চেকমেট সিজন ২ পর্ব ১৯
সারিকা_হোসাইন
জ্ঞানহীন রোদ কে বিছানায় ভালো করে শুইয়ে গায়ে একটা ব্ল্যাংকেট জড়িয়ে দিলো শাহরান।এরপর নিজের ব্যাগপ্যাক কাঁধে তুলে নিঃশব্দে বেরিয়ে যেতে পা বাড়ালো।দু কদম এগিয়ে গিয়ে আবার পেছনে এলো।এরপর রোদের ব্যাগ থেকে ওয়াকিটকি বের করে বলে উঠলো
“শী নিডস হেল্প।
ওয়াকিটকি ব্যাগে রেখে শাহরান হন্তদন্ত করে বেরিয়ে গেলো।এমন সময় রোদের জ্ঞান ফিরলো।আলগোছে ঝাপসা দৃষ্টি মেলে শাহরানের নিষ্ঠুর পদচারণ দেখলো সে।ব্যাথায় কুঁকড়ে আসা শরীর নিয়ে উঠে বসার ক্ষমতা হলো না তার।রোদ গলার আওয়াজ বাড়িয়ে বলতে চাইলো
“প্লিজ আমাকে একা ফেলে যাবেন না।
কিন্তু দুর্বল কন্ঠনালী গলিয়ে সামান্য আওয়াজ টুকুন বের হলো না।ব্যথায় অবস হয়ে আসা হাতটা সামান্য উঁচু করলো রোদ।ভাবলো মানুষটা বোধ হয় তা খেয়াল করে থেমে দাঁড়াবে।কিন্তু দাঁড়ালো না।এমনকি পেছনে ফিরে পর্যন্ত দেখল না।রোদ ঠোঁট কামড়ে ফুঁপিয়ে উঠলো।সমুদ্র নীল চোখের কার্নিশ গড়িয়ে নোনতা জলের ধারা সাদা বিছানার নরম বালিসে সন্ত্পর্নে পতিত হলো।
ব্লু মাউন্টেইন এ অন্ধকার রাতের ছায়া নামার পূর্বেই রোদের গাইড এসে তাকে রেসকিউ করলো এবং তার টিমের সকলে তাকে নিয়ে হোটেলে ফিরে গেলো।রোদের জন্য আজ আর কারোর সূর্যাস্ত দেখা হলো না।রাত বাড়তেই শরীর কাঁপিয়ে জ্বর এলো মেয়েটির।জ্বরের ঘোরে অচেতন হয়ে পড়ে রইলো হোটেলের বিছানায়।এদিকে সবাই কারী কারী টাকা খরচ করে এখানে ঘুরতে এসেছে।রোদের জন্য তারা হোটেলে অহেতুক বসে সময় অপচয় করতে পারবে না।মেয়েটা তাদের রক্তের সম্পর্কের কেউ না ,নাতো ক্লোজ কোনো বন্ধু।বিদেশের মাটিতে অপরিচিত মানুষের জন্য মানুষের দরদ নেই বললেই চলে।
আগত সকলের অস্বস্তি আর বিরক্তি বুঝলো বোধ হয় রোদ।তাই সে বিড়বিড় করে বলে উঠলো
“আমার রুম লক করে বেরিয়ে যাও তোমরা।আমি ঘুমুবো।
রোদের কথা শুনে সকলেই যেন হাফ ছেড়ে বাঁচল।রোদের মুখ নিঃসৃত কথা গুলো শুনে কেউ আর এক মুহূর্ত কাল বিলম্ব করলো না।বরং এক প্রকার উচ্ছাস নিয়েই সকলে বেরিয়ে গেলো।
সবাই যখন রোদকে এহেন বিধস্ত অবস্থায় ফেলে চলে গেলো রোদ তখন শব্দ করে কেঁদে উঠলো।বার বার কেবলই শাহরানের কথা মনে হতে লাগলো তার।আজ সে না থাকলে হয়তো রোদ ওই পাহাড়ের ঢালেই পড়ে থাকতো।কেউ তাকে খুজতেও যেতো না ।মানুষটা তাকে কাঁধে তুলে হোটেলে এনে চিকিৎসা দিয়েছে।স্বজত্নে শরীরে ব্যান্ডেজ লাগিয়ে দিয়েছে আর কি চাই?ছেলেটার সাথে রোদ যেই অন্যায় করেছে তার শাস্তি হিসেবে তো রোদের বিপদে তার হাসার কথা।সাহায্যের হাত না বাড়িয়ে তাচ্ছিল্য হেসে চলে যাবার কথা।অথচ মানুষটা চেষ্টা করেছে নিজের সবটা দিয়ে তাকে আগলে ধরতে।তবে কি শাহরান এখনো রোদ কে মনের কোণে জায়গা দিয়ে রেখেছে?
রোদ দুই চোখের অবিরত গড়িয়ে পরা জল দুই হাতে মুছে বিছানায় ভর দিয়ে কোনো মতে উঠে দাঁড়ালো।সে শরীরে একশত তিন ডিগ্রি জ্বর আর অসহনীয় ব্যথা নিয়ে বিছানা থেকে কাঁপতে কাঁপতে নামলো।এরপর দেয়াল ধরে ধরে কোনো মতে দরজার কাছে এলো।দুটো কক্ষ বাদেই শাহরানের কক্ষ।যে করেই হোক আজ রোদ শাহরানের কাছে ক্ষমা চেয়ে তবেই ফিরবে।
রুমের দরজা খুলে কোনো মতে বাইরে বেরিয়ে এলো রোদ।এরপর এলোমেলো পা ফেলে শাহরানের কামরার সামনে এলো।এসেই দেখতে পেলো দরজা খোলা।মুহূর্তেই শরীরের ব্যথা কিছুটা কম অনুভূত হলো।রোদ ভেতরে ঢুকলো নির্দ্বিধায়।কিন্তু তার মনের খুশি বেশিক্ষন স্থায়ী হলো না।হোটেল বয় আর ম্যানেজার রুম ক্লিন করে সব কিছু চেক করছেন।শাহরানের বিছানা ফাঁকা।ঘরে তার কোনো অস্তিত্ব নেই।
রোদ কে দেখে ম্যানেজার বলে উঠলো
“ওহ ম্যাডাম আপনি !আমি সকালে আপনাকে নক করতাম।এসেছেন ভালোই হয়েছে।আপনি চাইলে এই রুমে শিফট হতে পারবেন।বেলকনি ওয়ালা কক্ষের খুব ডিমান্ড ছিলো আপনার।
রোদ যেনো ম্যানেজার এর কথা বুঝতে ব্যর্থ হলো।সে ভগ্ন কম্পিত গলায় বলল
“মিস্টার শাহরান!
পুরো কথা শেষ করার আগেই ম্যানেজার ঠোঁট কামড়ে বলে উঠলো
“স্যার হঠাতই রুম ছেড়ে দিয়েছেন।আরো তিন দিনের বুকিং ছিল।কিন্তু হঠাৎই আজ সন্ধ্যায় কল করে জানালেন তিনি অস্ট্রেলিয়া থেকে চলে যাচ্ছেন।
শাহরান আবার চলে গেছে ভেবেই রোদ আশাহত হলো।শরীরের সাথে সাথে বুকের ব্যথাটাও বাড়লো।রোদ বুক চেপে ধরে ম্যানেজার কে অনুরোধ করলো
“প্লিজ আজ রাত টুকু আমাকে এখানে থাকতে দিন।ওই কক্ষে আমার দম বন্ধ লাগছে।
ম্যানেজার মাথা নিচু করে কিছু ভেবে বললো
“স্যার আপনার পরিচিত?
রোদ মাথা ঝাঁকালো।বললো
“আমরা কাজিন।
ম্যানেজার আর কথা না বাড়িয়ে বলে উঠলো
“উনি ভুলে কিছু জিনিস রেখে গেছেন।প্লিজ উনাকে দিয়ে দেবেন।বলেই হোটেল বয়কে ইশারা করলো।
টেবিলের উপর থাকা বক্স নির্দেশ করে বয় বলে উঠলো
“ওই বক্সে সব গুছানো আছে।
রোদ কে রুম ছেড়ে দিয়ে বেরিয়ে গেলো ম্যানেজার।রোদ ব্যাথাতুর হৃদয়ে সেই বাক্সের দিকে এগিয়ে গেলো।শরীরে কুলাচ্ছে না।শুয়ে পরতে ইচ্ছে করছে শুধু।কিন্তু বুকটা ক্ষতবিক্ষত।রোদ ভারী বাক্সটা কোনো মতে বিছানায় নিয়ে এলো।এরপর ধীরে ধীরে খুললো তা।বাক্স খুলতেই বেরিয়ে এলো একটি ক্যামেরা,দুটো এলবাম আর একটা ঘড়ি।
ক্যামেরা আর ঘড়ি সাইডে রেখে রোদ এলবাম খানা হাতে নিলো।এলবামে শাহরানের ছোট বেলার ছবি।ছেলেটা ছোট বেলায় বড্ড কিউট ছিলো।রোদ মুচকি হাসলো দুস্টুমিতে ভরা ছবি গুলো দেখে।একটার পর একটা ছবি উল্টাতেই শাহরানের কোলে নিজেকে দেখে চমকে উঠলো রোদ।ছোট শাহরান পুতুলের ন্যয় ছোট রোদকে কোলে নিয়ে গালে চুমু খাচ্ছে।ছবিটা দেখতে দেখতে আনমনে নিজের গালে হাত ছোঁয়াল রোদ।কেমন অদ্ভুত এক চঞ্চল অনুভূতি হৃদয় দাপিয়ে বেড়াতে লাগলো।
ছবিটা দীর্ঘ সময় নিয়ে দেখলো রোদ।এরপর উল্টালো পরের ছবি।সেখানে শাহরান সুফিয়ান চৌধুরীর সঙ্গে নানান দুস্টুমিতে মত্ত হয়েছে।
ছোট বেলার এলবাম শেষ করে শাহরান এর পরের এলবাম ধরলো রোদ।এখানে শাহরানের বড় বেলার ছবি।বিভিন্ন দেশে ঘুরতে গিয়ে ছবি গুলো তুলেছে সে।ছবি গুলো দেখতো দেখতে হঠাৎ রোদের চোখ ভিজে উঠলো।সে এলবাম বুকে জড়িয়ে কেঁদে উঠলো।পুরোনো ব্যাথা জেগে উঠলো।এই বুঝি শ্বাস বন্ধ হয়ে আসে।
ছবিতে ফুজি আর ফুতু শাহরানের কোলে।অবলা প্রাণী দুটো আষ্টেপৃষ্ঠে শাহরানের বাহু খামচে ধরে আছে।যেন কত বছরের বন্ধন তাদের।
রোদ এবার বুঝতে পারলো খরগোশ দুটো শাহরানই তাকে দিয়েছিলো।মানুষটা তার যত প্রকার ভালোবাসা জাহির করেছে রোদকে, রোদ তার সব গুলোই বেখেয়ালে গলা টি /পে হ/ত্যা করেছে।
ছবি গুলোর উপর আরো বার কয়েক হাত বুলিয়ে বালিসে হেলে পরলো রোদ।বিছানায় শরীর এলিয়ে দিতেই শাহরানের জড়িয়ে ধরার প্রথম স্পর্শ রোদ অনুভব করলো।অসুস্থ শরীর হঠাতই সেই স্পর্শ পুনরায় পেতে চাইলো।কিন্তু শাহরান ধরা ছোয়া,দৃষ্টির বাইরে।
তিনদিন পর শাহরানের কামরা ছেড়ে কিছুটা সুস্থ শরীরে বাক্সটা নিয়ে বেরিয়ে এলো রোদ।নিজের কক্ষে সেই বাক্স রেখে রোদ বাইরে বের হয়ে এলো।বদ্ধ ঘরে আর ভালো লাগছে না।একটু অস্ট্রেলিয়া শহর ঘুরে দেখতে ইচ্ছে হচ্ছে।দুদিন পর রুদ্রকে বলে টিকিট কাটিয়ে রেখেছে সে।ট্যুর কমপ্লিট না করেই চলে যাবে সে।এসব ঘুরাঘুরি মোটেও ভালো লাগছে না তার এখন।বাড়ি ফিরে যেতে পারলেই মিলবে স্বস্তি।
রোদ একটা ট্যাক্সি বুক করে শপিংমল এলো।মানুষের যখন চূড়ান্ত মন খারাপ থাকে তখন কেনাকাটা মানসিক শান্তি দেয় ক্ষণকালের জন্য।নিজের ভেতরের অস্থিরতা কমাতে রোদ শপিংয়ে নিজেকে ব্যস্ত করলো।পুরো মল ঘুরে ঘুরে কিনলো নানান জিনিস।কেনাকাটা করতে করতে হঠাৎ একটা জেন্টস শপে ঢুকলো সে।নিজের ব্যাক্তিগত কেউ নেই।তবুও মন কিনতে চাইলো পুরুষালি জিনিসপত্র।ঘুরে ঘুরে রোদ এটা সেটা নাড়াচাড়া করছে।হঠাতই একটা ঘড়ির উপর নজর স্থির হলো তার।ঘড়িটা বেশ চমৎকার।শাহরানের হাতে সুন্দর মানাবে।এক মিনিট ,শাহরানের হাতে মানাবে মানে??নিজের মনের ভেতরের অদ্ভুত চিন্তায় রোদ থমকালো।তবে কি সে শাহরান কে নিয়ে অল্প অল্প করে ভাবতে শুরু করেছে?রোদ তপ্ত শ্বাস ফেললো।নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা করলো এমন কিছুই নয়।এরপর বুক ভরে শ্বাস নিয়ে ঘড়িটার দিকে হাত বাড়ালো।আকস্মিক অন্য একজন এসে ঘড়িটা তুলে সেলসম্যান কে শুধালো
“প্যাক দিজ ওয়ান।
রোদ বিরক্তিতে ঠোঁট কুঁচকে ফেললো।এরপর মিহি গলায় বলে উঠলো
“এক্সকিউজ মি!
রোদের মিহি আওয়াজে ওপাশের মানবী ঘুরে তাকিয়ে বলে উঠলো
“ইয়েস”
রোদ কথা বলার ভাষা হারালো।শুধু চমকিত চোখে ফ্যালফ্যাল করে তাকালো।রোদের চোখের কোল ঘেঁষে কখন নোনতা জল কপোল ডিঙ্গালো মেয়েটি তা টের পেলো না।শুধু তিরতির করে কেঁপে ওঠা ঠোঁট নাড়িয়ে অভিযোগের গলায় বলে উঠলো
“কথা দিয়ে কেন কথা রাখলে না প্রিয়ন্তী?কত খুঁজেছি তোমাকে।অথচ!
প্রিয়ন্তী রোদকে দেখে মোটেও অবাক হলো না।বরঞ্চ সে যেন জানতো রোদের সঙ্গে তার কখনো না কখনো দেখা হবেই হবে।
রোদের প্রশ্নে প্রিয়ন্তী ভাবলেশ হাসলো অল্প।বললো
“আমায় মিস করেছিলে?
রোদ ঠোঁট কামড়ে ধরলো।কষ্টে গলা দিয়ে কথা বের হচ্ছে না।চোখের জল যেন বাধনহারা।তবুও বহু কষ্টে ভগ্ন গলায় বলল
“আমার একাকী নিঃসঙ্গ মুহূর্তে তোমাকে অনেক মনে করেছি।তোমার নম্বরে কল করেছি সহস্র কোটি বার।তোমার সোশ্যাল একাউন্টে নক করেছি অগণিত।কিন্তু কখনো তুমি উত্তর দাওনি।এত দ্রুত ভুলে গেলে আমায়?অথচ প্রাণাধিক প্রিয় বন্ধ ভাবতাম তোমায়।
প্রিয়ন্তী কথার প্রসঙ্গ পাল্টে বলে উঠল
“জেন্টস শপে কি করছো?কারো জন্য স্পেশাল গিফট কিনতে এসেছো বুঝি?তা কে সে?নিশ্চয়ই শাহরানের চাইতে বেটার কেউ!অ্যাম আই রাইট?
রোদ মাথা নাড়লো।বললো
“তার চাইতে বেটার হয়না প্রিয়।
প্রিয়ন্তী চমৎকার হাসলো।বললো
“রিলাইজেশন হলো তবে?
রোদ কথা বললো না।প্রিয়ন্তী রোদকে আগা গোড়া পরখ করে বলে উঠলো
“অনেক ম্যাচিউর লাগছে তোমাকে।যাক অবশেষে খোলস ছেড়ে বেরুতে পেরেছো এই অনেক।
রোদ মলিন হেশর প্রিয়ন্তীর পানে তাকিয়ে বলল
“আমি এখনো আমার প্রশ্নের জবাব পাইনি প্রিয়।
“কোন প্রশ্নের কথা বলছো?
“কেনো আমার সঙ্গে কোনো প্রকার যোগাযোগ রাখলে না?
“তোমার সঙ্গে ইচ্ছে করেই কোনো যোগাযোগ রাখিনি আমি।আমি চেয়েছিলাম তুমি খুব করে একাকী হও।মানুষ যখন একাকী নিঃসঙ্গ থাকে তখন তার নিজেকে পুরোপুরি চিনতে পারে।সে ভীতু হলে মৃ/ত্যু বেছে নেয় সাহসী হলে সবকিছু ছাপিয়ে কামব্যাক করে।যেহেতু বেঁচে আছো তার মানে নিজেকে ভালোই গুছিয়েছো।খুব ভালো লাগছে।
প্রিয়ন্তীর খুশি খুশি মুখের পানে তাকিয়ে রোদ বললো
“আমার জীবন থেকে দুটো বছর হারিয়ে গেছে প্রিয়।আমি এখনো গ্র্যাজুয়েশন প্রথম বর্ষেই রয়েছি।
প্রিয়ন্তী কোনো প্রকার অবাক হলো না।বললো
“যাক নিজেকে খুঁজে পেতে খুব কম সময় ই ব্যয় হয়েছে তোমার।আমি তো ভেবেছিলাম তুমি কখনো শোধরাবে না।
“আমরা এখন ক্যালিফোর্নিয়ায় থাকছি।
“শুনেছি।
এবার বেশ অবাক হলো রোদ।বিস্ময়ে শুধালো
“কিভাবে জানলে?
“শাহ বলেছে।
“কিহ!তোমাদের যোগাযোগ হয়?
“হবেনা কেনো?ও আমার কাজিন!
রোদ যেনো মাটি ফাঁক হয়ে তলিয়ে গেলো।সে বলে উঠলো
“আমার জানা মতে সারফরাজ আংকেলের কোনো ভাই নেই।
প্রিয়ন্তী হাহা করে হেসে বলে উঠলো
“তবে তুমি বোধ হয় অভিরূপ চৌধুরীর নাম শুনো নি।নিনাদ আমার আপন বড় ভাই।
প্রিয়ন্তীর উত্তরে দু পা পিছিয়ে গেলো রোদ।বললো
“তবে যে বললে তোমার বাবা মা অস্ট্রেলিয়া শিফট হয়েছে!
“মিথ্যে বলেছি।
“তুমি আমাকে এভাবে মিথ্যে বলতে পারলে?
“মাঝে মাঝে বলতে হয় রোদ।
বলেই ঘড়িটার বিল পে করার জন্য নিজের কার্ড এগিয়ে দিলো প্রিয়ন্তী।রোদ প্রিয়ন্তীর হাত টেনে ধরে বলে উঠলো
“ঘড়িটা আমি চুজ করেছি।
মুখ শক্ত করে প্রিয়ন্তী বললো
“যদি তোমার প্রেমিকের জন্য হয় তবে এটা কিছুতেই দেব না আমি।
রোদ মাথা নিচু করে বললো
“আমার কোনো প্রেমিক নেই।
এক ভ্রু উঁচু করে প্রিয়ন্তী জিজ্ঞেস করলো
“তবে কাকে দেবে?
“জানিনা।বলতে পারবো না।
“ঘড়িটা আমি ভাইয়ার জন্য কিনেছি।কাল তার বার্থডে।
এবার ফট করে রোদ বলে উঠলো
“ঘড়িটা আমি শাহরানের জন্য চুজ করেছি।
চলবে
Share On:
TAGS: চেকমেট সিজন ২, সারিকা হোসাইন
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
চেকমেট সিজন ২ পর্ব ৬
-
চেকমেট সিজন ২ পর্ব ১৪
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ২৩
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ৩৯
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ২৬
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ৩৮
-
চেকমেট সিজন ২ পর্ব ৭
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ১৪
-
চেকমেট সিজন ২ পর্ব ১২
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ৩৩