#প্রণয়ঘোরের_সন্ধিতে
#লেখনীতে_সালমা_চৌধুরী
(০২)
সন্ধ্যার কিছুক্ষণ পর লিফাত রেডি হয়ে নৌমিদের বাসায় আসছে। ড্রয়িংরুমে নৌমির ছোটবোন আন্নি টিভি দেখছিল। লিফাতকে দেখেই টিভি বন্ধ করে দিয়েছে, দাঁড়িয়ে ভয়ঙ্কর কন্ঠে শুধালো,
” ভাইয়া, তুমি কি এখন পড়াবে?”
” না, নৌমিকে নিয়ে বের হবো। তুই নৌমিকে ডেকে নিয়ে আয়।”
“আচ্ছা।”
নৌমির আম্মু এগিয়ে এসে বললেন,
“কিরে তাজ, এই সন্ধ্যাবেলা কোথায় যাবি?”
“তোমার মেয়েকে হালিম খাওয়াতে।”
” তোকেও বলি, নৌমির উল্টাপাল্টা বায়নাকে এত প্রায়োরিটি দিতে যাস কেনো? তোর জন্য দিন দিন মেয়েটার সাহস বেড়ে যাচ্ছে।”
” চিন্তা করো না, ফুপ্পি। ও আমাদের বোন, আমাদের কাছে বায়না করবে না তো কার কাছে করবে?”
“তোরও তো কষ্ট হয়। সারাদিন টিউশন, পড়াশোনা, চাকরির চিন্তা মাথায় নিয়ে আবার ওর পাগলামি সহ্য করা চারটে খানি কথা না। “
“ওদের যদি একটা ভাই থাকতো তাহলে বোধহয় আমাদের সাথে ওদের এত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক হতোই না। তাই আমরা সবাই চাই ওরা আমাদের ভরসা করুক, সত্যিকারের ভাইয়ের মতো ভাবুক।”
” তোর আব্বুরা যে তোর আর নৌমির বিয়ের কথা ভাবছে। “
” সব ভাবনা সত্যি হয় না, ফুপ্পি। নৌমি আর আন্নি দু’জনেই আমার বোনের মতো।”
এরমধ্যে নৌমি নেমে আসছে। কন্ঠে আদর ঢেলে ডাকল,
“লিপাত ভাইয়া…”
লিফাত রাগে ফোঁস করে উঠল। রাগান্বিত কন্ঠে হুঙ্কার দিল,
” এই তোর জন্য আমার নাম নিয়ে এত অশান্তি। কি সুন্দর ছোটবেলা নাম রাখছিল রিফাত, তুই র কে ল উচ্চারণ করে করে আমার নাম টা রিফাত থেকে লিফাতে আনলি। সবাই তোর মুখ থেকে শুনে নিজেরাও লিফাত ডাকা শুরু করলো। সেই যন্ত্রণায় নিজেই নাম রাখলাম তাজ, আকিকাও দেয়ালাম। ও মা এখনও অনেকেই লিফাত নাম ডাকে, এটা কোনো কথা!”
লিফাত ফুপ্পির দিকে তাকিয়ে উদ্বিগ্ন কন্ঠে বলল,
” ফুপ্পি তুমি জানো, তোমার মেয়ে ভার্সিটিতে পর্যন্ত আমার লিফাত নাম ছড়িয়ে দিচ্ছে। বন্ধুরাও মজা করে এখন লিপাত ডাকে। “
নৌমির আম্মু তাকাতেই নৌমি নরম স্বরে বলে উঠল,
” এতে আমার কি দোষ, আমি সব র উচ্চারণ করতে পারলেও রিফাতের র উচ্চারণ করতে পারি না। রিফাত বলতে চাইলেও ভেতর থেকে লিফাত নাম বেড়িয়ে আসে। র যদি ল হয় তাহলে ফ কেনো ফ থাকবে তাই লিপাত। “
“তোর সাথে ঝগড়া করার মুড আমার নেই। তাড়াতাড়ি চল, পরে টিউশন আছে। “
“চলো।”
লিফাত আন্নির দিতে তাকিয়ে ভারী কন্ঠে বলল,
” তোর কাল পরীক্ষা আছে না?”
“হ্যাঁ”
“টিভি না দেখে পড়তে বস, সমস্যা হলে কল দিয়ে জানাস। রাতে এসে দেখে যাব। “
নৌমি জোরে নিঃশ্বাস ছেড়ে বলল,
” ভাগ্যিস বুদ্ধি করে কমার্স নিছিলাম, নয়তো আন্নির মতো আমাকেও তোমার মতো স্যারের কাছে পড়তে হতো।”
” বুঝবি বুঝবি, সামনে আসছে না পরীক্ষা। হিসাববিজ্ঞানের একেকটা পরীক্ষা দিয়ে যখন মাথা ঘুরে পড়ে থাকবি তখন বুঝবি, জীবন কত সুন্দর।”
” বুঝলে বুঝব। তবু তোমার মতো মাছের স্নায়ুতন্ত্র আর মানুষের হাড্ডি নিয়ে গবেষণা তো করতে হবে না। এখন চলো।”
“হুম।”
লিফাত সম্পর্কে নৌমির মামাতো ভাই। নৌমির নানার পরপর ৪ ছেলের জন্মের পর নৌমির মায়ের জন্ম হয়। আদরে আহ্লাদে বড় করেন মেয়েকে, মেয়ে ছিল ওনার চোখের মনি। সেই চোখের মনিকে চোখের আড়াল করতে নারাজ ছিলেন৷ মেয়ে বিয়ে দেয়ার প্রথম এবং প্রধান শর্ত ছিল মেয়েকে ওনার চোখের সামনে থাকতে হবে তাই নিজের জায়গাতে মেয়ের নামে আলাদা বাড়িও করে দিয়েছিলেন তিনি। বেশকিছু সম্বন্ধ দেখার পর নৌমির বাবাকে দেখেন যার ইহজগতে আপন বলতে কেউ ছিল না। এতিমখানায় বড় হওয়া এক ছেলে নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছে, ভালো চাকরি করছে এসব দেখে নৌমির নানার খুব পছন্দ হয়৷ নৌমির মাকে দেখে, সব ঘটনা শুনে ওনিও তেমন দ্বিমত করেন নি। তবে ওনার শর্ত ছিল, ধীরে ধীরে এই বাড়িত সব টাকা পরিশোধ করে দিবেন তাই এখনও তিনি সেই চেষ্টাতেই আছেন। নৌমিদের তিনবোনের মাঝে নৌমি মেজো। বড় বোনের বিয়ে হয়েছে আরও ২-৩ বছর আগে। নৌমির চার মামার মধ্যে বড় মামা মারা গেছেন, ওনার ছেলেমেয়েরা প্রতিষ্ঠিত তাই যে যার মতো আলাদা থাকেন। বড় মামি ছেলেমেয়েদের সাথে থাকলেও মাঝে মাঝে বাসায় আসেন। বাকিরা ঈদ মৌসুমে বাড়িতে আসে। লিফাতের আব্বু দ্বিতীয়, ওনি প্রাইভেট কোম্পানিতে ভালো পদে চাকরি করছেন৷ লিফাতের বড় একটা বোন আছে, তার বিয়ে হয়ে গেছে ৪-৫ বছরের একটা ছেলেও আছে। নৌমিদের তৃতীয় মামা কানাডার থাকেন, খুব একটা দেশে আসেন না বললেই চলে। সবার ছোট মামা কলেজের শিক্ষক, মামীও চাকরি করেন। ওনাদের ২ ছেলে। তাই বলায় যায়, মামা বাড়িতে নৌমি আর আন্নি আলাদা রকমের ভালোবাসা পায়। একমাত্র বোনের মতো মামারা নৌমিদেরও খুব ভালোবাসেন। সবার সাথে খুব ভালো সম্পর্ক হলেও লিফাত আর নৌমির সম্পর্ক ছোট থেকেই অন্যরকম। দু’জনের বয়সের পার্থক্য সর্বোচ্চ চার। ছোটবেলা মামা বাড়িতে সবাই থাকলেও নৌমি যখন থেকে বুঝতে শিখেছে তখনই একেকজন একেক দিকে চলে গেছে। নিজের বোন, লিফাত, লিফাতের বড় বোনকেই সবসময় কাছে পেয়েছে। বোনেরা নিঃস্বার্থভাবে ভালোবাসলেও লিফাত নিজের ভাগের কিছু নৌমিকে দিতে চাইতো না। পাওয়ার চেয়ে না পাওয়া জিনিসের প্রতি প্রতিটা মানুষের আগ্রহ বেশি থাকে, বিশেষ করে ছোটকালে এটা একপ্রকার জেদ হিসেবে কাজকরে। সেই সুবাদে লিফাতের সাথে নৌমির সাপে নেউলে সম্পর্ক হয়ে গেছে। লিফাত কিছু দিতে না চাইলেও নৌমির জোর করে আদায় করে নেয়া, নৌমির যেকোনো ব্যাপারে লিফাতের অহেতুক নাক গলানো। সব মিলিয়ে দু’জনের সম্পর্ক অদ্ভুতভাবেই মজবুত হয়ে গেছে। কেউ কারো সাথে রাগ করে বেশিক্ষণ থাকতেই পারে না। লিফাতের একটা গার্লফ্রেন্ড আছে, একই ডিপার্টমেন্টে একই ক্লাসে পড়ে, সম্পর্কের তিনবছর হয়ে গেছে। চাকরি হলে বাসায় জানাবে এই অপেক্ষায় আছে লিফাত, বাসার কেউ ই সেভাবে কিছু জানে না। এতদিন সম্পর্ক নরমাল ছিল তাই সহজেই নৌমির থেকে আড়াল করে রাখতে পেরেছে। কিন্তু অনার্স শেষ হওয়ার পর মাস্টার্সে ভর্তির হয়ে যে যার মতো ব্যস্ত হয়ে গেছে আর দেখাসাক্ষাৎও কমে গেছে। এখন ফোনে কথা হয় বেশি সেভাবেই একদিন নৌমির কাছে ধরা পড়ে গেছে। সেই থেকে নৌমির ভাবি দেখার বায়নার শেষ নেই।
লিফাত আর নৌমি হালিমের দোকানে বসা, নৌমি হালিম খাচ্ছে আর লিফাত একটা কার্ড দিয়ে নৌমিকে বাতাস করছে৷ ইদানীং কারেন্টের সমস্যা অতিরিক্ত বেড়েছে। হুটহাট কারেন্ট চলে যায়। কিছুক্ষণ পর একটু দূর থেকে কেউ উচ্চশব্দে ডাকল,
“তাজ”
লিফাত ঘাড় ঘুরিয়ে তাকাতেই দেখল, শান্ত আর মাহি দাঁড়িয়ে আছে। ওদের চোখে উদ্বেগ স্পষ্ট। ইশারায় ডাকতেই লিফাত নৌমিকে বলে উঠে গেল৷
শান্ত শক্ত কন্ঠে শুধালো,
” কি চলে?”
“আরে ও নৌমি।”
দু’জনেই সঙ্গে সঙ্গে ঝুঁকে নৌমির মুখটা দেখার চেষ্টা করল। মাহি মৃদুস্বরে বলল,
” আমরা তো ভয় ই পেয়ে গেছিলাম। তুই নিলুকে রেখে অন্য মেয়েকে বাতাস করছিস। এটাও সম্ভব?”
” কি করব বল, কারেন্ট নাই, গরমে চিৎকার করছিল তাই বাধ্য হয়ে বাতাস করছিলাম। “
” নিলু এসব দেখলে কি হবে ভাবছিস?”
” নিলু নৌমির ব্যাপারে সব জানে। আমাদের সম্পর্ক কেমন তাও জানে। ওর এসব নিয়ে কোনো মাথা ব্যথা নেই। “
” কোথায় নিলুকে এভাবে বাতাস করে খাওয়াবি আর তা না করে কাজিনকে খাওয়াচ্ছিস।”
” মানুষের গার্লফ্রেন্ড অবুঝ হয়, তারা কেয়ার চাই, পসেসিভ বয়ফ্রেন্ড চাই আর আমার ক্ষেত্রে হলো উল্টো। আমার গার্লফ্রেন্ডের মতো ম্যাচিউর গার্লফ্রেন্ড দুটা নেই। আমার তো মাঝে মাঝে সন্দেহ লাগে, ও কি সত্যিই আমাকে ভালোবাসে?”
শান্ত বলল,
” নৌমি তো বড় হচ্ছে, সে এখন ভার্সিটিতে পড়ছে।
তুই আর কত দেখে রাখবি। তার থেকে ছেড়ে দে। ও প্রেম করলে দেখবি তুই রিলাক্স হয়ে যাবি। “
লিফাত উচ্চশব্দে হেসে বলল,
“আর কোনো কথা পেলি না, নৌমি করবে প্রেম! এটাও সম্ভব?”
“কেনো?”
“বিশ্বাস কর ভাই, ও রে ২ ঘন্টার জন্য একা ছাড়লে আমার কলিজা কাঁপে। এই বুঝি কারো মা*থা ফাটিয়ে ফেলল, এই বুঝি পুলিশ স্টেশন থেকে কল আসলো। রাস্তাঘাটে হাঁটতে গেলে অনেক ছেলেরায় অনেককিছু বলে, বিশেষ করে একটা মেয়ে নিয়ে বের হলে তো কথায় নেই৷ সে হোক মায়ের পেটের আপন বোন কিংবা বোরকা পড়া আমার মা। তবুও তারা বাজে কথা বলবেই। সবসময় তাদের সাথে তর্কে জড়াতে ইচ্ছে করে না। নিজের মানসম্মান বাঁচাতে অনেক সময় চুপ করে পাশকাটিয়ে চলে যায়। আমি ছেলে হয়ে এটা পারলেও নৌমি পারে না। ওর মেজাজ এতটায় খারাপ হয়ে যায় যে ঐ ছেলেগুলোর প্রতি সব রাগ পরে আমার উপর দেখায়। রিলেশনে গেলে কোন ছেলে ওর এসব পাগলামি সহ্য করবে? পরে দেখা যাবে প্রেমের নামে ধোঁ*কা দিয়ে চলে যাবে।”
“তোর এত চিন্তা করতে হয় কেনো?”
” আজব, নৌমি আমার বোন। তোদের সাথে কাল কথা হবে, এখন আসি।”
নৌমিকে নিয়ে প্রয়োজনীয় কিছু কেনাকাটা করে বাসা পর্যন্ত দিয়ে, লিফাত টিউশন পড়াতে চলে গেছে।
আজ নিলুর জন্মদিন, ৩ টার দিকে নৌমি রেডি হয়ে লিফাতদের বাসায় আসছে। সাদা রঙের গাউনে নৌমিকে পরীর মতো লাগছে। খোলা চুলগুলো কাঁধ ছাড়িয়ে কিছুটা নিচে নেমেছে। নৌমিকে ভালোমতো দেখার জন্য সবাই ডাকছে কিন্তু নৌমি সেসব কানে না নিয়ে লিফাতের রুমে ছুটলো। রুমে ঢুকতেই দেখল, লিফাত পাঞ্জাবি পড়ছে। লিফাত নৌমিকে দেখে ঠান্ডা কন্ঠে বলল,
“ডাক না দিয়ে হুটহাট কারো রুমে ঢুকবি না। এটা খুব খারাপ অভ্যাস। “
নৌমি ভেঙচি কেটে বলল,
” আমাকে ভালো অভ্যাস খারাপ অভ্যাস শেখাতে হবে না। যতদিন না তোমার বউ ঘরে আসছে ততদিন আমি অনুমতি নিয়ে আসতে পারবো না। একবার তোমার বউ ঘরে আসুক তারপর দেখবা অনুমতি না নিয়ে তোমাদের রুমের দিকে তখন তাকাবোও না। “
নৌমি উত্তেজিত কন্ঠে ফের বলল,
“ওরে বাবা, তুমিও সাদা পাঞ্জাবি পড়েছো?”
“নিলুও আজ সাদার মধ্যে শাড়ি পড়বে। মাঝখানে তুই সাদা পড়তে গেলি কেনো?”
“আমি কি জানতাম নাকি? সমস্যা নেই, মনে করো আমি ক্যামেরাম্যান। “
“ঠিক আছে।”
নৌমির পরিকল্পনা মোতাবেক সব হয়েছে। কেক, গিফট নিয়ে ঠিক সময়ে হাজির হলো নৌমি আর লিফাত। আজ প্রথমবারের মতো নিলু আর নৌমি মুখোমুখি হতে চলেছে। যদিও ফোনে দু’জনের বেশ কয়েকবার কথা হয়েছে। নিলু নৌমিকে দেখেই দ্রুত এগিয়ে এসে জড়িয়ে ধরল। দুগালে হাত রেখে মোলায়েম কন্ঠে বলল,
” মাশাআল্লাহ, তুমি খুব কিউট।”
নৌমি হেসে বলল,
” আপনিও খুব কিউট, ভাবি। “
“ওলে বাবা লে, এখনি ভাবি! তোমার ভাইকে বিয়ে করতে পারি কি না দেখো আগে। “
“কেনো?”
” এমনি, বাদ দাও।”
জন্মদিনের সেলিব্রেশন শেষে তিনজন একটা পার্কে গিয়ে বসবো। লিফাত আর নিলু একটা ব্রেঞ্চে বসেছে। পাশেই একটা ব্রেঞ্চে নৌমি বসে আছে। নিলু তার বাসার অবস্থার কথা বলছে। অনার্স শেষ, অলরেডি তার বাসায় ছেলে দেখা শুরু হয়েছে৷ ভালো চাকরিজীবী ছেলের লাইন লেগেছে বাসায়, ব্যবসায়ীদের তো কথায় নেই। প্রতিদিন বিয়ে ভাঙতে ভাঙতে হাঁপিয়ে উঠছে নিলু। কথার মাঝখানে লিফাত অকস্মাৎ ঘাড় ঘুরালো। পাশের ব্রেঞ্চে নৌমি নেই দেখে চমকে উঠল৷ আশেপাশে তাকিয়ে কোথাও দেখতে পেল না। লিফাত সহসা উঠে খোঁজতে লাগল, নিলুও খোঁজছে। অনেকটা দূরে নৌমিকে দেখেই ছুটলো লিফাত। নৌমির ঠিক সামনেই একটা ছেলে দু’হাতে নাক চেপে ধরে বসে আছে। লিফাত দৌড়ে এসে নৌমির দুহাত চেপে ধরে। নৌমির দু’চোখ রাগের তোপে লাল হয়ে আছে। লিফাত শঙ্কিত হয়ে জানতে চাইল,
“কি হয়েছে? “
নৌমি রাগী স্বরে বলল,
” এই ছেলে আমাকে বাজে কথা বলেছে।”
“কি বলেছে?”
” কি বলেছে সেটাও বলতে হবে? বাজে কথা বুঝো না তুমি?”
“এই ছেলে, কি সমস্যা? “
ছেলেটা নরম স্বরে বলল,
” সরি ভাই, আর জীবনেও কোনো মেয়েকে কিছু বলবো না। “
“ঠিক আছে, যাও।”
এরমধ্যে নিলু এসে নৌমির কাঁধে হাত রেখে মোলায়েম কন্ঠে বলল,
” তুমি আমাদের রেখে একা আসতে গেলে কেনো? জায়গাটা খুব একটা ভালো না, জানো না?”
“আমার বসে থাকতে ভালো লাগছিল না।”
লিফাত বলল,
“ঠিক আছে, বাসায় চল।”
নিলুকে রিক্সায় উঠিয়ে দিয়ে, নৌমিকে নিয়ে বাসায় আসলো লিফাত।
চলবে…..
Share On:
TAGS: প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে, সালমা চৌধুরী
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে পর্ব ১০
-
প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে পর্ব ১৪
-
প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে পর্ব ২৯
-
প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে পর্ব ১৮
-
প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে পর্ব ৫
-
প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে পর্ব ১৫
-
আমৃত্যু ভালোবাসি তোকে গল্পের লিংক
-
প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে পর্ব ২৮(প্রথমাংশ+শেষাংশ)
-
প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে পর্ব ৪
-
প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে পর্ব ২৩