প্রেমবসন্ত_২ ।৬৪।
হামিদাআক্তারইভা_Hayat
গুমোট পরিবেশটা আরও ভারী ভারী ঠেকল নিশার কাছে। কপাল কুঁচকে বারান্দার দিকে তাকাল একবার। ফের চোখ বন্ধ করল, লাভ হলো না। ঘুম ততক্ষণে উড়ে পালিয়েছে। ফোনে সময় দেখল ভোর ৫:১১ মিনিট। এই সময়ে বাইরে একটু ঠান্ডা ঠান্ডা বটে। নিশা মাথার এলোমেলো চুল কোনোরকম খোঁপা করে বের হলো ঘর থেকে। নিচে যদি কাউকে পাওয়া যায় তাহলে তাকে নিয়ে হেঁটে আসা যাবে। কিন্তু তেমন কাউকে নজরে এলো না তার। রান্না ঘরেও আজ মানুষ নেই। নিশা বিশাল বড় সদর দরজা ঠেলে খুলে ফেলল। দরজা চাপিয়ে বাইরে পা বাড়াল। প্রথমে নজরে এলো বাড়ির বিশাল বড় বাগান। সেখানে আজ নতুন গাছ গুলোতে কলি ধরেছে। মুচকি হাসল সে। দারোয়ান এই সাতসকালে নিশাকে দেখে জিজ্ঞেস করল,
“কই যাও আম্মা? এই সাতসকালে একা বের হইছো কেন?”
নিশা বলল,
“একটু হাঁটতে বাইরে যাব চাচা। এদিকের কোচরা নদী কোন দিকে?”
“দক্ষিণ পাড়ায়। বেশি দূরে না। চৌধুরী বাড়ি থেকে ৭-৮ মিনিটের রাস্তা।”
নিশা মাথা নাড়িয়ে বেরিয়ে গেল বাড়ি থেকে। আজ মনটা খুব ভার। সবাই কী সুন্দর সবার জীবন নিয়ে ব্যস্ত। অথচ স্বার্থ আর তার জীবনের কোনো কূল-কিনারা নেই। বাবা জীবনেও এই সম্পর্ক মানবে না সে শিওর। স্বার্থ চাচ্ছে বাইরে সেটেল হবে কিন্তু এখন এসব কোনো ভাবেই সম্ভব নয়। কাল স্বার্থর সাথে বেশ ঝগড়া হয়েছে তার। লোকটা বেশি পাগলামো করে। এত বড় একটা ছেলের বাচ্চামো মানায়? নিশা কপাল কুঁচকে হাঁটা শুরু করল। শিশির ভেজা ঘাসের উপর হাঁটল বেশ খানিকক্ষণ। সামনেই নদী, আর ঠিক তার দুই পাশে বসার জন্য ইট-সিমেন্টের তৈরি ব্রেঞ্চ। সে বসল সেখানে। কাল রাতের পর স্বার্থ একটাবারের জন্যেও তাকে কোনো কল কিংবা মেসেজ করেনি। মুখ বাঁকাল সে।
••
প্রায় দুপুর গড়িয়ে বিকেলের দেখা মিলেছে। আজ রাতেই মাশফিকে চৌধুরী স্ত্রীকে নিয়ে ফিরে যাবেন। অর্ণ না থাকায় তার চাপ বেড়েছে। আদালও বাবার সাথে ফিরে যাবে বলে ঠিক করা হয়েছে। কায়নাত আদালের ঘরে এসে উকি-ঝুঁকি মারছিল। আদাল বারান্দায় দাঁড়িয়ে কপাল কুঁচকে দেখছিল ভাবির কাণ্ড। কায়নাতের আকর্ষণ পেতে হালকা কেঁশে উঠল সে। কায়নাত চমকে তাকাল পেছনে। আদালকে দেখতে পেয়ে শান্ত হলো মন। এগিয়ে গেল বারান্দায়। আদাল বলল,
“কিছু বলবেন ভাবি?”
কায়নাত ওড়না দিয়ে মুখের ঘাম মুছে বলল,
“খুব গরম পড়েছে।”
“ঘরে গিয়ে বসুন না?”
“না না, ঘরে দম বন্ধ হয়ে আসে।”
“ছাদে যাবেন?”
“যাওয়া যায়।”
আদাল মুচকি হেসে কায়নাতকে নিয়ে বের হলো ঘরের বাইরে। আস্তে-ধীরে উঠে এলো ছাদে। সেখানে এসে দোলনায় বসল দুজন। কায়নাত বুক ভরে শ্বাস টানল।
ডাকল মৃদু গলায়,
“ভাই!”
“হু?”
“কী ভাবলেন?”
“কিছুই নয়।”
“বাবা কিন্তু ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মনের উপর জোর করে নিজেদের ক্ষতি করবেন না। নিশা আপুর ব্যাপারটাও ভাববেন।”
“আমি এসব নিয়ে কিছুই ভাবিনি। ভাবতেও চাই না। নিশা আমার বোন। যে বুকে যত্ন করে বড় করেছি সেই বুকে…”
কথা থামল তার। কায়নাত দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল,
“আপনারা বাবাকে এত ভয় পাচ্ছেন কেন সেটাই বুঝতে পারছি না। আমি কী একবার কথা বলে দেখব? কিংবা আপনার ভাইকে বলব বাবার সাথে কথা বলতে?”
“ভয় পাচ্ছি না আমি। ইভেন আমি বাবার কথা সিরিয়াসলি নিইনি কখনোই। ভাবছি কী করা উচিত আমার। সে তো দেশ ছেড়েই চলে গেল।”
কায়নাত দৃষ্টি ঘুরিয়ে এদিক-ওদিক তাকাল। ছাদের দরজার সামনে অর্ণ দাঁড়িয়ে আছে পকেটে হাত ঢুকিয়ে। এই কটা দিনে লোকটা কত কালো হয়ে গেছে। মায়া হলো ওর। অর্ণ এগিয়ে এলো কাছে। আদাল বড় ভাইকে দেখেও না দেখার ভান করে অন্যদিকে তাকিয়ে রইল। কায়নাত বলল,
“সারাদিন বাড়িতে বসে না থেকে নাজনীন ভাইদের সাথে একটু বাইরে গিয়ে হেঁটে এলেও তো পারেন? বাড়িতে সারাদিন ভালো লাগে?”
অর্ণ জোর করে ওদের মধ্যখানে বসে বলল,
“আমি না থাকলে আমার বাচ্চার মায়ের যত্ন কে নেবে?”
আদাল নক ছিঁটকে বলে,
“যাও তো ভাইয়া। কানের কাছে এত পিরিত পিরিত করবে না।”
অর্ণ বলল,
“প্রেমে ছ্যাঁকা খেলে মানুষ ম*দ খায়, পাতা খায়, নেশা করে কিন্তু তুই কী করছিস? লজ্জা করছে না তোর?”
“তুমি আমার সাথে মজা করছ? তোমার বউ তোমার কাছে থাকে বলে উড়ে বেড়াচ্ছ, না থাকলে বুঝবে কেমন লাগে।”
অর্ণ চোখ পাঁকাল। আদাল নেমে গেল ছাদ থেকে। কায়নাত ঠোঁট টিপে হেসে অর্ণর শার্টের হাতায় নাক ঘষল বিড়াল ছানার মতো। অর্ণ কপাল কুঁচকে বলল,
“ঠান্ডা লাগিয়েছ কী করে? কতবার বলেছি এত সকালে গোসল করবে না?”
কায়নাত চোখ পাকিয়ে বলল,
“ইচ্ছে করে করি নাকি? কিছু বলার আগে নিজের কর্ম-কাণ্ডের ব্যপারে দুবার ভাববেন। অসভ্য লোক।”
অর্ণ মাথা চুলকাল। আজ কায়নাতকে নিয়ে সে হসপিটালে যাবে। কাল ওর পরীক্ষা আছে, তাই আজই নিয়ে যাবে ভেবেছে। এই বাড়ি থেকেও আজ যেতে হবে। এই সময়ে মেয়েটার একটু বিশ্রাম দরকার নাহলে শরীর ক্লান্ত লাগবে।
সন্ধ্যার পর অর্ণ বাবাদের সাথেই বের হলো। মাশফিক চৌধুরী ওদের ভাড়া বাড়ির সামনে নামিয়ে দিয়ে চলে গেছেন। চৌধুরী তখনও হইহুল্লোড় লেগে আছে। শুধু মন ভার জয়ার। আজ যখন সে কলেজে গিয়েছিল তখন ওর বান্ধুবীরা খুব খেঁপিয়েছে। আবেগের বয়স টাই অদ্ভূত! কেউ কিছু বললেই হলো, মাইন্ড ওয়াশ করা কোনো ব্যাপারই না। জয়া নাজনীনের ঘরে কাপড় পাল্টে সবে বসেছে বিছানায়। এমন সময় নাজনীন এলো বাইরে থেকে। ঘামে পুরো শরীর ভিজে গেছে প্রায়। জয়াকে দেখেও কিছু বলল না সে। চুপচাপ জামা কাপড় নিয়ে ওয়াশরুমে ঢুকল। বের হলো খানিকক্ষণ পরেই। জয়াকে একই ভাবে বসে থাকতে দেখে জিজ্ঞেস করল,
“কিছু হয়েছে? মন খারাপ কেন?”
জয়া বলল,
“কিছু হয়নি।”
“এত চুপচাপ যে?”
জয়া দাঁত কটমট করে বলল,
“আমার জামাই বুড়ো হোক কিংবা জোয়ান সেটা আমার ব্যাপার। এসব নিয়ে অন্যরা কেন কথা বলবে? আজ একজনের চোয়াল বরাবর দু ঘা বসিয়ে দিয়েছি একদম।”
নাজনীন চোখ বড় বড় করে বলল,
“মানে?”
“আজ কলেজের মেয়েরা আপনাকে নিয়ে বাজে কথা বলছিল। আপনি নাকি আমায় জোর করে বিয়ে করেছেন। আবার বলে আপনার বয়স বেশি। আপনার সাথে আমাকে মানায় না।”
নাজনীন শান্ত গলায় বলে,
“তোর কী মনে হয়?”
“আমার কী মনে হবে? আমার তো আমার জামাইকে ভালোই লাগে। অন্যদের পছন্দ না হলে আমার কী? জানো? আজ ভীষণ রাগ উঠেছিল। তুনুর গালে ঠাস ঠাস করে দুটো চড় মেরেছি।”
“তাই আজ কলেজ থেকে ফোন এসেছে। কাল আমায় দেখা করতে বলেছে।”
“কাল আমি কলেজে যাবোই না।”
“এটা ঠিক হয়নি জয়া। তাদের পছন্দ হবে না বলেই গায়ে হাত তুলতে হবে? এই ছটফটে স্বভাব কবে বদলাবি? এখন তো তুই ছোট নেই। বড় হয়েছিস, বিয়েও হয়েছে আর কদিন গেলে কোলে ছোট ছোট ছানা আসবে। এখন এসব বাচ্চামো মানায়?”
জয়া ফ্যালফ্যাল করে তাকাল ওর দিকে। কায়নাতের কথা মনে হলো ওর। সঙ্গে সঙ্গে ঝাঁপিয়ে উঠল। নাজনীনের হাত চেপে ধরে বিছানায় বসাল।
“দাদির প্রথম বাচ্চা কত বছর বয়সে হয়েছিল জানো?”
“তাতে তোর কী?”
“বদলের মতো কথা বলবে না। কী বলতে চাইছি জানো না?”
নাজনীন জয়ার মাথায় চাপড় মেরে বলল,
“আজ থেকে তুই সুহার সাথে থাকবি। আমার ঘরের আশেপাশে আসবি না।”
জয়া মুখ বাঁকিয়ে নিকটে এগিয়ে এলো। একদম শরীর ঘেঁষে। বলল,
“একদিন দূরে থাকলে তো পাগল হয়ে যাও। আজ আবার ঢঙ করছ কেন? গেলে কিন্তু সত্যি-ই আর আসব না।”
“তাই বলে শরীরে এমন করে হাত দিচ্ছিস কেন? হাত সরা বেয়াদব!”
জয়া শুনলে তো? সে তার পাগলামিতে অটল মানবী। নাজনীন কী আর পারে বউকে দূরে রাখতে? মুখে যতই পটোর পটোর করুক, দিন শেষে এই মেয়েতেই তো সে আবদ্ধ।
•••
ঘুটঘুটে অন্ধকার তখনও। অর্ণর ভাড়া বাসা থেকে মসজিদ টা অনেকটাই দূরে। ভোর বেলা সেখানে যাওয়া প্রায় অসম্ভব। অর্ণর একটা অভ্যাস পরিবর্তন হয়েছে। ছেলেটা আগের মতো নেই। বউয়ের লিউটামি করতে করতে বউয়ের সব কথা মানতে বাধ্য হয়। সে নামাজে দাঁড়িয়েছে ঘরের এক কোনায়। ফ্যানের মৃদু শব্দে ঘরটা বড্ড ভারী ভারী ঠেকছে। কায়নাত পিটপিট করে চোখ খুলল। রাতে জ্বর এসেছিল খুব। শরীরটা ভালো না; অথচ আজ পরীক্ষা আছে। সে দেখতে পেল ঘরের এক কোনায় জায়নামাজে দাঁড়িয়েছে অর্ণ। কায়নাত কাঁথা দিয়ে মুখ ঢেঁকে চোখ টুকু খোলা রাখল। মুচকি হেসে তাকিয়ে রইল তার দিকে। কখন যে অর্ণর নামাজ শেষ হয়েছে তার খেয়াল নেই। অর্ণ দোয়া পড়ে ওর মাথায় ফুঁ দিয়ে দিল। মাথায় হাত বুলিয়ে বলল,
“জ্বর কমেছে অনেকটা। হাত-মুখ ধুইয়ে কষ্ট করে একটু পড়তে বসো।”
কায়নাত মাথা নাড়ল। সে ফ্রেশ হতে গেলে অর্ণ আটা বের করল রুটি বানানোর জন্য। কায়নাত বিছানায় এসে বই খুলল। ভান করল পড়ার জন্য। অর্ণ রুটি বানিয়েছে মোট ৪টা। ৩টা সে খাবে আর একটা কায়নাত। কায়নাত নাক কুঁচকে তাকিয়ে রইল সেদিকে। কী বিশ্রী দেখতে হয়েছে রুটি গুলো। কোন কোন দেশের মানচিত্র আর্ট করেছে সেটা সে নিজেও বুঝতে পারছে না।
অর্ণ রুটি আর আলু ভাজি করতে করতে সকাল ৭টার বেশি বাজিয়ে ফেলেছে। কায়নাত খাওয়ার আগে বলল,
“কাল থেকে আপনাকে এত কষ্ট করতে হবে না। আমি করে নেব।”
“বেশি পাঁকামো করো নাতো! চুপচাপ খেয়ে একটু পড়ো।”
আজ আলু ভাজি খাওয়ার যোগ্য মনে হলো। ভালোই হয়েছে। যদিও রুটি সামনে আনতে অর্ণ একটু লজ্জা পেয়েছিল। এত সুন্দর রুটি কারোর সামনে পরিবেশন করলে সম্মান হাজারগুণ বেড়ে যাবে নিঃসন্দেহে। কায়নাত হাসি আটকে খাওয়ায় মন দিল। খাওয়া দাওয়া দেশে অর্ণ মাথায় তেল দিয়ে খোঁপা করে দিল। তৈরি হয়ে ছুটল হলে। কায়নাত হলে ঢোকার পর রাস্তায় দেখা হলো ভাই-বোনদের সাথে। নিশারা সবাই অপেক্ষা করছিল ভাইয়ের। ওদের দেখে অর্ণ এগিয়ে গেল দোকনের ওদিকে। প্রেম বলল,
“কী ব্যাপার ভাইয়া? তুমি দেখি পারলে বউয়ের পিছু পিছু পরীক্ষার হলেই ঢুকে যাও।”
নিশা মুখ বেঙ্গ করে বলল,
“তুমি চুপ করো ভাইয়া। যে কাজে এসেছি সেটা করো।”
নিচ থেকে ছোট্ট আদি গরমে হাঁসফাঁস করে বলল,
“আমার গরম লাগছে মামু। লাল পানি কিনে দাও একটা।”
প্রেম চোখ বড় বড় করে বলল,
“কীসের পানি?”
“লাল পানি।”
“এটা তোকে কে চিনিয়েছে?”
“স্বার্থ ভাই বলেছে। কিনে দাও এখন।”
নিশা দাঁত কটমট করল। অর্ণ ফোঁস করে চাপা নিশ্বাস ফেলল।
“স্বার্থ ফ্রি আছে না?”
প্রেম মাথা নড়িয়ে বলল,
“শুনেছি তো ফ্রিই আছে। কী করবে?”
“কল দে।”
প্রেম নিজের ফোন রেখে নিশার ফোন কেড়ে নিল। কললিস্ট ঘেটেও ওর নাম্বার পেল না। কপাল কুঁচকে বলল,
“তোর ভবিষ্যৎ জামাইয়ের সাথে ঝগড়া লেগেছে নাকি? নাম্বার কই?”
নিশা মুখ বাঁকিয়ে একটা নাম্বার বের করে দিল। প্রেম গোল গোল চোখে পরখ করল সেই নাম। “বল্টুর আব্বা” নামে সেভ করা ওর নাম্বার। প্রেম কেঁশে উঠল নাম দেখে। কিছু বিড়বিড় করে কল লাগাতেই প্রায় কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে রিসিভ হলো ফোন। প্রেম কিছু বলার জন্য মুখ খুলেছে সবে, তার পূর্বেই স্বার্থ গড়গড় করে বলল,
“সোনা, কাল রাতে আমার মাথা ঠিক ছিল না। আর কোনোদিন তোর সাথে ঝগড়া করব না। তুই যদি বলিস, তোর বজ্জাত ভাইয়ের পা জড়িয়ে ধরে বসে থাকব আজীবন, তাও রাগ করিস না সোনা।”
অর্ণ গমগমে গলায় বলল,
“তোকে ল্যাংটা বানিয়ে তোর শ্বশুর বাড়ির এলাকা ঘোরাব হারামি। আজই খুলনা তোকে দেখতে চাই আমি। তোকে মাটিতে না গা*ড়া অব্দি আমার শান্তি হবে না।”
ওপাশ থেকে বেশ খানিকক্ষণ নীরবতা চলল। খানিকক্ষণ পর মিনমিন গলায় বলল,
“তোর কণ্ঠ তোর বজ্জাত ভাইয়ের মতো লাগছে কেন সোনা? তুই-তুকারিও করছিস আবার? আমি কিন্তু সত্যি ছাদ থেকে লাফ দেব এবার?”
অর্ণ কপালে আঙুল ঘষে বলল,
“তোকে শুধু সামনে পাই, তোর খবর করে ছাড়ব আমি।”
( গত দুদিন আগে জ্বর ঠান্ডা লেগেছে। কিছুতেই ঠিক হচ্ছে না। এই পর্বটা আজকে আমি লিখতাম না, শুধু কথা দিয়েছি বলে সারাদিন ভরে লিখেছি কোনরকম। কালকে আমার লাস্ট প্রাকটিক্যাল আছে, তারপর ফ্রী। ভুল ত্রুটি মাফ করবেন।)
চলবে…?
Share On:
TAGS: প্রেমবসন্ত সিজন ২, হামিদা আক্তার ইভা
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ৫০
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ৩৯
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ৮
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ৩৮
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ১৭(প্রথমাংশ +শেষাংশ)
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ৪৬
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ৬৫
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ৫৬
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ৩৭
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ১৫