Golpo কাজরী

কাজরী পর্ব ৪৯


#কাজরী-৪৯

#সাবিকুন_নাহার_নিপা

আজ আল্পনার বিয়ে। হাতে সুন্দর ডিজাইন করে মেহেদী পরেছে। রঙটাও গাঢ় লাল এসেছে। গায়ে হলুদের পর আল্পনা নিজেই পায়ে আলতা পরেছিল। সেই পুরোনো সাজ, যে সাজে একদিন সেজেও বউ হতে পারে নি। আল্পনা খানিকটা ভয় পাচ্ছে। আবারও কোনো অঘটন আসবে না তো ওর জীবনে।

বিয়ে উপলক্ষ্যে বাসাভর্তি আত্মীয়স্বজনরা এসেছেন। দু:সম্পর্কের চাচা, চাচী, ফুপু কয়েকজন। ওর আসলে কপালটাই খারাপ। বাবা, মায়ের কাছের তেমন কেউ নেই। অন্যদের বিয়ের সময় আত্মীয়স্বজন ভাই, বোনেরা ঘিরে থাকে। কিন্তু ও একা। আল্পনা পার্লারের লোকজনের কাছেই সাজলো। কাজরীর সঙ্গে শেষবার যে কথা হয়েছে তারপর আশাও রাখে না যে ও বিয়েতে আসবে। আল্পনা দীর্ঘশ্বাস ফেলে। নতুন করে আর কোনো ধরনের খারাপ লাগা তৈরী হয় না। এক জীবনে ও চিরকাল একাই কাটিয়েছে। সুখে, দু:খে কেউই তো পাশে ছিলো না ওর।

“আল্পনা…! “

আল্পনা চকিতে ফিরে তাকায়। বিস্ময়ের সুরে উচ্চারণ করে,

“কাজরী!”

কাজরী হেটে আসে নিজস্ব ভঙ্গিতে। আল্পনা উঠে দাঁড়ায়। ওর পরনে সোনালী রঙের লেহেঙ্গা। মিসেস চৌধুরী এক্সক্লুসিভ কালেকশন থেকে নিয়েছেন। সেই সঙ্গে মিলিয়ে ডায়মন্ড এর গহনা। কাজরী আপদামস্তক দেখে বলল,

“চমৎকার দেখাচ্ছে তোমাকে। “

“থ্যাংকস কাজরী। “

আল্পনা মাথানিচু করেই সংক্ষিপ্ত জবাব দিলো। কাজরী ওর সামনে একটা বক্স রেখে বলল,

“এটা তোমার বিয়ের উপহার। “

আল্পনা বক্সটা হাতে নিলো। খুলে দেখলো উপহার হিসেবে কী আছে। পানপাতা নেকলেস টা। যেটা মন্যুজান খাতুন ও’কে উপহার দিয়েছিলেন। আল্পনা বিস্ময় নিয়ে তাকায়। বলে,

“এটা তো তোমার ছিলো?”

“এখন তোমার। “

আল্পনা আর কোনো প্রশ্ন করলো না। কাজরী এবার আরেকটা উপহার সামনে রেখে বলল,

“এটাও তোমার কাছে থাকুক। “

আল্পনা উপহারটা খুলে দেখে। ওর আঁকা সেই ছবিটা। কাজরী বলে,

“নতুন জীবনের জন্য শুভেচ্ছা রইলো। আমি মন থেকেই চাই তুমি ভালো থাকো। “

আল্পনা মৃদু হেসে বলে,

“এটা ফিরিয়ে দিলে কেন? আমার দেয়া কোনো কিছু নিজের কাছে রাখতে চাও না?”

“আমি তোমার প্রশ্নের জবাব দেব না আল্পনা। আমাদের মধ্যে অনেক তিক্ততা আছে, থাকবে। তবুও তোমাকে আশ্বস্ত করছি যে সজ্ঞানে কিংবা অবচেতনে আমি কখনো তোমার ক্ষতি চাইব না। “

আল্পনার চোখ ভিজে উঠলো। কাজরী আলতো করে ওর গাল ছুঁয়ে দিয়ে বলল,

“বেস্ট অব লাক। “

কাজরী হেটে যায় দরজার কাছে। আল্পনা ডাকে,

“কাজরী শোনো। “

কাজরী দাঁড়ায়। আল্পনা এগিয়ে আসে। একবার জড়িয়ে ধরতে চায়, কিন্তু দ্বিধা দন্দে ভুগছে। অপলক তাকিয়ে থাকে। কাজরী প্রশ্ন করে,

“কিছু বলবে?”

আল্পনা মাথা নেড়ে না বলে।

***

কাজরী ক্লান্তিতে চোখ বন্ধ করে। গাড়ি চলছে মাঝারি গতিতে। গন্তব্য চৌধুরী প্যালেস। দুই দিন আগে এরকম ই এক দুপুরে নিশানের সঙ্গে ও দেখা করতে গিয়েছিল বনানীর এক অখ্যাত রেস্টুরেন্টে। দুজনেই খানিকটা সতর্ক ছিলো যেন লোকচক্ষুর আড়ালে দেখাটা হয়। মানুষের সবচেয়ে বেশী আকর্ষন থাকে নিষিদ্ধ ব্যাপারগুলোয়। নিশানকে বিশ্বাস, ভরসা করা কোনোটাই কাজরীর পক্ষে সম্ভব না। তবুও পরিস্থিতি ভিন্ন। ওর অদম্য কৌতূহলই টেনে নিয়ে গিয়েছিল নিশানের কাছে। নিশান ও’কে বলেছিল,

“কাজরী জানি তুমি আমাকে বিশ্বাস করবে না। ঠিক কোন সিচুয়েশনে আমি ওই ধরনের ভ*য়ংকর কাজগুলো করেছি সেটা আসলে ঠিকভাবে এক্সপ্লেইনও করতে পারব না। “

“আমি এসব শুনতে ইন্টেরেস্টেড না নিশান। তুমি কী এসব কথাই বলার জন্য ডেকেছ?”

নিশান মাথা নেড়ে না বলল।

“একচুয়েলি আমার এখন যে মেন্টাল কন্ডিশন তাতে নতুন করে কিছু করা সম্ভব না। মিস্টার চৌধুরী তার প্ল্যানে সফল হয়েছেন পুরোপুরি। আমার এখন যে অবস্থা তাতে সু*ইসাইড করার কথাও ভাবতে পারি না। মনে হয় যে আমি মরে গেলে কারোর কোনো ক্ষতি হবে না, শিরিন চৌধুরী শান্তিতে জীবন কাটাবেন। তার কোনো গিল্টি ফিলিংও হবে না। ইশান, কিংবা এশনারও জীবনেও কোনো প্রভাব পড়বে না। বরং সবাই রিলাক্স হবে। “

কাজরী মৃদু হেসে বলল,

” তুমি আমাকে শোনানোর জন্য এই স্ক্রিপ্ট রেডি করেছ। গুড জব। “

নিশানকে একটু অস্থির দেখালো। ও বলল,

“আমি তোমাকে শত্রু ভাবি না। আমার খারাপ সময়ে তুমি হেল্প করেছ অনেক। মনে হলো বিষয়টা তোমাকে জানানো উচিত। একচুয়েলি আল্পনাকে বিয়ে করার আইডিয়াটা ইশানের। ইশান আমাকে প্রোপোজাল দিয়েছে যেন এই বিয়েটা করি। বিনিময়ে ও আমার জীবনটা গুছিয়ে দিবে। যেমন করে আমি চাইবো। আল্পনার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে, যতটা ঘৃনা ও অশ্রদ্ধার চোখে তুমি আমাকে দেখো, আল্পনা তার চেয়ে দ্বিগুণ ঘৃনা আমাকে করে। ইটস ন্যাচারাল। এই বিয়েটা একটা ডিল। আল্পনাকে বিয়ে করার মাধ্যমে আমি নিজের স্বার্থ বুঝে নেব। “

কাজরী বিস্মিত হয় না। এরকম কিছু যে হতে পারে সেটা বোধহয় ওর ধারণায় ছিলো। তবুও অবাক হবার ভান করে বলল,

“ইশানের এতে লাভ কী?”

“আই ডোন্ট নো। ইশানের আমার প্রতি তীব্র ক্ষোভ আছে, আগেও ছিলো। আমি তো ভেবেছিলাম আমাকে চিরতরে শেষ করার জন্য ও কিছু করবে। বাট…. একচুয়েলি টোট্যাল ব্যাপারটায় আমি সারপ্রাইজড। “

কাজরী নির্লিপ্ত গলায় বলল,

“আচ্ছা। “

নিশান কৌতূহলী চোখে তাকিয়ে আছে। ভেবেছিল কাজরী ওর কথা শুনে প্রতিক্রিয়া দেখাবে। এমন শান্ত রুপ, নির্লিপ্ত আচরণ ও’কে ভাবাচ্ছে।

কাজরী বলল,

“আর কিছু? তুমি ইশানকে প্রশ্ন করো নি কোনো? “

“করলেও ইশান যে সেটার জবাব দিবে এমন মনে হচ্ছে তোমার? “

“আচ্ছা। আমাকে কেন বলছ? তুমি চাচ্ছ যে আমাদের মধ্যে মিসআন্ডারস্ট্যান্ডিং ক্রিয়েট হোক। “

“একদম না। তোমাদের মধ্যে মিসআন্ডারস্ট্যান্ডিং ক্রিয়েট করিয়ে আমার যে এখন কোনো লাভ নেই সেটা তো জানোই। ইশান এখন ক্ষমতাবান, সম্পদশালী। আর আমি! বিগ জিরো।”

“তাহলে তোমার উদ্দেশ্য কী?”

নিশান একটু নিভলো। খানিক বাদে বলল,

“আমার মনে হলো ব্যাপার টা তোমার জানা উচিত। তুমি চাও না আল্পনার আর আমার বিয়ে হোক, কিন্তু ইশান চায়। এরমধ্যে কোনো ব্যাপার আছে, উদ্দেশ্য আছে। হয়তো তুমিও কানেক্টেড। “

কাজরী মাথা নেড়ে বলল,

“আচ্ছা। ইশানের উপর আমার বিশ্বাস আছে। হয়তো ও আল্পনার আসন্ন বিপদের কথা ভেবে এমন ডিসিশন নিচ্ছে। “

নিশানকে কেমন বিভ্রান্ত দেখালো। কাজরীর মনে হলো কথাটা কেমন বোকা বোকা শোনাচ্ছে। নিশানের সামনে স্বাভাবিক থাকার জন্য কথাটা বললেও ঠিক বিশ্বাসযোগ্য মনে হলো না।

“আমি উঠি। “

“কাজরী এই মিটিং টা সিক্রেট থাকুক। আই থিংক, ইশানের জানা উচিত না যে আমি তোমাকে এই ব্যাপার টা শেয়ার করেছি। “

কাজরী মাথা নেড়ে হ্যাঁ বলল।

****

“ম্যাম নামবেন না?”

“এসে গেছি? ওহ!”

“আপনি ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। আরও বিশ মিনিট আগে এসেছি। “

কাজরী লজ্জিত ভঙ্গিতে হাসলো মধ্যবয়স্ক ড্রাইভার এর কথায়। প্যালেস সেজে উঠেছে নানান ঢঙে। কাজরী লোকজন এড়িয়ে প্যালেসে ঢুকলো। কতোরকম মানুষ যে দেখছে! শিরিনের আত্মীয় স্বজনের অভাব নেই, এশনার কিছু বন্ধু। ইশানের ফ্রেন্ডস জোন পরিবর্তন হয়েছে। আগে যাদের সঙ্গে পার্টি, ক্লাবে দেখা যেত তাদের আজকাল যেন চিনতেই পারে না। তার পরিবর্তে বিজনেস পার্টনার দের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছে।

কাজরী করিঢোরে এশনাকে দেখলো। একজনের সঙ্গে গল্প করছিল। কাজরীকে দেখে দূর থেকে হাত নাড়লো। বিনিময়ে ও স্মিত হাসলো। এশনা দূর থেকে ডাকলো,

“ভাবী এক সেকেন্ড….

এশনার হাতে দুটো শপিং ব্যাগ। বয়স কম হলেও এই মেয়েটা খুব ম্যাচিউরড আচরণ করে। ঢং নেই, অতিরিক্ত অহংকারও নেই। খানিকটা সেল্ফ অবসেসড হলেও সেলফিশ নয়। চৌধুরী প্যালেসে এসে একমাত্র এশনার সঙ্গে কাজরীর কোনো টক্কর লাগে নি।

“কোথায় গিয়েছিলে? সাজবে না? বিউটিশিয়ান এসে বসে আছে। “

কাজরী নরম গলায় বলল,

“আমাকে নিয়ে ব্যস্ত হতে হবে না। আই উইল ম্যানেজ। “

“ভাইয়া তোমাকে খুঁজছিল? নিশান ভাইয়া। “

কাজরীর ভ্রু কুঞ্চিত হয়।

“নিশান আমাকে খুঁজছিলো?”

“হ্যাঁ। আমাকে বলছিল। “

“আচ্ছা আমি কথা বলব। “

কাজরী ব্যস্ততা দেখালো না। সময় দেখলো, সবার মধ্যেই তাড়া এখন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভেন্যুতে পৌছাতে হবে।

কাজরী ঘরে গিয়ে ইশানকে পেল। ইশানকে মনে হলো খুব রিলাক্সে আছে। কোলের উপর ল্যাপটপ রেখে ব্যস্ত ভঙ্গিতে কিছু দেখছিল। কাজরীকে দেখে বলল,

“তুমি কোথায় ছিলে?”

“আল্পনার সঙ্গে দেখা করে এলাম। “

“ওর আঁকা ছবিটা নিয়ে গিয়েছিলে?”

কাজরী আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চুল ঠিক করছিল। সেভাবেই উত্তর দিলো,

“হ্যাঁ। ওটা ওর কাছে থাকুক।”

“বিয়েতে থাকছ তো?”

কাজরী তাকালো ইশানের দিকে। বলল,

“তুমি কী চাও?”

“তোমার যা ইচ্ছে। আমি তোমাকে এই বিষয়ে ফোর্স করব না। “

“ডোন্ট ওরি। আমি যাচ্ছি বিয়েতে। না গেলে তোমাকে অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে। “

ইশান ঠোঁট উল্টে বলল,

“আচ্ছা। “

কাজরী হঠাৎ প্রশ্ন করলো,

“ইশান তুমি কী আমাকে পুরোপুরি বিশ্বাস করো?”

ইশান সরু চোখে তাকালো। প্রশ্নটা শুনে খানিকটা বিভ্রান্ত দেখালো ও’কে। বলল,

“হঠাৎ এই প্রশ্ন?”

“এমনি। তোমার উত্তর না দেওয়ার কারণে আমি উত্তর পেয়ে গেছি। “

ইশান উঠে এলো। কাজরীর কাঁধে হাত রেখে বলল,

“তুমি আমাকে পুরোপুরি বিশ্বাস করো?”

“বোধহয় করি, বোধহয় করি না। “

ইশান সিরিয়াস মুহুর্তেও হেসে ফেলল। বলল,

“তুমি সত্যিই কাজরী? এতো হেয়ালি করে তো কাজরী কথা বলে না। বদলে গেছ নাকি?”

কাজরী উদাস গলায় বলে,

“বদলে যাচ্ছি….

ইশান কাজরীকে নিজের দিকে ঘুরিয়ে বলল,

“বলে ফেলো। “

“কী?”

“তোমার মনে যা আছে। “

কাজরী পলকহীন চোখে তাকিয়ে আছে। ইশান তাকিয়ে আছে জিজ্ঞাসু চোখে। খানিক সময় পরে কাজরী বলে,

“কিছু না। “

ইশান হেসে বলে,

“আচ্ছা।”

কাজরী দূরে সরে গিয়ে বলে,

“আমাকে রেডি হতে হবে। “

“কাজরী শোনো। “

কাজরী ফিরে তাকায়। ইশান বলে,

“তোমাকে সবাই সেলফিশ ভাবে। অথচ তুমি যা করেছ, যা করো সেটা নিজের জন্য না। “

কাজরী জবাব দেয় না। ইশান একটু রহস্যের সুরে বলে,

“তোমার ডিসাইড করা দরকার যে তুমি কী চাও! আর তুমি কী চাও না!”

***

সবাই ভেবেছিল শেষ অবধি কোনো এক অজুহাতে কাজরী বিয়ের মেইন ইভেন্ট ইগ্নোর করবে। কিন্তু এখানেও কাজরী নিজের আনপ্রেডিক্টেবল ক্যারেক্টার এর পরিচয় দিলো। প্রিমিয়াম লাক্সারি ইন্ডিয়ান ডিজাইনারের এক্সক্লুসিভ শাড়ির সঙ্গে হালকা ডায়মন্ডের জুয়েলারিতে সেজে বিয়েতে যখন উপস্থিত হলো তখন ইশানের খালা রোদেলাকে বলল,

“যাই বলো, এই মেয়েই ইশানের পাশে মানানসই। “

রোদেলা মেয়েলী জেলাসি থেকে কাজরীর প্রশংসা সহ্য করতে না পারলেও অস্বীকার করতে পারে না৷ ইশান কাজরীর হাত ধরে আছে। শিরিন খেয়াল করলেন। বেশ স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফূর্ত আছে কাজরী।

আল্পনার অমূলক ভয়টা কেটে গেল বিয়ে হবার পর। এর আগে সারাক্ষণ ভয়ে ছিলো এই ভেবে যে শেষ অবধি বিয়েটা হবে না। একটা কিছু ঝামেলা হয়ে বিয়ে ভেঙে যাবে। ঠিক আগেরবার যেমন শুনেছিল কপাল পোড়া, অলক্ষী মেয়ে। নতুন করে সেই তকমাগুলো লাগবে আবারও গায়ে। কাজরীকে দেখে ওর ভয়টা আরও বেড়ে গেল। কিন্তু শেষ অবধি বিয়েটা হলো। প্রবল অনিচ্ছায় দুজন মানুষ একে অপরের হাত ধরলো।

নিশান কাজরীর দিকে তাকালো। কাজরী ও’কে দেখে মৃদু হাসলো। ঘন্টা চারেক আগে নিশান কাজরীকে বলেছিল,

“তুমি কিছু ভাবলে?”

“কী ব্যাপারে? কী ভাবার কথা বলছ?”

“তুমি যদি আমাকে ফুল সাপোর্ট আর শেল্টার দিতে পারো তাহলে আমি ভেন্যুতে যাব না। ইশান আমাকে বিশ্বাস করছে, ও এই মুহুর্তে কিছু করতে পারবে না। পরের ব্যাপার টা তুমি যদি সামলাতে পারো কাজরী…. আই মিন তুমিই বোধহয় ইশানের ডিসিশন চেঞ্জ করার ক্ষমতা রাখো। “

“উইশ ইউ অল দ্য বেস্ট নিশান। ওয়ান্স এগেইন। আল্পনা আবারও আশা করে বিয়ের সাজে সেজেছে। আমি প্রমিজ করেছি সজ্ঞানে ওর ক্ষতি চাইব না। তোমার জন্যও আমার কোনোরকম সিম্প্যাথি নেই। তোমাদের বিজনেস ডিল, পারসোনাল ডিল তোমরা ম্যানেজ করো। “

কাজরী আল্পনাকে দেখছে দূর থেকে। যাক এবার ওর প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে।

চলবে…

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply