#প্রণয়ঘোরের_সন্ধিতে
#লেখনীতে_সালমা_চৌধুরী
(৩২)
পশ্চিম আকাশের রঙ ধীরে ধীরে বদলাতে শুরু করেছে। কখনো হালকা কমলা কখনো গাঢ় গোলাপি। সবশেষে দিগন্ত ডুবে যাচ্ছে আবছা আঁধারে। নৌমি তাজদের বাসার ছাঁদের দোলনাটায় বসে আছে। অন্যমনস্ক চোখে পাখিদের ক্লান্ত ডানায় বাড়ি ফিরতে দেখছে। দূরের গাছগুলোর নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে থাকা দেখে আনমনে দীর্ঘশ্বাস ফেলছে। শহরের রাস্তায় একে একে জ্বলে ওঠছে নিয়নবাতি। ক্ষুদ্র আলোয় নৌমির চোখের কোণে জমে থাকা অশ্রু ঝলমল করছে। নীরবে এক ফোঁটা অশ্রু ছাঁদের ফ্লোরে মিশেও গিয়েছে। সকাল থেকে বুকের ভেতরটা খাঁ খাঁ করছে। শূন্যতা আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে ধরেছে। অতীতে ফেলে আসা স্মৃতিগুলো চোখের সামনে দৃশ্যমান হচ্ছে। তাজের সাথে মা*রা-মা*রি কিংবা তুমুল ঝ*গড়া শেষে একসঙ্গে চা খেতে গলির মোড়ে যাওয়া। শহরের আনাচে-কানাচে রিক্সায় ঘুরে রাতের শহর দেখা। কখনো পরীক্ষা খারাপ দিয়ে তাজের নিকট সান্ত্বনার বাণী শুনতে যাওয়ার দিনগুলোর কথা মন থেকে সরাতেই পারছে না। তাজ দূরে চলে যাবে। ঘুম থেকে উঠে তাজকে আর দেখতে পাবে না বিষয়টা নৌমি মানতেই পারছে না। অকস্মাৎ একটা ভারী হাত নৌমির কাঁধে পড়ল। সহসা চোখ বুজে ফেলল নৌমি। হৃদয়ের অন্তস্তল থেকে গাঢ় নিঃশ্বাস বেড়িয়ে এলো।
কাঁপা কাঁপা হাতে নিজের দু’চোখ মুছে নিল।
” এখানে কি করছিস?”
সামান্য একটা বাক্য অথচ নৌমির বুকটা কান্নায় ফেটে পড়ছে। গলা বুঁজে আসছে। নৌমি উত্তর দিতে ব্যর্থ হয়। তাজ সম্মোহিত গলায় ডাকে,
” মুসকান..”
মধুর কণ্ঠে নৌমির বুকে তোলপাড় শুরু হয়। চাপা আর্তনাদ জ্বলন্ত হয়ে ওঠতে চায়। কপালে ঘামের রেখা স্পষ্ট হয়। বারবার ঢোক গিলতে থাকে।নৌমিকে নিরুত্তর থাকতে দেখে তাজ এগিয়ে আসে। নৌমির পাশে চুপচাপ বসে পড়ে। নৌমির দৃষ্টি ছাঁদের ফ্লোরে। ছাঁদের মুক্ত বাতাসেও নৌমি ঠিকমতো নিঃশ্বাস নিতে পারছে না। তাজ মায়াভরা কণ্ঠে পুনরায় আওড়ায়,
” তুই কি আমার উপর রাগ করেছিস?”
নৌমি অন্য দিনের মতো হুটহাট প্রত্যুত্তর করতে পারছে না। অন্য কোনো দিন হলে তাজের এক প্রশ্নের জবাবে নৌমি ২০ টা প্রশ্ন করত। আজ অস্বস্তিতে নুড়ে পড়ছে মেয়েটা। তাজ নৌমির অভিব্যক্তি বেশ বুঝতে পারছে। আড়চোখে তাকিয়ে নৌমিকে কয়েক সেকেন্ড দেখে নিল। অতঃপর নৌমির কাঁপতে থাকা হাতের উপর আস্তে করে নিজের হাতটা রাখল। নৌমি ঝট করে হাত সরাতে চাইল৷ কিন্তু পারল না। তার আগেই তাজ শক্ত করে আঙুলে আঙুল চেপে ধরল। এক মুহুর্তের জন্য নৌমির নিঃশ্বাস বন্ধ হওয়ার উপক্রম হলো। এই ঘটনা আজ নতুন নয়। তাজ নৌমির চালচলনে হাত ধরা, আঙ্গুলে আঙুল ঠেকানো, গায়ে গা ঘেঁষে বসা আজ সবই নরমাল। কিন্তু কখনো এত অস্বস্তি হয়নি নৌমির। হয়তো সেভাবে ভাবেই নি কখনো। তাজ নৌমির কানের কাছে ঠোঁট এগিয়ে নরম স্বরে বলল,
” তুই আমার উপর রাগ করে বেশিক্ষণ থাকতে পারবি না। এই কথা তুইও জানিস, আমিও খুব ভালো করে জানি। তাই মিথ্যা রাগের ভান করার কোনো প্রয়োজন নেই।”
নৌমি এবার বক্রদৃষ্টিতে তাকাল। তাজের ঠোঁটের স্নিগ্ধ হাসিতে নৌমির বুকের যন্ত্রণা বাড়তে লাগল৷ আজ বাদে কাল থেকে এই মুখটা আর দেখতে পাবে না। ইচ্ছে হলেই ছুঁতে পারবে না। নৌমির দম বন্ধ হয়ে আসছে তবুও স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করছে। মৃদুস্বরে বলে,
” আমি তোমার উপর রাগ করিনি।”
” তবে কি? অভিমান? তুই অভিমানও করতে জানিস?”
নৌমি মলিন হাসল। কান্নাভেজা কণ্ঠে বলল, ” অভিমান করার যোগ্যতা বোধহয় আমার নেই।”
“নেই কেন?”
” সেই অধিকার একজনেরই। “
” কার?”
” নিলু ভাবির।”
মুহুর্তেই তাজের চেহারার উজ্জ্বল ভাবটা মিইয়ে গেল। নৌমির পাশ থেকে উঠে গেল। নৌমির দৃষ্টি নিস্পৃহ। তাজ নৌমির দিকে পিঠ করে ছাঁদের কার্ণিশে গিয়ে দাঁড়াল। অন্য সময় হলে নৌমিও উঠে গিয়ে সেখানে দাঁড়াত তবে আজ আর তা করল না। নিজের দু’পা দোলনার উপর তোলে হাঁটুতে মুখ গুঁজে নিঃশব্দে কাঁদতে লাগল। কয়েক মুহুর্ত নিরবতায় কেটে গেল। হঠাৎ গলা ঝেড়ে ঝাঁঝ মেশানো কণ্ঠে তাজ বলল,
” আজকের পর ওই নামটা তোর মুখে শুনতে চাই না। কখনো, কোনো অবস্থাতেই শুনতে চাই না।”
” কেন শুনতে চাও না? “
” সেই কৈফিয়ত তোকে দিব না। তোর আমার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে হলে বলবি, ইচ্ছে না হলে বলার দরকার নেই।”
” আমি কথা না বললেও তুমি দিব্যি থাকবে। তাইতো আমাদের ফেলে দূরে চলে যাচ্ছো।”
নৌমির কান্না গভীর হলো। আঁধারের তোপে নৌমির কান্নাভেজা চোখ তাজ দেখতেও পারল না। তাজ পুনরায় চ্যাঁচাল,
” হ্যাঁ থাকব। থাকতে হবে আমাকে। ছেলেরা সব পারে।৷ ভালোবাসার মানুষকে পাওয়ার জন্য যেমন সংগ্রাম করতে পারে তেমনি ভালোবাসার মানুষকে ঘৃণাও করতে পারে।”
” নিলু ভাবির সাথে কোনো ঝামেলা হয়েছে তোমার?”
” আবার সেই নাম! তোকে বলেছি এই নাম আমার সামনে নিবি না তারপরও কেন নিচ্ছিস বার বার?”
“কি হয়েছে বলো আমাকে?”
” কিছু হয় নি। ভেবেছিলাম দুপুরের ব্যবহারে তুই রাগ করেছিস তাই তোর সাথে কথা বলতে এসেছিলাম। এখন মনে হচ্ছে আমার ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। তুই আমার থেকেও অন্য কাউকে নিয়ে বেশি চিন্তিত। “
নৌমি দু হাতের তালুতে চোখ মুছে নিল। ভীত গলায় বলতে লাগল, ” তুমি হুট করে নিখোঁজ হয়ে গেলে। ভেবেছিলাম বাসার এই বাজে পরিস্থিতির জন্য রাগ করেছ। তারপর যখন দেখলাম দুই-তিনদিন হয়ে গেল তবুও বাসায় ফিরছো না। তখন মনে হলো, হয়তো বিয়ে করে নিয়েছো। তুমি বাসায় এসেছো শুনেও আমি সর্বপ্রথম সেটাই ভেবেছিলাম।”
” যখন দেখলি আমি একা তখন তোর মন খারাপ হলো তাই না?”
নৌমি ভেজা চোখে তাকাল। অন্ধকারে কারো অভিব্যক্তিই ঠিকমতো বুঝা গেল না। তাজ এগিয়ে এসে নৌমির সামনে দাঁড়িয়ে তপ্ত স্বরে বলতে লাগল,
” আমি জানি তুই আমাকে বিয়ে করতে চাস না। আমিও চাই না। দু’জনেই পরিস্থিতির স্বীকার। কিন্তু তাই বলে আমি সবার সামনে তোকে ছোট করতে পারি না। যখন এদিক-সেদিক গেলে পোলাপান তোকে নিয়ে বাজে কথা বলে বা বলতে চাই তখন আমার সহ্য হয় না। ভেবেছিলাম আব্বুকে বুঝিয়ে বলব কিন্তু সেই পরিস্থিতিও এখন নেই। তারজন্য মনে হলো দূরে চলে যাওয়া ভালো। অন্ততপক্ষে কিছুদিনের জন্য হলেও বিয়ে টপিকটা স্থগিত থাকবে। তাছাড়া তোকেও এই নিয়ে কথাবার্তা শুনতে হবে না।”
” ছোটোখাটো বিষয়ে নৌমি খুব একটা ভাবে না। আমাকে নিয়ে কে কি বলল, না বলল তাতে আমার কিছু যাবে আসবে না। আমি আমার মর্জিতেই চলব। এসব ভাবনায় যদি ডিপ্রেশনে যাও আর ডিপ্রেশন থেকে ভেবে নাও দূরে গেলে সব ঠিক হয়ে যাবে তাহলে তুমি ভুল ভাবছো। দূরে গেলে সম্পর্ক ভাঙে কখনো জোরালো হয় না।। দূরে গেলে মন খারাপ বাড়ে, মন ভালো হওয়ার ঔষধ পাওয়া যায় না। দূরে গেলে তিক্ততা বাড়ে, মিষ্টতা কমে।”
” এই শহরে আমার দমবন্ধ হয়ে আসছে, মুসকান। পরিবার আছে, পরিবারের মানুষজন আছে কিন্তু আমার মনের কথা শেয়ার করবার কেউ নেই। আমাকে বুঝার কেউ নেই।”
” আমিও কি তোমাকে বুঝি না?”
” না।”
নৌমি বসা থেকে ওঠে দাঁড়াল। অভিমানী কণ্ঠে বলল,
” ঠিক আছে, যাও। যেখানে তোমাকে বুঝার মানুষ আছে সেখানেই চলে যাও।”
” সেখানেই যাচ্ছি।”
” ভালো। আমি যাই।”
” থাকলে কি হবে?”
” কিছু যেন না হয় তাই চলে যাচ্ছি।”
নৌমি চলে যাচ্ছে। তাজ অনিমেষ চোখে সে পথে চেয়ে নিঃশব্দে হাসল।
★
নৌমি ক্লাসের লাস্ট ব্রেঞ্চে বসে আছে। ইদানীং ক্লাস করতে একটুও ইচ্ছে করে না। বাসায় থাকলেও ভীষণ খারাপ লাগে। চোখের সামনে তাজের ঘোরাঘুরি সহ্য করতে পারে না। কথা বলতে গেলেও বারবার কান্না আসে। চার দেয়ালের বাইরে কাঁদতে চাই না মেয়েটা। তাই এক প্রকার সময় কাঁটাতেই ভার্সিটিতে আসে। হিসাববিজ্ঞানের একটা একটা বই দেখলেই শরীরে কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে। স্যার প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলে বোবা বনে যায়। নিজেকে আড়াল করতে তাইতো পেছনের ব্রেঞ্চটাকেই বেছে নিয়েছে। নৌমির পাশে আজ মিরা নামের একটা মেয়ে বসেছে।মিরার সঙ্গে তারই কাছের বন্ধু লাকি বসেছে। তাদের কথোপকথনের জন্য স্যারের পড়া নৌমির কান পর্যন্ত পৌঁছাতেই পারছে না। তাতেও নৌমির কোনো আক্ষেপ নেই। এতক্ষণ ফিসফিস করে গল্প করলেও স্যার চলে যেতেই তাদের গল্পের আসর প্রগাঢ় হলো। নৌমিও এবার পূর্ণ মনোযোগ দিল। নৌমির আগ্রহ দেখে তাঁরাও নৌমিকে শুনিয়ে শুনিয়ে গল্প করতে লাগল। গল্পের টপিক ‘প্রেমে বিচ্ছেদ’।
লাকির পাশের বাসার এক মেয়ে শহরের বিশিষ্ট এক শিল্পপতির ছেলের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছিল। মেয়ের নাম রিপা। প্রথম দিকে ভালোই চলছিল সবকিছু। প্রায় ২ বছরের সম্পর্ক। এরমধ্যে ছেলে কয়েকবার রিপাদের বাসায় ঘুরতে এসেছে। রিপার বাবা-মা, ভাই-ভাবি সবার সাথে কথাবার্তাও বলে গিয়েছে। এলাকা, ভার্সিটি কারো নিকটই বিষয়টা অজানা ছিল না। দিনতারিখ ঠিক করে ছেলে পক্ষ রিপাকে দেখতেও এলো। রিপাদের বাসায় সেদিন বিয়ের আয়োজন। এলাকাবাসীদের দাওয়াত দেওয়া হয়েছে। সকাল থেকে হৈ-হুল্লোড়। ছেলেপক্ষ দেখেশুনে হাসিমুখেই বিদায় নিয়েছিল। এমনকি ছেলে মেসেজে জানিয়েছিল, তাঁর বাবা-মায়ের রিপাকে খুব পছন্দ হয়েছে। রিপার খুশি দেখে কে! রিপার সাথে সাথে পুরো পরিবার খুশিতে ফেটে পড়ে। কিন্তু তাঁদের এই খুশি বেশিদিন স্থায়ী হলো না। হুট করে বেঁকে বসল ছেলেপক্ষ। ছেলের বাবাকে কে বা কারা বুদ্ধি দিয়েছে এই মেয়েকে বউ করে আনলে অবনতি ছাড়া কিছুই হবে না। তার থেকে কোটিপতি বাবার মেয়েকে বিয়ে করানো উচিত। যাতে সমানে সমানে সম্পর্ক হয়। ছেলের বাবা ছেলেকে এই কথা বলতেই ছেলের অবস্থা নাজেহাল৷ সে রিপাকে ছাড়া অন্য কাউকে বিয়ে করবে না। অন্যদিকে রিপাদের বাড়িতেও কান্নার রোল পড়েছে। লাস্ট ১ সপ্তাহ পরিবার মানানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় দু’জনে। গতকাল দু’জনে পার্কে দেখা করতে গিয়েছিল। সেখানেই বি*ষ খেয়েছে। স্থানীয় লোকজন ধরাধরি করে হাসপাতাল পর্যন্ত নিয়েছে। সকালে শুনে এলাম, রিপার অবস্থা কিছুটা স্বাভাবিক কিন্তু ছেলেটার এখনও জ্ঞান ফিরে নি। বাঁচবে কি না সন্দেহ।
কথাগুলো শোনার পর থেকে ভয় আর দুশ্চিন্তায় নৌমির শরীর ঘামতে শুরু করেছে। মানুষ এমনও হয়! ভালোবাসার জন্য নিজের জীবন দিয়ে দিতেও দু’বার ভাবে না। এতদিন পর্যন্ত নৌমি এসব সিনেমা কিংবা নাটকে দেখেছিল৷ জীবনে প্রথমবার বাস্তব ঘটেছে শুনলো। ক্লাস করার মনোযোগ শেষ হয়ে গেল। একটা ক্লাস রেখেই বেরিয়ে গেল। কিন্তু যাবে কোথায়! বাসায় যেতেও ইচ্ছে করছে না।
নৌমি রাস্তার পাশ দিয়ে হাঁটছে। হাতে একটা চিপসের প্যাকেট। হঠাৎ পাশ থেকে কেউ ডাকল,
” নৌমি।”
নৌমি বিস্ময় নিয়ে তাকাল। সঙ্গে সঙ্গে নজরে পড়ল তাজের বন্ধু শান্ত চায়ের কাপ হাতে দাঁড়িয়ে আছে। নৌমি তাকাতেই মৃদু হেসে প্রশ্ন করল,
” ক্লাসে গিয়েছিলে?”
” জি।”
” ভালো আছো?”
” আলহামদুলিল্লাহ। আপনি?”
” আলহামদুলিল্লাহ ভালো। তোমার ভাইয়ের কি খবর?”
” তামজিদ ভাইয়ার?”
” হ্যাঁ।”
” তাঁর খবর আমার থেকে আপনারা ভালো জানবেন বলে মনে হয়।”
” সেই যে দেখা হয়েছিল। তারপর থেকে তাজ আমাদের কারোর ফোন তুলতেছে না। আমি সকালে তাজের বাসাতেও গিয়েছিলাম। শুনলাম ও বাসায় নেই। আংকেল বাসায় ছিল তাই বাড়তি কথাও বলতে পারিনি।”
নৌমি স্বাভাবিক কণ্ঠে বলল,
” আমার সাথেও দেখা হয় না।”
শান্ত কোমল গলায় বলল,
” তুমি এখন শেষ ভরসা বোন। তাজের মানসিক অবস্থা খুব খারাপ। তুমি জানো কি না জানি না। তাজ সত্যি কষ্টে আছে।”
” কি হয়েছে?”
শান্ত ঢোক গিলে মৃদুস্বরে বিড়বিড় করল,
” তাজের গার্লফ্রেন্ড নিলুর গতকাল বিয়ে হয়ে গিয়েছে।”
Share On:
TAGS: প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে, সালমা চৌধুরী
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে পর্ব ২২+বর্ধিতাংশ
-
প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে পর্ব ১২
-
প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে পর্ব ২৬
-
প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে পর্ব ৫
-
প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে পর্ব ১৯
-
প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে সূচনা পর্ব
-
প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে পর্ব ৭
-
প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে পর্ব ২৫
-
প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে পর্ব ১১
-
প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে পর্ব ২০+এক্সট্রা