Golpo romantic golpo নয়নার এমপি সাহেব

নয়নার এমপি সাহেব পর্ব ৩১


নয়নারএমপিসাহেব

পর্ব – ৩১
লেখনীতে:- Sanjana’s – গল্পঝুড়ি

তরী অবাক চোখে তাকিয়ে আছে হৃদয়ের দিকে।
ওর চোখে বিস্ময়, ভয় আর অদ্ভুত এক ভরসা একসাথে মিশে আছে। ঘরের অন্যরাও কম অবাক নয়। ড্রয়িংরুমে উপস্থিত সবাই যেন স্তব্ধ হয়ে গেছে হৃদয়ের এমন কথায়। হৃদয় কাউকে সহজে বিশ্বাস করে না এটা সবাই জানে। কিন্তু আজ সে সবার সামনে তরীর পক্ষে দাঁড়িয়েছে তবে এটা নতুন কিছু নয় , তরীর ক্ষেত্রে হৃদয় একটু অন্যরকম সেটা সকলেরই জানা। তবে হৃদয় যে এতটা বাড়াবাড়ি করবে এটা ইব্রাহিম খান, অনিমা বেগম সহ অন্যরা কেউই ভাবতে পারেনি।

এইদিকে তরী হৃদয়ের দিকে হ্যাবলার মত তাকিয়ে আছে দেখে হৃদয় ও ওর দিকে তাকালো কিছুক্ষণ। অতঃপর কয়েক সেকেন্ডের নীরবতার পর হৃদয় ধীরে, গম্ভীর কণ্ঠে বলল,

__ কি বললাম আমি তোকে, নয়ন? তার দৃষ্টি তীক্ষ্ণ।

বেচারি তরী বুঝতে পারছে না কি করবে। এমনটা করা একদমই ঠিক হবে এইটা ও জানে। যদি এইসব নিয়ে অশান্তি শুরু হয়ে যায়, তরী চোখের ইশারায় হৃদয়কে মানা করতে লাগলো।

ঠিক তখনই বিরক্ত কণ্ঠে বলে উঠলেন ইব্রাহিম খান,
__ কি হচ্ছে কি হৃদয়? এইসব কি করছো তুমি?

ছেলের এই অদ্ভুত আচরণে তিনি স্পষ্টই বিরক্ত।কিন্তু হৃদয় যেন কারও কথাই শুনছে না আজ। তার চোখে একই কঠোরতা এবং আশ্চর্যের বিষয় তার সামনে দাঁড়িয়ে কেউই ঠিকমতো কথা বলার সাহস পাচ্ছে না। হৃদয় আবারও চোখ দিয়ে ইশারা করল তরীকে, তবে এইবার কঠিন দৃষ্টিতে।

ব্যস তরীর মানা করার সাহস এক নিমিষে গায়েব হয়ে গেল। অতঃপর ও কাঁপা হাতে গ্লাসটা তুলে নিল। বেচারির বুক ধুকপুক করছে। আজ কি যে হতে চলেছে ও ভাবতেও পারছে না। পরপরই
ছপাৎ শব্দে পুরো গ্লাসের পানি প্লাবনের মুখে ছুঁড়ে মারল ও, কিছু করার নেই এইটা হৃদয়ের আদেশ।

ড্রয়িংরুমে মুহূর্তেই শোরগোল পড়ে গেল। প্লাবনের মাবাবা হতভম্ব হয়ে তাকিয়ে আছেন।

তখনই প্লাবন দাঁতে দাঁত চেপে বলল,
__ হৃদয়, কি করছিস তুই এইসব? আমাকে ছাড়তে বল তোর গার্ডদের। বাড়াবাড়ির সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছিস তুই।

না হৃদয়ের মুখে তখনও কোনো পরিবর্তন নেই ।তার গার্ডরা প্লাবনের দুপাশে দাঁড়িয়ে তাকে শক্ত করে ধরে রেখেছে, যাতে সে উঠে যেতে না পারে।

মুহুর্তেই অনিমা বেগম ছেলের দিকে ছুটে এলেন।

__ কি করছিস তুই হৃদয়?

কিন্তু হৃদয় এবারও কোনো উত্তর দিল না। সে আবার তরীর দিকে তাকাল। তার কণ্ঠ ঠান্ডা শোনাল এবার,

__ এগেইন।

তরী একটু থমকালো মুহুর্তেই। পরপরই পাশের বালতি থেকে পানি তুলে আবার প্লাবনের মুখে ছুঁড়ে মারল।

হৃদয়ও আবার বলল,
__ এগেইন।

তরী আবারও তাই করল। ঘরের সবাই যেন অবিশ্বাস নিয়ে তাকিয়ে আছে। কেউ কিছু বলবে তার আগেই হৃদয় ভয়ংকরভাবে বলল,

__ যতক্ষণ না তোর রাগ শেষ হবে, ততক্ষণ ওর মুখে পানি ছুঁড়ে মারবি। আর এটা আমার আদেশ।
হৃদয়ের চোখের দৃষ্টি কঠিন। সে চারদিকে তাকাল একবার।

__ এই বিষয়ে কেউ কথা বলতে আসবে না। যে আসবে? আমি, ইব্রাহিম খান হৃদয়, নিজ হাতে তার ব্যবস্থা করব। এন্ড আই মিন ইট। হৃদয়ের কণ্ঠে হুমকি স্পষ্ট। অতঃপর সে আবারও বলল ,

__ এগেইন বাবুই।

এইভাবে করতে করতে পনেরোবারের মতো তরী প্লাবনের মুখে পানি ছুঁড়ে মারল। অথচ পাঁচবারের পরেই তরী হাঁপিয়ে গিয়েছিল। ওর হাত কাঁপছে।
কিন্তু হৃদয় তাকে থামতে দেয়নি। আর না এদিকে কেউই হৃদয়কে থামাতে পেরেছে।
না ইব্রাহিম খান, না অনিমা বেগম, না নীলা চৌধুরী কেউই তাকে থামাতে পারেনি। অন্যদিকে প্লাবনের অবস্থা করুণ। এভাবে অপমানিত হতে হবে সে জীবনে কখনো ভাবেনি। রাগে তার শরীর জ্বলছে।

অতঃপর শেষে হৃদয় ধীরে ধীরে প্লাবনের সামনে এসে দাঁড়াল। তার চোখে বরফশীতল দৃষ্টি।

__ আমি আগেই বলেছিলাম তোকে ! আমার ব্যক্তিগত বিষয়ে নাক গলাতে আসবি না। কিন্তু একই ভুল তুই বারবার করেছিস।

হৃদয়ের ঠোঁটে তখন তাচ্ছিল্যের হাসি। অতঃপর সে আবারও বলল,

__ আমি তাও তোকে কিছু বলিনি। কিন্তু এইবার তুই ভুল জায়গায় নজর দিয়েছিস। অতঃপর সে তরীর দিকে তাকিয়ে বলতে লাগল।

__ নয়ন কখনোই আমার কথা অমান্য করে ঐসব জায়গায় যাবে না। এটা আমি খুব ভালো করেই জানি। এতটুকু বলে সে প্লাবনের দিকে ঝুঁকে গেল ,

__ আর তুই হয়তো ভুলে গেছিস! নয়ন আর হৃদি, ওদের দুজনের উপর আমার নজর সবসময় থাকে।তাই ওরা কখন কি করে? সব আমার জানা।
তার কণ্ঠ এবার আরও কঠিন হল,

__এখন সত্যিটা তুই নিজের মুখে স্বীকার করবি?
নাকি আমি সবাইকে প্রমাণ দেখাবো? আমি জানি বাবুই কখনোই ঐখানে যেতে চাইনি। তাই এই নিয়ে কথা বলার কোনো ইচ্ছেই ছিল না আমার। কিন্তু যেহেতু এই বিষয়টা নিয়ে ওকে হার্ট হতে হয়েছে,
তাহলে বিষয়টা আমি ছেড়ে দিতে পারছি না। দাঁত চেপে বলল কথাগুলো সে।

হৃদয়ের কথা শুনে নীলা চৌধুরী অবাক হয়ে বললেন,
__ তুই কি বলছিস হৃদয়?

জবাবে হৃদয় শান্ত গলায় বলল,
__ মনি! এটা খুব বেসিক। নয়ন কখনোই দীঘির পাড়ে যেতে চায়নি। হিজ ইজ ফাকিং লাইং এন্ড তোমার নয়নের গায়ে হাত তোলাটা আমার পছন্দ হয়নি তাও এইসব ইউজলেস বিষয় নিয়ে। কথাগুলো অত্যন্ত স্পষ্ট করে বলল হৃদয়।

মুহুর্তেই সবাই একে অপরের দিকে তাকাল।

অনিমা বেগম চিন্তিত কন্ঠে ছেলেকে উদ্দেশ্যে করে বললেন,

__ তাহলে কি প্লাবন মিথ্যা বলছিল?

জবাবে হৃদয় ধীরে বলল,

__ তোমাদের কি মনে হয় আম্মু? নয়ন মিথ্যা বলছিল? তোমাদের সোকল্ড ভদ্র ছেলে তো কখনো মিথ্যাই বলতে পারে না, তাই না?

প্লাবনের মা তৎক্ষণাৎ উঠে দাঁড়ালেন। উনার কণ্ঠ কাঁপছে,

__ প্লাবন হৃদয় যা বলছে তাই কি সত্যি? তুমিই কি তরীকে ঐ নোংরা জায়গায় নিয়ে গিয়েছিলে?

প্লাবন কিছু বলল না। শুধু মাথা নিচু করে বসে রইল। এই নীরবতাই যেন সব প্রশ্নের উত্তর ।
ঠিক তখনই ইব্রাহিম খান কঠোর কণ্ঠে বললেন,

__ সে যাই হোক না কেন! তাই বলে তুমি এইসব করবে? তুমি কি চাইছো পরিবারটা ভেঙে যাক?

হৃদয় ঠান্ডা দৃষ্টিতে তাকাল তার বাবার দিকে।
_ আমি এইসব পরিবারের ধার ধারি না, আব্বু। তাই আমাকে এসব দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করতে আসবে না, কোনো লাভ হবে না। তারপর প্লাবনের দিকে তাকিয়ে বলল, _ এইবার সে বাড়াবাড়ি করে ফেলেছে। ওর ভাগ্য ভালো যে নয়ন ওর উপর শুধু পানি ছুঁড়েছে।

তারপর হঠাৎ সে শিরিন বেগমের দিকে তাকাল।
তার দৃষ্টি ভয়ংকর। পরক্ষণেই ইব্রাহিম খানের দিকে ফিরে বলল,

__এটা আমার বাড়ি। আমি এখানে কোনো এক্সট্রা ঝামেলা চাই না। তাই ফালতু জঞ্জালগুলো দ্রুত বিদায় করো। নয়তো আমি যদি নিজে জঞ্জাল সাফ করতে নামি, তখন কিন্তু সমস্যা হয়ে যাবে। তার চোখে সতর্কতা। অতঃপর এই বলে সে তরীর হাত ধরে সিঁড়ির দিকে হাঁটা দিল।

তরী হাঁটতে হাঁটতে আস্তে বলল,
__ এখন কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন আবার?

হৃদয় বিন্দুমাত্র ভাবান্তর না করে বলল,
মরতে। তারপর চোখের কোণ দিয়ে তাকিয়ে বলল, তোর কোনো প্রবলেম আছে তাতে?

তরী তৎক্ষণাৎ মাথা নাড়ল যার অর্থ না। তার কোনো সমস্যা নেই।

মুহুর্তেই হৃদয়ের ঠোঁটে হালকা হাসি ফুটল। অতঃপর সে শান্ত ভাবে বলল,
__ গুড।

রাত তখন প্রায় আটটা। খান বাড়ির বিশাল ড্রয়িংরুমটা অদ্ভুত এক নিস্তব্ধতায় ডুবে আছে। চারদিকে নরম আলো জ্বলছে, কিন্তু সেই আলোও যেন ঘরের ভারী পরিবেশটা হালকা করতে পারছে না। সোফার একপাশে গম্ভীর মুখে বসে আছেন ইব্রাহিম খান। তার মুখের রেখাগুলো কঠিন হয়ে আছে, যেন দিনের ঘটনাগুলো এখনও তার ভেতরে ঘুরপাক খাচ্ছে। তার ঠিক পাশেই বসে আছেন অনিমা বেগম। মুখে চিন্তার ছাপ স্পষ্ট। মাঝে মাঝে তিনি একবার হৃদয়ের দিকে তাকাচ্ছেন, আবার একবার তরীর দিকে। আরেক পাশে বসে আছেন নীলা চৌধুরী। উনার মুখের ভঙ্গিমা চিন্তিত।

সামনের সোফায় চুপচাপ বসে আছে হৃদি আর তাহির। ওরাও আজ অস্বাভাবিকভাবে নীরব।
ঘরের মাঝখানে সোফার একদম কেন্দ্রে বসে আছে হৃদয়। তার মুখে সেই চিরচেনা ঠান্ডা, গম্ভীর ভাব।
চোখ দুটো শান্ত, কিন্তু সেই শান্তির ভেতরেও একটা অদৃশ্য কঠোরতা লুকিয়ে আছে। আর তার ঠিক পাশেই গুটিসুটি মেরে বসে আছে তরী। তরীর চোখে মুখে এখনও ভয়ের ছাপ।ও মাঝে মাঝে আড়চোখে চারপাশের সবাইকে দেখছে, আবার মুহূর্তেই চোখ নামিয়ে নিচ্ছে। তার হাত দুটো নিজের ওড়নার প্রান্ত শক্ত করে চেপে ধরে আছে। এতকিছুর মধ্যে ও ভেবেছিল আসল ঘটনাটা হয়তো সবাই ভুলে গেছে, কিন্তু না ও ভুল । কেউই কিছু ভুলেনি।

একদিকে প্লাবন আর তার পরিবার , দুপুরের মধ্যেই তারা খান বাড়ি ছেড়ে চলে গেছে। যাওয়ার আগে প্লাবনের বাবা অবশ্য কিছুটা রাগারাগি করেছিলেন। কিন্তু হৃদয় সেসব একটুও পাত্তা দেয়নি। তার এই ঠান্ডা, নির্লিপ্ত আচরণ দেখে শেষমেশ উনিও আর বেশি কিছু বলেননি।

অন্যদিকে শিরিন বেগম আর ইনায়া তারা তো আরও আগে চলে গেছে। মূলত হৃদয়ের ভয়েই।
কারণ আজ দুপুরে হৃদয়ের চোখে যে রাগটা তারা দেখেছে, সেটা দেখে কেউই আর ঝামেলা বাড়ানোর সাহস করেনি। তাই এখন খান বাড়ির ড্রয়িংরুমে বসে আছে শুধু পরিবারের মানুষগুলো।
কিন্তু তবুও ঘরের ভেতর যেন একটা অদৃশ্য চাপা উত্তেজনা ঘুরে বেড়াচ্ছে। মাঝে মাঝে ঘড়ির টিকটিক শব্দটা পর্যন্ত স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে।
এই নীরবতার মাঝেই হঠাৎ হৃদয় সোফায় হেলান দিল। তার চোখে মুখে বিরক্তি। সে চোখ ঘুরিয়ে একবার ঘরের সবাইকে দেখল। তারপর কর্তৃত্বপূর্ণ কণ্ঠে বলল,
__তোমাদের কারোর কিছু বলার নেই যখন, তাহলে আমাকে এইখানে বসিয়ে রাখার মানে কি অদ্ভুত?

হৃদয়ের ধমকানো স্বরে ড্রয়িংরুমের নীরবতা ভেঙে গেল। শেষমেশ ইব্রাহিম খান নিজেই গলা খাঁকারি দিয়ে বললেন,
__তুমি কিছু বলছো না কেন নিজে ? উনার কণ্ঠে বিরক্তি আর ক্লান্তির মিশ্রণ।

হৃদয় তখন সোফায় হেলান দিয়ে বসে ছিল। তার মুখে আগের মতোই নির্লিপ্ত ভাব। প্রশ্নটা শুনে সে ধীরে ভ্রু কুঁচকাল। অতঃপর নির্লিপ্ত গলায় জবাব দিল,
__ আমি কি বলব? হৃদয়ের কণ্ঠে সত্যিই কোনো আগ্রহ নেই।

ইব্রাহিম খান এবার একটু সামনে ঝুঁকে বসলেন।
__ এই যে এত বড় একটা কাণ্ড করলে! তার জন্য তোমার মধ্যে কোনো অনুতাপ তো দেখতে পাচ্ছি না আমরা?

হৃদয় এক সেকেন্ড চুপ করে রইল। তারপর ঠান্ডা গলায় বলল,
__ অনুতাপ কেন করব, আব্বু? বলেই সে একবার পাশে বসে থাকা তরীর দিকে তাকাল। তারপর আবার বাবার দিকে চোখ ফেরাল।

__ বিয়ে করেছি নিজের ইচ্ছায়। সেখানে অনুতাপ কেন থাকবে? তার কণ্ঠ একদম স্বাভাবিক।

ইব্রাহিম খান এবার স্পষ্ট বিরক্ত হয়ে বললেন,
__ হঠাৎ করে এইভাবে বিয়ে করলে কেন? সেটা অন্তত আমাদের বলো।

হৃদয় এবার সোফা থেকে সোজা হয়ে বসল। তার ঠোঁটের কোণে হালকা একরকম উদাসীন হাসি ফুটে উঠল।
_ আমার বিয়ে করতে ইচ্ছে করেছে! তাই করেছি। আর কোনো কারণ নেই। এতটুকু বলে সে একটু থামল। তারপর আবারও স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বলল, _ এখন তোমাদের ইচ্ছা হলে তোমরা মিষ্টি মুখ করে নাও। আমার তো তাতে কোনো সমস্যা নেই।
ছেলের এমন কথায় ইব্রাহিম খান অবাক হলেন না।
বরং বিরক্তিতে মুখ কুঁচকালেন। নিজের ছেলেকে তিনি হাড়ে হাড়ে চেনেন। হৃদয়ের এই নির্লিপ্ত, একরোখা স্বভাব তার অজানা নয়। তাই এই ধরনের উত্তর তার কাছে নতুন কিছু নয়।
তারপরও মাঝে মাঝে তিনি সত্যিই অবাক হয়ে যান। এই ছেলে সত্যিই তারই সন্তান ? কারণ পৃথিবীতে এমন নির্লিপ্ত আর বেপরোয়া মানুষ খুব কমই দেখা যায়।

এইদিকে হৃদয়ের পাশে গুটিগুটি মেরে বসে থাকা তরী পুরো কথোপকথনটা নিঃশব্দে শুনছিল।ওর বুকের ভেতরটা ধীরে ধীরে কেঁপে উঠছে। কারণ ও এখনো পুরোপুরি বুঝতে পারছে না, হৃদয় সত্যিই কেন ওকে বিয়ে করল?

চলবে।

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply