Golpo romantic golpo প্রেমবসন্ত প্রেমবসন্ত সিজন ১ প্রেমবসন্ত সিজন ২

প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ৬৮


#প্রেমবসন্ত_২ ।৬৮।

#হামিদা_আক্তার_ইভা_Hayat

“তারপর?”

“তারপর তুই পাগল বানিয়ে মেরেছিস আমাকে। এই একাকিত্ব আর কতদিন সোনা? আমার তো বয়স হচ্ছে বল?”

নিশা কপালের ঘাম মুছল।

“ভাবছি।”

“আর কত সময় লাগবে? আমি মরে যাওয়ার পর?”

স্বার্থ থামল খানিক। একটু নিচু গলায় জিজ্ঞেস করল,

“সত্যি করে বলে দে যা মনের মধ্যে আছে। তুই কী আমার সাথে হ্যাপি নোস? অন্য কাউকে ভালো লাগে?”

নিশা চমকে উঠল। তাড়াহুড়ো করে বলল,

“কী বলছ এসব? অন্য কাউকে কেন ভালো লাগবে? আমি ভালোবাসি তোমায়।”

“শুধু ভালোবাসলেই হলো সোনা? আমাদের একটা সংসার হবে না? আমি তো আজীবন এই বুকের গহীনে তোকে আগলে রেখে বাঁচতে চাই।”

নিশার গলা ধরে এলো বুক ব্যথায়। ক্রমশ ভারী হয়ে চলল মনের দুঃখ। চোখের পানি লুকিয়ে মিনমিন স্বরে শুধোয়,

“আমি এবার বাড়ি গিয়ে বাবার সাথে কথা বলব।”

এতেই স্বার্থ খুশি। তখনও সূর্য মামা ওঠেনি। শীতের কুয়াশায় ঢেকে আছে চারিপাশ। স্বার্থর ঘরের বারান্দায় গায়ে চাদর বিছিয়ে বসে আছে দুজনে। দূরত্ব বেশ অনেকটা তাদের। ঘরের ভেতরে বিছানায় শুয়ে আছে আদাল। সেই মূলত নিশাকে এখানে নিয়ে এসেছে। ভাবা যায়, যার সাথে তার বিয়ে হওয়ার কথা সেই মানুষটাই তাকে তার ভালোবাসার মানুষের কাছে নিয়ে এসেছে মন খুলে কথা বলার জন্য। নিশা লম্বা শ্বাস টেনে নিজেকে শান্ত করল। বাইরের দৃশ্য দেখে প্রাণ জুড়িয়ে গেছে তার। অনেক ছোট থাকতে একবার পুরো ফ্যামিলির সাথে সাজেক আসা হয়েছিল তার। তখন সে পিএসসি এক্সাম দিবে হয়তো।

ঘরের ভেতরে হঠাৎ হুড়মুড়িয়ে প্রবেশ করল আয়মান। বিছানা থেকে আদাল লাফ দিয়ে উঠল ওর হঠাৎ আগমনে। আয়মান ভাইকে ভয় পেতে দেখে নিভু স্বরে বলল,

“ভয় পাচ্ছ কেন? আমি ভূত নাকি অন্য কিছু?”

“অমন গন্ডারের মতো ছুটে এলে খুশিতে নাচব?”

“পিঁপড়ের মতো কলিজা নিয়ে পৃথিবীতে এসেছ কেন? সে-যাইহোক, সবাই তৈরি হও, আমরা বের হব।”

“ভাইয়া উঠেছে?”

“ভাইয়াই তো বলল যাবে।”

“কিন্তু ভাবি? উনি তো আমাদের সাথে যেতে পারবে না।”

“ভাবি যাবে না। তোমরা তৈরি হও তাড়াতাড়ি।”

ভোরে ঘন কুয়াশা ও শিশিরের কারণে পাহাড়ের মাটির রাস্তা বা পিচঢালা পথ বেশ পিচ্ছিল থাকে, যা লাঠি সামলাতে সাহায্য করে। খাড়া পাহাড়ি রাস্তায় ওঠানামা করার সময় শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখা সহজ হয়। সেই কারণেই সবার হাতে একটা একটা করে লাঠি ধরা। অর্ণ সবার আগে যাচ্ছে। ওকে দেখা যাচ্ছে শক্ত চোয়ালের ভাঁজে। পেছন থেকে শেহের অতিষ্ট হয়ে বলল,

“বউয়ের সামনে তো দাঁত কেলানি ছাড়া তোকে দেখা যায় না, এখন কেন মুখ বিড়ালের পুক্কির মতো করে রেখেছিস?”

অর্ণ কপাল কুঁচকে পিছু ঘুরে দাঁড়ায়। ঠান্ডায় ওর ফরসা মুখটা লাল বর্ণ ধারণ করেছে। পাহাড়ে উঠতে এত কষ্ট হবে আগে মাথায় আসলে সে কায়নাতকে রেখে আসতোই না। ও বলল,

“তোদের মতো বাঁচাল পেয়েছিস আমায়? শুধু শুধু এত কথা বলে শরীরের এনার্জি নষ্ট করছিস কেন?”

“হুঁ? আমরা বাঁচাল? আমাদের কোন দিক থেকে বাঁচাল মনে হয়?”

অর্ণ চুপ রইল। শেহের নাক মুখ ছিঁটকে বলল,

“তোকে আমার বেয়াই বানানো যাবে না হতচ্ছাড়া। আদিকে বলে দেব অন্য কারোর দিকে নজর দিতে।”

অর্ণ উল্টো ঘুরে হাঁটা শুরু করল। ভাব খানা এমন যেন শেহেরকে সে চেনেই না। এদিকে শেহের হতবাক! বিস্মিত গলায় বলল,

“বলেছি বলে সত্যিই ওকে এই কাজ করতে বলব নাকি? তুই রাগ করলি নাকি অর্ণ? মেয়েদের মতো কথায় কথায় এত রাগ কবে শিখছি?”

স্বার্থ শেহেরের পিঠে কিল বসাল। দাঁত কিরমির করে বলল,

“তুই মেয়েদের মতো এত পটরপটর করছিস কেন? অর্ণকে পছন্দ হয়েছে? ডেট করবি?”

“ছি! তোর মতো আমি সিঙ্গেল নাকি? আমার বউ আছে।”

নুসরাত আর নিশা ততক্ষণে বড় ভাইয়ের পিছু পিছু চলে গেছে। ওদের সাথে থাকলে আজ আর উপরে ওঠা হবে না।

••

রিসোর্টে আদি আর কায়নাত আছে এই মুহূর্তে। অর্ণ যেতে চায়নি কায়নাতকে রেখে কিন্তু কায়নাত জোর করে পাঠিয়েছে সবার সাথে। তার জন্য লোকটা ঘুরতে এসে কেন ঘরে বসে থাকবে? বন্ধু, ভাই-বোনদের সাথে এনজয় করে আসুক ভালো লাগবে।

খানিকক্ষণ আগে সকালের খাবার এসেছে ঘরে। অর্ণ ব্যবস্থা করেই দিয়ে গেছে। আদি কম্বলের নিচে লুকিয়েছে খাওয়ার ভয়ে। এই সাতসকালে তার মোটেও খেতে ইচ্ছে করছে না। কায়নাত বিছানার এক কোনায় গিয়ে বসল পা উঠিয়ে। খাবার গুলো পাশে রেখে বলল,

“খাবার খেলে নানুদের সাথে কল করে কথা বলিয়ে দেব।”

আদি উকি মারল কম্বলের ভেতর থেকে। কপাল কুঁচকে বলল,

“এখনই দাও।”

“আগে খেতে বসতে হবে তারপর।”

আদি লক্ষ্মী বাচ্চার মতো ঝট করে উঠে এলো। ফ্রেশ হয়েছে আরও ঘণ্টা খানিক আগে। সে এত সকালে কখনো খাবার খায় না, একমাত্র মামির পেটুক পেটের জন্য খেতে হচ্ছে। কায়নাত প্রেমকে ভিডিও কল দিল। খানিকক্ষণ পর রিসিভ হতেই আদি কেড়ে নিল ফোনটা। কায়নাত ওর মুখে খাবার তুলে দিল। আদি খাবার চিবুতে চিবুতে মামুকে বলল,

“এখানে খুব মজা হচ্ছে মামু। তুমি এলে না কেন?”

প্রেমও তখন ডাইনিং টেবিলে বসা। একদম রেডি হয়ে খেতে বসেছে সে। পাশেই নিধি ছিল। সে ক্যামেরার দিকে উকি মেরে বলল,

“তোমার মামু ব্যস্ত মানুষ। কেমন ঘুরছ?”

“খুব মজা এখানে। বাবা বলেছে আজ বিকেলে ঘুরতে নিয়ে যাবে।”

“তোমার সাথে কে আছে?”

“মামি।”

“বাবারা সবাই কোথায়?”

“পাহাড়ে গেছে।”

প্রেম বলল,

“তুই তোর বাপকে একা ছাড়লি?”

আদি বলল,

“বাবা বলেছে আজ বিকেলে আমায় ঘুরতে নিয়ে যাবে।”

“তোর মামি কই?”

আদি ক্যামেরাটা কায়নাতের দিকে ঘুরিয়ে দিল। কায়নাত মুখ ভার করে মুখ ফিরিয়ে নিল। প্রেম আর নিধি দুজনেই ঠোঁট টিপে হাসল বোধহয়।

“ভাবি কী আমার উপর রাগ করেছেন? কথা বলছেন না কেন?”

কায়নাত বলল,

“আপনি বললেন না কেন আপনারা যে আসবেন না? তাহলে কী আমি এখানে আসতাম?”

“আমি সত্যিই এই মুহূর্তে অনেক ব্যস্ত। পরেরবার অবশ্যই যাব, কথা দিচ্ছি।”

তারপর ওদের কথা চলল বেশ অনেকটা সময়। দুপুরের আগ দিয়ে অর্ণরা ফিরে এলো রিসোর্টে। প্ল্যান অনুযায়ী বিকেল হওয়ার আগেই বেরিয়ে পড়ল ঘুরতে। কায়নাতকে খুব সাবধানে রেখেছে অর্ণ। খাগড়াছড়ি শহরের পানখাইয়া পাড়ায় অবস্থিত সিস্টেম রেস্টুরেন্ট হলো খাগড়াছড়ি ও সাজেকগামী পর্যটকদের জন্য সবচেয়ে বিখ্যাত এবং জনপ্রিয় পাহাড়ি খাবারের রেস্তোরাঁ। স্থানীয় পাহাড়ি আদিবাসী মারমা ও চাকমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী রান্না কোনো রকম কৃত্রিম মসলা ছাড়া সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে পরিবেশন করার জন্য এটি দেশজুড়ে পরিচিত। রেস্টুরেন্টটি পাহাড়ি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের ঐতিহ্যবাহী বাঁশ এবং কাঠের কারুকাজে সাজানো। এর ছাদ এবং দেয়ালের কিছু অংশে আদিবাসী সংস্কৃতির ছোঁয়া রয়েছে। এখানে সাধারণ টেবিল-চেয়ারের পাশাপাশি মাটির কাছাকাছি নিচু পিঁড়িতে বসে ঐতিহ্যবাহী কায়দায় মেঝেতে বসে খাওয়ার বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে। রেস্টুরেন্টের ভেতরের পরিবেশ বেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। মৃদু এবং আরামদায়ক আলোর কারণে ভেতরের পরিবেশটি বেশ শান্ত ও ঘরোয়া মনে হয়। ওরা সবাই এখানেই এসেছে। নিশা আদাল আর আয়মানকে দিয়ে স্বার্থ আর তার ছবি ওঠাচ্ছে। নুসরাতরা সবাই বসেছে এক জায়গায়। কায়নাত চুপচাপ বসে বসে চোখ ঘুরিয়ে চারপাশ দেখছে। তার খুব শখ ছিল সাজেক এসে পুরোটা ঘুরবে কিন্তু কখনও শখ পূরণ করার সাধ্য হয়ে ওঠেনি। অর্ণ জুসের গ্লাস কায়নাতের দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল,

“খাও এটা ভালো লাগবে।”

আরেকটা আদির দিকে ঠেলে দিয়ে বলল,

“তুমিও খাও।”

কায়নাত অর্ধেক খেয়ে আর খেলো না সেটা অর্ণ খেলো। খাবার আসতে এখনও অনেক দেরি তাই ওরা টুকটাক কথা বলছিল।

অন্যদিকে আয়মান বিরক্ত ছোট বোনের কাজ-কর্ম দেখে। রেস্টুরেন্টের বাইরে পিচ-ঢালা রাস্তায় বের হলো আয়মান। জায়গাটা তার খুব মনে ধরেছে। ইতোমধ্যে প্ল্যানও করে ফেলেছে বন্ধুদের নিয়ে সে আবার এখানে আসবে। ও হাঁটতে হাঁটতে খানিক সামনে এগিয়ে এলো। হঠাৎ দেখতে পেল আদির বয়সী একটা বাচ্চা মেয়ে একা একা দাঁড়িয়ে কাঁদছে। আশেপাশে কেউ নেই। ভ্রু কুঁচকে এলো ওর। লম্বা লম্বা পা ফেলে এগিয়ে গেল বাচ্চাটার কাছে। বাচ্চাটা ওকে দেখে চোখের পানি মুছল ডান হাতের আঙুল দিয়ে। আয়মান জিজ্ঞেস করল,

“তুমি কে? এখানে একা একা দাঁড়িয়ে আছো কেন?”

বলতে বলতে সে বাচ্চাটাকে ভালো করে পরখ করল। টকটকে ফরসা গায়ের রং। শীতের কাপড় গায়ে জড়ানো। দেখে তো ভালো ঘরেরই মনে হলো।

বাচ্চাটা আয়মানের প্রশ্নে কাঁদো কাঁদো গলায় বলল,

“আমার আপু আমাকে এখানে রেখে গেছে।”

“কোথায় গেছে?”

“জানি না।”

ফের কেঁদে উঠল সে। তৎক্ষণাৎ সেখানে হাজির হয় একটা সরু গড়নের মেয়ে। সে এসেই আয়মানের বুকে ধাক্কা মেরে বলে,

“কে আপনি? আমার বোনের কাছে এসেছেন কেন?”

আয়মান আচমকা ধাক্কা লাগায় দুপা পিছিয়ে গেল। চোখ রাঙিয়ে তাকাল সামনে। এক রমণী রেগে তাকিয়ে আছে তারই দিকে। আয়মান দাঁতে দাঁত পিষে বলল,

“এইযে মিস, বোনকে একা রাস্তায় ফেলে রেখে এখন আমার সাথে ঝগড়া করা হচ্ছে? আমায় ধাক্কা দিলেন কোন সাহসে? নাকি ছেলেদের উপরে ঢলে পড়তে ভালো লাগে?”

এমন বিশ্রী কথা শুনে মেয়েটা রেগে গেল। এক পা এগিয়ে এসে উল্টো দাঁত চেপে বলল,

“মেরে আপনার মুখ ভে*ঙ্গে দেব অসভ্য পুরুষবেটা কোথাকার। একে তো আমার বোনকে নিয়ে যেতে চাচ্ছিলেন আবার আমার সাথেই গলা উঁচু করে কথা বলছেন?”

“পাগল নাকি আপনি? আমি কেন আপনার বোনকে নিয়ে যাব? ও একা একা এখানে কাঁদছিল তাই আমি এগিয়ে এসেছিলাম। নিজের ভুল স্বীকার না করে আমার উপরে দোষ চাপানো হচ্ছে?”

বাচ্চাটা সঙ্গে সঙ্গে মাথা দুলিয়ে বলল,

“এই ভাইয়াটা সত্যি কথা বলছে আপু।”

মেয়েটা হকচকিয়ে উঠল। পিছিয়ে এলো দুপা। আয়মান বুক টানটান করে দাঁড়াল এবার।

“ঝগড়ুটে মেয়েমহিলা কোথাকার।”

অপমান টুকু গিলে নিল মেয়েটা। তবু নিজের ভুল স্বীকার না করে ছোট বোনের হাত ধরে হাঁটা ধরল উল্টো পথে। আয়মান ভারী আশ্চর্য হয়ে বলল,

“অন্তত সরি তো বলবেন? কমনসেন্স একদম নেই নাকি?”

মেয়েটা ঘাড় ঘুরিয়ে চোখ রাঙিয়ে বলল,

“আপনার কমনসেন্স আপনি ভাত দিয়ে মেখে খান। বয়লার মুরগি কোথাকার।”

•••

খাবার এসে গেছে ততক্ষণে। অর্ণ কপাল কুঁচকে ছোট ভাইয়ের কথা জিজ্ঞেস করল আদালকে। আদাল বলল আয়মান একটু বাইরে হাঁটতে বের হয়েছে। কল দিলেও ধরছে না। কথার মাঝেই সেখানে হাজির হলো আয়মান। রাগে ফরসা মুখটা লাল বর্ণ ধারণ করেছে। রাগে ফুসফুস করতে করতে ধাম করে বসল চেয়ারে। স্বার্থ অবাক হয়ে বলল,

“তুই এমন রেগে আছিস কেন?”

আয়মান ভীষণ রাগ নিয়ে পুরো ঘটনা খুলে বলল সবাইকে। নিশা ভ্রু ভাঁজ করে বলল,

“বেয়াদব মেয়ে তো! তুমি ছেড়ে দিলে কেন? দুটো কথা শুনিয়ে দিতে পারলে না?”

“মহিলা মানুষের সাথে ঝগড়া করব রাস্তায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে?”

কায়নাত যেন খুব মজা পেয়েছে আয়মানের কথা শুনে। ও বলল,

“মেয়েটা দেখতে কেমন আয়মান?”

আয়মান বলল,

“আপনি মেয়ের চেহারা নিয়ে পড়ে আছেন ভাবি? আমার ভীষণ রাগ হচ্ছে। কত বড় সাহস ভাবা যায়? আমাকে পুরো শিশু চোর বানিয়ে দিল? আমাকে দেখতে কোন দিক দিয়ে চোর মনে হয়?”

স্বার্থ বলল,

“চোর মনে না হলেও বয়লার মুরগি ঠিকই মনে হয়। থাক আর কাঁদিস না। মেয়েটা মুখের উপর সত্য কথা বলেছে বলে কাটার মতো গায়ে লেগেছে।”

কায়নাত তাল মিলিয়ে বলল,

“কথা সত্য।”

হেসে উঠল সকলে। ছোট্ট আদিও যেন খুব মজা পেয়েছে। শুধু মুখ কালো করে বসে রইল আয়মান।

(হ্যালো পাখিরা, কেমন আছো? গতকাল নতুন গল্প #কৃষ্ণপ্রহর দিয়েছিলাম তাতে তোমাদের ভালোবাসা এসেছে আমার কল্পনার থেকেও বেশি। আগামীকাল আসবে নতুন জুটির ২য় পর্ব। অপেক্ষায় থাকবেন।)

#চলবে..

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply