চেকমেট_২ ||৫||
সারিকা হোসাইন
হাতে হ্যাচকা টান অনুভব করতেই ধরফরিয়ে উঠলো রোদ।ভয়ার্ত চোখে মুখে মাথার টুপি সরাতেই ব্যাস্ত প্রিয়ন্তী কে চোখে পড়লো।রোদ কে কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই প্রিয়ন্তী হাঁপাতে হাঁপাতে বলে উঠলো
“আরে কখন থেকে গলা ফাটিয়ে চিৎকার করে ডাকছি কিছুই শুনতে পাওনি নাকি?ওদিকে যে ভার্সিটির হার্টথ্রুব সবাইকে মাতাল করে ছেড়ে দিচ্ছে সেদিকে হুশ আছে তোমার?ধ্যাত তোমার জন্য প্রথম গানটা মিস করে গেলাম।
রোদকে টানতে টানতে প্রিয়ন্তী ছুটলো অডিটোরিয়ামের দিকে।তার কপালে বিরক্তির ভাঁজ।চোখে মুখে দারুন কিছু না পাওয়ার আভাস স্পষ্ট।রোদ জবাব না দিয়ে চললো প্রিয়ন্তীকে অনুসরণ করে।দুজনেই যখন অডিটোরিয়ামের পেছনের দরজায় উপস্থিত হলো তখন শেষ হয়ে গেলো গান।মুহূর্তেই করতালিতে উদ্বেলিত হলো চারপাশ।রোদ চমকে উঠলো সে শব্দে।উৎসুক উচ্ছসিত সকলে জোর গলায় চিৎকার করে উঠলো
“ওয়ান মোর প্লিজ।
কিছু কিছু মেয়ে শাহরানের নাম ধরে চিৎকার করে ডেকে স্টেজে উঠে পড়তে চাইছে।উপস্থিত ভলান্টিয়ার তাদের দুই হাতে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিতে ব্যস্ত।রোদ এক দৃষ্টিতে তাকালো শাহরানের পানে।দুজনের চোখাচোখি হলো।শাহরান অমায়িক হাসলো।অস্বস্তিতে দৃষ্টি সরিয়ে নিলো রোদ।প্রিয়ন্তী একটা বসার জায়গা খোঁজে বলে উঠলো
“ওদিকে চলো।
রোদ যেতে চাইলো না।প্রিয়ন্তী যেই জায়গা টা বসার জন্য ঠিক করেছে ওখান থেকে শাহরান কে স্পষ্ট দেখা যায়।ধরতে গেলে মুখোমুখি।ছেলেটা কেমন অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকায়।ওই দৃষ্টি বড্ড সর্বনাশী।সব কিছু লুটে নিতে চায়।রোদ ভয় পায় ওই দৃষ্টি।পাছে কোনো অঘটন ঘটে যায়।
রোদের টালবাহানা শুনলো না প্রিয়ন্তী।সে টেনে হিচড়ে নিয়ে বসালো রোদকে।এদিকে ভ্যালেনটাইন কাপল আরেকটা গানের জন্য চিৎকার করে চলছে।সেই সঙ্গে শাহরানের দিকে সিঙ্গেল মেয়েরা ছুড়ে মারছে লাভ লেটার,গিফট আর ফুল।এসব দেখে রোদের গায়ে জ্বালা ধরলো।সব গুলো মেয়ের চুল ছিড়তে ইচ্ছে হলো তার।কেনো এরম অনুভূতি হঠাৎ মনে জানান দিলো সে জানেনা।হয়তো শাহরান কে তার পছন্দ নয় ,নয়তো মেয়ে গুলোর বেলেল্লাপনা।
চিৎকার আর হুইসেল সিটিতে যখন চারপাশ উত্তপ্ত তখন শাহরানের গিটার বেজে উঠলো।শাহরান গাইল
“হে আ হা হা,লা লা লা,হুম হুম হুম হু হু
সে আমার ভালোবাসার আয়না (৷৷)
সে যে ডাক দিয়ে যায় পালিয়ে বেড়ায়
ধরা দিতে চায়না…..
সে আমার ভালোবাসার আয়না
গানটির সঙ্গে সঙ্গে নিস্তব্ধতা নেমে এলো পুরো অডিটোরিয়ামে।সবাই মুগ্ধ চোখে অবাক হয়ে শাহরানের পানে নিষ্পলক তাকিয়ে রইলো।কি সুন্দর ছন্দ তুলে বেজে যাচ্ছে গিটার!আর গলার স্বর যেনো কানে শীতলতা ঢেলে দিচ্ছে।রোদ নিজেও অবিশ্বাস্য চোখে এক দৃষ্টিতে শাহরানের পানে তাকিয়ে রইলো।গানটা তার ভালো লাগলো।বিদেশি রাশিয়ান ওরা বাংলা বুঝেনা।তবুও গানটা যেনো মন দিয়ে অনুভব করছে তারা।গিটার বাজাতে বাজাতে শাহরান রোদের নীল চোখে ডুবলো।এরপর গাইতে লাগলো
“তার চোখের নীলে গালের তিলে
আকুল করা তৃষা
এক পলকে দেখলে তারে
হারিয়ে যায় দিশা
আহা সেই মেয়েটি এমন মেয়ে
নিজেই নিজের গয়না
সে আমার ভালোবাসার আয়না
বলেই রোদের পানে আঙ্গুল নির্দেশ করলো শাহরান।সকলেই সেই আঙ্গুলি অনুসরণ করবার আগেই শাহরান আঙ্গুল সরিয়ে গান শেষ করে হনহন করে বেরিয়ে গেলো অডিটোরিয়াম ছেড়ে।শাহরান চলে যেতেই মেয়ে গুলো হুড়মুড়িয়ে ছুটলো পেছন পেছন।শাহরান কার দিকে আঙ্গুলি তুললো তাদের জানা চাই।
ধীরে ধীরে খালি হলো অডিটোরিয়াম।কিন্তু রোদ ঠাঁয় বসে রইলো আনমনে।কানে এখনো সেই স্বর ভেসে যাচ্ছে।ইচ্ছে হচ্ছে শাহরান কে ডেকে পুরো গানটা শুনতে।শাহরান গান শেষ না করেই চলে গেলো ভেবেই মন ভার হলো রোদের।এমন সময় প্রিয়ন্তী বলে উঠলো
“তোমাদের দুজনের মধ্যে কিছু চলছে?সত্যি বলবে কিন্তু।
রোদ হকচকিয়ে উঠলো এহেন ঘাতক তুল্য প্রশ্নে।সে ভীত চোখে প্রিয়ন্তীর পানে তাকালো।প্রিয়ন্তী সেই দৃষ্টি থেকে চটপট কথা ঘুরিয়ে বলে উঠলো
“প্লিজ ডোন্ট মাইন্ড।আমি ভেবেছিলাম ও তোমাকে আঙ্গুল নির্দেশ করেছে।আমার দেখার ও ভুল হতে পারে।চলো বাইরে চলো।
রোদ তপ্ত শ্বাস ফেলে উঠে দাঁড়ালো।অতঃপর ইতস্তত করে বলে উঠলো
“আমাকে তাড়াতাড়ি ফিরতে হবে আজ।মাকে নিয়ে গ্রোসারি শপে যাবো।তুমি তো জানো উনি কথা বলতে পারে না।
প্রিয়ন্তী সায় জানালো।বললো
“ঠিক আছে।
রোদ কোনো মতে প্রিয়ন্তী কে বিদায় জানিয়ে ভার্সিটির গেটের বাইরে বেরিয়ে এলো।গেটের বাইরে জন নামের ছেলেটিকে দেখা গেলো।চোখ মুখের জখম গুলো এখনো শুকায়নি।ফর্সা মুখে দেখতে কদাকার লাগছে সেগুলো।রোদ শাহরানের সেই অগ্নিমূর্তি ধারণ করা চেহারা খানা চোখে ফুটিয়ে ভ্রু নাচিয়ে কাঁধ উঁচিয়ে মনে মনে বলে উঠলো
“নিষ্ঠুর,হৃদয়হীন লোক একটা।
বলেই ভার্সিটির সামনের বিশাল রাস্তা পার হয়ে ওপারে চলে এলো।ঠিক সেই সময় পেছন থেকে ভেসে এলো গগন বিদারী চিৎকার।রোদ ভ্রু কুঁচকে পেছনে তাকাতেই শাহরান কে দেখতে পেলো।জনের হাত মুচড়ে ধরে বেদম প্রহার করছে।জনের সঙ্গে থাকা ছেলে গুলো ভয়ে দৌড়ে চলে গেলো।জনের চুলের কয়েক গাছি খামচে ধরে শাহরান গর্জে উঠলো
“আ উইল কিল ইউ বাস্টার্ড।
রোদের মনে শাহরান কে ঘিরেকিছুক্ষণ আগেই যেই ভালো লাগার অল্প উৎপত্তি হচ্ছিলো তা নিমিষেই ভেঙে পরলো।শাহরানের প্রতি তার বিশ্বাস হারিয়ে গেল।মন বলে উঠলো
“সে আসলেই হৃদয়হীন, লাগামহীন ,সঙ্গে উশৃঙ্খল।
রোদ আর দাঁড়ালো না।তার কান্না পেলো।এসব মারামারি হুড়োহুড়ি কখনোই পছন্দ নয় তার।রুদ্র মাঝে মাঝে বাসায় খুব চিৎকার করে।রোদের তখন ভয় হয় তার পাপাকে।সেই সাথে বাবার প্রতি জমানো ভালোবাসা গুলো কিভাবে যেনো ঘৃণায় পরিণত হয়।আজকাল রুদ্ররাজ বুঝতে পারে মেয়ের মনোভাব।তাই বাসায় সব সময় তার গলার আওয়াজ থেকে মাইনাসে।কিন্তু শাহরান যেন সব কিছুর উর্ধে।এই ছেলের লাগাম ধরা মানে নিজেকে নিজেই ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলিয়ে দেয়া।
রোদ মনে মনে সিদ্ধান্ত নিলো আর কখনোই কোনোভাবেই এই ছেলেকে প্রশ্রয় দিবে না সে।বেশি বাড়াবাড়ি করলে একদম পুলিশে কমপ্লেইন করবে।নয়তো রুদ্রকে বলে কেভিন কে সঙ্গে নিয়ে ভার্সিটিতে আসবে সে।যাতে এই লাফাঙ্গা ছোকরা তার ত্রিসীমানায় ঘেঁষতে না পারে।
শাহরান যখন জনের গলা চেপে ধরলো তখন দৌড়ে এলো নিনাদ আর তাদের বন্ধুরা।কোন মতে জনকে শাহরানের হাত থেকে ছাড়িয়ে দূরে দাঁড় করালো শাহরান কে।জনের অবস্থা শোচনীয়।এই বুঝি দম যায়।জন হামাগুড়ি দিয়ে,কোনো মতে সটকে পরলো।শাহরান রীতিমতো থরথর করে কাঁপছে।তার চোখ দুটো টকটকে লাল।নাকের ডগা গোলাপি হয়ে নাকের পাতা কেঁপে উঠছে বারবার।এই ভরা শীতে শাহরানের চিবুক বেয়ে ঘাম গড়িয়ে পরছে।মাটি থেকে এক খাবলা বরফ তুলে শাহরানের মাথায় দিলো নিনাদ।অতঃপর পিঠ বুলিয়ে নরম গলায় শুধালো
“কি করেছে আজ আবার?
শাহরান চোয়াল চেপে একটা বেঞ্চে বসলো।এরপর আহত বাঘের ন্যয় গড়গড় করতে করতে বলে উঠলো
“রোদের বডি মেজারমেন্ট করছিলো।ব্যাক সাইড দেখে বাজে শারীরিক অঙ্গভঙ্গি করছিলো।
বলেই দাঁত পিষলো শাহরান।এরপর বলে উঠলো
“কেনো এসে বাধা দিলি আমাকে তোরা?ওকে আজকে সত্যি ই মে রে ফেলতাম আমি।
নিনাদ শাহরানকে মাথা ঠান্ডা রাখার অনুরোধ জানিয়ে বলে উঠলো
“বাসায় চল।এখানে বসে এমন করলে পরিস্থিতি ঘোলাটে হবে।
বলেই শাহরানের গিটার নিজ কাঁধে তুলে শাহরান কে জোর করে দাঁড় করিয়ে বন্ধু এলেক্স কে বলল
“ওর বাইক নিয়ে আয়।আমি ট্যাক্সি বুক করে ওকে নিয়ে চলে যাচ্ছি।
এলেক্স চলে যেতেই শাহরান কে নিয়ে পা বাড়ালো নিনাদ।কিন্তু অদূরে দাঁড়িয়েই সবটা খেয়াল করলো কেউ একজন।তার চোখে মুখে ফুটে উঠলো হিংস্র ক্রুরতা।যেনো বহু বছরের ধার দেওয়া শাণিত হিংস্র রূপ।এহেন রূপ যে কারোর রূহ কাঁপিয়ে দিতে বাধ্য।মানুষটা গাড়ির জানালার কালো কাঁচ তুলে ঠোঁটে ফুটিয়ে তুললো পূর্বের চিরচেনা সেই হাসি।অতঃপর আওড়ালো
“আ উইল কিল ইউ…..
রাতের বেলা খাবার টেবিলে রুদ্রের কাছে ইতস্তত করে রোদ বলে উঠলো
“কাল থেকে কেভিন আংকেল কে সঙ্গে করে ভার্সিটিতে নিয়ে যেতে চাই আমি।
মেয়ের মুখে এমন অদ্ভুত কথা শুনে রুদ্র খাওয়া থামালো।সন্দিহান চোখে মেয়ের পানে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলো
“কেন?কেউ কিছু বলেছে তোমাকে?
রোদ কথা ঘুরালো।সে কিছুই হয়নি এমন ভঙ্গিতে বলে উঠলো
“আমি চাই আমার আশেপাশে যাতে কেউ ঘেঁষতে না পারে।ভার্সিটিতে কাউকেই পছন্দ নয় আমার।কেউ আমার সঙ্গে কথা বলতে এলে আমার চরম রাগ হয়।
তপ্ত শ্বাস ফেলে রুদ্র বলে উঠলো
“মনে হচ্ছে তুমি মেন্টালি সিক।কাল একবার হসপিটালে চলো।তোমার মস্তিষ্কের চেকআপ প্রয়োজন।
রোদ খাবারের প্লেট দূরে শব্দ করে সরিয়ে জেদ দেখিয়ে বলে উঠলো
“আমার মস্তিষ্কের কোনো প্রবলেম নেই বাবা।কেভিন আংকেল না গেলে কাল থেকে আমি আর ভার্সিটিতে যাবো না।ব্যস।
বলেই টেবিল ছেড়ে উঠে গেলো রোদ।মেয়ের যাবার পানে তাকিয়ে কপাল কুঁচকে রুদ্র বলে উঠলো
“ঠিক আছে কেভিনের ছেলে উইলসন কে নিয়ে যেও কাল থেকে।বাপের চাইতে তার হাত আরো মজবুত।তোমাকে ভালো সুরক্ষা দিতে পারবে।
রোদ পা থামিয়ে পেছন ফিরে জিজ্ঞেস করলো
“আমি কখন বললাম আমার সুরক্ষার প্রয়োজন?
রুদ্র খাওয়ায় মনোযোগী হয়ে বলে উঠলো
“দেহ রক্ষী নিয়ে শো করতে ঘুরে না কেউ।যাও ঘুমাও।অনেক রাত হয়েছে।
“আমি দেহরক্ষী নিয়ে এজন্য ঘুরতে চাই যাতে মানুষ বুঝতে পারে আমি রুদ্ররাজ চৌধুরীর মেয়ে।নাথিং এলস।
বলেই ধপধপ পা ফেলে রোদ নিজ কক্ষ এসে দরজা লাগিয়ে বিছানায় শরীর এলিয়ে দিলো।খরগোশ দুটো বিছানায় খেলছে।রোদ চোখ বন্ধ করলো।শুনশান নীরব কক্ষে কানে ভেসে এলো সেই গানের গলা।রোদ চোখ খুললো।কেমন জ্বালাতন লাগছে সবটা।রোদ কান চেপে ধরলো দুই হাতে।অসহ্য লাগলো এবার ।এদিকে মন বার বার জোর খাটাচ্ছে বেলকনিতে গিয়ে দাঁড়াতে।দু চোখ দেখার ইচ্ছে জানাচ্ছে ওই উশৃঙ্খল মানবকে।মন ধমকে বলে উঠলো
“বাইরে ঠান্ডায় ও দাঁড়িয়ে আছে তোকে এক পলক দেখার আশায়।এক্ষুনি গিয়ে ওর চোখ জুড়িয়ে দে।
রোদ উন্মাদ হয় উঠল।সে বশীভূতের ন্যয় দরজা খোলে বেলকনিতে দাঁড়ালো।আজ তুষার ঝরছে না।কিন্তু হাড় হীম করা ঠান্ডা বাতাসের দাপট দাঁতের কপাট নাড়িয়ে দিচ্ছে।গায়ের সোয়েটার একটু টেনে টুনে দুই হাতে দুই বাহু জড়িয়ে বাড়ির পুরো সীমানায় নজর বুলালো রোদ।কিন্তু কোত্থাও শাহরান নেই।রোদ ঘরের ভেতর প্রবেশ করলো না।সে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে রইলো।মন বললো শাহরান আসবে।কেটে গেলো প্রায় ঘন্টা খানেক।ঠান্ডায় পা জোড়া অবশ হয়ে এলো।শাহরানের কষ্ট মনে দাগ কাটলো।ওই তুষারের মধ্যে ঘন্টার পর ঘন্টা মানুষটা কিভাবে দাঁড়িয়ে থেকেছে ভেবেই মন বিষন্ন হলো।রোদ টিকতে পারলো না ঠান্ডায়।সে কক্ষের ভেতর ঢুকে দরজা লাগিয়ে দিলো।ইতোমধ্যে তার নাকে জল জমে গিয়েছে।ঠোঁট দুটো কাঁপছে বারংবার।মাথা ব্যাথাটাও হঠাৎ চাড়া দিয়ে উঠলো।রোদ ঘুমাতে চাইলো।চোখ বুঝলো।কিন্তু কানে বাজলো
“সে আমার ভালোবাসার আয়না।
শাহরান যখন নিজের পড়াশোনা শেষ করে লাইটস নিভিয়ে বিছানায় শোবার জন্য এগুলো তখন বাজলো কলিংবেল।এত রাতে কে এলো ভেবে বারান্দায় এসে দাড়ালো।বারান্দায় দাঁড়িয়ে আবছা কুয়াশায় ভুতের মতো কাউকে দেখা গেলো।একদম নাক কান চোখ সব ঢেকে রয়েছে।সঙ্গে পা পর্যন্ত মোটা ওভার কোট।শাহরান চোখ মুখে বিরক্তি ফুটিয়ে গলা বাড়িয়ে শুধায়
“হু’জ দেয়ার?
শীতে ঠকঠক করে কাঁপতে কাঁপতে হ্যান্ড গ্লাভসের ভেতর দিয়ে নিজের মধ্যম আঙ্গুলি বারান্দার দিকে তাক করলো উক্ত ব্যক্তি।শাহরান ভ্রু উঁচিয়ে ঠোঁটের কোণে প্রশস্ত হাসি ঝুলিয়ে ডেকে উঠলো
“ওহ মাই গুডনেস, নানাভাই তুমি!
চলবে….
Share On:
TAGS: চেকমেট সিজন ২, সারিকা হোসাইন
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
চেকমেট সিজন ২ পর্ব ৭
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ৪০(অন্তিম)
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ১৬
-
চেকমেট সিজন ২ গল্পের লিংক
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ১০
-
চেকমেট সিজন ২ পর্ব ৬
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ৪
-
চেকমেট সিজন ২ পর্ব ৯
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ১৭
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ৫