#সীমান্তরেখা
লেখনীতে— #ঝিলিক_মল্লিক
#পর্ব_৩০
[কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।]
মেজবাহ’র পিঠে র’ক্ত জমাট বেঁধে আছে এক জায়গায়। কাছাকাছি আরেক জায়গা হতে র’ক্ত চুইয়ে চুইয়ে পরছে। আকসা কাঁদছে। কান্নারত চাহনিতে তাকিয়ে আছে মেজবাহ’র দিকে। অথচ ওর কোনো অভিব্যক্তি নেই৷ যেন কিছু-ই হয়নি৷ দিব্যি হেলান দিয়ে বসে আছে সোফায়। আকসা এবার ওর কাছ ঘেঁষে অস্থির হয়ে প্রশ্ন করলো, “কীভাবে হয়েছে এসব? দেখে মনে হচ্ছে ছুরি দিয়ে টান দিয়েছে কেউ। পিঠে এই আঘাত পেয়েছেন কীভাবে? বলুন আমাকে।”
মেজবাহ উঠে দাঁড়ালো তৎক্ষনাৎ। কঠিন মুখ কোরে বললো, “তোমার জানার প্রয়োজনীয়তা নেই।” বলেই সামনের দিকে পা বাড়ালো। তৎক্ষণাৎসপেছন থেকে হাত টেনে ধরলো আকসা। মেজবাহ পেছনে ঘুরে সরু চোখে তাকাতেই ও শক্ত গলায় দৃঢ় আত্মবিশ্বাসের সহিত বললো, “আছে৷ আমার জানার প্রয়োজনীয়তা আছে। আমি আপনার স্ত্রী। আমাকে আপনার ভালো-মন্দ সবকিছু সম্পর্কে জানতে হবে।”
“স্ত্রী, হুহ?”
“জি।”
“তাহলে বেডরুমে আসো।”
আকসা চমকে ওঠে। এই লোক ওকে বেডরুমে ডাকছে! মেজবাহ ইফতেখার! মাথা ঠিক আছে তো তার?
.
.
“এক্সুয়ালি আজ এক মামার বাসায় গিয়েছিলাম। আমাদের এখানেই তার বাসা। এইতো শহর থেকে মিনিট বিশ-পঁচিশের ডিস্টেন্স। মামার বাসা থেকে বের হতে লেইট হলো৷ বাইক নিয়েই গিয়েছিলাম। সেখান থেকে বের হয়ে মেইন রোডের আগের রোডে রাইড করছিলাম। তখন হঠাৎ দেখি, সামনে একটা বাইক দাঁড়িয়ে আছে৷ রাস্তার মাঝখানে ওভাবে বাইক দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে এগিয়ে গেলাম। বাইকের সামনের রাস্তায় এক মহিলা বসে ছিল আর একজন লোক। লোকটা মাটিতে অজ্ঞান হয়ে পরে ছিল। মহিলার কাছ থেকে জানতে পারলাম, মাত্রই একটা বাইকে কোরে একজন ছিনতাইকারী এসে অস্ত্রের মুখে ভয় দেখিয়ে তাদের ব্যাগ ছিনতাই করে নিয়ে গেছে। আর যাওয়ার আগে স্প্রে ছিটিয়ে গেছে। যদিও মহিলার নাকে স্প্রে লাগেনি সৌভাগ্যবশত। তার স্বামীর নাকে-মুখে যেতেই তিনি সেন্সলেস হয়ে গিয়েছেন। মহিলার কাছ থেকে ডিটেইলস শুনে তখনই বাইকের স্পিড বাড়িয়ে দিলাম। মেইন রোডে উঠে কিছুদূর এগোতেই দেখি, বর্ণনা অনুযায়ী সেই ছিনতাইকারী। বাইকের স্পিড আরো বাড়িয়ে দিয়ে তার সামনে গিয়ে বাইক থামাতেই ছেলেটাও বাইক থামিয়ে নেমে আসলো৷ প্রথমে বুঝতে পারেনি। পরে সেই ব্যাগ চাইতেও আমাকেও অস্ত্রের ভয় দেখানোর চেষ্টা করলো। কিন্তু পারেনি। অল-টাইম ওয়েপন নিয়ে ওঠা-বসা করা মানুষকে ছুরি দেখাচ্ছে হারামজাদাটা। হাস্যকর! এরপর দু ঘা লাগিয়ে ব্যাগ কেঁড়ে নিলাম। আশেপাশের মানুষ ডাক দেওয়ার ভয় দেখাতেই পালানোর আগে ছুরি দিয়ে পিঠে দিলো সামান্য এক টান। এই আরকি!”
“সামান্য? এটা সামান্য আঘাত?”
আকসা এতোক্ষণ মনোযোগ সহকারে মেজবাহ’র মুখ থেকে পিঠে আঘাত লাগার পেছনের কাহিনী শুনছিল আর ওর পিঠের ক্ষতস্থানে ড্রেসিং করছিল। মেজবাহ মূলত ওকে বেডরুমে ডেকেছে-ই ড্রেসিং করিয়ে দেওয়ার জন্য। মেজবাহ যখন ওকে বলেছিল, ‘বেডরুমে আসো’ ; তখন আকসা একমুহূর্তের জন্য বোকার মতো ভেবেই নিয়েছিল, এবার বুঝি মেজবাহ’র মন গলেছে ওর জন্য। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, সেসব কিছু-ই নয়। মেজবাহ ওকে ঘরে নিয়ে এসে বলেছে, “বললে না, তুমি আমার স্ত্রী? স্ত্রী যখন, তাহলে নিজের দায়িত্ব পালন করো। তোমার স্বামীর কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা উপস স্যরি, ড্রেসিং করিয়ে দাও।”
তারপর আর কি! আকসা বসেছে ড্রেসিং করতে। এরমধ্যে ঘটনাও যা শোনা দরকার, সেটা শোনা হয়ে গেছে।
আকসা অতি সন্তপর্ণে সফেদ কাপড়ের টুকরো দ্বারা ধীর হাতে মেজবাহ’র পিঠ হতে রক্ত মুছতে ব্যস্ত হলো। মেজবাহ দাঁতে দাঁত চেপে সহ্য করছে। রক্ত-মাংসে গড়া মানুষের শরীর। যতই ডিফেন্স পার্সন হউক, প্যারা-কমান্ডো ট্রেইন প্রাপ্ত অফিসার হোক; ব্যাথা সামান্য হলেও করবে বৈকি।
আকসা বড্ড বেশি চিন্তিত। দুশ্চিন্তা হওয়াটাই স্বাভাবিক। লোকটা আহত হয়েছে। যন্ত্রণা পাচ্ছে। মুখে না বললেও বুঝতে পারছে আকসা। সহ্য হচ্ছে না ওর। চোখ হতে অবাধে অশ্রুকণা গড়িয়ে পরছে। মেজবাহ একটু নড়েচড়ে উঠতেই ও উদ্বিগ্ন হয়ে বললো, “নড়বেন না! ব্যাথা বেড়ে যাবে আরো। উফ! কীভাবে যে এই ব্যাথা কমবে! মাথাতেই আসছে না!”
“কমতে পারে। একটা উপায়ে।”
উল্টো হয়ে শুয়ে থাকা মেজবাহ’র আড়ালকৃত মুখ থেকে হালকা স্বরে বলা কথাটা শোনা গেল। আকসা তৎক্ষনাৎ চঞ্চল হয়ে প্রশ্ন করে, “কীভাবে? কীভাবে সারবে? বলুন আমাকে!”
“চুমুতে. . . তোমার চুমুতে সারবে।”
মেজবাহ থামে। মুহূর্তের ব্যবধানে পুনরায় গভীর স্বরে প্রশ্ন করে— “উইল ইউ গিভ আ কিস অন দ্য ইনজার্ড স্পট, প্লিজ? জাস্ট ওয়ান কিস?”
“চুমুতে কী হয় মেজবাহ?”
-“ব্যাথা সারে।”
“একথা আমাকে বিশ্বাস করতে বলছেন?”
আকসার প্রশ্নের জবাবে মেজবাহ ফিচেল হেঁসে প্রতিত্তোর করে— “তোমাকে ব্যাথা দিয়ে তারপর চুমু খেয়ে দেখালে বিশ্বাস করবে?”
জবাব শুনে আকসার ভ্রুকুটি কুঞ্চিত হয়। সরাসরি মেজবাহ’র সম্পূর্ণ চেহারা ধীরেসুস্থে অবলোকন করে। লোকটা যন্ত্রণায় ঠিকমতো নিঃশ্বাস অবধি নিতে পারছে না, শ্বাস টানতে কষ্ট হচ্ছে। তবুও তার বাজে কথা বন্ধ হবে না। আকসা মেজবাহ’র পিঠে আলতোভাবে হাত রেখে বলে, “আপনি প্লিজ নড়াচড়া করবেন না। এতে ব্যাথা বাড়তে পারে।”
“বাড়ুক। যা হওয়ার হোক। আই ডোন্ট কেয়ার!”
“কেন? ব্যাথা বাড়লে তো আপনার-ই কষ্ট হবে।”
আকসা উদ্বিগ্ন হয়ে বলে। বুকের ভেতর অস্থিরতার অশান্ত ঝড় বয়ে যেতে থাকে। মেজবাহ’র আর একটা শব্দও উচ্চারণ করলো না।। কঠিন মুখ করে শুয়ে রইলো। আকসা যেন অলৌকিকভাবে বুঝে যায়, মেজবাহ কি চাইছে এই মুহূর্তে। হঠাৎ ও বেডসাইড ল্যাম্প নিভিয়ে দেয়। এরপর শাড়ির আঁচল কাঁধে তুলে নিয়ে উবু হলো। নিচু হয়ে মেজবাহ’র পিঠে ধীরেসুস্থে ঠোঁট ছোঁয়ালো। একটা, দু’টো. . .এরপর তিনটা-চারটা — এভাবে কোরে একনাগাড়ে চুমু খেতে লাগলো। অজস্র চুমুতে ভরিয়ে ফেললো মেজবাহ’র শক্তপোক্ত পিঠ। সামান্য ক্ষণিকের জন্য থামতেই মেজবাহ’র গম্ভীর গলা শোনা গেল— “থামলে কেন? ক্যারি অন।”
আকসা উন্মত্ত হলো এবার। আগের চাইতেও বাড়িয়ে দিলো ওর চুমুর গতি। ঠোঁটে ব্যাথা পাচ্ছে। তবু সরে আসছে না। এক অদ্ভুত মোহ টানছে ওকে। একটা দারুণ ঘ্রাণ নাকে ঠেকছে। ঘ্রাণটা আসছে মেজবাহ’র শরীর থেকে। এই ঘ্রাণ-ই ওকে ক্রমশই উত্তাল করে তুলছে। সমুদ্রের ঢেউ যেন উথাল-পাতাল খাচ্ছে বুকের মাঝে। আকসা মেজবাহ’র পিঠের কেটে যাওয়া স্থানে চুমু খেতে খেতে হঠাৎ কেঁদে ফেলে। নিঃশব্দ-কান্না। নিরব অশ্রুকণা চোখ হতে ঝড়ে গাল বেয়ে গড়িয়ে পরে পিঠের ওপরে।
শুষ্ক পিঠে শীতল কিছুর উপস্থিতি টের পেতেই ভ্রু কুঁচকে ফেলে মেজবাহ। ব্যাপারটা বুঝতে ওর সময় লাগে না। আকসাকে উদ্দেশ্য করে গম্ভীর গলায় প্রশ্ন করে— “কাঁদছো কেন?”
প্রশ্নটা শুনে আকসার হাত থমকে যায়। তবে কোনো জবাব দেয় না। মেজবাহ পুনরায় প্রশ্ন করলো, “হোয়াই আর ইউ ক্রায়িং লাইক দিস?”
এবারও জবাব না পেয়ে মেজবাহ এবার উঠে বসে৷ ওর পিঠ পালঙ্কের থামে ধাক্কা লাগে। আকসা অস্থির হয়। কাটা-স্থানে বারবার ব্যাথা পাচ্ছে লোকটা। অথচ তার নিজেরই কোনো তোয়াক্কা-ই নেই! আকসা ‘ইশশ!’ শব্দ করে ওঠে। তাতে মেজবাহ ওর দিকে কঠিন চোখে তাকায়। শক্ত-সামর্থ্য পুরুষ সে। এ-তো মামুলি আঘাত। এতে কিছুই যায়-আসে না ওর। ও এবার ধমকে বলে, “কান্না থামাবে নাকি তুলে এক আছাড় মারবো?”
আচনক এমন ধমকে আকসার কান্না থামা তো দূর বরং আরো বুলেট ট্রেনের গতিতে বেড়ে গেল। এতোক্ষণ নিরবে কান্না করলেও এবার মরাকান্না শুরু করলো ও। মেজবাহ’র বিরক্তি বাড়লো। ও দাঁতে দাঁত চেপে সহ্য করতে লাগলো। শেষমেশ না পেরে একটানে আকসাকে নিজের বুকের ওপরে এনে ফেললো। ওকে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে ধরে কড়া সুরে বললো, “চুপ! কাঁদবে না!”
এতে কাজ হলো না। কান্নার বেগ আরো বেড়ে গেল। মেজবাহ এবার না হেঁসে পারলো না। ঠোঁটের কোণে সেই সম্মোহনী হাসি ফুটিয়ে তুলে আকসাকে বললো, “তুমি কি গ্রামের মামি-চাচি?”
এমন মুহূর্তে এই প্রশ্ন শুনে কিছু সময়ের জন্য আকসার কান্না থেমে গেল। বিভ্রান্ত চাহনিতে মুখ উচিয়ে মেজবাহ’র দিকে তাকালো। মেজবাহ ঠোঁট চেপে কোনোরকমে হাসি আটকিয়ে বললো, “গ্রামের মামি-চাচিরা কোথাও সামান্য কিছু হলেই এমন মরাকান্না শুরু করে দেয়৷ তুমিও শুরু করেছো। তাই ভাবলাম.. যা-ইহোক, সুন্দর হচ্ছে। কন্টিনিউ, প্লিজ!”
মেজবাহ আকসার কাছ থেকে সরে গিয়ে ওকে মুখোমুখি করে বসে। ভাবখানা এমন যেন— আকসা এখানে কোনো রম্য-নাটক বা মঞ্চনাট্য করছে আর মেজবাহ সেই নাটকের এক এবং একমাত্র একাগ্রচিত্ত দর্শক। ওর মুখের অমন দশা দেখে মেজবাহ বললো, “এমন স্যাড হচ্ছো, যেন তোমার স্বামী মরে গেছে!”
কথাটা বলামাত্র আকসা এবার ডুকরে কেঁদে উঠতেই মেজবাহ ওকে বুকের মাঝে জড়িয়ে ধরে মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে নরম গলায় বললো, “কাঁদে না সোনা। কান্না থামাও, প্লিজ!”
আকসার কান্নার সুর কমে আসে ধীরে ধীরে। ও মেজবাহ’র বুকে আলতোভাবে কয়েকটা কিল-ঘুষি মেরে বলে, “এমন কথা আর কখনো বলবেন না।”
“আচ্ছা বলবো না।”
আকসাকে শান্ত করার চেষ্টা করে মেজবাহ। আকসা ওর গলা জড়িয়ে ধরে রাখে শক্ত করে৷ যেন ছেড়ে দিলেই হারিয়ে ফেলবে ওকে। বিরবির করে বলে, “প্লিজ একটু সাবধানে চলাফেরা করবেন আপনি। দরকার নেই এতো মানুষের উপকার করার। অন্যের উপকার করতে যেয়ে নিজের কতবড় ক্ষতি করে এসেছেন দেখেছেন? যে যা করে করুক, আপনি ওসব দেখতে যাবেন না।”
“আচ্ছা দেখবো না ওসব। তবে অন্যকিছু দেখবো।”
“কী? কী দেখবেন?”
“তোমাকে।”
“আমাকে? কিন্তু কেন?”
বোকার ন্যায় প্রশ্নটা করে থমকালো আকসা। ঠোঁট কেঁপে উঠলো। ওর কম্পমানরত ঠোঁটের দিকেই আপাতত নজর মেজবাহ’র। আকসা বলার চেষ্টা করে, “আমাকে দেখার দর…”
বাক্য সম্পূর্ণ করার আগেই ঠোঁট ঠোঁটবন্দী হলো। আকসা ভীমড়ি খেল যেন। মেজবাহ’র পিঠে হাত রেখে জোরে খামচে ধরতেই ঠোঁট সরিয়ে নিয়ে মেজবাহ বললো, “উফ আঘাতে ব্যাথা দিয়ে যন্ত্রণা বাড়ানোর পরিকল্পনা করলে নাকি?”
আকসা লজ্জা পেয়ে হাত সরিয়ে আনে। মুখ নুইয়ে রাখে। মেজবাহ’র চোখে চোখ রেখে একমুহূর্তের জন্যও তাকাতে পারে না৷ হঠাৎ একটা শব্দ কানে ভেসে আসে— “অবশ্য ব্যাথা জায়গায় ব্যাথা দেওয়ার স্বভাব থাকে কিছু মানুষের!”
অদ্ভুত কথাটা শোনার সাথে সাথে চমকে মুখ তুলে তাকায় ও। মেজবাহ’র চোখে চোখ পরতেই ও ফিচেল হেঁসে বলে, “তোমাকে বলিনি। জাস্ট এমনিই বললাম!”
কেমন যেন ঠেকলো আকসার। গা শিরশির করে উঠলো৷ মেজবাহ কিছু সময় ফোন ঘাঁটাঘাঁটি করতে ব্যস্ত হলো। এরপর ফোনটা রেখে শোয়ার প্রস্তুতি নেবে, তখন আকসা হঠাৎ মনে আসতেই জিজ্ঞাসা করে বসলো, “আপনি আমাকে ভালোবাসেন মেজবাহ?”
“হ্যাঁ বাসি তো।”
সংক্ষিপ্ত জবাব। আকসা খুশি-ই হলো বৈকি। মনের ভেতর রং-বেরঙের প্রজাপতি ডানা মেলে উড়তে লাগলো। ঠোঁটের কোণে তৃপ্তিদায়ক হাসি ফুটে উঠেছে। মেজবাহ ওকে ভালোবাসে! এ-তো স্বপ্নের মতো! ভাবতেই পারেনি, মেজবাহ এতো সহজে স্বীকারোক্তি দেবে৷ লোকটা বোধহয় তার মন পরিবর্তন করেছে। যতোটা কঠোর ও ভাবে, ততোটা কঠোরও নয়। আকসার প্রতি কঠোর হলেও ভালোবাসা আছে তারমানে!
আকসা বেশ আনন্দিত হয়েই ঘুমাতে গেল। বিছানার অপর পাশে পিঠ করে শুয়েছে বোধহয় মিনিট পনেরো হবে। চোখ লেগে এসেছে কিছুটা। পাশ ঘুরতেই মেজবাহ’র মুখোমুখি হলো। মেজবাহ ওর দিকে মুখ কোরেই শুয়েছে কখন, সেটা টের পায়নি আকসা। একধ্যানে তাকিয়ে আছে ওর দিকে। কেমন অদ্ভুতভাবে। হঠাৎ মেজবাহ খুব অস্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন করলো, “আকসা, কারো প্রতি প্রচন্ড বিতৃষ্ণা মনে থাকলে, তাকে কি আদৌ ভালোবাসা যায়?”
#চলবে
Share On:
TAGS: ঝিলিক মল্লিক, সীমান্তরেখা
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ৪
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ১৭
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ২১
-
সীমান্তরেখা পর্ব ২৯
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ১১
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ৬
-
সীমান্তরেখা পর্ব ২৫
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ২২
-
সীমান্তরেখা পর্ব ১৭
-
সীমান্তরেখা পর্ব ১৪