Golpo romantic golpo যেখানে প্রেম নিষিদ্ধ

যেখানে প্রেম নিষিদ্ধ পর্ব ৩১


যেখানে প্রেম নিষিদ্ধ

#ইশরাত_জাহান_জেরিন

#পর্ব_৩১

আদিব চলে যাওয়ার পর সাঁঝের ভেতরের এতক্ষণের ভয়টা এবার এক চরম অপমানে আর তীব্র ক্ষোভে রূপ নিল। সে আরযানের দিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে নিজের সবটুকু ক্ষোভ উগরে দিতে চাইল, কিন্তু আরযানের সেই বিশাল, দীর্ঘ অবয়বের সামনে তার গলা দিয়ে কোনো শব্দ বের হলো না। আরযান এক কদম এক কদম করে ধীর পায়ে সাঁঝের খুব কাছে এসে দাঁড়াল। দুজনের মাঝে এখন কোনো দূরত্ব নেই, বাতাসের প্রবাহও যেন আটকে গেছে। আরযানের শরীর থেকে বের হওয়া সেই চড়া, দামী ওউড পারফিউমের চেনা ঘ্রাণ সাঁঝের ফুসফুসে ঢুকে তার মস্তিষ্ককে আবার এক তীব্র কালবৈশাখী ঝড়ে কাঁপিয়ে দিয়ে গেল। আরযান কোনো ভূমিকা ছাড়াই সাঁঝের দুই কাঁধ নিজের শক্ত, তপ্ত হাত দিয়ে অত্যন্ত শক্তভাবে চেপে ধরল। তাঁর হাতের সেই বাঁধন এতটাই তীব্র ছিল যে সাঁঝের সুতির শাড়ির কাঁধের অংশটা কুঁচকে গেল।

“আমি তোকে কাল রাতে আর আজ বিকেলে কী বলেছিলাম সাঁঝ? মীর আরযানের কথা কি তোর কানে ঢোকে না? নাকি মেলবোর্ন ফেরত ওই থার্ডক্লাস ছেলের সস্তা প্রশংসা শুনে তোর উড়ে যাওয়ার ডানা গজিয়েছে? এত বড় সাহস তোর হয় কী করে যে তুই আমার চোখকে ফাঁকি দিয়ে অন্য একটা ছেলের সাথে আমবাগানের কোনায় মেমোরি তৈরি করতে আসিস? আমার দেওয়া লক্ষ্মণরেখা পার করার শাস্তি কী, তা তুই এখনো জানিস না?”

সাঁঝের চোখে তখন নোনা জল উপচে পড়ছে, যা পুকুরের নীল আলোয় মুক্তোর মতো চকচক করছে। সে নিজের সবটুকু শারীরিক শক্তি এক করে আরযানের সেই লোহার মতো শক্ত হাত দুটো সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করল, কিন্তু আরযানের সেই পাথরের মতো হাতের বাঁধন এক ইঞ্চিও নড়ল না, বরং আরও কড়া হলো। সাঁঝ কাঁপা অথচ জেদি গলায় বলল,

“ছেড়ে দিন আমাকে আরযান ভাইয়া! আপনি আমার কাঁধে হাত দেওয়ার কোনো অধিকার রাখেন না! আপনি আমার কে? কেন আপনি আমার জীবনটাকে এভাবে বিষিয়ে দিচ্ছেন? আমার কি নিজের একটা বন্ধু রাখারও অধিকার নেই? আমি যার সাথে ইচ্ছা কথা বলব, যার সাথে ইচ্ছা ঘুরব, লেবুর শরবত দেব! আপনি শুধু আমার বড় ভাইয়া, আমার জীবনের ডিরেক্টর বা মালিক নন!”

‘বড় ভাইয়া’ শব্দটা সাঁঝের মুখে শুনতেই আরযানের চোখের ভেতরের সেই শান্ত আগুন যেন এক পলকে এক তীব্র দাবদাহে পরিণত হলো। সে সাঁঝকে এক ঝটকায় নিজের আরও কাছে টেনে নিলেন, এতটাই কাছে যে সাঁঝ আরযানের বুকের ভেতরের সেই দ্রুত, অনিয়মিত এবং তীব্র হৃদস্পন্দন স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছিল। আরযানের তপ্ত নিশ্বাস সাঁঝের কপাল, নাক আর ঠোঁটের কোণে এসে অবাধ্য ঝড়ের মতো আছড়ে লাগছিল। আরযান সাঁঝের মুখের খুব কাছে নিজের মুখটা এনে বুঁদ হয়ে যাওয়া কণ্ঠে বলল,

“বড় ভাইয়া? যদি আমি শুধুই তোর বড় ভাইয়া হতাম সাঁঝ, তবে ওই স্বাধীনকে ঢাকা ছেড়ে পালাতে হতো না। যদি আমি শুধুই তোর বড় ভাইয়া হতাম, তবে এই আদিবকে এক সেকেন্ডে তোর সামনে থেকে কুকুরের মতো তাড়িয়ে দিতাম না। তুই আমার কী, তোর ওপর আমার অধিকার কতটুকু, তা যদি আমি তোকে নিজের মুখে বা নিজের আচরণে বুঝিয়ে দিই সাঁঝ, তবে তুই সেই তীব্রতা সহ্য করার ক্ষমতা এক সেকেন্ডে হারিয়ে ফেলবি। তোর অবুঝ মন তা সহ্য করতে পারবে না। যদি এটা খাঁচায় বন্দি করাও হয় সাঁঝ, তবে মনে রাখিস এই খাঁচার চাবিটা শুধু মীর আরযানের পকেটেই থাকে, আর তুই সেই খাঁচার একমাত্র পাখি। তুই জেদ দেখাতে পারিস, ডানা ঝাপটাতে পারিস, কিন্তু মীর আরযানের সীমানা পার হয়ে উড়ে যাওয়ার আকাশ তোকে আমি কোনোদিন দেব না। তুই শুধুই আমার নজরে থাকবি।”

আরযানের এই নাম না জানা, দমবন্ধ করা তীব্র অধিকারের টান আর চোখের ভেতরের সেই পাগলাটে মায়া সাঁঝের ভেতরের সবটুকু প্রতিরোধ, সবটুকু জেদকে এক সেকেন্ডে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিল। তার শরীরের সমস্ত শক্তি যেন এক মুহূর্তে ভ্যানিশ হয়ে গেল। সে এক অদ্ভুত আবেশে, অবাধ্য অসহায়ত্বে নিজের চোখের পাতা দুটো বন্ধ করে ফেলল। তার অবুঝ, চঞ্চল মন এই জটিল সমীকরণ ডিকোড করতে পারল না এটা কি শুধুই এক বড় ভাইয়ের স্বৈরাচারী শাসন? নাকি এর আড়ালে অন্য কোনো নিষিদ্ধ দমবন্ধ করা টান লুকিয়ে আছে? সাঁঝের হৃদস্পন্দন তখন স্তব্ধ হওয়ার উপক্রম। পরক্ষণেই আরযান নিজেকে চরম আত্মনিয়ন্ত্রণে সামলে নিল। সে অত্যন্ত ধীরলয়ে সাঁঝের কাঁধ থেকে নিজের হাতটা সরিয়ে নিলেন। তাঁর ফর্সা মুখটা তখন কড়া রোদে পোড়ার মতো লাল হয়ে আছে, কিন্তু চোখের সেই গভীরতা একবিন্দু কমেনি। সে তাঁর পাঞ্জাবির পকেট থেকে একটা সিল্কের কালো রুমাল বের করে সাঁঝের গাল বেয়ে পড়া চোখের জলটা অত্যন্ত আলতো করে, মুছে দিয়ে গম্ভীর গলায় বলল,

“নিচের অনুষ্ঠান প্রায় শেষ। কাল সকাল ঠিক ছয়টায় ঢাকার গাড়ি ছাড়বে। তুই এখনই নিজের রুমে যাবি, কান্নাকাটি বন্ধ করবি এবং ব্যাগ গোছাবি। আর ওই আদিবের দেওয়া কোনো স্মৃতি, কোনো প্রশংসা বা কোনো নোটিফিকেশন যেন তোর ফোনে বা মনে না থাকে। যদি থাকে, তবে মীর আরযানের শাস্তি কেমন হয়, তা তুই খুব ভালো করেই জানিস। এবার নিজের রুমে যা।”

সাঁঝ আর একটা শব্দও উচ্চারণ করার সাহস পেল না। সে নিজের শাড়ির আঁচলটা শক্ত করে টেনে নিয়ে অন্ধকারের মাঝখান দিয়েই তীরের মতো দৌড়ে ভেতরের বাড়ির দিকে চলে গেল। আরযান পুকুরঘাটের শ্বেতপাথরের সিঁড়িতে একলা দাঁড়িয়ে রইলেন। আকাশের চাঁদের আলো তখন তাঁর কালো পাঞ্জাবির ওপর এসে পড়েছে, তাঁর ওউড পারফিউমের সুবাস তখনো পুকুরঘাটের বাতাসে সাঁঝের অস্তিত্বের জানান দিচ্ছিল।

পিলুগ্রামের জমিদার বাড়িতে যখন আরযান আর সাঁঝের মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ তুঙ্গে, ঠিক তখনই বাড়ির পশ্চিম ব্লকের পুরনো কাঠের সিঁড়ির নিচে, যেখানে অতিরিক্ত ডেকোরেশনের কাপড় আর আলো নেভানো টেবিলগুলো স্তূপ করে রাখা ছিল, সেখানে জমে উঠছে মীর বাড়ির আরেক অলিখিত গল্প। আর্যা তার সামনেই বসে আছে। আর্যা বলল, “আজকে এই ডায়েরিটা আমি পুড়িয়ে ছাই করে দেব, আরভিদ! তুমি নিজেকে কী ভাবো বলো তো?” অন্ধকার করিডোরের কোণ থেকে আর্যার ফিসফিসানি অথচ ক্ষুব্ধ কণ্ঠস্বর ভেসে এলো। আর্যার পরনে ছিল মেজো খালার পছন্দ করা এক চমৎকার রানি-গোলাপী রঙের জামদানি শাড়ি। খোঁপা করা চুলে জড়ানো জুঁই ফুলের মালা। রাগে আর অভিমানে তাঁর ফর্সা মুখটা তখনো অন্ধকারেও যেন জ্বলজ্বল করছিল। আরভিদ চশমাটা নাকের ডগায় ঠিক করতে করতে অত্যন্ত শান্ত গলায় বলল, “আর্যা, তুমি পলিটিক্যাল সায়েন্সের বেসিক লজিকটা বোঝার চেষ্টা করো। বিয়েবাড়ির ডেকোরেশন, জেনারেটরের রসিদ আর আরযান ভাইয়ার সিকিউরিটি ড্রিল সবকিছুর ওপর নজর না রাখলে আমার ডায়েরির ডেটা ইনকমপ্লিট থেকে যেত। তুমি শুধু শুধু ইমোশনাল হচ্ছ।”

“আমি ইমোশনাল হচ্ছি?” আর্যার চোখ দুটো জলে ভরে উঠল। সে এক কদম এগিয়ে এসে আরভিদের বুকের সামনে দাঁড়িয়ে বলল, “গত তিন দিন ধরে আমি এই শাড়ি গয়না পরে কার জন্য ঘুরে বেড়াচ্ছি? ওই ক্যামেরা আর জেনারেটরের লোকের জন্য? পুরো বিয়েবাড়ির মানুষ আমার রূপের প্রশংসা করল, আর তুমি… তুমি একবারের জন্যও আমার দিকে তাকিয়ে বললে না যে আমাকে কেমন লাগছে! সারাক্ষণ শুধু ওই ডায়েরি আর আরযান ভাইয়ার বডিগার্ডের হিসাব! আমি কি তোমার লাইফের কোনো রিসার্চ সাবজেক্ট, আরভিদ? জোর করে বিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে এসব করবে আমার সাথে?”

আরভিদ এবার কিছুটা অপ্রস্তুত হলো। দুনিয়ার সব থিওরি তাঁর মাথায় খেললেও, নিজের স্ত্রীর এই সরাসরি অভিমানে তাঁর ভেতরের ‘থিওরিস্ট’ পুরুষটা হঠাৎ করেই ভাষা হারিয়ে ফেলল। সে ডায়েরিটা বগলে চেপে ধরে বলল, “আরে, আমি তো মনে মনে ভেবেছি যে তোমাকে… তোমাকে বেশ অন্যরকম লাগছে…”

“থাক, আর মনে মনে ভাবতে হবে না! আমি বিয়ে শেষ হলেই বাবার বাড়ি চলে যাব। তোমার ডায়েরি নিয়ে তুমি সুখে থাকো!” আর্যা তীব্র অভিমানে ঘুরে দ্রুত পায়ে চলে যেতে চাইল। কিন্তু রাগ আর শাড়ির কুঁচি একসাথে সামলাতে পারল না আর্যা। সিঁড়ির নিচের সরু অন্ধকার লবিতে ডেকোরেশনের একটা বড় কাঠের কার্টন রাখা ছিল। আর্যা অন্ধকারের মাঝেই পা বাড়াতেই তাঁর শাড়ির আঁচলটা কার্টনের এক কোণের পেরেকের সাথে আটকে গেল এবং সে ভারসাম্য হারিয়ে পেছনের দিকে পড়ে যেতে লাগল।

“আর্যা, সাবধান!” আরভিদ নিজের হাতের দামী চামড়ার ডায়েরিটা মেঝেতে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে এক ঝটকায় এগিয়ে এলো। ঠিক পড়ে যাওয়ার শেষ মুহূর্তে সে আর্যার কোমর জড়িয়ে ধরে নিজের বুকের সাথে লেপ্টে নিল। পরক্ষণেই এক তীব্র ঝাঁকুনি দিয়ে দুজনে গিয়ে আছড়ে পড়ল পেছনের শক্ত সেগুন কাঠের দেয়ালের ওপর। আরভিদ নিজেকে দেয়ালের সাথে ঠেকিয়ে রাখল, আর আর্যা সম্পূর্ণভাবে আটকে রইল আরভিদের শক্ত দু-হাতের খাঁচায়।

চারপাশটা এক সেকেন্ডে নিঝুম হয়ে গেল। দুজনের মাঝে এখন মাত্র এক ইঞ্চিরও কম দূরত্ব। আর্যার বুকের দ্রুত ওঠানামা আরভিদের শার্টের বোতামে এসে ধাক্কা খাচ্ছিল। আর্যার খোঁপা থেকে খসে পড়া জুঁই ফুলের তীব্র, তাজা সুবাস আরভিদের চশমা পরা চোখের সমস্ত চাতুর্যকে এক মুহূর্তে অবশ করে দিল। আর্যার ভেজা চোখ দুটো আরভিদের ঠোঁটের খুব কাছে এসে থমকে গেছে। আরভিদ স্তব্ধ হয়ে গেল। সে জীবনে প্রথমবার এত কাছ থেকে আর্যাকে দেখল। চাঁদের আলো জানলার গ্রিল গলে আর্যার ঠোঁটের ওপর এসে পড়েছিল, যা দেখে আরভিদের মনে হলো পৃথিবীর সমস্ত ‘পলিটিক্যাল থিওরি’ এই এক জোড়া ওষ্ঠাধরের সামনে চূড়ান্তভাবে পরাজিত।

আর্যা ভয়ে এবং এক অদ্ভুত আবেশে আরভিদের শার্টের কলারটা নিজের ছোট ছোট আঙুল দিয়ে শক্ত করে চেপে ধরল।

“ছেড়ে দাও আমাকে… তোমার ডায়েরি নিচে পড়ে গেছে।”

“ডায়েরি গোল্লায় যাক, আর্যা,” আরভিদ তাঁর জীবনে প্রথমবার এহেন পুরুষালী কণ্ঠে বলল। সে তাঁর চশমাটা এক হাত দিয়ে খুলে অন্ধকারের মাঝেই মেঝের ওপর ছুঁড়ে ফেলে দিল। সে নিজের ডান হাত দিয়ে আর্যার আলগা হয়ে যাওয়া খোঁপাটা খপ করে ধরে তাকে নিজের আরও কাছে টেনে নিল। আর্যার তপ্ত, দ্রুত নিশ্বাস আরভিদের ঠোঁটের কোণে এসে অবাধ্য ঝড়ের মতো কাঁপছিল।

“তুমি জানতে চেয়েছিলে না তোমাকে কেমন লাগছে?” আরভিদের ঠোঁট তখন আর্যার ওষ্ঠাধরের ঠিক ওপরটায় কাঁপছে। “আজকে এই গোলাপী শাড়িতে তোমাকে এতটা সুন্দর লাগছে যে, মীর আরভিদ তেজের এত বছরের জমানো সব থিওরি এক সেকেন্ডে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।” কথাটি শেষ হওয়ার কোনো সুযোগ পেল না। আরভিদ আর এক মুহূর্তও দূরত্ব বজায় রাখল না। সে নিজের সমস্ত জমানো অধিকার, ভালোবাসা আর অবরুদ্ধ আবেগ এক করে আর্যার নরম, কাঁপতে থাকা ঠোঁটের ওপর নিজের ঠোঁট দুটো সঁপে দিল। আর্যা প্রথমে বিস্ময়ে চোখ দুটো বড় বড় করে ফেলল, কিন্তু পরক্ষণেই আরভিদের সেই অনভ্যস্ত তৃষ্ণার্ত ভালোবাসার তীব্রতায় সে নিজের চোখের পাতা দুটো বুজে ফেলল। তার হাতের মুঠোটা আরভিদের শার্টের কলার থেকে আলগা হয়ে আরভিদের চওড়া পিঠের ওপর আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরল। কতক্ষণ কেটে গেল কেউ জানে না। আরভিদ যখন অত্যন্ত ধীরলয়ে আর্যার ঠোঁট থেকে নিজের ঠোঁট সরিয়ে নিল, দুজনেরই নিশ্বাস তখন রীতিমতো রুদ্ধশ্বাসের মতো ওঠানামা করছে। আর্যার ফর্সা গাল দুটো এখন রাগে নয়, লজ্জায় আর ভালোবাসার দহনে একদম লাল হয়ে উঠেছে। সে আরভিদের বুকের মাঝে নিজের মুখটা লুকিয়ে ফেলল। আরভিদ আর্যাকে নিজের বুকের সাথে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে, তার চুলে নিজের ঠোঁট ছুঁইয়ে মৃদু হাসল। মেঝেতে পড়ে থাকা চামড়ার ডায়েরিটার দিকে তাকিয়ে সে মনে মনে বলল, “আজকের রাতের এই চ্যাপ্টারটা শুধু আমার আর আর্যার। এখানে পলিটিক্যাল সায়েন্সের কোনো প্রবেশাধিকার নেই।”

চলবে?

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply