Golpo Love or hate romantic golpo

Love or Hate পর্ব ৪৬


#Love_or_Hate

|#পর্ব_৪৬|

#ইভেলিনা_তূর্জ

⛔কপি করা সম্পূর্ন নিষিদ্ধ

⛔প্রাপ্ত বয়স্ক ও মুক্ত মনস্ক দের জন্যে

ইউভানকে জ্বালাতন করার চেতনায় মনোনিবেশ হলেও রোজের সর্বাঙ্গে তীব্র কাঁপুনি আর অস্থিরতা। নিজের নারীসত্তার মধ্যেকার অবরুদ্ধ দমবন্ধ ভাবটা কাটাতে ধীরপায়ে এগিয়ে গিয়ে দেয়ালের লাইটসুইচে চাপ দিলো।

​মুহূর্তেই ধবধবে আলোয় আলোকিত হয়ে উঠলো রুমটা। কিন্তু চারদিকের আলো ফুটে উঠতেই পুরো রুমে চোখ বোলাতেই রোজের সুন্দর মুখাবয়ব চরম অস্বস্তি, ঘৃণা আর ভীতিতে কুঁচকে উঠলো। এটা কোনো সুস্থ মানুষের শয়নকক্ষ হতে পারে না! বাইরে থেকে আলবার্ট ম্যানশনকে যতটা রাজকীয় আর আভিজাত্যে মোড়ানো দেখায়, ইউভানের এই ব্যক্তিগত কক্ষটি তার সম্পূর্ণ বিপরীত। একে কোনো বিলাসবহুল বেডরুম তো দূর, বরং কোনো হরর মুভির ভুতুড়ে গুহা কিংবা কোনো হিং*স্র জানো*য়ারের থাকার আদিম বাসস্থান বলে ভ্রম হলো!রুমের দেয়ালগুলোর দিকে তাকালে গায়ের লোম খাড়া হয়ে ওঠলো রমণীর। দেয়ালের চিত্রকর্মগুলো কোনো সাধারণ পেইন্টিং ছিলোই না, কালচে আর ধূসর ছোপ ছোপ রঙের মাঝে মানুষের হাতের রগ ও শিরার মতো কালচে-নীল নকশা দেয়াল বেয়ে তীব্র হিং*স্রতায় ওপরের দিকে উঠে গিয়েছে। যেনো জীবন্ত রক্তের শিরা-উপশিরা গ্রাস করে নিচ্ছে পুরো রুমটাকে।

​দৃশ্যটা দেখে রোজের নাক-মুখ কুঁচকে তীব্র বমি আসার উপক্রম হলো। ঘৃণাভরে অক্ষীপল সরিয়ে নিতেই নজর পড়লো বিছানার ওপর রাখা ইউভানের ল্যাপটপটার দিকে।তড়িঘড়ি করে এগিয়ে গিয়ে ল্যাপটপের ফ্ল্যাপটা খুললো সে। কিন্তু স্ক্রিন জ্বলে উঠতেই বক্ষঃস্থল জুড়ে একটা দীর্ঘশ্বাস খসে পড়লোল্যাপটপের পাসওয়ার্ড তো তার জানা নেই!

​রোজ একবার বাথরুমের থাই এর ওপাশে ইউভানের অস্পষ্ট অবয়বের দিকে।ভেতর থেকে পানির অবিরাম পতনের শব্দ আসছে। সময় খুব সংক্ষিপ্ত। মাথায় কী যেনো ভেবে রোজ আন্দাজে কিছু একটা টাইপ করে ল্যাপটপটা খোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে চাইলো। কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তে পাসওয়ার্ড বক্সের ঠিক পেছনে থাকা ল্যাপটপের ওয়ালপেপারটার দিকে নজর যেতেই রোজের ঠোঁট কিঞ্চিৎ ফাঁক হয়ে গেলো। ল্যাপটপের স্ক্রিন জুড়ে জ্বলজ্বল করছে একটা বিষাক্ত সাদা সাপের ম্যাক্রো ছবি!

​রোজ নিজের অজান্তেই মুখ ফসকে চরম বিরক্তিতে বলে উঠলো—

—ইয়াক্ক… থু!

—নাটক করার কী আছে! ওটা তো তুই-ই!

​আচমকা পেছনের অন্ধকার কোণ থেকে ভেসে আসা, পৌরুষালী ও গুরুগম্ভীর কণ্ঠস্বর শুনে রোজের হৃৎপিণ্ড যেনো এক মুহূর্তের জন্য স্তব্ধ হয়ে গেলো। চমকে উঠে পেছনে তাকাতেই দেখলো ইউভান দাঁড়িয়ে আছে। চুল থেকে টপটপ করে পানি ঝরছে।ট্রাউজার পড়ে উদোম গলায় টাওয়াল ঝুলিয়ে রেখেছে।

​রোজ নিজেকে সামলে নিয়ে ভ্রু কুঁচকে, তীব্র ঝাঁঝালো গলায় বললো —এক্সকিউজ মি! এই সাদা সাপটা আমি?

​ইউভানের ঠোঁটের কোণে এক শীতল ক্রূর হাসি ফুটে উঠলো। ধীরপায়ে এগিয়ে রোজের সম্মুখে দাঁড়ালো।

—বিশ্বাস হচ্ছে না? কাম…!

​বলেই ইউভান রোজের কোমড় শক্ত করে ধরে শূন্যে ভাসিয়ে দিলো।কম্পিত হলো রমণী।নিয়ে গেলো রুমের এক কোণে থাকা বিশালাকার মাকড়সার জালের মতো জটিল মেটালিক ডিজাইনে বাঁধানো আয়নাটার সামনে। রোজ আড়চোখে একবার ইউভানেরতীক্ষ্ণ, অগ্নি-ধূসর অক্ষীদ্বয়ের দিকে তাকালো, তারপর পুঃনরায় নিজের প্রতিচ্ছবির দিকে তাকালো মিররে। ইউভান ল্যাপটপটা একহাতে তুলে ধরে আয়নার পাশে এনে বললো

—দেখ, আমার ওয়ালপেপারে ওটা তুই-ই!মাই গর্জিয়াস ফা*কিং চুম্মালেডি।লজ্জায় লাল বাত্তি জ্বলার মতো ঝাঁঝালো সুন্দর তোম্মিইই।

​ইউভানের গলার স্বরধ্বনি আর নেত্রপল্লবের চাউনিতে এমন কিছু একটা ছিলো, যার কারণে রোজ নিজের অজান্তেই আয়নায় নিজেকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতে লাগলো। না!চোখ-নাক-মুখ তো সব ঠিকই আছে, মানুষের মতোই! জিহ্বাটা বের করে দেখলো কই ওটাও তো সাধারণ মানুষের মতোই লালচে।সাপের মতো দ্বিখণ্ডিত না। তবে এই দানব মনস্টার তাকে সাপ কেন বলছে? হঠাৎ তেজি রমণীর নিষ্পাপ কাণ্ড দেখে ইউভান নিজের নিচের ঠোঁট দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরে এক অবদমিত হাসিতে হাসলো।

—-তোমার বিষে বিষাক্ত হয়ে মরতে চাই।কাম।একটু বিষ ঢেলে যাও।

​কিন্তু সেই হাসির রেশ কাটতে না কাটতেই।

​অত*র্কিত পৈ*শাচিক আক্রমণে রোজের মুখ থেকে আর্ত*নাদ বেরিয়ে আসার আগেই ইউভানের চওড়া বক্ষঃস্থলের শক্ত খাঁচায় পিষ্ট হলো রমণী। ইউভানের পুরুষালী সর্বাঙ্গ থেকে তখনও ঝাঁঝালো পৌরুষালী উ*গ্র পারফিউমের সুবাসে ঝিমিয়ে উঠলো রমণীর সর্বাঙ্গ।সারাক্ষণ ফা*কিং বলা মাফিয়া মন্সটারের পারফিউম এর নামটাও তেমনি —Tom Ford Fucking Fabulous Eau de perfume!

মাফিয়া বস একহাতে রমণীর কোমর নিজের উরুর সাথে একদম লেপ্টে ধরলো। অন্যহাতে অত্যন্ত ক্ষিপ্রতায় সামনে থাকা ল্যাপটপের স্ক্রিনের দিকে বাটন চেপে ভিডিও কল দিলো।ল্যাপটপের ওপাশে জুম কলে যুক্ত হলো ঢাকার প্রভাবশালী শিল্পপতি ইমরান চৌধুরী।হঠাৎ ইউভানের কল পেয়ে অফিসরুমে থাকা রোজের বাবা আঁতকে উঠলো।বাকরুদ্ধ হলেন বহুদিন পর নিজের মেয়েকে দেখে। চৌধুরীকে কোনো প্রকার বাক্যে বিনিময় করার সুযোগ না দিয়ে তার উদ্দেশ্যে নিজের অধর কামড়ে ধরে এক পৈ*শা*চিক, উ*ন্মত্ত হাসিতে ফেটে পড়লো ইউভান।

—-কী বলেছিলেন যেনো ডিয়ার ফাদার-ইন-ল? ‘আপনার জেদি মেয়ে আমাকে কোনোদিনও মেনে নেবে না?’ দেখুন… চোখ মেলে ভালো করে দেখুন, আপনার মেয়ে তার হট হাসবেন্ডের কোলে কেমন বাধ্য হয়ে বসে আছে! অত্যন্ত বাধ্য মেয়ের মতো আমাকে মনে-প্রাণে ‘কবুল’ও করে নিয়েছে! আপনাকে এতদিন বাঁচিয়ে রাখার পৈ*শা*চিক আত্মতৃপ্তি এটাই ছিলো। নিজের স্ব-চক্ষে দেখুন!

ওপাশ থেকে রুক্ষ কন্ঠে জবাব এলো—রোজকে বলো আমার সাথে দু’মিনিট কথা বলতে।

রোজ কড়াগলায় মৃদু হুঙ্কার দিলো।

—এ-সব কি ইউভান??আপনি কি আমার ধৈর্যশক্তির পরিক্ষা নিচ্ছেন??

ইউভান রোজের মাথায় ঠোঁট চেপে ধরলো। ব্যঙ্গের মতো খ্যাক করে হাসলো।

—কোল সুইটহার্ট। তোর বাপকে দেখতে দে তোর সাথে আমাকে কেমন মানিয়েছে।দেখুক।

রোজ তীব্র বিরক্তিতে ছটফট করে ইউভানের লৌহকঠিন বাঁধন থেকে উঠে যেতে চাইলো। কিন্তু লাভ হলো না। ইউভান বাঘের থাবার মতো হাত দুটো দিয়ে রোজকে আরও হিং*স্রভাবে নিজের পৃষ্ঠদেশের সাথে চেপে ধরলো, যেনো এক চুল নড়ার ক্ষমতাও না পায় রমণী।

​ইউভান রোজের কানের লতিতে নিজের তপ্ত ওষ্ঠাধর ছুঁইয়ে, পুঃনরায় জবান ছুঁড়লো।

—আমি এই মুহূর্তে আপনার মেয়েকে আপনার-ই সামনেই একটা ৫৫০ ভোল্টেজের বড়সড় চুমো খাবো, আর আপনি পরম শান্তিতে তা লাইভ দেখবেন! চোখের চশমাটা ভালো করে লাগিয়ে নিন… নাহলে ফুটেজটা ক্লিয়ার হবে না। একেবারে সফ’টপ*র্ন!..

রোজের ইউভানের কথায় আর তার বাবার কর্মকাণ্ডে ঘৃণা ধরে গিয়েছে।তার পরেও চুপ রইলো।চোখ বন্ধ করে গভীর শ্বাস টানলো।ইউভানের লজ্জাজনক কথায় ইমরান চৌধুরী বুড়ো বয়সে এসে ভরকে গেলেন।মস্তিষ্কে আচানক মৃত্যু ভয় হানা দিতেই উপলব্ধি করলেন।তার পাপ তার প্রপার্টি বাঁচানোর লোভের কারণে নিজের মেয়েকে হারিয়ে বসেছেন।যাকে এতো আদরে বড় করেছেন।সেই মেয়েকেই জেনেশুনে একটা আন্ডারওয়ার্ল্ড মাফিয়ার হাতে তুলে দিয়েছেন।এটা জানা সত্ত্বেও যে যার হাতে তুলে দিয়েছিলেন সে রুশান আলবার্টের ছেলে।একটা নিষ্ঠুর সত্তার অধিকারী পুরুষের নিষ্টুর অধিরাজ তার ক্ষোভ তার মেয়েকে দিয়েই তুলবে জানার পর ও।ইমরান চৌধুরীর কিছুদিন যাবৎ এসব ভেবে ভেবেই প্রেশার বেড়ে গিয়েছিলো।ক্ষমতার লোভ তাকে কতোটা নিচে নামিয়ে দিয়েছে ভেবেই চোখের কার্ণিশে বারিধারা জমে উঠেছে লোকটার।

ইউভানের অক্ষীপলে সামান্যতম উদ্বেগের রেখা নেই।হাড়কাঁপানো উত্তাপে সত্যিই রোজের গাল ধরে গভীর স্পর্শে হিংস্র আবেশে আছন্ন হয়ে রমণীর মোলায়েম অঁধর আঁকড়ে ধরলো।শ্বাস-প্রশ্বাস ভারী হয়ে উঠলো রমণীর।

ইউভান আড়ষ্টতায় রোজের উদরের অংশের কামিজ সরিয়ে অগণিত চুমু খেতে লাগলো।তপ্ত ওষ্ঠের স্পর্শের ভার সামলাতে না পেরে রোজ নুয়ে পড়লো বিছানায়।ঈষৎ শিরশিরানি অনূভুতি তে দগ্ধ হতেই নিজের সমস্ত সংযমতাকে অবরুদ্ধ করে পিছিয়ে গেলো বিছানায়।

—প্লিইজজজ ইউভান আমাকে একটু সময় দিন।সারাদিন কিছু খেয়েছেন আপনি??আমার ভীষণ ক্ষিদে পেয়েছে।একসাথে খাবেন??আমি নিয়ে আসি।

ইউভান গাঁ এলিয়ে দিলো বিছানায়।এক থাবায় রোজের হাত ধরে ফেললো রোজ পিছনে ফিরে তাকাতেই।ইউভান কাঠিন্যহেতু কন্ঠে ক্ষীণ স্বরে বললো।

—ক্যাটরিনার সাথে কি কথা হয়েছিলো তোর??

—কিছু না!

—তুই অনেক কোমল নিষ্পাপ রোজ।তোকে শক্ত হতে হবে।ততটুকু যতটুকু পাষাণী হলে নিজের সন্তানে প্রতিশোধের আগুনের নেশায় কবর খোঁড়ে শাস্তি দিতেও দ্বিধাবোধ হবে না।

থমকে দাঁড়ালো রোজ।নিশ্বাস বন্ধ হয়ে বারিধারা জমে উঠেলো নেত্রপল্লব বেয়ে।তবে ইউভানের কথার অর্থ বুঝতে সক্ষম হলো না।শুধু প্রতিশোধ শব্দটা কানে বাজলো।নিস্পৃহ কন্ঠে জবাব দিলো।যেই কন্ঠের ধার বহুগুন।

—আমি ক্ষমায় বিশ্বাসী। আপনিও তো কম অন্যায় করেননি আমার সাথে। পাপ বাপকেও ছাড়ে না।তাই বাপ হওয়ার সৌভাগ্য না দূর্ভাগ্যে বলবো তা হওয়ার সক্ষমতা হয়ে উঠে নি আপনার।

কি জানি কি হলো রোজের হাতের শক্ত বাঁধনটা আলগা করে দিলো ইউভান। স্থানুর মতো দাঁড়িয়ে থাকা রোজকে ওভাবেই ছেড়ে দিয়ে ধীরপায়ে এগিয়ে গেল রুমের ক্যাবিনেটের দিকে। ক্যাবিনেটের পাশের অন্ধকার কুলুঙ্গিতে হাতড়ে যেনো অত্যন্ত চেনা কোনো বস্তু খোঁজার আপ্রাণ চেষ্টা করতে লাগলো। ইউভান ভেবেছে তার এই রোজ এতক্ষণে রুমের বাহিরে চলে গিয়েছে। কিন্তু রোজ যায়নি।

​খানিকটা খোঁজাখুঁজির পর ইউভানের হাত গলে বেরিয়ে এলো একটা ডাস্ট-ব্ল্যাক ইলেকট্রিক গিটার। বহু বছর আগে, কোন এক খেয়ালের বশে কিনেছিলো তা হয়তো আজ আর পুরুষটার নিজেরও স্মরণে নেই। ধূলিকণার আস্তরণ জমা দীর্ঘদিনের অব্যবহৃত জিনিসটা নিজের হাতের ওপর তুলে নিলো। তারপর ধীরপায়ে এসে বসলো বিছানার এক প্রান্তে।রিং পরিহিত আঙুলগুলো গিটারের ইস্পাতের তারের ওপর সর্পিল গতিতে খ টুংটাং শব্দ করলো। সিগারেটে দুটো টান মেরে, খসখসে অথচ বিষন্ন গলায় গেয়ে উঠলো গানের দুটো লাইন। কণ্ঠের মেলবন্ধনে তৈরি হওয়া সুরের মায়াজালে চাপা ক্ষ*তের গভীর বিষণ্ণতায় ভাসিয়ে নিয়ে চললো।

This is not the end!

It will come a day,

When we will find our way!

একটা রাশভারী কন্ঠে দীর্ঘশ্বাস টানলো মাফিয়া মন্সটার।ক্ষুব্ধ কন্ঠে পুনঃরায় জোড়ালো স্বরে গাইলো।

Violins playing

And the angle crying!

When the star align then.

I’ll be there

No i Don’t care about them all.

Cause all i want is to be loved!

তরিৎ গতিতে পিয়ার্সিং করা অঁধর কোণে সাময়িক হাসি ফুটালো ইউভান।আশ্চর্য জনকভাবে আজ এই হাসির রেখায় রোজ ইউভানের দু’গালে গভীর দুটো টোল দেখতে পেলো।পুরুষটার সমস্ত রক্ত জল করা শয়তানি আর হিংস্রতার মাঝে এই একটা নির্মল হাসিই বোধহয় পৃথিবীর যেকোনো রমণীকে এক পলকে ঘায়েল করার ক্ষমতা রাখে।রোজ মনে মনে অস্বীকার করতে পারল না যে—লোকটা তীব্র রকমের সুদর্শন!

শুভ্রদগ্ধ সাদা গায়ের রঙ, আর তীক্ষ্ণ মুখাবয়ব। একটা নিষ্ঠুর পুরুষের চোখের পাপড়িগুলোও বুঝি এতটা ঘন আর বড় হতে পারে? ছুরির ফলার মতো ধারালো নাক আর নিখুঁত চোয়ালের হিংস্রতার আড়ালে বাহ্যিক এমন মোহনীয় সৌন্দর্য বিবেচনা করলে যে কেউ ভুল করে ধরে নিবে—এই পুরুষ কোনো আন্ডারওয়ার্ল্ডের মাফিয়া না, বরং বিশ্ব কাঁপানো কোনো পপ তারকা!

—লুকিয়ে লুকিয়ে দেখার কি আছে সুইটহার্ট! দেখার হলে কাছে এসে মন ভরে প্রাণ ভরে দেখো।ট্রাউজার খোলবো??সুবিধা হবে।

ইউভান সত্যিই খোলার প্রস্তুত নিলো।কড়াক চাহনিতে কেঁশে উঠলো রোজ।নজর এড়ালো না ইউভানের প্যান্টের নিচের কেলভিন কেলিন ব্র্যান্ড এর শর্ট প্যান্ট এর কিঞ্চিৎ উর্ধ্বাংশ।রোজ লজ্জায় আড়ষ্ট হয়ে এলোপাতাড়ি গায়ে ওড়না জড়িয়ে এক প্রকার ছুটার মধ্যেই হেঁটে চলে গেলো।ঠোঁট কাঁমড়ে হাসলো ইউভান।

—বান্দীটা দেখছি লজ্জাও পায়!

“““`~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

.

.

বাহিঃরাগত পরিবেশে তখনো ঝড়ো হাওয়ার দাপট কমেনি বৈকি বেড়েছে।বরং সময়লগ্নের সীমারেখার সাথে সাথে তা আরও বেশি তীর্যক রূপ ধারণ করছে।

আলবার্ট ম্যানশনের বিশাল রান্নাঘরে এতক্ষণ আলোয় ঝলমল করছিলো। লিসা রাতের সব কাজ শেষ করে, ইউভানের আসার খবর না জেনেই হায়ার রুমে গিয়ে তার আর রোজের ডিনারটা দিয়ে এসেছিলো। অতঃপর ঘড়ির কাঁটা সাড়ে নয়টা পেরোতেই লিসা রান্নাঘরের মূল লাইটগুলো অফ করে নিজের রুমে চলে যায়। পুরো নিচতলা তখন আবছা অন্ধকারে নিমজ্জিত।

​রাত প্রায় পৌনে দশটার কাছাকাছি সময়।

​মেইন ফটক দিয়ে দামিয়ান ম্যানশনের ভেতর প্রবেশ করলো। ল্যাবরেটরি থেকে ফেরার পথেও ইউভান দামিয়ান মাত্রাতিক্ত নেশা করে ফেলে।তাই ইউভান চটজলদি এসে শাওয়ার নিয়ে নিয়েছে।এমনিতেও ইউভানের বাহ্যিক দেহে ড্রা*গের প্রভাব তেমন একটা না পড়লেও দামিয়ানের শরীরে পূর্ব থেকেই তীব্রভাবে পড়ে। তার ওপর আজ উত্তে*জনার বশে অ্যালকোহলের সাথে ট্যাবলেট মিশিয়ে অতিরিক্ত খেয়ে ফেলেছিলো দু’জনেই। ইউভান ম্যানশনে ফিরে আসলেও দামিয়ানকে যেতে হয়েছিলো তাদের ‘গ্রুপ-সি’ এর আওতায় থাকা হোটেল গ্র্যান্ডে। কিছু অত্যন্ত জরুরী সিক্রেট ফাইল অ্যানালিসিস করার জন্য। আর সেই কারণেই দামিয়ানের ফিরতে এতটা বিলম্ব হলো।

​লিভিং রুমে পা রাখতেই তীব্র গরম আর ড্রা*গের তীব্রতায় হিতাহিতজ্ঞানশূন্য হয়ে স্পাইডার গ্যাংস্টার ক্রেজি ব্রিস্ট গায়ের শার্টটা আর হাতের ফাইলগুলো এক ঝটকায় সোফার ওপর ছুঁড়ে মারলো। আপাতত দেহে পিষ্ট হয়ে আছে কেবল একটা ধবধবে সাদা আন্ডারশার্ট! বাহিরে ঝড়ো হাওয়া বইলেও দামিয়ানের ভেতরের র*ক্তকণিকাগুলো যেনো ফুটন্ত লাভা হয়ে আছে। ডাইনিং স্পেসে এসেই একহাতে এসি-র রিমোটটা তুলে নিয়ে টেম্পারেচার একদম সর্বনিম্ন কমিয়ে দিলো। আজ কপালটাই খারাপ, কিছুক্ষণ আগে গাড়ির ডোর লক লাগাতে গিয়ে ডানহাতে একটা গভীর ভাবে কেঁটে গিয়েছে।যেখান থেকে এখনো চুইয়ে চুইয়ে খানিক র*ক্ত পড়ছে।সেদিকে তার বিন্দুমাত্র খেয়াল নেই। কি ভেবে জেনো অন্যহাতে থাকা বিয়ারের ক্যানে শেষ চুমুক দিতে দিতে অস্থির পায়ে এগিয়ে গেলো অন্ধকারচ্ছন্ন রান্নাঘরের দিকে।

​রান্নাঘরে প্রবেশ করেই দামিয়ান বড়সড় ডাবল-ডোর ফ্রীজটা টেনে খুললো। ফ্রীজের ভেতরের মৃদু, হলদেটে আলোটা এসে পড়লো চওড়া পিঠ আর পেশীবহুল অবয়বের ওপর। ঠিক সেই মুহূর্তেই, পেছনের ঘুটঘুটে অন্ধকার থেকে অত্যন্ত সুমিষ্ট ও কোমল এক নারী কণ্ঠস্বর ভেসে এলো দামিয়ানের কর্ণকুহর জুড়ে।

—লিসা, কফি মেকারের জারটা কোথায় রেখেছো?

​হঠাৎ কোনো মানবীর কণ্ঠ শুনে নেশার ঘোরে থাকা দামিয়ান এক ঝটকায় পেছনে ফিরে দাঁড়ালো। আর ঠিক তখনই ঘটলো এক অনাকাঙ্ক্ষিত অঘটন! অন্ধকারে কিছু না বুঝতে পেরে হায়া ফ্রীজের দিকে এগোচ্ছিলো ফলে দামিয়ান ঘুরতেই হায়ার কপালটা সরাসরি গিয়ে আঘাত করলো দামিয়ানের পাথরের মতো চওড়া বক্ষঃস্থলে!

​আকস্মিক পুরুষালী স্পর্শে রমণীর সর্বাঙ্গ এক অজানা বিদ্যুদ্বেগে শিউরে উঠলো। অন্ধকারে কোনো পুরুষের এত বিশাল আর চওড়া বক্ষঃস্থল দেখে আঁতকে উঠে নিজের মাথাটা ওপরে তুললো। ফ্রীজের হালকা আলোয় দামিয়ানের অবয়ব স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিলো না, তবে দেহের তীব্র ঝাঁঝালো অ্যালকোহল আর মেল-পারফিউমের গন্ধ হায়ার মস্তিষ্ক অবশ করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিলো এই মুহূর্তে। দামিয়ান নেশার তীব্র ঘোরে বুদ হয়ে খাড়ালো অক্ষীদ্বয় দুটো পিটপিট করে হায়ার দিকে তাকানোর চেষ্টা করলো। কিন্তু চোখের সামনে হায়ার মুখাবয়ব তখনো ত্রিমাত্রিক ও অস্পষ্ট দেখাচ্ছে। যেন একটা মেয়ের অবয়বে চার-পাঁচটা প্রতিচ্ছবি ভাসছে!

​অস্বস্তিতে হায়া দুই পা পিছিয়ে গেলো।একহাতে তখন একটা জলের বোতল ধরা। ফ্রীজ থেকে ঠান্ডা জল নিতে এসেছিলো রমণী। দামিয়ানকে ওভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে কিছুটা রাগান্বিত হয়ে আত্ম অস্বস্তি আড়াল করে ঠেলে সরিয়ে দেওয়ার ভঙ্গিতে বললো।

​—সরুন তো সামনে থেকে! রাস্তা ছাড়ুন!

​হায়া ফ্রীজের ভেতরে দৃষ্টি ফেলে দেখলো সেখানে কোনো ঠান্ডা জলের বোতল নেই। লিসাকে বারবার বলেছিলো আবহাওয়া যেমনই হোক, ফ্রীজের কনকনে ঠান্ডা জল ছাড়া হায়ার তৃষ্ণা মেটে না, বক্ষঃস্থল শুকিয়ে কাঠ হয়ে থাকে।

​দামিয়ান একহাতে পাশের কিচেন কেবিনেটটা শক্ত করে চেপে ধরলো। মাথাটা চুলগুলো জোরে একটা ঝাঁকুনি দিয়ে নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে আনার আপ্রাণ চেষ্টা করলো। কিন্তু না!নেশার প্রভাব মূহূরর্তে মেরুদণ্ড বেয়ে মস্তিষ্কের প্রতিটি রন্ধ্রে রন্ধ্রে অজানা উন্মা*দনা তৈরি করছে। এই মুহূর্তে একটা ঠান্ডা শাওয়ার নেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন।হায়ার দিকে রক্তাভ অক্ষীদ্বয়ে তাকিয়ে ধমকের সুরে জিজ্ঞেস করলো।

—কে তুমি? হু দ্য ফাক আর ইউ?

​হায়া কর্কশ আর মাতাল কণ্ঠস্বর শুনে ভ্রু কুঁচকে চটে গেলো। অবজ্ঞার সুরে বললো, —পাগল হয়ে গিয়েছেন নাকি মিস্টার নাক-উঁচু লোক? কাকে কী জিজ্ঞেস করছেন?আমি কে মানে?

​বলতে বলতেই হায়ার নজর পড়লো দামিয়ানের বামহাতে থাকা বিয়ার ক্যানটার দিকে। জলের তৃষ্ণায় হায়ার বক্ষঃস্থল ফেটে যাচ্ছে। কোনো কিছু না ভেবেই, দামিয়ানের একদম গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে হাত থেকে বিয়ারের ক্যানটা এক প্রকার ছিনিয়ে নিলো। ক্যানটা বাইরে থেকে কতটা ঠান্ডা তা হাতের স্পর্শে অনুভব করেই, এক টানে পুরো বাকি থাকা ড্রিংকসটুকু নিজের গলদেশে ঢেলে দিলো হায়া।

​তীব্র ঝাঁঝালো তরলটা গলায় নামতেই হায়া ক্যানটা পাশে ফেলে দিয়ে বললো।

—-রাহার সাথে আপনার কোনো কথা হয়েছিলো? মেয়েটা আমার ফোন রিসিভ করছে না, মেসেজও সিন করছে না! আমার সাথে এত বড় রাগ করে বসলো? আপনার তো ফিয়েন্সে হয়, একটা কল দিয়ে দেবেন ওকে? আমি একটু কথা বলব।আপনি দিলে ধরতেও পারে।

—আমার ফিয়েন্সে? সিস্টার… ও আমার বোন হয়! তুমি কে বলো তো?

​—কী মানে? আপনি তো মশাই ভীষণ নাটকবাজ লোক! নিজের হবু বউকে এখন বোন বানাচ্ছেন??যদিও আপনাদেরকে দেখতে ভাইবোন-ই লাগে।

​হায়া যতটা সামনে এগিয়ে এলো, দামিয়ানের সামনের কুয়াশা যেন ততটাই কেটে গেলো। ফ্রীজের হলদেটে আলোয় নিখুঁতভাবে অবলোকন করলো হায়ার মুখাবয়ব। হায়ার গড়নে একটা ওভারসাইজড সাদা টি-শার্ট, মাথার চুলগুলো পেছনে পনিটেল করে বাঁধা। দামিয়ান আবেশে হাসলো।নেশার মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এবার হায়ার মস্তিষ্কেও আলতো করে ভর করতে শুরু করেছে।কারণ বিয়ারের তলানিতেও ড্রা*গের তীব্র অংশ মিশে ছিলো!

হায়ার নিজের মাথাটাও এবার হালকা ঝিমঝিম করে উঠলো। একটু পিছিয়ে গিয়ে নিজের কপাল স্লাইড করে নেত্রপল্লব দুটো সরু করে তাকালো।

​দামিয়ান এবার এক কদম এগিয়ে এলো।নীল রঙা দুটো অক্ষীদ্বয় দুটো রমণীর উপর থেকে নিচ পর্যন্ত প্রতিটি খাঁজ খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখলো। অত্যন্ত নিচু, আসক্ত গলায় ফিসফিস করে বললো।

—ইউ আর ড্যাম বিউটিফুল বে… হায়া!

​হায়া শুষ্ক ঢোক গিললো।ড্যানিশ পুরুষটার ডার্ক সোনালী আভার চুলগুলো তখন অবাধ্য হয়ে কপালে এসে পড়েছে। চাহনি হায়ার ভেতরের সমস্ত প্রতিরোধ না অনিচ্ছাকৃতভাবে ভাঙ্গন ধরালো। হায়া কোনোমতে আড়ষ্ট কণ্ঠে বললো।

—ত…থ্যাংকস…

​খিয়ৎক্ষণ মুহূর্তেই দামিয়ানের ভেতরের অশরীয় সত্তা হায়াকে এক তীব্র ধাক্কা দিয়ে দূরে সরিয়ে দিলো। দামিয়ান নিজে তাল সামলাতে না পেরে টলে গিয়ে চেঁচিয়ে উঠলো

—যাও এখান থেকে! দূর হও আমার সামনে থেকে!আমি ভালো মানুষ নই!অ্যাম অ্য ডেবিল।কিছুই জানো না আমার সম্পর্কে।

পরক্ষণেই দামিয়ান পুনঃরাবৃত্তিতে ক্ষিপ্রতায় হায়াকে টেনে বক্ষঃস্থলের খাঁচায় টেনে আনলো। এক ঝটকায় ঘুরিয়ে নিয়ে তাকে কিচেন কেবিনেটের উপর বসিয়ে শক্ত করে চেপে ধরলো।

​—ঠোঁটে কী দিয়ে রেখেছ? লিপগ্লস? ওটা খেলে কি পেট খারাপ হবে আমার?

​হায়ার বক্ষঃস্থল তখন ঝড়ের গতিতে কাঁপছে। বাতাস নেওয়ার চেষ্টায় ঠোঁট দুটো সামান্য ফাঁক হয়ে গেলো। সর্বাঙ্গে ভেতর এখন কেমন যেন এক তীব্র, অবশ করা নেশা ছড়িয়ে পড়ছে। নিজেকে হাপানি রোগীর মতো মনে হচ্ছে,নিঃশ্বাস নেওয়ার জন্য একটা আশ্রয়ের বড্ড প্রয়োজন।

​দামিয়ান একটা বড়সড় দীর্ঘশ্বাস টেনে, সাদা আন্ডারশার্টটা এক ঝটকায় শরীর থেকে খুলে মেঝেতে ছুঁড়ে ফেললো। উন্মুক্ত, ঘামে ভেজা সিক্স-প্যাক আর চওড়া বুক এখন হায়ার ফ্যাকাশে শরীরের সাথে লেপ্টে আছে। হায়ার নিভৃতে নেত্রদ্বয়ের দিকে তীব্র আসক্তি নিয়ে তাকিয়ে শেষ জবান ছুঁড়লো।

​—একটা কিস করি? আই ওয়ান্ট টু টেস্ট ইয়োর লিপগ্লস!

হায়া আটকালো না।ঘোর লেগে নিমজ্জিত হলো দামিয়ানের বক্ষঃস্থলে।সম্পূর্ণ অবচেতনে, কোনো এক অবাধ্য মুহূর্তে দুটো মানব-মানবী একে অপরের দেহের তীব্র ওষ্ঠদাহ মেটাতে ব্যাকুল হয়ে উঠলো। উ*ত্তেজনা আর ড্রাগের তীব্র সম্মোহনে লেপ্টে যেতে যেতে কখন যে তারা দুজন একই মোহগ্রস্ত বৃত্তে এক হয়ে গেলো তা হয়তো তাদের নিজেদেরও জানা রইলো না। অন্ধকার কিচেনের নিভৃত কোণে দুটো অশান্ত দেহের একাকার হয়ে যাওয়া, আর দুটো কণ্ঠের অবরুদ্ধ, উন্মাদের মতো দীর্ঘশ্বাসের সুরে যেন পুরো নীরব আবহাওয়াটাই মুখরিত হয়ে উঠলো।

অতঃপর কাচের জানালা ভেদ করে ঝিরিঝিরি ভারী বর্ষণ বইতে লাগলো।প্রকৃতিও অশান্ত যেনো।ভাগ্যের পরিহাসে দুজনেই নিজেদের অজান্তে এক মারা*ত্মক বিধ্বংসী খেলায় মেতে উঠলো যার কোনো সহজ পরিণতি জানা আছে কিনা জানা নেই। নিয়তির এই অবাধ্য টানে হায়া আর দামিয়ান এমন এক অনাকাঙ্ক্ষিত বন্ধনে জড়িয়ে গেলো যা কল্পনারি উদ্বে।

ঠিক এই সময়টাতেই রোজ রুম থেকে বেরিয়ে এসে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নেমে এলো।হলের লাইট অন করার আগে কিচেন থেকে গুদগুদে আলোর দিকে নজর পড়লো রমণীর।বুঝতে অসুবিধে হলা না যে এটা ফ্রিজের আলো।হায়া যেহেতু রুমে নেই তাহলে কি সে এখানে।দু’কদম এগুতোই রোজের কর্ণকুহর বিস্ফোরিত হলো।আরেকটু এগুতেই দু-ঠোট ফাঁক হয়ে এলো।আঁতকে উঠে মুখে দু’হাত চেপে ধরলো।

—-অ……অসম্ভব!

আকাশের ভারী বিদ্যুৎ কম্পন যেনো কর্ণধার ফাটিয়ে দিলো রমণীর।চক্ষুদ্বয় অবিশ্বাসের ন্যায় হতেই কিছু বুঝতে না পেরে ছুটে পুনঃরায় সিঁড়ির দিকে পাঁ বাড়ালো।অক্ষীদ্বয় হাত তীড়তীড় করে কাঁপতে লাগলো আরও বেশি যখন দেখলো উপরে ইউভান দাঁড়িয়ে আছে।ইউভানকে নিচে নামতে দেখে রোজ ইউভানের পথ আঁটকে ধরে দাঁড়ালো।

—যাবেন না!

—এনি প্রব্লেম জান??ঘামছিস কেনো??আর কাঁপছিস কেনো এভাবে??

#চলবে??

‼️শেষাংশ টা একটা টার্নিং পয়েন্ট কিন্তুু গল্পের। বলেছিলাম।একটা চরিত্র আরেকটার সাথে কানেক্টেড। তাই শেষর দিকে অনেক কিছুই হবে যা তোমাদের অকল্পনীয় হবে।

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply