Golpo কাজরী

কাজরী পর্ব ৪৩


কাজরী পর্ব ৪৩

সাবিকুননাহারনিপা

“আমার সঙ্গেই কেন? বারবার আমার সঙ্গেই কেন এরকম ঘটছে। নিশান কে তো আমি চিনতামও না কাজরী। আমি তো কোনো ক্ষতি করি নি ওর। কারোর ক্ষতি করিনি আমি। “

আল্পনার অসহায় গলা আজও কাজরীর হৃদয় ছুঁতে পারলো না। কারণ আজকের পরিস্থিতিও কাজরীর অনুকুলে নয়। একদিকে হাসপাতালের বেডে কাতর হয়ে শুয়ে আছেন মাথার উপর নিশ্চিন্ত ছায়া হয়ে থাকা মানুষটা। অন্যদিকে আজই সামনে এলো নিশানের সমস্ত কৃতকর্ম। কাজরী রুক্ষ গলায় বলল,

“কারণ তুমি দূর্বল। দূর্বল আর অসহায় বলেই তোমাকে টার্গেট করা সহজ। “

আল্পনা ব্যথিত চোখে তাকায়। এই মুহুর্তে ওর কাজরীর সিম্প্যাথি প্রয়োজন। অসংখ্য দোষ, ত্রুটি নিয়ে পরিপূর্ণ মানুষ যে ও সেটা অজানা নয়। তবুও কিছু সময় আছে যখন নরম স্পর্শ, স্নেহের প্রয়োজন হয়। যে মানুষটার সঙ্গে ওর বিয়ে ঠিক হয়েছিল তার সঙ্গে ওর কথা হয়েছিল অল্প কয়েকটা। দেখাও হয়েছে দু’বার। এতো কম সময়ে তার জন্য ভালোবাসাময় অনুভূতির সৃষ্টি না হলেও সে থাকলে ওর গল্প অন্যরকম হতো।

বিয়ে নিয়ে আল্পনার অমত ছিলো না। দ্বিধা ছিলো যে নতুন পরিবেশে মানিয়ে নিতে পারবে কী না! বাবা বলেছিলেন ছেলেটা ভালো। এমন ভালো পাত্র হাতছাড়া করবেন না। আর তাছাড়া তোমার রোগগুলো অস্বাভাবিক কিছু না, এগুলো আস্তেধীরে সেড়ে উঠবে। নতুন পরিবেশ, নতুন মানুষজনের মধ্যে থাকা তোমার জন্য ভালো হবে। তুমি তোমার মানসিক অবসাদ থেকে নিস্তার পাবে। নেতিবাচক ভাবনা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলো। আল্পনা মেনে নিয়েছিল। গায়ে হলুদ মাখলো, মেহেদী পরলো, পায়ে আলতা পরলো সবকিছু আবার মুছেও ফেলেছিল। কারণ বাবা বলেছিলেন এই বিয়ের আসরে তার ছোট মেয়ের বিয়ে হবে। এখানে তো ওর কোনো দোষ ছিলো না, ও তো স্বাভাবিক ভাবে সবকিছু মেনে নিয়েছিল। নেতিবাচক কিছু ভাবেও নি। সবকিছু কতো সহজে মেনে নিয়েছিল। প্রস্তুত ছিলো নতুন পরিবেশ, নতুন মানুষদেরকে জীবনে গ্রহণ করতে।

আল্পনা অনেকক্ষন পর বলল,

“কাজরী শোনো। “

“আল্পনা গেট আউট ফ্রম হিয়ার। আমি কিছুক্ষন একা থাকতে চাই। “

আল্পনা কাজরীর সামনে এলো। চুলগুলো অবিন্যস্ত, চোখ টকটকে লাল। পরনে অফ হোয়াইট কুর্তি। গতকাল বাবাকে দেখতে যাবার জন্য যে পোশাক পরেছিল আজও সেই একই পোশাকে আছে। মুখোমুখি দাঁড়িয়ে কাজরীকে বলল,

“আমি দূর্বল বলে আমাকে টার্গেট করা হচ্ছে এটা ঠিক না। তুমি যা ভাবছ সেটা ভুল ভাবছ। বরং তোমার জন্য আমাকে এতোকিছু ফেস করতে হচ্ছে। আর প্রত্যেকবার সবকিছুর জন্য তুমি আমাকে দোষারোপ কেন করো! চৌধুরী পরিবারের কাউকে আমি চিনতাম না, কারোর ক্ষতি করার তো প্রশ্নই আসে না। “

কাজরী রক্তচক্ষু নিয়ে তাকালো আল্পনার দিকে। হাতের কাছের ম্যাগাজিনটা ছুড়ে ফেলল মেঝেতে। রাগের বহি:প্রকাশ মাত্র। উঠে দাঁড়ালো, পুরো একটা রাত নির্ঘুম কেটেছে। ক্লান্তি, অবসাদ প্রকাশ পাচ্ছে চোখ, মুখের মাধ্যমে। চোয়াল শক্ত করে দাঁতে দাঁত চেপে বলল,

“ওহ রিয়েলি? দুর্জয়ের ট্র‍্যাপে তুমি ধরা দিয়েছিলে আল্পনা। “

আল্পনার গলা বুজে আসে। কাজরী থামে না। বলে,

“দুর্জয় তোমাকে টার্গেট করেছে, কিন্তু ওর প্ল্যানে তুমি নিজে থেকে ধরা দিয়েছিলে। বরং তোমার জন্য আমি প্রবলেম ফেস করেছিলাম। “

আল্পনা অভিমানী গলায় বলে,

“আমি এই টপিকে যা কিছু বলার আগেই বলেছি। মেনেও নিচ্ছি তোমার অভিযোগ। কিন্তু তার আগে যা কিছু ঘটেছে তার জন্য তো তুমি দায়ী কাজরী। “

কাজরী আল্পনার অচেনা রুপ দেখে অবাক হয় না। চিৎকার করে বলে,

“না আমি দায়ী না। আমি কোনো কিছুর জন্য দায়ী না। “

“তাহলে কে দায়ী বাবা? বাবা কেন আমার সঙ্গে এমন করে আসছে?”

কাজরী হঠাৎ ঝড়ের মতো থেমে যায়। শান্ত গলায় বলে,

“সেই প্রশ্নের উত্তর তুমি তার থেকেই জেনে নিও। “

“আমি তোমার কাছে জানতে চাই। তুমি তো সব জানো। “

“আল্পনা গেট আউট। তুমি চাইলে বাসায় যেতে পারো। তোমার সঙ্গে তর্ক করার মতো অবস্থায় আমি এখন নেই। “

“তুমি তর্ক করতে পারছ না কারণ তুমিও জানো আমার সব ক্ষ*তির পিছনে তুমিই দায়ী ছিলে। “

কাজরী চিৎকার করে বলল,

“আল্পনা বেরিয়ে যাও তুমি… এক্ষুনি বেরিয়ে যাও। “

আল্পনা চোখের কোনে জমে থাকা জলটুকু মুছে নেয় হাতের তালুতে। খানিক সময় তাকিয়ে থাকে কাজরীর দিকে। কাজরীর চোখের দৃষ্টি কঠিন। আল্পনা যাবার সময় গভীর গলায় বলে যায়,

“বাবা আমার জন্য কখনো ভাবে নি কাজরী। তিনি সবসময় তোমার কথা ভেবেছেন। ভীষণ স্বার্থপর মানুষ তোমরা, ভীষণ স্বার্থপর। “

কাজরী চকিতে ফিরে তাকায়। আল্পনা এক মুহুর্ত অপেক্ষা করে না। বেরিয়ে যায় ওখান থেকে।


“ইশান যা বলেছে সেসব সত্যি। অস্বীকার করব না, কিন্তু এসব আমি সজ্ঞানে করি নি। “

শিরিন তীর্যক হেসে বলল,

“কেন? সেই সময় তুমি ড্রা*গ নিতে? সজ্ঞানে করো নি সেটার মানে কী দাঁড়ায়। “

নিশান দমে যায়। শিরিন দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলেন,

“তোমাকে আমি ভুল চিনেছি নিশান। ভুল চিনেছি। একবার ভাবো, সবকিছু জানার পরও ইশান তোমাকে সহানুভূতি দেখিয়েছে। “

নিশান ব্যাঙ্গাত্মক হাসি দিয়ে বলল,

“এক্সাক্টলি এটাই তোমার রুপ। ওয়েল ডান। ইশানকে ডেকে এনে এই কথাগুলো বলো। যদিও ও ইমপ্রেস হবে কী না শিওর না, তবে তুমি চেষ্টা করো। তোমার এখন সারভাইব করতে হলে এসব করতে হবে। “

শিরিন মেঘস্বরে বলল,

“শাট আপ। তুমি নিজে কিভাবে বাঁচবে সেটা দেখো। আখতারউজ্জামান সুস্থ হলে তিনি কী করবেন সেটা ভেবে দেখো। ইশান কী করবে সেটা নিয়ে ভাবো। বড় বড় জ্ঞানের বুলি দিতে এসো না। “

নিশান স্মিত হেসে বলল,

“আমার সঙ্গে যা কিছু হয় হোক। আমি মেনে নেব। তবে তুমি যে আমার কারণে শেষ হয়ে যাবে এটা আমার জন্য আনন্দের। ইশানকে আমি ভয় পাচ্ছি না। ওর কর্মকান্ড দেখে সারপ্রাইজড হচ্ছি। তবে হ্যাঁ একটা গিল্টি ফিলিং আছে, সবসময় ও’কে আমার থেকে কম স্মার্ট ভেবেছি। এর জন্য সরি বলব। “

শিরিন ব্যথিত চোখে তাকিয়ে আছেন। যত দিন যাচ্ছে তিনি ভেঙে পড়ছেন। শক্ত করে উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও ঠিক যেন কোমড় ভেঙে বসিয়ে দেয়া হচ্ছে। ভীষণ ক্লান্ত অনুভব করছেন। তার জীবনের গোপন ও কলঙ্কিত অধ্যায়টাই কী তার ধ্বংসের আসল কারণ। নিশানের জন্ম তিনি চান নি। যখন জানতে পারলেন প্রেগন্যান্ট, তখন টার্মিনেট করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ওয়াজেদ চৌধুরীর উচ্ছ্বাস, সেই সঙ্গে ফ্যামিলির লোকজনের আনন্দে উনি সিদ্ধান্ত বদলেছিলেন। স্বামীকে খানিকটা বোকা ভেবে উপহাস করেছিলেন মনে মনে। ভুলে গিয়েছিলেন যে কখনো সন্তানের জন্মরহস্য সামনে এলে ওনার গোটা জীবনটা নড়ে যেতে পারে। ভেবেছিলেন কেউ জানবে না, কেউ বুঝতেও পারবে না। নিশান এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। চোখে নেই বিন্দুমাত্র অনুতাপ, বিন্দু পরিমাণ ভয়ের ছিটেফোঁটা অবধি নেই। একটা জলজ্যান্ত মানুষকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে নেবার মাস্টারপ্ল্যান টা করেও এতোটুকু অনুতাপ নেই। তিনি ক্লান্ত হয়ে চোখ বুজলেন।

করিডোরে মুখোমুখি হলো নিশান ও আল্পনা। একটা রাত সকলের জন্য বিভীষিকা ছিলো। ছিলো অনেকের আত্মদ্বন্দের অদৃশ্য লড়াই। আল্পনা ঘৃনার দৃষ্টিতে তাকালো নিশানের দিকে। নিশান অসহায় বোধ করে। কাজরীর সঙ্গে ওর কথা বলা উচিত। কাজরী নিশ্চয়ই বুঝবে। আর কারোর কাছে কোনো জবাবদিহি করবে না, একমাত্র কাজরীকে কিছু কথা বলবে।

আল্পনা নিশানের চোখের আড়াল হয়ে যায়। কিছুটা অপরাধবোধ এই মুহুর্তে এসে ওর মধ্যে কাজ করে। নিজের টালমাটাল পরিস্থিতির জন্যই বোধহয়! নাহলে বছর খানেক আগেও ও ছিলো নি*ষ্ঠুর, স্বার্থপর একজন। আজ ভিন্ন মানুষে পরিনত হয়েছে এমনও নয়, বোধহয় সকলের ঘৃনাই ও’কে নত করেছে।


গত রাতে কাজরী ইশানের সঙ্গে কোনো বাক্যবিনিময় করে নি। ইশানও ও’কে স্পেস দিয়েছে। সকালে ইশান যখন বেরিয়ে যায় তখন কাজরী ঘুমিয়ে ছিলো। সারারাত যে দু’চোখের পাতা এক করে নি সেটা ওর নজর এড়ায় নি। ইশান স্বস্তি পেয়েছিল সকালে নিশ্চিন্ত হয়ে ঘুমাতে দেখে। কপালে আলতো করে চুমু খেয়ে মনে মনে বলেছিল, এই ঝড় তোমার জন্য কিছুই না, তুমি এটা ঠিক সামলে নিতে পারবে।

রাতে যখন ফিরলো তখন কাজরী রুক্ষ গলায় বলল,

“ইশান আমি অন্য ঘরে শিফট হচ্ছি। একটু একা থাকতে চাই। প্লিজ গিভ মি সাম স্পেস। “

ইশান প্রতিক্রিয়া দেখালো শান্তভাবে।

“শিওর। তবে তুমি এই ঘরেই থাকো। এই বাড়িতে আসার পর থেকে কখনো এই ঘর ছাড়া থাকো নি, অন্যঘরে তোমার প্রবলেম হবে। আমি চলে যাচ্ছি। “

“থ্যাংক ইউ। “

ইশান ফ্রেশ হলো। কাজরী শক্তমুখে বসে আছে সোফায়। ইশান নিজের প্রয়োজনীয় সবকিছু নিয়ে যখন বেরিয়ে গেল তখনও কাজরী কিছু বলল না।

ইশান খোঁজ নিয়ে জানলো যে কাজরী জুস ছাড়া আর কিছুই খায় নি। এমনকি হসপিটালে বাবাকে দেখতেও যায় নি। সারাক্ষণ ঘরেই থেকেছে। আল্পনার সঙ্গে একটু ঝগড়ার মতোও হয়েছে। ইশান স্বস্তি পেল না। নিজেই খাবার নিয়ে গেল। কাজরী ও’কে দেখে বিরক্ত গলায় বলল,

“ইশান আমাকে বিরক্ত কোরো না। “

“খাবারের জন্য কিছুটা বিরক্ত তো করবই আমি। “

কাজরী কঠিন চোখে তাকালো ইশানের দিকে। তবুও চামুচে করে কিছুটা খাবার মুখের সামনে ধরে বলল,

“খেয়ে নাও। “

“তোমাদের কাউকে আমি আর বিশ্বাস করি না। “

“ভেরি গুড। অবাক লাগছে যে তুমি আগে সবাইকে বিশ্বাস করতে। ইজ ইট কাজরী? আই মিন সত্যিই তুমি তো। “

ইশানের হেয়ালি কথাবার্তায় কাজরীর রাগ বেড়ে যায়। আবারও খাবারটা মুখের সামনে ধরতেই বলল,

“খাব না। আমাকে নিয়ে এতো কনসার্ন দেখানোর প্রয়োজন নেই। খাওয়ার রুচি হলে খেয়ে নেব। আর যদি ভেবে থাকো, না খেয়ে আমি তোমাদের উপর অভিমান দেখাচ্ছি তাহলে ভুল ভাবছ। আমি সবাইকে ঘৃনা করি। “

ইশান প্লেটটা সামনে রেখে বলল,

“তোমার, আমার সবকিছু শুরুই হয়েছিল ঘৃনা থেকে। আমাদের মধ্যে যেটুকু সুইট মোমেন্ট তৈরী হয়েছে সেখানে বিশ্বাসের কমতিও ছিলো। তোমার কথাগুলো তাই আমাকে অবাক করছে না। এই প্যালেসে আমরা যারা থাকি সবাই ই খারাপ, সবাই ই স্বার্থপর। তুমি, আমি, নিশান, মা, এমনকি দাদীও। এশনাকে এই লিস্ট থেকে বাদ দিচ্ছি। ওর কাছে এখনো সবকিছু বিস্ময়কর। সকালেই বলল যে রেগুলার থেরাপিস্ট এর টাচে থাকতে হচ্ছে। মানে মেন্টালি কতটা এফেক্টেড হচ্ছে সেটাই জানালো আর কী!”

ইশান সম্পূর্ণ অন্যরকম গলায় কথা বলছে। কাজরীর কপালে সূক্ষ্ম ভাজ পড়লো। ও আবারও বলল,

“আমি জানি তুমিও মেন্টালি খুব আপসেট। আর বিশ্বাসের কথা যে বললে এক্ষুনি, তুমি কী আদৌ কাউকে বিশ্বাস করো কাজরী? আমাকে বাদ দাও, আল্পনা কিংবা তোমার বাবাকে? “

কাজরী থমথমে গলায় বলল,

“না। কাউকে করি না। সবাই ই আমার সঙ্গে প্র*তারণা করেছে। আল্পনাকে আমি কখনো অপছন্দ করি নি। ও আমাকে ঠকিয়েছে। “

ইশান নীরবে হাসলো। ফুলদানিতে রাখা শুকনো ফুলগুলো ছুঁয়ে দিয়ে বলল,

“আল্পনাও তো এখন সেরকম ই ভাবছে তাই না? তোমার জন্য ও ঠকে গেছে। তুমিও কিন্তু কারোর বিশ্বাসযোগ্য, বিশ্বস্ত হতে পারো নি। তাই অন্যদের কাছ থেকে অবিশ্বাস্য কিছু পেয়ে এতোটা ডেস্পারেট হবার প্রয়োজন নেই। “

কাজরী যথোপযুক্ত জবাব দিতে পারলো না। ইশান কাবার্ডে কিছু একটা খুঁজতে গেল। বোধহয় কোনো ডকুমেন্টস। কয়েকটা ড্রয়ার খুলে কাগজপত্র দেখতে দেখতে বলল,

“আল্পনা আপাতত এখানেই থাকুক। ওর লাইফ রিস্ক আছে। একা বাসায় ও’কে পাঠানো ঠিক হবে না। “

কাজরীর ঠোঁটে তীর্যক হাসি। বলল,

“আল্পনা এখানে সেইফ থাকবে? আমিও সেইফ থাকব তো? নিশানও আছে এই প্যালেসে সেটা ভুলে যেও না। “

ইশানের হাতে আল্পনার দেয়া সেই কাজরীর আঁকা ছবিটা। ও ততটা মুগ্ধ হলো না অবশ্য, কারণ সামনাসামনি দেখা কাজরী ওর সবচেয়ে প্রিয়। কাজরীর কথার জবাবে কিছু না বলে ছবির প্রসঙ্গে কথা বলল,

“আল্পনার আর্টের প্রশংসা করতে হচ্ছে। দেখতে নিখুঁত লাগছে। তবে একটু ভালো করে খেয়াল খুঁতগুলো খুঁজে পাওয়া যায়। তোমার নজরে পড়েছে কী?

চলবে…….

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply