারা চুপসে গেল। আবরার হাসি মুখেই বলল,

“কেমন আছিস, সমন্ধি সাহেব?”

ফারিশ গম্ভীর স্বরে বলল,

“ভালো, তুই?”

“খুব ভালো। কোথায় যাস?”

“কফি নেওয়ার জন্য যাচ্ছিলাম।”

“আচ্ছা তুই কফি নিয়ে আয়, আমি তোর বোনের সঙ্গে দেখা করে আসি।”

“সারাহ বাড়িতে নেই।”

আবরার উপরের দিকে উঠতেই ফট করে কথাগুলো বলল ফারিশ। আবরার অদ্ভুত ভঙ্গিমায় হাসল, তারপর বলল,

“মিথ্যা বলে লাভ নেই, আমি জানি।”

“আবরার, দাঁড়া, তুই যাবি না ওর রুমে।”

আবরার দৌড়ে উপরে উঠে গেছে। ফারিশ তার পিছু পিছু দৌড়ে এলো। আবরার সারাহর রুমের সামনে দাঁড়িয়ে দরজায় নক করে বলল,

“প্রিয় চেরি ব্লসম, আমি কী ভেতরে আসতে পারি?”

“না। তুই ভেতরে যাবি না।”

আবরার ভেজিয়ে রাখা দরজা ধাক্কা দিয়ে খুলে ফেলল। রুমের চারদিকে নজর বুলিয়ে দেখল ভেতরে কেউ নেই। ব্যালকনি, ওয়াশরুম কোথাও নেই সারাহ। আশ্চর্য গেল কোথায় মেয়েটা?
ফারিশ ভীষণ রেগে গেছে। সে আবরারের কাছে মোটেও এমন আচরণ আশা করেনি। সে আবরারের হাত ধরে টেনে বের করার চেষ্টা করে বলল,

“আবরার, বের হ এই রুম থেকে। তুই এই রুমে এভাবে ঢুকলি কোন সাহসে? আমার বোনের রুমে এভাবে ঢোকার অধিকার তোর নেই। তুই পুরুষ হয়ে নিজের রুমে বাইরের কোনো মেয়েকে ঢুকতে দিস না সেখানে তুই আমার বোনের রুমে কীভাবে ঢুকে পড়লি? আমি কোনো সিন ক্রিয়েট করতে চাইছি না। তুই বের হ এই রুম থেকে। যদি কিছু বলতে চাস আমার রুমে গিয়ে বলবি, চল আমার রুমে।”

আবরার নিজের হাত ছাড়িয়ে নিয়ে বলল,

“কীভাবে ঢুকেছি? নক করে তারপর ঢুকেছি।”

“তুই ঢুকতে পারবি না এই রুমে, এই অধিকার তোর নেই। বের হ এই রুম থেকে।”

“যাব না।”

“দেখ আবরার, তুই কিন্তু ছোটো বাচ্চা না। আমার এসব একদম পছন্দ নয়।”

“তোর কী মনে হচ্ছে আমার এসব খুব পছন্দ? তোর বোনকে বিয়ে দিয়ে দে আমার সঙ্গে—এত কাহিনী হবে না তাহলে।”

“তুই কেন বুঝতে চাইছিস না সারাহ এঙ্গেজড। ছোটো আম্মু এসে তোকে এই রুমে দেখলে সমস্যা হয়ে যাবে।”

“কোনো সমস্যা হবে না, বরং আন্টি খুশিই হবেন। আর আমি বুঝতে চাইলেও আমার মন বোঝে না। মনকে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করেছি কিন্তু সে কোনোভাবেই বুঝতে চাইছে না। এখানে আমার কী দোষ তুইই বল।”

“তুই তোর বাড়িতে যা। যখন ইচ্ছে হবে আমাকে ডাকবি, আমি চলে যাব। তুই আর আসবি না এই বাড়িতে।”

“আস্তাগফিরুল্লাহ! আমাকে কী তোর গে মনে হয়? তোকে দিয়ে আমি কী করব? আমার তোর বোনকে লাগবে।”

দাঁতে দাঁত চাপল ফারিশ। কটমট করে বলল,

“একটা মা’রব শা’লা।”

“সরি, আমার কোনো বোন নেই। মামাতো, চাচাতো, ফুপাতো, খালাতো কোনো বোন নেই। আপনি অন্য জায়গায় ট্রাই করতে পারেন। আরেকটা কথা। আমি তোর বোনকে নিচেই দেখে এসেছি, আমি জানতাম রুমে কেউ নেই। আমি আসলে পরীক্ষা করে দেখলাম তুই বড়ো ভাই হিসেবে বোনকে নিয়ে কতটা পোসেসিভ। সমন্ধি হিসেবে তোকে বেশ পছন্দ হয়েছে আমার। উম্মাহ।”

আবরারকে ঠেলে সরিয়ে দিলো ফারিশ, যদিও আবরার তার গালে চুমু খায়নি, ফ্লাইং কিস ছুঁড়েছে সে। আবরার রুম থেকে বের হতে হতে বলল,

“আয়, তোর সঙ্গে জরুরী আলোচনা আছে।”

ফারিশ মুখ ভোতা করে তার পেছন পেছন হাঁটতে লাগল। আবরার বাড়ির ভেতর ঢুকেই সারাহকে রান্নাঘরে ঢুকতে দেখেছিল, তাকে দেখেই যে সারাহ পালিয়েছে সেটা সে স্পষ্টই বুঝতে পেরেছে।

চলবে………..

Share On:

TAGS:



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply