কি_আবেশে (৪০)
জেরিন_আক্তার
ফাহমিদা খানকে পেছনে থেকে মেরাব প্রথম মা বলে ডাক দিলো,
“মা!”
ফাহমিদা খান তড়িৎ চোখে পেছনে ফিরে মেরাবের দিকে তাকালো। মনে মনে ভাবলো হয়তো এটা তার মনের ভুল। মেরাব উঠে বসে আবারও ডাক দিলো,
“মা!”
ফাহমিদা খান পেছনে ফিরে ভালো করে বসলেন। মনে মনে আওড়ালের মেরাব মনে হয় জ্বরের ঘোরে তাকে ডাকছে।
মেরাব ইতস্তত গলায় আবারও ডাকলো,
“মা বলে ডেকেছি। শুনতে পাচ্ছো না?”
ফাহমিদা খান মেরাবের কপালে গলায় হাত রাখলেন। দেখলেন জ্বর আছে কিনা কিন্তু মেরাবের শরীর ঠান্ডা। ফাহমিদা খান হাত বাড়িয়ে দিয়ে বললেন,
“চিমটি কাটো তো বাবা!”
মেরাব বুঝতে পারলো ফাহমিদা খান এখনও বিশ্বাস করতে পারছে না। আর বিশ্বাস না করাই স্বাভাবিক। মেরাব হেসে ফাহমিদা খানের হাতে চিমটি কেটে বলল,
“আমি সত্যিই তোমাকে মা বলে ডেকেছি।”
ফাহমিদা খান প্রায় কেঁদে দেওয়ার অবস্থায়। তিনি ছলছল চোখে তাকিয়ে বললেন,
“সত্যিই ডেকেছো? বিশ্বাসই হচ্ছে না।”
তিনি খুশিতে আত্মহারা হয়ে উঠলেন। মেরাবকে বললেন,
“আজকে তোমার জন্মদিন। হ্যাপি বার্থডে। আমি না আজকে দুনিয়ার সবচেয়ে সুখী মানুষ। আমার থেকে খুশি হয়তো কেউ নেই।”
“থ্যাংক ইউ।”
“যাও, ফ্রেশ হয়ে এসো!”
মেরাব বিছানায় থেকে নেমে যায়। ফ্রেশ হয়ে ফিরে আসে। এরপরে নিজেকে পরিপাটি করে রুম থেকে বের হলো। সবাই ড্রইং রুমে ছিলো। মেরাব সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামলো। মারুফুল খান বসা থেকে উঠে দাড়িয়ে মেরাবের দিকে দুকদম এগিয়ে এসে বললেন,
“হ্যাপি বার্থডে মেরাব! জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।”
বলেই মেরাবকে জড়িয়ে ধরলেন। মেরাব হেসে বলল,
“থ্যাংক ইউ।”
এর সাথে সাথে মাহিন, সাইদা আর সাদাফ এসে উইশ করে। স্নেহা একটু দূরে দাড়িয়ে থাকে। ওর এই নিয়ে মাথা-ব্যাথা নেই। ও যা উইশ করার আগেই করে দিয়েছে। আর সবার মাঝে এমন ভাব নিলো যেনো ও জানেই না যে আজ মেরাবের বার্থডে।
আরিফুল খান আর সাহারা খানও এসে মেরাবকে উইশ করলেন। মাহিন মেরাবকে একটু দূরে নিয়ে গিয়ে কানে কানে বলল,
“কি ব্যাপার ভাই, তোমার বউ এসে উইশ করলো না কেনো?”
মেরাব বাকা হেসে বলল,
“ও যা উইশ করার আগেই করে দিয়েছে। এমনকি গিফটও দিয়ে দিয়েছে।”
মাহিন গলা খাকারি দিয়ে মারুফুল খানের সাথে কথায় মনোযোগী হলো। মেরাব স্নেহার দিকে তাকিয়ে চোখ মারলো। স্নেহা মুচকি হেসে কাজে মন দিলো।
এই দিন রাতেই মেরাবের বিদেশী এক বন্ধু আয়ান কল দেয়। ওরা দুজনে একসাথেই পড়াশোনা করেছে, এক জায়গায় থেকেছো। মেরাব ওর কল পেয়ে রিসিভ করে বলল,
“কিরে ভাই, কেমন আছিস?”
“তোকে ছাড়া ভালো আছি যে কেমন করে তা শুধু আমিই জানি।”
“ওহ তাই। তাহলে এসে পড়!”
“সামনে বিয়ে। বিয়েটা করেই আসছি।”
“সিরিয়াসলি!”
“হুম। মেরাব তোকে একটা কারণে কল দিয়েছি।”
“কি?”
“ভাই, সামনের উইকে আমার আর লুনার বিয়ে। ওর বাবাকে রাজি করাতে পেরেছি। উনি বিয়েটা তাড়াতাড়ি সেরে ফেলতে চাইছে। যদি আবার পালিয়ে যাই এর কারণে।”
মেরাব খুশি হয়ে বলল,
“কংগ্রাচুলেশন ভাই!”
“কংগ্রাচুলেশন বললে হবে না ভাই, তোকে আসতে হবে।”
“কিহ! আমি এখন আসবো কি করে?”
“টিকিট কেটে প্লেনে করে আসবি।”
“না, ভাই আমার যাওয়া হচ্ছে না।”
“তোকে আরেকবার বলবো, আসবি না?”
মেরাব হেসে বলবো,
“ঠিক আছে, আসবো।”
স্নেহা পাশ থেকে সব কথা শুনতে পায়। মেরাব চলে যাবে এইকথাটা শুনতেই যেনো বুকের ভিতরে মোচড় দিয়ে উঠলো। মেরাব ফোন রেখে স্নেহাকে বলল,
“স্নেহা, আমার বেস্টফ্রেন্ডের বিয়ে। আমাকে যেতে বলেছে মানে যেতে হবে।”
স্নেহা থমথমে গলায় বলল,
“ঠিক আছে। আর কতদিন থাকবেন?”
“এক সপ্তাহ!”
“এর বেশি হবে না তো?”
“না।”
“যদি একটা দিন বেশি হয় তাহলে?”
“হবে না বউ। আমি একটা সপ্তাহই টেনেটুনে থাকবো। আর আমার কি তোমাকে ছাড়া থাকতে ভালো লাগবে বলো!”
স্নেহা অভিমান ভরা কণ্ঠে হলে উঠলো,
“বুঝেছি! আর বলতে হবে না।”
এর দুইদিন পরেই মেরাব টিকিট বুক করে চলেও গেলো। স্নেহা এই ফাকে তার বাবার বাসায় চলে গেলো। অনেক দিন যায়নি। আর মেরাবও বাড়িতে নেই, সেখানে স্নেহা একা বাড়িতে থাকলে ওর মন খারাপ হবে বলে সবাই জোর করেই পাঠিয়ে দিয়েছে ঘুরে আসার জন্য।
আয়ানের বিয়ে হলো বিদেশী কালচারে। বিয়েটা ভালোই ভালোই হয়ে গেলে মেরাব আর রইলো না। টিকিট বুক করে চলে এলো। এয়ারপোর্টে নিতে গেলেন মারুফুল খান। এদিকে স্নেহাও সকাল সকাল খান বাড়িতে চলে এলো। রাতে মেরাবের সাথে লাস্ট কথা হয়েছে এরপরে আর হয়নি। স্নেহাও আর কল দেয়নি। মেরাব আসার খুশিতে রান্না-বান্না করছে। মেরাবের বাড়িতে ফিরতে তাও সন্ধ্যা হবে।
মারুফুল খান দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করার পরে মেরাবকে দেখতে পেলেন না। আবহাওয়া খারাপ থাকার কারণে প্লেন কিছুটা সময় পরে ছেড়েছে।
মেরাব এয়ারপোর্টে থেকে বেরিয়ে মারুফুল খানের সাথে চলে এলো পার্কিং জোনে। ড্রাইভার ড্রাইভ করতে উঠতে নিলে মেরাব বলে সে ড্রাইভার করবে। এরপরে মেরাবই ড্রাইভ করতে উঠে বসলো। মারুফুল খান তার পাশে বসলেন।
আজ বিকেল পেরিয়ে সন্ধ্যা হয়ে এলো। তবুও ওদের কারো আসার নাম নেই। সাদাফ, স্নেহা একেকজনকে একের পরে এক কল দিয়েই যাচ্ছে কিন্তু কেউ ধরছে না।
সন্ধ্যা সাতটার সময় মারুফুল খান আরিফুল খানের ফোনে কল দিলেন। সবাই ড্রইং রুমেই বসে ছিলো। আরিফুল খান কল রিসিভ করে বললেন,
“এই তোরা কই রে? আসবি না নাকি? সবাই কত টেনশন করছে ফোন ধরছিলি না কেনো?”
মারুফুল খান থমথমে গলায় বলে উঠলেন,
“একটু ঝামেলা পড়েছি রে।”
“কি ঝামেলা?”
“এয়ারপোর্ট থেকে আসার সময় গাড়ি এক্সিডেন্ট হয়েছে।”
“কি! কি করে এক্সিডেন্ট হলো?”
“ড্রাইভার ড্রাইভ করার সময় বুঝতে পারেনি রে।”
মারুফুল খান মেরাবের কথাটা লুকিয়ে রাখতে চাইলেন। তিনি দোষটা সম্পূর্ণ ড্রাইভারের উপরে দিলেন। এখন এই মুহূর্তে মেরাবের কথাটা না জানানোই উত্তম।
আরিফুল খান জিজ্ঞাসা করলেন,
“তোরা ঠিক আছিস তো?”
“আমরা কোনোরকম আছি। তবে মেরাব মাথায় ব্যাথা পেয়েছে।”
“আসছি আমি!”
“ঠিক আছে।”
আরিফুল খান কলটা কেটে দিতেই ফাহমিদা খান উদ্বিগ্ন গলায় বললেন,
“কি হয়েছে ভাই?”
“ওরা আসার সময় নাকি ড্রাইভার তাল হারিয়ে গাড়িটা এক্সিডেন্ট করে ফেলেছে।”
ফাহমিদা খান বললেন,
“সবাই ঠিক আছে তো?”
“না, ভাবি। ওরা ঠিক নেই। আমাদের যেতে হবে।”
“মেরাব ঠিক আছে ভাই?”
“ভাবি, আপনি সাথে চলুন। গেলেই দেখতে পাবেন।”
ওদের কয়েক কদম দূরে স্নেহা দাড়িয়ে কাদছে। আরিফুল খান স্নেহাকে ডেকে বললেন,
“যাও তো মা রেডি হয়ে এসো।”
স্নেহা মাথা নত করে ‘হুম’ বলে চলে গেলো। মিনিট পাঁচেক পরে বোরখা, আর সিম্পল হিজাব বেধে নিচে নামলো। আরিফুল খান, ফাহমিদা খান, স্নেহা আর সাদাফ হসপিটালের উদ্দেশ্য চলে গেলো। হসপিটালে এসে শুনতে পেলো মেরাব মাথায় চোট পেয়েছে। অপারেশন থিয়েটার থেকে বের করে কেবিনে দেওয়া হয়েছে। এখন মেরাবকে ঘুমের ইনজেকশন দিয় ঘুম পাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। স্নেহা মেরাবের পাশে চেয়ারে বসে রইলো।
এদিকে আরিফুল খান ড্রাইভারকে খুঁজছেন। মারুফুল খান ড্রাইভারকে ডক্টর দেখিয়ে ওষুধ কিনে দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছেন আর কিছু টাকাও দিয়ে দিয়েছেন।
মেরাবকে পাঁচদিন হসপিটালে রাখা হলো। ব্যান্ডেজ খুলে আজকে ডিসচার্জ করে দিয়েছে। মেরাবকে নিয়ে বাড়ি ফিরছে মাহিন, সাদাফ, আর স্নেহা। মাহিন, সাদাফ সামনে বসেছে। আর স্নেহা, মেরাব ব্যাক সিটে। মেরাব চুপচাপ কোনো কথা বলছে না শুধু স্নেহার দিকে তাকিয়ে আছে। স্নেহা রাগে বুদবুদ করছে। মেরাব সকালে বলে দিয়েছে গাড়িটা ওই এক্সিডেন্ট করেছে। স্নেহা শোনার পর থেকেই কোনো কথা বলছে না। মেরাব তাকিয়ে আছে কিন্তু কোনো কথা বলার সুযোগ হচ্ছে না। বেচারি কষ্ট পেয়েছে অনেক। কিন্তু মেরাবেরই কি করার ছিলো তখন। মেরাব এই সময় স্নেহাকে খোচাতে মাহিনকে বলে উঠলো,
“মাহিন ভাই, জানেন এই বার যখন বিদেশে গিয়েছিলাম তখন কেউ বিশ্বাসই করেনি আমি বিয়ে করেছি বিশেষ করে আমার যে মেয়ে বন্ধু গুলা ছিলো ওরা।”
মাহিন হেসে বলল,
“যে কেউ দেখলেই ভাববে তুমি বিয়ে করোনি।”
সাদাফ হাত বাড়িয়ে মাহিনকে চিমটি কাটলো। মাহিন বুঝতে না পেরে বলে উঠলো,
“মেয়েদের মতো চিমটি মারছো কেনো? তোমার কিন্তু মেয়েলি অভ্যাস হচ্ছে সাদাফ।”
সাদাফ তাজ্জব বনে গেলো। বোঝাতে চেয়েছিলো কি আর না বুঝে বুঝলো কি। সাথে সাথে মেসেজ দিলো–
–দুলাভাই, মেরাব তো স্নেহাকে জেলাস ফিল করাতে এসব বলছে আপনি এতে তাল মিলাচ্ছেন কেনো?
মেসেজ টা লিখে সাদাফ মাহিনকে ইশারা করে ফোনটা চেক করতে বলল। মাহিন তখন ফোন চেক করে পেছন ফিরে মেরাবের দিকে তাকালো। এরপরে সামনে তাকিয়ে মনে মনে বলল,,, হায়রে মেরাব রে! তু্ই একটা জিনিস মাইরি। অসুস্থ হয়েও কাউকে ভালো থাকতে দিচ্ছিস না।
কিছুক্ষন পরেই গাড়িটা খান বাড়িতে এসে থামলো। সবার আগে স্নেহা গাড়ি থেকে নেমে ভিতরে চলে গেলো। মেরাব সেদিকে তাকিয়ে বলল,
“যাও, তোমার দৌড় যে কতদূর আমার জানা আছে। সেইতো আমাকে ধরেই কাদবে।”
বলে রাজার মতো বাড়ির ভিতরে ঢুকলো। মৌ ছুটে এসে ভাইকে জড়িয়ে ধরে বলল,
“ভাইয়া তুমি এখন ঠিক আছো?”
“হুমমম।”
“জানো কত ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম।”
“ধুর পাগলী কিচ্ছু হয়নি।”
ফাহমিদা খান মেরাবকে বসতে বললেন। মেরাব নিজের দিকে তাকিয়ে দেখলো ঘেমে গিয়েছে। সাথে সাথে উঠে দাড়িয়ে বলল,
“পড়ে বসবো। শাওয়ার নিয়ে আসি। কেমন ঘেমে যাচ্ছি।”
“ঠিক আছে যাও।”
মেরাব রুমে এলো। সাথে মৌ মেরাবের রিপোর্ট আর ওষুধগুলো রেখে চলে গেলো। মেরাব রুমে এসে দেখলো স্নেহা শাওয়ার নিতে ঢুকছে। মেরাব স্নেহাকে ডেকে বলল,
“স্নেহা একটু পরে ওয়াশরুমে ঢুকো আমাকে আগে ঢুকতে দাও!”
স্নেহা বের হলো। মেরাব ওয়াশরুমে ঢুকতে ঢুকতে বলল,
“আমার টাওয়াল আর জামাকাপড় দিয়ে যাও!”
স্নেহা কোনো কথা বলল না। চুপচাপ কাভার্ড থেকে জামাকাপড়গুলো বের করে ওয়াশরুমের বাহিরে দাড়িয়ে রইলো। মেরাব একটু পরেই বলে উঠলো,
“কি হলো ভিতরে এসে দিয়ে যাও!”
স্নেহা ভিতরে ঢুকতেই মেরাব হেঁচকা টান দিয়ে স্নেহাকে নিজের কাছে নেয়। ঝর্না দিয়ে পানি পড়তে থাকায় স্নেহা ভিজে যায়। সাথে মেরাবের জামাকাপড়গুলোও ভিজে যায়। স্নেহা সরে যেতে চাইলে মেরাব শাড়ির আঁচল ধরে সেখানেই দাঁড় করিয়ে রেখে দিলো। স্নেহা মাথাটা নত করে বলে উঠলো,
“ছাড়ুন! রোজা আছি। ভালো লাগছে না!”
মেরাব ছেড়ে দেয়। স্নেহা এককোণে দাড়িয়ে রইলো। মেরাব শাওয়ার নিয়ে স্নেহার হাত থেকে টাওয়ালটা নিয়ে বেরিয়ে গেলো। এরপরে স্নেহা শাওয়ার নিয়ে বের হলো।
রাত তখন আটটা,, মেরাব বিছানার হেডবোর্ডে হেলান দিয়ে বসে ছিলো। স্নেহা মেরাবের জন্য স্যুপ নিয়ে এলো। মেরাবকে স্যুপের বাটি দিয়ে নিজে অন্যদিক ফিরে বসে রইলো। মেরাব খাওয়া শেষ করে বলল,
“কালকে সকালে ব্যাগ-পত্র নিয়ে রেডি হয়ে থাকো তো!”
“কেনো? কোথায় যাবো?”
“বাপের বাড়ি যাবে।”
“কেনো?”
“আমি যেতে বলেছি বলে।”
“কেনো বললেন?”
“আমার ইচ্ছে হলো তাই!”
“আপনি সাথে গেলে যাবো!”
“ঠিক আছে।”
দুজনের মাঝেই নীরবতা। স্নেহা কিছুক্ষন চুপচাপ থেকে কাঁদো কাঁদো মুখ করে বলল,
“আপনি খুব খারাপ লোক!”
“আমি আবার কি করলাম?”
“কি করলেন মানে? নিজে ড্রাইভ করে এক্সিডেন্ট করেছিলেন কেনো? জানেন কতটা কষ্ট পেয়েছি।”
“কতটা?”
স্নেহা মেরাবের কাছে এসে বসলো। মেরাবের বুকে মাথা রেখে কাদতে কাদতে বলল,
“অনেক। আমি আর কোত্থাও যেতে দিবো না আপনাকে। আর যদি গাড়ির চাবি হাতে নিয়েছেন তাহলে আমি বাপের বাড়ি চলে যাবো। আর আসবো না। আপনার কোনো কথাই শুনবো না। এই কয়টা দিন আমাকে কষ্টে রেখে তো নিজে ভালোই ছিলেন। আর এখন আপনি কি আমার কষ্ট বুঝবেন?”
মেরাব বাকা হেসে বলল,
“ভারি অন্যায় করেছি। তবে তুমি চাইলে কষ্টটা ভুলিয়েও দিতে পারি। না মানে আর কি….!”
চলবে….
যারা যারা পড়বে অবশ্যই রিএক্ট দিবে।
ভুল-ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। কেউ বাজে মন্তব্য করবেন না। রেসপন্স করবেন!!!!!!
[হেশট্যাগ ব্যবহার ছাড়া কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ]
Share On:
TAGS: কি আবেশে, জেরিন আক্তার
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
কি আবেশে পর্ব ৬
-
কি আবেশে পর্ব ৩৭
-
কি আবেশে পর্ব ৭
-
চোরাবালির পিছুটানে গল্পের লিংক
-
কি আবেশে পর্ব ২৪
-
কি আবেশে পর্ব ১৮
-
কি আবেশে পর্ব ৪
-
কি আবেশে পর্ব ১১
-
কি আবেশে পর্ব ৯
-
কি আবেশে পর্ব ৩