#অসম্ভব_রকম_ভালোবাসি_তোমায়
#লেখিকা_সুমি_চৌধুরী
#পর্ব ৬৪
রিদিদের বাড়িতে গায় হলুদ নিয়ে যাওয়ার সময় হয়ে গেছে। শুভ্রারা ওইখান থেকেই চলে গেছে৷ পুরো চৌধুরী বাড়ি যেন উৎসবের রঙে রঙিন হয়ে উঠেছে। সবাই যে যার মতো তৈরি হতে ব্যস্ত। কেউ হলুদের ডালা গুছাচ্ছে, কেউ ফুলের ঝুড়ি হাতে নিয়ে এদিক-সেদিক ছুটছে, আবার কেউ আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে শেষবারের মতো নিজের সাজটা দেখে নিচ্ছে।তুর্য আর রিফাত দুজনেই হলুদ রঙের পাঞ্জাবি পরে নিয়েছে। দেখতে একদম জমজমাট লাগছে। ঈশানকেও অনেকবার বলা হয়েছে পাঞ্জাবি পরার জন্য, কিন্তু সে বরাবরের মতো নিজের মর্জির মালিক। সোজাসাপ্টা না করে দিয়েছে। নিজের পছন্দের পোশাকই পরে নিয়েছে।
অন্যদিকে ড্রয়িং রুমের এক কোণে সোফায় বসে আছে শুভ্র। বসে আছে বললেও ভুল হবে, রাগে রীতিমতো ফুটছে। বারবার বড় বড় শ্বাস নিচ্ছে। মুখটা এমন গোমড়া হয়ে আছে যেন এখনই কাউকে কামড়ে দেবে।কারণটা খুবই সিম্পল।তাদের ফ্যামিলির নিয়ম, গায়ে হলুদের দিন বর আর কনে একে অপরকে দেখতে পারবে না।আর সেই মহান নিয়মের বলি হয়ে পুরো পরিবার রিদিদের বাড়ি চলে গেলেও শুভ্রকে রেখে গেছে বাসায়।শুভ্রর মেজাজ তখন অলরেডি অফ।
তার উপর সকাল থেকে একবারও রিদিকে দেখতে পারেনি। মেয়েটা আজ কেমন করে সেজেছে, কি পরেছে, কতটা সুন্দর লাগছে, কিছুই দেখতে পারছে না।ফোন বের করে আবার কল দিল সে।
একবার।
দুইবার।
তিনবার।
চারবার।
কিন্তু কোনো লাভ হলো না।রিদি ফোনই ধরছে না।
শুভ্রর চোয়াল শক্ত হয়ে গেল। ফোনটা সোফার উপর ছুড়ে ফেলে মাথার চুলে হাত চালিয়ে বিরক্ত গলায় বিড়বিড় করে বলে,
“ওকে, ভেরি গুড। আমার ফোন ধরার টাইম নাই ম্যাডামের।”
আবার ফোনটা হাতে তুলে স্ক্রিনের দিকে তাকাল।কোনো কল ব্যাক নেই।কোনো মেসেজ নেই।শুভ্র এবার দাঁত কিঁচিয়ে বলে,
“শা’লির বান্দির বাচ্চা, আমার ফোন ধরিস না। কাল রাতে বুঝাবো আমি কি জিনিস। এত এটিটিউড দেখাস। তোরে যদি না কাঁদাইয়া ছাড়ছি, আমিও সাইফান শুভ্র চৌধুরী না।”
কথাটা বলে আবার কল দিল।ফোনটা এবারও বাজতেই থাকল।কিন্তু ওপাশ থেকে কোনো সাড়া এলো না।শুভ্র রাগে মাথা পেছনে ঠেকিয়ে চোখ বন্ধ করল। অথচ রাগের আড়ালে বুকের ভেতর অন্য এক অস্থিরতা কাজ করছে।সত্যি বলতে রাগটা রিদির উপর না।রাগটা এই কারণে যে আজ তার বউটা নিশ্চয়ই খুব সুন্দর করে সেজেছে, আর সে দেখতে পারছে না।আর এই ব্যাপারটাই শুভ্রর একদম টলারেট হচ্ছে না।
অন্যদিকে রিদিকে ঘিরে রেখেছে শুভ্রা, পাখি আর মিহি। পার্লার থেকে সাজিয়ে আনার পর যেন তাকে চেনাই দায় হয়ে গেছে। পরনে হলুদ রঙের সবুজ পাড়ের শাড়ি, সারা শরীরজুড়ে কাঁচা গাঁদা ফুল আর টাটকা লাল গোলাপের গয়না। মাথার পেছনে নিখুঁত করে বাঁধা খোঁপা, তার উপর গাঢ় সবুজ ঘোমটা। চোখে টানা কাজল, ঠোঁটে হালকা রঙ, মুখভর্তি লাজুক আভা। অনেকেই বলে বেশি সাজলে সৌন্দর্য চাপা পড়ে যায়, কিন্তু সেই কথা সবার ক্ষেত্রে খাটে না। রিদিকে আজ এতটাই সুন্দর লাগছে যে আশেপাশের সব মেয়ের মাঝেও সে আলাদা করে চোখে পড়ে যাচ্ছে। যেন গল্পের বই থেকে উঠে আসা কোনো রাজকন্যা।
শুভ্রা তো একের পর এক ছবি তুলেই যাচ্ছে। কখনো রিদিকে দাঁড় করিয়ে, কখনো ফুলের ঝুড়ি হাতে দিয়ে, আবার কখনো হাসতে বলে। উপর থেকে একের পর এক কল করে যাচ্ছে শুভ্র, কিন্তু শুভ্রা ইচ্ছে করেই ধরছে না। একটু জ্বালাক তার ভাইটাকে।
পাখিও ফোন হাতে ব্যস্ত। নানান এঙ্গেল থেকে ছবি তুলছে। পুরো বাড়িটা সন্ধ্যার আলোয় যেন রূপকথার রাজ্যে পরিণত হয়েছে। চারদিকে ঝলমলে লাইট, ফুলের সাজ, মানুষের কোলাহল। বক্সের শব্দে পুরো উঠান কাঁপছে। ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা ইতোমধ্যে নাচানাচি শুরু করে দিয়েছে। কেউ গান ধরছে, কেউ আবার তাল মেলাচ্ছে।
তবে এই আনন্দের মাঝেও রিদির মনটা কেমন যেন অস্থির। সারাদিনে শুভ্রর সাথে একটা কথাও বলা হয়নি। ফোনটাও রুমে পড়ে আছে। আর তাকে ঘিরে সবাই এমনভাবে বসে আছে যে একা হওয়ার সুযোগই মিলছে না।রিদির মুখটা একটু গম্ভীর হতে দেখে শুভ্রা দুই গাল টেনে দিয়ে বলে,
“ওলে আমার ভাবিটা বুঝি মন খারাপ করে বসে আছে। আমার ভাইয়ার সাথে কথা বলতে পারছে না তাই না।”
পাশ থেকে পাখি ছবি তুলতে তুলতেই হেসে বলে,
“এই যে মুখটা দেখ, একদম ধরা খেয়ে গেছে। সারাদিন কথা না বলতে পেরে অবস্থা খারাপ।”
রিদি লজ্জা পেয়ে মুখ ঘুরিয়ে নেয়।মিহি তখন দুষ্টু হাসি দিয়ে বলে,
“এই শুন একটা কথা, অনেক টিকটকে ক্যাপশন দেখেছি, বাসর রাত মানে ছেলেদের শান্তির রাত, আর মেয়েদের কষ্টের রাত, এইটা কি সত্যি?।”
শুভ্রা সঙ্গে সঙ্গে মিহির পিঠে হালকা একটা কিল বসিয়ে বলে,
“চুপ কর লুচ্চা বেডি। সব কথায় নাক গলাতে হবে তোর।”
মিহি মুখ ফুলিয়ে বলে,
“আমি তো শুধু প্রশ্ন করলাম।”
পাখি হেসে ওঠে।
“তোর প্রশ্নগুলাও না, এক নম্বরের বিপজ্জনক।”
তাদের কথায় আশেপাশে থাকা কয়েকজন মেয়েও হেসে ওঠে। আর লজ্জায় রিদির গাল দুটো টুকটুকে লাল হয়ে যায়। তাদের হাসাহাসির মাঝেই হঠাৎ আবার বেজে উঠল শুভ্রার ফোন। চারপাশে তখন গান বাজছে, মেয়েদের হাসির শব্দে পুরো ঘর মুখর। শুভ্রা অন্যমনস্ক ভঙ্গিতে ফোনটা হাতে নিল। স্ক্রিনে চোখ পড়তেই ভ্রু নাচিয়ে তাকাল।আবারও শুভ্র।
পাশে বসে থাকা রিদির চোখও স্ক্রিনে গিয়ে আটকাল। মুহূর্তেই তার বুকের ভেতরটা ধক করে উঠল। সারাদিন ধরে একটা কথাও বলতে পারেনি শুভ্রর সাথে। নিজের ফোনটাও রুমে পড়ে আছে। মানুষটা কতবার কল দিয়েছে কে জানে। ভাবতেই বুকের ভেতর কেমন একটা অপরাধবোধ কাজ করল।সে চুপচাপ শুভ্রার দিকে তাকাল।চোখ দুটো এমনিতেই কাজলে ভরা ছিল, তার উপর সারাদিনের ক্লান্তি আর অপেক্ষা মিশে ছলছল করে উঠেছে। কিছু বলল না, কিন্তু তার সেই অসহায় চাহনি দেখেই শুভ্রা বুঝে গেল।মেয়েটা শুভ্রর সাথে কথা বলতে চাইছে।
শুভ্রা আর দুষ্টুমি করল না। ঠোঁট কামড়ে কলটা রিসিভ করে কানে তুলল।ওপাশ থেকে সাথে সাথেই ভেসে এলো শুভ্রর ভারী, গম্ভীর আর স্পষ্ট বিরক্ত কণ্ঠ।
“থাপ্পড় চিনিস তুই।”
শুভ্রা আঁতকে উঠল।
“ভাইয়া।”
” দশবার ফোন দিছি, একবারও ধরার নাম নাই। কি করছিলি এতক্ষ?।”
কথাগুলো বলার সময় শুভ্রর গলায় এমন একটা চাপা রাগ ছিল, যেন সামনে পেলে সত্যিই দুইটা ঝাড়ি দিয়ে দিত।
শুভ্রা শুকনো ঢোক গিলে বলে।
“ইয়ে মানে ভাইয়া, আসলে ছবি তুলতেছিলাম।”
ওপাশ থেকে সাথে সাথে উত্তর এলো।
“ছবি তুলতেছিলি তো হাত ভাঙা ছিল নাকি। ফোন ধরতে সমস্যা কোথায় ছিল?।”
পাশে বসা পাখি মুখ চেপে হাসি আটকানোর চেষ্টা করছে। মিহি তো প্রায় গড়াগড়ি খাওয়ার অবস্থা।
শুভ্রা এবার মিনমিন করে বলে।
“সরি ভাইয়া।”
“বাড়ি আয় আগে। তারপর তোর সরি বের করছি।”
গম্ভীর গলাতেই কথাটা বলে শুভ্র।
রিদির ঠোঁটের কোণে অজান্তেই হাসি ফুটে উঠল।
শুভ্রা এবার প্রসঙ্গ পাল্টানোর জন্য তাড়াতাড়ি বলে,
“আচ্ছা ঠিক আছে, বলো কি দরকার।”
কয়েক সেকেন্ড নীরবতা।
তারপর শুভ্রর গলা আগের চেয়েও ভারী হয়ে এলো।
“রিদি কোথায়।”
মাত্র দুইটা শব্দ।কিন্তু শব্দ দুটোর ভেতরে সারাদিনের অপেক্ষা, বিরক্তি আর অস্থিরতা মিশে ছিল।রিদির বুকটা আবার ধক করে উঠল।শুভ্র আবার দাঁত চেপে বলে।
“ওইটাকে বল, আমার ধৈর্যের লিমিট শেষ হয়ে যাচ্ছে । সকাল থেকে কল দিতেছি। ম্যাডামের কোনো খবর নাই। ফোন রুমে রেখে ঘুরতেছে, না ইচ্ছা করে ধরতেছে না, ওইটা আমি পরে বোঝামু।”
একটু থেমে আবার বলে।
“আর শুন, আমার হাতে মা’র খাইতে না চাইলে পাঁচ মিনিটের মধ্যে ও যেন আমাকে কল দেয়। আই এম নট জোকিং।”
শুভ্রার সামনে বসে থাকা রিদির মুখটা লাল হয়ে উঠল।
পাখি চোখ টিপে তার দিকে তাকাল।মিহি মুখ চেপে হাসতে হাসতে বলে।
“উফফ, রিদির জন্য দেখি ভাইয়ার অবস্থা পুরাই ক্রিটিক্যাল।”
শুভ্র কল কেটে দিল।রিদির বুকটা কেঁপে উঠল। যেন ভেতরের অস্থিরতাটা আরও বেড়ে গেল। পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শুভ্রা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে রিদির কাঁধে হাত রাখল, তারপর হালকা গলায় বলে,
“যা, রুমে গিয়ে কথা বলে আয়। আমার ভাইয়াটাকে আর বেশি পাগল করিস না।”
চারপাশে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েরা খিলখিল করে হেসে উঠল। রিদি লজ্জায় মাথা নিচু করে দ্রুত সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠে গেল।রুমে ঢুকেই দরজা বন্ধ করে সে বিছানার দিকে ছুটে গেল। বালিশের নিচে রাখা ফোনটা হাতে নিতেই পাওয়ার অন করল।পরের মুহূর্তেই তার চোখ থমকে গেল।স্ক্রিনে ভেসে উঠছে।২০৮ টা মিসড কল।সবই শুভ্রের নাম্বার থেকে।রিদির বুকটা ধক করে উঠল। আঙুল কেঁপে উঠল। মানুষটা যে সত্যিই ভীষণ রেগে আছে, সেটা বুঝতে আর এক সেকেন্ডও লাগল না।সে অনেক কষ্টে নিজেকে সামলে ফোনটা ডায়াল করল।মাত্র দুই সেকেন্ড।তারপরই রিসিভ হয়ে গেল।যেন ওই পাশের মানুষটা শুধু এই কলটারই অপেক্ষায় ছিল।রিদি থরথর করে কাঁপতে থাকা হাত দিয়ে ফোনটা কানে তুলল।ওপাশে প্রথমে শুধু শ্বাসের শব্দ।ভারী, গভীর, অস্থির।কিছুক্ষণ দুজনেই চুপ।যেন কথা নয়, একে অপরের নিঃশ্বাসই বুঝতে চাইছে।
তারপর শুভ্র ধীরে, গম্ভীর গলায় বলে উঠল।
“সারা দিন কতবার কল দিছি আপনাকে?”
রিদির গলা কেঁপে উঠল। সে খুব আস্তে বলে,
“দুই’শ আটটা।”
শুভ্র আবার বলে,
“আপনি কি একটা বারও কল ধরেছেন?”
“না।”
একটু থেমে আবার প্রশ্ন আসে,
“হোয়াই?”
রিদি ঠোঁট ভিজিয়ে নেয়। কণ্ঠ ভাঙা ভাঙা হয়ে আসে।
“ফোন রুমে ছিল। আমি নিচে ছিলাম। কেউ যেতে দেয়নি। সরি।”
ওপাশে আবার নীরবতা।তারপর শুভ্র গভীর শ্বাস নিয়ে গম্ভীর গলায় বলে,
“ভিডিও কল দিচ্ছি।”
বলেই শুভ্র ফোন কেটে ভিডিও কল দিল। রিদি নিজের মুখটা স্বাভাবিক করে ফোনটা রিসিভ করে সামনে গেল। ওপাশে শুভ্রর ঘরের বাতিটা মৃদু জ্বলছে। শুভ্র রিদির দিকে প্রথম স্বাভাবিক চোখে তাকাল কিন্তু এক মুহূর্তের মধ্যেই তার চোখের মণি স্থির হয়ে এলো আর দৃষ্টি জোড়া হয়ে উঠল বিপজ্জনক রকমের নেশালো। রিদির মাথায় গাঢ় গোলাপ আর গাদা ফুলের টিকলি কানের দোল গলার হার আর ঠোঁটে লিপস্টিক মাখা সেই মায়াবী রূপ দেখে শুভ্রর গলা শুকিয়ে গেল। সে ধীরস্থির কণ্ঠে অস্ফুট স্বরে বলে।
“মাশআল্লাহ আমার বউটাকে দারুণ সুন্দর লাগছে।”
রিদি লজ্জায় এক হাত দিয়ে মুখ ঢেকে ফেলল। শুভ্রর গলা দিয়ে একটা খসখসে হাসির শব্দ বেরিয়ে এল, যা রিদির শরীরের ভেতর দিয়ে এক অদ্ভুত শিহরণ বয়ে নিয়ে গেল। শুভ্র অগোছালো হয়ে নিজের মাথার চুলগুলোকে এক ঝটকায় পেছনের দিকে সরিয়ে দিয়ে বলে।
“ওরে আমার লাজুকি বউটা দেখি আবার লজ্জাও পায়। তা ম্যাডাম আপনি কি জানেন আপনার এই সৌন্দর্য আমাকে ভিতর থেকে পাগল করে দিচ্ছে? আমার বুকের ভেতর যে ঝড় তুলে দিচ্ছে তাতে আমি পুরো এলোমেলো আর অগোছালো হয়ে যাচ্ছি।”
বলেই শুভ্র প্রচণ্ডভাবে ঘামতে শুরু করল। তার চোখের মণি লাল হয়ে উঠল আর সে বড় বড় নিশ্বাস ফেলতে লাগল। রিদির এই রূপ দেখার পর তার নিজেকে কেমন যেন বন্য আর পাগল পাগল লাগছে। সে নিজের শার্টের কলারটা দুই আঙুল দিয়ে টেনে একটু ঢিলে করে দিল এবং অস্থিরতায় বারবার নিচের ঠোঁট কামড়ে ধরে ফোনের দিকে তাকিয়ে দাঁতে দাঁত চেপে উত্তেজিত কণ্ঠে বলে।
“মাফ কর বউ। তোর এই সৌন্দর্য দেখার ক্ষমতা এই মুহূর্তে আমার নেই। আই অ্যাম জাস্ট লুজিং মাই মাইন্ড, ইট ইজ ড্রাইভিং মি ক্রেজি। আর এক সেকেন্ড যদি তুই এভাবে আমার সামনে থাকিস তবে আমি কাল রাত পর্যন্ত ধৈর্য ধরতে পারবো না। বাই সোনা। আমার এই অবস্থা করার জন্য সব কাল রাতে সুদে-আসলে উসুল করে নিবো।”
বলেই কলের লাইন কেটে গেল। রিদি স্তব্ধ হয়ে ফোনের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে রইল। কী হলো? শুভ্র কেন এভাবে হুট করে কল কেটে দিল।
রানিং…!
Share On:
TAGS: অসম্ভব রকম ভালোবাসি তোমায়, সুমি চৌধুরী
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
অসম্ভব রকম ভালোবাসি তোমায় পর্ব ৭
-
অসম্ভব রকম ভালোবাসি তোমায় পর্ব ৪৪
-
বাঁধন রূপের অধিকারী গল্পের লিংক
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ৬৭
-
অসম্ভব রকম ভালোবাসি তোমায় পর্ব ২৭
-
অসম্ভব রকম ভালোবাসি তোমায় পর্ব ৩৭
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ৫৯
-
অসম্ভব রকম ভালোবাসি তোমায় পর্ব ২৯
-
অসম্ভব রকম ভালোবাসি তোমায় পর্ব ৫৩
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব সারপ্রাইজ