তোমাতেই_আসক্ত ২
পর্ব:১৩
তানিশা সুলতানা
অহনা কফির মগের দিকে নজর রেখে সিঁড়ি বেয়ে নামছিলো। আর সিয়াম তাড়াহুড়ো করে ওপরে উঠছিলো। পূণরায় তাদের ধাক্কা লাগতে লাগতে লাগে না। সিয়ামই ব্যালেন্স সামলে নিতে সক্ষম হয়। অহনা কপালে ভাজ ফেলে তাকায় সিয়ামের মুখ পানে। এবং কর্কশ স্বরে বলে
“হোয়াট ইজ ইউওর প্রবলেম?
” প্রবলেম তো অনেক। কোনটা রেখে কোনটা বলবো?
“অলওয়েজ আমার সামনেই কেনো পড়েন?
” কারণ আমরা একই বাড়িতে থাকি। প্রতিবেশী
সামনে তো পড়বোই।
“ডিস্টেন্স মেইনটেইন করে চলবেন আমার থেকে।
” কেনো? ছোঁয়াচে রোগ আছে কি আপনার? চর্মরোগ, বা এলার্জি
গরুর মাংস আমার বড্ড প্রিয়। অকালে পঁচা অসুখ বানিয়ে গরু খাওয়া বাদ দিতে পারবো না৷
অহনা বুঝে যায় এর সাথে তর্ক করতে গেলে শুধু সময়ই চলে যাবে। লাভের লাভ কিছু হবে না। এ কিছু বুঝবে না। তাই পাশ কাটিয়ে চলে যায়। সিয়াম তাকিয়ে থাকে। যতক্ষণ পর্যন্ত অহনাকে দেখা যায় ততক্ষণ পর্যন্তই দেখতে থাকে।
চোখের আড়াল হলেই মৃদু হেসে বলে
“মোটু হলে কি হবে?
কিউট আছে
আই লাইক ইট
” কি রে?
কে কিউট আছে?
কোথা থেকে আমান উদয় হয়। এবং সিয়ামের কথা শুনে ফেলে।
“ক্রাশ টাশ খেয়ে বসে আছিস না কি কারোর ওপর?
কে সেই রমনী? দেখা দেখি
তোর চয়েস
সিয়াম দীর্ঘ শ্বাস ফেলে জবাব দেয়
” প্রয়োজনে সারাজীবন সিঙ্গেল থাকবো। বিয়ে করে বউকে কুয়োর নিচে লুকিয়ে রাখবো তবুও তোদের দেখাবো না।
বিন্দু মাত্র ভরসা করি না।
“বয়েই গেছে তোর ভালো লাগার মানুষ দেখতে। হাহহহ
তোর বউ আমার চোখের সামনে দিয়ে নাচলেও তাকাবো না। মানষের জিনিসের প্রতি ইন্টারেস্ট নেই আমার।
সিয়াম শুনলো কিছু বললো না। আমান আবার বলে
আবরার কই?
ইমপটেন্ট কথা আছে।
” মনে হচ্ছে ছাঁদে। চলল যাই
আদ্রিতা এখন পর্যন্ত সুইমিং পুলেই রয়েছে। ইতিমধ্যেই গায়ে ওড়না জড়িয়েছে। আবরার ছাঁদের রেলিং পিঠ ঠেকিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ঠোঁটের ভাজে সিগারেট। কানে ফোন। কারো সঙ্গে ইমপটেন্ট কথা বলছে। মুখ ভঙ্গিমা এবং কপালের ভাজ দেখেই আদ্রিতা বুঝে ফেলে ভীষণ ইমপটেন্ট আলাপ আলোচনা চলছে।
এ্যানিটা আবরারের পায়ের কাছে বসে আছে। কিছু দিন আগে যে তাকে বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিলো স্বয়ং এই মানুষটিই বের করে দিয়েছিলো এ্যানি বোধহয় সেসব ভুলেই গিয়েছে। না ভুললে কি আর নির্লজ্জের মতো ঘেসতে যেতো? বাচ্চাটা একদম মায়ের স্বভাব পেয়ে যাচ্ছে। ছ্যাঁছড়া আর নির্লজ্জ।
আদ্রিতা মুখ বাঁকায়।
মনে মনে একটু অভিমানও জমলো। সেই সঙ্গে সন্দেহ। আবরার তাসনিন এর গার্লফ্রেন্ড রয়েছে? থাকার কথা নয় কি?
গোটা বিশ্বের কাছে পরিচিত সে তারওপর দেখতে অসম্ভব সুদর্শন। গার্লফ্রেন্ড, প্রেমিকা থাকবে এটাই স্বাভাবিক।
এখন হয়ত তার সঙ্গেই কথা বলছে। জ্যেলাস হলো আদ্রিতার ছোট্ট হৃদয়। ফোঁস করে শ্বাস টেনে ওপরে উঠে পরে। আরও একখানা তোয়ালে রাখা ছিলো ব্রেঞ্চের ওপর। সেটা গায়ে জড়িয়ে এ্যানিকে কোলে নিবে বলে এগোয়। তখনই শুনতে পায় আবরার কাউকে বলছে
“আই উইল মিট ইউ এট 8 পিএম আট এবি কফিশপ।
মানে একটু পরেই সে বেরুবে এবং এবি কফিশপে কারো সঙ্গে দেখা করবে৷
নিশ্চয় প্রেমিকার সাথে।
আরও কিছু শুনতে ইচ্ছে করছিলো আদ্রিতার তবে সাহস হলো না৷ এ্যানিকে তুলে চলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে পা বাড়ায়। কি মনে করে আবার পেছন ফিরে। আবরারের মুখ পানে তাকিয়ে বলে
” আপনার গার্লফ্রেন্ড আছে?
আবরার ফোন কান থেকে সরায়। দুই ভ্রু আড়াআড়ি ভাবে কুঁচকে আদ্রিতার মুখ পানে তাকিয়ে থাকে কিছু মুহুর্ত। তারপর জবাব দেয়
“নো
আই হ্যাভ এ লিটল ওয়াইফ। আন্ড আই লাভ হার।
আদ্রিতার ব্যাথিত হৃদয় আরও ব্যাথিত হলো। লোকটা এখানে এসে বিয়েও করে নিয়েছে? অথচ তারা কেউ জানে না৷ বড় মাও নিশ্চয় জানে না৷
এখুনি তাকে জানানো প্রয়োজন। তার ছেলে কতোটা বিগড়ে গিয়েছে সেটা বলতে হবে।
এতোসব ভাবনার মাঝে আদ্রিতার চোখ দুটো চকচক করে উঠলো। কেনো জানি কান্না পেয়ে গেলো। অথচ তার কান্না পাওয়ার কথা ছিলো না৷
এই মানুষটা আগে আদ্রিতাদের সঙ্গে থাকতো। তাকে রোজ দেখতো। এখানে আসার পরও দেখছে। সুন্দর চোখ সুন্দর মুখ সুন্দর শরীর সবটার প্রতি অধিকার একটা নারীর।
যে পুরুষটিকে এক পলক দেখার জন্য হাজারো নারী পাগল সেই পুরুষটি একটামাত্র মেয়েকে ভালোবাসে৷ কতো লাকী সেই মেয়েটি। না জানি কতোই বা সুন্দর।
আদ্রিতা হাতের উল্টো পিঠে চোখের পানি মুছে চলে যায় ছাঁদ থেকে। আমান এবং সিয়াম এতোক্ষণ দরজার সামনেই দাঁড়িয়ে ছিলো। কেনোনা দরজা ওপাশ থেকে আটকানো ছিলো।
আদ্রিতাকে দেখে সিয়াম বুঝে যায় ঠিক কেনো দরজা আটকানো ছিলো।
” শুনুন সিয়াম ভাই
ভালো হতে টাকা লাগে না৷ চুপচাপ ভালে হয়ে যান।
সিয়াম ঠিক বুঝতে পারলো না সে খারাপ কি করেছে। তবে জিজ্ঞেস করারও সাহস পেলো না৷ শুধু ফ্যাল ফ্যাল নয়নে তাকিয়ে থাকে আদ্রিতার মুখ পানে।
“আমান ভাই আপনিও খারাপ।
ডাক্তার মানুষ ডাক্তার মানুষের মতো থাকবেন ভন্ড মেয়েবাজ কেনো হবেন?
” কিন্তু আমরা করেছি টা কি?
“ফেসবুকে রিলেশনশীপ স্ট্যাটাস এ সিঙ্গেল দিয়ে রেখেছেন অথচ এদিকে বিয়ে করে বউ নিয়ে নিকনিক করে বেড়াচ্ছেন। এটা কি ভালো মানুষদের লক্ষণ না কি?
চিটিং বাজ
খারাপ
বলতে বলতে চলে যায় আদ্রিতা। সিয়াম এবং আমান হাবলার মতো তাকিয়ে থাকে। তারা কবে বিয়ে করলো? আর কবেই না ফেসবুকে সিঙ্গেল স্ট্যাটাস দিলো?
কক্ষে ফিরে জামাকাপড় পাল্টে প্রথমেই আসিফ আদনানকে কল করে আদ্রিতা। সোজাসাপ্টা বলে
” আমার সাথে রিলেশনশিপ এ যাবেন?
যেহেতু আসিফ ওকে আগে থেকেই পছন্দ করে সেহেতু রিলেশনশিপ এ যাওয়াতে তার কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু এভাবে হুট করপ বলাতে একটুখানি ঘাবড়ালো।
কয়েক পলক নিঃশাস টেনে বলে
“হ্যাঁ যাওয়াই যায়
তবে এভাবে হুট করে বলছো যে?
” রিলেশন তো হুট করেই হয়৷ সম্পর্ক গড়তে কি আর দিন ক্ষণ মাস লাগে না কি?
সময় নিয়ে যেটা হয় সেটা হচ্ছে দায়িত্ব।
“এটা ঠিক বলেছো।
” শুনুন রিলেশনশিপ এ বললাম আর গেলাম এমন নয়৷
আপনাকে লয়্যাল হতে হবে।
ভালো মানুষ হতে হবে। আমার সব ইচ্ছে আবদার পূরণ করতে হবে। আমি ছাড়া অন্য কোনো মেয়ের সঙ্গে কথা বলা যাবে না। কোনো মেয়ে আপনার পোস্টে লাইক কমেন্ট করতে পারবে না।
সব শেষে আমাকে কখনোই বকা দেওয়া যাবে না।
“একবার আমার হয়ে দেখো
মাথায় তুলে রাখবো তোমায়। কখনো কোনো অভিযোগ করার সুযোগ দিবো না।
আদ্রিতার হাসি পেলো না৷ বা ভালোও লাগলো না৷ তবুও জোর করে একটু হাসার চেষ্টা করলো।
” আমি এখন সুইজারল্যান্ড এসেছি। আপনি আসবেন?
“তুমি বললে
” আসুন তবে
এক সঙ্গে পাহাড় দেখবো। আর জুরিখ নদীর পাড়ে হাঁটবো।
“ঠিক আছে।
কথা শেষ হতে না হতেই কক্ষে প্রবেশ করেন আতিয়া বেগম। হাতে তার দুটো দুধের গ্লাস। একটা হরলিক্স দিয়ে গুলে এনেছে। আরেকটা হরলিক্স ছাড়া এ্যানির জন্য। মুখ খানা ভার তার। বড় বাবার সঙ্গে যে কথা হয় নি তার মুখ দেখেই বোঝা যাচ্ছে। বা কথা হলেও ঝগড়া হয়েছে। বাংলাদেশে না ফেরা পর্যন্ত তাদের মান অভিমান কমবে না৷
এটা আদ্রিতার জানা। তাই দুধের গ্লাসটা হাতে নিয়ে তাতে চুমুক দিতে দিতে বলে
” কবে ফিরবো বাংলাদেশ?
আতিয়া বেগম এ্যানির সামনে দুধের বাটি রেখে জবাব দেয়
“তোর বড় বাবা তো সাফ সাফ বলে দিলো সামনে সপ্তাহেই ফিরতে।
এক চুমুকে গোটা গ্লাস ফাঁকা করে ফেলে আদ্রিতা। দাঁড়িতে দুধ লেগে যায়। বড় মায়ের আঁচল দিয়ে মুখ মুছে বলে
” হ্যাঁ চলো
এখানে থাকতে ভালো লাগছে না আমার।
“ঠিক আছে যাবো।
তুই থাক আমি রান্না বসাই গিয়ে।
চলে গেলো বড় মা।
আদ্রিতা ফোনে সময় দেখে নেয়। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতল চললো প্রায়। আবরার তাসনিন তো বেরুবে। তার পিছু নিতে হবে না?
চটজলদি কাবাড খুলে জিন্স এবং টপস বের করে নেয়। মাক্স টাক্স পড়ে যেতে হবে। কোনো মতেই ধরা পরা চলবে না।
এই এখন কথা হচ্ছে কাছে টাকা নেই৷ ফলো করতে গেলে তো একটা গাড়ি লাগবে। তারপর কফি শপে ঢুকলেও তো কিছু খেতে হবে। টাকা মোস্ট ইমপটেন্ট পার্ট। তাছাড়া যখন তখন ওর শরীর খারাপ হবে। সেনোরাও তো কিনতে হবে।
কিন্তু পাবে কোথায়?
সিয়াম আমান আহাদ বা ইভান ভাইয়ের কাছেই চাইতে হবে।
তাই ভেজা চুল গুলো হাত খোপা করতে করতে কক্ষ থেকে বের হয় আদ্রিতা। প্রথমেই সিয়ামের কক্ষে উঁকি মারে। ফাঁকা, কেউ নেই
তারপর যায় আমানের। সেখানেই সেম কাহিনি।
আহাদ ইভান কেউ ই নেই।
বড় মায়ের কাছে তো টাকা থাকবেই না। এখন বাকি রইলো আবরার তাসনিন।
ওই তো সামনেই তার কক্ষ।
দরজার ওপরে দেয়ালে টাঙানো সাইন বোর্ড তাতে বড় বড় অক্ষরে লেখা “
আদ্রিতা ভেংচি কাটে।
ইহহহ প্রবেশ নিষেধ। তুই কোন রাজ্যের মহারাজা? বা কোথাকার সুপারস্টার? যে তোর কক্ষে প্রবেশ করা যাবে না?
দেখতে হাতির মতো তার আবার এতো হেডম।
বুকে এক রাশ সাহস নিয়ে এগোয় আদ্রিতা। হালকা পিংক কালারের দরজায় হাত রাখতেই খুলে যায়। কিন্তু ভেতরটা দেখার উপায় নেই। গোলাপি রংয়ের পর্দার জন্য।
আদ্রিতা দুই হাতে একটুখানি পর্দা সরিয়ে ভেতরে উঁকি দেয়।
দেখতে পায় লাট সাহেব অর্ধ উলঙ্গ হয়ে কফির মগে চুমুক দিচ্ছে আর ফোন ঘাটছে।
বেহায়া আদ্রিতার বেহায়া চোখ দুটো ঘুরে ফিরে অশ্লীল জায়গায় যাচ্ছে। বলা বাহুল্য চোখ দিয়েই গিলে খেতে থাকে আবরার তাসনিনকে।
কালো রংয়ের ছোট প্যান্টটায় দারুণ ভাবে মানিয়েছে লোকটাকে।
পাগল হয়ে যাওয়ার উপক্রম।
এই লোকটার ভাজ কাটানো বুকটা একবার ছুঁয়ে দেওয়ার বড্ড ইচ্ছে তার। বা ওই সুন্দর শরীরের নাক ডুবিয়ে সুমুখ পারফিউম এর মিষ্টি সুঘ্রাণ শুষে নেওয়ার বড্ড লোভ।
“কি চাই?
হঠাৎ আবরার তাসনিন এর কন্ঠস্বর শুনে চমকায় আদ্রিতা। নিজের ব্যালেন্স ধরে রাখতে না পেরে ধাসস করে পড়ে যায় ফ্লোরে। কোমরে বেশ লাগলো।
আবরার বিরক্ত হয়।
বিছানার ওপরে পরে থাকা শার্টখানা গায়ে জড়াতে জড়াতে বলে
“you are Disabled?
আদ্রিতা নাক ফোলায়। ইংরেজিতে খুব বেশি পটু না হওয়াতে ঠিক বুঝতে পারলো না তাকে কি বলা হয়েছে। তবে যেহেতু ইংরেজিতে বলেছে সেহেতু ভালো কিছুই হবে। তাই সেটা নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে
কোনো রকমে উঠে দাঁড়ায়। দু পা এগিয়ে আবরারের মুখোমুখি হয়ে হাত পাতে
” টাকা চাই আমার।
আবরার এক পলক হাতের দিকে তাকায় পরপরই মুখের দিকে তাকিয়ে বলে
“কি লাগবে বলো আমি এনে দিবো।
” আপনি পারবেন না। আমার টাকাই লাগবে।
আবরার বরাবরের মতোই তার বিখ্যাত ভ্রু দ্বয় কুঁচকে ফেলে।। আদ্রিতা হতাশ হয়ে হাত নামিয়ে ফেলে।।
এখানে ডাক্তারের চেম্বার কোথায় তার জানা নেই। তাছাড়া বড় মা বা অহনাও জানে না।
এখানকার ভাষাও ঠিকঠাক বোঝে না। ইংরেজি তে তো নাদান। আবরারকে দিয়েই আনাতে হবে।
কিন্তু এখন মুখ ফুটে বলবে কি করে?
আদ্রিতার থেকে জবাব না পেয়ে আবরার পূণরায় বলে
“Tell me soon
আমায় বেরুতে হবে।
আদ্রিতা জিভ দ্বারা ঠোঁট ভিজিয়ে নেয়।
” টাকাও লাগবে। সাথে
“সাথে?
” আগে টাকা দিন।
তারপর বলছি
আবরার ড্রেসিং টেবিলের ওপরে থাকা ওয়ালেট থেকে কিছু টাকা বের করে আদ্রিতার দিকে এগিয়ে দেয়। আদ্রিতা ছৌ মেরে নিয়ে নেয়। তারপর দরজা ওবদি গিয়ে পর্দার আড়ালে দাঁড়ায়। আমতা আমতা করে বলে
“সেনোরা লাগবে
আদ্রিতা চলে যায়। আবরার একই ভঙ্গিমায় দাঁড়িয়ে থাকে। পর্দার দিকেই দৃষ্টি। যেনো কিছু একটার অপেক্ষা। মিনিট দুয়েক পরে আবরার এর অপেক্ষার অবসান ঘটে। আবারও দেখা মেলে লাল রংয়ের নেলপলিশ যুক্ত একখানা ছোট্ট পায়ের৷ বড্ড সুন্দর।
ঠিক পর্দায় আড়ালে দাঁড়িয়ে পর্দার এক অংশ ধরে পূণরায় মিনমিন করে বলে
” একটা প্যা/ন্টিও আনিয়েন।
ব্যাসস ধুপধাপ পায়ের আওয়াজ আসে। কেউ দৌড়ে পালালো।
আবরার ঠোঁট বাঁকায়। হাসতে চাইলো বোধহয় তবে পারলো না।
শুধু ডান হাতে মাথা চুলকে বিরবির করে বললো
“ওই পায়ে নুপুর থাকলে মন্দ লাগবে না।
চলবে
Share On:
TAGS: তানিশা সুলতানা, তোমাতেই আসক্ত সিজন ২
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
অন্তরালে আগুন পর্ব ১২
-
অন্তরালে আগুন পর্ব ২
-
তোমাতেই আসক্ত সিজন ২ পর্ব ৪
-
অন্তরালে আগুন পর্ব ৫৬
-
অন্তরালে আগুন পর্ব ১১
-
তোমাতেই আসক্ত ২ পর্ব ৫
-
অন্তরালে আগুন পর্ব ১৮
-
তোমাতেই আসক্ত সিজন ২ পর্ব ১
-
অন্তরালে আগুন পর্ব (২৪+২৫)
-
অন্তরালে আগুন পর্ব ৪৬