Golpo romantic golpo দ্যা ব্ল্যাক মার্ক

দ্যা ব্ল্যাক মার্ক পর্ব ১


🚫১৮+ এলার্ট🚫
(প্রাপ্তবয়স্ক ও মুক্তমানদের জন্য উন্মুক্ত)
কপি করা কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ🚫

“ভাইয়া আমি কনট্রোল করতে পারতেছি না নিজেকে। আমার এক্ষুনি একটা মেয়ে লাগবে।”

নিশান এহসান ছোট ভাই নিহান এহসানের কথায় একটু বিরক্ত প্রকাশ করে বলে,

“এতো রাতে তুই মেয়ে পাবি কই? আগে থেকে বলতে পারিস নি?”

নিহান ঘরময় পায়চারী করছে। পরনের শার্ট খুলে ফেলেছে সেই কখন! এসির পাওয়ার সর্বনিম্ন দেয়া, তার পরেও ঘামছে নিহান এহসান। নিহানের এমন অবস্থা দেখে নিশান এহসান বলেন,

“কিছুটা দূরে কয়েকটা গলি পেড়িয়েই একটা পতি’তালয় পাবি সেখানে যা।”

এতোটা অস্থিরতার মধ্যেও নিহান রেগে যায়। বড় ভাইয়ে উদ্দেশ্যে বলে,
“আমি পতি’তালয়ে যাবো? আমি? জীবনেও না।”

নিশান এসহান প্রচুর বিরক্ত হয় ভাইয়ের কথায়। সাথে রাগও হয় আগে থেকে বলতে পারেনি ছেলে টা? মুখে বলে,

“এই রাত দুইটার সময় তুই মেয়ে পাবি কই? পতি’তালয় ছাড়া তোর এখন কোন উপায় নেই।”

নিহান কিছুক্ষন চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকে। পরপর শার্ট তুলে কাধে নিয়ে রুম থেকে বেড়িয়ে যায়।

রুম থেকে বের হতে দেখে নিহানের ছোট ভাই নাহিয়ান।

নিহানরা তিন ভাই। আজই কাডানা থেকে ফিড়েছে। জীবনের অনেক বড় একটা সময় কানাডাতে থাকার কারনে তাদের চাল চলনও তেমনই হয়ে গেছে। কানাডার জীবনে নারী আর মানি নিয়ে মজে থাকতো সর্বদা। দেশে ফিড়েও সেই অভ্যাস ছাড়তে পারছে না। তারউপর ‘মাই ফ্লট’ মুভি দেখতে বসেছিলো নিহান। মুভির রোমান্টিক সিন দেখে নিজেকে আর কনট্রোল করতে পারছে না।

উপর থেকে দেখে কেউ বলতেই পারবে না এতো সুদর্শন একজন যুবক নাকি নারীতে আসক্ত। নিহান দেখতে কানাডিয়ান দের মত সুন্দর। উচ্চতাও পার্ফেক্ট, সর্বদা ব্যান্ডের জিনিষ ব্যবহার করে থাকে। এতো সুন্দর একটা জীবনে নিহানেরও একটা খুদ আছে তা হলো নিহানের নিকের পাশের হাড্ডিটার কাছে প্রায় দেড় ইঞ্চির একটা কাটা দাগ রয়েছে।

যদিও সেটা তার সৈন্দর্য আরো চার গুন বৃদ্ধি করে। আর এই সৈন্দর্য তেই পাগল হয় কিছু নারী।

নিহান গাড়ি নিয়ে সোজা নিষিদ্ধ পাড়ায় চলে এসেছে। আসে পাশে তাকিয়ে একবার দেখে কেউ আছে কি না। তারপর গাড়ি পার্কিং করে কিছুটা সামনে যেতেই একজন মধ্যোবয়স্ক লোক এসে বলে,

“স্যার আপনার কি মা’ল লাগবে? টাটকা টসটসা মা’ল পাবেন আমাদের কাছে।”

নিহান কিছু বলে না শুধু লোকটার পিছু পিছু হাটতে লাগে। একটা পুরনো দোতলা বাড়ির মেইন ফটোকে এসে লোকটা থেমে যায়। নিহানকে উদেশ্য করে বলে,

“স্যার ভেতরে গেলেই আপনি রিনা বু্ুবুর দেখা পাবেন। সেই আপনাকে মা’ল দেখিয়ে দিবে।”

নিহান ভেতরে প্রবেশ করে। আশে পাশে তাকাতেই এক মেইলি কর্কশ সুর ভেসে আসে,

“প্রথমবার নাকি?”

“এখানে প্রথমবার।”

রিনা মহিলাটি তাকে একটা রুমে নিয়ে যায়।সেখানে একটি মেয়ে বসে বসে কান্না করছে।নিহান রুমে ঢুকে দরজা লাগিয়ে দেয়।মেয়েটি দরজার শব্দ পেয়ে দরজার দিকে তাকিয়ে দেখে একটি লম্বা,-চৌরা লোক।উজ্জ্বল শ্যামলা গায়ের রং, তীক্ষ্ণ বাদামী চাোখে তার দিকে তাকিয়ে আছে।হালকা গোলাপি ঠোঁটটা বাকিয়ে হাসল।মেয়েটির নাম তুবা রহমান।মেয়েটি অসম্ভব সুন্দরী। দুধের ন্যায় ফর্সা গায়ের রং,চুলগুলা কোমড় পর্যন্ত,গোলাপি ঠোঁটজোড়া,কালো কুচকুচে চোখের মনিজোড়া।নিহান ঠোঁট গোল করে নিঃশ্বাস নেই।মাথা থেকে ঘাম ঝড়ছে।আস্তে আস্তে এগিয়ে আসে তুবার দিকে।

তুবা নিজেকে শক্ত করে চোখের জল মুছে বলে,

“আমার কাছে আসবেন না।এসবের জন্য আমি রাজি নয়।আমাকে তারা বলেছিলো একটা কাজ আছে যেটা করলে টাকা পাবো আর পরে ওরা আমাকে এখানে আনে। আমি এসব করব না। প্লিজ দূ..

তুবা কথাটা শেষ করতে পারেনা আকস্মিক আক্রমণে হাত পা থরথর করে কেঁপে উঠলো তার।নিহান তুবার ঠোঁটে ঠোঁট দিয়ে চু*ষতে থাকে।তুবা নিহানকে সড়াতে চেয়েও ব্যার্থ হয়।নিহান তুবার ঠোঁট কামড়ে দিতে থাকে।তুবা চোখ দিয়ে অশ্রু ঝড়তে থাকে।নিহান তুবার ঠোঁট ছেড়ে জামার চেইনে হাত দেয়।তুবার এবার জোড়ে নিহানকে ধাক্কা দেয়।নিহান একটু দূরে গিয়ে পড়তে পড়তেও বেঁচে যায়।
নিহান রাগে গজগজ করতে বলে,

” সুন্দরীর তো বেশ দেমাগ দেখছি।সব দেমাগ আজ বের করছি।”

নিহান এগিয়ে এসে তুবার জামা একটানে ছিড়ে ফেলে।তুবা দুইহাত দিয়ে শরীর ঢাকার চেষ্টা করছে।নিহান তুবার হাত সরিয়ে উন্মুক্ত গলায় নাক ডুবায়।চু*ষতে থাকো তুবার গলা। নিহান চুমু দিতে দিতে তুবাকে শুয়ে দেয়।তুবা ছটফট করছে ছাড়া পাওয়ার জন্য।নিহান তুবার শরীরে চুমু দিতে দিতে নাভি পর্যন্ত নেমে আসে।
নিহান মাতালো কন্ঠে বলে,

“এটা আমাকে ভীষণ টানছে।”

তুবা অস্থির কন্ঠে বলে,

“ছাড়ুন, আমাকে প্লিজ।”

নিহান ছাড়ার মানুষ না।সারারাত তুবার উপর নি’র্যাতন চালিয়ে গিয়েছে নিহান।মেয়েটা সারারাত ফুপিয়ে কাদছিল।নিহান সেদিকে কোনো ভ্রূক্ষেপ করে না।নিজের কাজ নিজেই চালিয়ে যায়।


শীতের সকালে হালকা হালকা রোদের ছোঁয়া। হালকা হালকা রোদ এসে তুবার মুখে পড়ছে।তুবা একটু একটু করে চোখ খুলে পাশে কেও নেই,মনে স্বস্তি পেল যে লোকটা চলে গেছে।
তুবা শুয়া থেকে উঠে বসে সারা শরীর ব্যাথা হয়ে আছে।সারা শরীরে অসহ্য যন্ত্রনায় চোখ থেকে একফোঁটা নোনাজল গড়িয়ে পড়ে।তুবা উঠে গোসল করতে যাই।গোসল করে বেড়িয়ে দেখে রিনা বেগম রুমে বসে আছে খাবার নিয়ে।
তুবাকে দেখেই শান্ত স্বরে বলে,

“আজকে একটা লোক আসবে চাহিদা মিটাতে মেলা টাকা দিবে। রেডি হয়ে থাকিস।”

তুবা অস্ফুষ্টভবে বলে,

“আমি পারব না।আমি এসব করবো না।আপনারা আমাকে ঠকিয়েছেন আপনারা আমার সাথে জুলুম করেছেন আমি এসব কিছু করবোনা।কালকেও একটা লোক এসে আমাকে অপবিত্র করে দিয়েছে।আমি আর এসব চাই না। আমি চলে যাবো।”

রিনা বেগম বসা থেকে উঠে তুবার চুলের মুঠি ধরে বলে,

“তুই না তোর বাপ সহ করবে।এখান থেকে পালানোর চেষ্টা করবি না খবরদার।”

তুবা ছাড়ানোর চেষ্টা করেও পারছেনা।রিনা বেগম চুল এমনভাবে ধরেছে যে তুবা ব্যাথায় কুকিয়ে উঠছে।
রিনা বেগম তুবার চুলের মুঠি আরো জোড়ে ধরে বিছানায় ছুঁড়ে ফেলে।তুবার মাথার একপাশ ছি’লে র*ক্ত পরছে।
রিনা বেগম দরজা বাইরে থেকে তালা দিয়ে চলে যায়।
তুবা মাটিতে বসে কান্না করতে করতে বলে,

“আল্লাহ আমার জীবনটা এমন কেন বানাইলা?আমার জীবনটা একটু সুন্দর বানাতে পারতা না?এতিম বানাইয়া দুনিয়ায় পাঠাইলা, তারপর পরপুরুষের অপবিত্র ছোঁয়াও দিলা।এমন কেন লিখলা আমার জীবনট।

নিহান বাসায় ফিরেছে কিছুক্ষণ আগেই।বাসায় ঢুকে দেখে তার ছোট ভাই নাহিয়ান এহসান বসে আছে সোফায়।
তাকে দেখে মুচকি হেসে বলে,

“কেমন হলো?”

নিহান হালকা হেঁসে বলে,

“এগুলো আমাদের জন্য জাস্ট ফান ভাই।”

নাহিয়ান হেসে ফেলে।
নিহান শান্ত কন্ঠে বলে,

“নিশান ভাই কোথায়?”

“আমাদের অফিসে গেছে যেটা নতুন খুলেছে এখানে সেটার উদ্ভধন মেইবি আজকে।”

তখনিই নাহিয়ানের ফোনে কল বেজে উঠে দেখে নিশান কল করেছে।নাহিয়ান ফোন কানে দেয়।ওইপাশ থেকে নিশান বলে,

” তুই আর নিহান চলে আয় আজকে। আমি অফিসে আছি।তোদের ছাড়া ভালো লাগছেনা উদ্ভধন করতে, তাই তাড়াতাড়ি আয়।কোনো বাহানা দিবিনা।”
বলেই কল কেটে দেয়।নাহিয়ান নিহান কে বলে,
“আমাদের যেতে বলেছে।”

নিহান বিরক্ত হয়।বিরক্তিকর স্বরে বলে,
“আমি যাবোনা।তুই যা।”

নাহিয়ান মিনতির স্বরে বলে,

“প্লিজ ভাই তুমি না গেলে আমিও যাবোনা।”

নিহান বুঝতে পারে যে আজকে যেতেই বলেছে যেহেতু যাওয়া উচিত। নিহান শান্ত স্বরে বলে,

“আচ্ছা তুই একটু অপেক্ষা কর, আমি ফ্রেশ হয়ে আসছি।”
নাহিয়ান মনে মনে খুশি হয়।নাহিয়ান মৃদুস্বরে বলে,

“আচ্ছা ঠিক আছে। তাড়াতাড়ি আসিও।”

নিহান সিঁড়ি বেয়ে উপরে যায়।নিহানদের বাড়িটা দু-তালা বিশিষ্ট কিন্তু রুমগুলো বড় বড়।সব রুমগুলা গোছানো এবং পরিপাটি করে রাখা হয়েছে।সেখানের মধ্যে নিহানের রুমটা সবচেয়ে বিশাল এবং পরিপাটি। নিহান রুমে ঢুকে কাবার্ড থেকে বাদামী রঙের একটা শার্ট ও ট্রাউজার বের করে নেয়।
ফ্রেশ হয়ে এসে আয়নার সামনে দাড়িয়ে নিজের গলায় একটা কালচে চিহ্ন দেখতে পায়।অজান্তেই ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটে উঠে।
নিহান নিচে নেমে এসে নাহিয়ানকে নিয়ে বেরিয়ে পরে অফিসের উদ্দেশ্য।নাহিয়ানের পড়নে কালো রঙের একটা শার্ট আর ট্রাউজার।নাহিয়ান ফর্সা হওয়ায় কালো রঙটা নাহিয়ানকে বেশ মানিয়েছে।

চলবে ইনশাআল্লাহ

দ্যাব্ল্যাকমার্ক

লেখনীতেআশুনিশু

পর্বসংখ্যা_১

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply