Golpo romantic golpo যেখানে প্রেম নিষিদ্ধ

যেখানে প্রেম নিষিদ্ধ পর্ব ৩৮


#যেখানে_প্রেম_নিষিদ্ধ

#ইশরাত_জাহান_জেরিন

#পর্ব_৩৮

পিলুগ্রামের সেই রাজকীয় বিয়ের শোরগোল শেষ হতে হতে প্রায় দুটো মাস কেটে গেল। গ্রামের সেই বাঁকা চাঁদ, মসলিন শাড়ির সুবাস আর কাচ্চি বিরিয়ানির উৎসব এখন অতীত। ঢাকা শহরের চেনা ব্যস্ততা, ট্রাফিক জ্যাম আর নিয়মের কড়াকড়িতে সবাই যার যার জীবনে ফিরে এসেছে। মীর আরযান শানের জীবনটা বরাবরই ঘড়ির কাঁটায় চলে। তার সিকিউরিটি জোনের অফিসটা বড্ড নিস্তব্ধ। কাঁচের জানালার ওপাশে ঢাকার আকাশটা আজ কেমন মেঘলা। আরযান একটা ফাইলে সই করে কলমটা রাখল। তার মুখটা শান্ত, কিন্তু চোখের কোণে গভীর একটা ক্লান্তির ছায়া। এই ক্লান্তি কাজের নয়, এই ক্লান্তি মনের। দরজায় মৃদু টোকা পড়ল। আরযানের পিএস ভেতরে এসে দাঁড়াল।

“স্যার, নতুন ইন্টার্নরা সবাই চলে এসেছে। শুধু একজন এখনো রিপোর্ট করেনি।” আরযান ঘড়ির দিকে তাকাল। সকাল সাড়ে দশটা বাজে। তার অফিসে দশটা মানে দশটা। এক মিনিটও এদিক-ওদিক হওয়ার নিয়ম নেই। সে ঠান্ডা গলায় বলল, “কে আসেনি?”

“জি স্যার, মিস সাঁঝ। উনার ফোনও বন্ধ।”

আরযান কোনো মন্তব্য করল না। সে চেয়ার ছেড়ে উঠে জানালার পাশে গিয়ে দাঁড়াল। সাঁঝকে সে নিজের হাতে এই ইন্টার্নশিপে ঢুকিয়েছে যাতে মেয়েটার ছটফটে স্বভাবটা একটু নিয়ন্ত্রণে আসে, একটু নিয়ম শেখে। কিন্তু সাঁঝের জেদ আর অবাধ্যতা যেন দিন দিন বেড়েই চলেছে। পিলুগ্রামের সেই রাতের পর থেকে সাঁঝের সাথে তার দূরত্বটা কেমন যেন এক দুর্ভেদ্য দেয়ালে রূপ নিয়েছে। সাঁঝ তাকে এড়িয়ে চলে। আরযানের ঘরের বন্দিত্ব আর সেই লাল দাগের থেরাপি সে এখনো ভুলতে পারেনি। আর এটাই তাকে এক চরম ভুলের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

উত্তরা তিন নম্বর সেক্টরের একটা নিরিবিলি রেস্টুরেন্টে বসে আছে সাঁঝ। তার পরনে একটা কামিজ, চুলগুলো খোলা। তার উল্টো দিকের চেয়ারে বসে আছে একটা ছেলে। ছেলেটার নাম রিয়াদ। তার চেনা এক আপুর ইউনিভার্সিটির এক কমন ফ্রেন্ডের মাধ্যমে দিনকয়েক আগে রিয়াদের সাথে সাঁঝের পরিচয়। রিয়াদ দেখতে বেশ হ্যান্ডসাম, কথাবার্তাও খুব মিষ্টি। সাঁঝের মনে হয়েছিল, আরযান ভাইয়ার সেই দমবন্ধ করা খাঁচা থেকে বাঁচতে হলে তার জীবনে অন্য কাউকে দরকার। কাউকে দেখিয়ে অন্তত আরযান ভাইয়াকে প্রমাণ করা দরকার যে, সাঁঝ একা নয়। রিয়াদ এক গ্লাস জুস সাঁঝের দিকে এগিয়ে দিয়ে হাসল। “কী হলো সাঁঝ? তোমাকে আজ বড্ড চিন্তিত দেখাচ্ছে। তোমার ওই খিটখিটে কাজিন কি আবার কোনো ঝামেলা করেছে?”

সাঁঝ জুসের গ্লাসে চুমুক দিয়ে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। “উনার কথা বাদ দাও তো। উনার নাম শুনলেই আমার গায়ে জ্বর আসে। আজ আমার ইন্টার্নশিপে জয়েন করার কথা, অথচ আমি সেখানে না গিয়ে তোমার সাথে দেখা করতে এলাম।”

রিয়াদের চোখের কোণে একটা কুটিল আলো খেলে গেল, যা সাঁঝের সরল চোখে ধরা পড়ল না। রিয়াদ বলল, “তুমি তো এইচএসসিও দাওনি। এখনি কাজ? এত বড় জায়গায় চাকরি? আচ্ছা খুব ভালো করেছ। চলো, আজ আমরা একটু ঘুরে আসি। আমার এক বন্ধুর একটা খালি ফ্ল্যাট আছে এই কাছেই, একদম নিরিবিলি। ওখানে বসে দুজনে প্রাণখুলে গল্প করা যাবে।”

সাঁঝ একটু ইতস্তত করল। “ফ্ল্যাটে? না রিয়াদ, ওখানে যাওয়া ঠিক হবে না।”

রিয়াদ সাঁঝের হাতটা আলতো করে ছুঁল। “আরে ভয় পাচ্ছ কেন? আমি তো আছি। তুমি কি আমাকে বিশ্বাস করো না?” সাঁঝের হঠাৎ মনে পড়ল এক সপ্তাহ আগের কথা। ধানমণ্ডি লেকের পাড়ে সে যখন রিয়াদের সাথে প্রথমবার দাঁড়িয়ে কথা বলছিল, ঠিক তখনই আরযানের কালো গাড়িটা সেখানে এসে থেমেছিল। আরযান গাড়ি থেকে নামেনি, শুধু জানালার কাঁচটা নামিয়ে সাঁঝকে ডেকেছিল। সেদিন রাতে বাসায় ফিরে আরযান সাঁঝকে বড্ড শান্ত গলায় বলেছিল, “সাঁঝ, ওই ছেলেটার চোখ ভালো নয়। ওটা একটা আস্ত শয়তান। ওর থেকে দূরে থাকবি।”

সাঁঝ সেদিন রেগে গিয়ে বলেছিল, “আমার জীবন আমি দেখব। আপনি শুধু নিজের চরকায় তেল দিন।”

আজ রিয়াদের এই মিষ্টি কথার আড়ালে আরযান ভাইয়ার সেই সতর্কবাণীটা সাঁঝের মনে একটু খটকা তৈরি করল। কিন্তু জেদের বশে সে আরযানের কথাটাকে পাত্তা দিতে চাইল না। সে ভাবল, আরযান ভাইয়া শুধু আমার সব কিছুতেই দোষ খোঁজে।

সিভিল এভিয়েশনের হেড অফিসে তখন অন্য এক ঝড় চলছে। ক্যাপ্টেন তাজ তার কেবিনে বসে কম্পিউটারের স্ক্রিনে এয়ারক্রাফটের রুট ম্যাপ দেখছিল। ঠিক তখনই সিয়া ফাইল হাতে ঢুকল।

“স্যার… এই সপ্তাহের ফুয়েল কনজাম্পশন রিপোর্ট।” সিয়া নিচু গলায় বলল। তাজ স্ক্রিন থেকে চোখ না সরিয়েই হাত বাড়িয়ে ফাইলটা নিল। সে পাতাগুলো উল্টে দেখতে দেখতে হঠাৎ থেমে গেল। তার চোখ দুটো সরু হয়ে এল। সে ফাইলটা টেবিলের ওপর সজোরে রাখল।

“মিস সিয়া, এই রিপোর্টে তিন নম্বর পৃষ্ঠার ক্যালকুলেশনটা কে করেছে?” তাজের গলার স্বর বড্ড কড়া।

সিয়া একটু কেঁপে উঠল। “জি স্যার, আমি করেছি।”

তাজ চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়াল। তার সেই চওড়া শরীর আর গম্ভীর চাউনি সিয়াকে একদম কোণঠাসা করে ফেলল। তাজ সিয়ার খুব কাছে এসে বলল, “আকাশে ওড়ার সময় এক লিটার ফুয়েলের হিসেব ভুল হলে একটা আস্ত প্লেন ক্র্যাশ করতে পারে, সিয়া। আপনি এখানে রোমান্টিক কবিতা লিখতে আসেননি। এই ভুলটা যদি সোমবারের ফ্লাইটে হতো, তবে আপনি এখন এই অফিসে দাঁড়িয়ে আমার বকা শুনতেন না, মাটির নিচে থাকতেন। এত কেয়ারলেস কেন আপনি?” সিয়া ভয়ে এক পা পিছিয়ে গেল। তার চোখ দুটো ছলছল করে উঠল। অফিসের কড়া ডিসিপ্লিনের সামনে সে সত্যি বড্ড অসহায় বোধ করছিল। “সরি স্যার… আমি আজই ঠিক করে দিচ্ছি।” তাজ সিয়ার এই ভেজা চোখ দেখে নিজের অজান্তেই একটু নরম হলো। সে ফাইলটা আবার হাতে নিয়ে সিয়ার দিকে এগিয়ে দিতে গেল। ঠিক তখনই সিয়াও ফাইলটা ধরার জন্য হাত বাড়াল। বাতাসের এক আকস্মিক টানে ফাইলের ভেতরের কিছু আলগা কাগজ মেঝেতে ছড়িয়ে পড়ল। দুজনেই একসাথে সেই কাগজগুলো কুড়িয়ে নেওয়ার জন্য নিচে ঝুঁকতে গেল। আর ঠিক তখনই ঘটে গেল এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। নিচে ঝুঁকতে গিয়ে তাজের চওড়া কপাল আর সিয়ার কপাল ঠকাস করে একে অপরের সাথে ধাক্কা খেল। সিয়া ব্যথায় একটা মৃদু শব্দ করে ভারসাম্য হারিয়ে পেছনের দিকে পড়ে যেতে নিল। তাজ এক সেকেন্ডও সময় নষ্ট না করে সিয়ার কোমর ধরে নিজের দিকে টেনে নিল। মুহূর্তের মধ্যে পুরো ঘরটা নিস্তব্ধ হয়ে গেল। সিয়া এখন তাজের শক্ত বাহুবন্ধনে, তার বুকটা তাজের চওড়া বুকের সাথে একদম লেপ্টে আছে। তাজের ভারী নিশ্বাস সিয়ার ফর্সা কপালে আছড়ে পড়ছিল। সিয়ার খোঁপাটা আলগা হয়ে চুলগুলো তাজের কাঁধের ওপর ছড়িয়ে পড়েছে। তাজের সেই দামী পারফিউমের সুবাস সিয়াকে এক মূহূর্তে অবশ করে দিল। তাজ সিয়ার চোখের দিকে তাকাল। সিয়া ফিসফিস করে বলল, “স্যার… ছাড়ুন।”

তাজ সিয়াকে ছাড়ল না, বরং তার কোমরটা আর একটু শক্ত করে ধরে তার কানের কাছে মুখ নিয়ে বড্ড নিচু গলায় বলল, “অফিসে এত অবাধ্যতা ভালো নয়, সিয়া। তার ওপর দেখে কাজ করতে পারো না? তোমার জন্য দেখো একজন বিমানের পাইলটের মাথায় আঘাত লাগল। এখন যদি বিমান চালানোর সময় যদি শরীর খারাপ করে দায় কিন্তু তোমার ঘাড়ে পড়বে।”

“কিন্তু আমি তো বিমান চালাতে পারি না। এত বড় দায় কেমন করে নিব?”

“না পারলে…কিন্তু বিমানের পাইলট তো আছে, তাদ দায়-ভার তো নিতেই পারো।”

সিয়া লজ্জায় লাল হয়ে তাজের বুক থেকে নিজেকে কোনোমতে ছাড়িয়ে নিল। সে ছেঁড়া কাগজগুলো দ্রুত কুড়িয়ে নিয়ে এক দৌড়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। তাজ নিজের ডেস্কে ফিরে এসে একটা মৃদু হাসল। এই মেয়েটাকে শাসন করা বড্ড কঠিন, কিন্তু তার এই বিড়াল রূপটা দেখতে মন্দ লাগে না।

বিকেল গড়িয়ে তখন সন্ধ্যা নামছে। উত্তরা সেক্টরের সেই নির্জন ফ্ল্যাটের ভেতরে তখন অন্ধকার ঘনিয়ে এসেছে। সাঁঝ রিয়াদের কথামতো ফ্ল্যাটে এসেছিল ঠিকই, কিন্তু সেখানে কোনো বন্ধু ছিল না। ফ্ল্যাটটা একদম ফাঁকা। সাঁঝ ড্রয়িংরুমে বসে অস্বস্তি বোধ করছিল। “রিয়াদ, কেউ তো নেই। আমি এবার চলে যাই। অনেক দেরি হয়ে গেছে।” রিয়াদ এক গ্লাস পানি সাঁঝের দিকে এগিয়ে দিল। তার মুখে এখন আর সেই ভদ্রতার মুখোশ নেই। সে সাঁঝের খুব কাছে এসে বসল। “আরে এত তাড়া কিসের সাঁঝ? চলো না, আমরা একটু অন্যভাবে গল্প করি।” রিয়াদ হঠাৎ করেই সাঁঝের খুব কাছে এসে তার গালে হাত দিল। সাঁঝ চমকে উঠে পিছিয়ে যেতে চাইল, কিন্তু রিয়াদ তাকে ছাড়ল না। সে সাঁঝের কাঁধ ধরে নিজের দিকে টেনে এনে তার ঠোঁটে জোরপূর্বক চুমু খেতে গেল। রিয়াদের মুখের সেই মদের কড়া গন্ধ আর হিংস্র চাউনি দেখে সাঁঝের পুরো শরীর ভয়ে হিম হয়ে গেল। সে রিয়াদকে ধাক্কা দিয়ে বলল, “ছাড়ো রিয়াদ! কী করছ তুমি? এটা অন্যায়!”

“অন্যায়?” রিয়াদ একটা পৈশাচিক হাসি দিল। “তুমি নিজেই তো নিজের কাজিনকে দেখানোর জন্য আমার সাথে এসেছ। এখন আর সতীপনা দেখিও না।” রিয়াদ সাঁঝকে সোফায় সজোরে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিল। তার সুতির কামিজের হাতাটা টান মেরে ছিঁড়ে ফেলল সে। সাঁঝের ফর্সা চামড়া বেরিয়ে পড়ল। রিয়াদ তার ওপর চড়াও হয়ে তাকে জোরাজুরি করার চেষ্টা করতে লাগল। সাঁঝ চিৎকার করতে চাইল, কিন্তু রিয়াদ তার মুখটা একহাতে শক্ত করে চেপে ধরল। সাঁঝের চোখ দিয়ে টপটপ করে পানি পড়তে লাগল। তার মনে হলো, আজ সে শেষ। আরযান ভাইয়ার কথা না শোনার চরম মূল্য তাকে দিতে হচ্ছে। ঠিক তখনই ড্রয়িংরুমের ভারী কাঠের দরজাটা এক প্রচণ্ড লাথির শব্দে ভেঙে চৌচির হয়ে গেল। দরজার চৌকাঠে দাঁড়িয়ে মীর আরযান শান। তার চোখ দুটো রাগে একদম রক্তবর্ণ হয়ে আছে। তার হাতের মুঠো শক্ত। আরযান এক সেকেন্ডও সময় নষ্ট না করে রিয়াদের ঘাড় ধরে তাকে সোফা থেকে এক ঝটকায় তুলে আছড়ে ফেলল মেঝেতে। রিয়াদ কিছু বুঝে ওঠার আগেই আরযানের ভারী বুটের এক জোরালো লাথি এসে পড়ল তার বুকে। আরযান জন্তুর মতো গর্জন করে রিয়াদের মুখে একের পর এক ঘুষি মারতে লাগল। রিয়াদের মুখ দিয়ে রক্ত ছিটকে পড়ল মেঝেতে। সে যন্ত্রণায় কুঁকড়ে গেল। আরযান তাকে প্রায় মেরেই ফেলত, কিন্তু সাঁঝ সোফার এক কোণে নিজের ছেঁড়া জামাটা জড়িয়ে ধরে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠল।

“আরযান ভাইয়া… প্লিজ… আর মেরো না…।” আরযান রিয়াদকে লাথি মেরে একপাশে সরিয়ে দিল। সে দ্রুত নিজের গায়ের দামী কালো ব্লেজারটা খুলে সাঁঝের শরীরে জড়িয়ে দিল। সাঁঝকে এক ঝটকায় নিজের চওড়া বুকে টেনে নিল আরযান। সাঁঝ আরযানের বুকে মুখ গুঁজে বাচ্চাদের মতো চিৎকার করে কাঁদতে লাগল। আরযান সাঁঝকে শক্ত করে ধরে রাখল ঠিকই, কিন্তু তার নিজের বুকের ভেতরটা তখন এক তীব্র কষ্টে ভেঙে চুরমার হয়ে যাচ্ছিল।সে সাঁঝের মাথায় হাত বুলিয়ে বড্ড ভারী, বুক কাঁপানো গলায় বলল,

“আমি তোকে বারণ করেছিলাম না সাঁঝ? আমি প্রথম দিনই তোকে বলেছিলাম এই লোকটা খারাপ। তাও তুই আমার কথা শুনলি না? মীর আরযানের ওপর প্রতিশোধ নিতে গিয়ে তুই নিজের এই ক্ষতি করতে যাচ্ছিলি? তুই কি জানিস না, তোর গায়ে একটা আঁচড় লাগলে এই আরযানের কলিজাটা ছিঁড়ে যায়?”

সাঁঝ আরযানের বুকের ওমে নিজেকে সঁপে দিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বলল, “আমি ভুল করেছি আরযান ভাইয়া… আমাকে ক্ষমা করে দাও…।”

আরযান কোনো উত্তর দিল না। সে সাঁঝকে কোলে তুলে নিয়ে ফ্ল্যাট থেকে বের হয়ে এল। মীর বাড়ির ছেলেদের এই অধিকারবোধ হয়তো কঠিন, কিন্তু এই খাঁচার বাইরে যে দুনিয়াটা কতটা কুৎসিত, সাঁঝ আজ তা নিজের প্রতিটি কোষে টের পেল। আর আরযানের সেই নীরব কষ্টটা যেন এই অন্ধকার রাতের চেয়েও অনেক বেশি ভারী হয়ে রইল।

চলবে?

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply