মনবোঝেনা (১১)
সানা_শেখ
বাড়ির সকলের সঙ্গে সোফায় বসে আছে আবরার। সে চলে যেতে নিয়েছিল কিন্তু ফুয়াদ হাসান যেতে দেননি। আবরার যখন ফিরে যাওয়ার জন্য বের হচ্ছিল তখনই তিনি বাড়িতে প্রবেশ করেন।
সারাহ মায়ের পাশে মুখ গম্ভীর করে বসে আছে। সে ভুলেও আবরারের দিকে তাকাচ্ছে না, অবশ্য আবরার নিজেও সারাহর দিকে একবারও তাকায়নি সোফায় বসার পর।
ফাহিম আবরারের কোলে বসে রয়েছে। আবরারকে তার দারুণ পছন্দ হয়েছে। বাড়িতে ফিরেই সে আবরারের কোলে উঠে গিয়েছিল।
ফারিশের পাশে বসে ফাইয়াজ রিলস দেখছে। তার এসব পারিবারিক আলোচনা একদম ভালো লাগে না। ভালো লাগে ফাহিম আর সারাহর সঙ্গে ঝগড়া ঝামেলা করতে। রিলের একটি গান শুনে গুনগুন করে গেয়ে উঠল ফাহিম। আবরার ঘাড় কাত করে তার মুখের দিকে তাকিয়ে গাল দুটো টিপে দিয়ে বলল,
“তুমি গানও গাইতে পারো?”
“হ্যাঁ। শুনবে তুমি?”
“আচ্ছা, শোনাও।”
ফাহিম হাসি মুখে গলা ছেড়ে গান গাইতে শুরু করল,
“কচু বনে হেগে গেল কালো কুকুরে,
নগেনের মা মা’রলো বারি ঢেঁকির মুগুরে…
ফাহিম গান শেষ করতে পারল না তার আগেই হা হা করে হেসে উঠল আবরার। শুধু আবরার নয়, উপস্থিত সবাই হেসে উঠেছে। ফারিশ একজন মানুষ যে কি-না মুচকি হাসতেও কৃপণতা করে সেও হা হা করে হাসছে।
ফাহিম হাঁ করে সকলকে দেখতে লাগল। এভাবে হাসার কী হয়েছে? সে তো জোকস বলেনি।
ফাহিম বড়ো ভাইয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে রইল। সে আজকের আগে ভাইয়াকে এভাবে হাসতে দেখেনি। সারাহ বড়ো ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে চোখ ফেরাতেই আবরারের উপর নজর পড়ল। হাসার কারণে আবরারের উজ্জ্বল ফরসা চেহারায় গোলাপী আভা ছড়িয়ে পড়েছে। আবরার ঠোঁট কামড়ে হাসি আটকানোর চেষ্টা করছে এখন। আবরারের নজর সারাহর উপর পড়তেই সে নিজের কামড়ে ধরা ঠোঁট ছেড়ে দিলো। ঠোঁট কামড়ে ধরে রাখার কারণে গাঢ় গোলাপী হয়ে গেছে। আবরারের দৃষ্টি গভীর হতেই সারাহ দ্রুত মুখ ফিরিয়ে অন্য দিকে তাকাল। তার হার্টবিট বেড়ে গেছে। বদ লোকটা তার দিকে তাকালেই তার মনে হয় চোখ দিয়ে তার রূহ পর্যন্ত পড়ে ফেলছে। এত গভীরভাবে কেউ তাকায়?
ফারিশ ছোটো ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসতে হাসতে বলল,
“এই গান কার কাছে শিখেছো?”
ফাহিম ফাইয়াজকে দেখিয়ে দিয়ে বলল,
“ভাইয়ার কাছে।”
ফাইয়াজ রাগী চোখে তাকিয়ে বলল,
“একদম মিথ্যা বলবি না, পুঁচকে। আমি তোকে এই গান শিখাইনি, তুই নিজে থেকেই শিখেছিস।”
ফারিশ বলল,
“ও নিজে থেকে কীভাবে শিখল?”
“আমি রিলস দেখছিলাম তখন ও আমার কোলে বসে আমার সঙ্গে দেখছিল। তার পর কচু বনে হেগে গেল কালো কুকুরে গানের রিল সামনে আসে আর সেটা শুনেই ও শিখে গেছে। এখান এটা আমার দোষ?”
আবরার বলল,
“বাদ দে তো। ফাহিমের গলায় গানটা সুন্দরই হয়েছিল। ফাহিম আবার গাও তো।”
ফারিশ বলল,
“একদম না।”
ফাইয়াজ বলল,
“এই গান ফাহিম একবার গাওয়া শুরু করলে সারাদিন এটাই গাইবে। ওই কয়েকদিন বেলতলী সোলেমান লেংটা গান গেয়ে গেয়ে আমার কানে পচন ধরিয়ে ফেলেছে।”
তিনজনের গান নিয়ে কথা বলার মাঝে ফুয়াদ হাসান বললেন,
“আবরার, বিয়ে শাদী করবে কবে?”
আবরারকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে ফাইয়াজ বলল,
“নিজের দামড়া ছেলেকে এখনো বিয়ে করাচ্ছে না, সে আবার আরেক জনের বিয়ে নিয়ে চিন্তা করছে! আগে নিজের ছেলেকে বিয়ে করাও।”
ফারিশ কটমট করে তাকাল ছোটো ভাইয়ের মুখের দিকে। তার চাহনি পাত্তা দিলো না ফাইয়াজ।
আবরার ফুপার দিকে তাকিয়ে বলল,
“ফাইয়াজ কিন্তু ঠিকই বলেছে, ফুপা। ফারিশকে বিয়ে করাচ্ছেন না কেন?”
ফুয়াদ হাসান ছেলের দিকে তাকিয়ে আবার আবরারের মুখের দিকে তাকালেন। বললেন,
“আমি তো করাতেই চাইছি কিন্তু তোমার ভাই রাজি হয় না। সে আরও দুই বছর পর বিয়ে করবে।”
ফাইয়াজ বলল,
“হ্যাঁ। নানা হওয়ার বয়সে ভাইয়া বাবা হবে।”
ফাইয়াজের কথা শুনে সারাহ ফিক করে হেসে উঠেছে। বাকিরাও মুচকি মুচকি হাসছে শুধু ফারিশ মুখ গম্ভীর করে বসে রইল। ফাহিম হওয়ার পর আত্মীয় স্বজন সহ আরো অনেকেই তাকে বলেছিল বাপ হওয়ার বয়সে ভাই হয়েছে। আজ তার আপন ভাই তাকে বলছে নানা হওয়ার বয়সে বাবা হবে।
.
আবরার চলে যাওয়ার পর ফারিশ সারাহর রুমের দরজায় এলো। বাকিরা যার যার রুমে ঢুকে গেছে অনেকক্ষণ আগেই। দরজায় নক করতেই সারাহ সাড়া দিয়ে উঠে এসে দরজা খুলে দিলো। ফারিশ ভেতরে না ঢুকেই দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থেকে নিচু কন্ঠে বলল,
“আবরার তোমাকে কিছু বলেছে?”
সারাহর বুক কেঁপে উঠল ফারিশের কথা শুনে। ফারিশ তাকে এই কথা জিজ্ঞেস করছে কেন? ফারিশ আবার জিজ্ঞেস করতেই সারাহ দুদিকে মাথা নেড়ে মৃদু স্বরে বলল,
“না।”
“আচ্ছা, তুমি ঘুমাও তাহলে।”
সারাহ জিজ্ঞেস করবে না করবে না করেও ইতস্তত করে বলল,
“কিছু হয়েছে, ভাইয়া?”
“না। তেমন কিছু না, তুমি দরজা লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ো।”
সারাহ দরজা লাগিয়ে দিতেই ফারিশ নিজের রুমের দিকে এগোল। যাক, সারাহকে তবে কিছু বলেনি আবরার। ফারিশের আজ সন্দেহ হচ্ছিল, সারাহ কেন আবরারের সামনে যেতে চায় না এটা নিয়েই।
ফারিশ ফ্রেশ হয়ে বিছানায় শুতে না শুতেই দরজায় নক হলো। তার কপাল-ভ্রু কুঁচকে গেল, কে এলো?
উঠে এসে দরজা খুলে দেখল সারাহ দাঁড়িয়ে আছে। সারাহ তার মুখের দিকে তাকিয়ে সঙ্গে সঙ্গেই দৃষ্টি নামিয়ে নিল। ফারিশ বলল,
“কিছু বলবে?”
সারাহ মাথা নাড়ল। ফারিশ দরজা ছেড়ে সরে দাঁড়িয়ে বলল,
“ভেতরে এসো।”
সারাহ ধীর পায়ে ভেতরে প্রবেশ করল। সে এক হাতের সঙ্গে আরেক হাত ঘষছে। দেখে ভীষণ নার্ভাস মনে হচ্ছে। ফারিশ স্বাভাবিক গলায় বলল,
“ভয় পেও না, বলো।”
সারাহর গলা দিয়ে আওয়াজ বের হতে চাইছে না। দরজা লাগিয়ে দেওয়ার পর সারাহর মনে হয়েছে আবরারের মনের খবর ফারিশ জানে। যেহেতু আবরার আর ফরিশ ছোটো বেলার ভালো বন্ধু, তার মানে আবরার ফারিশকে নিশ্চই বলেছে। আর সেজন্যই ফারিশ তাকে জিজ্ঞেস করতে গিয়েছিল।
সে নিচের দিকে দৃষ্টি রেখে বলল,
“ওই দিন আপনি আমাকে শপিংমলে নিয়ে গিয়েছিলেন না?”
“হ্যাঁ।”
“তারপর আমাকে শপে একা রেখে আপনি কোথায় গেলেন না?”
“হুম।”
“আপনি চলে যাওয়ার পর ওখানে আবরার সাহিল খান গিয়েছিল।”
“তারপর?”
সারাহ একে একে সব কিছু বলে দিলো। ভার্সিটির লাইব্রেরিতে ঘটা ঘটনাটিও বলতে ভুলল না।
মনোযোগ দিয়ে সব শুনলো ফারিশ। বলল,
“বাড়িতে এসে কিছু বলেছে?”
“না। লাইব্রেরির ওই ঘটনার পর আর কিছু বলেনি।”
“আমি বাদে আরও কাউকে বলেছো এসব কথা?”
“না।”
“আচ্ছা আর কাউকে কিছু বলার প্রয়োজন নেই। আবরার আবার কিছু বললে আমাকে বলবে। যা বলার আমি আবিরকে বলবো। ও যদি তোমাকে কিছু জিজ্ঞেস করে তাহলে শুধু লাইব্রেরির ঘটনা বলবে। তুমি গিয়ে ঘুমিয়ে পড়ো।”
মাথা নেড়ে চলে গেল সারাহ। কথাগুলো বলার সময় তার গলার স্বর সহ পুরো শরীর কাঁপছিল। ভেবেছিল কথাগুলো আগেই না বলার কারণে ফারিশের কাছ থেকে বকা খেতে হবে, তবে তেমন কিছু না হওয়ায় একটু আনন্দ হচ্ছে। যা হোক এখন একটু হালকা লাগছে কথাগুলো কাউকে বলতে পেরে।
ফারিশ দরজা লাগিয়ে দিয়ে ফোন হাতে নিয়ে আবিরের ফোনে কল করল। দুই বন্ধুর চিপায় পড়ে তার শান্তি চাঁন্দে উঠবে এতে কোনো সন্দেহ নেই। একজনের যন্ত্রণায় সে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছিল এখন আরেকজন শুরু করেছে। তার বোনই একটা। অথচ একজনকে বিয়ে করার জন্য পাগল হয়েছে দুজন। যমজ বোন থাকলে সমস্যা হতো না। এতদিনে এসে ফারিশ একটা যমজ বোনের অভাব বোধ করছে ভীষণ করে।
কল রিসিভ করে আবির বলল,
“কি ব্যাপার সমন্ধি সাহেব, আজ হঠাৎ নিজে থেকে কল করলেন যে!”
ফারিশ গলার আওয়াজ ভারী করে বলল,
“তোর সঙ্গে ইম্পর্টেন্ট কথা আছে।”
“হ্যাঁ বল।”
“আবরার—
“কী হয়েছে আবরারের?”
“পাগল হয়েছে।”
“কী বলিস এসব? সত্যি সত্যিই পাগল হয়ে গেছে?”
“হ্যাঁ।”
“কেন?”
“সারাহকে বিয়ে করার জন্য।”
“কিহ! সারাহকে বিয়ে করবে মানে কী? ও আমার হবু বউ।”
“সেটা তো আবরার বুঝতে চাইছে না। তোকে বলেছিলাম একেবারে বিয়ে করে রেখে যা। যদি বিয়ে করে রেখে যেতি তবে এত কিছু ঘটতো না। আবরার বারবার বলছে এঙ্গেজমেন্ট হয়েছে বিয়ে হয়নি।”
“বিয়ে হয়নি তো কী হয়েছে হবে তো।”
“সেটাই তো বুঝতে চাইছে না।”
“আমি এসব কিছু বুঝি না। আমি তোর বোনকে তোর দায়িত্বে রেখে এসেছি তুই ওকে দেখে রাখবি আমি দেশে না ফেরা পর্যন্ত।”
“দেখেই তো রাখছি, আর কীভাবে রাখতে বলছিস তুই? তুই জানিস আবরার কেমন জেদি আর একরোখা ছেলে। ও আমার উপর রেগে জেদ ধরে আট বছর কথা বলেনি। মামার উপর রেগে এখনো ঠিকভাবে কথা বলে না। ওর জেদ কোন লেভেলের সেটা নিশ্চয়ই তোর আন্দাজের বাইরে না।”
“কী বলতে চাইছিস তুই?”
“আবরার একবার যখন বলেছে ও সারাহকে বিয়ে করবে তখন যেকোনো উপায়ে করার জন্য উঠে পড়ে লাগবেই। তুই সারাহকে হারাতে না চাইলে অনলাইনেই বিয়ে করে নে। পরে কোনো অঘটন ঘটে গেলে আমার সঙ্গে ঘ্যান ঘ্যান করতে পারবি না। আমার ক্লাস শুরু হলে তখন আর আমি সারাহকে নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করতে পারব না রোজ রোজ।”
“আব্বু আম্মু রাজি হবে না।”
“তাহলে আমার বোনের আশা ছেড়ে দে।”
“বুঝতে পারছিস না তুই? তোর ফুপু এঙ্গেজমেন্ট করতেই রাজি হচ্ছিল না, অনেক কষ্টে রাজি করিয়েছিলাম। এখন বিয়ের কথা বললে ওখান থেকে এখানে জুতো ছুঁড়ে মা’রবে আমাকে।”
“একবার কথা বলে তো দেখ।”
“পরে বলবো, তুই আগে আবরারের নাম্বার দে।”
“ওর সঙ্গে কথা বললে চিন্তা ভাবনা করে সাবধানে বলিস। ও তোর দেখা সেই আবরার নেই এটা ভুলে যাস না।”
“ঠিক আছে, তুই নাম্বার সেন্ড কর।”
“ওয়েট।”
ফারিশ আবরারের নাম্বার পাঠিয়ে দিয়ে বলল,
“ও রগচটা মানুষ, কথা বলতে গিয়ে আরও জেদ বাড়িয়ে দিস না, সাবধানে কথা বলিস।”
“আচ্ছা। রাখছি এখন।”
আবরার মাত্রই বাড়িতে ফিরেছে, এখনো চেঞ্জ করেনি। ফোন বেজে উঠতেই স্ক্রিনে তাকিয়ে বাকা হাসল। ভাবেনি এত দ্রুত কল চলে আসবে। আয়েশ করে ইজি চেয়ারে বসে রিসিভ করব।
প্রথমে আবির নিজেই সালাম দিলো। আবরার সালামের জবাব দিতেই আবির বলল,
“কেমন আছিস, আবরার?”
“ভালো।”
“চিনতে পেরেছিস আমাকে?”
“আবির।”
“মনে আছে দেখছি।”
“ভুলে যাওয়ার কথা?”
আবির চুপ রইল কিছুক্ষন, তারপর বলল,
“সরি।”
“কীসের জন্য?”
“আট বছর আগের ঘটনার জন্য।”
আবরার চুপ রইল। আবির বলল,
“দিনকাল কেমন কাটছে তোর?”
“দারুণ। তোর?”
“ভালোই।”
“তুই কোথায় আছিস?”
“লন্ডন।”
আবির সারাহর ব্যাপারটা কীভাবে তুলবে বুঝতে পারছে না। আবরার-ও স্বাভাবিক কথা বলছে তার সঙ্গে। সে বেশ কিছুক্ষণ চুপ থাকার পর বলল,
“সারাহ মেহজাবিন চেরিকে চিনিস?”
“হ্যাঁ। আমার চেরি ব্লসম।”
“ও আমার হবু স্ত্রী, আবরার!”
“সো হোয়াট?”
“মানে?”
“মানে কী?”
“চেরি এঙ্গেজড জানার পরও তুই ওর পেছনে পড়ে আছিস কেন?”
“শুধু আংটি বদল হয়েছে, আকদ হয়নি।”
“আংটি বদল হোক আর আকদ সম্পন্ন হোক। ও আমার হবু স্ত্রী, তুই ওর কাছ থেকে দূরে থাকবি।”
“অর্ডার করছিস?”
আবরারের শীতল গলার আওয়াজ শুনে আবির নিজেকে শান্ত করার চেষ্টা করল। উত্তেজিত হলে চলবে না, হিতে বিপরীত হয়ে যাবে। আবির শান্ত কন্ঠে বলল,
“দেখ ভাই, আমি সারাহকে ভালোবাসি। আমাদের এঙ্গেজমেন্ট হয়ে গেছে। আমি দেশে ফিরলেই আমাদের দুজনের বিয়ে হবে। তুই ওর পেছনে কেন লেগেছিস? দেশে আরও কত মেয়ে আছে—
“দেশে আরও কত মেয়ে থাকতে তুই কেন চেরিকে বিয়ে করতে চাইছিস?”
“কারণ আমি ওকে ভালোবাসি।”
“ভালো তো আমিও বাসি চেরিকে।”
“তোর আগে আমি চেরিকে ভালোবেসেছি।”
“কে আগে কাকে ভালোবেসেছে এটা ম্যাটার করে না। এটা ম্যাটার করে ভালোবেসে শেষ পর্যন্ত আপন করে কে পাবে।”
“অবভিয়াসলি আমিই পাব।”
“সো স্যাড, ব্রো। তুই ওখানে বসে বসে এই স্বপ্ন দেখ আর ললিপপ খা, দেশে ফিরে দেখবি আমার আর চেরির বাচ্চা ললিপপ খাওয়ার বয়সী হয়ে গেছে। গুড নাইট, ফুপাতো সমন্ধি।”
চলবে………….
ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক কমেন্ট করবেন, আর সানা শেখ পেজটি ফলো দিবেন।
Share On:
TAGS: মন বোঝে না, সানা শেখ
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
দিশেহারা পর্ব ৪২
-
তোমার সঙ্গে এক জনম পর্ব ৫
-
দিশেহারা পর্ব ৬৮
-
দিশেহারা পর্ব ১৫
-
তোমার সঙ্গে এক জনম পর্ব ৩
-
মন বোঝে না পর্ব ৫
-
দিশেহারা পর্ব ৭৪
-
দিশেহারা পর্ব ১৩
-
দিশেহারা পর্ব ৪৬
-
দিশেহারা পর্ব ৫৭