মনবোঝেনা (০৪)
সানা_শেখ
সারাহ বাইকের পেছনে উঠে বসে মিনমিন করে আবারও বলল,
“ভাইয়া, আমি সত্যিই শুধু গান শুনছিলাম।”
ফারিশ বাইক স্টার্ট দিয়ে স্বভাব বজায় রেখে বলল,
“ঠিক আছে, এখন ভালোভাবে ধরে বসো। আর কখনো এভাবে দেরি করবে না।”
“আচ্ছা, ভাইয়া।”
সারাহ ভালোভাবে ধরে বসে রইল আর কিছু না বলে। ফারিশ বাইক নিয়ে ছুটে চলল বাড়ির উদ্দেশ্যে।
*****
ফারিশ চেঞ্জ করে এসে সোফায় বসল। তাকে সোফায় বসতে দেখে ফাইয়াজ বলল,
“কী ব্যাপার, আজ তুমি এখানে বসছো যে?”
ফারিশ তার দিকে তাকিয়ে শান্ত গলায় বলল,
“বসেছি তো কী হয়েছে?”
“তোমার রুমে আগুন টাগুন লাগেনি তো? রুম থেকে বের হয়েছো কেন?”
ফারিশ তাকিয়ে রইল ভাইয়ের মুখের দিকে। তাকে চুপ থাকতে দেখে ফাইয়াজ আবার বলল,
“দরকার ছাড়া তো তোমাকে রুমের বাইরে দেখাই যায় না। সারাদিন ওই বন্ধ রুমের ভেতরে কীভাবে যে থাকো তুমি বুঝতে পারি না আমি! আজকে হঠাৎ সোফায় এসে বসলে কী মনে করে?”
“কিছু না। ইচ্ছে হয়েছে বসেছি। এখন মুখটা বন্ধ রাখো।”
ফাইয়াজ ভাইয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে রইল। তার বড়ো ভাই মানুষ কম, এলিয়েন বেশি। এলিয়েন-ও না, রোবট।
ছোটো বেলায় ভাইকে সে অনেক বেশিই জ্বালাতন করতো। জ্বালাতন করতো বললে ভুল হবে, মা’রধর করতো। ছোটো ভাইয়ের হাতে মা’র খেয়েও তেমন কোনো রিঅ্যাক্ট করতো না ফারিশ। চুপচাপ ভাইয়ের সবকিছু মেনে নিতো সে। সেজন্য ফাইয়াজ আরো বেশি সুযোগ পেত।
ফাইয়াজ এত বেশি চঞ্চল আর দুষ্টু প্রকৃতির ছেলে ছিল যে তাকে কোনোভাবেই কন্ট্রোল করা যেত না। যত অকাজ আছে সব সে একা করতো। ধুমধাম মা’রতো বড়ো ভাইকে। কেউ কিছু বললে সে কোনোভাবেই শুনতো না তার কথা। ফারিশ যতটা শান্ত আর চুপচাপ, ফাইয়াজ ঠিক ততটাই চঞ্চল আর দুষ্টু। ফারিশ ছোটো বেলা থেকেই ম্যাচিউর, আর ফাইয়াজ এখনো ম্যাচিউর হতে পারেনি।
ফুয়াদ হাসান দ্বিতীয় বিয়ে করেছিলেনই ফাইয়াজকে সামলানোর জন্য। তার নিজের স্ত্রীর চেয়ে সন্তানদের জন্য মা বেশি প্রয়োজন ছিল। ছোটো ছেলের যন্ত্রণায় বড়ো ছেলে শান্তি পেত না। তিনিও কাজের চাপে ছেলেদের তেমন সময় দিতে পারতেন না।
নিতু সুলতানা বিয়ের পর নিজেই পাগল হয়ে যাচ্ছিলেন ছোটো ফাইয়াজকে সামলাতে গিয়ে। একটা সাত বছরের বাচ্চা এত দুষ্টু কীভাবে হয় তিনি বুঝতে পারতেন না। কোনো কারণ ছাড়াই হাত দিয়ে, ব্যাট দিয়ে, স্কেল দিয়ে বড়ো ভাইকে মা’রতো। ফারিশ ধৈর্যশীল মানুষ ছিল বলে তাকে কিছু বলতো না। ফারিশের এমন চুপচাপ স্বভাব দেখে নিতু সুলতানা প্রথম প্রথম বেশ অবাক হতেন। তারপর জানতে পেরেছিলেন ফারিশ জন্ম থেকেই চুপচাপ শান্ত প্রকৃতির ছেলে।
ফাইয়াজ এটা ফেলে দেয়, ওটা ভেঙে ফেলে। পড়তে বসালে বই খাতা ছিঁড়ে ফেলে। এটা খাব না, ওটা খাব না। আরো কত যন্ত্রণা। নিতু সুলতানা মাঝেমধ্যে কেঁদে ফেলতেন ফাইয়াজের যন্ত্রণায়। তিনি কোনোভাবেই সামলাতে পারতেন না তাকে।
ফাইয়াজের তখন নয় বছর বয়স। দুষ্টামি করতে গিয়ে ফারিশের হাত কে’টে দিয়েছিল ছু’রি দিয়ে, বেশ অনেকটাই কে’টে ফেলেছিল।
সেদিন ফুয়াদ হাসান ফাইয়াজকে এমন মার দিয়েছিলেন যে, তারপর আর কোনোদিন ফাইয়াজ বড়ো ভাইয়ের গায়ে হাত তোলেনি, দুষ্টামিও কমিয়ে দিয়েছিল। সেদিনের আগে বা পরে কোনোদিন আর ফাইয়াজের গায়ে হাত তোলেননি ফুয়াদ হাসান। ছেলেকে আগে অনেক বুঝিয়েছেন কিন্তু ছেলে বুঝ মানতে চায়নি, রাগের মাথায় সেদিন মে’রে বসেছিলেন।
তারপর সারাহ এই বাড়িতে আসার পর সারাহর সঙ্গে ঝগড়া করতো। ধীরে ধীরে সারাহর সঙ্গে তার ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তাদের দুজনকে একসঙ্গে দেখলে বোঝার উপায় নেই তারা সৎ ভাই-বোন। তবে ফারিশের সঙ্গে তার দূরত্ব রয়েই গিয়েছিল। বড়ো হতে হতে ফারিশ আরো বেশি চুপচাপ আর গম্ভীর হয়ে গেছে। সে একা একা থাকতেই বেশি পছন্দ করে। প্রয়োজন ছাড়া রুম থেকে বের হয় না। প্রয়োজনের বাইরে ফাইয়াজের সঙ্গেও কোনো কথা বলে না। শুধু ফাইয়াজ বা সারাহ নয়, প্রয়োজন ছাড়া সে বাবা আর ছোটো আম্মুর সঙ্গেও কথা বলে না। প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে কথা হয় শুধু ফাহিমের সঙ্গে।
দুজন বেস্টফ্রেন্ড ছিল ফারিশের। একজন মামাতো ভাই, আরেকজন ফুপাতো ভাই। মামাতো ভাইয়ের সঙ্গে তার ছিল গলায় গলায় ভাব, তার জানের বন্ধু। তার শৈশবের বেশির ভাগ সময়ই কে’টে’ছে মামাতো ভাইয়ের সঙ্গে। দুজনের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ার পরই নিজেকে আরো গুটিয়ে নিয়েছে সে।
ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে নিচে নেমে এলো ফাহিম। বড়ো ভাইয়ের রুমে গিয়ে ভাইয়াকে খুঁজে এসেছে সে, ভাইয়া রুমে নেই তাই নিচে নেমে এলো। সোফায় ফারিশকে দেখে ভাইয়া ডেকে দৌড়ে এলো তার কাছে। ফারিশ ভাইকে তুলে কোলে বসাল। ফাহিম খুশি হয়ে থেমে থেমে বলল,
“তুমি এখানে, আমি রুমে খুঁজে এলাম।”
ফারিশ মৃদু হাসল। তার ভালো লাগছিল না রুমে, অস্থির অস্থির লাগছিল তাই নিচে নেমে এসেছে ফ্রেশ হয়েই। তাকে হাসতে দেখে ফাইয়াজ অবাক হওয়ার ভান ধরে বলল,
“আল্লাহ! তুমি হাসলে, ভাইয়া? তুমি হাসতে পারো? এ তো অমাবস্যার রাতে পূর্ণিমার চাঁদ দেখার মতো কিছু। আগে বললে না কেন? বললে তো আমি ভিডিও করতে পারতাম।”
ফারিশ কপাল-ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে রইল মেঝ ভাইয়ের দিকে। এই ছেলেটা এত নাটক কীভাবে করতে পারে? এখানে বসার পর থেকেই তাকে জ্বালিয়ে যাচ্ছে এটা ওটা বলে। রুম থাকতেও সারাদিন সোফায় শুয়ে বসে থাকবে আর এর ওর মাথা খাবে।
*****
পার হয়ে গেছে দুই সপ্তাহ।
সারাহকে ভার্সিটিতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য রেডি হয়ে নিচে নেমে আসতেই ফারিশের দুই পা জড়িয়ে ধরল ফাহিম। ফারিশ ভাইকে কোলে তুলে আদর করে বলল,
কী হয়েছে?”
“আমি যাব তোমাদের সঙ্গে।”
“আমি তো ঘুরতে যাচ্ছি না, ভাইয়া। আপুকে পৌঁছে দিয়েই ফিরে আসবো।”
“তাও যাব আমি। আপুকে রেখে আবার চলে আসবো।”
“বাইক নিয়ে যাব তো।”
“তাহলে তো আরো মজা হবে। আমি তোমার সামনে বসবো।”
নিতু সুলতানা বললেন,
“ফাহিম, একদম না। আমার কাছে এসো।”
ফাহিম ভাইয়ের গলা শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বলল,
“যাব না। আপু আর ভাইয়ার সঙ্গে ইস্কুলে যাব।”
ফাইয়াজ ভার্সিটিতে যাওয়ার জন্য রেডি হয়ে এসেছে। সে প্রাইভেট ভার্সিটিতে পড়ে। সারাহকেও প্রাইভেট ভার্সিটিতে ভর্তি করাতে চেয়েছিলেন ফুয়াদ হাসান, কিন্তু সারাহ পাবলিকে পড়ার মত প্রকাশ করেছিল। তার মতামতকে প্রাধান্য দিয়েছে বাড়ির সবাই।ফাহিমের কথা শুনে বড়ো ভাইয়ের পাশে দাঁড়িয়ে ফাহিমের নাক টেনে ফাইয়াজ বলল,
“ওটা ইস্কুল না, স্কুল হবে। আর সারাহ স্কুলে পড়ে না এখন, ভার্সিটিতে পড়ে। বল ভার্সিটি।”
“ভাসিটি।”
“গাধা, ভাসিটি না, ভার্সিটি। ইউনিভার্সিটি। ঠিক করে বল, ইউনিভার্সিটি।”
“ইনিভাসিটি।”
“এত কথা বলতে পারিস আর সামান্য ইউনিভার্সিটি বলতে পারছিস না? এত পড়াশোনা করে কী শিখেছিস তাহলে?”
ফাইয়াজের কথা শুনে সারাহ হেসে উঠল শব্দ করে। বলল,
“ফাহিম এত পড়াশোনা কোথায় করল? মাত্র নার্সারিতে ভর্তি হয়েছে এবছর।”
“হয়েছে তো।”
ফারিশ ফাইয়াজকে বলল,
“তুমি আজকে মেহজাবিনকে নিয়ে যাও। ওকে ভার্সিটিতে পৌঁছে দিয়ে তুমি চলে যেও।”
ফাইয়াজ বাইরের দিকে হাঁটা ধরে বলল,
“অন্যের বউকে পৌঁছে দিতে পারব না আমি। ওর জামাই আমাকে বেতন দেয় না যে তার বউকে দায়িত্ব নিয়ে ভার্সিটিতে পৌঁছে দিতে হবে।”
ফারিশ বলল,
“ওর জামাই না দিলেও ওর বাবা তো দেয়।”
ফারিশের মুখ থেকে এমন কথা শুনে ফট করে তার মুখের দিকে তাকাল সারাহ। ফাইয়াজ নিজেও বিস্মিত হয়ে পিছু ফিরে তাকিয়েছে। ফারিশ এমন কিছু বলবে ভাবেনি তারা, ভেবেছিল চুপ করে থাকবে বা ফাইয়াজের নাম ধরে ডেকে উঠবে শাসানোর সুরে।
সারাহ দ্রুত পায়ে বাইরের দিকে এগিয়ে বলল,
“আমাকে পৌঁছে দিতে হবে না, আমি একাই যেতে পারব।”
ফারিশ পেছন থেকে বলল,
“একা যেতে পারলেও যাওয়া যাবে না। ফাইয়াজ, ওকে পৌঁছে দিও।”
ফাইয়াজ কিছু না বলে বাইরের দিকে পা বাড়াল আবার। তার পেছন পেছন এগোল সারাহ।
ফাহিম বড়ো ভাইয়ের কোলে চড়ে থেকেই বাইরের দিকে ঝুঁকে বলল,
“ভাইয়া, চলো, আপু চলে গেল।”
“যাক, চলো চেঞ্জ করে নেই।”
“না না, বাইরে চলো। আপুর ভাসিটি যাব, চলো পৌঁছে দিয়ে আসি।”
“ফাইয়াজ পৌঁছে দিবে আজ। চলো আমরা গিটার বাজাব।”
ফাহিম খুশি হয়ে বলল,
“তাহলে ময়না রে গান গাবা, আচ্ছা?”
“আচ্ছা।”
ফারিশ চলে গেল সিঁড়ির দিকে। নিতু সুলতানা দাঁড়িয়ে রইলেন ড্রয়িংরুমে। তিনি এখন আর কী করবেন, কোনো কাজ নেই তাই সোফায় বসে টিভি অন করলেন। ফাহিম আজ কোনোভাবেই কিন্ডারগার্টেনে যেতে রাজি হয়নি। ফাইয়াজের মতো জেদি হয়েছে ছেলেটা।
ফাইয়াজ বাইক বের করতেই সারাহ উঠে বসল পেছনে। ফাইয়াজ বাইক নিয়ে রাস্তার দিকে এগিয়ে বলল,
“তোর জন্য আজ আমার দেরি হয়ে যাবে।”
“কেন? তোমার গার্লফ্রেন্ড অপেক্ষা করছে নাকি রাস্তায়?”
“শয়তানি, ঠাস করে ফেলে দিবো পেছন থেকে। আমার গার্লফ্রেন্ড আছে?”
“আছে কী নেই আমি কীভাবে জানবো?”
“তাহলে বলছিস কেন?”
“তাহলে চুপি চুপি কথা বলো কার সঙ্গে?”
“চুপি চুপি কোথায় কথা বলি আমি? ভার্সিটি থেকে ফিরে মাঝরাত পর্যন্ত তো সোফাতেই পড়ে থাকি।”
“যখন পড়তে বসো?”
“পড়তে বসে কবে ফোন কাছে রেখেছি?”
ফাইয়াজের কর্কশ গলার আওয়াজ শুনে চুপ করে গেল সারাহ। ভাইটা রেগে গেছে। সত্যিই কী গার্লফ্রেন্ড নেই তার ভাইয়ের? নেই বোধহয়, এমন আধপাগলের সঙ্গে কে প্রেম করবে? ভাইয়ের জন্য মায়া হলো সারাহর।
সারাহকে ভার্সিটির গেইট থেকে একটু দূরে নামিয়ে দিয়ে ফাইয়াজ নিজের ভার্সিটির দিকে ছুটল দ্রুত গতিতে।
গেইটের ভেতরে প্রবেশ করার সময় সারাহর কানে ভেসে এলো একটি ডাক ‘হেই, চেরি ব্লসম’
ডাকটা শুনেই তড়িৎ গতিতে পেছন ফিরে তাকাল সারাহ। কে ডাকলো তাকে এই নামে? সারাহর সামনে পেছনে আরো অনেক স্টুডেন্ট রয়েছে, তাই সারাহ বুঝতে পারল না তাকে কে ডাকল। তাকেই ডেকেছে তো, নাকি অন্য কাউকে ডেকেছে? তাকে চেরি ব্লসম বলে একজনই ডাকে, আর তার এখানে থাকার প্রশ্নই আসে না। ডাকটা কী তার মনের ভুল? হবে হয়তো।
ফোস করে শ্বাস ছেড়ে পুনরায় হাঁটা ধরল সারাহ।
বন্ধুদের সঙ্গে সামনে এগিয়ে যাওয়া আবরার পিছু ফিরে তাকাল আবার। তার ডাক শুনে সারাহ এমন চমকে উঠল কেন? অস্থির হয়ে চারপাশে খুঁজছিল কীভাবে। হঠাৎ আবরারের ঠোঁটের কোণে মৃদু হাসি দেখা দিলো। সামনের দিকে ফিরে শিস বাজাতে বাজাতে হাঁটতে লাগল।
.
সারাহকে নেওয়ার জন্য ফারিশ এসেছে। সারাহ দ্রুত পায়ে তার দিকে এগিয়ে এসে বাইকের পেছনে উঠে বসল চুপচাপ।
আজ ফারিশের হেলমেটের গ্লাস উপরে ওঠানো রয়েছে। চোখজোড়া দেখা যাচ্ছে তার।
আবরারের নজর পড়ল ফারিশের উপর, তারপর তার চোখজোড়ায়। পলকহীন তাকিয়ে রইল ফারিশের চোখজোড়ার দিকে, ফারিশও তার ব্যতিক্রম নয়, সেও তাকিয়ে আছে আবরারের দিকে।
কয়েক মুহূর্ত পর বাইক স্টার্ট দিলো ফারিশ, আবরার নিজের অজান্তেই বিড়বিড় করে বলল, ‘ফারিশ!’
ফারিশ ছুটে চলে গেল। আবরার ফারিশের যাওয়ার পথে তাকিয়ে বলল,
“ফারিশ, হ্যাঁ ওটা ফারিশ।”
ফারিশের নাম ধরে ডেকে উঠল গলা ছেড়ে, কিন্তু ততক্ষণে অনেক দূর চলে গেছে ফারিশ। আবরার স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইল। ওই ছেলেটা ফারিশ, হ্যাঁ ওটা অবশ্যই ফারিশ। ফারিশের চোখ চিনতে সে ভুল করতেই পারে না। ফারিশ তার সামনে আসে, তাকে দেখে অথচ তার সঙ্গে কথা বলে না! সে চিনবে বলে হেলমেটও খোলে না। এখনো রেগে আছে? এত ইগো?
চলবে………
Share On:
TAGS: মন বোঝে না, সানা শেখ
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
দিশেহারা পর্ব ৮
-
দিশেহারা পর্ব ১২
-
দিশেহারা পর্ব ৪৫
-
মন বোঝে না পর্ব ৮
-
দিশেহারা পর্ব ৭১
-
দিশেহারা পর্ব ৪৩
-
তোমার সঙ্গে এক জনম পর্ব ৪
-
মন বোঝে না পর্ব ১
-
দিশেহারা পর্ব ১১
-
দিশেহারা পর্ব ৬৬