Golpo romantic golpo দ্যা ব্ল্যাক মার্ক

দ্যা ব্ল্যাক মার্ক পর্ব ৩(প্রথমাংশ +শেষাংশ)


নিহান সারা রাত ঘুমাতে না পেরে ভোরের দিকে একটু চোখটা লেগে এসেছিলো তাই ইজি চেয়ারেই মাথাটা এলিয়ে দিয়ে একটু ঘুম এসেছে। চোখের পাতায় ভেসে উঠে এক রমনীর কান্নারত মুখ। কান্না করতে করতে হেসকি উঠে গিয়েছে, সেভাবেই বলছে “প্লিজ কাছে আসবেন না। ছুবেন না আমায়।”
নিহান একটু নড়ে উঠে। আবার মেয়েটা বলে “আমারে এরা ঠকায়ছে। আমি এসবে রাজি না। প্লিজ দূরর থাকুন। প্লিজজ”
সাথে সাথে নিহান ধড়ফড়িয়ে উঠে বসে। মাত্র লেগে আসা ঘুমটা আবারও গায়েব হয়ে যায়। ঘেমে নেয়ে একাকার হয়ে গেছে নিহান। জোরে জোরে নিশ্বাস নিচ্ছে। স্বপ্ন দেখেছে বুঝতে পেরেই নিহান বিরক্ত হয়ে উঠে। কিন্তু অস্থির হওয়ার কারনে ভালো লাগছে না তাই উঠে ওয়াশরুমে যায়।

সেখানে তুবা আগে থেকেই দাঁড়িয়ে আছে। তুবাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে নিহানের পায়ের কদম থামে কিছুটা। তুবা নিহানকে দেখে কান্না করে দেয়। ফর্শা মেয়েটার ঠোঁট তির তির করে কাপছে। নিহানের খুব মায়া হয়। সামনে একটু আগাতে নিলে তুবা বলে,

“আপনি আমার সাথে কেন করলেন মিস্টার? আমি তো আপনার কাছে নিজের ইজ্জত ফিক্ষা চাইলাম কেন দিলেন না? এখন আমার কি হবে?”

নিহান বলে,

“আমি তো টাকা দিয়েছি। অনেক টাকায় তো দিয়েছি।”

“আপনার টাকার বিনিময়ে তো আমার ইজ্জত ফিরে আসবে না মিস্টার বড়লোক।”

নিহান আর কিছু বলে না। শুধু কিছুটা এগিয়ে তুবাকে ধরতে যায়। তুবার মুখে হাত দিতেই ধোয়ার মত গায়েব হয়ে যায় তুবা। নিহান আশে পাশে তাকিয়ে তুবাকে খুঁজতে থাকে। ডাকে কয়েকবার, “এই অপ্সরা, অপ্সরা?” কিন্তু তুবা যখন সারা দেয় না তখন বুঝতে পারে নিহান, তার এটা হ্যালোসিনেশন ছিলো। বুঝার সাথে সাথে নিহানের এতো রাগ হয় যে , সে চিৎকার করে বলে,

“শোন মেয়ে অপ্সরা! তুমি আমারে এভাবে জ্বালাতে পারো না।”

নিহানের মনে হলো তার কথায় মেয়েটা হাসছে। নিহানের রাগ মাথা চাড়া দিয়ে উঠে। রাগে ওয়াশরুমের মিররে সর্বোশক্তি দিয়ে ঘুষি মারে। সাথে সাথে আয়না তো ভাঙেই হাতটাও কে’টে র’ক্ত ঝড়নায় ন্যায় ঝড়তে থাকে।নিহান সেদিকে পাত্তা দেয় না।লম্বা একটা শাওয়ার নিয়ে বের হয় ওয়াশরুম থেকে।তাড়াতাড়ি কাপড় চেন্জ করে। বেরিয়ে পড়ে নিজের গন্তব্য।তার বুকে যে ঝড় চলছে।কোনোমতে পতিতালয়ে এসে পড়ে।রিনা বেগম বসে আছে সোফায়।
নিহান রিনা বেগমের সামনে চেয়ার নিয়ে বসে পড়ল পায়ে পা তুলে।
নিহান গম্ভীর কন্ঠে বলে,
“মেয়েটাকে আমার লাগবে।”
রিনা বেগম চোখ তুলে তাকায়।
“আচ্ছা রাতে এসো।যদিও রাতে আরেকজন আসার কথা কিন্তু তুমি তার থেকে বেশি টাকা দিলে আজ রাত ওর সাথে কাটাতে পারবে।”
নিহান গর্জে উঠে বলে,
“একরাতের জন্য না,সারাজীবনের জন্য।”
রিনা বেগম যেন হতভম্ব হয়ে গেল নিহানের কথায়।
“না,হবে না।”
নিহান এবার দাঁতে দাঁত চেপে বলে,
“আমারে চিনিস?আমি কে জানস না?খোজখবর নিয়ে দেখ তারপর চিনবি আমি কে!”

রিনা বেগম এবার একটু দমে গেল।ছেলেটার তেজ দেখে মনে হলো ক্ষমতাবান মানুষ। রিনা বেগম মনে মনে কিছু ভাবল।পরক্ষণেই নিহান কে বলে,
“কত টাকা দিবা?”
নিহান গম্ভীর কন্ঠে বলে,
“কত চান?”
রিনা বেগম চোখ দুটো যেন বড় বড় হয়ে গেল।মনে মনে খুশিও হলো।
“২ কোটি।”
নিহান নিশান কে কল করল।নিশান কল ধরে বলে,
“কীরে তুই কেথায়?”
নিহান বলে
“আমি আছি একজায়গায়।আমার জন্য ২ কোটি টাকা পাঠাও গারৃডদের দিয়ে। “
নিশান বিরক্ত হয়ে বলে,
“এত টাকা কী করবি?”
নিহান গম্ভীর কন্ঠে বলে,.
“লাগবে মানে লাগবে।এত কথা বলে কী লাভ।”
“আচ্ছা আমি পাঠাচ্ছি এড্রেস পাঠা। “
নিহান কল কেটে এড্রেস পাঠায়।রিনা বেগম বসে বসে এসব দেখছে।ভীষণ অবাক হলো।নিহান গম্ভীর কন্ঠে বলে,
“মেয়েটা কই?”
“রুমে।”
নিহান উঠে রুমের দিকে পা বাড়াতে নিলেই রিনা বেগম থামিয়ে বলে,
“না আগে টাকা তারপর।”
নিহান নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ করল।কিছুক্ষণ পর চারজন গার্ড এসে টাকা নিয়ে আসে।রিনা বেগমের হাতে টাকা তুলে দিয়ে গর্জে বলে,
“আজ থেকে এই মেয়ে আমার!”

চলবে_ইনশাআল্লাহ

দ্যাব্ল্যাকমার্ক

লেখনীতেআশুও_নিশু

পর্বসংখ্যা_৩(প্রথমাংশ)

নোট:-আসসালামু আলাইকুম প্রিয় পাঠক-পাঠিকারা।আজকের পর্বটা ছোট হ’য়েছে জানি ইনশাআল্লাহ পরের পর্ব বড় করে
আসবে।আর সবাই গঠনমূলক মন্তব্য করবেন।মনমতো লাইক কমেন্ট না পেলে পরের পর্ব আসতে দেরি হবে।
আর সবাই নিশু’র জন্য দোয়া করবেম আল্লাহ যাতে ওকে ধৈর্যশক্তি দান করে।

দ্যাব্ল্যাকমার্ক

লেখনীতেআশুও_নিশু

পর্বসংখ্যা_৩ (শেষাংশ)

(কঠোভাবে প্রাপ্তবয়স্ক ও মুক্তমানদের জন্য উন্মু’ক্ত)

নিহান দ্রুত পায়ে হেটে চলে যায় তুবার রুমে।রুমের দরজা হালকা করে টানানো।নিহান রুমে ঢুকে দরজায় হেলান দিয়ে দাড়ায়।দেখে তুবা ঘুমন্ত অবস্থায়।মুখটা কী নিষ্পাপ লাগছে।নিহান নিষ্পলক ভাবে চেয়ে আছে তুবার দিকে।কিছুক্ষণ পর তুবার পায়ের দিকে বসে।একটু ঝুঁকে চোখে পড়া চুলগুলোকে ফু দেয়।তুবা ঘুমের মাঝেও হালকা কেঁপে উঠে।
নিহান উঠে দাড়ায় হাত বাড়িয়ে ঘুমন্ত তুবাকে পাঁজাকোলে
তুলে নেয়।দ্রুত প’তিতালয় ত্যাগ করে গাড়িতে শুইয়ে দেয় তুবাকে।
গাড়ি থামে এহসান বাড়ির সামনে।নিহান দ্রুত নেমে তুবাকে কোলে নিয়ে বাড়ির ভেতরে ঢু’কে।নাহিয়ান, নিশান ব্রেকফাস্ট করছে।দরজার দিকে তাকিয়ে দুজনিই অবাক।এ কি দেখছে?এটা কি সত্যিই নিহান?
নিশান খাওয়া ছেড়ে উঠে দাড়ায়।নিশান কে গম্ভীর কন্ঠে জিজ্ঞেস করে,
“হু ইজ সী?”
নিহান স্বাভাবিক ভাবেই বলে,
“সী ইজ আওয়্যার নিউ কেয়ারট্যাকার।”
নাহিয়ান ফিক করে হেসে বলে,
“কেয়ারট্যাকার কে বুঝি মানুষ কোলে করে আনে?”

নিহান ছোট ভাই নাহিয়ানের দিকে তাকিয়ে চোখ রাঙাল। নাহিয়ান হাসি থামিয়ে খাবার খেতে লাগে।নিহান ময়েেটার দিকে তাকায়।কেমন জানি নিষ্পাপ নিষ্পাপ লাগলো তার কাছে।নিহান কে জিজ্ঞেস করল।
“দুই কোটি টাকা দিয়ে কী করেছিস?”
“মেয়েটাকে কিনেছি।”
“হুয়াট?আর ইউ ম্যা’ড নিহান?”
নিহান কিছু বলে না।তুবাকে নিজের রুমে শুইয়ে দিয়ে নিচে চলে আসে।নিশানের রাগে গা জ্ব’লছে।এই সামান্য মেয়েটাকে কিনা তার ভাই কিনেছে দুইকোটি টাকা দিয়ে।
নিহান নিচে নেমে খাবার টেবিলে বসে।নিশান আবারো বলল।
“নিহান এই সামান্য মেয়েটাকে তুই দুইকোটি টাকা দিয়ে কিনেছিস।”
“ইয়েস ব্রো”
“এরকম মেয়ে আমাদের পায়ের নিচে পড়ে থাকে দশ—বারোটা।আর তুই কিনা এই মেয়েটাকে কিনেছিস।তাও আবার দুই কোটি টাকা দিয়ে?”
“রিল্যাক্স ভাই!ও তো আমাদের বাড়ির কেয়ারট্যাকার সব কাজ করবে আমাদের। “
“ডোন্ট ট্রাই টু টিচ (teach)মি নিহান।আই নো ভেরি ওয়েল হুয়াট মাই ব্রাদার ইজ লাইক।আই আন্ডারস্ট্যান্ড দ্যাট ইউ হ্যাভ
ফিলিংস ফর দিস গার্ল।”
নিহান চুপ করে খাবার খেতে থাকে।নিশান আর কিছু বলে না।নাহিয়ান এসব দেখে নিহান কে বলে,
“ভাই ভাবির নাম কী?”
নিহান যেনো কিছু বলার মতো খুজো পেলো না।পেট ফেটে হাসি আসছে তার।সে নিজেই তো মেয়েটার নাম জানে না।
নিহান বলে,
“জানি না।”
নিশান পাশ থেকে রাগান্বিত স্বরে বলে,
“ফ্যামিলি স্ট্যাটাস,পরিচয় জানস না কিচ্ছু জানস না এমন একটা মেয়েকে বাড়িতে আনলি কেন?”
নিহান নিশানের দিকে তাকাল।নিজের রাগকে দমন করল কোনোভাবে।

“ইচ্ছে হয়েছে তাই এনেছি।আর তোমরা যেরকম করছো যেন আমি ওই মেয়েকে আমার বউ হিসেবে এনেছি।”
——————
সকালের কড়া রোদ তুবার মুখে পড়ছে।তুবা পিনপিন করে চোখ খুলে। সে নিজেকে এক বিশাল রুমে দেখতে পায়।লাফ দিয়ে বিছানা থেকে উঠে।ধড়ফড় করতে থাকে হৃদপিণ্ড।
চারপাশে চড়কির মতো ঘুরছে।যেনো সে পা’গল হয়ে গেছে।
নিজের মন,মস্তিস্ককে শান্ত করল। চারপাশ দেখল।রুমটি বিশাল আকারের।এত বড় রুম সে আগে কখনো দেখেনি।

দেওয়ালে টাঙানো একটি ছবির দিকে চোখ পড়ল তুবার
তিনজন পুরুষের।মাঝখানের পুরুষটিকে দেখে তুবার বেশ চেনা চেনা লাগল।কিন্তু মস্তিষ্কে আসছেনা।সে রুম থেকে বেরুতে যাবে তখনিই দেখল রুমের দরজা বাইরে থেকে লাগানো।চরম বিরক্তিতে ‘চ’ সূচক শব্দ করল।হতাশায় ভুক্তভুগী চেহারা নিয়ে বসল নরম তুলতুলে বিছানায়।নরম তুলতুলে বিছানায় লাফ দিয়ে বসাতে লাফিয়ে উঠল তুবাসহ।
তুবা অবাক ভাবে বলে,
“আরেহ বাস্!এরকম নরম তুলতুলে বিছানাও পৃথিবীতে বিছানাতে আছে নাকি?”
পরক্ষণেই নিজের বোকামিতে হাসি পেল তুবার।মাথায় দুষ্টু বুদ্ধি আসতেই বিছানার উপর উঠে লাফাতে শুরু করল।
লাফাতে লাফাতে বিছানার কোণায় এসে পড়েছে খেয়াল ই করেনি তুবা। লাফ দিতেই তাল সামলাতে না পেরে নিচে পড়তে পড়তে কেও একজন তুবার কোমড় জড়িয়ে ধরল।
তুবা পুরোপুরি মিশে গেছে লোকটির সাথে।চোখদুটো খিচে বন্ধ করে রেখেছে তুবা।নিহান তুবাকে নামিয়ে দেয় নিচে। তিবা মিটিমিটি করে চোখ খুলে দেখে চিনতে পারল।
তুবা সাহস নিয়ে বলে,
“আপনি এখানে কেন?আপনাকে এখানে ঢুকার পারমিশন কে দিয়েছে?এতটুক পর্যন্ত চলে এসেছেন বেয়াদপ লোক।”
তুবার কথায় নিহানের রাগ যেন মাথায় চড়ে বসল।দেওয়ালের ছবিটার দিকে আঙুল দেখিয়ে বলে,
“এই ছবিটা কী তোমার বাপের?”
তুবা চোখ গোল গোল করে বলে,
“খবরদার বাপ তুলে কথা বলবেন না!বাপ তুলে কথা বললে খু’ন করে ফেলব আপনাকে।”
নিহান তাচ্ছিল্য হেঁসে উঠে।তুবা নরম স্বরে বলে,
“এটা কী আপনার বাসা?”
“হুম।”
“আমি এখানে কেন?”
“তুমি আমার নতুন কেয়ারট্যাকার।মিস রিনা বেগম থেকে তোমাকে কেয়ারট্যাকার হিসেবে কিনে নিয়েছি।”
তুবা মনে মনে ভাবল যে “ওইগুলা থেকে এটাহ ভালো।”
তুবা বলে,
“আমার মাইনে কত দিবেন?”
“আমার বাসায়, থাকবা,খাবা আবার মাইনে চাও কেন?”
তুবা কিছু বলতে চেয়েও বলে না।
“নিচে কতগুলা কেয়ারট্যাকার আছে তাদের থেকে কাজ বুঝে নাও।”
তুবা আমতা আমতা করে বলে,
“আমি রান্না করতে পারি না।”
“তোমাকে রান্নার কাজটাই দিতে বলব বেয়াদব মেয়ে।”
“আমি মোটেও বেয়াদব না।”
“চুপ!নিচে যাও।”
তুবা পরাজিত ভাবভঙ্গি নিয়ে দরজা খুলে নিচে যায়।এত বড় আলিশান বাড়ি দেখে যেনে অবাক হয় ভীষণ।সিড়ি দিয়ে নিচে নামতেই ফর্সা করে একজন পুরুষের মুখোমুখি হয়।
পুরুষটি তাকে দেখে মুচকি হেঁসে বলে,
“আসসালামু আলাইকুম ভাবি।”
“ওয়ালাইকুম আসসালাম। কিন্তু ভাইয়া আমি তো কেয়ারট্যাকার ভাবি না তো।”
“ওই একিই হলো।”
নাহিয়ান কথাটি বলেই ফিক করে হসেে উঠে।তুবা বুঝতে পারে না ছেলেটা হাসছে কেন।নরম স্বরে বলে,
“ভাইয়া আপনি হাসছেন কেন?”
নাহিয়ান হাসতে হাসতে বলে,
“এমনি হাসছি।আপনি যান, পরে দেখা হবে।”
তুবা রান্নাঘরে ঢুকে দেখে সেখানে একজন মহিলা সহ আরও অনেকে নানান কাজ করছে।তুবা মহিলাটিকে বলে,
“আমাকে কাজ দেখিয়ে দিন তো আন্টি।আমি নতুন তো তাই জানিনা কী করতে হবে।”
“তোমাকে স্যার বলেচে রান্না করতে।”
তুবা জোরপূর্বক হাসি দেয়।ফিসফিসিয়ে বলে,
“খারাপ লোক,বজ্জাত লোক,বেয়াদপ লোক একটা।বলেছিলাম রান্না পারি না সেটাই দিছে।”

নিশান,নিহান,নাহিয়ান বসে আছে নিহানের রুমে।তিনজনই গভীর চিন্তায় মগ্ন।নিহান রাগান্বিত কন্ঠে বলে,
”ওই খা’নকির পোলারে না মা’রলে আমি শান্তি পাবো না।”
নিশান স্বাভাবিক ভাবে বলে উঠে,
“কুল নিহান!এখনো খেলা বাকি এতো তাড়াতড়ি ওকে মা*রা যাবে না।”
নাহিয়ান গম্ভীর কন্ঠে বলে,
“ইয়েস নিশান ভাই ঠিক বলছে।”
নাহিয়ান আবারো বলে,
“ভাবিকে দেখলাম তো ভাই।”
নিশান,নিহান দুজনি নাহিয়ানের দিকে তাকিয়ে আছে।আসলে নাহিয়ান চঞ্চল প্রকৃতির ছেলে কিন্তু চালাক ও তেমন।নিহান গম্ভীর স্বরে বলে,
“ভাবি কি?ও আমাদের ক্যায়ারটেকার।”
নিশান পাশ থেকে বলে,
“নিহান আমরা খুব ভালো ভাবেই জানি।আমি তোকে চিনি। নাহিয়ান মেয়েটাকে ডেকে আন তো।”
নাহিয়ান গিয়ে তুবাকে রান্নাঘর থেকে নিয়ে আসে।তুবার গায়ে লাল রঙের সুতির থ্রিপিস মাথায় কাপড় দেয়া।ফর্সা হওয়ায় লাল রঙটি যেনো তুবার সৌন্দর্য আরো বাড়িয়ে তুলেছে।রুমে ঢুকেই নিশানকে দেখে সালাম দিল।
“আসসালামু আলাইকুম স্যার।”
নিশান হেঁসে বলে,
“স্যার না আমি তোমার ভাসুর।”
তুবার মুখটি যেনো ছানাবড়া হয়ে গেল।নিহান মোবাইল থেকে চোখ সড়িয়ে তুবার দিকে তাকাল।হৃৎস্পন্দনের মাত্রা যেনো বেড়ে গেল আপনাআপনি।ঠোঁট গোল করে শ্বাস নিল।
ফিসফিসিয়ে বলে,
“কন্ট্রোল নিহান,কন্ট্রোল।”
কোনোমতেই নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারল না নিহান। নিশান আর নাহিয়ান কে চোখের ইশারা দিয়ে চলে যেতে বলল।তারাও বুঝতে পারল যে কেন নিহান চলে যেতে বলেছে তাদের।নিশান মাথায় হাত দিল।ফিসফিস করে বলল,
“বড় ভাই হয়ে কিনা ছোট ভাইয়ের রোমান্সের জন্য রুম থেকে চলে যাব।ছিহ্ নিশান ছিহ্।”

ফিসফিস করে বললেও কথাটি নাহিয়ান পাশ থেকে শুনে ফিক করে হেসে উঠে। নিহান আর নিশান রুম থেকে বেড় হতেই দ্রুত পায়ে নিহান দরজা লাগিয়ে দেয়।তুবার দিকে এক পা এক পা করে এগুতে থাকে। নিহান যতই এগোচ্ছে তুবা ততই পিছিয়ে যাচ্ছে। তুবার মনে হলো তুবার মতো অসহায় এই দুনিয়ায় কেউ নেই।তুবা যেতে যেতে দেওয়ালে সাথে পিঠ ঠেকল। নিহান তুবার দুই হাত পেছনে চেপে ধরে রাখে।ঠোঁট আঁকড়ে ধরে গভীরভবে।নিহান তুবার ঠোঁটে কামড় দেয়।তুবা ছটফটিয়ে উঠে। না পারছে সইতে না পারছে কিছু করতে।নিহান তুবার ঠোঁট ছেড়ে গলায় নামে।
গলায় লা’ভ বি’ট দিতে থাকে।তুবার হাত এখনো পেছনে ধরে রেখেছে নিহান।নিহান বারবার বি’ট দেওয়াতে তুবা
“আহ্” করে উঠে।নিহান তুবার কানের লতিতে কামড় দিয়ে বলে,
“সাউন্ড করবা না।নাহলে আরো ব্যাথা দিবো।”
তুবা নরম কন্ঠে বলে,
“আমি রান্না করবো তো।আমাকে ছেড়ে দিন।”
“আমি তোমাকে খা’চ্ছি তো।আর কিছু লাগবে না।”
তুবা বিরক্তিতে “চ” সুূচক শব্দ করে উঠে।নিহান যেনো এটা নিতে পারে না।আবারো আকড়ে ধরে গভীরভাবে তুবার ঠোঁটজোড়া।কিছুক্ষণ পর তুবা ঠোঁট ছেড়ে জামার উপরে উঠাতে নেয়।তুবার হাত ছাড়া পেয়ে বলে,
“প্লিজ না এখন না। আমি রান্না করবো।”
” না না বেবস এখন ই।”
সাদা চামড়ার উপর নীল কালারের ইনার টা ফুটেছে বেশ।
নিহান নেশালো কন্ঠে বলে,
“লালের সাথে নীল।উফফ! ” 🌚

(আসসালামু আলাইকুম। সবাই গঠনমূলক কমেন্ট করবেন।আর যাদের রোমান্টিক পছন্দ না তারা এড়িয়ে যাবেন আমমি /নিশিতা আপনাদের ধরে আনিনি গল্প পড়তে।তাই বলছি যাদের ভালো লাগবেনা তাড়া এড়িয়ে চলুন।সবাই লাইক,কমেন্ট করবেন।)[আশু]

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply