কি_আবেশে (২৫)
জেরিন_আক্তার
মৌ ঠিক দশটার সময় গেটের কাছে এসে দাড়ালো। বাড়িতে তার মাকে বলে বেরিয়েছে যে বান্ধবীদের সাথে দেখা করতে যাবে। ফাহমিদা খানও আর এই কোনো প্রশ্ন করেননি।
মৌ রেডি হয়ে গেটের সামনে দাড়াতেই আসিফ গাড়ি নিয়ে আসে। মৌ চুপচাপ তাড়াতাড়ি উঠে বসলো।আসিফ তৎক্ষণাৎ খান বাড়ি প্রত্যাখান করলো।
আসিফ ড্রাইভ করার সময় সামনে তাকাচ্ছে আবার মৌয়ের দিকে তাকাচ্ছে। মৌয়ের কেমন অসস্তি লাগছে। আসিফ নিজ থেকেই বলে উঠলো,
“তোমাকে এই শাড়িতে অনেক সুন্দর লাগছে।”
মৌ হাসার চেষ্টা করে বলল,
“থ্যাংক ইউ ভাইয়া!”
আসিফ চোখ বন্ধ করে নিজের রাগ কন্ট্রোল করে বলল,
“সবসময় ভাইয়া ভাইয়া করবে না। আমার পছন্দ না!”
“ঠিক আছে।”
“তো এখন কোথায় যাবে?”
“আপনি যেখানে নিয়ে যাবেন সেখানেই।”
আসিফ বাকা হেসে বলল,
“এখন যদি আমার বাড়িতে নিয়ে যাই!”
মৌ চুপ করে রইলো। আসিফ মনে মনে হাসলো। এই দুইদিনে মেয়েটাকে কথাধারাই নাচাচ্ছে।
আসিফের বাবার তিনটা নিজস্ব রেস্টুরেন্ট রয়েছে। তারই একটা রেস্টুরেন্টে মৌকে এলো। নিয়ে ভিতরে ঢুকলো। একটা টেবিল বুক করে বসলো। আসিফ বুঝতে দিলো না এটা ওরই রেস্টুরেন্ট। মৌয়ের সাথে কথা বার্তা বলার পরে আসিফ রেজিস্ট্রি পেপার বের করলো। মৌ দেখার আগেই পেপারে থাকা লেখাগুলো ভাজ করে ঢেকে টেবিলে রাখলো। মৌ জিজ্ঞাসা করলো,
“এটা কিসের পেপার?”
আসিফ গা ছাড়া এমন ভাব নিলো মনে হলো নরমাল একটা পেপার। মৌ কৌতূহল নিয়ে কাগজটা নিতে চাইলে আসিফ বলল,
“উহু! আগেই দেখা যাবে না। আর এই পেপারে সাইন করতে হবে তোমাকে!”
মৌ কপাল কুঁচকে বলল,
“মানে? কিসের পেপার এইটা?”
“এইটা একটা নরমাল পেপার। সাইন করো এরপরে বলছি। তবে ধরে নিতে পারো এইটা তোমার বার্থডে গিফট।”
“তবুও আমি না দেখে সাইন করবো না। আগে দেখান এরপরে সাইন করবো।”
“আমাকে বিশ্বাস হয়না তোমার? আর বিশ্বাস না হলে থাক!”
মৌ ইতস্তত নিয়ে বলল,
“ঠিক আছে। এদিকে এগিয়ে আনুন। আমি সাইন করছি।”
মৌয়ের সাইন করা হয়ে গেলে আসিফ নিজেও সাইন করে পেপারটা মৌয়ের দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল,
“এখন পড়ো এইটা।”
মৌ খুশি হয়েই হাতে নিয়ে পড়লো। একবার নয় দুইবার পড়লো। মৌয়ের চোখ দিয়ে আপনাআপনি জল গড়িয়ে পড়তে থাকে। আসিফ রেজিস্ট্রি পেপারটা ছো মেরে নিয়ে হেসে বলল,
“বিয়ে ডান!”
মৌ উঠে দাড়িয়ে বলল,
“ক কি বলছেন এগুলো। এ এই কাগজে যা লেখা এগুলো কি সত্যি?”
“হুম। রেজিস্ট্রি পেপার ছিলো এইটা। আমাদের বিয়ে হয়ে গিয়েছে।”
মৌ ছলছল চোখে তাকিয়ে বলল,
“আপনি না বললেন এইটা নরমাল একটা পেপার ছিলো। মিথ্যে বললেন কেনো?”
আসিফ মুখের কোণে এক চিলতে হাসি ফুটিয়ে বলল,
“বার্থডে গিফট।”
মৌ রাগ, ভয়, কান্না মিলিয়ে বলল,
“আপনি পাগল হয়ে গিয়েছেন? কি করলেন এটা। আপনি কি করে এমনটা করতে পারলেন? উফ আমার মাথায় কিচ্ছু ঢুকছে না। আমি এটা বিশ্বাস করি না।”
“বিশ্বাস না করলেও করতে হবে।”
মৌ কাদতে কাদতে বলল,
“কি করে আমার সাথে এমন করলেন?”
আসিফ কিছুটা কড়াগলায় বলল,
“দেখো তুমি যে ইম্যাচিউর তা তো নও। যথেষ্ট জ্ঞান-বুদ্ধি হয়েছে। বিয়েটা কোনো মিথ্যে বা ফান নয়। সত্যি সত্যি এই বিয়ে হয়েছে। আর কেনো করেছি আমি এর কারণ হলো-তোমার ভাই বলছিলো তোমার বাবার কোন বন্ধুর ছেলের সাথে তোমার বিয়ে ঠিক করে রাখবে তাই তুমি অন্যের হওয়ার আগে আমার করে নিলাম। এখনও যদি আরও প্রশ্ন করো তাহলে এর একটা উত্তরই আসবে সেটা আমি তোমাকে ভালোবেসেছি, তাই বিয়ে করেছি।”
মৌ দুহাত দিয়ে মাথার চুল ধরে বলল,
“ভালোবাসতেন তো আমায় বলতেন। বলতেন যে বিয়ে করতে চান। অথবা বাসায় জানাতেন। কিন্তু কিচ্ছু করেননি।”
আসিফ রেগে গিয়ে বলল,
“বললাম না ভালোবেসেছি তাই বিয়ে করেছি। এখানে এতো কথা পেচাচ্ছো কেনো? আমি কি ভালো ছেলে না। নাকি তোমাকে ভালো রাখতে পারবো না।”
“আমি সেটা বলিনি, আপনি আমাকে এইভাবে বিয়ে করলেন এখন বাসায় কি বলবো। আর ওরা যদি জানে তাহলেই বা কি করবো। বাবা-মাকে কষ্ট দিবো না বলেই কোনোদিন প্রেম-ভালোবাসায় জড়াইনি। সেটা বলেছি তো আপনাকে। আর আপনি বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব রাখতেন কিন্তু সেটা না করে এমনভাবে বিয়ে করলেন ওরা জানলে খুব কষ্ট পাবে। আর আপনার বন্ধুকে কি বলবেন?”
আসিফ ফোঁস করে শ্বাস ছেড়ে বলল,
“সেটা আমার উপর ছেড়ে দাও।”
বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে মেরাব বাড়ি ফিরলো। নিজের রুমে না ঢুকেই মৌয়ের রুমে চলে গেলো। মৌ দরজা বন্ধ করে শুয়ে শুয়ে কাঁদছিলো। মেরাব এসে কর্কশ গলায় বলল,
“মৌ দরজাটা খোল তো!”
মৌ আচমকা ভাইয়ের ডাকে চমকে উঠলো। সোজা হয়ে উঠে বসলো। চোখ মুছে দরজার খুলে দিলো। মেরাব গম্ভীর গলায় বলল,
“তোর চোখ লাল হয়েছে কেনো? কি করছিলি? কাঁদছিলি নাকি?”
“না ভাইয়া কাঁদছিলাম না। ওই একটু ঘুমানোর চেষ্টা করছিলাম।”
“এই অসময়ে?”
“হুমমম।”
মেরাব সন্দেহের দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলল,
“আজ কোথায় গিয়েছিলি?”
“ভাইয়া বান্ধবীদের সাথে একটা রেস্টুরেন্টে গিয়েছিলাম।”
মেরাব হালকা ঘাড় কাত করে বলল,
“কোন বান্ধবী? নাম্বার দে!”
মৌ ঘাবড়ে গেলো। আজ তো সে কোনো বান্ধবীর সাথে দেখাই করেনি। মৌ সেই সাথে শুকনো ঢোক গিললো। মেরাব হাতে থাকা কিছু গিফটের প্যাকেট দিয়ে বলল,
“তোর বান্ধবীরা বাবার কাছে এই গিফটগুলো দিলো। বলল যে তোর সাথে আজ কোনো কথাই নাকি ওদের হয়নি। সেই হিসেবে বলতে গেলে তু্ই কোন বান্ধবীর সাথে দেখা করতে গিয়েছিলি?”
মৌ যেটার ভয় পাচ্ছিলো সেটাই হলো। এখন কি জবাব দিবে ভাইয়ের কাছে। মেরাব আবারও বলতে বললে মৌ আমতা আমতা করে বলল,
“ভা ভাইয়া শুধু ওরাই কি আমার বান্ধবী নাকি? বাবাকে যারা গিফট দিয়েছে ওরা আমার ক্লোজ না। যারা আমার ক্লোজ তাদের সাথেই দেখা করতে গিয়েছিলাম।”
মেরাব আর প্রশ্ন করলো না। গিফটগুলো দিয়ে বেরিয়ে গেলো। মৌ এবারের মতো ধাই ধাই করে বেচে গেলো। মনে মনে এটাই ভয় হচ্ছে বিয়ের কথা জানার পরে কি হবে। বিয়েটা প্রস্তাবের মাধ্যমে হলে কিচ্ছু হতো না। কিন্তু লুকিয়ে বিয়ে করা এটা মোটেও এলাউ করবে না।
এদিকে আসিফ মনে হয় বিশ্বজয় করে বাড়িতে ঢুকছে। ভাবসাবই আলাদা। আসিফের বাবা আশরাফ চৌধুরী, মা তনিমা বেগম। আসিফের কোনো ভাই-বোন নেই। ওদের তিনটা ভালো মানের আধুনিক রেস্টুরেন্ট রয়েছে। সেগুলোই আসিফ দেখাশোনা করে।
আসিফ বাড়িতে ঢুকে ড্রইং রুমে সোফায় বসলো। আশরাফ চৌধুরী বসে চা খাচ্ছিলেন। আসিফ পায়ের উপর পা তুলে আয়েসি ভঙ্গিতে বসলো। আশরাফ চৌধুরী আসিফের দিকে তাকিয়ে বললেন,
“কোথায় গিয়েছিলে?”
“বিয়ে করতে!”
“মজা বাদ দাও! সিরিয়াস হয়ে বলো!”
“সত্যি বিয়ে করতে!”
তনিমা বেগম কিচেনে থেকে বেরিয়ে এসে আসিফের পাশে দাঁড়ালেন। তিনি আশরাফ চৌধুরীকে বললেন,
“তুমি ছেলের মজা বুঝো না!”
আসিফ রেজিস্ট্রি পেপার বের করে আশরাফ চৌধুরীকে দিয়ে বলল,
“বিশ্বাস না হলে দেখে নাও!”
আশরাফ চৌধুরী হতবাক রেজিস্ট্রি পেপার দেখে। উপরে আবার মৌয়ের ছবি ছিলো। তিনি ছবিটা দেখে বললেন,
“এই মেয়েকে চিনা চিনা লাগছে না তনিমা! দেখোতো!”
আসিফ হেসে বলল,
“ও মেরাবের বোন!”
আশরাফ চৌধুরী একটু জোরেই বলে উঠলেন,
“কি মেরাবের বোন? তুমি কি করেছো এইটা। যতই হোক ও তোমার বন্ধুর বোন!”
“তাতে কি হয়েছে? আমার বোন তো না। পছন্দ হয়েছিলো তাই পট করে বিয়ে করে ফেলেছি।”
আশরাফ চৌধুরী রেজিস্ট্রি পেপারটা টেবিলে রেখে বললেন,
“মেরাব জানে?”
“ও জানলে কি বিয়েটা হতে দিতো!”
আশরাফ চৌধুরী তনিমার দিকে তাকিয়ে বললেন,
“তোমার ছেলে কি করেছে দেখেছো! কাউকে না জানিয়ে বন্ধুর বোনকে বিয়ে করেছে। আসিফ তোমার যদি ওকে পছন্দই ছিলো তাহলে বলতে আমি প্রস্তাব নিয়ে যেতাম। তোমার অন্তত এই রিলেশনের কথাটা জানানোর প্রয়োজন ছিলো।”
“বাবা, রিলেশন ছিলো না। জাস্ট পছন্দ হয়েছিলো। এরপরে ওকে বিয়ে করে ফেলেছি। ওর ও সম্মতি ছিল না।”
আশরাফু চৌধুরী ছেলের পাশে এসে বসে বললেন,
“তুমি যা করেছো করেছোই। সবাই বিয়ের কথা জানার আগেই চলো প্রস্তাব নিয়ে যাই।”
আসিফ গা ছাড়া ভাব নিয়ে বলল,
“বিয়ে তো হয়েই গিয়েছে। এখন প্রস্তাব নিয়ে গিয়ে কি করবো। এখন শুধু তোমার পুত্রবধূর অপেক্ষায় থাকো। কবে নিয়ে আসি বলা তো যায় না।”
আশরাফু চৌধুরী সোফায় গা এলিয়ে দিয়ে বললেন,
“তনিমা মনে হচ্ছে আমার প্রেসার বেড়ে গিয়েছে। উফ, এসি অন করো। এই ছেলে কি করে ফেলেছে, আল্লাহ একে হেদায়েত দাও। এটা জানার পরে মারুফুল ভাই কি না কি মনে করবেন আমাদের।”
রাতে সেহেরি খাওয়ার জন্য স্নেহাই সবাইকে ডাকতে এলো। মৌ সারারাত একফোটা ঘুমায়নি। স্নেহার ডাকার আগেই নিচে এসেছে। স্নেহা সাদাফের রুমের সামনে এসে দরজা হালকা ধাক্কা দিয়ে বলল,
“সাদাফ ভাইয়া! সাদাফ ভাইয়া! সেহেরি খাবে না?”
সাদাফ জেগে গিয়ে ঘুম জড়ানো গলায় বলল,
“হুম। আসছি।”
“তাড়াতাড়ি আসো। আমি গেলাম।”
“ঠিক আছে।”
স্নেহা সাদাফকে ডেকে মেরাবকে ডাকতে গেলো। রুমে এসে দেখলো মেরাব বিছানায় নেই। তখন মেরাব ওয়াশরুমে থেকে বের হলো। স্নেহা বলল,
“নিচে চলুন!”
মেরাব না বোঝার ভান করে বলল,
“কেনো?”
“কেনো মানে? সেহেরি খেতে!”
মেরাব দরজার দিকে এগিয়ে যেতে যেতে বলল,
“সেহেরি কেনো খায়?”
“আপনার কি হয়েছে বলুন তো?”
মেরাব দরজা বন্ধ করে স্নেহার দিকে এগিয়ে এসে বলল,
“কি হবে? ঠিকই তো আছে।”
“না ঠিক নেই। ঠিক থাকলে বলতেন না সেহেরি কেনো খায়?”
“সত্যিই তো? কেনো খায় বলোতো?”
“দেখেছেন ঠিক নেই আপনি।”
“তাহলে ঠিক করে দাও!”
“ক কি করে ঠিক করবো?”
মেরাব স্নেহার কোমর ধরে নিজের কাছে এনে বুকের সাথে মিশিয়ে নিয়ে বলল,
“শোনো, রোজা-রমজানের মাস। একদম কাছে ঘেষবো না। যা করার এখনই করবো।”
স্নেহা ঝাড়ি মেরে বলল,
“কি করবেন? সরুন!”
মেরাব ছাড়ে না আরও শক্ত করে ধরে বলল,
“বাসর তো করতেই পারলাম না। তবে এখন বেশি কিছু করবো না। দশ-বারোটা চুমু খাবো। এতে একবারে কয়েকদিন চুমু না খেয়েও থাকতে পারবো।”
ডাইনিং টেবিলে সবাই বসে আছে। মেরাবের জন্য অপেক্ষা করছে। স্নেহা ডাকতে গিয়েছে তো গিয়েছেই। তারও আসার নাম নেই আর মেরাবেরও।
ফাহমিদা খান মৌকে ডাকতে পাঠালেন। মৌ মেরাবের রুমের সামনে এসে দরজা ধাক্কা দিয়ে বলল,
“তোমরা কি ঘুমিয়ে পড়েছো আবার? সেহেরি খেতে ডাকছে সবাই। নিচে এসো!”
মেরাব ভিতরে থেকে বলল,
“যা, আমরা আসছি।”
“তাড়াতাড়ি এসো। সময় নেই বেশি।”
“হুম। আসছি!”
প্রথম রোজা ভালোই ভালোই কাটলো। সবাই আজ তারাবির নামাজ পড়ে খেয়ে-দেয়ে শুয়ে পড়েছে। এদিকে আসিফের চিন্তার শেষ নেই। কালকে মৌকে নামিয়ে দিয়ে আসার পরে ফোনে পায়নি। আজকেও পায়নি। নিজেই বের হলো মৌয়ের সাথে দেখা করতে যাবে বলে। যতটুকু সেভ হয়ে দেখা করা যায়। আর যদি কেউ দেখে তাহলে নাহয় সব বলে দেবে। দরকার হলে মৌকে নিয়েই বাড়ি ফিরবে।
রাত তখন এগারোটার বেশি। আসিফ, খান বাড়িতে এসেছে পেছনের পাঁচিল টপকে। কারণ সামনে দারোয়ান আছে। এদিকে মেরাব মাত্র বাড়িতে ঢুকলো। দুই হাতে কিছু জিনিসের ব্যাগ থাকায় মেইন দরজা খোলা রেখেই ভিতরে ঢুকে। জিনিসগুলো রুমে রেখে আবার দরজা বন্ধ করতে বের হবে। এদিকে বাড়ির মেইন দরজা খোলা থাকায় আসিফ অনায়াসে ভিতরে ঢুকলো। মৌয়ের রুমের সামনে এসে হালকা ধাক্কা দিতে লাগলো। মৌয়ের ঘুম ভেঙে যায়। কোনো শব্দ ছাড়াই উঠে বিছানায় থেকে নামলো। দরজা খুলতেই আসিফ হুড়মুড়িয়ে রুমে ঢুকলো। মেরাব নিজের রুম থেকে বের হয়ে মৌয়ের রুমের দিকে তাকিয়ে কাউকে ঢুকতে দেখে দাড়িয়ে পড়লো।
চলবে….
পরবর্তী পর্ব কালকে ইফতারের পরেই দিবো ইনশাআল্লাহ। যারা যারা পড়বে অবশ্যই রিএক্ট দিবে।
ভুল-ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। কেউ বাজে মন্তব্য করবেন না। রেসপন্স করবেন!!!!!!
[হেশট্যাগ ব্যবহার ছাড়া কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ]
Share On:
TAGS: কি আবেশে, জেরিন আক্তার
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
কি আবেশে পর্ব ১৭
-
কি আবেশে পর্ব ১৫
-
কি আবেশে পর্ব ১১
-
কি আবেশে পর্ব ২০
-
কি আবেশে পর্ব ৩
-
কি আবেশে পর্ব ২
-
কি আবেশে পর্ব ১৯
-
কি আবেশে পর্ব ৪
-
কি আবেশে পর্ব ২৪
-
চোরাবালির পিছুটানে পর্ব ২