#অ্যাঞ্জেল_অ্যাঞ্জেলিনা
[পর্ব ৮৭]
#লেখিকা_ফারহানা_নিঝুম
(
দূর্বল হৃদয়ের পাঠকদের জন্য গল্পটা একদম নয়।)
(
কপি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।)
[দ্বিতীয় খন্ড]
মুঠোও ধরে রাখা বালির মতো সময় যেনো ফসকে যাচ্ছে। সেই সাথে ফসকে যাচ্ছে আফরিদ এহসানের সবকিছু! সে কোনো কিছুই ঠিকঠাক করে উঠতে পারছে না একমাত্র প্রিয় স্ত্রীর জন্য। স্ত্রী তার বড্ড জেদি। আফরিদকে এই অন্ধকার হতে বের করে আনতে চায়। সে যে জানেনা তার সম্পূর্ণ সত্তাই অমানিশায় ডুবে আছে। একবার অমানিশা কাউকে গ্রাস করলে সেখান থেকে বেরিয়ে আসে দুস্কর।
“তবে কি ঠিক করলি ছেড়ে দিবি সব?”
এক অদ্ভুত শীতলতা নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে শুধোয় ইদ্রান।
টেবিলের উপর রাখা ছোট্ট মার্বেল পাথর হাতে তুলে নিল আফরিদ! তপ্ত এক নিঃশ্বাস ছেড়ে বলল মনস্টার মাফিয়া,
“ছেড়ে দেব,ওর সব আমি সবকিছু করতে পারি।”
ইদ্রান মুচকি হাসলো। এই আফরিদকে দেখতে চেয়েছিল এক সময়।যে এমন কাউকে পেয়ে যাক যার জন্য সব কিছু করবে!আজ ঠিক তাই হলো। ইদ্রান মহা খুশি। অন্ধকার হতে বেরিয়ে এই মনস্টার মাফিয়া যদি সংসার গড়ে তুলে তাহলে।
“গুড, খুব ভালো সিদ্ধান্ত।”
আফরিদ মিচকে হেসে বলল,
“ছাড়ছি মানে এই নয় আফরিদ এহসানকে টক্কর দেবে।সে আন্ডারওয়ার্ল্ডে রাজা ছিলো সামনেও তাই থাকবে।”
ইদ্রান প্রসন্ন হলো বটে। তার চোখ দুটোই বলে দিচ্ছে মনের কথা।
অদূরে দাঁড়িয়ে থাকা ঈশান মুচকি হাসলো। অবশেষে ইলহাম ন্যান্সি অ্যাঞ্জেলিনা সফল। এক মনস্টারকে নিজের কব্জায় আনতে সফল। কে বলেছে পাপী পুরুষেরা ভালোবাসতে পারেনা? এই তো মনস্টার মাফিয়া দিব্যি ভালোবেসে নিজের সাম্রাজ্য ছেড়ে দিতে প্রস্তুত।
দিব্যি সময় কেটে যাচ্ছে। এইতো এক সপ্তাহ পেরুলো বটে। এই সাতটি দিন আফরিদের কাছে সাতশো কোটি বছরের মতো মনে হয়েছে। প্রিয় স্ত্রী,তার পরাণের সাথে কথা বন্ধ! এটা এই প্রথম হয়েছে। আফরিদ নিজ থেকে কোনো প্রকার আলাপ করতে যায়নি ন্যান্সির সাথে!
সে যে এক নিষ্ঠুর সত্তা! অন্ধকারে গ্রাস করেছে যার সমস্ত কায়া! এই পুরুষ যেমন ভালোবাসতে পারে ঠিক তেমনি নিখুঁত ভাবে আ’ঘাত করে দূরে ঠেলে দিতেও সক্ষম!
অসহনীয় এই যন্ত্রনা হতে মুক্তির পথ মেলে না ন্যান্সির! ঘুনাক্ষরেও কল্পনা করেনি আফরিদ কখনো তাকে এভাবে উপেক্ষা করে চলবে।
প্রতিটা রাত একই বিছানায় শুয়েও কেউ কারো দিকে মুখ ফিরেও তাকায় না। ন্যান্সি খেয়াল করে দেখেছে, আফরিদ গভীর রাত অবধি জেগে জেগে ল্যাপটপ নিয়ে বসে থাকে। সকালে উঠে দেখে একপাশে ঘুমিয়ে আছে।
ন্যান্সির কষ্ট হয় এই বদলে যাওয়া দেখে। কিন্তু মুখ ফুটে বলতেও পারেনা সেই কথা!
এদিকে আফরিদ রাত জেগে পাহারা দেয় প্রাণপ্রিয় স্ত্রীকে। এলোমেলো হয়ে ঘুমোলে তাকে গুছিয়ে দেয়। মাথায় হাত বুলিয়ে কপালে চুমু এঁকে দেয়।কেউ জানতে পারেনা সেসব। ন্যান্সিও জানেনা!
রাত তখন দেড়টা ছুঁই ছুঁই। দেয়াল ঘড়িতে কাঁটা টিকটিক শব্দ তুলে এগোচ্ছে। পরণে একটা টিশার্ট আর কালো রঙের ট্রাউজার পরেছে আফরিদ!
আজকেও প্রতিদিনের মতো কাউচের উপর বসে টেবিলে রাখা ল্যাপটপটা কোলে তুলে নিলো। ঠোঁটের কোণে গুঁজে রাখা সিগারেটটা। ক্ষণে ক্ষণে ফুকে চলেছে, অতঃপর ছাড়ছে ধোঁয়া। দক্ষ আঙ্গুলে ধীরে ধীরে ল্যাপটপে আঙ্গুল চালিয়ে যাচ্ছে মনস্টার মাফিয়া। আবার একটু পরপর দৃষ্টি চলে যাচ্ছে বেডে। ন্যান্সি জড়সড় হয়ে শুয়ে আছে, এই মেয়েটাকে দেখলেই বুকের ভেতর প্রশান্তি বয়ে যায়। মুখটা আদুরে। ওই আদুরে মুখটা সর্বক্ষণ চুমু আঁকতে মন চায়।
ক্লান্ত শরীরটা নড়েচড়ে উঠল ন্যান্সির। এদিক সেদিক করছে বারবার। শান্তি পাচ্ছেনা ঘুমিয়ে! আইঢাঁই করে শেষমেশ উঠে বসলো ন্যান্সি।
আফরিদ একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে ন্যান্সির দিকে।
কোমড়ে ব্যথা করছে মেয়েটার,তার উপর সিগারেটের বিদঘুটে গন্ধে পেট গুলিয়ে আসছে।
মসৃণ কপাল জুড়ে উৎকন্ঠার সূক্ষ্ম রেখা। আঙ্গুলের ফাঁক হতে সিগারেট নামিয়ে রাখল আফরিদ! অতঃপর স্থির,তীক্ষ্ণ দৃষ্টি নিবদ্ধ করল অদূরে বসা রমণীর দিকে। মুখাবয়ব বিকৃত করে উদর চেপে বসে আছে। আফরিদ চেয়ে রইল তার দিকে।
হঠাৎই ন্যান্সি আকস্মিকভাবে উঠে ত্রস্ত পায়ে ছুটে গেল ওয়াশ রুমের দিকে। দৃশ্যটি অবলোকন করা মাত্র বক্ষ মাঝে আলোড়ন উঠে। হৃদপিন্ড উৎকন্ঠায় মোচড় দিয়ে উঠল যন্ত্রমানবের! এক মূহুর্ত বিলম্ব না করে,নিজেও ছুটে যায় প্রিয় পরাণের দিকে।
বেসিনের সম্মুখে দাঁড়িয়ে ন্যান্সি গলগল করে উগরে দিলো ভেতরের সবটা। পাকস্থলী হতে বেরিয়ে আসছে অভ্যন্তরীণ জমাকৃত সবকিছু!
প্রিয় স্ত্রীর এহেন করুণ অবস্থা দেখে আফরিদ স্থির থাকতে পারল না। সস্নেহের হাত বাড়িয়ে ন্যান্সির পৃষ্ঠদেশে কোমল স্পর্শ বুলিয়ে দিতে দিতে বলল,
“ঠিক আছিস,পরাণ?”
ন্যান্সি কথা বলতে পারছেনা। কথা বলতে অক্ষম সে। যন্ত্রনার তীব্রতা সমস্ত সত্তা আচ্ছন্ন করে রেখেছে ! কষ্ট হচ্ছে মেয়েটার!
বমির পর শরীরটা নিস্তেজ হয়ে এলো মেয়েটার। আফরিদ সন্তর্পণে আঁকড়ে ধরে লতানো কটি! মেয়েটার কপালে জমেছে বিন্দু বিন্দু ঘামের ফোঁটা!
“কি হয়েছে তোর?বেশি খারাপ লাগছে?”
দুশ্চিন্তার প্রবল পীড়ায় ক্ষণে ক্ষণে পিষ্ট হচ্ছে বিচক্ষণ মস্তিষ্ক! বিস্মিতাভাবটুকু এখনো কা’টিয়ে উঠতে পারেনি সে! ওড়নার একাংশ দিয়ে নাক মুখ চেপে ধরল ন্যান্সি। খানিকটা অসন্তোষ গলায় বলে ওঠে,
“মুখ সরান, সিগারেটের গন্ধে মনে হচ্ছে আমার নাড়িভুঁড়ি সব জড় পাকিয়ে বেরিয়ে আসবে!”
আফরিদ অত্যাশ্চর্য হয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে আছে। বোঝার চেষ্টা করল বিষয়টি। প্রখর বুদ্ধিসম্পন্ন মনস্টার মাফিয়া চট করেই ধরে ফেলল। বুঝতে পারল ঘটনাচক্র!
“সরি, জানকি বাচ্চা।”
আফরিদ মুখ খুলতেই সিগারেটের উটকো গন্ধে গা গুলিয়ে আসছে মেয়েটার।
এদিকে পেটের যাতনায় একফোঁটা শক্তি অবশিষ্ট নেই কয়েক কদম হেঁটে বিছানায় যাওয়ার। দেহের সমস্ত শক্তি বুঝি ফুরিয়ে এলো।
আফরিদ সর্তকভাবে আলগোছে কোলে তুলে নিলো কন্যার শীর্ণ তনু। বিনা বাক্যব্যয়ে হাঁটা দিলো ওয়াশ রুম হতে বেরোনোর উদ্দেশে। বেডে এসে নামিয়ে দিলো ন্যান্সিকে। ন্যান্সি তখনো নিজের মুখ চেপে রেখেছে। আফরিদ এবারেও বাক্যবিনিময় করল না, বেডের পাশে রাখা ছোট্ট ল্যাম্প রাখা কেবিনেটের ড্রয়ার থেকে বের করে আনে মিন্ট ফ্রেশ। মুখে পুরে নিলো তা।
অবিচল নেত্রে সমগ্র দৃশ্য অবলোকন করল ন্যান্সি। অন্তঃস্থল হতে বেরিয়ে এলো তপ্ত এক নিঃশ্বাস।
আফরিদ এসে ঠিক তার সম্মুখে বসলো। লোকটার চোখে মুখে অদ্ভুত এক মায়া মায়া ভাব অথচ কে বলবে অন্তর্নীল সত্তাটি ঠিক কতটা ভয়ংকর!
বাইরে থেকে দেখলে কেউই তা বুঝতে পারেনা। ভয়ংকর মানুষগুলো কৃত্রিম রূপে নিজেকে উপস্থাপন করে সকলের নিকটে!
“আই’ভ বিন আনেবল টু স্লিপ ফর দ্য পাস্ট সেভেন নাইটস , প্লিজ, ক্যান আই গেট সাম স্লিপ?”
অনুমতির অপেক্ষা করল না মনস্টার মাফিয়া কিং। নিজের জায়গাটুকু বুঝে নিতে দেরি করল না এক মূহুর্ত। সৌব্যষ্ঠ দেহটা এলিয়ে দিলো তুলতুলে রমণীর কোমল দেহের উপর। মুখ গুঁজে গলদেশে। লম্বা নিঃশ্বাস টানে। এই কন্যার সর্বত্র যেনো মিঠে মিঠে খুশবু পায় সে।
ন্যান্সি স্তম্বিত হয়ে ধাবিত হচ্ছে প্রিয় অপ্রিয় পুরুষের দেহতলে। পুরো দুনিয়ার সম্মুখে কঠোর চিত্তেএর পুরুষটি তার নিকটে শিশু সুলভ আচরণ করে তা কি কেউ ঘুনাক্ষরেও টের পায়? উঁহু পায়না! তথাপি, আফরিদ এহসানের ভালোবাসা কোনো রকম অনুপাতের লেশমাত্র নেই!
“আফরিদ?”
লগু স্বরে ডাকতেই শ্রবণন্দ্রেণিতে ধেয়ে এলো অসহায়ত্বের স্বীকারোক্তি,
“ছেড়ে দেব। ওই অন্ধকারে আর নিজেকে জড়াবো না।”
বুকের ভেতর ছলাৎ করে উঠল ন্যান্সির। নিজ শ্রবণন্দ্রেণিকে বিশ্বাস করতে পারছে না সে। যন্ত্রমানব কি সত্যি বলছে নাকি এ তার নতুন আরেকটা নিষ্ঠুর প্রহেলিকা। তার হৃদয় ক্ষত বিক্ষত করার নতুন অস্ত্র!
“পুরো দুনিয়া ছেড়ে দিতে রাজি, শুধু তুই আমার হয়ে থাক।”
বক্ষগহ্বর আলোড়িত হতে লাগলো ন্যান্সির। টপটপ করে একপ্রস্থ অশ্রু ঝরে পড়ে অক্ষিপুট হতে। শুষ্ক ঢোক গিলল রমণী। সস্নেহে ওই লম্বা চুলের ভাঁজে হাত গলিয়ে মুঠোও পুরল তা। দু’হাতে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল ভারী দেহটা! কষ্টে জর্জরিত হৃদয় উদ্ভাসিত হলো প্রিয় স্ত্রীর নিকটে। তার সান্নিধ্য পেলে প্রশান্তি পায় অন্তঃস্থল।
মাস্টার বেডরুমে সঙ্কুচিত ভঙ্গিমায় ছোট্ট দেহট নিয়ে বসে আছে রমণী! পরণে শুভ্ররঙের একটি গাউন! হালকা গোলাপী আভা মৃদু জোৎস্নার ন্যায় প্রতিফলিত হচ্ছে। চোখের পাতা মৃদু কম্পনে প্রকম্পিত হচ্ছে বারবার! অন্তঃকরণে যেন উদ্বেলিত আবেগের প্রলয়ংকরি স্রোত উথাল পাতাল করে চলেছে। হৃদয়াঙ্গনে আঁচড়ে পড়ছে অনূভুতির তরঙ্গ। চুরমার করে দিচ্ছে সমস্ত সংযম।
নব উদ্যমে নব মুচড়ে ভেতরে প্রবেশ করল ইস্ক্রিয়াস! চোখের সম্মুখে অদূরে সঙ্কুচিত রমণী কে দেখে মন মঞ্জিলে ঝিরিঝিরি প্রেমের বৃষ্টি ঝরতে লাগলো। সঞ্চার হচ্ছে প্রেমের ধারা!
টলটলে চোখে তাকায় রাইসা। মিলিত হয় দু’জনের আঁখিদ্বয়!
বিবাহ নামক বন্ধনে আকস্মিক জড়িয়ে যাওয়াটা কোনো মতেই আত্মস্থ করতে পারছে না রমণী!
ধীরে, মেপে মেপে এগিয়ে আসছে ইস্ক্রিয়াস। ত্বরিতে ওঠে দাঁড়ালো রাইসা। হাত বাড়িয়ে থামিয়ে দিলো তাকে! অতর্কিত ভাবে বলল,
“ভুল করলেন আপনি ইন্সপেক্টর! মস্ত বড় ভুল!”
ঠোঁটের আগায় একফালি স্বচ্ছ হাসি খেলে গেল ছেলেটার। প্রশান্ত স্বরে আওড়াল,
“তোমাকে ভালোবাসা যদি ভুল হয়, তবে আমি সেই ভুল হাজারবার করতে রাজি!”
অসহনীয় এ যন্ত্রনা! তীব্র যাতনায় একফোঁটা জল গড়িয়ে পড়ে রমণীর আঁখি হতে!
“তিক্ততায় ভরে উঠবে আপনার জীবন।যে ভালোবাসায় শান্তি খুঁজে চলেছেন সেখানে দুঃখ ব্যতিত কিচ্ছুটি পাবেন না। কিচ্ছুটি না।”
“তবে তাই সই!”
অন্তস্পর্শিত বাক্যটি কর্ণ ধারায় ধাক্কা খেতেই রমণী হিমশীতল পাথরের ন্যায় স্থবির গেল! নিঃশ্বাস দীর্ঘ হচ্ছে তার। আরো কিছু বলতে যাবে তার সুযোগ টুকু কেড়ে নেওয়া হলো! পূর্বেই শক্ত বাহু ডোরে জড়িয়ে ধরে কন্যার কোমল দেহখানি!
দফায় দফায় লোকটা অবাকের চূড়ান্ত সীমায় পোঁছে দিচ্ছে তাকে! তারমতো এক জটিল সত্ত্বাকেও যে নিঃস্বার্থভাবে ভালোবাসা যায় তা ক্ষণে ক্ষণে তাই বুঝিয়ে দিচ্ছে আইনের লোকটি!
“ভালোবাসি,রাইসা। এই ভালোবাসাও খেদ নেই।”
উক্ত কথাটি কর্ণগোচর হতেই ফুঁপিয়ে উঠল কন্যার হৃদয়! উভয় হাতে আঁকড়ে ধরে প্রিয় পুরুষের পৃষ্ঠদেশ। দীর্ঘ দিনের বেদনার কালিমা সরে গিয়ে ভালোবাসার কিরণ তার জীবনে প্রতিফলিত হচ্ছে? অবিশ্বাস্য! বিস্ময়াবিষ্ট মন বিশ্বাস অবিশ্বাসের দোলাচলে দুলতে লাগলো। তবে কি সত্যি দুঃখের ঘরঘোর মেলমালা বিতারিত হয়ে জীবনদিগন্তে উদ্ভাসিত হতে চলেছে সুখের সূর্য?
“ছেড়ে যাবেন না তো কখনো, ইন্সপেক্টর?”
সহসা প্রত্যুত্তর এলো,
“কখনো না।”
চলবে……….।
(
প্রজাপতিরা ইয়ে মানে ফাহমিদা নামে এক নারী ছিলো মনে আছে? আপনাদের সন্দেহভাজন কল্পনা,মাইমুনা এহসান,তিতলি,স্মাইলি এদের সাথে এখন ফাহমিদাকে মনে করিয়ে দিলাম। বাই দা চৌরাস্তা ন্যান্সিকেও বিশ্বাস করবেন না।এইই মহিলা খ্রাপ…
চলবে………।
Share On:
TAGS: অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা, ফারহানা নিঝুম
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৫৬ শেষাংশ
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ২৯(প্রথমাংশ+শেষাংশ)
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৭৯
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৫৪
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৯
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৪৬
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ১৭
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ১৮
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৭৭
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৫২