#জেন্টাল_মনস্টার
#পর্ব_৬০
#লামিয়া_রহমান_মেঘলা
[ কপি করা সম্পূর্ণ কঠোর ভাবে নিষেধ ]
ঘুমন্ত আদ্রিতার মুখপানে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিল আদ্রিস।
ঘড়ির কাঁটা তখন রাত দশটার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ধীরে ধীরে পিটপিট করে চোখ মেলল আদ্রিতা। চারপাশে আধো অন্ধকার, কেবল মৃদু আলোয় ঘরটা আবছা ভেসে আছে। কিছুক্ষণ সে বুঝতেই পারল না, কোথায় আছে সে।
নিজেকে সামলে নিয়ে পাশ ফিরে তাকাতেই দেখল, সোফায় বসে আদ্রিস তার দিকেই গভীর দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে।
আদ্রিতার বুক ধক করে উঠল। এর আগে কী ঘটেছিল, কিছুই তার মনে নেই। যতই মনে করার চেষ্টা করুক, অতীতের ঘটনাগুলো যেন কুয়াশার আড়ালে ঢাকা পড়ে আছে।
বিরক্ত হয়ে বিছানায় উঠে বসল সে। চারদিকে চোখ বুলিয়ে বুঝল, এটি সুবহান মেনশন নয়। ঘরটি আরও বড়, আরও বিলাসবহুল৷ প্রতিটি আসবাবেই যেন আদ্রিসের ব্যক্তিত্বের ছাপ স্পষ্ট।
সে ধীরে ধীরে আদ্রিসের দিকে তাকাল। মনে মনে বোঝার চেষ্টা করল,আবার কী ভুল করেছে সে, যার জন্য মানুষটা এত গম্ভীর হয়ে বসে আছে?
কিন্তু আদ্রিতার সব ভাবনা থেমে গেল পরমুহূর্তেই।
হঠাৎ উঠে এসে আদ্রিস তাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল। এমনভাবে আঁকড়ে ধরল, যেন বহুদিনের হারানো কিছু ফিরে পেয়েছে। আদ্রিতার শরীরের ঘ্রাণ গভীর নিঃশ্বাসে টেনে নিল সে।
আদ্রিতার শরীর কেঁপে উঠল অদ্ভুত এক অনুভূতিতে। শীতল স্রোত বয়ে গেল দেহজুড়ে। বুকের ভেতর অকারণ আলোড়ন উঠল।
আদ্রিস তার ঘাড় থেকে চুল সরিয়ে জামার হাতা একটু নামিয়ে সেখানে আলতো করে চুম্বন রাখল।
আদ্রিতা নির্বাক হয়ে শুধু বোঝার চেষ্টা করছিল, মানুষটার মনে কী চলছে।
কিছুক্ষণ পর আদ্রিস তার সামনে এসে বসল। আদ্রিতার দু’হাত নিজের হাতে তুলে নিয়ে চুম্বন করল। তারপর মৃদু স্বরে ডাকল,
“আদ্রিতা৷”
“জি?”
“ইউ’আর নট জাস্ট এনি গর্ল এনিমোর, ইউ’আর গোয়িং টু বি দ্য মাদার অফ মাই চাইল্ড। দ্যাট’স অলরেডি ডিসাইডেড। নো ওয়ান কোয়েশ্চেন্স মাই ডিসিশনস, অ্যান্ড নো ওয়ান চেঞ্জেস দেম।”
আদ্রিতা খানিক্ষন চুপ থাকলো। আদ্রিস তখনো আদ্রিতার দিকে তাকিয়ে। সে আদ্রিতার গালে হাত রেখে ফের বলে,
“আর ইউ হ্যাপি?”
আদ্রিতা নিজের কাপা হাত নিজের পেটে রাখলো। কাঁপা কন্ঠে বললো,
“এ এখানে বাবু আমাদের বাবু?”
“হ্যাঁ।”
আদ্রিতার চোখ ছলছল। এটা খুশির কান্না, এই অনুভুতি টাই এমন। যে নারী প্রথম অনুভব করেছে সে মা হবে একমাত্র সেই জানে তার জীবনের এই প্রথম অনুভুতি টুকুন ঠিক কতটা স্পেশাল।
আদ্রিতা জড়িয়ে ধরে আদ্রিসকে।
“আপনার লক্ষি বউ হয়েছি আমি। আপনি খুশিত?”
আদ্রিস, আদ্রিতার চুলে হাত বুলিয়ে দেয়,
“তুই সব সময় আমার লক্ষি বউ ছিলি আদ্রিতা।
আমি একটু রুড কারণ তুই জানিস আমি একটু রাগি। কিন্তু বিশ্বাস কর আমি তোকে ভীষণ ভালোবাসি।
আর মিলা আমার ফ্রেন্ড, বলতে পারিস মিলার সাহায্যের জন্য আমি রাশিয়াতে নিজের অবস্থান তৈরি করতে পেরেছি।
মিলার বাবা মিস্টার পার্ক তখন আমাকে অনেক সাহায্য করেছিলো যখন আমি প্রথম রাশিয়াতে আসি। আমি তখন তোর সঙ্গে মজা করেছিলাম। প্লিজ সে সব ভুলে যা। একটা কথাই মনে রাখ এই আদ্রিস শুধুমাত্র তোর আদ্রিতা।
অন্য কোন নারী কখনোই আমার এটেনশন নিতে পারবে না, তুই প্রথম তুই শেষ৷”
আদ্রিতা, আরও শক্ত করে জড়িয়ে ধরে আদ্রিসকে।আদ্রিতার ধিরে ধিরে সবই মনে পড়ে যায়। সে অভিমানী কন্ঠে বলে,
“উম, আপনি আমাকে কষ্ট দিয়েছেন। তখন আমার খুব কষ্ট হচ্ছিলো।’
আদ্রিস, আদ্রিতার ঘাড়ে চুমু খায় ফের,
” সরি জান, তুইও আমাকে কষ্ট দিয়েছিস৷”
“আমিত অন্য পুরুষের সাথে ঢলাঢলি করিনি৷”
আদ্রিস, কথাটা শুনে আদ্রিতার ঘাড় ধরে নিজের দিকে ফেরায়। আদ্রিতা উহ করে ওঠে,
“উহ”
“সেই সুযোগ তুই এ জীবনে পাবিনা। মেরে ফেলব তোকে আর ওই ছেলেকে। এরপর নিজেও মরব।”
আদ্রিতা, আদ্রিসের বুকে মৃদু আঘাত করে,
“আপনি সুধরাবেন না৷”
“সরি পারব না।”
আদ্রিতা আরও কিছু বলবে তার আগেই আদ্রিস ওর ওষ্ঠদ্বয় আঁকড়ে ধরে।
আদ্রিতা নিজের ঝুল সামলাতে না পেরে বিছনায় পড়ে যায়।
আদ্রিস খুব সাবধানে আদ্রিতার উপরে পড়েছে যাতে আদ্রিতার কোন কষ্ট না হয়।
বাইরে ঝুম বৃষ্টি নেমেছে। মুহূর্তেই ভিজে উঠেছে সমগ্র মস্কো শহর। আকাশজুড়ে জমে থাকা কালো মেঘ যেন দীর্ঘদিনের সব জমে থাকা বিষাদ একসঙ্গে উজাড় করে দিচ্ছে।
হিমেল রাতের বুক চিরে শীতল ঝড় বয়ে যাচ্ছে। জানালার কাঁচে বৃষ্টির ফোঁটাগুলো একের পর এক আছড়ে পড়ে গড়িয়ে নামছে, যেন অগণিত অশ্রুবিন্দু নিঃশব্দে ঝরে পড়ছে। দূরের আলোকিত সড়কগুলো বৃষ্টির জলে ঝাপসা হয়ে এক অদ্ভুত স্বপ্নময় আবরণে ঢেকে গেছে।
বাতাসে কাঁপছে বৃক্ষের ডালপালা, মাঝে মাঝে দমকা হাওয়া এসে নগরীর নীরবতা ভেঙে শিস দিয়ে চলে যাচ্ছে। কোথাও কোথাও বিদ্যুতের ক্ষণিক ঝলক অন্ধকার আকাশকে ছিন্ন করে আবার মিলিয়ে যাচ্ছে গভীর রাত্রির গহ্বরে।
মস্কোর এই শীতল বর্ষার রাতে চারপাশে যেন এক অদ্ভুত বিষণ্ন সৌন্দর্য ছড়িয়ে আছে, নিস্তব্ধ, কাঁপন জাগানো।
আদ্রিসের উরপরে শরীর উদাম ছিলোই৷ সে বেশকিছু পর আদ্রিতার থেকে একটু সংকোচিত হয়ে উঠে বসলো।
আদ্রিতা তখনো বিছনায় শুয়ে ঘন নিঃশ্বাস নিচ্ছে। আদ্রিস বাম হাতে বিছনার পাশে থাকা গ্লাসের জানালাটা লাগিয়ে দিলো।
এরপর ফের ঝুকে গেলো আদ্রিতার দিকে।
আদ্রিতার সাদা সিল্ক ড্রেসের ফিতায় হাত দিতে আদ্রিতা ফের কেঁপে উঠলো।
আদ্রিস ঝুঁকে আদ্রিতার কানে লতিতে চুমু খেয়ে একটা মৃদু কামড় বসিয়ে দেয়।
আদ্রিতা বিছনায়র চাদর খামচে ধরে শক্ত করে।
আদ্রিস ধিরে ধিরে নিজের এক হাতে আদ্রিতার দু হাত চেপে ধরে বিছনার সাথে৷
আদ্রিস, আদ্রিতার কানে ফিসফিসিয়ে বলে,
“তুই কি ভেবেছিলি আমি তোকে ওখানে ছেড়ে দিয়ে শান্তিতে থাকতাম। আমিত জাস্ট সময় নিচ্ছিলাম। কিন্তু তার আগেই তুই আমাকে সব কারণ দিয়ে দিয়েছিস। যে পরিমাণ রাগিয়েছিস আমাকে সেই সমস্ত পানিশমেন্ট তোল থাকলো। আমার বেবি ওয়ার্ল্ডে আসার পর তোকে সেসব পানিশমেন্ট দিব আমি।”
কথদ গুলো শেষ করে আদ্রিস ফের আদ্রিতার ঘাড়ে মুখ গুঁজে। আদ্রিতা চোখ বন্ধ করে মাথা অন্য দিকে ঘুরিয়ে নেয়।
বাহিরে বৃষ্টির সাথে তাল মিলিয়ে আদ্রিসের ভালোবাসা গভীর হতে শুরু করে। তবে এতে কোন যন্ত্রণা নেই আছে শুধু একে অপরের জন্য ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।
সে রাত দু’জন দু’জনের বাহুডোরে পরম শান্তিতে ঘুমিয়েছে।
———–
সায়ের মেনশনে ফিরে আসার পর মিসেস মিহু উদ্বিগ্ন কণ্ঠে আদ্রিতার খোঁজ করলেন।
” সায়ের, আদ্রিতা কোথায়?”
সায়ের মায়ের দিকে তাকিয়ে মৃদু হেসে বলল,
“আদ্রিসের সঙ্গে আছে।”
” ওহ, তাহলে ওদের মধ্যে সব ঠিক হয়েছে?”
” আশা করি হয়ে যাবে। আদ্রিসকে তো জানোই।”
মিসেস মিহু হালকা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।
” আমারই ভুল হয়েছে। ওদের একটু সময় দিলে হয়তো নিজেরাই সব ঠিক করে নিত।”
সায়ের এগিয়ে এসে মাকে জড়িয়ে ধরল। তারপর স্নেহভরে তার কপালে চুম্বন রেখে বলল,
” না মম, তুমি ভুল নও। আদ্রিতা তোমার মেয়ে, তুমি যখন খুশি তাকে নিয়ে বাইরে যেতে পারো। শুধু, তার স্বামীকেও একটু জানিয়ে দিও। জানোই তো, ছেলেটা কতটা পজেসিভ।”
মিসেস মিহু মৃদু হেসে মাথা নাড়লেন।
” হ্যাঁ।”
এই পুরো দৃশ্যটি ওপরতলা থেকে নীরবে দেখছিল মিরা। তার কানে তখনও ফোন ধরা, সে মূলত প্রিয়ার সঙ্গে কথা বলছিল। কিন্তু নিচে মা-ছেলের এই মমতাময় মুহূর্ত দেখে সে অন্যমনস্ক হয়ে গেল।
ওপাশ থেকে প্রিয়া বারবার ডাকছিল,
“মিরা আপু,ও মিরা আপু”
মিরার ধ্যান ফিরল। সে হালকা হেসে বলল,
” ওহ, সরি প্রিয়া। আসলে মা-ছেলের ভালোবাসাটা দেখছিলাম।”
” সায়ের ভাই আর মিহু আন্টি?”
” হ্যাঁ।”
প্রিয়া কিছুটা আবেগ নিয়ে বলল,
“আসলে রাশিয়ান মায়েরা খুব সাপোর্টিভ।
আমাদের বাংলাদেশি মায়েদের মতো না।”
মিরা নিঃশ্বাস ফেলে বলল,
“ঠিকই বলেছিস। কতদিন হয়ে গেল আমি রাশিয়ায় এসেছি, অথচ মা-বাবা এখনো আমার সঙ্গে কথা বলেন না।”
প্রিয়া কোমল স্বরে সান্ত্বনা দিল,
” তুমি মন খারাপ কোরো না আপু। তোমাদের বিয়ে হওয়ার পর তুমি যদি সুখে থাকো, দেখবে আন্টি-আঙ্কেলও একদিন সব মেনে নেবে।”
মিরা জানালার বাইরে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলল।
” ওদের মানা না মানায় এখন আর কিছু এসে যায় না, প্রিয়া। আমি সায়েরের সঙ্গে ভালো আছি। এখন আমার জীবনে আমার ভালোবাসাই প্রথম প্রাধান্য।”
প্রিয়া মৃদু হেসে বলল,
” আচ্ছা আপু, রাখছি। আমি ঘুমাবো।”
“ওকে, গুড নাইট।”
প্রিয়া কল কেটে দিল।
ফোনের স্ক্রিন নিভে গেলেও মিরার চোখে তখনও একরাশ নীরব ভাবনা জেগে রইল।
এদিকে বাইরে ঝরতে থাকা বৃষ্টির ছাঁট জানালার ফাঁক গলে প্রিয়ার ঘরে এসে পড়ছিল। সে তড়িঘড়ি করে এগিয়ে গিয়ে জানালাটা বন্ধ করে দিল।
ঠিক তখনই হঠাৎ তার কক্ষের দরজায় টোকা পড়ল।
প্রিয়া ভ্রু কুঁচকে তাকাল। এই রাতে আবার কে এলো? বাড়িতে সার্ভেন্টের অভাব নেই, কিন্তু এত রাতে তার দরজায় আসার কারণ কী?
সামান্য দ্বিধা নিয়ে দরজা খুলতেই সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটিকে দেখে সে বিস্ময়ে থমকে গেল।
রেভেন।
পুরো শরীর ভিজে একাকার। বৃষ্টির পানি তার চুল বেয়ে কপাল ছুঁয়ে গড়িয়ে পড়ছে। জামাকাপড় ভিজে গায়ে লেপ্টে গেছে।
প্রিয়া কিছুক্ষণ যেন বুঝতেই পারল না, সামনে সত্যিই রেভেন দাঁড়িয়ে আছে, নাকি সে ভুল দেখছে।
তাকে এমন নির্বাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে দেখে রেভেন ঠোঁটের কোণে হাসি টেনে বলল,
—”গিভ মি এ টাওয়েল, ডার্লিং। আর কিছুক্ষণ এভাবে দাঁড়িয়ে থাকলে আমি জমে যাব।”
প্রিয়ার ধ্যান ফিরল। সে তড়িঘড়ি করে ভেতরে গিয়ে একটি তোয়ালে এনে তার হাতে দিল।
রেভেন দ্রুত মাথা মুছতে লাগল। ইতিমধ্যেই তার হাঁচি শুরু হয়ে গেছে।
প্রিয়া উদ্বিগ্ন কণ্ঠে বলল,
” এভাবে ভিজলেন কী করে? কোথায় যাচ্ছিলেন?”
রেভেন স্বাভাবিক ভঙ্গিতে উত্তর দিল,
“আমার অ্যাপার্টমেন্ট এদিকেই। কিছু গ্রোসারি নিতে এসেছিলাম। জানতাম না বৃষ্টি শুরু হবে।”
প্রিয়া মায়াভরা স্বরে বলল,
” ইস, একেবারে ভিজে গেছেন। ভাইয়া তো ঘুমাচ্ছে, আপনাকে কাপড় এনে দেব কীভাবে?”
রেভেন হালকা কৌতুকে বলল,
” ম্যাম আছে সঙ্গে?”
” হ্যাঁ।”
“তাহলে আমি ফিরে যাই। আরেকটু ভিজলে কিছু হবে না।”
“আরে না না, ওয়েট, আমি দেখছি।”
প্রিয়া সঙ্গে সঙ্গে আদ্রিসকে কল করল।
ঘুমজড়ানো চোখে প্রিয়ার নাম দেখে আদ্রিস ফোন রিসিভ করল।
” হ্যাঁ, বল।”
” ভাই, রেভেন এসেছে। ভিজে গেছে। একটা টি-শার্ট আর প্যান্ট লাগবে।”
ওপাশ থেকে ক্লান্ত গলায় উত্তর এল,
” আহ, ক্লোজেট থেকে নিয়ে যা।”
” ওকে।”
কল কেটে প্রিয়া দ্রুত সেই আলাদা পথ ধরে আদ্রিসের ক্লোজেটের দিকে গেল, যে পথে তার কক্ষে না গিয়েও পৌঁছানো যায়।
সেখান থেকে একটি টি-শার্ট আর প্যান্ট এনে রেভেনের হাতে দিল।
কিছুক্ষণ পর পোশাক বদলে ফিরে এলে প্রিয়া তার সামনে এক কাপ ধোঁয়া ওঠা গরম কফি এগিয়ে দিল।
রেভেন মৃদু হেসে কাপটা হাতে নিল।
” থ্যাংকস।”
প্রিয়াও মিষ্টি করে হাসল।
রেভেন সেই হাসির দিকেই তাকিয়ে রইল কিছুক্ষণ। মনে হলো, এই মেয়েটার হাসির মধ্যে এক অদ্ভুত উষ্ণতা আছে, ভীষণ মায়াবী, ভীষণ।
সেই সাথে মেয়েটার গোলাপি ঠোঁট দুটা যেন নেশা করিয়ে দেয় বিনা এলকোহলে।
রেভেন জেন্টালি, প্রিয়ার হাত ধরে প্রিয়াকে জিজ্ঞেস করে,
“ক্যান আই কিস ইউ?”
প্রিয়ার গাল ললা হয়ে যায় প্রশ্নটা শুনে। সে লজ্জায় মাথা নামিয়ে দেয়। প্রিয়ার নিরবতাকে রেভেন হ্যা হিসাবে নেয় এবং প্রিয়ার ঘাড়ে হাত রেখে আলতো ভাবে প্রিয়ার ওষ্ঠদ্বয় আঁকড়ে ধরে।
রেভেন সব সময় মেয়েটাকে জেন্টালি হ্যান্ডেল করে যেটা প্রিয়ার খুব পছন্দ।
চলবে?
Share On:
TAGS: জেন্টাল মনস্টার, লামিয়া রহমান মেঘলা
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
জেন্টাল মনস্টার পর্ব ৫০
-
জেন্টাল মনস্টার পর্ব ২৪
-
জেন্টাল মন্সটার পর্ব ৯
-
জেন্টাল মন্সটার পর্ব ২
-
জেন্টাল মনস্টার পর্ব ৩০
-
জেন্টাল মন্সটার পর্ব ১৩
-
জেন্টাল মনস্টার পর্ব ৫৩
-
জেন্টাল মনস্টার পর্ব ৪৯
-
কিস অফ বিট্রেয়াল পর্ব ৯
-
কিস অফ বিট্রেয়াল পর্ব ২২