#অ্যাঞ্জেল_অ্যাঞ্জেলিনা
#সারপ্রাইজ_পার্ট
#লেখিকা_ফারহানা_নিঝুম
(নিচের নোট অবশ্যই পড়বেন)
আফরিদ ভ্রুদ্বয় সামান্য কুঞ্চিত করে তাকালো সম্মুখের যুবকের মুখ পানে!যার চোখের মণি দুই রঙা! একটি ধূসর এবং অন্যটি পান্নার মতো সবুজ। অদ্ভুত ওই চোখ জোড়ায় যেমন রহস্যের হাতছানি ঠিক তেমনি লুকিয়ে আছে এক দুর্বোধ্য শীতলতা।
আফরিদের মতোই স্থির দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে আছে যুবকটিও। যেন সম্মুখে দাঁড়ানো পুরুষটির অবয়বের প্রতিটি খুঁটিনাটি নিজের দৃষ্টিতে গেঁথে নিতে চাইছে। এমন অপরূপ পুরুষসৌন্দর্যের সাক্ষাৎ এর আগে কখনো পায়নি স্পাইডার! হ্যাঁ, অপরাধজগতের অন্ধকার অলিগলিতে যে নামটি উচ্চারিত হলে বহু দুর্ধর্ষ অপরাধীর বুকের ভেতরেও আতঙ্কের শীতল স্রোত বয়ে যায়, সেই দুর্ধর্ষ স্পাইডার!
অথচ আজ সেই স্পাইডারের দৃষ্টিই আটকে আছে আফরিদ এহসানের ওপর। নীলাভ চোখজোড়া, সুস্পষ্ট খাঁজকাটা মুখশ্রী, নিখুঁত চোয়ালের গঠন , অবয়ব সব মিলিয়ে যেন কোনো নিপুণ শিল্পীর হাতে গড়া জীবন্ত ভাস্কর্য! সৌন্দর্যের এমন নিখুঁত সংমিশ্রণ সচরাচর চোখে পড়ে না।
স্পাইডারের মুগ্ধ দৃষ্টি লক্ষ করে ঠোঁটের কোণে বাঁকা হাসি ফুটিয়ে তুলল আফরিদ। পকেট থেকে একটি সিগারেট বের করে ঠোঁটের ফাঁকে গুঁজে নিল সে। অতঃপর লাইটারের ক্ষুদ্র শিখায় সিগারেটটি প্রজ্বলিত করে ধোঁয়ার প্রথম কুণ্ডলী বাতাসে ছেড়ে দিল। তার চোখেমুখে তখনও সেই নির্লিপ্ত, দুষ্টুমিমাখা অভিব্যক্তি।
সহসাই ঠোঁটের কোণে হাসিটা আরও প্রশস্ত করে বলল,
“শুনলাম, তোর গার্লফ্রেন্ড নাকি তোকে চাচ্চুউউ বলে ডাকে!”
কথাটা কর্ণকুহরে প্রবেশ করতেই ফুঁসে উঠল স্পাইডার! মুহূর্তেই তার চোখেমুখের মুগ্ধতা উবে গিয়ে সেখানে জায়গা করে নিল তীব্র বিরক্তি। ভিন্ন রঙের চোখ দুটো সংকুচিত করে আফরিদের দিকে তাকাল সে। যেন এই মুহূর্তে সম্মুখের লোকটিকে আস্ত গিলে খেতে পারলেই তার মনের শান্তি ফিরবে!
অথচ স্পাইডারের এমন প্রতিক্রিয়া দেখে বিন্দুমাত্র বিচলিত হলো না আফরিদ। বরং তার বিরক্তিমাখা মুখশ্রী দেখে মনে মনে বেশ আমোদই পেল। সিগারেটের ধোঁয়া ছেড়ে আড়চোখে একবার যুবকটির দিকে তাকাল সে। ঠোঁটের কোণে খেলা করতে লাগল দুষ্টুমিপূর্ণ হাসি।
পেছনে সটান হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ঈশান পুরো ঘটনাটি নির্বাক বিস্ময়ে প্রত্যক্ষ করছে। তার দৃষ্টি বারবার স্পাইডারের মুখশ্রীতে আটকে যাচ্ছে। এই সেই ব্যক্তি, যে স্পেনে পা রাখার পর ইস্ক্রিয়াসের মুখোমুখি হতেই তাকে গুলি করে বসেছিল! যার নিশানা থেকে রেহাই পাওয়া রীতিমতো ভাগ্যের ব্যাপার!দ্য ব্লাডি শার্পশুটার!অপরাধজগতের দুর্ধর্ষ এক আতঙ্ক। যার নিশানা কখনো লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় না, যার উপস্থিতি মানেই মৃ’ত্যুর পদধ্বনি!
অথচ সেই ভয়ংকর স্পাইডারকেই আজ আফরিদ এহসান অনায়াসে খেপিয়ে তুলছে! যেন সম্মুখে বসে থাকা যুবকটি কোনো কুখ্যাত শার্পশুটার নয়, বরং নিছকই তার খুনসুটির শিকার হওয়া কোনো সাধারণ মানুষ!
ঈশান মনে মনে দীর্ঘশ্বাস ফেলল।
“আফরিদ এহসানের মাথায় আসলে কী চলে, তা স্বয়ং সৃষ্টিকর্তাও জানেন কি না, সন্দেহ!”
“মাইন্ড ইওর টাং আফরিদ এহসান, ওরফে মনস্টার মাফিয়া! তুমি কিন্তু এখন আমার ডেরায় আছো!”
স্পাইডারের মুখ থেকে কথাগুলো কর্ণকুহরে প্রবেশ করতেই শব্দ করে হেসে উঠল আফরিদ! এমন অট্টহাসি, যেন এই মুহূর্তে পৃথিবীর সবচেয়ে হাস্যকর কৌতুকটি শুনেছে সে। হাসতে হাসতে একপর্যায়ে মাথাটা সামান্য পেছনে হেলিয়ে দিল। অথচ সম্মুখে বসে থাকা যুবকের মুখশ্রীতে বিরক্তির রেখাগুলো ক্রমশ গাঢ় হয়ে উঠছে। ভিন্ন রঙের চোখ দুটো দিয়ে আফরিদকে এমনভাবে পর্যবেক্ষণ করছে, যেন এক্ষুনি লোকটার মস্তিষ্ক খুলে পরীক্ষা করে দেখতে পারলে শান্তি পেত!
আফরিদ হাসি থামিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলল। অতঃপর বুকে হাত রেখে ভীষণ গম্ভীর মুখে বলল,
“ভয় পেয়েছি আমি!”
এক সেকেন্ড থামল সে। তারপর নিজের মুখশ্রীতে আতঙ্কের অভিব্যক্তি ফুটিয়ে তুলে দুহাত সামান্য প্রসারিত করল।
“দেখ, দেখ! ভয়ে আমার প্যান্ট ভিজে গেছে!”
কথাটি বলেই নিজের প্যান্টের দিকে আঙুল নির্দেশ করল আফরিদ। এমন ভাব করল, যেন সত্যিই ভয়ে তার পৃথিবী ওলটপালট হয়ে গেছে!
পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা ঈশান চোখের পলক ফেলল।
একবার আফরিদের দিকে তাকাল। তারপর স্পাইডারের দিকে। অতঃপর পুনরায় আফরিদের দিকে।আল্লাহ! এই লোকটাকে কে বোঝাবে যে সম্মুখে দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তিটি কোনো পাড়ার বখাটে নয়।
তার ভাবখানা এমন, যেন বাজার থেকে ডিম কিনতে গিয়ে দোকানদারের সঙ্গে দরদাম করছে!স্পাইডার নাক-মুখ কুঁচকে নিল। কয়েক মুহূর্ত আফরিদের দিকে তাকিয়ে থেকে বিরক্তিতে চোয়াল শক্ত করল। অতঃপর দাঁতে দাঁত চেপে বলল,
“আমি শুনেছিলাম, আফরিদ এহসান একটা জঘন্য লোক। কিন্তু আজ নিজের চোখে প্রমাণ পেয়ে গেলাম!”
কথাটা শুনে আফরিদ হাসি থামিয়ে ফেলল।মুহূর্তখানেক স্পাইডারের মুখের দিকে তাকিয়ে রইল সে। তারপর এমনভাবে বুকের কাছে হাত নিয়ে গেল, যেন কথাটা তার হৃদপিণ্ডে গিয়ে সরাসরি আঘাত করেছে।
“ইশশশ! কী যে বলিস না, ব্রো! আমার মতো নিরীহ, নিষ্পাপ, নিরপরাধ একটা মানুষকে তুই জঘন্য বললি?”
ঈশান এবার চোখ বন্ধ করে ফেলল।নিরীহ!শব্দটা শুনে তার মনে হলো, এইমাত্র পৃথিবীর সমস্ত অভিধানকে অপমান করা হলো।আহারে বেচারি ইলহাম ম্যাম এখানে থাকলে সেরা নাটকবাজ বসকে দেখতে পেতো।
যে লোকের জন্য গত কয়েক দিনে কতগুলো মানুষের রাতের ঘুম হারাম হয়েছে, কতগুলো মাথায় হাত পড়েছে, কতগুলো অপরাধীর আত্মা শরীর ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে, সেই লোকের মুখে নিরীহ শব্দটা একেবারে বেমানান!
স্পাইডার ঠোঁট বাঁকিয়ে বলল,
“তোর মতো নির্লজ্জ মানুষ আমি জীবনে দেখিনি!”
আফরিদ এবার সত্যি সত্যিই অবাক হওয়ার ভান করল।
“আরে! তুই আমাকে দেখেছিস কখন?”
স্পাইডার থমকে গেল।আফরিদ ভ্রু নাচিয়ে বলল,
“মানে, এতক্ষণ তো তুই আমার সৌন্দর্য দর্শনে ব্যস্ত ছিলি। এখন আবার আমার চরিত্র বিশ্লেষণও করে ফেললি? বাহ! মাল্টিট্যালেন্টেড তো তুই!”
“হোয়াট দ্য,,,
“আস্তে, আস্তে! এত উত্তেজিত হোস না। হার্টে সমস্যা থাকলে ডাক্তার দেখাস। আমার এখানে কিন্তু কোনো কার্ডিওলজিস্ট বসিয়ে রাখিনি!ভালো কথা, হার্ট হার্ট,তুই আমার বুকের বাঁ পাশে গুলি করে ছিলি তাইনা? যেখানে আমার বউ থাকে?”
স্পাইডার কয়েক মুহূর্ত নির্বাক হয়ে তাকিয়ে রইল।তার জীবনে এমন পরিস্থিতি কখনো আসেনি।
“উপস সরি, আমার বউতো বুকের ডান পাশে থাকে!”
স্পাইডার ক্ষণিকের জন্য বিস্মিত হলো। ডান পাশে মানে?
মানুষ তাকে দেখলে ভয়ে কথা বলতে ভুলে যায়। আর এই লোকটা তাকে কথা বলার সুযোগই দিচ্ছে না! যেন স্পাইডার কোনো অপরাধী নয়, বরং আফরিদের ব্যক্তিগত বিনোদনের জন্য ভাড়া করা কোনো কৌতুকাভিনেতা!স্পাইডার এবার ফুঁসে উঠল।
“শাট আপ, আফরিদ!”
আফরিদ হাসলো সামান্য।স্পাইডারের মুখ দিয়ে আর কোনো শব্দ বেরোল না।ঈশানের মনে হলো, সে যদি আর পাঁচ মিনিট এখানে দাঁড়িয়ে থাকে, তাহলে নিজের মানসিক সুস্থতা নিয়ে সন্দেহ শুরু করবে।
এদিকে আফরিদ একেবারে নির্লিপ্তভাবে সোফায় গা এলিয়ে দিল। পায়ের ওপর পা তুলে এমন আরাম করে বসল, যেন এই ঘরে কোনো শত্রু নেই, কোনো হিসাব-নিকাশ নেই।
কয়েক দিন আগেও এই স্পাইডারই আফরিদ এহসানের বুকে গুলি চালিয়ে একটি চিরকুট ফেলে পালিয়ে গিয়েছিল।
আর আজ?
আজ সেই স্পাইডার আফরিদের সামনে দাঁড়িয়ে নিজের রাগ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে!আফরিদ লম্বা একটা নিঃশ্বাস নিল। মুখের হাসিটা ধীরে ধীরে মিলিয়ে গেল। নীলাভ চোখজোড়ায় ফুটে উঠল শীতল এক দৃষ্টি।
“যাই হোক, মজা অনেক হলো। এবার আসল কথায় আসি।”
স্পাইডারও এবার নিজেকে সামলে নিল। ঠোঁটের কোণে ফুটে উঠল তাচ্ছিল্যের হাসি।আফরিদ তার দিকে তাকিয়ে ধীর অথচ স্পষ্ট কণ্ঠে বলল,
“আফরিদ এহসানের বুকে শ্যুট করবি, একটা চিরকুট লিখে পালিয়ে যাবি, আর ভাববি আফরিদ এহসান এত সহজে তোকে ছেড়ে দেবে?আর শ্যুট কোথায় করলি বুকের বাঁ পাশে? আফসোস!”
কথার মাঝখানে সামান্য বিরতি নিল সে।
“উঁহু, উঁহু! এতটা বোকা তো আমি নই, ব্রো! আফরিদ এহসান ঠিক কতটা জঘন্য, সেটা তোর আমার বুকে গুলি চালানোর আগেই বোঝা উচিত ছিল!”
স্পাইডারের চোখের মণি সংকুচিত হয়ে এল।আফরিদ এবার সামান্য ঝুঁকে কনুই দুটো হাঁটুর ওপর রাখল। ঠোঁটের কোণে সেই চেনা হাসি।
“জানিস, তোর সবচেয়ে বড় ভুল কী?”
স্পাইডার নীরব।
“তুই ভেবেছিলি, তোর পরিচয় কেউ জানে না। তোর ঠিকানা কেউ জানে না। তোর চেহারা কেউ দেখেনি। তুই অন্ধকারে থাকবি, আর পৃথিবীর বাকি সবাই অন্ধকারেই হাতড়ে মরবে।”
আফরিদ মাথা কাত করল।
“কিন্তু একটা ছোট্ট সমস্যা হয়ে গেল, তাই না?”
তারপর নিজের বুকের ওপর আঙুল ঠেকিয়ে বলল,
“তুই ভুলে গিয়েছিলি, তোর প্রতিপক্ষ আফরিদ এহসান!”
পেছন থেকে ঈশান মনে মনে বলল,
“বস, নিজের প্রশংসাটা একটু কম করলেও হতো!”
আফরিদ অবশ্য কারও মনের কথা শোনার মানুষ নয়।
সে আবার বলল,
“চব্বিশ ঘণ্টা, ব্রো! মাত্র চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে তোকে খুঁজে বের করেছি। আর তুই এখনো ভাবছিস, আমি তোকে হুট করে ছেড়ে দেব? আমি জিজ্ঞেস করব না কে বলেছে আমার উপর অ্যাটাক করতে, কিন্তু এটা অবশ্যই বলব খেলাটা বড্ড কাঁচা হয়ে গেল না?”
স্পাইডার ঠান্ডা গলায় বলল,
“তুই আমাকে খুঁজে পেয়েছিস বলে নিজেকে খুব চালাক ভাবিস?”
আফরিদ সঙ্গে সঙ্গে মাথা নাড়ল।
“না, না! চালাক ভাবব কেন? আমি তো চালাকই!”
ঈশান এবার কপালে হাত ঠেকাল।এই লোকটার আত্মবিশ্বাসের জন্য আলাদা একটা মহাদেশ থাকা উচিত।
স্পাইডার দাঁত চেপে বলল,
“তোর এই অহংকার একদিন তোকে শেষ করবে!”
আফরিদ মিষ্টি করে হাসল।
“হতে পারে। তবে সেদিন যেন তুই বেঁচে থাকিস। আমার শেষকৃত্যে এসে একটু কেঁদে যাস।”
“তোর মৃত্যুতে আমি নাচব!”
“সত্যি?”
আফরিদের চোখ চকচক করে উঠল।
“তাহলে তোকে আগেই একটা প্লেলিস্ট বানিয়ে দিতে হবে! দাঁড়া, আমার বিয়ের ভিডিও থেকে কয়েকটা গান বের করে দিই। নাচতে সুবিধা হবে!”
স্পাইডার এবার সত্যিই কিছুক্ষণ চুপ করে রইল।তার মনে হলো, আফরিদ এহসানকে গু’লি করা তার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল কি না, সেটা নতুন করে ভেবে দেখা দরকার।গুলিটা না চালালেই বোধহয় ভালো হতো।
অন্তত এই মানসিক অত্যাচারের শিকার হতে হতো না!
স্পাইডার চোখ সরু করল।আফরিদ সঙ্গে সঙ্গে দুই হাত তুলে আত্মসমর্পণের ভঙ্গি করল।
“আজ শুধু ওয়ার্নিং দিচ্ছি নয়ত পরের বার তোর ভাতিজিকে আর দেখতে পাবিনা!”
চোয়াল শক্ত হয়ে এলো স্পাইডারের। ভাতিজি?
আফরিদ দুষ্টু হেসে বলে ওঠে
“মাই মিস্টেক,ওটা তোর বউ,যে কি-না একসময় ভাতিজি ছিলো!তাই না চাচ্চুউউ!”
“আফরিদ এহসান!”
“জি, আমার প্রিয় স্পাইডার সাহেব?”
“আমি তোকে খুন করব!”
আফরিদ সঙ্গে সঙ্গে হেসে উঠল।
“আবার সেই একই কথা! আরে ভাই, আমাকে খুন করতে এসে তুই নিজেই এখন মানসিক রোগী হয়ে যাবি! তার চেয়ে একটা কাজ কর,,,,
সে সোফায় আরও আরাম করে হেলান দিল।
“আমার বউয়ের সঙ্গে দেখা কর। ওকে বলিস, তুই আমাকে খুব পছন্দ করিস। তারপর ওর অনুমতি নিয়ে আমার সঙ্গে বন্ধুত্ব করিস।”
স্পাইডার দাঁতে দাঁত চেপে তাকালো। আফরিদ সোফা ছেড়ে ওঠে দাঁড়ালো,দরজার দিকে এগোতে এগোতে বলল,
“স্পাইডারম্যান স্পাইডারম্যান,তু ন্যে চুরায়্যা মেরি দিল ক্যে চ্যেন!”


গাড়ির কাছাকাছি আসতেই ঈশান উসখুস করে ওঠে! ললাটে বলিরেখা ফুটে ওঠে আফরিদের,সরু চোখে চেয়ে বলল,
“কি রে শাউয়্যার নাতি,তোর গলায় ব্যাঙ ঢুকেছে বুঝি?”
থতমত খেয়ে গেল ঈশান; তোতলাতে তোতলাতে বললো,
“ইয়ে মানে বস একটা কথা বলি? মাইন্ড করবেন না তো?”
“বলে ফেল!”
ঈশান নির্ভয়ে বলে ওঠে,
“স্পাইডারের গার্লফ্রেন্ড না হয় তাকে চাচ্চু ডাকে।”
“হুঁ!”
“আচ্ছা বস, আপনার বয়স একত্রিশ,ইলহাম ম্যামের বয়স উনিশ। তাহলে আপনিও তো ম্যামের আঙ্কেল লাগেন তাইনা?”
কথাটা শেষ হতেই পায়ের জুতো খুলে ছুড়ে মারলো আফরিদ! ভয়ে আর্তচিৎকার করে সম্মুখে দৌড় লাগালো,
“জানোয়ার দাঁড়া তুই….
“সরি বসসসসসস..
To be continued…….
Share On:
TAGS: অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা, ফারহানা নিঝুম
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৩২(প্রথমাংশ +শেষাংশ +বোনাস)
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৫
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৯৬
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৯৯
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ২৯(প্রথমাংশ+শেষাংশ)
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ১৭
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৩৪(প্রথমাংশ + মধ্যাংশ + শেষাংশ)
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৫৫ শেষ অর্ধেক
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৪৩
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ১১